Results 1 to 10 of 10
  1. #1
    Media Al-Firdaws News's Avatar
    Join Date
    Sep 2018
    Posts
    4,791
    جزاك الله خيرا
    30
    15,988 Times جزاك الله خيرا in 4,751 Posts

    ইসলামের তারকাগণ | পর্ব- ০৯ | জীবন্ত শহীদ : তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু

    ইসলামের তারকাগণ
    | পর্ব- ০৯ |
    জীবন্ত শহীদ : তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু



    যে ব্যক্তি ভূপৃষ্ঠে চলমান কোন শহীদকে দেখে চক্ষু শীতল করতে চায় সে যেন তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুকে দেখে। মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ।

    হযরত তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু কুরাইশ গোত্রের তাইম শাখার সন্তান। হযরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুও ছিলেন এই তাইম কবীলার লোক।

    হযরত তালহা ইসলামের সূচনা পর্বেই মাত্র পনেরো বছর বয়সে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। প্রথম দিকে ইসলাম গ্রহণকারীদের (সাবিকিনে আওয়ালিন) মাঝে তিনি ছিলেন অষ্টম।

    তিনি জীবদ্দশাতেই মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পবিত্র জবানে জান্নাত লাভের সুসংবাদ পেয়েছেন। এমনিভাবে, তিনি ছিলেন আহলে শূরার ছয় জনের একজন।

    প্রসিদ্ধ ব্যবসায়ী এবং ধনী ব্যক্তিদের অন্যতম ছিলেন হযরত তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ রাযি.। অধিক শক্তি ও সাহসিকতার দরুন আরবরা তাঁকে আসাদু কুরাইশীন তথা কুরাইশদের সিংহ উপাধি দিয়েছিল।

    মুসা ইবনে তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ বলেন, তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহর চেহারা ছিল খুবই সুন্দর। লালমত ফর্সা। পা ছিল পুরো। মাঝারী উচ্চতার ছিলেন তিনি। কাঁধ ও বুক ছিল প্রশস্ত। কেশ ছিল ঘন; কুঁকড়ানো বা ঝুলন্ত ছিল না।

    তাঁর ইসলাম গ্রহণের ঘটনাটি বড় চমকপ্রদ। তিনি গেছেন কুরাইশদের বাণিজ্য কাফেলার সাথে সিরিয়ায়। তাঁরা যখন বসরা শহরে পৌঁছালেন, দলের অন্য কুরাইশ ব্যবসায়ীরা তাঁর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বাজারের বিভিন্ন স্থানে কেনা-বেচায় ব্যস্ত হয়ে পড়ে। তিনি বাজারের মধ্যে ঘুরাফেরা করছেন, এমন সময়ের একটি ঘটনা তালহার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। তিনি বলেন,

    আমি তখন বসরার বাজারে। একজন খৃস্টান পাদ্রীকে ঘোষণা করতে শুনলাম, ওহে ব্যবসায়ী সম্প্রদায়! আপনারা এ বাজারে আগত লোকদের জিজ্ঞেস করুন, তাদের মধ্যে মক্কাবাসী কোন লোক আছে কিনা। আমি নিকটেই ছিলাম। দ্রুত তার কাছে গিয়ে বললাম, হ্যাঁ, আমি মক্কার লোক। জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের মধ্যে কি আহমাদ আত্মপ্রকাশ করেছেন? বললাম, কোন আহমাদ?

    বললেন, আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল মুত্তালিবের পুত্র। যে মাসে তিনি আত্মপ্রকাশ করবেন, এটা সেই মাস। তিনি হবেন শেষ নবী। মক্কায় আত্মপ্রকাশ করে কালো পাথর ও খেজুর উদ্যান বিশিষ্ট ভূমির দিকে হিজরত করবেন। যুবক, তোমার খুব তাড়াতাড়ি তাঁর কাছে যাওয়া উচিত। তালহা বলেন, তাঁর এ কথা আমার অন্তরে দারুণ প্রভাব সৃষ্টি করলো। আমি আমার কাফেলা ফেলে রেখে বাহনে সওয়ার হলাম। বাড়িতে পৌঁছেই পরিবারের লোকদের কাছে জিজ্ঞেস করলাম, আমার যাওয়ার পর মক্কায় নতুন কিছু ঘটেছে কি? তারা বললো, হ্যাঁ, মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল্লাহ নিজেকে নবী দাবি করেছেন এবং আবু কুহাফার ছেলে আবু বকর তাঁর অনুসারী হয়েছেন।

    তালহা বলেন, আমি আবু বকরের কাছে গেলাম এবং তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, এ কথা কি সত্য যে, মুহাম্মাদ নবুওয়াত দাবি করেছেন এবং আপনি তাঁর অনুসারী হয়েছেন? বললেন, হ্যাঁ, তারপর তিনি আমাকেও ইসলামের দাওয়াত দিলেন। আমি তখন খৃস্টান পাদ্রীর ঘটনা তাঁর কাছে খুলে বললাম। অতঃপর তিনি আমাকে সঙ্গে করে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট নিয়ে গেলেন। আমি সেখানে কালেমা শাহাদাত পাঠ করে ইসলাম গ্রহণ করলাম এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট পাদ্রীর কথা সবিস্তারে বর্ণনা করলাম। শুনে তিনি দারুণ খুশী হলেন।

    ***

    বদর যুদ্ধে তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ না করলেও পরোক্ষভাবে করেছিলেন। এ কারণে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে গনিমতের হিস্*সা দিয়েছিলেন। যুদ্ধের সময় একদল কাফির মদীনার মুসলিম জনপদের ওপর আক্রমণের ষড়যন্ত্র করেছিল। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের খোঁজ-খবর নেওয়ার জন্য তালহাকে পাঠিয়েছিলেন। তালহা ছাড়াও সাত ব্যক্তিকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিভিন্ন দায়িত্ব দিয়ে বিভিন্ন স্থানে পাঠিয়েছিলেন। এ কারণে প্রত্যক্ষভাবে তাঁরা যুদ্ধে শরীক হতে পারেননি। তবে তাঁদেরকে বদরী হিসাবে গণ্য করা হয়।

    হিজরী তৃতীয় সনে মক্কার মুশরিকদের সাথে সংঘটিত হয় উহুদের যুদ্ধ। এ যুদ্ধে হযরত তালহা বীরত্ব ও সাহসিকতার নজীরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। প্রকৃতপক্ষে তিনিই ছিলেন উহুদ যুদ্ধের হিরো। তীরন্দাজ বাহিনীর ভুলের কারণে মুসলিম বাহিনী যখন দারুণ বিপর্যয়ের সম্মুখীন, তখন যে কজন মুষ্টিমেয় সৈনিক আল্লাহর রাসূলকে ঘিরে প্রতিরোধ সৃষ্টি করেন, তালহা ছিলেন তাঁদের অন্যতম। এ সময় হযরত আম্মার বিন ইয়াযিদ শহীদ হন। কাতাদা বিন নুমারের চোখে কাফিরের নিক্ষিপ্ত তীর লাগলে চক্ষু কোটর থেকে মণিটি বের হয়ে তাঁর গণ্ডের ওপর ঝুলতে থাকে। আবু দুজানা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে তাঁর পুরো দেহটি ঢাল বানিয়ে নেন। এ সময় সাদ বিন আবী ওয়াক্কাস অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে তীর ছুড়ছিলেন। আর তালহা এক হাতে তলোয়ার ও অন্য হাতে বর্শা নিয়ে কাফিরদের ওপর প্রচণ্ড আক্রমণ চালান।

    যুদ্ধের এক পর্যায়ে আনসারদের বারোজন এবং মুহাজিরদের এক তালহা ছাড়া আর সকলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পাহাড়ের একটি চূড়ায় উঠেন, এমন সময় একদল শত্রুসন্য তাঁকে ঘিরে ফেলে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সাহাবীদের বললেনঃ যে এদের হটিয়ে দিতে পারবে, সে জান্নাতে আমার সাথী হবে। তালহা বললেন, আমি যাব, ইয়া রাসূলাল্লাহ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, না, তুমি থাম। একজন আনসারী বললেন, আমি যাব। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, হ্যাঁ, যাও। আনসারী গেলেন এবং মুশরিকদের সাথে যুদ্ধ করে শহীদ হয়ে গেলেন। এভাবে বার বার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আহ্বান জানালেন এবং প্রত্যেক বারই তালহা যাওয়ার ইচ্ছা ব্যক্ত করলেন। কিন্তু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে নিবৃত্ত করে একজন আনসারীকে পাঠালেন। এভাবে এক এক করে যখন আনসারীদের সকলে শাহাদাতবরণ করলেন, তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তালহাকে বললেন, এবার তোমার পালা, যাও।

    হযরত তালহা আক্রমণ চালালেন। অন্যদিকে, মুশরিকদের আক্রমণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও আহত হলেন, তাঁর দান্দান মুবারক শহীদ হলো এবং তিনি রক্তে রঞ্জিত হয়ে পড়লেন। এ অবস্থায় তালহা একাকী একবার মুশরিকদের ওপর আক্রমণ চালিয়ে তাদেরকে একটু দূরে তাড়িয়ে দেন, আবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দিকে ছুটে এসে তাঁকে কাঁধে করে পাহাড়ের উপরের দিকে উঠতে থাকেন এবং এক স্থানে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে রেখে আবার নতুন করে হামলা চালান। এভাবে সেদিন তিনি মুশরিকদের প্রতিহত করেন। হযরত আবু বকর বলেন, এ সময় আমি ও আবু উবাইদা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে দূরে সরে পড়েছিলাম। কিছুক্ষণ পর আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট ফিরে এসে তাঁকে সেবার জন্য এগিয়ে গেলে তিনি বললেন, আমাকে ছাড়, তোমাদের ভাই তালহাকে দেখো। আমরা খুঁজে দেখি, তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় একটি গর্তে অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছেন। তাঁর একটি হাত দেহ থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং সারা দেহে তরবারী ও তীর বর্শার সত্তরটির বেশী আঘাত। তাই পরবর্তীকালে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সম্পর্কে মন্তব্য করেছিলেন, যদি কেউ কোনো শহীদকে পৃথিবীতে হেঁটে বেড়াতে দেখে চক্ষু শীতল করতে চায়, সে যেন তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহকে দেখে। এ কারণে তাঁকে জীবন্ত শহীদ বলা হতো। হযরত সিদ্দীকে আকবর রাদিয়াল্লাহু আনহু উহুদ যুদ্ধের প্রসংগ উঠলেই বলতেন, সে দিনটির সবটুকুই তালহার। এ যুদ্ধে হযরত তালহার বীরত্বে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সন্তুষ্ট হন। হযরত তালহাকে জান্নাতুল ফিরদাউসের সুসংবাদ দান করেন।

    রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুকে নিয়ে গর্ব করে বলতেন, উহুদের দিন ডানপাশে আমার নিকটে ছিল ফেরেশতা আর বাম পাশে ছিল তালহা।

    **

    ইবনে আসাকির বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করেছেন যে, জঙ্গে জামাল তথা উটের যুদ্ধের দিন মারওয়ান ইবনুল হিকামের নিক্ষিপ্ত তীরে হযরত তালহা আহত হন। পরবর্তীতে, হিজরী ৩৬ সনের জুমাদিউল আউয়াল মতান্তরে ১০ই জুমাদিউস সানী ৬৪ বছর বয়সে তিনি ইন্তিকাল করেন।


    -----------------------------------------------
    তথ্যসূত্র:

    সিয়ারু আলামুন নুবালা/ আয যাহাবী

    সফওয়াতুস সফওয়া/ আল জাওযী

    উসদুল গাবাহ/ইবনে আসীর


    সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/01/23/31833/
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  2. The Following 10 Users Say جزاك الله خيرا to Al-Firdaws News For This Useful Post:

    কালো পতাকাবাহী (01-24-2020),সুরের কুঁড়েঘর (3 Weeks Ago),হেরার জ্যোতি (01-25-2020),abu ahmad (02-19-2020),abu mosa (01-25-2020),abumuhammad1 (01-24-2020),ALQALAM (01-25-2020),Amirul Islam (05-05-2020),Haydar Ali (05-05-2020),Munshi Abdur Rahman (01-28-2020)

  3. #2
    Junior Member
    Join Date
    Aug 2018
    Posts
    5
    جزاك الله خيرا
    0
    25 Times جزاك الله خيرا in 5 Posts
    1.ইসলামের তারকাগণ || প্রথম পর্বঃ https://alfirdaws.org/2019/06/24/24065/
    2.ইসলামের তারকাগণ || দ্বিতীয় পর্বঃ https://alfirdaws.org/2019/06/30/24270/
    3.ইসলামের তারকাগণ || তৃতীয় পর্বঃ https://alfirdaws.org/2019/07/03/24377/
    4.ইসলামের তারকাগণ || চতুর্থ পর্বঃ https://alfirdaws.org/2019/07/05/24456/
    5.ইসলামের তারকাগণ || ৫ম পর্বঃ https://alfirdaws.org/2019/07/14/24749/
    6.ইসলামের তারকাগণ | ষষ্ঠ পর্বঃ https://alfirdaws.org/2019/09/03/25715/
    7.ইসলামের তারকাগণ | সপ্তম পর্বঃ https://alfirdaws.org/2019/09/13/26582/
    8.(a)ইসলামের তারকাগণ | ৮ম পর্বঃ https://alfirdaws.org/2019/10/19/28078/
    (b))ইসলামের তারকাগণ | ৮ম পর্বঃ https://alfirdaws.org/2019/11/06/28502/
    (c)ইসলামের তারকাগণ | ৮ম পর্বঃ https://alfirdaws.org/2019/12/09/29466/
    9.ইসলামের তারকাগণ | পর্ব- ০৯: https://alfirdaws.org/2020/01/23/31833/

  4. The Following 7 Users Say جزاك الله خيرا to jamiul hossain For This Useful Post:

    কালো পতাকাবাহী (01-24-2020),হেরার জ্যোতি (01-25-2020),abu ahmad (02-19-2020),abu mosa (01-25-2020),abumuhammad1 (01-24-2020),Munshi Abdur Rahman (01-28-2020),With Guraba (01-25-2020)

  5. #3
    Senior Member কালো পতাকাবাহী's Avatar
    Join Date
    Dec 2018
    Location
    تحت السماء
    Posts
    824
    جزاك الله خيرا
    7,459
    2,185 Times جزاك الله خيرا in 687 Posts
    মাশাআল্লাহ। আল্লাহ সুবঃ আপনাদের মেহনতকে কবুল করুন। আমিন।
    বিবেক দিয়ে কোরআনকে নয়,
    কোরআন দিয়ে বিবেক চালাতে চাই।

  6. The Following 2 Users Say جزاك الله خيرا to কালো পতাকাবাহী For This Useful Post:

    abu ahmad (02-19-2020),With Guraba (01-25-2020)

  7. #4
    Member abumuhammad1's Avatar
    Join Date
    Dec 2019
    Location
    hindustan
    Posts
    125
    جزاك الله خيرا
    1,222
    255 Times جزاك الله خيرا in 106 Posts
    zajakkallah. allah vaider kaje barakah din.

  8. The Following 2 Users Say جزاك الله خيرا to abumuhammad1 For This Useful Post:

    abu ahmad (02-19-2020),With Guraba (01-25-2020)

  9. #5
    Member আলী ইবনুল মাদীনী's Avatar
    Join Date
    Jul 2019
    Location
    Pakistan
    Posts
    597
    جزاك الله خيرا
    136
    1,551 Times جزاك الله خيرا in 505 Posts
    Quote Originally Posted by Al-Firdaws News View Post
    যদি কেউ কোনো শহীদকে পৃথিবীতে হেঁটে বেড়াতে দেখে চক্ষু শীতল করতে চায়, সে যেন তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহকে দেখে।
    কতই না চমৎকার সুসংবাদ দিয়েছেন রাসূল(সঃ) ৷ আল্লাহ আমাদেরকে তিনার পুঙ্খানুপুঙ্খ রূপে অনুসরণ করার তৌফিক দান করুন ৷ আমিন
    "জিহাদ ঈমানের একটি অংশ ৷"-ইমাম বোখারী রহিমাহুল্লাহ

  10. The Following 2 Users Say جزاك الله خيرا to আলী ইবনুল মাদীনী For This Useful Post:

    abu ahmad (02-19-2020),With Guraba (01-25-2020)

  11. #6
    Senior Member abu mosa's Avatar
    Join Date
    May 2018
    Location
    আফগানিস্তান
    Posts
    2,310
    جزاك الله خيرا
    16,733
    4,095 Times جزاك الله خيرا in 1,684 Posts
    আল্লাহ আপনাদের কাজে বারাকাহ দান করুন,আমিন।
    হয়তো শরিয়াহ, নয়তো শাহাদাহ,,

  12. The Following 2 Users Say جزاك الله خيرا to abu mosa For This Useful Post:

    abu ahmad (02-19-2020),With Guraba (01-25-2020)

  13. #7
    Senior Member যোদ্ধা হব's Avatar
    Join Date
    Nov 2018
    Location
    غزوة الهند
    Posts
    155
    جزاك الله خيرا
    85
    371 Times جزاك الله خيرا in 127 Posts
    আল্লাহ তাআলা আমাদেরকেও তিনার মত কুরবানী করার তাওফীক দান করুন।
    আমীন ইয়া রাব্বাল আলামীন!
    যোদ্ধা হব, যুদ্ধ করব,
    ক্বিতালের জন্য দাওয়াত দিব, ইনশাআল্লাহ।

  14. The Following User Says جزاك الله خيرا to যোদ্ধা হব For This Useful Post:

    abu ahmad (02-19-2020)

  15. #8
    Member
    Join Date
    Mar 2019
    Posts
    96
    جزاك الله خيرا
    0
    184 Times جزاك الله خيرا in 81 Posts
    তাদের কাহিনী আমাদের অনুপ্রেরণা জুগায়।
    ইনশাআল্লাহ, "ইসলামের তারকাগণ" পর্ব গুলো দাওয়াতী কাজে অনেক ভূমিকা রাখবে।

  16. The Following User Says جزاك الله خيرا to abu bakr al qasim For This Useful Post:

    abu ahmad (02-19-2020)

  17. #9
    Junior Member aminul ummah's Avatar
    Join Date
    Jan 2020
    Posts
    16
    جزاك الله خيرا
    1
    25 Times جزاك الله خيرا in 13 Posts
    রাসূল সাল্লাল্লাহু অালাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরামের মাঝে আমাদের জন্য রয়েছে উত্তম আদর্শ। কোথায় তারা আর কোথায় আমরা? নিজের জীবনেরর ঝুঁকি নিয়েও আল্লাহর রাসূলকে নিরাপত্তা দিয়েছেন। রাসূলের প্রতি তাদের ভালভাসা কেমন ছিল তা উপরোক্ত আলোচনা থেকে সহজেই বুঝা যায়। আমরা কী পারব তাদের পথ অনুসরণ করে চলতে? পারব কি নিজের জিবনকে তাদের রঙে রঙ্গিন করতে!
    আল্লাহ আমাদের সবাইকে তাদের পথেরর অনুসরণ করার তাওফিক দান করুন,, এবং দ্বীন কায়েমের এ জিহাদের পথে অটল-অবিচল থেকে শাহাদাতের নেয়ামত দান করুন........আমিন..!
    ألا إن القوة الرمي. ألا إن القوة الرمي.

  18. The Following User Says جزاك الله خيرا to aminul ummah For This Useful Post:

    Amirul Islam (05-05-2020)

  19. #10
    Junior Member
    Join Date
    Mar 2020
    Posts
    22
    جزاك الله خيرا
    109
    96 Times جزاك الله خيرا in 20 Posts
    মাশাআল্লাহ। গোয়েন্দা বিভাগ এর ভাইদের জন্য খুব সুন্দর একটি শিক্ষা রয়েছে এবং তাদের জন্য আনন্দের সংবাদ রয়েছে। এতে গোয়েন্দা বিভাগের ভাইয়েরা আরও উৎসাহিত হবেন, ইনশা-আল্লাহ।

Similar Threads

  1. Replies: 7
    Last Post: 01-27-2020, 06:47 AM
  2. Replies: 6
    Last Post: 06-15-2019, 06:43 PM
  3. Replies: 11
    Last Post: 04-16-2019, 09:39 PM
  4. Replies: 13
    Last Post: 11-22-2018, 05:55 PM
  5. Replies: 6
    Last Post: 11-01-2018, 11:02 AM

Posting Permissions

  • You may not post new threads
  • You may not post replies
  • You may not post attachments
  • You may not edit your posts
  •