Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ্ নিউজ # ১২ই রজব, ১৪৪১ হিজরী # ০৮ই মার্চ, ২০২০ ঈসায়ী।

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ্ নিউজ # ১২ই রজব, ১৪৪১ হিজরী # ০৮ই মার্চ, ২০২০ ঈসায়ী।

    ইনফোগ্রাফি | করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত লোকের বর্তমান পরিসংখ্যান!

    বিশ্ব ব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত। এই ভাইরাসটি সবচাইতে বেশি আঘাত হেনেছে কমিউনিষ্ট রাষ্ট্র চীনে। এই ভাইরাসে এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ৩ হাজার ৪১১ জন। অন্যদিকে আহত হয়েছেন ১০০,৬৫৪ জন, আর এই ভাইরাসে আক্রান্ত চীনা রোগীদের মাধ্য এখন পর্যন্ত আরোগ্য আরোগ্য লাভ করেছে প্রায় ৫৫ হাজার ৭৫৩ জন।

    বিস্তারিত জানতে ইনফোগ্রাফি দেখুন।




    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  • #2
    সন্ত্রাসী ইসরাইলী বাহিনীর গুলিতে চোখ হারাচ্ছে ফিলিস্তিনি শিশুরা।



    সাম্প্রতিক বছরগুলিতে কয়েক ডজন শিশু স্পঞ্জ-টিপুন বুলেটে আহত হয়েছে। যাদের অনেকেই চোখ হারিয়ে আজ অন্ধ।

    ইস্রায়েলি দখলদার বাহিনী এ চলতি মাসের ১ম সপ্তাহে দুটি পৃথক ঘটনায় পূর্ব জেরুজালেমের দুই ফিলিস্তিনি শিশুকে স্পঞ্জযুক্ত টিপুন বুলেটে আক্রান্ত করেছে বলে খবর প্রকাশ করেছে মিডলইস্ট মনিটর।

    উভয় ঘটনা ফিলিস্তিনের ইসাওয়াইয়ায় ঘটেছিল।প্রায় এক বছর ধরে এ এলাকাটি বিশ্ব সন্ত্রাসী ইস্রায়েলি দখলদার বাহিনী দ্বারা অবর্ননীয় নির্যাতন ও হয়রানির স্বীকার হচ্ছে।

    সংবাদকর্মীদের মতে,১৬ বছর বয়সী মুহাম্মদ আতীয়া সোমবার তার স্কুল মাঠে গুলিবিদ্ধ হয়।

    অন্য দিকে ১০বছর বয়সী ফাওজি আবিদ মঙ্গলবার তার বাড়ির বারান্দায় দাঁড়ানোর সময় গুলিবিদ্ধ হলে তার হাত মারাত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। ফাওজি এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

    ফিলিস্তিনি শিশু মুহাম্মদ আতীয়াকে তার স্কুলের মাঠে দাঁড়ানো অবস্তায় ইস্রায়েলি দখলদার বাহিনী গুলি করে হত্যা করেছে।

    আতীয়ার হত্যাকাণ্ডের ঘটনার ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে যে, সন্ত্রাসী ইহুদি পুলিশ গাড়ি থেকে নামছে এবং স্কুলের প্রবেশ পথে শিক্ষার্থীদের কাছে খাবার বিক্রয়কারী এক ব্যাক্তিকে ধাক্কা মারে।

    তারপর কর্মরত একজন সন্ত্রাসী বিদ্যালয়ের প্রবেশ গেইটের ফাক দিয়ে স্কুলের মাঠে শিশুদের উপর পাঁচটি গুলি ছুড়তে দেখা যায়।”

    আতীয়ার বাবা আওয়ানী আতীয়া বলেন, আতীয়া স্কুল মাঠেই তার শিক্ষকের কাছে দাঁড়িয়ে ছিল। অকস্মাৎ তারা তাকে গুলি করে।

    দখলদার সন্ত্রাসী পুলিশ দাবি করেছে যে,সে পাশের পুলিশের গাড়িতে পাথর ছুঁড়ে মেরেছিল।

    মিডলইস্ট মনিটরে দেওয়া হিসাবে মতে, ইসাওয়াইয়ায় প্রতিনিয়ত সন্ত্রাসী পুলিশ বাহিনী অভিযান, টহল দেওয়া, গ্রেপ্তার করা এবং চেকপয়েন্ট স্থাপন করা এবং হামলা চালানো অব্যাহত রেখেছে।

    সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, “স্পঞ্জের সাহায্যে গুলিবিদ্ধ হয়ে কয়েক ডজন শিশু আহত হয়েছে।যার মধ্যে অনেকেই চোখ হারিয়েছে।অন্যরা মারাত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। গবেষণাপত্রে আরও বলা হয়েছে।মাথায় গুলিকরে আরও এক কিশোরকে হত্যা করা হয়েছে।

    এখন অবধি কোন পুলিশ কর্মকর্তাকে স্পঞ্জযুক্ত বুলেট ব্যবহারের কারণে বিচারের আয়তায় আনা হয়নি ।


    সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/03/08/34225/
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      অপরাধ বাড়ছে আমেরিকার নিইউয়র্কের



      নিউইয়র্ক নগরের সাবওয়েতে অপরাধ বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছরের প্রথম দুই মাসে নগরের ১৭টি এলাকায় ১৩২টি অপরাধ ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি ব্রুকলিনে একাধিক ছিনতাই ও হামলার ঘটনা ঘটেছে।
      মেট্রোপলিটন ট্রান্সপোর্ট অথরিটি বা (এমটিএ) সূত্রে জানা গেছে, ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে ৪৪ ভাগ ব্যক্তিকে আটক করা সম্ভব হয়েছে। অতীতেও তাদের বিরুদ্ধে অপরাধের রেকর্ড রয়েছে। তাদের অধিকাংশের বয়স ১৮ বছরের নিচে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই অপরাধকে ‘ইয়ুথ অন ইয়ুথ ক্রাইম’ ও ছিনতাইয়ের অপরাধগুলোকে ‘জুভেনিল ক্রাইম’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।
      জানা গেছে, নিউইয়র্ক নগরের ম্যানহাটন, কুইন্স, ব্রুকলিন আর ব্রঙ্কসের সাবওয়েতে সবচেয়ে বেশি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে। আবার এর মধ্যে ম্যানহাটন ও ব্রুকলিনে এই অপরাধের ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটছে।
      পুলিশ কমিশনার ডারমোট সিয়া নগরের সাবওয়েতে ছিনতাইয়ের মতো অপরাধ ঘটার কথা স্বীকার করে বলেন, ম্যানহাটন ও ব্রঙ্কসে ‘জুভিনিল ক্রাইম’ বৃদ্ধি পেয়েছে। খবরঃ প্রথম আলো

      এদিকে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত একজন মার্কিন সাংবাদিক ২০ ফেব্রুয়ারি তাঁর অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে ফেসবুকে লিখেছেন, ‘ট্রেনের ভেতরে একটি কালো লোক তাঁকে আক্রমণ করতে আসে এবং ট্রেনের অন্য প্রান্ত থেকে অন্য একটি কালো যুবক চিৎকার করে বলতে থাকে, ডোন্ট ডু ইট’। সে দৌড়ে এসে ওই আক্রমণকারী তরুণকে প্রতিরোধ করে। কিন্তু প্রতিরোধ করতে আসা ওই যুবক নেমে যাওয়ার পর আবারও সে ওই বগিতে উঠে তার দিকে তেড়ে আসে। এরই মধ্যে ট্রেন একটি স্টেশনে থামলে তিনি লুকিয়ে অন্য একটি ট্রেনে ওঠেন। কালো মদ্যপ লোকটি বারবার কেন তাকে টার্গেট করেছিল, তা তিনি বুঝতে পারেননি। ট্রেনভর্তি মানুষের মধ্যে তাঁর ওপর যুবকটি এমন আক্রমণ করল, আরেকটি কালো ছেলে ছাড়া তাকে অন্য কেউ সাহায্য করতেও আসল না।’

      ওই সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২০ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টায় এফ ট্রেনে এ ঘটনাটি ঘটে।
      এর বাইরে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি কুইন্সের পারসন্স বুলেভার্ডে স্বপন মির্জা নামের আরেক বাংলাদেশি তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার শিকার হন।


      সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/03/08/34236/
      আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        শাহীন বাগে হামলাকারী হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীকে মুক্ত করে দিল ভারতীয় কুফরী আদালত



        গত ১ ফেব্রুয়ারি দিল্লির শাহিনবাগে গুলি চালানোর পর ক্যামেরার সামনে বুক ফুলিয়ে ‘জয় শ্রীরাম’ বলেছিল কপিল গুজ্জর।

        সেই হিন্দু সন্ত্রাসীকে জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। গত শনিবার দিল্লির এক কুফরী আদালত কপিলের জামিন আর্জি মঞ্জুর করে। দিল্লির শাহীন বাগে নয়া নাগরিকত্ব আইন, সিএএ-বিরোধী সমাবেশে মুসলিমদের উপর গুলি চালিয়ে খবরের শিরোনামে আসে এই যুবক। এদিন ২৫ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে তাঁর জামিনের আর্জি মঞ্জুর করা হয়েছে। খবর-এই সময়



        ছবির ডানে কপিল গুজ্জর

        দিল্লিতে, গত ১ ফেব্রুয়ারি শাহীন বাগে প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে হইচই ফেলে দেয় গেরুয়া সন্ত্রাসী কপিল গুজ্জর। শাহীন বাগে গুলি চালানোর সময়, কপিলের মুখে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান ছিল।
        কপিল গুজ্জরের মত আরেক হিন্দু সন্ত্রাসী সিএএ-বিরোধী মিছিলে জামিয়া মিলিয়ার পড়ুয়াদের উপর ভারতীয় মালাউন পুলিশের সামনে গুলি চালিয়েছিল।




        সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/03/08/34213/
        আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          ভারতের অবস্থা খুবই ভয়ানক: মনমোহন সিং



          ভারত আসন্ন বিপদের সম্মুখীন। তাও আবার তিন দিক দিয়ে। এমনই আশঙ্কাবাণী শুনিয়েছে দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। তিনি বলেছেন, দেশের অবস্থা ভয়ানক। সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং একটি সংবাদপত্রে তার এক কলামে লেখেন, সামাজিক বিশৃঙ্খলা, অর্থনৈতিক মন্দা এবং বিশ্ব জুড়ে মহামারির এই ত্রিভুজ ভারতের আত্মাকে ক্ষতবিক্ষত করে দেবে।

          সামাজিক বিশৃঙ্খলা নিয়ে যা বললেন মনমোহনঃ

          নিজের লেখায় মনমোহন সিং দিল্লিতে সহিংসতার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে লেখেন, আমাদের সমাজের কিছু বিশৃঙ্খল মানুষ এই ঘটনার জন্য দায়ী। পাশাপাশি রাজনৈতিক বহু নেতাও এই বিশৃঙ্খল মানুষদের দলে পড়ে। এরা সম্মিলিতভাবে সাম্প্রদায়িক এই সহিংসতার আগুনে ঘি ঢেলেছে।

          বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের ঘটনা নিয়ে উদ্বেগঃ

          পাশাপাশি গত কয়েক মাসে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোতে ঘটনার বিষয়ে তিনি লেখেন, ‘ভারতে ইতিহাসের অন্ধকার কালকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে গত কয়েক মাস। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, পাবলিক প্লেস এবং বাড়িঘরেও হিংসাত্মক সাম্প্রদায়িক উসকানি বয়ে চলেছে। আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠানগুলো নাগরিকদের সুরক্ষা না দিয়ে নিজেদের ধর্ম ত্যাগ করেছে। ন্যায় বিচারের প্রতিষ্ঠান এবং ন্যায়ের চতুর্থ স্তম্ভ মিডিয়াও আমাদের হতাশ করেছে।’ খবরঃ ইত্তেফাক

          সামাজিক অস্থিরতায় ঢাকাঃ অর্থনৈতিক মন্দা

          অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যে এরকম সামাজিক অস্থিরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তিনি লেখেন, ‘বিনিয়োগকারী, শিল্পপতি এবং উদ্যোক্তারা নতুন প্রকল্প শুরু করতে রাজি নয় এবং তাদের ঝুঁকি নেওয়ার ইচ্ছাও হারিয়েছেন।

          মনমোহন লিখেছেন, সত্যটি হলো দেশের বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়ানক। আমরা যে ভারতকে জানি এবং লালন করি সেই ভারত দ্রুত পিছলে পড়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বাড়িয়ে অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনাকে ঢাকা হচ্ছে। জাতি হিসাবে আমরা যে গুরুতর ঝুঁকির মুখোমুখি হয়েছি সেগুলোর সমাধান করার সময় এসেছে। এছাড়া ভারতের ওপর করোনা আতঙ্কের কথাটিও উঠে আসে তার লেখায়।


          সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/03/08/34229/
          আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            ভারতের বিরুদ্ধে পোস্ট, এবার আহত ববি’র ছাত্রী



            ভারতে বিরুদ্ধে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার অপরাধে গত বছর বুয়েটের মেধাবী মুসলিম ছাত্র আবরার ফাহাদকে হত্যা করেছিল হিন্দু অমিত শাহের নেতৃত্বাধীন আরএসএসের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া একদল ছাত্রলীগ সন্ত্রাসী। এবার, ভারতের হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে পোস্ট দেওয়ার একদিন পরেই বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে নির্মমভাবে আক্রমণ করলো কিছু সন্ত্রাসী।

            গত রোববার (১লা মার্চ) বিকেল সোয়া ৪ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের চতুর্থ ও পঞ্চম তলার মাঝামাঝি সিড়িতে তার ওপর হামলা চালানো হয়। এর আগের দিন তথা গত ২৯ শে ফেব্রুয়ারীতে, ফেসবুকে নিজের টাইমলাইনে ভারতের কবি আমির আজিজের একটি কবিতার কিছু অংশ শেয়ার করেন নওরীন। শেয়ারকৃত কবিতাংশটুকু মূলত দিল্লিতে হিন্দু সন্ত্রাসীদের মুসলিমদের উপর চালানো গণহত্যার বিরুদ্ধে ছিল। সেখানে লেখা ছিল-

            “তোমরা কালো পদ্ম লেখো, আমরা লিখব লাল গোলাপ
            তোমরা জমিনে অন্যায় লিখে দাও
            আসমানে বিপ্লব লেখা হবে
            সব মনে রাখা হবে, সব”

            তাছাড়া, ভারতীয় হিন্দুত্ববাদীরা ইসলাম ধ্বংসের যে প্রকাশ্য হুমকি দিচ্ছে এবং সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে মুসলিমদের উপর গণহত্যা চালাচ্ছে সে বিষয়ক কিছু পোস্টও নওরিন তাঁর ফেসবুক টাইমলাইনে শেয়ার করেছেন। ধারণা করা হয়, এই কারণেই নওরিনের উপর হামলা চালায় অজ্ঞাত পরিচয়ের সন্ত্রাসীরা। কেননা, এভাবে একই ধরণের অপরাধের অভিযোগ তুলে হত্যা করা হয়েছিল বুয়েটের মেধাবী মুসলিম ছাত্র আবরার ফাহাদকে।

            বার্তাসংস্থা ‘মানবজমিন’ –এর সূত্রে জানা যায়, আহত শিক্ষার্থীর মা আফরোজা বেগমসহ পরিবারের সদস্যরা জানান, ১লা মার্চ বিকেল সোয়া ৪ টার দিকে পরীক্ষা শেষে একাডেমিক ভবনের পাঁচতলা থেকে নীচে নামার সময় মুখোশধারী কতিপয় সন্ত্রাসী নওরিনের পথরোধ করে। পরবর্তীতে নওরিনের মুখে কাপড় গুজে দেয় এবং মারধর করে। এসময় তারা জ্যামিতিক কম্পাস দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষত করে এবং রশি দিয়ে পিটিয়ে জখম করে। পরবর্তীতে সে সেখান থেকে কোনভাবে বাসায় চলে আসে এবং অসুস্থ হয়ে পড়ে। বাসায় প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হলেও শারিরীক অবস্থার আরো অবনতি হলে বুধবার ৪ঠা মার্চ সকালে নওরিনকে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

            অন্যদিকে, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মুশরিক হিন্দু প্রক্টর সুব্রত কুমার দাস বলে, বিষয়টি মৌখিক কিংবা লিখিত কোন ভাবেই নাকি তাকে শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে জানানো হয়নি!

            অথচ, নওরীন সন্দেহভাজন ভারতীয় হিন্দুত্ববাদী মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। তাহলে, নওরীন কীভাবে ঐ মুশরিক প্রক্টরের কাছে হামলাকারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাবে? যদিও অন্যান্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দু প্রক্টরের কাছে ঘটনাটি সম্পর্কে জানিয়েও ছিলেন। তারপরও, বিশ্ববিদ্যালয় হিন্দু প্রক্টরের পক্ষ থেকে এরূপ বক্তব্য দেওয়া সন্দেহজনক বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।


            সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/03/08/34190/
            আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

            Comment


            • #7
              পাকিস্তানে ভারী বৃষ্টিপাতে বন্যা, শিশুসহ নিহত ২০



              পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে ভারী বৃষ্টিপাতে বাড়িঘর ভেঙে শিশুসহ ২০ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অর্ধশত। দেশটির সরকারি কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। খবর ডনের।

              বৃহস্পতিবার থেকেই দেশটির আফগান সীমান্তবর্তী বিভিন্ন স্থানে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। এতে শিশুসহ ২০ জন মারা গেছে। খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের স্থানীয় ত্রাণ কর্মকর্তা তৈমুর আলী জানান, বন্যায় দারগা শহরে একটি বাড়ির ছাদ ধসে পাঁচ শিশু মারা গেছে।

              এ ছাড়াও বেলুচিস্তানপ্রদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আরও তিনজন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। এদিকে বৃষ্টির কারণে আজাদ কাশ্মীরে ৫১টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।


              সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/03/08/34214/
              আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

              Comment


              • #8
                ভুল ধামাচাপা দিতে মহাভুলের আয়োজন করছে রাজউক



                রাজধানীর ভাটারা এলাকায় মাদানী এভিনিউয়ের পাঁচখোলা খাল ভরাটের ‘ভুল’ ধামাচাপা দিতেই ফসলি জমিতে ব্রিজ নির্মাণের ‘মহাভুলের’ আয়োজন করেছে রাজউক। বৃহস্পতিবার বেরাইদ ও সাঁতারকূল মৌজাধীন জমির কয়েকশ মালিক বিতর্কিত ব্রিজ নির্মাণস্থলে বিক্ষোভ করেছেন। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট রাজউকের একজন প্রকৌশলী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, পরিকল্পনা ও নির্মাণ ক্ষেত্রে প্রথম ভুলের খেসারত দেওয়ার আশঙ্কায় বারবার একই ভুলের অপকর্ম চালিয়ে যেতে হচ্ছে। তিনি বলেন, মূল খাল ভরাট করে সড়ক নির্মাণের মাধ্যমে পানিপ্রবাহ বন্ধের মতো পরিবেশ ধ্বংসের দায়-দায়িত্ব রাজউকের বর্তমান চেয়ারম্যান ও প্রধান প্রকৌশলী কেন নেবেন? ভুল মেনে নিয়ে পুনরায় খালের জায়গায় ব্রিজ নির্মাণের কোটি কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ কে দেবে? প্রগতি সরণির নতুন বাজার থেকে পূর্বদিকে বালু নদী পর্যন্ত সম্প্রসারিত প্রধান সড়কটি মাদানী এভিনিউ হিসেবে পরিচিত। সম্প্রসারিত এ সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের বেরাইদ-৩ নম্বর ব্রিজ নির্মাণ ক্ষেত্রে জবাবহীন এসব প্রশ্নেরই খেসারত দিচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সেখানে নিরীহ মানুষের ফসলি জমি খনন করে কৃত্রিম খাল তৈরির কর্মকা চালাচ্ছে রাজউক। ফলে একদিকে বাপ-দাদার জায়গা-জমি তাদের হাতছাড়া হচ্ছে, অন্যদিকে গভীর খননের ফলে আশপাশের জমির মাটিও ধসে পড়তে শুরু করেছে।

                মাদানী এভিনিউখ্যাত ১০০ ফুট রোডের পাঁচখোলা খালের ওপর ব্রিজ নির্মাণের নামে বারবার তুঘলকি কা কোনোভাবেই থামছে না। সেখানে স্রোতবাহী খালটির পানিপ্রবাহ পুরোপুরি বন্ধ করে সড়ক নির্মিত হয়েছে, আবার অদূরেই ফসলি জমির ওপর নির্মাণ হয়েছে বেড়াইদের তিন নম্বর ব্রিজটি। এখন চলছে সম্প্রসারিত ব্রিজ নির্মাণের কাজও। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের আবেদন-নিবেদন, কোনোকিছুই আমলে নেওয়া হচ্ছে না। এমনকি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজউকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের যৌথ উদ্যোগে সরেজমিন যে সার্ভে সম্পন্ন করা হয়, নির্মাণ বাস্তবায়নে সে সার্ভে প্রতিবেদনকেও পাত্তা দিচ্ছে না রাজউক। বরং ভুল পরিকল্পনার নির্মাণকাজ তড়িঘড়ি শেষ করাটাই যেন উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের। রাজউকের একতরফা চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্তে ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বেরাইদ ও সাঁতারকূল মৌজাধীন জায়গা-জমির কয়েকশ মালিক নির্মাণস্থলে বিক্ষোভ করেন। স্থানীয় ৪২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আইয়ুব আনসার মিন্টু জানান, ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দারা চরম ধৈর্যের সঙ্গে বারবার রাজউকের হস্তক্ষেপ কামনা করেও পাত্তা পাচ্ছে না। এ এলাকাবাসীর ফসলি জমি, বসতভিটার ওপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণ হয়েছে, ব্রিজ তৈরি হয়েছে। একই রাস্তা-ব্রিজের জন্য আবার তাদের ভিটাজমি গ্রাস করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা হাজী আবদুল ওয়াহাব ক্ষুব্ধ কণ্ঠে বলেন, রাজউক প্রকাশ্য দিবালোকের সত্যকে মিথ্যায় পরিণত করার বাহাদুরী দেখাচ্ছে। ৬০-৭০ ফুট চওড়া একটি খালকে মাটি ভরাট করে নিশ্চিহ্ন করে এখন আমাদের জায়গা-জমি কেটে কৃত্রিম খাল বানাচ্ছে। শত শত মানুষের আহাজারিকেও পাত্তা দিচ্ছে না রাজউক। এলাকার সেলিম মেম্বার, তৈয়ব আলী, মুর্শেদ মিয়া, আতাহার, ছোরহাব, মাজম আলী, ইদ্রিস মিয়াসহ অনেকেই জানান, বেড়াইদ ও সাঁতারকূল মৌজার সীমারেখা হিসেবে চিহ্নিত ছিল পাঁচখোলা খালটি। সারা বছর এ খালের পানিতেই আশপাশের ৮-১০টি গ্রামের বাসিন্দার ঘর-গেরস্থালি, ফসলি জমির পানির জোগান দেওয়া হতো। কিন্তু মাদানী এভিনিউয়ের ১০০ ফুট সড়ক নির্মাণকালে মাটি ভরাট করে খালটিকে মৃত বানিয়ে ফেলা হয়েছে। এখন খালটির বুকে কোথাও একফোঁটা পানির দেখা মেলে না। বিক্ষুব্ধ বাসিন্দারা সম্প্রসারিত ব্রিজ নির্মাণের কাজ অবিলম্বে বন্ধ করে খালটি আগে সচল করার দাবি জানান। তারা বলেন, খালের ওপর ব্রিজ বানানো হোক। তবে ফসলি জমি কেটে কৃত্রিম খাল বানিয়ে তার ওপর ব্রিজ বানানো চলবে না। গতকাল ঘটনাস্থল ঘুরে দেখা যায়, বড় বড় রিগ মেশিনের সাহায্যে খনি খনন স্টাইলেই গভীর খাদ বানানো হচ্ছে। নতুনভাবে তৈরি করা খাদের ওপরই সম্প্রসারিত ব্রিজ নির্মাণের কর্মকাণ্ড ও চলছে জোরেসোরে।

                রাজউক সূত্র জানায়, পরিকল্পনা অনুযায়ী, মাদানী এভিনিউ থেকে বালু নদী পর্যন্ত সড়ক ও ব্রিজ প্রশস্তকরণ এবং বালু নদী থেকে শীতলক্ষ্যা নদী পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ (প্রথম পর্ব)’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এক হাজার ২৫৯ কোটি টাকা ব্যয়ে সম্প্রসারিত এ প্রকল্পের আওতায় ১০০ ফুটের মাদানী এভিনিউয়ে তিন নম্বর ব্রিজ নির্মাণের ক্ষেত্রেই বাধে জটিলতা। সেখানে পাঁচখোলা খালের ওপর ব্রিজ নির্মাণের কথা থাকলেও অজ্ঞাত কারণে খালটি ভরাট করে ১০০ ফুট প্রশস্ত রোড নির্মাণ সম্পন্ন হয়। পরবর্তী সময়ে খাল পেরিয়ে অন্তত দেড়শ গজ পূর্ব দিকের ফসলি জমিতে খাদ খনন করা হয় এবং এ খাদের ওপরেই চলছে ব্রিজ নির্মাণের কাজ।

                এদিকে পাঁচখোলা খালের সঙ্গে ঘুরপথে খননকৃত খাদের সংযুক্তি ঘটানোর চেষ্টা চলছে। এ ক্ষেত্রেও ব্যক্তিমালিকানার ফসলি জমি অবৈধভাবে ব্যবহার করা হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা দাবি করেছেন। তারা জানান, সর্বশেষ সিটি জরিপ অনুযায়ী ৯০৮, ৯০৯ ও ৯২৪ নম্বর দাগেই তাদের পূর্ব পুরুষের জায়গা-জমি। যুগ যুগ ধরেই এসব জমি চাষাবাদের মাধ্যমে তাদের জীবিকা নির্বাহ হয়। পাঁচখোলা খাল সংলগ্ন থাকায় এসব জমিতে প্রতি বছর দুই দফা ধান আবাদ এবং প্রচুর পরিমাণ সবজি উৎপন্ন হতো। কিন্তু রাজউকের সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় হঠাৎ করেই সেসব ফসলি জমিতে খাদ বানিয়ে তার ওপর ব্রিজ নির্মাণের কর্মযজ্ঞ চালাতে থাকে। এ ব্যাপারে রাজউকে বারবার অভিযোগ জানিয়েও কোনো সুরাহা মিলছে না।

                তাই ব্যক্তিমালিকানার জমিতেই ব্রিজ নির্মাণ কর্মকাণ্ড চলতে থাকায় বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন বাসিন্দারা।


                সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/03/08/34184/
                আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

                Comment


                • #9
                  এবার মাঠ দখল করেই সন্ত্রাসী শ্রমিক লীগ নেতার চাঁদাবাজি



                  সিদ্ধেশ্বরী বালক উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠের একাংশ দখল করে গাড়ি পার্কিং তৈরি করা হয়েছে। এখন প্রতিটি গাড়ি থেকে চাঁদা তুলছেন স্থানীয় সন্ত্রাসী যুব শ্রমিক লীগের এক নেতা। স্থানীয় ব্যক্তিদের অভিযোগ, মাঠের ভেতর এ পার্কিং তৈরি করায় শিশু-কিশোরদের খেলাধুলা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পার্কিংয়ের কারণে মাঠের মাটি উঠে কয়েক স্তর ধুলাবালুতে পরিণত হয়েছে। কিন্তু শ্রমিক লীগের এই নেতার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

                  সন্ত্রাসী যুব শ্রমিক লীগের এই নেতার নাম মো. পারভেজ, তিনি সংগঠনটির রমনা থানা কমিটির সহসভাপতি। তাঁর দাবি, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমতি নিয়েই তিনি এই পার্কিং বসিয়েছেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা বলেছেন, তাঁরা ভয়ভীতির মধ্যে আছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, পার্কিংয়ের জন্য কাউকে অনুমতি দেওয়া হয়নি। শ্রমিক লীগের নেতা মাঠের একাংশ দখলে নিয়ে পার্কিংয়ের নামে চাঁদাবাজি করছেন। সিদ্ধেশ্বরীর এই এলাকায় অনেকগুলো বহুতল মার্কেট রয়েছে। কিন্তু এসব মার্কেটে গাড়ি পার্কিংয়ের কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা আশপাশের রাস্তা ও বিভিন্ন গলিতে গাড়ি পার্কিং করেন। এতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। পারভেজ গত নভেম্বরে বিদ্যালয় মাঠের একাংশে গাড়ি পার্কিং করার আবেদন করলেও তাঁকে অনুমতি দেওয়া হয়নি।

                  গতকাল বেলা তিনটায় সরেজমিনে দেখা যায়, সিদ্ধেশ্বরী সড়ক থেকে প্রায় তিন ফুট উঁচু সিদ্ধেশ্বরী বালক উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ। এই মাঠের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের এক-তৃতীয়াংশ জায়গা দখল করে ২৫টি ব্যক্তিগত গাড়ি পার্কিং করা রয়েছে। কিছুক্ষণ পরপরই এ পার্কিংয়ে গাড়ি আসা-যাওয়া করছে। এতে মাঠে প্রচুর পরিমাণ ধুলাবালু উড়ছে। এসব গাড়ি থেকে ৫০ টাকা করে টোল আদায় করছেন আর এম কমিউনিকেশনের কর্মী আবদুল লতিফ। তিনি জানান, সকাল ১০টা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত এই মাঠে শতাধিক গাড়ি পার্কিং করা হয়। পার্কিং ফি বাবদ প্রতিটি গাড়ি থেকে ৫০ টাকা করে নেওয়া হয়। এই হিসাবে দিনে পাঁচ হাজার টাকা আয় হয়, যা মাসে প্রায় দেড় লাখ টাকা।
                  খবরঃ প্রথম আলো

                  সিদ্ধেশ্বরী বালক উচ্চবিদ্যালয় মাঠের পূর্ব-দক্ষিণ ও পশ্চিম-দক্ষিণ কোণে পৃথক দুটি বড় চায়ের দোকানও গড়ে উঠেছে। দোকানের বর্জ্য মাঠের ওপর ছড়িয়ে আছে। এর মধ্যেই পার্কিংয়ের উত্তর পাশে বড় জাল টানিয়ে ফুটবল-ক্রিকেট খেলছে শিশু-কিশোরেরা। এই বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র মো. মাসুদ বলে, কিছুক্ষণ পরপরই মাঠের প্রধান ফটক দিয়ে গাড়ি আসা-যাওয়া করে। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। অবিলম্বে মাঠ থেকে এই পার্কিং সরিয়ে নেওয়া দরকার।

                  সিদ্ধেশ্বরী রোডের বাসিন্দা কামাল আহমেদ বলেন, ২০১৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সিদ্ধেশ্বরী বালক উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠটি ভাড়া নিয়েছিল নির্মাতা প্রতিষ্ঠানতমা কনস্ট্রাকশন। তখন তারা মগবাজার-মৌচাক উড়ালসড়কের নির্মাণসামগ্রী রেখেছিল। এই সুযোগে মাঠের এক কোণে অবৈধভাবে কার্যালয় তৈরি করেছিল ১৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ। আরেক পাশে পানির পাম্প বসিয়েছে ঢাকা ওয়াসা। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে মাঠটিতে খেলাধুলা বন্ধ ছিল। পরে পানির পাম্পটি রেখে বাকি স্থাপনাগুলো অপসারণ করা হয়। এর পাশাপাশি মাঠটিও সংস্কার করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এখন আবার মাঠটি দখলের পাঁয়তারা করছে ক্ষমতাসীন দলের চক্র।

                  আর এম কমিউনিকেশনের স্বত্বাধিকারী মো. পারভেজ বলেন, এ এলাকায় পার্কিং–সংকট রয়েছে। তাই তিনি মাঠের এক কোণে গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করেছেন। এ জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি অনুমোদনপত্র দেখাতে পারেননি।


                  সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/03/08/34223/
                  আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

                  Comment


                  • #10
                    হে আল্লাহ আপনি মুসলমাদেরকে হেফাজত করুন,আমিন।
                    ’’হয়তো শরিয়াহ, নয়তো শাহাদাহ,,

                    Comment

                    Working...
                    X