Announcement

Collapse
No announcement yet.

“কিন্তু”-র দোলাচল

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • “কিন্তু”-র দোলাচল

    “কিন্তু”-র দোলাচল
    -----------------------

    যারা ইক্বামাতে দ্বীনের জন্য কোরবানী করতে আগ্রহী তাদের মধ্যে একমাত্র মুজাহিদীন ও তাদের রায় অনুপাতের যারা দ্বীন কায়েমের কথা বলে তারা ব্যতীত অন্যদের একটা রোগ আছে। যাকে ‘কিন্তু’ রোগ বলা যেতে পারে।
    বাংলাদেশের সুপরিচিত এক মরহুম মুফতী সাহেব তার ফতোয়ায় উল্লেখ করেছেন যে, জিহাদ ফরজ এবং তা আদায় না করলে সকলেকেই গুনাহগার হতে হবে। এর পরেই তিনি ‘কিন্তু’ যোগ করে আগের সব কথার মূল কেটে দিলেন। মানে আমাদের বর্তমান পরিস্থিতিতে যে যেভাবে পারে সে সেভাবে চেষ্টা করলেই জিহাদ বলে গণ্য হবে।
    অনুরূপ, বড় এক হাদীসবিষারদের কিতাবে যখনই কোন নেতা-নেত্রীদের কুফরের বিষয় আলোচনার কাছাকাছি পৌঁছেন তখনই তিনি আলোচনার মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া জন্য বলে দেন, কিন্তু/তবে আমাদের বক্ষ্যমাণ পুস্তকের এটা কোনা আলোচ্য বিষয় নয়। তাই এই আলোচনা এখানে করা হলো না।
    এভাবে আমাদের সহপাঠীদের মধ্যে অনেক ভাই যারা এক সময় দেশের উল্লেখযোগ্য দলের সক্রিয় সদস্য ছিলো। তারাই পরবর্তীতে পরিস্থিতির চাকার ঘুর্ণনে ‘কিন্তু’ দিয়ে জিহাদকে মওকুফ করে দিয়েছে। তাদের জিহাদ এখন শুধু চা-নাস্তার টেবিল পর্যন্ত সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।
    উলামায়ে কেরাম হলেন দ্বীনের ধারক-বাহক। তাদের থেকে সর্বদা দ্বীনের জন্য কোরবানী আশা করে উম্মাহ। কিন্তু তারা ‘কিন্তু’ রোগে আক্রান্ত হয়ে দ্বীনের যে খেয়ানত করছে তার বর্ণনা দেওয়া সম্ভব নয়।
    তাদের এই রোগের কারণে কিতাবুল জিহাদ ও সিয়ার পড়া ও পড়ানোর পরেও কোন মাসআলাই তাদের উপকারে আসে না। সবকিছু ‘কিন্তু’-র কাঁচিতে টুকরো টুকরো হয়ে যাচ্ছে।
    আল্লাহ এই রোগ থেকে আমাদের সকলকে রক্ষা করুন!!

  • #2
    আমি করতে পারছি না, দুনিয়া নিয়ে পেরেশানিতে আছি অথবা আমি ভয় পাচ্ছি - এমনটা বলে দিলেই তো হয়। অথবা চুপ থাকা যায়। কিন্তু যারা যেতে চাচ্ছে তাদেরকে এসব বলে বসিয়ে দেওয়ার কী দরকার! দ্বিতীয়ত, উলামাগণ মুসলিম উম্মার লিডার। আমরা যেন কিছু ব্যক্তির এমন আচরণ দেখে উলামা বিদ্বেষী বা সাধারণভাবে উলামাদের সমালোচনায় লিপ্ত হয়ে না পড়ি। কারণ উলামাদের মাধ্যমেই আমরা তাওহীদ ও ইবাদত শিখেছি। তারাই জাল হাদীস থেকে সহীহ হাদীস বের করে আমাদেরকে পথভ্রষ্টতা থেকে হিফাজত করেছেন,
    দ্বীনের উসুল শিখিয়েছেন। কিছু অংশ বিরোধিতা করলেও, আরেকটা বিরাট অংশ দ্বীনের জন্য নিজেদের কুরবানীও করেছেন। কথা হচ্ছে, উনাদের নিকট উম্মাহর চাহিদাটাও একটু বেশি। কিছু মানুষকে দেখি, আলেম উলামাদের সমালোচনা করে আর জেনারেল শিক্ষিতদের খুব প্রসংশা করে। আফগানিস্তান এ কারা এ কাজের সূচনা করেছেন। অবশ্যই আলেমরা। কারা সজাতির বিরুদের গাদ্দারী করেছে ফিরিঙ্গিদের অনুসারিরা। এদের চাপেই কিন্তু কিছু উলামা নামক ব্যাক্তিরা ভুল ফতোয়া দিচ্ছে।
    Last edited by Munshi Abdur Rahman; 1 week ago.

    Comment

    Working...
    X