Results 1 to 1 of 1
  1. #1
    Junior Member
    Join Date
    Jun 2018
    Posts
    22
    جزاك الله خيرا
    0
    37 Times جزاك الله خيرا in 16 Posts

    সুবহানআল্লাহ কিংবদন্তি মুজাহিদ শাইখ জালালুদ্দিন হক্কানি (রহঃ) এর জীবনি

    নিম্নের লেখাটি ইমারাতে ইসলামিয়ার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত শাইখ জালালুদ্দিন হক্কানি এর সংক্ষিপ্ত জীবনির রচিত আর্টিকেল এর অনুবাদ।লেখাটি ইনশাল্লাহ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ হবে।



    ইসলামি বিশ্বের বিশিষ্ট জিহাদি ও জ্ঞানী ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব মৌলভী জালালুদ্দীন হক্কানী (তার রুহের উপর শান্তি বর্ষিত হোক)-এর সংক্ষিপ্ত জীবনী
    الحمد لله معز أوليائه المؤمنين وقامع أعدائه من الکافرين والمشرکين والمنافقين، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لاشريك له ولي المتقين، و أشهد أن محمداً عبده ورسوله إمام المجاهدين الصابرين، ومحبوب رب العالمين، بلغ الرسالة وأدى الأمانة ونصح الأمة وجاهد فى الله حتى ترکنا على البيضاء ليلها کنهارها، لا يزيغ عنها بعده إلا هالك، فصلوات الله وسلامه عليه ما تتابع الليل والنهار کفاء ما قدم وکفاء ما علم و بين أما بعد. فقد قال الله تعالى: إِنَّمَا الْمُؤْمِنُونَ الَّذِينَ آمَنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ ثُمَّ لَمْ يَرْتَابُوا وَجَاهَدُوا بِأَمْوَالِهِمْ وَأَنفُسِهِمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ أُوْلَئِكَ هُمُ الصَّادِقُونَ، وقال تبارك وتعالى: فَمَا وَهَنُواْ لِمَا أَصَابَهُمْ فِي سَبِيلِ اللّهِ وَمَا ضَعُفُواْ وَمَا اسْتَكَانُواْ وَاللّهُ يُحِبُّ الصَّابِرِينَ. صدق الله مولانا العظيم
    নিম্নলিখিত বাক্যগুলো এমন একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের সংক্ষিপ্ত জীবনী, যে তার পুরো শিক্ষাজীবন, রাজনৈতিক জীবন ও জিহাদি জীবনে কখনও-ই পৃথিবীর কোন অহংকারী, বর্বর ও স্বৈরাচারীর সামনে মাথা নত করেন নি এবং তাদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম ও প্রতিরোধে অব্যাহতি দেন নি। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নকে পরাজিত ও দূর করার দৃঢ় বিশ্বাস ও স্থিরসংকল্পের উপর ভিত্তি করে তিনি (রাহ স্বকীয় ভূমিকা পালন করেছেন। একজন আফগান মুসলিম হিসাবে, ইসলামি এবং আফগান শৌর্য - বীর্য ও দৃঢ় সংকল্পের মিশ্রিত করে, আমাদের প্রিয় স্বদেশের উজ্জ্বল ইতিহাসে, তিনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জিহাদি প্রতিরোধ, নজিরবিহীন ত্যাগ ও অনন্তকাল স্থায়ী বীরোচিত কাজের উজ্জ্বল অধ্যায় অংকন করে গেছেন।
    তার জন্ম:
    পক্তিয়া প্রদেশের 'ভাজা' জেলার 'সারানা' গ্রামের সম্মানিত ব্যক্তি খাওয়াজা মোহাম্মাদ খানের সম্ভ্রান্ত পরিবারে ১৯৪৪ ঈসায়ী (১৩৬৩ হিজরি) সালে আলহাজ্ব মৌলভী জালালুদ্দীন হক্কানী (তার রুহের উপর শান্তি বর্ষিত হোক) জন্মগ্রহণ করেন। দেশজুড়ে সুপরিচিত ও সম্মানিত 'যাদরান' জাতির 'মেযায়ে' গোত্রের 'সুলতান খাইল' বংশে তার জন্ম।
    তার শিক্ষাদীক্ষা:
    শৈশবের শুরু থেকেই তিনি দ্বীনি শিক্ষার প্রতি গভীর মহব্বত ও আগ্রহ প্রকাশ করছিলেন। ৪ বছর বয়স থেকে তিনি তার শ্রদ্ধেয়া মাতার নিকট পবিত্র কুরআন শিক্ষা শুরু করেন। কুরআন শিক্ষা সম্পন্ন করে, তিনি আরও ইলম অর্জনের উদ্দেশ্যে মাত্র ১০ বছর বয়সে গৃহত্যাগ করেন।
    তিনি প্রখ্যাত আলিম 'মাওলানা মোহাম্মাদ ক্বাসিম'(আল্লাহ তার উপর রহম করুক) -এর নিকট প্রাথমিক শিক্ষা অর্জন শুরু করেন। যেহেতু পড়াশোনার প্রতি তার প্রচণ্ড আগ্রহ ছিল এবং শিক্ষাগ্রহণের আল্লাহ প্রদত্ত স্বতন্ত্র ক্ষমতা লাভ করেছিলেন, সেহেতু তার প্রতি তার শিক্ষকের স্নেহ-মমতা প্রকট ছিল। সেই সময়ে, তিনি যুমরাট, পক্তিয়া প্রদেশের শাহী কট, উরগুন, পক্তিয়া প্রদেশের জিরোক, ওয়ারদাক প্রদেশ, গজনী প্রদেশের শিলগড় এবং খোস্ত প্রদেশের ইসমাইল খাইল অঞ্চলের বিখ্যাত মাদ্রাসাগুলোর সুপ্রসিদ্ধ উলামার নিকট জ্ঞানার্জনের উদ্দেশ্যে গমন করেন।
    তার অনুপম দক্ষতার দরুন, হযরত মৌলভী জালালুদ্দীন হক্কানি (রাহ খুব সহজে-ই তার ভবিষ্যত জীবনের জন্য উজ্জ্বল ও অবিস্মরণীয় লক্ষ্য বেছে নিয়ে, তা দখলের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষার্জন করে নিজেকে প্রস্তুত করতে পারতেন। একারণে তিনি 'পখতুন খাওয়া'-এর 'সাঈদ কারাম', 'সাল' এবং 'হাংগু' অঞ্চলের মাদ্রাসাগুলোতে তৎকালীন বিখ্যাত উলামার নিকট পড়াশোনা চালিয়ে যান।
    উচ্চতর ইসলামি শিক্ষার জন্য তিনি এ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী ও বিখ্যাত মাদ্রাসা 'দারুলউলুম হক্কানিয়া'-তে ভর্তি হন, মাদ্রাসাটি 'দ্বিতীয় দেওবন্দ' নামেও পরিচিত। সেখানে তিনি মহানবী (সা-এর 'হাদিসশাস্ত্রের' পূর্বের ও শেষবর্ষের মাস্টার ক্লাসে ভর্তি হন।
    দ্বীনি ইলম অর্জনে তার বিশিষ্ট শিক্ষকদের নাম নিচে উল্লেখ করা হল:
    মৌলানা মোহাম্মাদ কাসিম
    মৌলভি বাদশাহ
    মৌলভি সাঈদ হাসান
    মৌলভী নাদার খান
    মৌলভী খাজা
    মৌলভী জার কালীম খান
    মৌলভী আসীল খান
    মৌলভী আবদুল ওয়াহাব
    মৌলভী আখতার জান
    মৌলভী মোহাম্মদ আইয়ুব
    মৌলভী আব্দুল রহমান
    মৌলভি সাঈদ সুলতান বাছা
    মৌলভী আব্দুল হালিম
    মৌলভী আব্দুল গণি
    মুফতি মোহাম্মাদ ফরীদ
    মৌলভী মোহাম্মদ আলী
    মৌলভী নাসির খান
    মাওলানা ডক্টর (পি.এইচ.ডি) শের আলী শাহ মাদানী
    মাওলানা আবদুল হক (( রাহ
    (তাদের আত্মা যেন শান্তিতে বিশ্রাম নিতে পারে)
    একইভাবে, তার ছাত্রদের মধ্যেও এমন অনেক আলিম আছেন, যারা দ্বীন ও দ্বীনি শিক্ষায় অবদান রাখার কারনে অবিস্মরণীয় হয়ে আছেন। নিচে এক ঝাক থেকে মুষ্টিমেয় কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হল:
    বেনু এলাকার শাইখ-উল-হাদীস মাওলানা ইলাতাফ-উর-রহমান
    মাওলানা গুহার শাহ (দারুল উল উলুম চরসাদ্দার শাইখ-উল-হাদীস এবং পাকিস্তান সংসদের সাবেক সদস্য)
    শাইখ-উল-হাদীস মৌলানা গোলাম মোহাম্মদ সাদিক
    অধ্যাপক মাওলানা মোহাম্মাদ শফীয়া
    শাইখ-উল-হাদীস ও মুফতি সুলতান উমর (খস্ত প্রদেশের মাদ্রাসা মানবা-উল-উলুমের একজন বিখ্যাত শিক্ষক)
    শিক্ষক ও অগ্রদূত হিসাবে:
    আলহাজ্জ মৌলভী জালালুদ্দীন হক্কানি 'আকরা খাতকে' অবস্থিত 'দার উল উলুম হক্কানিয়া' থেকে শিক্ষা-দীক্ষা প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু করেন। যদিও 'দার উল উলুম হক্কানিয়ার' মতো বিশ্বব্যাপী খ্যাতিসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদ্য স্নাতক উত্তীর্ণ ছাত্রের পক্ষে আবার একই মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ পাওয়া বেশ কঠিন ছিল। কিন্তু হাক্কানী সাহেবের দক্ষতা, ধার্মিকতা, গভীর অন্তর্দৃষ্টি এবং কিছু অন্যান্য বৈশিষ্ট্য ছিল যা 'দার উল উলুম হাক্কানিয়ার' মর্যাদাপূর্ণ অনুষদকে, বিশেষতঃ এই মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা 'মৌলানা আবদুল হক' (রাহ-কে, একই মাদ্রাসা থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করা মাত্র তাকে (হক্কানী সাহেব) শিক্ষক অনুষদে একজন সদস্য হিসাবে নিযুক্ত করার জন্য আগ্রহী করে তুলেছিল । শিক্ষক হিসাবে প্রথম বছর তিনি কিছু অন্যান্য বইয়ের পাশাপাশি আরবি ব্যাকরণ, অলঙ্কারশাস্ত্র এবং সাহিত্যের কিছু মৌলিক, কিন্তু কঠিন বিষয় শিখিয়েছিলেন। পরবর্তী বছরে, প্রশাসনের পরিকল্পনা অনুযায়ী তাকে উচ্চ শ্রেণীর কিছু বিষয় শিক্ষাদানের জন্য নিয়োগ করা হয়েছিল।
    প্রথম হজ্জ সফর:
    যদিও 'দারুলউলুম হক্কানিয়া'-র প্রশাসন তাকে সেখানে আরও কিছুদিন শিক্ষাদানের জন্য অনুরোধ করেছিল, কিন্তু তার স্বদেশের রাজনৈতিক, শিক্ষাগত এবং সামাজিক পরিস্থিতির জয়ের জন্য তিনি সেখানে তার দায়িত্ব পালন করতে পারছিলেন না এবং তাকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল। বস্তুত তিনি নিজ দেশের নির্যাতিত, বঞ্চিত ধার্মিক জনগণের জন্য তার অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও শক্তি ব্যবহার করতে চাচ্ছিলেন। এই উদ্দেশ্যে, তিনি ১৩৯৩ হিজরি সনে (১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে) হজ্জ পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তিনি পায়ে হেটে সফর করেন ও হাজ্জ সম্পন্ন করেন। সেখানে আফগান উলামার পাশাপাশি তিনি মর্যাদাবান ও সুপ্রসিদ্ধ উলামা এবং মুসলিম বিশ্বের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সাথে সাক্ষাৎ করেন। তাদের সাথে তিনি মুসলিম বিশ্ব নিয়ন্ত্রণকারী বিশ্ব রাজনীতির প্রেক্ষাপট নিয়ে, বিশেষ করে আফগানের উত্তরাংশে ধর্ম বিদ্বেষী প্রচারণা নিয়ে সুদীর্ঘ ও ব্যাপক আলোচনা করেন।
    রাজনৈতিক সংগ্রাম
    যখন হাক্কানী সাহেব হজ্জ থেকে ফিরে গেলেন, তখন রাজতন্ত্রের শেষ যুগ ছিল এবং ইতিমধ্যে এর পরিবর্তে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ঘোষণা করা হয়ে গিয়েছে। সেই সময়ে, কমিউনিস্টের ঘৃণ্য মতাদর্শ এবং মার্কসবাদ আফগানের সীমানা অতিক্রম করে ফেলে এবং দ্রুত তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এজন্য হক্কানি সাহেব পাকতিয়া প্রদেশে সমস্ত ছোট ও বড় গোত্রের মধ্যে বৃহৎ জনসভার আয়োজন করেন এবং তিনি দ্রুত ছড়িয়ে পড়া নাস্তিকতার বিপদ সম্পর্কে এবং তাদের অনিবার্য বিকৃত রুচি সম্পর্কে সচেতন করতে থাকেন। এই কাজে, তিনি সেই অঞ্চলের বিখ্যাত ধর্মীয় পণ্ডিতদের কাছ থেকে পুরোপুরি সমর্থন পান। লোকদের যারা নতুন ধর্মবিরোধী মতাদর্শের দ্বারা প্রভাবিত ছিল, তাদের অধিকাংশ নিজেদের ভ্রান্ত বিশ্বাস ত্যাগ করে এবং তাদের কাজের জন্য অনুতপ্ত হয়।
    দাউদ খানের আকস্মিক অভ্যুত্থান এবং পরবর্তী পদ্ধতিসমূহ:
    ১৯৭৩ সালের ১৭-ই জুলাই, দাউদ খান একটি আংশিকভাবে ন্যায়সঙ্গত অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাজতন্ত্রকে উৎখাত করেন এবং শাসকে পরিণত হন। তার সমর্থকদের যারা কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য ছিল, তারা সরকারি অফিসের পাশাপাশি অন্যান্য সেক্টরের কিছু উচ্চ পদে নিযুক্ত হন। সেই সময় দাউদের বিরুদ্ধে দুটি আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছিল। এই আন্দোলনগুলির মধ্যে একটি হল, আফগানিস্তানের ধর্মীয় শিক্ষা এবং আধ্যাত্মিকতা (রহস্যবাদ/সূফীবাদ)-এর গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র 'কালা জাওয়াদ'-এর উলামা ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদদের নেতৃত্ব ও পৃষ্ঠপোষকতায় উলামা-র (ধর্মীয় পণ্ডিতদের) আন্দোলন। দ্বিতীয় আন্দোলনটি ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের এবং অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির তরুণ ছাত্রদের, যাকে 'ইসলামিক নাহাজা (অর্থাত পুনর্মিলন বা পুনরুজ্জীবন)' বলা হয়।
    তাই আফগানের সর্বাধিক বিশিষ্ট ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব জিয়া-উল-মাশাইখের (রাহ অনুমতি ও নির্দেশনায়, আল-হজ মৌলভী জালালুদ্দীন হাক্কানী এবং দক্ষিণ-পূর্ব প্রদেশের বিখ্যাত পণ্ডিতবৃন্দ, রাষ্ট্রপতি দাউদ খান ও তার কমিউনিস্ট সমর্থকদের ধর্ম-বিরোধী নীতির বিরোধিতা শুরু করেন। এসকল উলামার মধ্যে আছেন:
    মৌলভী নাসরুল্লাহ মনসুর
    মৌলভী ফাতেহুল্লাহ
    মোল্লা নিজামউদ্দীন
    মৌলভী আহমদ গুল
    মৌলভী আজিজ খান
    মৌলভী মোহাম্মাদ হাসান
    উপরের উল্লিখিত পণ্ডিত ও তাদের অনুসারীরা বৃহত্তর পাকতিয়া, কাবুল এবং অন্যান্য একাধিক প্রদেশে বাস্তব সংগ্রাম শুরু করে। সেই সময় মাওলানা জালুদ্দীন হক্কানি,মৌলভী আহমদ গুল কর্তৃক নির্মিত এবং পাকতিয়া প্রদেশের 'নাককা' জেলায় অবস্থিত 'মাদ্রাসা রহমানিয়া'তে শিক্ষা দিচ্ছিলেন। তার অন্য সহকর্মী মৌলভী ফাতেহুল্লাহ হাক্কানি 'তুরি খাইল' এলাকার 'মাদ্রাসা হাবিবিয়ায়' শিক্ষাদান করতেন। হাক্কানী সাহেব 'মাদ্রাসা হাবিবিয়িয়া'কে তার কার্যক্রমের মূল কেন্দ্র হিসেবে সাম্প্রদায়িক ও নাস্তিকদের শাসনতন্ত্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেন। বিভিন্ন মুজাহিদীন তখন জিহাদী আন্দোলনের জন্য সাধারণত পরামর্শ ও অন্যান্য পরিকল্পনা করার জন্য এই স্থানে আসতেন। যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:
    গুলবউদ্দিন হিকমতিয়ার
    মোল্লা নিজামউদ্দিন হক্কানি
    মৌলভী নাসরুল্লাহ মনসুর
    মৌলভী আহমাদ গুল
    মাতিউল্লাহ খান
    মোহাম্মাদ ইবরাহীম হক্কানি


    চলবে ইনশাল্লাহ.....................।

  2. The Following User Says جزاك الله خيرا to the unknown For This Useful Post:

    Allah Viru (10-09-2018)

Posting Permissions

  • You may not post new threads
  • You may not post replies
  • You may not post attachments
  • You may not edit your posts
  •