ত্বগুত সরকারের অধীনে সামরিক বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলো behavioral profile, social media data, communication pattern এবং network analysis ব্যবহার করে সম্ভাব্য জিহাদী দলের নেটওয়ার্ক শনাক্ত করার চেষ্টা করে।
১. Network Analysis
তদন্তকারীরা দেখতে পারে:
২. Social Media Activity Analysis
৩. Behavior Pattern Detection
AI বা বিশ্লেষণী সিস্টেম কখনও খুঁজে দেখে:
৪. Open Source Intelligence (OSINT)
পাবলিক পোস্ট, ছবি, ভিডিও, মন্তব্য, প্রোফাইল তথ্য বিশ্লেষণ করে:
৫. Multiple Identity Linking
কেউ যদি একাধিক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে, গবেষণায় দেখা গেছে ভাষার ধরন, সামাজিক যোগাযোগের প্যাটার্ন এবং অন্যান্য ডিজিটাল বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট একই ব্যক্তির হতে পারে কিনা তা অনুমান করা যায়।
৬. Facial Recognition ও Visual Analysis
কিছু ক্ষেত্রে ছবি বা ভিডিও থেকে পরিচয় শনাক্ত করা, পরিচিত সন্দেহভাজনদের সাথে মিল খোঁজা এবং নির্দিষ্ট স্থানে উপস্থিতি যাচাই করা হয়।
কিন্তু কিছু সীমাবদ্ধতা আছে কারণ Behavioral profiling শতভাগ নির্ভুল নয়। তাই একজন ব্যক্তি কৌতূহলবশত অথবা গবেষণার জন্য কোনো বিষয় পড়তে পারেন কিংবা সাংবাদিক হতে পারেন, মজা করে কিছু পোস্ট করতে পারেন কিন্তু তবুও অ্যালগরিদম ভুলভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করতে পারে। এ কারণেই শুধুমাত্র AI স্কোর বা behavioral profile সাধারণত চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে ধরা হয় না; মানব তদন্ত, গোয়েন্দা তথ্য এবং আইনি প্রক্রিয়াও লাগে।
অনেকের ধারণা পোস্ট বা লাইক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বাস্তবে তদন্তকারীদের কাছে প্রায়ই বেশি মূল্যবান হয়:
সামরিক বাহিনী বা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো অনেক সময় একজন ব্যক্তির surface web (Facebook, X, Instagram, Gmail ইত্যাদি) এবং dark web অথবা জিহাদী ফোরামের সাথে পরিচয়ের সম্পর্ক খুঁজে বের করার চেষ্টা করে। তবে সাধারণত তারা কোনো একক জাদুকরী পদ্ধতিতে এটা করে না; বরং অনেক ছোট ছোট সূত্র একত্র করে।
১. Writing Style (Stylometry)
মানুষের লেখার ধরন অনেকটা আঙুলের ছাপের মতো হতে পারে:
২. Username Reuse
অনেকেই Facebook, Telegram এ যেই ধরণের নাম ব্যবহার করে ঠিক একই নাম ডার্ক ওয়েব অথবা জিহাদী ফোরামেও ব্যবহার করে। একটি ছোট মিলও কখনও বড় সূত্র হয়ে যেতে পারে।
৩. Time Pattern Analysis
ধরা যাক একজন ব্যক্তি প্রতিদিন রাত ২টায় Facebook ব্যবহার করে এবং একই সময়ে জিহাদী ফোরামেও পোস্ট দেয়। এ ধরনের আচরণগত মিল তদন্তে সহায়তা করতে পারে।
৪. Social Network Mapping
যদি Surface web-এ ৫ জনের সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ থাকে এবং Dark web-এও একই ধরনের ছোট নেটওয়ার্ক দেখা যায় তাহলে সম্পর্কের সম্ভাবনা খোঁজার চেষ্টা করা হয়।
৫. Cryptocurrency Tracing
অনেক মনে করে ক্রিপ্টো সম্পূর্ণ অজ্ঞাতনামা।
বাস্তবে:
৬. OPSEC Mistakes (Operational Security Mistakes)
সবচেয়ে সাধারণ কারণগুলোর একটি।
উদাহরণ:
৭. Device Fingerprinting
কিছু ক্ষেত্রে:
৮. Undercover Operations
অনেক বড় মামলায় গোয়েন্দারা ভুয়া পরিচয়ে গ্রুপে ঢোকে, বিশ্বাস অর্জন করে, দীর্ঘ সময় পর্যবেক্ষণ করে এবং সেখান থেকে বাস্তব পরিচয়ের সূত্র পায়।
৮. Ai Chatbot Pattern Analysis
এখানে দেখা হয় আপনি কিভাবে বিভিন্ন Ai Chatbot (Chatgpt, Gemini, Meta Ai)এর সাথে কথা বলেন, আপনার কথার স্টাইল কেমন এবং কেমন উত্তর আপনার পছন্দ এইরকম সব তথ্য একটা তালিকা এর মধ্যে তৈরি করা হয়।তারপর আপনার ব্যক্তিগত একাউন্ট এবং টরের মাধ্যমে তৈরি করা আপনার গোপন একাউন্ট এর সাথে আপনার কথার (Chat History) মিল খুঁজার চেষ্টা করা হয় বিভিন্ন Ai Tool দ্বারা।
এভাবেই একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলের সাথে বিভিন্ন গোপন ফোরামের আইডির মিল খুঁজে বের করার চেষ্টা করে।
মূল কথা হচ্ছে behavioral profile সরকারকে সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি বা নেটওয়ার্ক খুঁজে বের করার সূত্র দিতে পারে এবং এটি তদন্তের একটি অংশ মাত্র।
আগের পর্বঃ
Behavior Profile পর্ব ১ || Behavior Profile কি এবং কেনো ব্যবহার করা হয়
- https://dawahilallah.com/forum/মূল-ফ...�তি/216047
Behavior Profile পর্ব ২ || Tech Company এবং Social Media প্ল্যাটফর্মগুলোর কী লাভ হয় এবং ইউজারের জন্য নিরাপত্তার কোন জায়গায় ঝুঁকি তৈরি করে
- https://dawahilallah.com/forum/মূল-ফ...
যেভাবে জিহাদী দলের নেটওয়ার্ক শনাক্ত করা হয়
১. Network Analysis
তদন্তকারীরা দেখতে পারে:
- কার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে
- কোন গ্রুপ বা চ্যানেলে সক্রিয়
- পরিচিত সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের কারও সাথে সংযোগ আছে কি না
২. Social Media Activity Analysis
- উগ্রবাদী কনটেন্ট শেয়ার করা
- নিয়োগ (recruitment) কার্যক্রমে অংশ নেওয়া
- সহিংসতার প্রচারণা
- সন্দেহজনক গ্রুপ বা চ্যানেলে সক্রিয়তা
৩. Behavior Pattern Detection
AI বা বিশ্লেষণী সিস্টেম কখনও খুঁজে দেখে:
- আচরণে হঠাৎ বড় পরিবর্তন
- চরমপন্থী কনটেন্টে দ্রুত আগ্রহ বৃদ্ধি
- পরিচিত উগ্রবাদী নেটওয়ার্কের সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধি
৪. Open Source Intelligence (OSINT)
পাবলিক পোস্ট, ছবি, ভিডিও, মন্তব্য, প্রোফাইল তথ্য বিশ্লেষণ করে:
- অবস্থান
- পরিচিতজন
- ভ্রমণ প্যাটার্ন
- কার্যকলাপ
৫. Multiple Identity Linking
কেউ যদি একাধিক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে, গবেষণায় দেখা গেছে ভাষার ধরন, সামাজিক যোগাযোগের প্যাটার্ন এবং অন্যান্য ডিজিটাল বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট একই ব্যক্তির হতে পারে কিনা তা অনুমান করা যায়।
৬. Facial Recognition ও Visual Analysis
কিছু ক্ষেত্রে ছবি বা ভিডিও থেকে পরিচয় শনাক্ত করা, পরিচিত সন্দেহভাজনদের সাথে মিল খোঁজা এবং নির্দিষ্ট স্থানে উপস্থিতি যাচাই করা হয়।
কিন্তু কিছু সীমাবদ্ধতা আছে কারণ Behavioral profiling শতভাগ নির্ভুল নয়। তাই একজন ব্যক্তি কৌতূহলবশত অথবা গবেষণার জন্য কোনো বিষয় পড়তে পারেন কিংবা সাংবাদিক হতে পারেন, মজা করে কিছু পোস্ট করতে পারেন কিন্তু তবুও অ্যালগরিদম ভুলভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করতে পারে। এ কারণেই শুধুমাত্র AI স্কোর বা behavioral profile সাধারণত চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে ধরা হয় না; মানব তদন্ত, গোয়েন্দা তথ্য এবং আইনি প্রক্রিয়াও লাগে।
অনেকের ধারণা পোস্ট বা লাইক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বাস্তবে তদন্তকারীদের কাছে প্রায়ই বেশি মূল্যবান হয়:
- যোগাযোগ নেটওয়ার্ক (কার সাথে যুক্ত)
- অবস্থান ও চলাচলের প্যাটার্ন
- আর্থিক লেনদেনের সূত্র
- ভ্রমণ ইতিহাস
- অনলাইন ও অফলাইন কার্যকলাপের মিল
যেভাবে ব্যক্তিগত সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্টের সাথে জিহাদী ফোরামে একাউন্টের মিল খুঁজে বের করা হয়
সামরিক বাহিনী বা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো অনেক সময় একজন ব্যক্তির surface web (Facebook, X, Instagram, Gmail ইত্যাদি) এবং dark web অথবা জিহাদী ফোরামের সাথে পরিচয়ের সম্পর্ক খুঁজে বের করার চেষ্টা করে। তবে সাধারণত তারা কোনো একক জাদুকরী পদ্ধতিতে এটা করে না; বরং অনেক ছোট ছোট সূত্র একত্র করে।
১. Writing Style (Stylometry)
মানুষের লেখার ধরন অনেকটা আঙুলের ছাপের মতো হতে পারে:
- বানানের ভুল
- নির্দিষ্ট শব্দের ব্যবহার
- বাক্য গঠনের ধরন
- ইমোজি ব্যবহারের অভ্যাস
২. Username Reuse
অনেকেই Facebook, Telegram এ যেই ধরণের নাম ব্যবহার করে ঠিক একই নাম ডার্ক ওয়েব অথবা জিহাদী ফোরামেও ব্যবহার করে। একটি ছোট মিলও কখনও বড় সূত্র হয়ে যেতে পারে।
৩. Time Pattern Analysis
ধরা যাক একজন ব্যক্তি প্রতিদিন রাত ২টায় Facebook ব্যবহার করে এবং একই সময়ে জিহাদী ফোরামেও পোস্ট দেয়। এ ধরনের আচরণগত মিল তদন্তে সহায়তা করতে পারে।
৪. Social Network Mapping
যদি Surface web-এ ৫ জনের সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ থাকে এবং Dark web-এও একই ধরনের ছোট নেটওয়ার্ক দেখা যায় তাহলে সম্পর্কের সম্ভাবনা খোঁজার চেষ্টা করা হয়।
৫. Cryptocurrency Tracing
অনেক মনে করে ক্রিপ্টো সম্পূর্ণ অজ্ঞাতনামা।
বাস্তবে:
- Wallet-to-wallet ট্রান্সফার
- Exchange account
- Cash-out point
৬. OPSEC Mistakes (Operational Security Mistakes)
সবচেয়ে সাধারণ কারণগুলোর একটি।
উদাহরণ:
- ব্যক্তিগত ইমেইল ব্যবহার করা
- একই প্রোফাইল ছবি ব্যবহার করা
- কোথায় থাকে সে সম্পর্কে তথ্য ফাঁস করা
- পরিচিত কোনো ফোন নম্বর ব্যবহার করা
৭. Device Fingerprinting
কিছু ক্ষেত্রে:
- ব্রাউজার সেটিং
- স্ক্রিন রেজোলিউশন
- ভাষা সেটিং
- টাইপিং প্যাটার্ন
৮. Undercover Operations
অনেক বড় মামলায় গোয়েন্দারা ভুয়া পরিচয়ে গ্রুপে ঢোকে, বিশ্বাস অর্জন করে, দীর্ঘ সময় পর্যবেক্ষণ করে এবং সেখান থেকে বাস্তব পরিচয়ের সূত্র পায়।
৮. Ai Chatbot Pattern Analysis
এখানে দেখা হয় আপনি কিভাবে বিভিন্ন Ai Chatbot (Chatgpt, Gemini, Meta Ai)এর সাথে কথা বলেন, আপনার কথার স্টাইল কেমন এবং কেমন উত্তর আপনার পছন্দ এইরকম সব তথ্য একটা তালিকা এর মধ্যে তৈরি করা হয়।তারপর আপনার ব্যক্তিগত একাউন্ট এবং টরের মাধ্যমে তৈরি করা আপনার গোপন একাউন্ট এর সাথে আপনার কথার (Chat History) মিল খুঁজার চেষ্টা করা হয় বিভিন্ন Ai Tool দ্বারা।
এভাবেই একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলের সাথে বিভিন্ন গোপন ফোরামের আইডির মিল খুঁজে বের করার চেষ্টা করে।
মূল কথা হচ্ছে behavioral profile সরকারকে সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি বা নেটওয়ার্ক খুঁজে বের করার সূত্র দিতে পারে এবং এটি তদন্তের একটি অংশ মাত্র।
আগের পর্বঃ
Behavior Profile পর্ব ১ || Behavior Profile কি এবং কেনো ব্যবহার করা হয়
- https://dawahilallah.com/forum/মূল-ফ...�তি/216047
Behavior Profile পর্ব ২ || Tech Company এবং Social Media প্ল্যাটফর্মগুলোর কী লাভ হয় এবং ইউজারের জন্য নিরাপত্তার কোন জায়গায় ঝুঁকি তৈরি করে
- https://dawahilallah.com/forum/মূল-ফ...