Page 2 of 2 FirstFirst 12
Results 11 to 11 of 11
  1. #11
    Member
    Join Date
    Dec 2018
    Posts
    50
    جزاك الله خيرا
    6
    131 Times جزاك الله خيرا in 44 Posts
    আজো সৈই আশা ছাড়িনি।
    তবে এখনো তা পূরণ হয়নি।
    অর্থাৎ বাস্তবায়ন হয়নি।
    কিভাবে হবে?
    কারন আমাদের অধিকাংশই তো দাবিদার।

    আশা কেন ছাড়ব?
    কারন আল্লাহ তাআলার বাণী
    انه لا ييئس من روح الله الا القوم الكافرون (يوسف/٨٧)
    অবশ্যই আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হয়না তবে কাফের সম্পদায়। অর্থাৎ মুমিনগণ আল্লাহর রহমত নিরাশ হয়না ।শুধু কাফেররাই আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হয়।
    তবে রিপোর্টের অপেক্ষায় আছি।
    রিপোর্ট পাব কি?
    আপনি বলতে পারেন রিপোর্ট দেবে কে?
    তাহলে শুনোন!
    1)স্কুল পড়ুয়া
    2)মাধ্যমিক স্কুল
    3) কলেজ
    4) ভার্সিটি
    5) মাদ্রাসা(পুরুষ শাখা)
    6) মাদ্রাসা(মহিলা শাখা)
    এগুলোর মাঝে শিক্ষারত ছাত্র , ছাত্রী
    7)গার্মেন্টস
    8)ব্যবসা প্রতিষ্ঠান
    9) চাকুরীজীবী (সরকারী)
    10) চাকুরীজীবী (বেসরকারী )
    11) ব্যাংক
    12) সাধারণ (পুরুষ/মহিলা)
    13)জনগণ
    ইত্যাদি
    সকলস্তরের লোকদের মেহনত করতে হবে কি?
    হ্যা! অবশ্যই সকলস্তরের লোকদেরই মেহনত করতে হবে।
    কোনস্তরে বাকি থাকলে ঐস্তরের লোক প্রশ্নের সম্মুখীন হবে কি?
    হ্যা! অবশ্যই ঐস্তরের লোক সকলেই প্রশ্নের সম্মুখীন হবে।
    ঐসময় বাচার কোন সুরত থাকবে কি?
    বিঃদ্রঃ ঃ গাজওয়াতুল হিন্দ তো অতি নিকটে। এরজন্য দ্রুত প্রস্ততি আবশ্যক নয় কি?
    আপনি প্রস্ততি নিয়েছেন কি?



    ★হে জাতির কর্ণধার উলামায়ে কেরাম! আপনারা যদি সোচ্চার হতেন, আল্লাহর বাণী وانكحوا الامى منكم والصالحين من عبادكم এ আয়াতের উপর আমল করতেন, সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতেন। তাহলে আজ সমাজে যিনা-ব্যবিচারে সয়লাব হতনা। অবিবাহিত নারী পুরুষের বিবাহের ব্যবস্থা হয়ে যেত।
    আয়াতে বর্ণিত ايامى শব্দটি ايمএর বহুবচন
    ঐ মহিলাকে বলা হয় যার স্বামী নেই, অথবা ঐ পুরুষকে বলা হয় যার স্ত্রী নেই। চাই পূর্বে বিবাহ হয়ে থাক বা না থাক ।*
    যদি সমাজে এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হত। তাহলে ...
    ★যে সকল পুরুষের স্ত্রী মারা গেছে বা অসুস্থ, কিংবা তার চাহিদা এক স্ত্রী দ্বারা পূর্ণ হচ্ছে না।তাদের বিবাহর ব্যবস্থা করত।
    এতে করে সমাজ অবাধ যিনা-ব্যবিচার থেকে রক্ষা পেত।
    ★যে সকল মহিলার স্বামী মারা গেছে বা মহিলা তালাকপ্রাপ্তা, অথবা বিভিন্ন কারনে বিবাহ হচ্ছে না।
    এ দুই শ্রেণীর পুরুষ মহিলার জন্য কুরআন-হাদীসের আলোকে বিবাহের ব্যবস্থা করা হত তাহলে সমাজ থেকে যিনা-ব্যবিচারসহ নানাবিধ অপকর্ম দূর হয়ে যেত।




    ★বিশেষ্ট সাহাবী আবু সালামার মৃত্যুর পর বড় বড় সাহাবী পর্যন্ত বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, কিন্তু তিনি তাদের প্রস্তাবে সম্মত হলেন না। অতঃপর রাসুল সাঃ প্রস্তাব পাঠালে সেচ্ছায় রাজি হয়ে গেলেন।

    ★উপকার:- উম্মে সালমাকে রাসুল সাঃ বিয়ে করায় স্বামী হারা মহিলার আশ্রয়স্থল হল।
    ★শিক্ষা :- এই বিয়ের দ্বারা রাসুল সাঃ আমাদেরকে শিক্ষা দিলেন, যে বিধবা, অসহায় এবং শহিদদের পরিবারকে যেন আমরা ভূলে না যাই। এবং তাদের দেখাশোনা সহ দায়িত্ব কাধে তুলে নেই।

    ★হে বোন ! আপনি তো জানেন , আপনাদেরই সন্তান খালেদ বিন অলিদ,*
    মুহাঃ বিন কাসেম, টিপু সুলতান, সালাহুদ্দিন আয়ুবি। তারাত আপনারই মত মায়ের সন্তান,আপনারই মত বোনের ভাই।

    তারা যদি নিজেদের গর্ভে এমন সন্তান ধারণ করে,তাহলে ফিকির করুন, আপনিও তো তাদেরই মত মা, তাদেই মত বোন, তাদেরই মত মেয়ে। তাদের সন্তান বীর-বাহাদুর হলে, আপনার সন্তান হবে না কেন? আপনি কি কোন দিন চিন্তা-ফিকির করেছেন, যদি আল্লাহ তাআলা জিঙ্গাসা করেন?

    ★ ক্বিতালের প্রায় (288 )আয়াত কেন অন্তরে বসালে না। যদি বসাতে ,তাহলে তুমি প্রস্ততি নিতে। নিজে না হয় ছেলে, স্বামী, ভাই, ভাতিজা ও আত্মীয়-সজনকে তৈরী করতে। মেয়ে, বোন , ভাতিজি, ভাগিনি,ভাইজি প্রয়োজনে নিজেও মুজাহিদা হতে, বা মুজাহিদ ছেলের জন্য তৈরী করতে, তাহলে তারা মুজাহিদের সঙ্গীনি হয়ে দ্বীনের কাজে সহযোগীতা করত। কেন তুমি তা করলে না। ঐসময় কি উওর দিবেন ? প্রস্ততি নিয়েছেন তো?

    ★হে মুজাহিদ ভাই! আপনি কি কখনো আপনার মা,আপনার বোন, ভাতিজি , ভাগিনি, পাড়া পড়শীর মেয়েদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করেছেন? যদি তারা আপনার ব্যপারে অভিযোগ করে যে, তারাতো হক্ব, সঠিক বিষয়গুলো স্পষ্ট ভাবে, সুন্দর করে খোলাখুলি বলেনি। ঐসময় উওর দিতে পারবেন তো?




    ★হে আমার মা: আপনি কি আপনার মেয়েকে একজন মুজাহিদা হিসেবে তৈরী করেছেন?
    যে নাকি নিজের জীবনকে বিলিয়ে দেবে দ্বীনের তরে। প্রতি নিয়ত অপেক্ষা করবে সেই কাঙ্খিত পুরুষের, যে নিজেকে দ্বীনের জন্য বিলিয়ে দিচ্ছে ।
    ★হে আমার বোন : আপনি কি কখনও নিজেকে নিয়ে ভেবেছেন?
    কখনও নিজেকে দাঁড় করেছেন দ্বীন বিজয়ী মুজাহিদের পাশে?
    কখনও কি ভেবেছেন আমিও হব একজন মুজাহিদা, কোন মুজাহিদের সহযোগী?
    যার সাথে,নির্যাতিত, নিপিড়িত, অসহায় মুসলিমের সেবায় অংশ নেবো।

    " আমরা হব তালেবান
    বাংলা হবে আফগান"

    ★ হে আমার মুজাহিদ-মুজাহিদা ভাই বোনেরা! কমেন্টে আমরা লিখি বা দেখি " আমরা হব তালেবান বাংলা হবে আফগান"
    প্রশ্ন হবে! আমরা বাস্তবে মুজাহিদ না শুধু দ্বাবীদার:
    কারন আমরা কি আমাদের বোন, ভাগিনি, ভাতিজি, পাড়া-প্রতিবেশী মেয়েদেরকে এভাবে গড়তে পেরেছি। তাদের আদর্শ গ্রহণ করেছি?
    প্রশ্ন হতে পারে! তাদের আদর্শ বা নমুনা কি?
    উওর সহজ সাহাবাদের আদর্শ বা নমুনাই হল তাদের আদর্শ বা নমুনা ।*
    ★আফগান মেয়েরা !মুহাজির মুজাহিদ কোন ছেলে বিবাহের ইচ্ছা পুষণ করলে, তার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে দ্বীনী খেদমতে সদা প্রস্তুত থাকে।
    আমরা কি এভাবে গড়তে পেরেছি , বা তৈরী করতে পেরেছি।
    নিজেরা প্রস্তত হতে পেরেছি।

    আমি ঈমানদার না ঈমানের দাবিদার:

    ★একজন মা তাঁর মেয়েকে বিয়ে দেবে, তিনি ছেলে খোঁজতে গিয়ে খবর নেন, ছেলে আগে কোন বিয়ে করেছে কি না, ছেলের মাসিক ইনকাম কত, আর কত কি? খুব কম মা আছেন ছেলের দ্বীনদারি নিয়ে প্রশ্ন করেন। কনে যদি শুনতে পায় ছেলে বিবাহিত তাহলে বিবাহ বসতে রাজি হয়না। মুফতী সাহেব, আলেম সাহেব সবার একই অবস্থা , ছেলে বিবাহিত হলে মেয়ে বিয়ে দেওয়া যাবে না।*
    সবার নিকট একটা প্রশ্ন চলে আসে।
    আমরা কি ঈমানদার না ঈমানের দাবিদার? অামি امنت بالله বলে ঈমান আনলাম। অথচ আল্লাহর বাণী فانكحوا ماطاب لكم من النساء مثني و ثلث وربع এ আয়াতের উপর আমল করলাম না। আমল করাকে পছন্দ করলাম না। বরং বাস্তবায়নে বাধসাধলাম। তার পর ও(و افوض امرى الى الله ) কি আমি সমর্পিত মুসলিম।*

  2. The Following 2 Users Say جزاك الله خيرا to আল কিতাব For This Useful Post:

    বদর মানসুর (09-23-2019),abu ahmad (09-18-2019)

Posting Permissions

  • You may not post new threads
  • You may not post replies
  • You may not post attachments
  • You may not edit your posts
  •