Announcement

Collapse
No announcement yet.

আকিদার বন্ধন : আফগানিস্তানে ইসলামী ইমারত বিনির্মাণের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একজন মুসলিমের দৃষ্টিভঙ্গি || মূল: সাইয়েদ মুহাম্মাদ হাসান || অনুবাদ: মুনশি আব্দুর রহমান

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • আকিদার বন্ধন : আফগানিস্তানে ইসলামী ইমারত বিনির্মাণের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একজন মুসলিমের দৃষ্টিভঙ্গি || মূল: সাইয়েদ মুহাম্মাদ হাসান || অনুবাদ: মুনশি আব্দুর রহমান

    আকিদার বন্ধন : আফগানিস্তানে ইসলামী ইমারত বিনির্মাণের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একজন মুসলিমের দৃষ্টিভঙ্গি

    [ইমারাতে ইসলামী আফগানিস্তানের আরবি মুখপত্র মাসিক আস সুমুদ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত প্রবন্ধ ]

    মূল: সাইয়েদ মুহাম্মাদ হাসান

    অনুবাদ: মুনশি আব্দুর রহমান​


    আফগানিস্তান কখনোই নিছক এমন কোনো ভূখণ্ড ছিল না, যেখানে কেবল ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থের সংঘাত ঘটেছে কিংবা পরাশক্তিগুলোর সেনাবাহিনী একে অপরের সঙ্গে সংঘাতে লিপ্ত হয়েছে। বরং প্রকৃত অর্থে এটি ছিল অনেক গভীর ও সুদূরপ্রসারী এক রণাঙ্গন—আধিপত্যবাদী সভ্যতার বিরুদ্ধে আকিদা ও বিশ্বাসের এক আপসহীন লড়াই। এই পবিত্র মাটি থেকে যখন সর্বশেষ বিদেশি সৈন্যটি পাততাড়ি গুটাল এবং ইসলামী ইমারত পুনরায় রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হলো, তখন প্রতিটি আত্মমর্যাদাসম্পন্ন মুসলিমের মনে একটি মৌলিক প্রশ্ন জেগে উঠল: আধুনিক এই জটিল বিশ্বে শরিয়তের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত কোনো রাষ্ট্র কি সত্যিই সফল হতে পারে? একটি সভ্যতা বিনির্মাণের জন্য কেবল আকিদা ও বিশ্বাসই কি যথেষ্ট?

    এই প্রশ্নের উত্তর কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থার নথিপত্রে বা পশ্চিমা প্রতিষ্ঠানগুলোর অলিন্দে খুঁজলে পাওয়া যাবে না; যারা কি না দশকের পর দশক ধরে ‘ইসলামী রাষ্ট্রের অবধারিত পতন’ নিয়ে নানা মনগড়া তত্ত্ব দাঁড় করিয়ে এসেছে। এর প্রকৃত উত্তর বরং লুকিয়ে আছে আফগানিস্তানের ইসলামী ইমারতের এক জীবন্ত অভিজ্ঞতার বিশাল গ্রন্থে। তারা আজ বিশ্বমঞ্চের দৃশ্যপটকে এমনভাবে ঢেলে সাজাচ্ছে, যা শত্রুদের তাবৎ হিসাব-নিকাশকে উল্টে দিয়েছে এবং বিশ্বজুড়ে মুমিনদের হৃদয়কে অনাবিল আনন্দে ভরিয়ে দিয়েছে।

    প্রথমত: আকিদাই মূল ভিত্তি, কোনো বাহ্যিক প্রলেপ নয়—একটি নির্ভুল সূচনা

    {وَعَدَ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا مِنْكُمْ وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ لَيَسْتَخْلِفَنَّهُمْ فِي الْأَرْضِ}

    “তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন যে, তিনি অবশ্যই তাদেরকে পৃথিবীতে প্রতিনিধিত্ব দান করবেন।” (সূরা আন-নূর: ৫৫)

    আধুনিক বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রব্যবস্থার অভিজ্ঞতার সাথে আফগানিস্তানের ইসলামী ইমারতের অভিজ্ঞতার সবচেয়ে বড় পার্থক্য হলো, তাদের যাত্রার শুরুটা বিপুল কোনো বৈষয়িক সম্পদ বা বিদেশি সহায়তার ওপর নির্ভর করে হয়নি। বরং তাদের এই পথচলার মূল পুঁজি ছিল এক সুদৃঢ় বিশ্বাস—যে ব্যক্তি আল্লাহর দ্বীনকে সাহায্য করবে, আল্লাহ অবশ্যই তাকে সাহায্য করবেন। আধুনিক ইতিহাসের পাতায় এ প্রসঙ্গে আমিরুল মুমিনীন মোল্লা মুহাম্মাদ উমর মুজাহিদ (রহিমাহুল্লাহ)-এর সেই ঐতিহাসিক উক্তিটি স্বর্ণাক্ষরে লেখা আছে। তিনি বলেছিলেন, “বুশ আমাদের পরাজয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, আর আল্লাহ আমাদের বিজয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আমরা দেখতে চাই, কার প্রতিশ্রুতি সত্য হয়।

    এই সুদৃঢ় বিশ্বাস কেবল মিম্বরে দাঁড়িয়ে আওড়ানোর মতো কোনো বাগ্মী স্লোগান ছিল না; বরং তা বাস্তবে রূপ নিয়েছিল নানা কঠিন সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে। নিজেদের স্বকীয়তা ও পরিচয়ের সাথে সাংঘর্ষিক যেকোনো শর্তকে তারা অবলীলায় প্রত্যাখ্যান করেছে। রাষ্ট্রীয় কোষাগার যখন প্রায় শূন্য, তখনো তারা অবরোধের মুখে অসীম ধৈর্য ধারণ করেছে। এমনকি রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা যখন তাদের নিশ্চিত পতনের ভবিষ্যদ্বাণী করতে ব্যস্ত, তখনো তারা বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে অবিচল থেকেছে।

    কোনো মুসলিম যদি এই অভিজ্ঞতাটি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন, তবে তিনি উপলব্ধি করতে পারবেন—আকিদা কেবল রাজনীতি বা অর্থনীতির সমান্তরাল কোনো পথ নয়; বরং আকিদা হলো সেই সুদৃঢ় পাত্র, যা সবকিছুর ধারক ও বাহক। তাই, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ কোনো নেতা যখন ঘোষণা করেন যে, ‘রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের চাবিকাঠি বিদেশি চাপের হাতে নয়, বরং তা পুরোপুরি শরিয়ত ও তার উদ্দেশ্যের অধীন’, তখন তিনি কেবল গতানুগতিক কোনো ধর্মীয় আচার পালন করেন না; বরং এর মাধ্যমে তিনি প্রকৃত স্বাধীনতার মূল ভিত্তিটিই স্থাপন করেন।

    দ্বিতীয়ত: শরিয়ত কেবল কোনো দণ্ডবিধির নাম নয়, বরং তা এক পূর্ণাঙ্গ শাসনব্যবস্থা

    বর্তমান গণমাধ্যমগুলোতে একটি মারাত্মক ভুল ধারণা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। তারা ইসলামী শরিয়তের শাসনকে কেবল নির্দিষ্ট কিছু দণ্ডবিধির প্রয়োগ বা বিশেষ ধরনের পোশাকের গণ্ডিতে আবদ্ধ করে ফেলে। অথচ বাস্তবতায় ইসলামী শরিয়ত হলো একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, সামাজিক সম্পর্কের বিন্যাস, ন্যায়বিচারের সুদৃঢ় কাঠামো নির্মাণ এবং বৈদেশিক নীতি—সবকিছুই অন্তর্ভুক্ত। আফগানিস্তানের ইসলামী ইমারত প্রমাণ করে দেখিয়েছে যে, শরিয়তভিত্তিক শাসনের অনিবার্য অর্থ হলো—অত্যন্ত বিশ্বস্ততা ও কঠোরতার সাথে রাষ্ট্রীয় সম্পদের ব্যবস্থাপনা করা এবং গোত্রীয় বা দলীয় আনুগত্যের ঊর্ধ্বে উঠে ‘যোগ্য ব্যক্তিকে যোগ্য স্থানে বসানো’-র ভিত্তিতে প্রশাসনিক দক্ষতা গড়ে তোলা।

    {إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُكُمْ أَنْ تُؤَدُّوا الْأَمَانَاتِ إِلَى أَهْلِهَا}
    “নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের নির্দেশ দিচ্ছেন আমানতসমূহ তার হকদারের কাছে পৌঁছে দিতে।” (সূরা আন-নিসা: ৫৮)

    বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, আফগানিস্তানে আমদানির হার কমে যাওয়া সত্ত্বেও তাদের কাস্টমস রাজস্ব বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মূল কারণ হলো, দুর্নীতিবাজদের পকেটে অর্থ পাচারের যে ‘রক্তক্ষরণ’ আগে চলছিল, তা এখন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। যারা দাবি করে যে ‘ইসলামী শরিয়ত ও সুশাসন পরস্পর সাংঘর্ষিক’, তাদের এই বানোয়াট দাবিকে মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য এই একটি বাস্তব সত্যই যথেষ্ট।

    তৃতীয়ত: অবরোধের মুখে অবিচলতা—আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল বা নির্ভরতার এক অনবদ্য শিক্ষা

    যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানের সাত বিলিয়ন ডলারেরও বেশি সম্পদ আটকে দিল, আন্তর্জাতিক ‘সুইফট’ (SWIFT) পেমেন্ট নেটওয়ার্ক থেকে আফগান ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে বিচ্ছিন্ন করল এবং অন্যায্য শর্তের বেড়াজালে আটকে থাকা সমস্ত সাহায্য বন্ধ করে দিল; তখন তাদের বার্তাটি ছিল একেবারেই স্পষ্ট—হয় আত্মসমর্পণ করো, নয়তো ধ্বংস হয়ে যাও। কিন্তু তাদের এই হুমকি এমন মানুষদের কান পর্যন্ত পৌঁছাতেই পারেনি, যাঁদের সুদৃঢ় বিশ্বাস—রিজিকের চাবিকাঠি বিশ্বব্যাংকের হাতে নয়, বরং তা মহান আল্লাহর হাতে।

    «مَنْ كَانَتِ الْآخِرَةُ هَمَّهُ، جَعَلَ اللَّهُ غِنَاهُ فِي قَلْبِهِ، وَجَمَعَ لَهُ شَمْلَهُ، وَأَتَتْهُ الدُّنْيَا وَهِيَ رَاغِمَةٌ.»

    “আখিরাতই যার একমাত্র লক্ষ্য, আল্লাহ তার অন্তরকে অভাবমুক্ত করে দেন, তার বিক্ষিপ্ত কাজগুলোকে গুছিয়ে দেন এবং দুনিয়া তার কাছে পদানত হয়ে ধরা দেয়।” (সুনানে তিরমিযী)

    পরবর্তী বছরগুলোতে যা ঘটেছে, তা নিছক কোনো অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ দিয়ে ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়। মার্কিন ডলারের বিপরীতে আফগান মুদ্রার মান অভাবনীয় স্থিতিশীলতা অর্জন করেছে। মূল্যস্ফীতির হার এতটাই কমেছে যে, কোনো কোনো মাসে তা শূন্যের নিচে বা ঋণাত্মক (নেগেটিভ) পর্যায়েও নেমে এসেছে। অথচ একই সময়ে বিশ্বের বড় বড় পরাশক্তির অর্থনীতিগুলো রেকর্ড পরিমাণ মূল্যস্ফীতির ঢেউ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছিল। প্রায় তিনশত কিলোমিটার দীর্ঘ বিশাল “কোশ তেপা” (Qosh Tepa) খাল খনন প্রকল্পটি এই আত্মনির্ভরশীলতার এক জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত। কারণ, এই বিশাল প্রকল্পটির সম্পূর্ণ অর্থায়ন করা হচ্ছে নিজস্ব অভ্যন্তরীণ রাজস্ব থেকে। এটি প্রমাণ করে যে, প্রথমে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল এবং এরপর নিজস্ব সম্পদের ওপর নির্ভর করলে যেকোনো অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়।

    চতুর্থত: আফগানিস্তান এবং বিশ্ব মুসলিম চেতনায় এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব

    অনেক বিশ্লেষকই একটি বিশেষ দিক এড়িয়ে যান, আর তা হলো—বিশ্বের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা মুসলমানদের ওপর ইসলামী ইমারতের এই অভিজ্ঞতার মনস্তাত্ত্বিক ও আবেগিক প্রভাব। বর্তমান এমন এক সময়ে যখন চারদিকে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে যে ‘রাজনৈতিক ইসলাম’-এর পতন ঘটেছে; ঠিক তখনই আফগানিস্তান তার বাস্তব কাজের মাধ্যমে বিশ্বকে জানিয়ে দিচ্ছে, “আমরা এখানে আছি, আর আমরা বিনির্মাণ করে চলেছি।” যখন একজন মুসলিম দেখতে পান যে, একটি অবরুদ্ধ দেশের মুদ্রা অন্যান্য অনেক ধনী দেশের মুদ্রাকেও ছাড়িয়ে গেছে, তখন তিনি এমন কিছু ফিরে পান যা অনেক আগেই হারিয়ে গিয়েছিল। আর তা হলো ‘আত্মমর্যাদাবোধ’। এই মর্যাদাবোধ কোনো অন্ধ অহংকার নয়, যা নিজেদের ত্রুটি-বিচ্যুতির দিক থেকে চোখ ফিরিয়ে রাখে। বরং এটি হলো এক সচেতন বিবেকবানের মর্যাদাবোধ, যিনি নিজের চোখে দেখতে পাচ্ছেন যে, ইসলামী আকিদা বাস্তবে প্রয়োগযোগ্য এক সুদৃঢ় ব্যবস্থা; এটি কেবল কোনো কাল্পনিক বা রোমান্টিক স্বপ্ন নয়।

    আফগানিস্তানে ইসলামী ইমারতের অভিজ্ঞতার সাথে বিশ্বের অন্যান্য মুসলমানদের যে আকিদাগত সম্পর্ক রয়েছে, তা কেবল ক্ষণস্থায়ী কোনো আবেগ নয়। বরং এটি এমন এক গভীর ধর্মীয় বন্ধন, যা মুসলমানদের কাছে বুদ্ধিবৃত্তিক অংশগ্রহণ, সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখা, গঠনমূলক সমালোচনা এবং আন্তরিক দোয়া দাবি করে। যখন একজন মুসলিম গভীরভাবে উপলব্ধি করবেন যে, আজ কাবুলের বুকে যা ঘটছে তা মূলত মুসলিম উম্মাহর পুনর্জাগরণের মহাকাব্যেরই একটি সোনালী পাতা; তখন তিনি কেবল দূর থেকে দর্শক হয়ে বসে থাকতে পারবেন না। বরং তিনি নিজেকেই প্রশ্ন করবেন: এই জাগরণে আমি কীভাবে অবদান রাখতে পারি? আমার জ্ঞান দিয়ে? সম্পদ দিয়ে? আমার দোয়া দিয়ে? আমার কলমের ধার দিয়ে? নাকি মিডিয়ার মিথ্যা প্রচারণার বিপরীতে সত্যকে তুলে ধরার মাধ্যমে?

    {وَإِن تَصْبِرُوا وَتَتَّقُوا لَا يَضُرُّكُمْ كَيْدُهُمْ شَيْئًا ۗ إِنَّ اللَّهَ بِمَا يَعْمَلُونَ مُحِيطٌ}

    “আর যদি তোমরা ধৈর্য ধারণ করো এবং তাকওয়া অবলম্বন করো, তবে তাদের ষড়যন্ত্র তোমাদের বিন্দুমাত্র ক্ষতি করতে পারবে না। নিশ্চয়ই তারা যা কিছু করে, আল্লাহ তা পরিবেষ্টন করে আছেন।” (সূরা আল-ইমরান: ১২০)

    আফগানিস্তান আজ মুসলিম উম্মাহর কাছে কেবল ফাঁকা স্লোগান বা বাহবা আশা করে না; বরং তারা চায় উম্মাহ যেন এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেয়, সর্বাত্মক সহযোগিতা করে, প্রাণখুলে দোয়া করে এবং আল্লাহর প্রতি সুধারণা পোষণ করে। যদি এই পুরো অভিজ্ঞতার সারমর্মকে একটিমাত্র সমীকরণে প্রকাশ করতে হয়, তবে তা হবে:
    অকৃত্রিম আকিদা + সুদৃঢ় ইচ্ছাশক্তি + কৌশলগত ধৈর্য = এমন এক কালজয়ী অভিজ্ঞতা, যা আধুনিক ইসলামী ইতিহাসের পাতায় নূরের অক্ষরে লেখা থাকবে।

    মাজাল্লাতুস সুমূদ (আস সুমুদ ম্যাগাজিন) | সংখ্যা ২৪৪
    জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি | মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

    *****
    “ধৈর্যশীল, সতর্ক ব্যক্তিরাই লড়াইয়ের জন্য উপযুক্ত।”
    -শাইখ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহ
Working...
X