Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ্ * নিউজ # ৬ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী # ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ঈসায়ী।

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ্ * নিউজ # ৬ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী # ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ঈসায়ী।

    অচল ভূস্বর্গ কাশ্মীর: গ্রেফতার ও নির্যাতনের এক নির্মম গল্প




    রাতের অন্ধকারে মানুষ হত্যা আমরা সাম্প্রতিক সময়ে প্রত্যক্ষ করেছি। কিন্তু বিশ্ব এবার সাক্ষী থাকল এমন এক পাষবিক, নির্মম ইতিহাসের যেটি ঘটল গেরুয়া সন্ত্রাসী ভারতীয় বাহিনীর দ্বারা। অনেক পরে হলেও প্রকৃত সত্যটি আজ সবার সামনে প্রমাণিত হয়ে গেল।

    একমাস আগে ভারত, কাশ্মীরের স্বায়ত্ত্বশাসন প্রত্যাহার করার পর থেকে হাজার হাজার মানুষকে আটক করেছে এবং তাদের মধ্যে অনেকের উপর চালিয়েছে অমানবিক নির্যাতন।

    এক রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, কাশ্মীরে ৫ আগস্ট থেকে ৪ হাজারেরও বেশি লোককে আটক করা হয়েছে। প্রকৃত সংখ্যা যে এর থেকে বহুগুণ বেশি সেটিও উঠে এসেছে কোন কোন রিপোর্টে।

    ভারতের গেরুয়া সন্ত্রাসীদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা অপসারণের ঘোষণা করার এক মাস পরে, হাজার হাজার মানুষের উপর ভারতীয় মানবতাবিরোধী হিন্দু মুশরিক সন্ত্রাসী বাহিনী পাষবিক নির্যাতন চালিয়েছে।

    দক্ষিণ কাশ্মীরের একটি গ্রামে, একজন ২২ বছর বয়সী যুবক বলেছে যে মধ্যরাতের অভিযানে তাকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং আরও কয়েকজন অন্যান্য কাশ্মীরি সহ এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে নির্যাতন করা হয়েছিল ।

    “আমাকে লাঠি, রাইফেল বাট দিয়ে মারধর করা হয়েছিল এবং তারা আমাকে জিজ্ঞাসা করতে থাকে যে আমি কেন প্রতিবাদ মিছিল করতে যাচ্ছি। আমি তাদের বলেছিলাম যে আমি যাইনি, তবে তারা থামেনি। আমি অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার পরে, তারা আমাকে জাগ্রত করার জন্য বৈদ্যুতিক শক ব্যবহার করেছিল।”

    “একবার তারা বুঝতে পেরেছিল যে আমি নির্দোষ, তখন তারা চেয়েছিল যে আমি পাথর ছোড়ার মামলায় সত্যায়ন করি। কিন্তু আমি তাদের বলেছিলাম, আমি কাউকে চিনি না। সুতরাং, তারা আমাকে মারধর ও বৈদ্যুতিক শক চালিয়ে যাচ্ছিল। তারা চাচ্ছিল যে আমরা সবাই পাথর ছোড়ার অপরাধ মেনে নিব।”

    “তারা আমার দাড়ি টানতে শুরু করে এমনকি আগুন দেওয়ারও চেষ্টা করেছিল। তারপরে, কেউ আমার মাথায় আঘাত করেছিল এবং আমি অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলাম। তখনই তারা সম্ভবত বুঝতে পেরেছিল যে আমি মারা যাব। তাই তারা আমার এক বন্ধুকে আমাকে বাড়িতে নিয়ে যেতে বলেছিল। আমি দু’দিন পরে আবার সচেতন হয়েছিলাম। এখন ২০ দিন কেটে গেছে তবে আমি এখনও সঠিকভাবে চলতে পারি না,” বলছিলেন দখলদার ভারতীয় হিন্দু মুশরিক গেরুয়া সন্ত্রাসীদের হাতে গ্রেফতারের পর নির্মম নির্যাতনের শিকার হওয়া কাশ্মীরি যুবক।


    মোবাইল ফোনে ধারণকৃত ভারতীয় হিন্দু গেরুয়া সন্ত্রাসীদের হাতে নির্যাতিত এক কাশ্মীরির নির্যাতনের দৃশ্য

    ভারতীয় গেরুয়া সন্ত্রাসী বাহিনী কর্তৃক নির্যাতনের শিকার এক যুবক মোবাইল ফোনে তার আঘাতের ছবি দেখায়।

    প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে, অন্য একটি গ্রামের বাসিন্দারা বলেছেন যে, তারা হিন্দু সন্ত্রাসী বাহিনীর সবচেয়ে খারাপ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রত্যক্ষ করেছেন।

    ২০ বছরে পদার্পণ করা এক যুবককে মারাত্মকভাবে মারধর করা হয়েছিল এবং তিনি এখনও ভর দিয়ে ছাড়া হাঁটতে পারছেন না। তাঁর সারা শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। কিছু জায়গায়, চামড়া কুচকে গিয়েছে। আঘাতের কারণে এমনকি তিনি বিশ্রামও নিতে পারছেন না!

    অত্যাচারের ভয়ে এই ব্যক্তিও তার নাম বলতে অস্বীকার করেছিলেন। তিনি বলেন, “গেরুয়া সন্ত্রাসী কর্মীরা আমার ক্ষত দেখে আমাকে সনাক্ত করবে এবং আমি তা চাই না।”

    “আমি অজ্ঞান হওয়ার পরে, তারা আমাকে জাগানোর জন্য বৈদ্যুতিক শক ব্যবহার করেছিল।”

    বাসিন্দারা জানিয়েছেন, গ্রামের অনেক যুবককে গেরুয়া হিন্দু বাহিনী আটক করেছিল, পরবর্তীতে তাদের বাবা-মা তাদের অবস্থান এবং সুস্থতার বিষয়ে অজ্ঞ ছিলেন।

    অন্যদিকে এই যুবক তার আটক এবং নির্যাতনের বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। তিনি নিজের নাম বা বয়স সহ কোনও বিবরণ জানাননি এবং অনুরোধ করেছিলেন যে তার গ্রামের নামটিও প্রকাশ করা উচিত নয়।

    “সন্ত্রাসী বাহিনী যদি আমাদের কথোপকথনের বিষয়টি জানতে পারে, তবে আমাকে খারাপ পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে,” তিনি বলছিলেন।

    তিনি আরও বলেন যে, “পুরো গ্রাম জানে যে মিডিয়া এখানে। আমি কাছে এমনকি আমার পাশের কাউকে বিশ্বাস করতে পারি না, কারণ আমরা প্রত্যেকে এতটা ভয়ে বাস করছি যে, কেউ হয়তো তাদের পরিবারকে রক্ষা করার জন্য তাদের জানাতে পারে।”
    মধ্যরাতে অভিযানঃ

    শোপিয়ান জেলার মোহাম্মদ শফী ভাট বলেছেন যে, ভারতের সংবিধানের ৩০০ অনুচ্ছেদ বাতিল করার সিদ্ধান্তের পরে মধ্যরাতের অভিযানে পুরুষদেরকে গেরুয়া সন্ত্রাসী বাহিনী ধরে নিয়ে গেছে।

    তিনি দাবি করেছেন যে, ৫ আগস্ট থেকে হাজার হাজার মানুষকে আটক করা হয়েছে এবং ভয় দেখানোর জন্য তাদের ধরে নেওয়া হয়েছে। এমনকি নির্যাতন করা হচ্ছে।

    মিডিয়া রিপোর্টে বলা হয়েছে যে এক মাসে প্রায় ৪,০০০ মানুষকে ধরে নেওয়া হয়েছে।

    শোপিয়ানের এক আপেল কৃষক বলেছিলেন, তিনি তার ছেলেদের বাড়ির বাইরেও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের জন্য বা আপেলের ফসলে কীটনাশক স্প্রে না করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

    “যদি তারা বাইরে যায় তবে আমি আশঙ্কা করি যে তারা আটক হতে পারে। সুতরাং, আমি তাদের ছাড়ি না। আমিই সাধারণত প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে বাইরে যাই।” তিনি বলছিলেন।

    পুলওয়ামা জেলায় ১৮ বছর বয়সী মামুর রসুলকে স্থানীয় হিন্দুত্ববাদী পুলিশ ৯ আগস্ট দুপুর ২ টার দিকে ধরে নিয়ে যায়।


    মামুর রসুল

    তাঁর বাবা গোলাম রসুল দাবি করেছেন যে তাঁর ছেলেকে উত্তর ভারতের আগ্রা শহরের কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি বলেছিলেন যে, তারপর থেকে তিনি তার ছেলের সাথে কোন কথা বলতে পারেননি।

    “প্রথমে তারা তাকে মারধর করে স্থানীয় থানায় নিয়ে যায়। ১৪ ই আগস্ট আমাকে জানানো হয়েছিল যে তাকে জননিরাপত্তা আইন (পিএসএ) এর অধীনে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং শ্রীনগরের কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তরিত করা হয়েছে,” গোলাম রসুল বলছিলেন।

    “যখন আমি শ্রীনগরে পৌঁছলাম, আমাকে জানানো হয়েছিল যে আমার ছেলেসহ আরও ৪৭ জনকে আগ্রায় স্থানান্তর করা হয়েছে। আটককৃতদের বেশিরভাগই দেশের অন্য অঞ্চলে প্রেরণ করা হচ্ছে, যার ফলে পরিবারগুলোর পক্ষে তাদের কাছে পৌঁছানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে।”

    মামুর রসুলকে ৯ আগস্ট পুলওয়ামার কাছ থেকে তুলে নেয়া হয়েছিল, তার বাবা মোবাইল ফোনে ছবি দেখানোর সময় বলছিলেন।

    ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ৬৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে ৪ আগস্ট কুপওয়ারা জেলা থেকে ধরে নেওয়া হয়েছিল। তিনি শ্রীনগরের কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী রয়েছেন। সেখানে তাঁর স্ত্রী ও দুই ছেলে তাকে দেখতে এসেছিলেন।

    “তিনি অসুস্থ ছিলেন এবং খুব কমই বাইরে গিয়েছিলেন। আমি তার স্বাস্থ্যের জন্য উদ্বিগ্ন,” তাঁর স্ত্রী হজরত বেগম যিনি তার স্বামীর সাথে দেখা করতে ৯০ কিলোমিটার দূরে ভ্রমণ করেছেন।

    স্থানীয়রা জানান, “কাশ্মীরের জন্য আটকে রাখা এবং নির্যাতন নতুন নয়। তবে এর আগে আমরা বিভিন্ন ধরণের যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য পেতাম। এখন যোগাযোগের কোনও উপায় ছাড়া প্রতিটি মামলা যাচাই করা খুব কঠিন কাজ।”

    “আমরা যা প্রত্যক্ষ করছি তা নজিরবিহীন এবং যোগাযোগ পুনঃস্থাপনের পরে সত্যিকারের সংখ্যাগুলো কেবল তখনই পাওয়া যাবে।”

    সূত্র: আল-জাজিরা ।


    সূত্রঃ- https://alfirdaws.org/2019/09/06/26348/
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  • #2
    এবারে পশ্চিমবঙ্গে হত্যা করা হলো এক মুসলিমকে, অন্য ঘটনায় আহত ২



    গত ৪ঠা সেপ্টেম্বর বুধবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে একজন মুসলিমকে নির্মমভাবে পিটিয়েছে উগ্ররা। এতে, ঐ মুসলিম যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানায় সংবাদসংস্থা ‘দ্য কগন্যাট’ । রাজ্য সরকারের লিঞ্চিং বন্ধ করতে বিল পাস হওয়ার এক সপ্তাহেরও কম সময়ে এ ঘটনা ঘটলো।

    পুলিশের বরাত দিয়ে বার্তাসংস্থা দ্য কগন্যাট জানিয়েছে, কবির শেখ নামে ৩২ বছর বয়সী এক মুসলিম যুবককে উগ্ররা মুর্শিদাবাদের বাহারামপুর শহরের লালবাগ এলাকায় এক সাধারণ হাসপাতালে ‘অনুমতি ব্যতীত প্রবেশের’ অভিযোগ তুলে চেয়ার দিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে খুন করেছে।

    শেখের প্রাণহীন দেহ পরে দোকানের বারান্দা থেকে উদ্ধার করা হয়। দেখা যায়, তার হাত ও পা দড়ি দিয়ে বাধা অবস্থায় ছিল। পরে, মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাকে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে ঘোষণা করা হয়।

    একইভাবে, পশ্চিমবঙ্গের আলিপুরদোয়ার জেলার বেনিয়াপারা গ্রামে মঙ্গলবার রাতে দুইজনকে হত্যা করার চেষ্টা করে উগ্ররা। উগ্রদের দাবি, ঐ দু’জন গ্রাম দিয়ে ‘সন্দেহজনকভাবে’ যাচ্ছিল।

    এভাবে সমগ্র ভারতজুড়েই চলছে মুসলিম হত্যার উদ্ধত উৎসব। উগ্র হিন্দুরা ভারতের বিভিন্নস্থানে মুসলিমদের উপর চালাচ্ছে নির্মম নির্যাতন। কেবল সন্দেহের ভিত্তিতে কিংবা বিনা অজুহাতেই হত্যা করা হচ্ছে মুসলিমদেরকে।


    সূত্রঃ- https://alfirdaws.org/2019/09/06/26356/
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      এবারে পশ্চিমবঙ্গে হত্যা করা হলো এক মুসলিমকে, অন্য ঘটনায় আহত ২



      গত ৪ঠা সেপ্টেম্বর বুধবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে একজন মুসলিমকে নির্মমভাবে পিটিয়েছে উগ্ররা। এতে, ঐ মুসলিম যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানায় সংবাদসংস্থা ‘দ্য কগন্যাট’ । রাজ্য সরকারের লিঞ্চিং বন্ধ করতে বিল পাস হওয়ার এক সপ্তাহেরও কম সময়ে এ ঘটনা ঘটলো।

      পুলিশের বরাত দিয়ে বার্তাসংস্থা দ্য কগন্যাট জানিয়েছে, কবির শেখ নামে ৩২ বছর বয়সী এক মুসলিম যুবককে উগ্ররা মুর্শিদাবাদের বাহারামপুর শহরের লালবাগ এলাকায় এক সাধারণ হাসপাতালে ‘অনুমতি ব্যতীত প্রবেশের’ অভিযোগ তুলে চেয়ার দিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে খুন করেছে।

      শেখের প্রাণহীন দেহ পরে দোকানের বারান্দা থেকে উদ্ধার করা হয়। দেখা যায়, তার হাত ও পা দড়ি দিয়ে বাধা অবস্থায় ছিল। পরে, মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাকে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে ঘোষণা করা হয়।

      একইভাবে, পশ্চিমবঙ্গের আলিপুরদোয়ার জেলার বেনিয়াপারা গ্রামে মঙ্গলবার রাতে দুইজনকে হত্যা করার চেষ্টা করে উগ্ররা। উগ্রদের দাবি, ঐ দু’জন গ্রাম দিয়ে ‘সন্দেহজনকভাবে’ যাচ্ছিল।

      এভাবে সমগ্র ভারতজুড়েই চলছে মুসলিম হত্যার উদ্ধত উৎসব। উগ্র হিন্দুরা ভারতের বিভিন্নস্থানে মুসলিমদের উপর চালাচ্ছে নির্মম নির্যাতন। কেবল সন্দেহের ভিত্তিতে কিংবা বিনা অজুহাতেই হত্যা করা হচ্ছে মুসলিমদেরকে।


      সূত্রঃ- https://alfirdaws.org/2019/09/06/26356/
      আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        জুমুআর সালাতের পর আজাদ কাশ্মীরিদের উপর সন্ত্রাসী হিন্দু সেনাদের বর্বরোচিত হামলা!



        ভারতীয় দখলদার হিন্দু গেরুয়া সন্ত্রাসী বাহিনী কাশ্মীরে চালাচ্ছে অবর্ণনীয় নির্যাতন। কাশ্মীরে বর্তমানে বিশ্বের অন্য যে কোন দেশের চেয়ে সবচেয়ে বেশি দখলদার সন্ত্রাসী সেনা অবস্থান করছে। এসকল দখলদার হিন্দু গেরুয়া সন্ত্রাসীদের আক্রমণে প্রতিনিয়তই আঘাত

        হিন্দু সেনাদের হামলায় আহত এক মুসলিম।

        প্রাপ্ত হচ্ছেন কাশ্মীরি মুসলিমরা। এখন ভারতীয় দখলদার হিন্দু সেনারা পাকিস্তানের দখলকৃত কাশ্মীরেও হানা দিয়েছে। জুমুআর সালাতের পর হিন্দু সেনাদের উক্ত হামলায় আহত হয়েছেন বহু কাশ্মীরি মুসলিম।


        সংবাদ সূত্রে জানা যায়, আজ ৬ই সেপ্টেম্বর আজাদ কাশ্মীরের খুইরাত্তা সেকটরের মুসলিমরা জুমুআর সালাত আদায় করার পর সীমান্ত রেখা অভিমুখে যাত্রা শুরু করেন। এসময়, দখলদার বর্বর হিন্দুত্ববাদী ভারতীয় সেনারা মুসলিমদের উপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ শুরু করে এবং গোলাবর্ষণ করতে থাকে। এসময় সন্ত্রাসী হিন্দু সেনাদের বর্বরোচিত হামলায় আহত হয়েছেন বহু সংখ্যক কাশ্মীরি মুসলিম।

        সূত্রঃ- https://alfirdaws.org/2019/09/06/26360/
        আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          হে আল্লাহ, আপনি মুসলিম উম্মাহকে হিফাযত করুন। আমীন
          ‘যার গুনাহ অনেক বেশি তার সর্বোত্তম চিকিৎসা হল জিহাদ’-শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহ.

          Comment


          • #6
            হে আল্লাহ মুসলিম উম্মাহকে হেফাজত করুন,আমিন।
            ’’হয়তো শরিয়াহ, নয়তো শাহাদাহ,,

            Comment

            Working...
            X