জিহাদ ইসলামের সর্বোচ্চ চূড়া। জিহাদের ফযিলত অপরিসীম। শহীদগণের মর্যাদা অতুলনীয়। তাঁরা জান্নাতের সবুজ পাখি। জিহাদ শব্দটি শোনা মাত্রই অন্যরকম ভালো লাগা কাজ করে। বুক ফুলে ওঠে। সাহস বেড়ে যায়। রক্ত বেগ তড়িৎ গতি নেয়। আকাবির - আসলাফগণের জিহাদি জীবনের গল্প সকলের-ই শুনতে ভালো লাগে। আবেগপূর্ণ মানসিকতা ঢেউ খেলে।
কেউ বিরোধিতা করলে, তার প্রতি একধরনের নিফরাত চলে আসে। মনে হয় তার সব কিছুই অসম্পূর্ণ। তার অনেক কিছু জানার বাকি। আরও কত ধরনের চিন্তা!! সবার ক্ষেত্রে এমনটি ঘটে কি না, জানি না।
তবে হ্যাঁ, সবার মনে মনে এমন অবস্থা বিরাজ করলেও, মনের বাইরে ময়দানের কথা স্মরণ হলে, তখন আর হাকীকি জিহাদ তথা জান মালের জিহাদ, সশস্ত্র জিহাদ মুরাদ নেন না। নিতে চান না। পারলে বিরোধিতা-ও করে থাকেন। দূরে থাকেন। ইনিয়ে-বিনিয়ে চলেন।
তবুও তাদের একটি কাজ করতে দেখা যায়—নিজেদের মনপুত কাজগুলোকে জিহাদ বলার অপচেষ্টা করেন। তখন কলম, দরস, ওয়াজ, নসীহা, দ্বীনের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক কষ্ট -- সব-ই তখন জিহাদ হয়ে যায়।
কিন্তু কেন? অস্বীকার করলেও তো পারতো। তারপরেও কেন এগুলোকে জিহাদের দিকে নিসবত করল!
একটাই কারণ, হয়তো মনের দুর্বলতা, শয়তানের প্ররোচনা, জানমালের ভয়, তাগুতের ভয়, পরিবারের চিন্তা, দুনিয়ার মোহ, ক্যারিয়ার ইত্যাদি তার উপর চেপে বসে। তাই বাস্তবতা স্বীকার করতে পারেন না।
কিন্তু জিহাদের ফজিলত তাদের কাছে অজানা নয়। জিহাদের মহত্ব তাদের কাছে (প্রকাশ না করলেও) অনেক। জড়িত থাকতে চায় সবাই। ফযিলত থেকে বঞ্চিত হতে চায় না কেউ। ফযিলতের ভাগ নেয়ার জন্যই এত টাল-বাহানা। কোনোভাবে যদি একটু ভাগ নেয়া যায়।
এজন্য জিহাদ অস্বীকার না করে বরং নিজেদের কাজগুলোও জিহাদ হিসাবে চালানোর অর্থ-ই হলো, সেও জিহাদ ভালোবাসে। নিজেকে মুজাহিদ ভাবতে ভালোবাসে।
হে রব্বে কা'বা, জিহাদের প্রতি বিন্দুমাত্র-ও যাঁদের ভালোবাসা রয়েছে। তাঁদেরকে তুমি কবুল কর। দ্বীন কায়েমের একমাত্র এ পথে তাঁদেরকে অন্তর্ভুক্ত কর। অবিচল রাখো। শাহাদাতের মর্যাদা দান কর। আমীন।
কেউ বিরোধিতা করলে, তার প্রতি একধরনের নিফরাত চলে আসে। মনে হয় তার সব কিছুই অসম্পূর্ণ। তার অনেক কিছু জানার বাকি। আরও কত ধরনের চিন্তা!! সবার ক্ষেত্রে এমনটি ঘটে কি না, জানি না।
তবে হ্যাঁ, সবার মনে মনে এমন অবস্থা বিরাজ করলেও, মনের বাইরে ময়দানের কথা স্মরণ হলে, তখন আর হাকীকি জিহাদ তথা জান মালের জিহাদ, সশস্ত্র জিহাদ মুরাদ নেন না। নিতে চান না। পারলে বিরোধিতা-ও করে থাকেন। দূরে থাকেন। ইনিয়ে-বিনিয়ে চলেন।
তবুও তাদের একটি কাজ করতে দেখা যায়—নিজেদের মনপুত কাজগুলোকে জিহাদ বলার অপচেষ্টা করেন। তখন কলম, দরস, ওয়াজ, নসীহা, দ্বীনের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক কষ্ট -- সব-ই তখন জিহাদ হয়ে যায়।
কিন্তু কেন? অস্বীকার করলেও তো পারতো। তারপরেও কেন এগুলোকে জিহাদের দিকে নিসবত করল!
একটাই কারণ, হয়তো মনের দুর্বলতা, শয়তানের প্ররোচনা, জানমালের ভয়, তাগুতের ভয়, পরিবারের চিন্তা, দুনিয়ার মোহ, ক্যারিয়ার ইত্যাদি তার উপর চেপে বসে। তাই বাস্তবতা স্বীকার করতে পারেন না।
কিন্তু জিহাদের ফজিলত তাদের কাছে অজানা নয়। জিহাদের মহত্ব তাদের কাছে (প্রকাশ না করলেও) অনেক। জড়িত থাকতে চায় সবাই। ফযিলত থেকে বঞ্চিত হতে চায় না কেউ। ফযিলতের ভাগ নেয়ার জন্যই এত টাল-বাহানা। কোনোভাবে যদি একটু ভাগ নেয়া যায়।
এজন্য জিহাদ অস্বীকার না করে বরং নিজেদের কাজগুলোও জিহাদ হিসাবে চালানোর অর্থ-ই হলো, সেও জিহাদ ভালোবাসে। নিজেকে মুজাহিদ ভাবতে ভালোবাসে।
হে রব্বে কা'বা, জিহাদের প্রতি বিন্দুমাত্র-ও যাঁদের ভালোবাসা রয়েছে। তাঁদেরকে তুমি কবুল কর। দ্বীন কায়েমের একমাত্র এ পথে তাঁদেরকে অন্তর্ভুক্ত কর। অবিচল রাখো। শাহাদাতের মর্যাদা দান কর। আমীন।