Page 1 of 2 12 LastLast
Results 1 to 10 of 15
  1. #1
    Media Al-Firdaws News's Avatar
    Join Date
    Sep 2018
    Posts
    2,784
    جزاك الله خيرا
    30
    9,192 Times جزاك الله خيرا in 2,770 Posts

    মুজাহিদীন নিউজ # ১১ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী # ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ঈসায়ী।

    নাইন-ইলেভেনে মুজাহিদগণের সুমহান যুদ্ধনীতি!




    পশ্চিমা কূটরাজনীতির দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করলে বিষয়টি তাদের গণতন্ত্রের মাঝে বিদ্যমান। তারা বাহ্যত আইন প্রণয়ন করে জনগণের স্বার্থে যদি তা রাষ্ট্রের উচ্চাভিলাসী স্বার্থ বিরোধী না হয়। যদি আইনের আশ্রয় নিয়ে রাষ্ট্রের স্বার্থোদ্ধার না হয় তাহলে তারা বিকল্প কোনো কর্মকৌশলের উপর আইনের প্রলেপ লাগায় অথবা আইন সংশোধন করে। যদি এভাবে কার্যসিদ্ধি সম্ভব না হয় তাহলে তা বাস্তবায়ন করা হয় পর্দার আড়াল থেকে। ফলে জনগণ ও কংগ্রেসম্যানরা থাকে এ বিষয়ে অজ্ঞ। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপ্রধানকেও জানানো হয় না, কারণ এগুলো কার্যকর করা হয় সিক্রেট ইন্টেলিজেন্সের মাধ্যমে, যারা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থের দোহাই দিয়ে কোনো আইনকে পদদলিত করতে দ্বিধান্বিত হয়না। তুমিও (ওবামা) হয়তো জানতে না যে, তোমার বিশেষ ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি জার্মান চ্যান্সেলরের সেটেলাইট ফোন ও তার সভাসদস্যদের কম্পিউটারে আঁড়ি পেতেছিল।

    অপরদিকে যদি সেই স্বার্থ উদ্ধারের জন্য স্বৈরশাসকের পৃষ্ঠপোষণ করতে হয় বা কোথাও গণহত্যার মতো কাণ্ড ঘটাতে হয় অথবা গণবিপ্লব বা যুদ্ধের প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের পরিবর্তে কংগ্রেসম্যান ও সেনেটররা স্বার্থোদ্ধারে এগিয়ে আসে। তারা আইন, চিন্তাশীল সম্প্রদায় (যেমন র*্যান্ড করপোরেশন) ও গণমাধ্যমকে প্রভাবিত করে। মিডিয়া প্রয়োজন মাফিক মগজ ধোলাই করতে থাকে, যুদ্ধের অনিবার্যতা প্রচার করতে থাকে। স্বৈরশাসকদের ইমেজ বৃদ্ধি ও তাদের প্রতিপক্ষকে কুৎসিৎভাবে উপস্থাপন করতে থাকে। আর স্বৈরশাসকের জুলুম-নির্যাতন ও গণহত্যার মতো বর্বরতার বিপক্ষে মৌখিক সমালোচনার মাধ্যমে ভালো মানুষ দেখায় ও প্রকৃত সত্যকে আড়াল করে। সেই সাথে বুদ্ধিজীবীরা বক্তৃতা, বিবৃতি ও লিখনীর মাধ্যমে বুঝানোরা চেষ্টা করে যে, এই মুহূর্তে যুদ্ধের কোনো বিকল্প নেই; রাষ্ট্র মারাত্মক হুমকির মুখে। শত্রুরা (কাল্পনিক) আমাদের অর্থব্যবস্থা ও জাতিকে ধ্বংসের পায়তারা চালাচ্ছে। স্বৈরশাসক সিসিকে দিয়ে হাজারো নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীকে হত্যা করানো হলো। তাদের জন্য পশ্চিমা মিডিয়ার চোখ দিয়ে এক বিন্দু অশ্রুও গড়িয়ে পড়েনি। আমেরিকায় তৈরি বোমারু বিমানের হামলায় গাজার একটি মাত্র এলাকায় শতাধিক লোক নিহত হলো, তখন তাদের মিডিয়া এর প্রতিবাদ করাতো দূরের কথা, উল্টো বরাবরের মতো উচ্ছাস প্রকাশ করে বলল, মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলই একমাত্র রাষ্ট্র যেখানে গণতন্ত্রের চর্চা হয়।

    পশ্চিমারা অন্যদের সাথে নৈতিক আচরণ করবে -তা কিছুতেই সম্ভব নয়। তারা স্বার্থপূজারী। যখন শাইখ উসামা রহিমাহুল্লাহকে বিনা বিচারে হত্যার পর তাঁর দেহ সাগরে ভাসিয়ে দেওয়া হলো, তখন পুরো বিশ্ব তোমাদের নৈতিকতা তাকিয়ে তাকিয়ে দেখল। তোমাদের সেনারা তালেবানদের ক্ষত-বিক্ষত করলো আর বিশ্ববাসী প্রত্যক্ষ করল মার্কিন সেনাদের নৈতিক দৈন্যতা। তারা ফালুজায় মসজিদ গুঁড়িয়ে দিল। আবু গারিব এবং গোপন টর্চার সেলগুলোতে নির্যাতনের এক কালো অধ্যায়ের সূচনা করল। সোমালিয়া, ইয়েমেন এবং আরও কিছু দেশে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস চালানো হলো এবং এখনো অব্যাহত আছে বরং সন্ত্রাসের মাথা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    ইরাককে তোমরা রক্তসাগরে পরিণত করেছো। ব্যাপক বিধ্বংসী অস্ত্রের সন্ধান কি তোমার পূর্বসূরীরা পেয়েছিল? না! বরং তারা সেখানে পেয়েছিল মার্কিন দূতাবাস নির্মাণের জন্য সুবিধাজনক বিশাল এলাকা। তারা সেখানে বিশ্বের বৃহত্তম দূতাবাস নির্মাণ করল। দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তেল-গ্যাস কোম্পানীর স্বার্থে কাজ করে এবং মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পথ সুগম করে। তোমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় খুব প্রচার করেছিল যে, আল-কায়েদার সাথে ইরাক সরকারের যোগসাজশ রয়েছে। এবং এই অভিযোগে ইরাককে টুকরো টুকরো করা হলো। ইরাক সরকার ও আল-কায়েদার মাঝে কোনো সংশ্লিষ্টতা তোমার পূর্বসূরীরা উদ্ধার করতে পেরেছিল কি?

    তোমার সরকারের ছত্রছায়ায় দ্বিখণ্ডিত করা হলো। দুটি ব্যর্থ রাষ্ট্রের জন্ম হলো। তোমার এবং তোমার মিত্রদের যুদ্ধে চারিত্রিক মূল্যবোধের কোনো বালাই নেই। সন্ত্রাস বিরোধী যুদ্ধের নামে বহু মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছ এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবি করছ। ইরাক ও আফগানিস্তানে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছ কি? বাস্তবতা হচ্ছে ইরাক ও আফগানিস্তান আজ বিশ্বের অস্থিতিশীল রাষ্ট্রসমূহের মাঝে অন্যতম। তবুও কি তুমি (ওবামা) বিশ্ববাসীকে বিশ্বাস করতে বলবে যে, তোমার সমকামী সৈনিকরা আফগানিস্তানে নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছে?

    বিপরীতে শাইখ উসামা বিন লাদেন (রহি.) যুদ্ধ ও শান্তি উভয় অবস্থায় উন্নত চরিত্র ও মূল্যবোধের ধারক বাহক ছিলেন। তিনি তোমাদের বাণিজ্যিক রাজধানী নিউইয়র্কে হামলা করেছেন, তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, বৃদ্ধাশ্রম এবং গির্জার যাতে ক্ষতি না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখেছেন। তেমন আট মিলিয়নেরও বেশি অধিবাসীর এই শহরটির বসতিসমূহকে হামলার ক্ষয়ক্ষতি থেকে দূরে রেখেছেন। অপরদিকে প্রায়ই দেখা যায়, তোমাদের বিমান হামলায় নিহতদের শতভাগই ছিল শিশু। যেমন, কোনার প্রদেশে লাকড়ী সংগ্রহ করতে যাওয়া ১২শিশু তোমাদের চালাকবিহীন বিমান হামলায় নিহত হয়। ইয়েমেনে একই হামলায় ২৩ নারী ও শিশুকে হত্যা করা হয়। তেমনি হত্যা করা হয় আফগানিস্তানের নাঙ্গাহারে বিবাহ অনুষ্ঠানের অতিথিদেরকে। ২০১০ সালে আফগানিস্তানে মার্কিন বিশেষ টিমের নৈশকালীন এক বিমান হামলায় বহুসংখ্যক লোক নিহত হয়। জাতিসংঘের কর্মকর্তা নাদের নাদেরী নিহতের সংখ্যা ৮০ বলে উল্লেখ করেছেন। বাস্তবে সেই ঘটনায় চার শতাধিক লোক নিহত হয়। ২০০৯ সালে তোমার দেশ আফগানিস্তানে আঠারো হাজার দুইশত চুয়াত্তর বার বিমান হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার একশত ষাটটি হামলা ছিল চালকবিহীন বিমান থেকে।

    প্রযুক্তি নিয়ে তোমাদের গর্বের শেষ নেই। তবে শাইখ উসামার (রহঃ) হামলা প্রযুক্তি নির্ভর ছিলনা। সিক্রেট এজেন্সি, চালকবিহীন ড্রোন, স্মার্ট বোমা, যুদ্ধবিমান ও স্যাটেলাইট স্টেশনের সহায়তা ছাড়াই তিনি নির্ভুলভাবে লক্ষ্যে আঘাত হেনেছেন। এসব তিনি করেছেন কান্দাহারের দূর পর্বতে অবস্থানকালীন সময়ে। তাঁর ও তাঁর লক্ষ্যস্থলের মাঝে ছিল হাজারো মাইলের দূরত্ব। তবুও তিনি লক্ষ ভেদ করেছেন নিপুণভাবে। একটু ভেবে দেখ!, যদি শাইখ উসামা (রহঃ) সাধারণ নাগরিকদের হত্যার ইচ্ছা করে থাকেন তবে কেন তিনি ইন্ডিয়ান পয়েন্ট নিউক্লিয়ার স্টেশন বা সুপার বোল গেইমে হামলা করেননি? তারপর গাজা উপত্যকার কথা ভাব এবং নিজেকে আবারো অনুরূপ প্রশ্ন কর।

    বিশ্ববাসী দেখেছে, শাইখ উসামা (রা.) এর দয়ার্দ্রতা। মুজাহিদগণ তোমাকে চ্যালেঞ্জ করেছে, নাইন ইলেভেনের হামলায় নিহতদের মাঝে দশজন শিশুও কি দেখাতে পারবে? ২০০৯ এবং ২০১৪ইং সনে তোমার ও তোমার মিত্রদের হামলায় নিহতদের মধ্যে এক হাজার শিশুর তালিকা প্রকাশ করতে মুজাহিদগণ প্রস্তুত আছেন। এটা গেল কেবল তোমার শাসনামলের কথা। ইতিপূর্বে তোমরা ইরাক, আফগানিস্তান, ফিলিস্তিনসহ আরও বহু দেশে লক্ষাধিক শিশু হত্যা করেছে। সে পরিসংখ্যানও মুজাহিদগণ তোমাদেরকে দিতে প্রস্তুত আছেন।

    তোমরা ১৫ টিরও অধিক বৈবাহিক অনুষ্ঠানে বিমান হামলা চালিয়েছ। এখানেই শেষ নয়, তোমরা দুইশরও বেশি মসজিদ এবং পঞ্চাশ সহস্রাধিক বসতবাড়ি ধ্বংস করেছ। নাইন ইলেভেনের হামলায় পাঁচটি বসতবাড়িও কি ধ্বংস হয়েছে? দেখাতে পারবে? পারবে না।

    আফগানিস্তান, ইরাক ও ফিলিস্তিনীরা এমন পাঁচ মিলিয়ন মানুষের নামের তালিকা দিতে সদা প্রস্তুত, যারা তোমাদের হামলায় গৃহহীন হয়েছে। বিষাক্ত ইউরোনিয়াম বোমার তেজস্ক্রিয়তার ফলে ফালুজার হাসপাতালসমূহে তিন শতাধিক শিশু বিকলাঙ্গ হয়ে জন্মগ্রহণ করেছে। তোমাদের সাবেক মিত্র বাশার আল আসাদ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সীমা অতিক্রম করেছে। এখন কোথায় গেল তোমাদের বিবেক ও মানবতা?

    আবু মুসআব সূরী, আবু খালেদ সূরীসহ পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে আটক আরও বহু মুজাহিদকে কি তোমরা বাশার আল আসাদের হাতে তুলে দাওনি? সিরিয়ার কত গ্রাম ও শহর ভস্মীভূত হয়েছে, তার হিসাব কি তোমার জানা আছে? নাকি গলফ আর বাস্কেট বল নিয়ে খেলতে থাক?

    তোমাদের লজ্জা হয়না? এতকিছুর পরও কীভাবে বল, মুজাহিদগণ বসতবাড়ি ও সাধারণ নাগরিকদের উপর হামলা করে?

    বিশ্বের প্রায় সকল দেশের সরকার তোমাদের স্বার্থ রক্ষা করে কাজ করছে। তবুও অধিকতর স্বার্থোদ্ধারে তোমরা ন্যায়-অন্যায়ের পরোয়া না করে এসব রাষ্ট্রপ্রধানদের মদদ দিয়ে যাচ্ছ।

    ১৯৮৮-এর ছাত্র আন্দোলনে বার্মার সামরিক জান্তা কয়েক হাজার বার্মিজ শিক্ষার্থীকে হত্যা করেছে, তখন মার্কিন সরকার মিয়ানমারের উপর কঠোর অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করেছিল। অপর দিকে তারা যখন রোহিঙ্গাদের ত্রিশ হাজার ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিল, দুই লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলিমকে বিতাড়িত করল, ঠিক তখন তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বার্মিজ সরকারের জন্য কয়েক মিলিয়ন ডলারের আর্থিক সহায়তা দিয়ে তাদের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করল। আর মুসলিম উম্মাহ এই পাশবিক হত্যা ও জাতিগত নির্মূল অভিযানের নীরব সাক্ষী হয়ে থাকল। তুমি কীভাবে এই সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদেরকে ভুলে থাকতে পেরেছ? কয়েক প্রজন্ম ধরে তারা রাখাইনে বসবাস করছে, অথচ তাদেরকে নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে না। তুমি কি জান, রোগ-শোক ও অনাহারে ক্লিষ্ট রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক ত্রান নিয়ে আসা সংস্থাসমূহকে মিয়ানমার সরকার ফিরিয়ে দিয়েছে? মানবাধিকার কর্মীদেরকে সেখানে ঢুকতে দেওয়া হয়নি? ডাক্তারদের প্রবেশ ও চিকিৎসা সেবার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল? এত কিছুর পরেও তোমার সরকার মিয়ানমারে বিনিয়োগ বন্ধ করা তো দূরে থাক, তা দ্বিগুণ করেছে! তুমি কি ইসরায়েলকে খুব সম্পদশালী মনে কর? তাদের নিজস্ব সম্পত্তি কি রুমানিয়া, স্পেন, মিসর, দক্ষিণ কোরিয়া ও সৌদির চেয়ে বেশি? ইসরায়েলকে প্রাধান্য দিয়ে সামাজিক কার্যক্রম চালাতে গিয়ে মার্কিন সরকারের ঋণের বোঝা দিন দিন ভারী হচ্ছে। ফিলিস্তিন ও লেবাননের মুসলিদের হত্যা করতে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতের বরাদ্দ কমিয়ে সেই অর্থে ইসরায়েলের হাতে মারণাস্ত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। এসবের কারণ হচ্ছে তুমি এবং তোমার পদে যারা থাকে সিদ্ধান্ত তারা গ্রহণ করে না। সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় অন্য কোথাও! পর্দার আড়ালে। তোমার কি মনে পড়ে ২০১৩ সালে বলেছিলে, ফিলিস্তিনীদেরকে তাদের ভূমিতে চাষাবাদে বাধা দেওয়ার অধিকার কারো নেই, পশ্চিম তীরে ছাত্র আন্দোলনের অধিকার কেড়ে নেওয়ার এবং ফিলিস্তিনীদেরকে তাদের ভূমি থেকে বিতাড়নের অধিকার কারো নেই? অতঃপর যখন ফিলিস্তিনে গণহত্যা শুরু হলো, তাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো, তাদেরকে তাদের ঘরবাড়ি থেকে বিতাড়িত করে যাযাবরের মতো জীবন যাপনে বাধ্য করা হলো তখন তোমরা বলে উঠলে, ইসরায়েলিরা যা করছে তা আত্মরক্ষা ছাড়া আর কিছুই নয়। শুধু কি তাই, গাজায় ইসরায়েলি হামলা চলাকালে মার্কিন সরকার তাদের কাছে সর্বাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র সরবরাহ করেছিল। এসবের কারণ হলো, তোমাদের কসাই-মিত্র নেতানিয়াহু জানিয়েছিল যে, ইসরায়েল যদি হামাসকে পরাজিত করতে পারে তাহলে মিসর, আরব আমিরাত, সৌদি ও জর্ডানের স্বৈরশাসকরা যারপরনাই আনন্দিত হবে। অথচ এই হামাস তো তোমাদের সৃষ্ট গণতান্ত্রিক পন্থায় ক্ষমতায় এসেছে। তোমাদের সন্তানরা যখন হোয়াইট হাউসের পেছনে বাগানে বিনোদনে রত, তখন বিশ্ববাসী দেখছিল তোমাদের বোমার আঘাতে রমজানের বিকেলে নদীর পাড়ে খেলতে থাকা ফিলিস্তিনী শিশুরা কীভাবে মাটিতে লুটিয়ে পড়ছিল। আল্লাহ বলেন-

    اسْتِكْبَارًا فِي الْأَرْضِ وَمَكْرَ السَّيِّئِ وَلَا يَحِيقُ الْمَكْرُ السَّيِّئُ إِلَّا بِأَهْلِهِ

    অর্থ: পৃথিবীতে ঔদ্ধত্যের কারণে এবং কুচক্রের কারণে, কুচক্র কুচক্রীদেরকেই ঘিরে ধরে। তারা কেবল পূর্ববর্তীদের দশারই অপেক্ষা করছে। অতএব আপনি আল্লাহর বিধানে পরিবর্তন পাবেন না এবং আল্লাহর রীতিনীতিতে কোনো রকম বিচ্যুতিও পাবেন না। -সূরা ফাতির, আয়াত ৪৩

    সাধারণভাবে বিশ্বের কোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রই যুদ্ধ ও শান্তির সময়কালের নীতিমালা, উন্নত চরিত্র ও মূল্যবোধের ধার ধারেনা। আর ইউরোপ ও আমেরিকার কাছে এসবের কোনোই মূল্য নেই। অথচ, নাইন-ইলেভেনের মত হামলাতেও মুজাহিদগণ যুদ্ধনীতি পরিপূর্ণভাবে লক্ষ্য রেখেছেন এবং বাস্তবায়ন করেছেন। ইসলাম ও মুসলিমদের দুশমন আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও বাণিজ্যিক ভবনে হামলা করেছেন, কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল বা বসতবাড়িতে হামলা করেননি। হামলাটাও করেছেন এমন সময় যখন সাধারণ মানুষ ভবনগুলোতে থাকার সম্ভাবনা ক্ষীণ। আল্লাহ মুজাহিদগণকে সফলতা দান করেছেন, আমেরিকার দম্ভকে এই হামলার মাধ্যমে ধূলিস্যাৎ করে দিয়েছেন।

    ---------------------------------------------

    উৎস: ওবামার প্রতি চিঠি: ৯/১১ অপারেশনের নেপথ্য কারণ । লেখক: শায়খ খালিদ শেইখ মুহাম্মাদ (ফাক্কাল্লাহু আসরাহ)

    সূত্রঃ- https://alfirdaws.org/2019/09/11/26489/
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  2. The Following 3 Users Say جزاك الله خيرا to Al-Firdaws News For This Useful Post:

    abu ahmad (09-11-2019),Munshi Abdur Rahman (09-11-2019),Shirajoddola (09-12-2019)

  3. #2
    Media Al-Firdaws News's Avatar
    Join Date
    Sep 2018
    Posts
    2,784
    جزاك الله خيرا
    30
    9,192 Times جزاك الله خيرا in 2,770 Posts
    কেন ঘটেছিল ৯/১১ ? এমন ঘটনা আবারো কি ঘটতে যাচ্ছে ?



    ১৯৪৮ থেকে ফিলিস্তিনের ঘাঁটিতে যে যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত হয়ে আসছে তা নাইন ইলেভেনের ঘটনার জন্য অনেকাংশে দায়ী। এবং এই চলমান যুদ্ধাপরাধ আরও বহু নাইন ইলেভেনের জন্ম দিতে পারে।

    ১৯৯৮ এর ফেব্রুয়ারীতে শাইখ উসামা, শাইখ আইমান আজ জাওয়াহিরী এবং আরও কতিপয় মুজাহিদ ‘আলজাবহাতুল ইসলামিয়্যাহ আল আলমিয়্যাহ লিহারবিল ইয়াহুদ ওয়াসসালিবিয়্যিন’ (ইহুদী ও ক্রুসেডরদের যুদ্ধের বিশ্বব্যাপী ইসলামিক জোট) গঠন করে আমেরিকা ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে যখন যুদ্ধ ঘোষণা করলেন তখন তা কেবল কয়েকজন ব্যক্তি বা জিহাদী সংগঠনের বিষয় ছিলনা, বরং তা ছিল মুসলিম উম্মাহর প্রাণের দাবি। কারণ, তারা তোমাদের (আমেরিকা) এবং তোমাদের মিত্রদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ দখলদারিত্ব ও জুলুমের বিষয়ে অজ্ঞ ছিল না। জিহাদের এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল নির্যাতিত প্রতিটি মুসলিমকে সাহায্য করার লক্ষ্যে। যারা কোনো না কোনোভাবে তোমার (ওবামার) রাষ্ট্রের মাধ্যমে নির্যাতনের শিকার হচ্ছিল। তাই তোমাদের বিরুদ্ধে ঘোষিত যুদ্ধ ছিল সেই লাখো মানুষের স্বার্থে, যারা ইরাক, ফিলিস্তিন, ফিলিপাইন ও চেচনিয়ায় নিজেদের স্বাধীনতা হারিয়েছিল এবং ভিটেমাটি ছাড়া হয়েছিল। এই ঘোষণা ছিল সেই সকল লোকের স্বার্থে, যারা তোমাদের কূটকৌশলের ফাঁদে পড়ে বেকারত্বের অভিশাপে মরছিল। তোমরা নিজেদের অকেজো অস্ত্রসমূহ চড়া মূল্যে আরব রাষ্ট্রগুলোর কাছে বিক্রি করে থাক, অপর দিকে নামে মাত্র মূল্যে আমাদের তেল-গ্যাস ছিনতাই কর। আমাদের (মুসলিমদের) টাকা দিয়ে তোমরা (পশ্চিমারা) নিজেদের দেশে নতুন নতুন অস্ত্র কারখানা তৈরি কর। এভাবে তোমাদের দেশে কর্মসংস্থান তৈরি হয়; করাচিতে হয় না, কায়রো ও জাকার্তায় হয় না। তোমাদের হাতের পুতুল একনায়কদের দিয়ে প্রকাশ্যে ও গোপনে সব রকমের স্বার্থই তোমরা হাতিয়ে নিচ্ছ।

    শাইখ উসামা এবং তাঁর সঙ্গীগণ যুদ্ধ ঘোষণার সময় তোমাদেরকে সতর্ক করেছিলেন। তারা নাইন ইলেভেনের পূর্বে বলেছিলেন, ইরাকের উপর থেকে অবরোধ উঠিয়ে নিতে। এই অবরোধের ফলে কয়েক মিলিয়ন নারী ও শিশু নিহত হয়েছিল। তারা তোমাদেরকে আরও বলেছিলেন, আরবের একনায়কদেরকে সমর্থন না করতে এবং দখলদার ইহুদীদেরকে সাহায্য না করতে। জাজিরাতুল আরব থেকে সেনা প্রত্যাহার ও সেনাছাউনীগুলো গুটিয়ে নেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আংকেল স্যাম (আমেরিকা) কর্ণপাত করল না। ঘাড়ে কুঠারাঘাত পড়ার পূর্বে তার ঘুম ভাঙ্গলো না।

    দীর্ঘ ষাট বছর যাবৎ তোমরা ফিলিস্তিনীদেরকে হত্যা করেছ। চার মিলিয়নেরও বেশি ফিলিস্তিনীকে তোমরা বাস্তুচ্যুত করেছ; তাদের ঘরবাড়ি, হাট-বাজার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সমূহকে ধ্বংসস্তুপে পরিণত করেছ। তোমরা এসব করেছ অবৈধ রাষ্ট্র ইসরায়েলকে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সাপোর্ট দেওয়ার মাধ্যমে। এসবের প্রতিশোধ নিতে আল্লাহ আমাদেরকে দিয়েছেন নাইন ইলেভেন। এর মাধ্যমে তোমাদের পূঁজিবাদী অর্থব্যবস্থা বিধ্বস্ত হয়। আমরা তোমাদের চরম ক্ষতির মুখোমুখি করতে সক্ষম হই। গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার প্রগলভ দাবিতে তোমরা যে কতটা মিথ্যুক, বিশ্ববাসীর সামনে তার মুখোশ উন্মোচন করতে সক্ষম হই।

    আমাদের ভূখণ্ডে তোমাদের আগ্রাসী পররাষ্ট্রনীতি ও জুলুম-অত্যাচার থামানোর জন্য সর্বোত্তম পন্থা বেছে নেওয়া ছিল অপরিহার্য। যাইহোক, নাইন ইলেভেনের ঘটনার জন্য আমরা দায়ী নই। নিউইয়র্ক ও ওয়াশিংটনে সফল হামলা ছিল মুসলিম বিশ্বে তোমাদের বিধ্বংসী রাজনীতি, ইসরায়েলকে সহায়তা প্রদান এবং তোমাদের স্বার্থে মুসলিম বিশ্বের স্বৈরশাসকদেরকে অন্ধের মতো সমর্থন করার স্বাভাবিক পার্শ-প্রতিক্রিয়া।

    ইন্দোনেশিয়ায় লাখো ভূমিহীন কৃষকের হত্যায় সুহার্তোকে সাহায্য করার প্রায়শ্চিত্ত দিয়েছ নাইন ইলেভেনে।

    স্বাধীনতাকামী মিন্দানাউয়ের মুসলমানদের বিরুদ্ধে দক্ষিণ ফিলিপাইনের খ্রিস্টান সরকারকে সাহায্য প্রদানের শাস্তি ভোগ করেছ নাইন ইলেভেনে। নাম মাত্র মূল্যে তেল-গ্যাস ছিনতাই, একনায়কদের সমর্থন, মুসলিম জাতিবর্গের সম্পদ লুণ্ঠন এবং সামরিক দূরভিসন্ধি বাস্তবায়নের সুবিধার্থে তাবুক, যাহরান, বাহরাইন, ওমান, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে তোমাদের সেনাশিবির প্রতিষ্ঠার কিছুটা শাস্তি ভোগ করেছ নাইন ইলেভেনে। জাতিসংঘের জেনারেল এসেম্বলিতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আনিত প্রস্তাবে পয়তাল্লিশ বারেরও বেশি ভেটু ক্ষমতা প্রয়োগ করেছ, যার আংশিক শাস্তি ভোগ করেছ নাইন ইলেভেনে।

    ১৯৮২ সনে তোমাদের প্রশ্রয়ে ইসরায়েল সতের হাজার লেবানিজকে হত্যা করেছে। তেমনি ১৯৮৩, ১৯৯৬ এবং কানা গণহত্যায় তোমাদের সেনাবাহিনী ইসরায়েলকে লেবাননের বিরুদ্ধে সাহায্য করেছে। নাইন ইলেভেন এসবেরই ফসল।

    খ্রিস্টানরা অ্যাংলো স্যাক্সনদেরকে ইরাকের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়েছিল। তারা ইরাকীদের জন্য নরকের সাজা বয়ে এনেছিল। তারা অর্ধ মিলিয়ন ইরাকীকে হত্যা করেছিল। এসকল নির্যাতনের ফসল ছিল নাইন ইলেভেন। তোমাদের জাস্টিস মিনিস্টার র*্যামসি ক্লার্কের লেখাটি এবার মনযোগসহ পড়। প্রতিটি ক্রিয়ারই প্রতিক্রিয়া থাকে, যেমনটি বলেছেন নিউটন। হে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা! যদি তোমরা তাওরাত, ইনজিল ও কুরআনের আইন না মান, তাহলে বিকল্প স্বরূপ নিউটনের আইন তোমাদেরকে মানতেই হবে।

    প্রকৃত বিচারে আমরা তোমাদেরকে হত্যা করিনি। নাইন ইলেভেনসহ এ ধরনের বাকি ঘটনাগুলোর জন্য আমরা দায়ী নই। ইহুদী, জায়নবাদী, খ্রিস্টান ও তাদের সমমনা ব্যক্তি ও সংগঠন এর জন্য দায়ী। আমাদের থেকে প্রতিশোধ না নিয়ে বরং ডানপন্থী খ্রিস্টান, জেরী ফলওয়েল, জেরী রাওয়ার, প্যাট রবার্টসন ও জন হ্যাজির সাঙ্গ-পাঙ্গদের থেকে প্রতিশোধ নাও। আরও প্রতিশোধ নাও সি.আই. এ, এফ.বি.আই ব্রুকলিনের ইহুদীদের থেকে, আইপেকের (AIPAC) ব্যাপারী ও যুদ্ধবাজদের থেকে, ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা প্রদানকারী ও জায়নবাদী খ্রিস্টান নেতৃবৃন্দ থেকে।

    বাইতুল মাকদিস নিয়ে তোমরা যে নোংরা রাজনীতি করে আসছ, তা নিয়ে শাইখ উসামা তোমাদেরকে সতর্ক করেছিলেন। ১৯৯৩ সনে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে আঘাতকারী মুজাহিদগণের দাবীর কথা কি ভুলে গেছ? পরবর্তিতে তারাই নাইরোজি, দারুস সালামের মার্কিন কনস্যুলেটে আক্রমণ করেছিল। তারাই মার্কিন ডেস্ট্রয়ারে আঘাত হেনেছিল। পূর্বোল্লেখিত কারণসমূহ আমাদেরকে হামলা করতে বাধ্য করেছে। সুতরাং তুমি কি আমাদেরকেই দোষারোপ করবে?

    আমেরিকান হিন্দুদের বিরুদ্ধে গণহত্যা, ভিয়েতনাম, কোরিয়া, টোকিও, হিরোশিমা, নাগাসিকা, ড্রেসডেন ও ল্যাটিন আমেরিকার গণহত্যার শাস্তি থেকে তোমরা বেঁচে গেছ, চীনা একনায়ক চিয়াং কাইশেক ও মেক্সিকান স্বৈরশাসক সেন্টা অ্যানাকে সহায়তা করার শাস্তি থেকে বেঁচে গেছ, কিন্তু আল্লাহর রহমতে আমরা মুসলিম দেশসমূহে তোমাদের অপকর্মের প্রতিশোধ নিয়েছি। ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ও তোমাদের সামরিক হেড কোয়ার্টার পেন্টাগনে আঘাত হেনেছি।

    জাপান, জার্মান, ইতালিসহ আরও যেখানে মনে চায় তোমরা নিজেদের সামরিক ঘাঁটি গেঁড়ে রাখ, তবে মুসলমানদের ভূখণ্ডে তোমাদের কোনো ঘাঁটি সহ্য করা হবেনা।

    নিজেদের অপকর্ম ধামাচাপা দিতে এবং বাস্তব সত্যকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে তোমার এবং তোমাদের মিডিয়ার জুড়ি মেলা ভার। আব্রাহাম লিংকন বলেছে, “কিছু সময়ের জন্য তুমি সকলকে ধোঁকা দিতে পার এবং কিছু মানুষকে তুমি সর্বদাই ধোঁকা দিতে পার, কিন্তু গোটা মানবজাতিকে তুমি সবসময়ের জন্য ধোঁকায় ফেলে রাখতে পারবে না”। ৯/১১ এর যুদ্ধের সূচনা আমরা করিনি, বরং এর মূল কারণ হচ্ছে আমাদের ভূখণ্ডে তোমাদের স্বার্থরক্ষাকারী স্বৈরশাসকরা।

    বিশ্ব বাণিজ্যকেন্দ্র ও পেন্টাগনের মতো অনুরূপ বিপর্যয়ের তিক্ত স্বাদ তোমাদেরকে আবারো আস্বাদন করতে হবে। ওয়াজিরিস্তান, পাকিস্তান, ইরাক, ইয়েমেন ও সোমালিয়ায় ড্রোন হামলার খেসারত তোমাদেরকে দিতে হবে। ইরাক ও সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ বাধানোর প্রতিশোধ তোমাদের থেকে গ্রহণ করা হবে।

    তোমরা বহুবার বলেছ, ‘আত্মরক্ষার অধিকার ইসরায়েলীদের রয়েছে’। ফিলিস্তিনিদের কি আত্মরক্ষার অধিকার থাকতে নেই? একটি বারের জন্যও তোমরা কেন বলতে পারছ না “আত্মরক্ষার অধিকার ফিলিস্তিনিদের রয়েছে”? জানি, তুমি এমন কথা মুখেও নিতে পারবে না, কারণ এতে তোমার প্রভুরা নারাজ হবে।

    আমেরিকা ও ইসরায়েল ব্যর্থ অন্তঃসারশূন্য একটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র দেখতে চায়। তাইতো তার কোনো বিমানবন্দর নেই; আন্তর্জাতিক সীমানা নেই; অস্ত্র, সেনাবাহিনী, ব্যক্তি স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব কিছুই নেই। তারা চায়, ফিলিস্তিনী রাষ্ট্রপ্রধান তার প্রতিটি গতিবিধিতে ইসরায়েল সরকারের পক্ষ থেকে অনুমোদন গ্রহণ করুক।

    আমেরিকার মনে রাখা উচিৎ যে, মুসলমানদের উপর সরকারের দমন-পীড়ন, গাজায় ইসরায়েলী সেনাদের বর্বরতা, ইরাক, সিরিয়া, আফগানিস্তান, সৌদি, মিসর ও আরও বহু মুসলিম দেশে জুলুম-নির্যাতনের জন্য পুরোপুরি দায়ী আমেরিকা। ইতিপূর্বে ফিলিস্তিনীদের উপর চালানো বর্বরতার ঘটনা ধামাচাপা দেওয়া গেলেও এখন আল-জাজিরা চ্যানেলের মাধ্যমে বিশ্ববাসী তা দেখতে পাচ্ছে। এসকল বর্বরতা ও গণহত্যা দেখে কোনো পাষাণ মনের মানুষের পক্ষেও স্থির থাকা সম্ভব নয়। যারা এ সকল নৃশংসতা চালাতে ইসরায়েল সরকারকে মদদ দিয়ে যাচ্ছে তাদের ব্যাপারে মুজাহিদগণ চোখ বুজে থাকতে পারেন না।

    মুজাহিদগণ আমেরিকাকে কেন এতটা ঘৃণা করেন? কোনো মার্কিনী যদি তার উত্তর জানতে চায় তাহলে তার উচিৎ গাজা উপত্যকায় একবার ঘুরে আসা অথবা এমন কোনো গণমাধ্যমের দ্বারস্থ হওয়া, যা পক্ষপাত দোষে দুষ্ট নয়। আমি তাকে বলব, সে যেন কিছুতেই সি.এন.এন, বি.বি.সি নিউজ বা ইসরায়েলপন্থী মার্কিন গণমাধ্যম দিয়ে বাস্তবতা যাচাইয়ের ব্যর্থ চেষ্টা না করে, কারণ মগজ ধোলাই, নিজেদের স্বার্থে বাস্তবতা আড়াল করা, মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালানো ও মুনিবদের স্বার্থ রক্ষা করাই এদের প্রধান কর্তব্য।

    নাইন ইলেভেনে যা হয়েছে তা ছিল ইসলামি শরিয়ার সাথে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ ও সুবিচারমূলক।

    ইন্দোনেশিয়া, ফিলিস্তিন ও লেবাননে তোমাদের রাষ্ট্র অতীতে যা করেছে এবং বর্তমানে গাজা, ইরাক, আফগানিস্তান ও বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে যা করে যাচ্ছে, মুসলিম উম্মাহ কস্মিনকালেও তা ভুলবেনা। তোমরা নিজের এবং ইহুদী কসাইদের বর্বরতার হৃদয় বিদারক দৃশ্য মুসলিম উম্মাহর মন থেকে কোনো দিনও মুছে যাবেনা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন-

    وَقَاتِلُوا فِي سَبِيلِ اللَّهِ الَّذِينَ يُقَاتِلُونَكُمْ وَلَا تَعْتَدُوا إِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ الْمُعْتَدِينَ

    অর্থ: “আর লড়াই কর আল্লাহর পথে তাদের সাথে, যারা লড়াই করে তোমাদের সাথে। অবশ্য কারো প্রতি বাড়াবাড়ি করোনা। নিশ্চয়ই আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না”। -সুরা বাকারাহ-১৯০

    আরও ইরশাদ হচ্ছে-

    وَكَتَبْنَا عَلَيْهِمْ فِيهَا أَنَّ النَّفْسَ بِالنَّفْسِ وَالْعَيْنَ بِالْعَيْنِ وَالْأَنْفَ بِالْأَنْفِ وَالْأُذُنَ بِالْأُذُنِ وَالسِّنَّ بِالسِّنِّ وَالْجُرُوحَ قِصَاصٌ

    অর্থ: “আমি এ গ্রন্থে তাদের প্রতি লিখে দিয়েছি যে, প্রাণের বিনিময়ে প্রাণ, চোখের বিনিময়ে চোখ, নাকের বিনিময়ে নাক, কানের বিনিময়ে কান, দাঁতের বিনিময়ে দাঁত এবং যখমসমূহের বিনিময়ে সমান যখম”। – সুরা মায়েদা-৪৫

    তাওরাতে এসেছে, নম্রতা অবলম্বন করো না; প্রাণের বিনিময়ে প্রাণ, চোখের বিনিময়ে চোখ, দাঁতের বিনিময়ে দাঁত, হাতের বিনিময়ে হাত, পায়ের বিনিময়ে পা। -তাওরাত, তাসনিয়া-১৯-২১

    -------------------------------------------------------------------------------------

    উৎস: ওবামার প্রতি চিঠি: ৯/১অপারেশনের নেপথ্য কারণ । লেখক: শায়খ খালিদ শেইখ মুহাম্মাদ (ফাক্কাল্লাহু আসরাহ)

    সূত্রঃ- https://alfirdaws.org/2019/09/11/26478/
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  4. The Following 3 Users Say جزاك الله خيرا to Al-Firdaws News For This Useful Post:

    abu ahmad (09-11-2019),Munshi Abdur Rahman (09-11-2019),Shirajoddola (09-12-2019)

  5. #3
    Media Al-Firdaws News's Avatar
    Join Date
    Sep 2018
    Posts
    2,784
    جزاك الله خيرا
    30
    9,192 Times جزاك الله خيرا in 2,770 Posts
    ৯/১১-এর হামলা ছিল মুসলিম উম্মাহর স্বার্থে



    ইরাকে দশ বছর ব্যাপী অর্থনৈতিক অবরোধের পর সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিবিসি সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছে, ‘উক্ত অবরোধের ফলে অর্ধ মিলিয়ন ইরাকীর মৃত্যু হয়েছে’। তার এই বক্তব্য যথার্থ। তবে একই সময়ে আমরা দেখতে পাই যে, দীর্ঘ দশ বছরের অর্থনৈতিক অবরোধের পর দুর্ভিক্ষ কবলিত এই অঞ্চলে মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হয়। ফলে যুদ্ধ, মারামারি-হানাহানি, বিভক্তি ও অরাজকতায় গোটা ইরাক ছেয়ে যায়। মার্কিন সেনাদের ছোড়া বিষাক্ত ইউরেনিয়াম বোমার তেজস্ক্রিয়তায় সেখানে দীর্ঘমেয়াদী বিপর্যয় নেমে আসে। এক পর্যায়ে ইরাকের তেল-গ্যাস কুক্ষিগত করতে ইরাকের মাটিতে বিশ্বের বৃহত্তম দূতাবাস নির্মাণ করার পর সেনা প্রত্যাহার করা হয়।

    ইসরায়েলিদের আত্মরক্ষার স্বার্থে যদি শতাধিক ফিলিস্তিনীকে হত্যা করা যায়; যদি যুদ্ধ বিমান, ট্যাংক, কামান ও বুলডোজার দিয়ে ১১,৭০০ (এগার হাজার সাতশত) বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া যায়; যদি ২৪৩ জন নারী এবং ৪৫৭জন শিশু হত্যা করা যায়; যদি আত্মরক্ষার জন্য ৬১টি মসজিদ ও ১৪১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিতে হয়; যদি ইসরায়েলকে সুরক্ষিত করতে বাজার ও হাসপাতাল গুঁড়িয়ে দিতে হয়; যদি গাজার একমাত্র বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ধ্বংস করে দিতে হয়, তাহলে মুসলিম উম্মাহকে রক্ষার জন্য পরিচালিত নাইন ইলেভেনের হামলাকে কেন মেনে নিতে পারছে না? আমরা তো কেবল তোমাদের বাণিজ্যকেন্দ্র ও সেনা সদর দফতরে হামলা করেছি।

    তোমরা বন্দুকের গুলি ছোড় নি বরং অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করে অর্ধমিলিয়ন ইরাকী নারী ও শিশুকে হত্যা করেছ। এই অবরোধকে সাধারণ যুদ্ধের সাথে তুলনা করলে চলবে না, বরং এটি ছিল যুদ্ধের চেয়ে বহুগুণে বীভৎস ও ধ্বংসাত্মক। এর ফলে নারী-শিশু-যুবক-বৃদ্ধ সকলেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে, জাতির ভবিষ্যৎ অর্থাৎ শিশুরা প্রায় নিঃশেষ হয়ে গেছে। এই অবরোধের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কিছুতেই সামরিক যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির চেয়ে কম নয় বরং বহুলাংশে বেশি। তোমাদের এতসব অপকর্মের পর সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসী নিয়ে কথা বলার অধিকার তোমাদের থাকতে পারেনা।

    পুঁজিবাদ ও গণতন্ত্রকে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে ছুড়ে ফেলার সময় হয়েছে। এসবের নামে যা করেছ তাতে এখন তোমাদের স্বীকার করতেই হবে যে, বিশ্ববাসীকে প্রতারিত করা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনে তোমরা বিশেষ পারদর্শী। আর আমাদের ভূমিতে তোমাদের যে কোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জিহাদ পরিচালনা করার অধিকার আমাদের রয়েছে। ফিলিস্তিন, ইরাক ও আফগানিস্তানে নারী-শিশু-বৃদ্ধদের রক্তের প্রতিশোধ নেওয়ার অধিকার আমাদের রয়েছে। নাইন ইলেভেনের জ্বালা যদি তোমার দেশ সহ্য করতে না পারে, তাহলে ষাট বছর ধরে ধুকতে থাকা ফিলিস্তিন, লেবাননও জাজিরাতুল আরবসহ সারা দুনিয়ার মুসলমানদের থেকে কীভাবে আশা করো যে, তাদের অন্তরে প্রতিশোধের আগুন জ্বলে উঠবে না? আমি তোমার বা তোমার রাষ্ট্রের কাছে করুণা চাইনা। তোমাদের যা মনে চায় তাই কর!। আমার জীবন, আমার মরণ, আমার মুক্তি ও আমার কারাবরণ সবই তোমাদের জন্য অভিশাপের কারণ হবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন-

    قُلْ لَنْ يُصِيبَنَا إِلَّا مَا كَتَبَ اللَّهُ لَنَا هُوَ مَوْلَانَا وَعَلَى اللَّهِ فَلْيَتَوَكَّلِ الْمُؤْمِنُونَ (51) قُلْ هَلْ تَرَبَّصُونَ بِنَا إِلَّا إِحْدَى الْحُسْنَيَيْنِ وَنَحْنُ نَتَرَبَّصُ بِكُمْ أَنْ يُصِيبَكُمُ اللَّهُ بِعَذَابٍ مِنْ عِنْدِهِ أَوْ بِأَيْدِينَا فَتَرَبَّصُوا إِنَّا مَعَكُمْ مُتَرَبِّصُونَ

    অর্থ: “আপনি বলুন, আমাদের কাছে কিছুই পৌঁছাবেনা, কিন্তু আল্লাহ যা আমাদের জন্য লিখে রেখেছেন; তিনি আমাদের কার্যনির্বাহক। আল্লাহর উপরই মুমিনদের ভরসা করা উচিত। আপনি বলুন, তোমরা তো তোমাদের জন্য দুটি কল্যাণের কোনো না কোনো একটির প্রতীক্ষা করছ, আর আমরা তোমাদের জন্য প্রতীক্ষায় আছি যে, আল্লাহ তোমাদের আজাব দান করুন নিজের পক্ষ থেকে অথবা আমাদের হস্তে। সুতরাং তোমরা অপেক্ষা কর, আমরাও তোমাদের সাথে অপেক্ষমান”। –সূরা তাওবা, আয়াত ৫১-৫২

    যদি তোমার রাষ্ট্র আমাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় তাহলে কারাপ্রকোষ্ঠে নির্জনে আনন্দের সাথে আল্লাহর ইবাদত করতে থাকব, নিজের গুনাহের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করব। আর যদি মৃত্যুদণ্ড দেয় তাহলে আমি যারপরনাই আনন্দিত হব, কারণ তখন আমি আল্লাহর সাক্ষাৎ লাভে ধন্য হব; নবীগণের সাথে সাক্ষাৎ হবে। বিশেষ করে, শাইখ উসামাসহ আরও যে সকল মুজাহিদকে তোমরা হত্যা করেছ, তাদের সাথে পুনর্মিলনী হবে। কিন্তু কথা হচ্ছে, খ্রিস্টানরা আমার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করলে আমার কি মৃত্যু হবে? বিষয়টি আমি আইনজীবীদেরকে বিশদভাবে খুলে বলেছি।

    ----------------------------------------------------------
    উৎস: ওবামার প্রতি চিঠি: ৯/১১ অপারেশনের নেপথ্য কারণ । লেখক: শায়খ খালিদ শেইখ মুহাম্মাদ (ফাক্কাল্লাহু আসরাহ)


    সূত্রঃ- https://alfirdaws.org/2019/09/11/26470/
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  6. The Following 3 Users Say جزاك الله خيرا to Al-Firdaws News For This Useful Post:

    abu ahmad (09-11-2019),Munshi Abdur Rahman (09-11-2019),Shirajoddola (09-12-2019)

  7. #4
    Media Al-Firdaws News's Avatar
    Join Date
    Sep 2018
    Posts
    2,784
    جزاك الله خيرا
    30
    9,192 Times جزاك الله خيرا in 2,770 Posts
    তালেবানদের হাতে দারকাদ জেলা বিজয়, অন্য হামলায় ৩৫ সেনা হতাহত!



    আল-ফাতাহ্ অপারেশনের ধারাবাহিকতায় আফগানিস্তান জুড়ে ব্যাপকহারে সফল অভিযান পরিচালনা করছেন ইমারতে ইসলামিয়ার তালেবান মুজাহিদগণ, যার মাধ্যমে একের পর এক এলাকা, শহর ও জেলা বিজয় করে চলছেন মুজাহিদগণ।

    এরি ধারাবাহিকতায় গত ১০ আগস্ট আফগানিস্তানের তাখার প্রদেশের “দারকাদ” জেলা বিজয়ের লক্ষ্যে কুফ্ফার ও মুরতাদ বাহিনীর উপর তীব্র সফল অভিযান পরিচালনা করেন তালেবান মুজাহিদগণ।

    অবশেষে মহান আল্লাহ্ তা’আলার সাহায্যে মুজাহিদগণ তাখার প্রদেশের “দারকাদ” জেলা বিজয় করতে সক্ষম হন।

    এমনিভাবে কুন্দুজ প্রদেশের “ইমাম সাহেব” জেলাতেও আফগান মুরতাদ বাহিনীর তীব্র হামলা চালান মুজাহিদগণ।

    যার ফলে মুজাহিদগণ মুরতাদ বাহিনীর একটি ঘাঁটি ও ৩টি নিরাপত্তা চেকপোস্ট বিজয় করতে সক্ষম হন। এসময় মুজাহিদদের হামলায় আফগান মুরদাদ বাহিনীর ১৭ সেনা নিহত এবং ৮ সেনা আহত হয়। বর্তমানে ইমাম সাহেব জেলার ৯০-৯৫% এলাকাই তালেবান মুজাহিদদের নিয়ন্ত্রনাধীন।


    সূত্রঃ- https://alfirdaws.org/2019/09/11/26469/
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  8. The Following 3 Users Say جزاك الله خيرا to Al-Firdaws News For This Useful Post:

    abu ahmad (09-11-2019),bokhtiar (09-11-2019),Munshi Abdur Rahman (09-11-2019)

  9. #5
    Senior Member abu ahmad's Avatar
    Join Date
    May 2018
    Posts
    1,809
    جزاك الله خيرا
    9,554
    3,254 Times جزاك الله خيرا in 1,357 Posts
    নাইন-ইলেভেন মুজাহিদগণের চেতনা ও প্রেরণা জাগিয়ে যাবে যুগ যুগ ধরে..ইনশা আল্লাহ
    এই বরকতময় কাজে যারা অংশগ্রহন করেছিলেন, আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে জান্নাতের সুউচ্চ মর্যাদা দান করুন। আমীন

  10. The Following 2 Users Say جزاك الله خيرا to abu ahmad For This Useful Post:

    Al-Firdaws News (09-11-2019),bokhtiar (09-11-2019)

  11. #6
    Senior Member
    Join Date
    Oct 2016
    Location
    asia
    Posts
    1,434
    جزاك الله خيرا
    4,275
    2,814 Times جزاك الله خيرا in 1,214 Posts
    এক সময় ভাবতাম নাইন ইলিভেন ( টুইনটাওয়ার) আক্রমণটি ইজরাইলিরা করেছে, বিশ্বাসই হতো না এত বিশাল কাজ আমাদের মুজাহিদ ভাইয়েরা করতে পারে। আল্লাহু আকবার ওয়ালিল্লাহিল হামদ। আল্লাহ আপনি আক্রমণকারী ভাইদের কবুল করুন আমীন। প্রিয় ভাইয়েরা, শান্তি আলোচনা বন্ধ হওয়ার কারণ কী??? মুজাহিদিনরা বিশ্বাস ভঙ্গ করে না, নিশ্চিত এটিতে মুসলিমদের শার্ত ছিলো না। তারা শান্তিচুক্তিতে আমাদের ফেসে পেলার চক্রান্ত করে ছিলো।
    আল্লাহ আমাদের ঈমানী হালতে মৃত্যু দান করুন,আমিন।
    আল্লাহ আমাদের শহিদী মৃত্যু দান করুন,আমিন।

  12. The Following 4 Users Say جزاك الله خيرا to bokhtiar For This Useful Post:

    abu ahmad (09-11-2019),Al-Firdaws News (09-11-2019),Bara ibn Malik (09-12-2019),Shirajoddola (09-12-2019)

  13. #7
    Moderator
    Join Date
    Jul 2019
    Posts
    629
    جزاك الله خيرا
    1,921
    1,630 Times جزاك الله خيرا in 484 Posts
    আল্লাহ তা‘আলা আমাদের ভাইদের সকল মেহনতকে কবুল করুন। আমীন

  14. The Following 3 Users Say جزاك الله خيرا to Munshi Abdur Rahman For This Useful Post:

    abu ahmad (09-11-2019),Al-Firdaws News (09-11-2019),Bara ibn Malik (09-12-2019)

  15. #8
    Media Al-Firdaws News's Avatar
    Join Date
    Sep 2018
    Posts
    2,784
    جزاك الله خيرا
    30
    9,192 Times جزاك الله خيرا in 2,770 Posts
    ফটো রিপোর্ট | সুলতান মাহমুদ গজনভী” প্রশিক্ষণ শিবিরে তালেবান মুজাহিদদের প্রশিক্ষণ চলাকালীন সময়ের দৃষ্টিনন্দনীয় কিছু দৃশ্য!

    সুলতান মাহম্মুদ গজনভী" প্রশিক্ষণ শিবিরে মুজাহিদদের প্রশিক্ষণ চলাকালীন সময়ের দৃষ্টিনন্দনীয় দৃশ্য!

    ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের জানবায তালেবান মুজাহিদদের বিশাল কয়েকটি ইউনিট “সুলতান মাহমুদ গজনভী” প্রশিক্ষণ শিবির হতে তাদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ্।

    ‘‘সুলতান মাহমুদ গজনভী” প্রশিক্ষণ শিবিরে মুজাহিদদের প্রশিক্ষণ চলাকালীন সময়ের দৃষ্টিনন্দনীয় কিছু দৃশ্য নিচে দেখুন-








    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  16. The Following 4 Users Say جزاك الله خيرا to Al-Firdaws News For This Useful Post:

    abu ahmad (09-11-2019),Bara ibn Malik (09-12-2019),Munshi Abdur Rahman (09-11-2019),Shirajoddola (09-12-2019)

  17. #9
    Moderator
    Join Date
    Jul 2019
    Posts
    629
    جزاك الله خيرا
    1,921
    1,630 Times جزاك الله خيرا in 484 Posts
    মাসাআল্লাহ, আসলেই দৃষ্টিনন্দনীয় দৃশ্য।
    আল্লাহ তা‘আলা কবুল করুন এবং তাদের কাজে আরো বারাকাহ দান করুন। আমীন

  18. The Following 2 Users Say جزاك الله خيرا to Munshi Abdur Rahman For This Useful Post:

    abu ahmad (09-11-2019),Bara ibn Malik (09-12-2019)

  19. #10
    Senior Member abu ahmad's Avatar
    Join Date
    May 2018
    Posts
    1,809
    جزاك الله خيرا
    9,554
    3,254 Times جزاك الله خيرا in 1,357 Posts
    মাসাআল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, অভাবনীয় দৃশ্য!
    হে আল্লাহ, আমাদেরকেও কবুল করুন। আমীন

  20. The Following User Says جزاك الله خيرا to abu ahmad For This Useful Post:

    Bara ibn Malik (09-12-2019)

Posting Permissions

  • You may not post new threads
  • You may not post replies
  • You may not post attachments
  • You may not edit your posts
  •