এ ধরনের সাথীরা মূলত আল্লাহর ইবাদাত নয় বরং প্রকারন্তরে মানুষের ইবাদাত করেছে । আবু বাকর আলহিনদী
মানুষ যখন কোনো কাজকে এজন্য আনজাম না দিবে যে, এটি শুধু আমি আল্লাহর জন্যই করেছি এবং দুনিয়ার মানুষের সাথে এর কোনোই সম্পর্ক নেই, তাহলেই মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে যাবে, এক সাথী অপর সাথীকে দোষারোপ করবে, মামুর তার আমীরের দোষারোপ করবে এবং পরিণতিতে কাজ থেকে দূরে সরে যাবে। এ ধরনের সাথীরা মূলত আল্লাহর ইবাদাত নয় বরং এতোদিন প্রকারন্তরে মানুষের ইবাদাত করেছে।
কারণ তারা যদি একমাত্র আল্লাহর ইবাদাতের উদ্দেশ্যে জিহাদের পথে পা বাড়াতো, তাহলে কে তার সাথে খেয়ানত করেছে আর কে তাকে ধোঁকা দিয়েছে এগুলোর জের ধরে সে জিহাদ থেকে দূরে সরতো না। তার উপর এ বিধান তো আল্লাহর। তাই সর্ব হালাতে আল্লাহর ইবাদাতের উদ্দেশ্য থাকতো। মানুষের তুচ্ছ থেকে তুচ্ছতর বিষয় তাকে আল্লাহর বিধান পালন থেকে বিরত রাখতে পারতো না।
মানুষ যখন কোনো কাজকে এজন্য আনজাম না দিবে যে, এটি শুধু আমি আল্লাহর জন্যই করেছি এবং দুনিয়ার মানুষের সাথে এর কোনোই সম্পর্ক নেই, তাহলেই মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে যাবে, এক সাথী অপর সাথীকে দোষারোপ করবে, মামুর তার আমীরের দোষারোপ করবে এবং পরিণতিতে কাজ থেকে দূরে সরে যাবে। এ ধরনের সাথীরা মূলত আল্লাহর ইবাদাত নয় বরং এতোদিন প্রকারন্তরে মানুষের ইবাদাত করেছে।
কারণ তারা যদি একমাত্র আল্লাহর ইবাদাতের উদ্দেশ্যে জিহাদের পথে পা বাড়াতো, তাহলে কে তার সাথে খেয়ানত করেছে আর কে তাকে ধোঁকা দিয়েছে এগুলোর জের ধরে সে জিহাদ থেকে দূরে সরতো না। তার উপর এ বিধান তো আল্লাহর। তাই সর্ব হালাতে আল্লাহর ইবাদাতের উদ্দেশ্য থাকতো। মানুষের তুচ্ছ থেকে তুচ্ছতর বিষয় তাকে আল্লাহর বিধান পালন থেকে বিরত রাখতে পারতো না।
আর বাস্তবতা হলো পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ অন্যকে দোষারোপকারী। আর যে অন্যকে দোষারোপের এই হীন কাজে জড়িত হয়ে যাবে, তার দ্বারা মহৎ কোনো উদ্দেশ্য হাসিল হওয়া দুনিয়ার স্বাভাবিক দৃষ্টিতেই অসম্ভব।