Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ # ৫ঠা রবিউল আউয়াল , ১৪৪৩ হিজরি | ১৩ই অক্টোবর, ২০২১ ঈসায়ী |

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ # ৫ঠা রবিউল আউয়াল , ১৪৪৩ হিজরি | ১৩ই অক্টোবর, ২০২১ ঈসায়ী |

    হিন্দুদের চরম ঔদ্ধত্ব: কুমিল্লায় পূজামন্ডপে মূর্তির পায়ের নিচে কুরআনের কপি রেখে অবমাননা

    বাংলাদেশের হিন্দুদের ঔদ্ধত্ব সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। কুমিল্লা নানুয়া দীঘির পাড় পূজা মন্ডপে মূর্তির পায়ে কুরআনের কপি রেখে দিয়েছে হিন্দুরা। সেই কুরআনের কপিটি কোতয়ালি থানার ওসি নিজে উদ্ধার করেছে।
    কিছুদিন আগে চন্দ্রনাথ পাহাড়ে আযান দেবার অপরাধেই দুইজন মাদ্রাসা ছাত্রকে গ্রেফতার করে বাংলাদেশ প্রশাসন।
    হিন্দুদের এই চরম ইসলাম অবমাননার জন্য হিন্দুদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। পূজা মন্ডপও বন্ধ করে দেওয়া হয়নি।
    বরং এই ঘটনার বিচার চাওয়ায় মুসলিমদের পিটিয়ে গুলি করে রক্তাক্ত করেছে মুসলিমদের ট্যাক্সের টাকায় চলা পুলিশ বাহিনী।
    এছাড়া বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দিয়েছে ভারতের দালাল প্রশাসন
    বাংলাদেশের হিন্দুরা এই চরম সীমালঙ্ঘনের সাহস পেয়েছে ভারতের কারণে। বাংলাদেশের মুসলিমদের জন্য ভয়াবহ এক বিপদ আসন্ন।

    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  • #2
    কথিত গোরক্ষকদের শাসনাধীন রাজ্যে ১৪০ টি গরুকে নিষ্ঠুর উপায়ে খাদে ফেলে হত্যা!

    ভারতের হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকারের শাসনামলে গোরক্ষার নামে যত্রতত্র মুসলিমদের পিটিয়ে মারার ঘটনা অনেকটা রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। গরু জবাই, গোমাংস বহন ও রাখার ‘অপরাধে’ হিন্দুত্ববাদীরা মুসলিমদেরকে পিটিয়ে হত্যা পর্যন্ত করে। অনেক রাজ্যে তারা গরু জবাই নিষিদ্ধ পর্যন্ত করেছে।

    অথচ বিজেপি শাসিত রাজ্য মধ্যপ্রদেশের রেওয়া জেলাতেই কিনা খাদে ফেলে ১৪০টি গরুকে অত্যন্ত কষ্টদায়ক উপায়ে হত্যা করা হল। এই অবলা গরুগুলোর অপরাধ, এদের দুধ দেওয়ার ক্ষমতা শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই ফসল বাঁচাতে এই গরুগুলিকে খাদে ফেলে দেয়া হয়। তাহলে কি তাদের গো-ভক্তি গরুর দুধ দেওয়ার সময় পর্যন্ত বলবত থাকে কিনা – এমন প্রশ্ন আসছে বিভিন্ন মহল থেকে।

    যে হিন্দুত্ববাদীরা তাদের কল্পিত দেবতার সম্মান রক্ষার্থে মুসলিমদের প্রাণে মারতে দ্বিধাবোধ করে না, তারাই কিনা নিজেদের ‘দেবতা’কে খাদে ফেলে দিয়ে অত্যন্ত নৃশংস উপায়ে হত্যা করলো! আর এখন পর্যন্ত কোন হিন্দুত্ববাদী সংগঠন এর প্রতিবাদ জানায়নি বা গো-হত্যায় জড়িত হিন্দুদের শাস্তিও দাবি করেনি কেউ!

    এথেকে অন্তত এবিষয় স্পষ্ট হল যে, গরুর প্রতি শ্রদ্ধা বা ভালবাসা থেকে তাদের গোরক্ষা কমিটিগুলো মুসলিমদের পিটিয়ে হত্যা করে না। এর পেছনে মূল কারণ তাদের ইসলাম বিদ্বেষ, মুসলিমদের প্রতি তাদের মনের আক্রোশ- যা তারা অন্তরে লালন করে আসছে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      ৬ ফিলিস্তিনি স্কুলে ইসরাইলি হামলা ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ : অবাক নীরবতায় বিশ্ব!


      অধিকৃত পশ্চিম তীর ও জেরুজালেমে গত দুই সপ্তাহে ৬টি স্কুলে আক্রমণ ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করেছে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী। উক্ত হামলাগুলয় বহু সংখ্যক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক সহ ৫৫ আহত হয়েছেন।

      স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, পশ্চিম তীরের হেবরন শহরের একটি এলাকার কয়েকটি স্কুলে বর্বর ইসরাইলি বাহিনী টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। এতে ৪৬ জন শিক্ষার্থী আহত হয়, আহতদের পরে হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়েছে। গ্যাসের তীব্রতায় তিনটি স্কুল থেকে সকল ছাত্র-ছাত্রীকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয় স্কুল কর্তৃপক্ষ।

      জেরুজালেমে অপর একটি স্কুলের মাঠে টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপের ঘটনায় দুই ছাত্রী এবং এক শিক্ষক আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। এছাড়াও ৫০০ জন শিক্ষার্থী গ্যাসের তীব্রতায় আক্রান্ত হয়েছিল। এ ঘটনায় এ দিন পাঠদান স্থগিত করতে বাধ্য হয় স্কুল কর্তৃপক্ষ।

      ফিলিস্তিনি বিভিন্ন স্কুলে, শিক্ষার্থীদের উপর এবং শিক্ষা-সম্পর্কিত খাতে ধারাবাহিক হামলা বৃদ্ধি করছে ইসরায়েলি বাহিনী। তাদের এহেন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মধ্যে রয়েছে শিক্ষা কর্মীদের উপর হামলা ও হুমকি, ফিলিস্তিনি স্কুলগুলোকে দখলদার বাহিনী কর্তৃক সামরিক কাজে ব্যবহার ও শিক্ষা খাতে বিভিন্ন ধরণের হস্তক্ষেপ- যা উল্লেখযোগ্যভাবে ফিলিস্তিনি শিশুদের শিক্ষা অধিকারকে বাধাগ্রস্ত করছে।

      শুধুমাত্র ২০১৯ সালেই জাতিসংঘ পশ্চিম তীরের শিক্ষাখাতে দখলদার ইসরাইলের ২৫৭টি ঘটনা নথিভুক্ত করে, যার সবগুলোই শিশুদের শিক্ষার অধিকারকে বাধাগ্রস্ত করার। আর শিশুদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা তো সেখানে নিত্য দিনের বিষয়।

      তবে সব থেকে পরিতাপের বিষয়, বিরাট এক জনগোষ্ঠীর শিশুদের সিক্ষার মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা নিয়ে ইউ.এন.ডি.পি বা ইউ.এন.এইচ.সি.আর অথবা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো মোটেও উদ্বিগ্ন নয়। পশ্চিমা মিডিয়াও এ নিয়ে টু-শব্দটি পর্যন্ত করে না।

      বিপরীত দিকে হলুদ মিডিয়া, পশ্চিমা মানবাধিকার সংস্থাগুলো কিংবা জাতিসঙ্ঘ - সবাই আফগানিস্তানে স্কুল খোলা বা শিশুদের শিক্ষা লাভের অধিকার নিয়ে খুবই সরব। তাদের নানান প্রোপাগান্ডা ব্যর্থ করে দিয়ে যখন আফগানে মেয়েদের স্কুল খুলতে শুরু করেছে, এরা তখনো আশংকা প্রকাশ করে - 'তালিবানরা মেয়েদের পড়াশোনার সুযোগ দিলেও, এখনই বুঝা যাচ্ছেনা ভবিষ্যতে এই সুযোগ থাকবে কিনা!'

      আসলে তারা আফগানে নারী শিক্ষার নামে কি চায়, 'শিশুদের অধিকার আদায়'এর পেছনে তাদের উদ্দেশ্য কি, সেই সাথে তারাই আবার ফিলিস্তিনি শিশুদের ক্রমাগত সিক্ষার অধিকার ব্যপকভাবে ক্ষুণ্ণ হওয়ার পরেও কেন নীরব - এই প্রশ্নগুলো ছুড়ে দিয়ে বিষয়গুলো মুসলিমদের ভেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন মুসলিম বিশ্লেষকগণ।
      আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        Originally posted by Al-Firdaws News View Post
        হিন্দুদের চরম ঔদ্ধত্ব: কুমিল্লায় পূজামন্ডপে মূর্তির পায়ের নিচে কুরআনের কপি রেখে অবমাননা
        বাংলাদেশের হিন্দুদের ঔদ্ধত্ব সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। কুমিল্লা নানুয়া দীঘির পাড় পূজা মন্ডপে মূর্তির পায়ে কুরআনের কপি রেখে দিয়েছে হিন্দুরা। সেই কুরআনের কপিটি কোতয়ালি থানার ওসি নিজে উদ্ধার করেছে।
        কিছুদিন আগে চন্দ্রনাথ পাহাড়ে আযান দেবার অপরাধেই দুইজন মাদ্রাসা ছাত্রকে গ্রেফতার করে বাংলাদেশ প্রশাসন।
        হিন্দুদের এই চরম ইসলাম অবমাননার জন্য হিন্দুদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। পূজা মন্ডপও বন্ধ করে দেওয়া হয়নি।
        বরং এই ঘটনার বিচার চাওয়ায় মুসলিমদের পিটিয়ে গুলি করে রক্তাক্ত করেছে মুসলিমদের ট্যাক্সের টাকায় চলা পুলিশ বাহিনী।
        এছাড়া বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দিয়েছে ভারতের দালাল প্রশাসন
        বাংলাদেশের হিন্দুরা এই চরম সীমালঙ্ঘনের সাহস পেয়েছে ভারতের কারণে। বাংলাদেশের মুসলিমদের জন্য ভয়াবহ এক বিপদ আসন্ন।
        পূজাপণ্ডপে কুরআন অবমাননার প্রতিবাদে মুসলমানদের গুলি খেতে হয়। আর সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ে আযান দিলে ধর্মীয় উস্কানি হয়। এই হচ্ছে ডাবল স্ট্যান্ডার্ড চরিত্র।
        ‘যার গুনাহ অনেক বেশি তার সর্বোত্তম চিকিৎসা হল জিহাদ’-শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহ.

        Comment

        Working...
        X