কাশ্মীরে মুক্তিকামীদের রক্ত দিয়ে বছর শুরু!

গত বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলয়ামা জেলার গুলশানপারা গ্রামে নির্যাতিত সৈনিকদের মধ্যে আরও তিন জন যোদ্ধা শহীদ হয়েছেন।

কাশ্মীরে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়, ৩রা জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলয়ামা জেলার গুলশানপারা গ্রামে নির্যাতিত সৈনিকদের মধ্যে আরও তিন জন শহীদ হলেন। সম্মানিত শহীদ যোদ্ধারা ছিলেন বসির আহমেদ ভাট-এর ছেলে জুবায়ের আহমেদ ভাট, গুলাম নবী পাররায়-এর ছেলে শাকুর আহমেদ পাররায় এবং মহিউদ্দিন থোকের ছেলে আবু তালহা। আল্লাহ তাদের সবাইকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুক।
মাত্র তিন জনের সাথে যুদ্ধ করার জন্য ভারত সেনাবাহিনী তাদের তিনটি আর্মি ডিভিশন পাঠায়। সেগুলো হল ৪২আরআর, সিআরপিএফ, ও সওজি। তিন জনের বিরুদ্ধে তিন সেনাদল নিয়ে গিয়েও দেখা যায় ভারতের ৫ জন আহত হয়ে গেছে। তারা সকলেই ৪২আরআর সদস্য। তারা বর্তমানে হাসপাতালে শয্যাশায়ী হয়ে আছে ।
যোদ্ধাদের এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ জানাতে কাশ্মীরের জনতা মাঠে নেমে আসে, যার নেতৃত্বে ছিল মুসলিম তরুণরা। তাদের সরিয়ে দিতে দখলদার পুলিশবাহিনী তাদের উপর গুলি বর্ষণ করে। ফলে প্রায় ১০ জন সাধারণ এলাকাবাসী গুরুতর আহত হয়েছেন। পুলিশের এই গুলি বর্ষণ দেখে কাশ্মীরের সাহসী তরুণরা হাতে পাথর তুলে নিয়ে পুলিশের দিকে মারতে থাকে।
ভারত দখলদারবাহিনীর এই গণহত্যার ভিডিও ফুটেজ যেন দ্রুত ছড়িয়ে না পরে, সে জন্য সেখানকার সকল ইন্টারনেট যোগাযোগ বন্ধ করে। এখন ঘটনা যখন শেষ, ভারত তাদের সন্ত্রাসী বলছে। কিন্তু এরা এমন সন্ত্রাসী যাদের জন্য কাশ্মীরের লোকেরা আন্দোলন করতে নামেন। এই সন্ত্রাসীরা শুধু ভারত বাহিনীর মনের ভিতর ত্রাস সৃষ্টি করে, অন্য কারো অন্তরে নয়। মুক্তি পাগল কাশ্মীরীদের কাছে তারাই হলেন প্রকৃত দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধা।