Announcement

Collapse
No announcement yet.

পাঠচক্র- ৫৩ || গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে উলামায়ে দেওবন্দ ।। সংকলনঃ মাওলানা ইব্রাহিম হুসাইন - শেষ পর্ব

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • পাঠচক্র- ৫৩ || গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে উলামায়ে দেওবন্দ ।। সংকলনঃ মাওলানা ইব্রাহিম হুসাইন - শেষ পর্ব

    আল ফজর মিডিয়া পরিবেশিত
    গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে উলামায়ে দেওবন্দ
    ।। সংকলনঃ মাওলানা ইব্রাহিম হুসাইন – ।।
    –।।থেকে- শেষ পর্ব


    মাওলানা সুফি মুহাম্মদ (ফাক্কাল্লাহু আসরাহু – আল্লাহ উনাকে কারামুক্তি দান করুন)

    আমীর তাহরিকে নেফাযে শরিয়ত: বলেছেন,

    গণতান্ত্রিক পদ্ধতির চেয়ে কুফরির ক্ষেত্রে (নোংরা) বীভৎস আকৃতি আর কি হতে পারে।

    পাকিস্তানে চলমান আইন ব্যবস্থা অনৈসলামিক। এবিষয়ে পাকিস্তানের শাসক,জনগণ, এবং সর্বস্তরের উলামায়ে কেরাম এ কথার উপর একমত যে, চলমান আইন ব্যবস্থা ইংরেজদের কুফরী আইনের উপর ভিত্তি করে বানানো। সুতরাং সেই আইনের মাধ্যমে বিচার ফায়সালা করলে তা কুফরী না বললে অবশেষে কি বলা হবে? ইসলামের কোন আমর এ আইন ব্যবস্থার ভিন্ন হলে ইসলামি আইনের মোকাবেলায় কুফরী আইনকে প্রাধান্য দেওয়া এরচে কুফরীর মারাত্মক পদ্ধতি আর কি হতে পারে।? আর যখনই কোন ব্যক্তি কুফরী আইনের বিপরীতে কুরআন সুন্নাহ বাস্তবায়নের দাবী করে, তখন শুধু এতটুকুতেই শেষ নয় যে তার দাবী পুরা হবে না বরং সে হাসি মজাক, এমনকি ধর পাকড়ের শিকার হয়। শরিয়তে মুহাম্মাদী পালনকারীদেরকে ঘৃণা করে প্রস্তর যুগের সাব্যস্ত করা হয়।

    অথচ এসমস্ত নামদারী শাসকরাই কাফের নেতাদেরকে মুসলমানদের বিরোদ্ধে জান, মাল, ও সমর্থন দিয়ে সাহায্য করে যাচ্ছে।



    মাওলানা ওয়ালিউল্লাহ বেলগুরামী শহিদ রাহিমাহুল্লাহ

    পাকিস্তানের শাসকশ্রেণী যে যাই বলুক বাস্তবতা এটাই যে, পাকিস্তান না কোন ইসলামি আর না কোন দারুল ইসলাম। কেননা এর সংবিধান হল কুফরি সংবিধান। শুধু নামায, রোযা, জুমআ, ও ঈদের নামায আদায় করলেই দারুল ইসলামের ভূখণ্ড হয়ে যায় না। কেননা এমূলনীতি অনুযায়ী আমেরিকা, ইউরোপের অনেক এলাকাকেও দারুল ইসলাম বলতে হবে।

    সেদিন তারা ইমানের চেয়ে কুফরীর কাছাকাছি ছিল। যা তাদের অন্তরে নাই তা তারা মুখে বলে। আর তার যা গোপন রাখে আল্লাহ তা বিশেষভাবে অবহিত। (সুরা আল ইমরান আয়াত: ১৬৭)



    ডক্টর ইসরার আহমদ


    যদি আপনি পৃথিবীবাসী অধিকাংশের অনুসরণ করেন তাহলে তারা আপনাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করে দিবে। (সুরা আনআম আয়াত : ১১৬)

    এ আয়াতের তাফসিরে বলেন:

    বর্তমান প্রচলিত গণতন্ত্র কে নিষিদ্ধ এবং অবৈধ ঘোষণার জন্য এ আয়াতটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    এ আয়াতের মাধ্যমে কুরআন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যদি আপনি সংখ্যাধিক্যতার অনুসরণ করেন তাহলে তারা আপনাকে গোমরা করে ফেলবে।

    কেননা দুনিয়াতে সর্বদাই খারাপ লোকের সংখ্যাই বেশি থাকবে।

    হযরত সাহাবায়ে কেরামের (রাদিয়াল্লাহু আনহু) যুগে বড় বড় অধিবাসীদের মাঝে লক্ষ্য করে দেখেন, লাখ সংখ্যাধিক্যও কি একজন সাহাবীর মতের উপর প্রাধান্য পেয়েছিল?

    তাই সংখ্যাধিক্যের উপর ভিত্তি করলে কোন ভাল কাজই সংঘটিত হওয়ার মত সুযোগ থাকবে না।

    তবে অধিকাংশরাই যদি আল্লাহ এবং তার রাসূলকে (সাল্লাআল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অকাট্যভাবে আহকামদাতা হিসেবে মেনে নেয় তাহলে অন্যান্য সাধারণ বিষয়ে অধিকাংশের মতামত গ্রহণ করতে কোন অসুবিধা নাই। আর যদি সকল ক্ষমতার উৎস মানা হয় জনগণকে ইন্না লিল্লাহি....তাহলে জনগণকে আইনদাতা মানা হয়। এটা কুফরী।

    কেননা সর্ব অবস্থায় সর্বোচ্চ হুকুমদাতা, বিধানদাতা হলেন আল্লাহ তায়ালা।

    যিনি সমগ্র বিশ্ব জাহানের সৃষ্টিকর্তা ও মালিক। সুতরাং সৃষ্টি যার বিধান চলবে তারই।





    আরও পড়ুন
    নবম পর্ব


Working...
X