Announcement

Collapse
No announcement yet.

এযুগের হিরাক্লিয়াসরা!!

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • এযুগের হিরাক্লিয়াসরা!!

    এযুগের হিরাক্লিয়াসরা!!!
    রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে সব বাদশাহের প্রতি ইসলামের দাওয়াত দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন, তন্মধ্যে একজন হচ্ছে রোমান সম্রাট হিরাক্লিয়াস।
    সে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চিঠি পাওয়ার পর খুব সম্মান করলো। এবং জবাবে সে নিজেকে মুসলিম দাবি করলো।
    কিন্তু রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন তার জবাব পেলেন, তখন কী বলেছিলেন জানেন? তিনি বলেছেন, ‘কাযাবা আদুওউল্লাহ,(আল্লাহর শত্রুটি মিথ্যা বলেছে) সে খৃষ্টধর্মেই আছে’।
    কারণ সে যা দাবি করেছে সে অনুযায়ী আমল করে নি।
    বর্তমানে রোহিঙ্গা ইস্যুতেই কোনো কোনো রাষ্ট্রপ্রধান ও রাজনৈতিক নেতারা কিসরার মতো আচরণ করছেন, আবার কেউ কেউ হিরাক্লিয়াসের মতো আচরণ করছেন।
    যারা কিসরার মতো আচরণ করছে তাদেরকে আমরা চেঙ্গিস খাঁ আর হালাকু খাঁ বানালেও যারা হিরাক্লিয়াসের মতো মুখরোচক কথা বলে মানুষকে ধোঁকা দিচ্ছেন তাদেরকে আমরা অনেকেই মুহাম্মদ বিন কাসিম আর সালাহুদ্দীন আইয়ুবী বানিয়ে নিচ্ছি।
    আসলেই কি তারা মুহাম্মদ বিন কাসিম আর সালাহুদ্দীন আইয়ুবি হওয়ার উপযুক্ত?
    সেই ২০১২ সাল থেকেই দেখছি, এদের প্রতারণামূলক শব্দের বাণ। কেউ কেউ কান্নাকাটি করে রাজপথ ভিজিয়ে দিচ্ছেন, কেউ কেউ শুধু গর্জন করেন কিন্তু বর্ষণ করার দম নেই, কেউ আবার ট্রাম্পকে বোঝানোর দায়িত্ব নিয়েছেন। রোহিঙ্গাদের জন্যে এতকিছু করার পরেও কেনো তাদের উপর পরিচালিত পাশবিক লোমহর্ষক নির্যাতন থামছে না?
    কারণ এসব ছলনাময়ী দরদী প্রতারকরা রোহিঙ্গাদের মুক্তির প্রকৃত পদক্ষেপ নিচ্ছেন না।
    তাই রোহিঙ্গা ইস্যুতে তাদের আচরণকে হিরাক্লিয়াসের আচরণের সাথে তুলনা করবো, সাথে সাথে এ-ও বলবো, ‘কাযাবা আদুওউল্লাহ’!
    সত্যি বলতে কী, আমরাও এমন নেতা চাই একদিকে যাদের সখ্যতা থাকবে খুনীদের সাথে, যারা গলাগলি করবে বিশ্বসন্ত্রাসীদের সাথে, যারা পিঠ চাপড়ে দিবে কসাইকে।
    তারা আবার অন্যদিকে মজলুমের জন্যে শুধু গর্জন করবে, কান্না করবে, আর তাদের মাঝে চকলেট বিতরণ করবে, কিন্তু মজলুমদেরকে মুক্তির বা উদ্ধারের কোনো চিন্তা করবে না।
    আমরা এমন জিহাদ চাই যার ফতোয়া আসবে হোয়াইট হাউসের টেবিল থেকে। নতুবা আমরা এটাকে জঙ্গিবাদ বলবো…
    এই যদি হয় আমাদের অবস্থা, তাহলে কীভাবে মুক্তি পাবে মজলুম রোহিঙ্গাসহ বিশ্বের অন্যান্য মজলুমরা? কতকাল এরা দেশে দেশে উদ্বাস্তু হিসেবে অলিতে গলিতে কখনো রাস্তার পাশে, আবার কখনো খোলার আকাশের নিচে শামিয়ানার ছায়ায় বাস করবে?
    আর কীভাবে এই প্রতারকরা মুহাম্মদ বিন কাসিম আর সালাহুদ্দীন আইয়ুবি হবে? অথচ এদের মধ্যে হাজ্জাজ বিন ইউসুফ হওয়ারও যোগ্যতা নেই!
    হাজ্জাজ বিন ইউসুফতো কোনো কাফিরকে মুসলমানদের বিরুদ্ধে সাহায্য করে নি! অথচ এদের প্রত্যেকেই কোনো না কোনোভাবে কাফিরকে মুসলমানদের বিরুদ্ধে সাহায্য করে যাচ্ছে! কেউ করছে ইয়েমেনে, কেউ করছে আফগানে, কেউ করছে সিরিয়ায়, আবার কেউ করছে সোমালিয়ায়!
    তাই তাদের ব্যাপারে আমার একটাই কথা, ‘কাযাবা আদুওউল্লাহ’…!!

    >> সংগ্রহীত পোষ্ট
    আমরা হয়তো বাঁচি, নয়তো শহীদ হই!

  • #2
    যখন তোমরা জিহাদ ছেড়ে দিবে,তখন তোমাদের উপর লাঞ্চনা চাপিয়ে দেওয়া হবে, যাবত না ফিরে আসো আপন দ্বীনে।
    ولو ارادوا الخروج لاعدواله عدةولکن کره الله انبعاثهم فثبطهم وقیل اقعدوا مع القعدین.

    Comment

    Working...
    X