আমরা পুরো জীবন কাটিয়ে দিয়েই একটা সুন্দর ভবিষ্যতের চিন্তায়। অথচ আজকের দিনটাও কী অসম্ভব সুন্দর সেটা অনুভবের সময় থাকে না।
প্রিয় ভাই!
জীবন কোনো ফুলশয্যা নয়। জীবনে জটিলতা থাকবেই। এবং এ জটিলতা আপনি ততক্ষণ পর্যন্ত কাটিয়ে উঠতে পারবেন না, যতক্ষণ না আল্লাহ ফায়সালা করেন। এবং প্রত্যেকটা জিনিস ঘটার জন্য একটি নির্ধারিত সময়ের প্রয়োজন।
সা‘দ ইবনু মালেক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! মানুষের মাঝে কার বিপদের পরীক্ষা সবচেয়ে কঠিন হয়? তিনি বললেন, 'নবীদের বিপদের পরীক্ষা, তারপর যারা নেককার তাদের, এরপর যারা নেককার তাদের বিপদের পরীক্ষা। মানুষকে তার ধর্মানুরাগের অনুপাত অনুসারে পরীক্ষা করা হয়। তুলনামূলকভাবে যে লোক বেশি ধার্মিক, তার পরীক্ষাও সে অনুপাতে কঠিন হয়ে থাকে আর যদি কেউ তার দীনের ক্ষেত্রে শিথিল হয়ে থাকে, তাহলে তাকে সে মোতাবেক পরীক্ষা করা হয়। অতএব, বান্দার উপর বিপদাপদ লেগেই থাকে, অবশেষে তা তাকে এমন অবস্থায় ছেড়ে দেয় যে, সে যমীনে চলাফেরা করে; অথচ তার কোনো গুনাহই থাকে না'। [তিরমিযী, হাদীস: ২৩৯৮]
আনাস রদি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, 'আল্লাহ তাআলা যখন তার কোনো বান্দার কল্যাণ সাধন করতে চান, তখন তাড়াতাড়ি দুনিয়াতে তাকে বিপদে পতিত করেন আর যখন তিনি তার কোনো বান্দার অকল্যাণ সাধন করতে চান, তখন তাকে তার অপরাধের শাস্তি প্রদান হতে বিরত থাকেন। তারপর কিয়ামাতের দিন তিনি তাকে পুরোপুরি শাস্তি দেন’। [তিরমিযী: ২৩৯৬]
আনাস ইবনু মালেক হতে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, 'বিপদ যত মারাত্মক হবে, প্রতিদানও তত বড় হবে। আল্লাহ তাআলা যখন কোনো জাতিকে ভালোবাসেন, তখন তাদেরকে (বিপদে ফেলে) পরীক্ষা করেন। যে লোক তাতে (বিপদে) সন্তুষ্ট থাকে, তার জন্য (আল্লাহ তাআলার) সন্তুষ্টি বিদ্যমান আর যে লোক তাতে অসন্তুষ্ট হয়, তার জন্য (আল্লাহ তাআলার) অসন্তুষ্টি বিদ্যমান'। [তিরমিযী: ২৩৯৬, ইবনু মাজাহ: ৪০৩১]
জীবনের সকল জটিলতা কখনোই এক মুহূর্ত আগেও শেষ হবে না পরেও শেষ হবে না। নির্ধারিত সময়ে শেষ হবে।
- আফিফ আমিরি
প্রিয় ভাই!
জীবন কোনো ফুলশয্যা নয়। জীবনে জটিলতা থাকবেই। এবং এ জটিলতা আপনি ততক্ষণ পর্যন্ত কাটিয়ে উঠতে পারবেন না, যতক্ষণ না আল্লাহ ফায়সালা করেন। এবং প্রত্যেকটা জিনিস ঘটার জন্য একটি নির্ধারিত সময়ের প্রয়োজন।
সা‘দ ইবনু মালেক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! মানুষের মাঝে কার বিপদের পরীক্ষা সবচেয়ে কঠিন হয়? তিনি বললেন, 'নবীদের বিপদের পরীক্ষা, তারপর যারা নেককার তাদের, এরপর যারা নেককার তাদের বিপদের পরীক্ষা। মানুষকে তার ধর্মানুরাগের অনুপাত অনুসারে পরীক্ষা করা হয়। তুলনামূলকভাবে যে লোক বেশি ধার্মিক, তার পরীক্ষাও সে অনুপাতে কঠিন হয়ে থাকে আর যদি কেউ তার দীনের ক্ষেত্রে শিথিল হয়ে থাকে, তাহলে তাকে সে মোতাবেক পরীক্ষা করা হয়। অতএব, বান্দার উপর বিপদাপদ লেগেই থাকে, অবশেষে তা তাকে এমন অবস্থায় ছেড়ে দেয় যে, সে যমীনে চলাফেরা করে; অথচ তার কোনো গুনাহই থাকে না'। [তিরমিযী, হাদীস: ২৩৯৮]
আনাস রদি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, 'আল্লাহ তাআলা যখন তার কোনো বান্দার কল্যাণ সাধন করতে চান, তখন তাড়াতাড়ি দুনিয়াতে তাকে বিপদে পতিত করেন আর যখন তিনি তার কোনো বান্দার অকল্যাণ সাধন করতে চান, তখন তাকে তার অপরাধের শাস্তি প্রদান হতে বিরত থাকেন। তারপর কিয়ামাতের দিন তিনি তাকে পুরোপুরি শাস্তি দেন’। [তিরমিযী: ২৩৯৬]
আনাস ইবনু মালেক হতে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, 'বিপদ যত মারাত্মক হবে, প্রতিদানও তত বড় হবে। আল্লাহ তাআলা যখন কোনো জাতিকে ভালোবাসেন, তখন তাদেরকে (বিপদে ফেলে) পরীক্ষা করেন। যে লোক তাতে (বিপদে) সন্তুষ্ট থাকে, তার জন্য (আল্লাহ তাআলার) সন্তুষ্টি বিদ্যমান আর যে লোক তাতে অসন্তুষ্ট হয়, তার জন্য (আল্লাহ তাআলার) অসন্তুষ্টি বিদ্যমান'। [তিরমিযী: ২৩৯৬, ইবনু মাজাহ: ৪০৩১]
জীবনের সকল জটিলতা কখনোই এক মুহূর্ত আগেও শেষ হবে না পরেও শেষ হবে না। নির্ধারিত সময়ে শেষ হবে।
- আফিফ আমিরি