Announcement

Collapse
No announcement yet.

বিক্রীত ওলামা

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • বিক্রীত ওলামা

    বিক্রীত ওলামা

    যখন ফ্রান্সের সৈন্যরা নেপোলিয়নের নেতৃত্বে আক্রমণের মাধ্যমে কায়রো পৌঁছে, তখন একটি রাজসবার আয়োজন করে আর সে রাজসবায় যেন ১০ জন সিনিয়র শায়খও উপস্থিত থাকে তার ডিক্রি জারি করে, যাতে তাদের মাধ্যমে মিশর শাসনের সমর্থন নিতে পারে আর মুসলিম উম্মাহর প্রতিরোধকেও তাদের মাধ্যমে শেষ করে দিতে পারে, ঠিক সেভাবে, যেভাবে আফগানিস্তান আর ইরাকের পুতুল সরকার করেছে।

    সুতরাং যখন এই ব্যপারগুলি সিনিয়র শায়খদের সামনে উপস্থাপন করা হয়, তখন শায়খদের থেকে তিনজন শায়খ এটাকে প্রত্যাখ্যান করেনঃ শায়খ আল-সাদাত, শায়খ মুহাম্মাদ আল-আমির, এবং শায়খ সাইয়িদ উমর মুক্রাম, আল্লাহ তাদের সবার উপর রহমত বর্ষণ করুণ।

    কিন্তু বাকিরা এটাতে সমর্থন দান করে, এবং তাদের নিয়ে মজলিশ গঠন করা হয় এবং এর নেতৃত্ব দেয়া হয় শায়খ আল আযহার আল-শারকাওিকে। যাই হোক না কেন, কিন্তু মিশরের মুসলিমরা এই মজলিসকে প্রত্যাখ্যান করে, এবং দ্বীনের তরুণ ওলামা আর ছাত্ররাও সিনিয়র ওলামাদের নেপলিয়নের সাথে আপোষের এই নীতিকে প্রত্যাখ্যান করে, আর মুসলিম উম্মাহও তাদের সাথে যোগ দেয় এবং সেই সব ওলামাদের অনুসরন করা ছেড়ে দেয়, যারা নেপোলিয়নের কাছে মাথানত করেছিল; আর তারপর প্রথম কায়রো বিদ্রোহ ছড়িয়ে পরে নেপোলিয়নের মিশরে প্রবেশের তিন মাসের মধ্যয়, যদিও মজলিশের সেইসব সিনিয়র শায়খদের পক্ষ থেকে এই বিদ্রোহের উপর বিরোধিতা ছিল।

    অতঃপর, ফ্রান্সের সেনাবাহিনী এই বিদ্রোহকে বর্বতার সাথে দমন করে, কায়রো, আল-আযহারে বোমাবর্ষণের করে, আর অশ্বপৃষ্ঠ এর দ্বারা আল-আযহারে উপর আক্রমণের করে এবং তার পবিত্র স্থানগুলুতে আক্রমণ করে আর সেগুলুকে ধ্বংস করে দেয়, আর এই ঘটনাগুলো বেশীদিনের পূর্বে ছিল না যখন সিরিয়ার এক ছাত্র – যাকে আমরা জানি শহীদ সুলায়মান আল-হাবিবি (রঃ) নামে – যিনি হিত্যা করেন (জেন বেপিস্টে) ক্লেবারকে, যে নেপোলিয়নের দেশে ফিরে যাওয়ার পর দায়িত্ব গ্রহণ করেছিল। অতঃপর দ্বিতীয় বিদ্রোহ ছড়িয়ে পরে, আশপাশের অঞ্চলের বিদ্রোহের সাথে তাল মিলিয়ে, যদিও মজলিশের সেই সব সিনিয়র শায়খদের পক্ষ থেকে এটারও বিরোধিতা ছিল, আর এই সমস্ত একের পর এক বিদ্রোহই ফ্রান্সি উপনিবেশিদের মিশর ছাড়তে বাধ্য করে।

    যদি মুসলিম উম্মাহ সেই সব সিনিয়র শায়খদের অনুসরণ করত যারা নেপোলিয়নের মজলিশে ছিল, তাহলে মিশরো হত আরেক আলজেরিয়া।

    - হাকিমুল উম্মাহ, শায়খ আয়মান আল জাওাহিরি (হাঃ)

    সাধারণত, কুফফারদের সাথে সাথে, প্রায়ই সিনিয়র শায়খেরাও সত্যিকারের প্রতিরোধের বিরোধিতা করে যা মুসলিম উম্মাহ তাদের নিকট উপস্থাপন করে। আর এই সব ঘটনা সমূহ এটাই প্রমান করে যে সমস্ত ধরণের বিরোধিতা সত্তেও, ইসলাম বিজয়ী হিসেবেই থাকে যদি ইসলাম থাকে নিজের মৌলিকতার উপর।

  • #2
    আমাদের ভূমীতেও এই একই কথা! বাংলাদেশেও বড়বড় শাইখরা জিহাদের বিরোদ্ধে নিজেদেরকে পেশ করে। আসলে আল্লাহ যাকে/ যাদেরকে জিহাদের জন্য কবুল করেন তারাই কেবল মুজাহিদ হয়।
    ولو ارادوا الخروج لاعدواله عدةولکن کره الله انبعاثهم فثبطهم وقیل اقعدوا مع القعدین.

    Comment


    • #3
      বাংলাদেশেও আজ কয়েক সিনিয়র আলেমরা ত্বগুত হাসিনার কাছে ইনভাইটেড হয়েছে। নিজেদের স্বকিয়তা বিকিয়ে দিয়েছে। এতদিন যাদেরকে হক্বের অনুসারি হিসেবে সবাই চিনতো/জানতো তারাই আজ তাদের আসল রুপ প্রকাশ করেছে। ইল্লা মাশাআল্লাহ অনেকে এখনও হক্বের উপর অটল অবিচল আছেন। আল্লাহ আমাদেরকেও দ্বীনের উপর ইসলামের উপর দায়েম ক্বায়েম রাখুন।

      Comment


      • #4
        উলামাদের প্রতি আমার প্রশ্নঃ এদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠায় আপনাদের কর্মসূচি কি?
        والیتلطف ولا یشعرن بکم احدا٠انهم ان یظهروا علیکم یرجموکم او یعیدو کم فی ملتهم ولن تفلحو اذا ابدا

        Comment


        • #5
          তাদের কর্মসূচি মাদ্রাসা হেফাজত "

          Comment


          • #6
            সার্থ ছাড়া মাদ্রাসা নামক গুহা থেকে এরা বের হয় না।
            আল্লাহ আমাদের ঈমানী হালতে মৃত্যু দান করুন,আমিন।
            আল্লাহ আমাদের শহিদী মৃত্যু দান করুন,আমিন।

            Comment


            • #7
              Originally posted by Al jihad media View Post
              তাদের কর্মসূচি মাদ্রাসা হেফাজত "
              তারা কি জানে না যে, আল্লাহ্*ই একমাত্র হেফাজতকারী?

              Comment


              • #8
                সার্থ ছাড়া মাদ্রাসা নামক গুহা থেকে এরা বের হয় না।

                Comment


                • #9
                  উম্মাহ গোল্লাই যাক তাদের আয়ের উৎস মাদ্রাসা টিকে থাকলেই চলে। আয়ের উৎস এই জন্য বলছি কারো জীবিকা মাদ্রাসার উপরই নির্ভর!!!
                  আল্লাহ আমাদের ঈমানী হালতে মৃত্যু দান করুন,আমিন।
                  আল্লাহ আমাদের শহিদী মৃত্যু দান করুন,আমিন।

                  Comment


                  • #10
                    জী তারা জানে,, কথা বললে বলবে এতো বড় বড় আলেম কম বোঝে,, কথা বলার মতো নেই তাদের সাথে,
                    বেশী কিছু বললেই বলে ইয়াহুদীদের দালাল ""

                    Comment


                    • #11
                      g

                      Originally posted by Faizul View Post
                      তারা কি জানে না যে, আল্লাহ্*ই একমাত্র হেফাজতকারী?
                      jane to vaya janar pore o jara amon korbe tader jonnoi to jahannamer sei voyongkor gorto royesa

                      Comment


                      • #12
                        তার কুফফারদের গোলামী করে তারা ভয় পায় যে মাদ্রাসায় ধ্বংস হয়ে যাবে আল্লাহ বলার মত কেউ থাকবে না অথচ তারা বোখারার সেই ঘটনা কে লক্ষ্য করে না তাদের যে কি অবস্থা হয়েছিলো আর তার কি সেই আয়াত কে স্বরন করে না যে তোমাদের কি হলো যে তোমরা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করো না তাদের তাও এই আয়াত স্বরনে আসবে না তাদের কে জিজ্ঞাসা করবেন যে হায়েজের কত রং আছে তারা তা ভালো পারবে আল্লাহ তায়ালা আমাদের কে এই সমস্ত দরবারী আলেমদের থেকে হেফাজত করুন আমিন দ্বিনের উপর অবিচল থাকার তাওফিক দান করুন আমিন
                        যদি রাসুলকে কটুক্তি করা হয়, ওদের বাক সাধিনতার অংশ
                        তাহলে ওদেরকে ধারালো চাপাতির আঘাতে হত্যা করা আমাদের
                        দিনের অংশ। (আনওয়কর আল-আওরাকি রহি

                        Comment


                        • #13
                          জাতী ওলামাদের দিকে তাকিয়ে।
                          ওলাময়ে কেরাম এর মধ্যে বেশির ভাগই নির্বিকার।।
                          স্বল্প কিছু আলেম-ওলামা আছেন যারা চিন্তা ফিকির করেন ও যথাসাধ্য কাজ করার চেষ্টা করেন।

                          Comment

                          Working...
                          X