ইন শা আল্লাহ এখন আমরা জানার চেষ্টা করবো যে Behavior profile থেকে এই Tech Company এবং Social Media প্ল্যাটফর্মগুলোর কী লাভ হয় এবং ইউজারের জন্য নিরাপত্তার কোন জায়গায় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
১. বেশি বিজ্ঞাপন আয়
যদি কোম্পানি জানে আপনি কী পছন্দ করেন, তাহলে এমন বিজ্ঞাপন দেখাতে পারে যেটিতে ক্লিক করার সম্ভাবনা বেশি। এতে বিজ্ঞাপনদাতারা বেশি টাকা দিতে রাজি হয়।
২. আপনাকে বেশি সময় প্ল্যাটফর্মে রাখা
কোন ভিডিও, পোস্ট বা খবর আপনাকে বেশি আকর্ষণ করে তা বুঝে অ্যালগরিদম সেই ধরনের কনটেন্ট আরও বেশি দেখায়। এতে ব্যবহারকারীর স্ক্রিন টাইম বাড়ে।
৩. ভবিষ্যৎ আচরণ অনুমান
আপনি কী কিনতে পারেন, কোথায় যেতে পারেন, কোন বিষয়ে আগ্রহী হতে পারেন—এসবের সম্ভাব্য পূর্বাভাস তৈরি করা যায়।
৪. নতুন পণ্য বিক্রি
কোম্পানি বুঝতে পারে কোন ব্যবহারকারীর কাছে কোন পণ্য বা সার্ভিস বিক্রির সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
৫. প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা
যার কাছে বেশি behavioral data থাকে, তার AI ও recommendation system আরও বেশি শক্তিশালী হয়।
১. Privacy হারানো
আপনি কী সার্চ করেন, কী দেখেন, কোথায় যান, কার সাথে যোগাযোগ করেন—এসব নিয়ে অত্যন্ত বিস্তারিত ধারণা তৈরি হতে পারে। অনেক ব্যবহারকারী জানেনও না কত ডেটা সংগ্রহ করা হচ্ছে।
২. Manipulation বা প্রভাবিত হওয়া
আপনার দুর্বলতা, ভয়, রাগ, আগ্রহ বা আবেগ বুঝে কনটেন্ট ও বিজ্ঞাপন দেখানো হলে আপনার সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হতে পারে।
উদাহরণ:
৩. Filter Bubble
অ্যালগরিদম সব সময় আপনার পছন্দের মত জিনিস দেখালে ভিন্ন মতামত কম দেখতে পান। ফলে বাস্তব পৃথিবীর চেয়ে সংকীর্ণ তথ্যজগতে আটকে যেতে পারেন। ফলে স্বাধীনভাবে একজন মানুষের চিন্তা করার ক্ষমতা হ্রাস পায়।
৪. Data Breach
যদি কোম্পানির ডেটাবেস হ্যাক হয় বা তথ্য ফাঁস হয়, তাহলে ব্যক্তিগত তথ্য অন্যের হাতে যেতে পারে।
৫. Targeted Scam
প্রোফাইলিং ডেটা ব্যবহার করে প্রতারকরা আরও বিশ্বাসযোগ্য phishing বা scam করতে পারে।
উদাহরণ:
৬. ভুল প্রোফাইলিং
AI সব সময় ঠিক হয় না। গবেষণায় দেখা গেছে behavioral profile-এ উল্লেখযোগ্য ভুল থাকতে পারে। ভুল অনুমানের কারণে ভুল বিজ্ঞাপন, ভুল শ্রেণিবিন্যাস বা ভুল সিদ্ধান্ত হতে পারে।
৭. Discrimination
কিছু ক্ষেত্রে অ্যালগরিদম মানুষকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করে আলাদা সুযোগ বা অফার দেখাতে পারে। এতে পক্ষপাত বা বৈষম্যের ঝুঁকি তৈরি হয়।
৮. Cross-Platform Tracking
একটি অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে আপনার আচরণ অন্য জায়গার ডেটার সাথে মিলিয়ে বড় প্রোফাইল তৈরি করা হতে পারে।
অনেক মানুষ ভাবেন "ডেটা মানে শুধু নাম বা ফোন নম্বর"। বাস্তবে behavioral profile আরও আলদা হতে পারে, কারণ "আপনি কে" এর চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ "আপনি কী করতে পারেন" তা বুঝার চেষ্টা করাই এই behavioral profile এর মূল কাজ।
যদি কোনো সিস্টেম যথেষ্ট ডেটা পায় তাহলে কখন আপনি অনলাইনে থাকবেন, কী কিনতে পারেন, কোন বিষয়ে দুর্বল, কোন ধরনের কনটেন্টে প্রতিক্রিয়া দেবেন—এসবের সম্ভাবনা অনুমান করতে পারে।
আগের পর্বঃ
Behavior Profile পর্ব ১ || Behavior Profile কি এবং কেনো ব্যবহার করা হয়
- https://dawahilallah.com/forum/মূল-ফ...
Tech Company এবং Social Media প্ল্যাটফর্মগুলোর কী লাভ হয়?
১. বেশি বিজ্ঞাপন আয়
যদি কোম্পানি জানে আপনি কী পছন্দ করেন, তাহলে এমন বিজ্ঞাপন দেখাতে পারে যেটিতে ক্লিক করার সম্ভাবনা বেশি। এতে বিজ্ঞাপনদাতারা বেশি টাকা দিতে রাজি হয়।
২. আপনাকে বেশি সময় প্ল্যাটফর্মে রাখা
কোন ভিডিও, পোস্ট বা খবর আপনাকে বেশি আকর্ষণ করে তা বুঝে অ্যালগরিদম সেই ধরনের কনটেন্ট আরও বেশি দেখায়। এতে ব্যবহারকারীর স্ক্রিন টাইম বাড়ে।
৩. ভবিষ্যৎ আচরণ অনুমান
আপনি কী কিনতে পারেন, কোথায় যেতে পারেন, কোন বিষয়ে আগ্রহী হতে পারেন—এসবের সম্ভাব্য পূর্বাভাস তৈরি করা যায়।
৪. নতুন পণ্য বিক্রি
কোম্পানি বুঝতে পারে কোন ব্যবহারকারীর কাছে কোন পণ্য বা সার্ভিস বিক্রির সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
৫. প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা
যার কাছে বেশি behavioral data থাকে, তার AI ও recommendation system আরও বেশি শক্তিশালী হয়।
ইউজারের জন্য নিরাপত্তার কোন জায়গায় ঝুঁকি তৈরি করে?
১. Privacy হারানো
আপনি কী সার্চ করেন, কী দেখেন, কোথায় যান, কার সাথে যোগাযোগ করেন—এসব নিয়ে অত্যন্ত বিস্তারিত ধারণা তৈরি হতে পারে। অনেক ব্যবহারকারী জানেনও না কত ডেটা সংগ্রহ করা হচ্ছে।
২. Manipulation বা প্রভাবিত হওয়া
আপনার দুর্বলতা, ভয়, রাগ, আগ্রহ বা আবেগ বুঝে কনটেন্ট ও বিজ্ঞাপন দেখানো হলে আপনার সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হতে পারে।
উদাহরণ:
- কী কিনবেন
- কাকে ভোট দেবেন
- কোন খবর বিশ্বাস করবেন
- কোন বিষয়ে রাগান্বিত হবেন
৩. Filter Bubble
অ্যালগরিদম সব সময় আপনার পছন্দের মত জিনিস দেখালে ভিন্ন মতামত কম দেখতে পান। ফলে বাস্তব পৃথিবীর চেয়ে সংকীর্ণ তথ্যজগতে আটকে যেতে পারেন। ফলে স্বাধীনভাবে একজন মানুষের চিন্তা করার ক্ষমতা হ্রাস পায়।
৪. Data Breach
যদি কোম্পানির ডেটাবেস হ্যাক হয় বা তথ্য ফাঁস হয়, তাহলে ব্যক্তিগত তথ্য অন্যের হাতে যেতে পারে।
৫. Targeted Scam
প্রোফাইলিং ডেটা ব্যবহার করে প্রতারকরা আরও বিশ্বাসযোগ্য phishing বা scam করতে পারে।
উদাহরণ:
- আপনার শখ জানে
- আপনার চাকরি জানে
- আপনার ব্যাংক বা পছন্দের ব্র্যান্ড জানে
৬. ভুল প্রোফাইলিং
AI সব সময় ঠিক হয় না। গবেষণায় দেখা গেছে behavioral profile-এ উল্লেখযোগ্য ভুল থাকতে পারে। ভুল অনুমানের কারণে ভুল বিজ্ঞাপন, ভুল শ্রেণিবিন্যাস বা ভুল সিদ্ধান্ত হতে পারে।
৭. Discrimination
কিছু ক্ষেত্রে অ্যালগরিদম মানুষকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করে আলাদা সুযোগ বা অফার দেখাতে পারে। এতে পক্ষপাত বা বৈষম্যের ঝুঁকি তৈরি হয়।
৮. Cross-Platform Tracking
একটি অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে আপনার আচরণ অন্য জায়গার ডেটার সাথে মিলিয়ে বড় প্রোফাইল তৈরি করা হতে পারে।
অনেক মানুষ ভাবেন "ডেটা মানে শুধু নাম বা ফোন নম্বর"। বাস্তবে behavioral profile আরও আলদা হতে পারে, কারণ "আপনি কে" এর চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ "আপনি কী করতে পারেন" তা বুঝার চেষ্টা করাই এই behavioral profile এর মূল কাজ।
যদি কোনো সিস্টেম যথেষ্ট ডেটা পায় তাহলে কখন আপনি অনলাইনে থাকবেন, কী কিনতে পারেন, কোন বিষয়ে দুর্বল, কোন ধরনের কনটেন্টে প্রতিক্রিয়া দেবেন—এসবের সম্ভাবনা অনুমান করতে পারে।
আগের পর্বঃ
Behavior Profile পর্ব ১ || Behavior Profile কি এবং কেনো ব্যবহার করা হয়
- https://dawahilallah.com/forum/মূল-ফ...