Page 1 of 2 12 LastLast
Results 1 to 10 of 18
  1. #1
    Media Al-Firdaws News's Avatar
    Join Date
    Sep 2018
    Posts
    3,804
    جزاك الله خيرا
    30
    11,889 Times جزاك الله خيرا in 3,778 Posts

    উম্মাহ্ নিউজ # ২৯শে রজব, ১৪৪১ হিজরী # ২৫শে মার্চ, ২০২০ ঈসায়ী।

    এই বছর হজ্ব ও উমরাহ বন্ধ ঘোষণা হতে পারে : সৌদি রাষ্ট্রদূত



    এই বছর ২০২০ সালে হজ্ব ও উমরাহ বাতিল হতে পারে।এই জন্য সকল হজ সংস্থাকে হোটেল, প্রশিক্ষক বা এয়ারলাইনের টিকিটের সাথে কোন প্রকারের চুক্তি না করার জন্য নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

    সৌদি রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আহমদ আল আবদান গতকাল ২৪ মার্চ এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে হজ্ব বন্ধ করতে এখনও কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন,করোনাভাইরাস অব্যাহতভাবে ছড়িয়ে পড়ার আশংকা রয়েছে, ফলে এ বছরের জন্য হজ্ব স্থগিত হতে পারে।

    প্রতি বছর সাধারণত হজ্ব জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে শুরু হয়। সরকারীভাবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরে হোটেল বা বিমান সংস্থাগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কোন রকম কার্যক্রম পরিচালনা না করে।

    এর আগে দেশটি ভাইরাসের বিস্তার রোধে উমরাহ হজ্ব এর জন্য ভিসা প্রদান স্থগিত এবং মক্কা ও মদিনার দুটি পবিত্র মসজিদ মসজিদ আল হারাম এবং মসজিদ আল নববিতে জামাতে নামাজ স্থগিত করেছে।
    প্রসঙ্গত, সৌদি আরবে এ খবর লেখা পর্যন্ত করোনভাইরাস আক্রান্ত হয়ে ১জন মৃত্যুবরণ ও ৭৬৭ আক্রান্ত হয়েছে বলে জানা যায়।


    সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/03/25/34980/
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  2. The Following 2 Users Say جزاك الله خيرا to Al-Firdaws News For This Useful Post:

    আলোকিত হৃদয় (1 Week Ago),abu mosa (1 Week Ago)

  3. #2
    Media Al-Firdaws News's Avatar
    Join Date
    Sep 2018
    Posts
    3,804
    جزاك الله خيرا
    30
    11,889 Times جزاك الله خيرا in 3,778 Posts
    মক্কা-মদিনায় আন্তঃপ্রদেশীয় যাতায়াত অনির্দিষ্ট কালের জন্যে বন্ধ ঘোষণা



    করোনাভাইরাসের বিস্তার প্রতিরোধে সৌদি আরবে আন্তঃপ্রদেশীয় যাতায়াত অনির্দিষ্ট কালের জন্যে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আর বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) মক্কা, মদিনা ও রিয়াদে বিকাল ৩ টা থেকে সকাল ছয়টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করা হয়েছে। খবর- কালের কণ্ঠ

    সৌদিতে গত রবিবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে চলছে রাত্রিকালীন ২১ দিনের কারফিউ। এ আইন অমান্যকারীদের করা হচ্ছে ১০ হাজার সৌদি রিয়াল জরিমানা ও গ্রেপ্তার।

    এখন পর্যন্ত সাড়ে সাতশর বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে সৌদিতে। সেই সঙ্গে প্রথম একজন মারা গেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।


    সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/03/25/35002/
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  4. The Following 2 Users Say جزاك الله خيرا to Al-Firdaws News For This Useful Post:

    আলোকিত হৃদয় (1 Week Ago),abu mosa (1 Week Ago)

  5. #3
    Media Al-Firdaws News's Avatar
    Join Date
    Sep 2018
    Posts
    3,804
    جزاك الله خيرا
    30
    11,889 Times جزاك الله خيرا in 3,778 Posts
    করোনায় আক্রান্ত হবে ১০ লাখ ইসরাইলি ইহুদি



    বিশ্বজুড়ে আধিপত্য এখন কেবল করোনারভাইরাসের। বাকি সবই ফিকে এ অদৃশ্য মারণাস্ত্রের কাছে। ইতিমধ্যে গোটা বিশ্বকে গ্রাস করেছে করোনা। চীনের উহান শহরে উৎপত্তির পর করোনা পৌঁছে গেছে ইসরাইলে।

    মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশটিতে করোনা রোগীর সংখ্যা ১৬৫৬ জন। এ সংখ্যা প্রতিনিয়তই বাড়ছে।

    দেশটিতে করোনা রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির হার দেখে ধারণা করা হচ্ছে দ্রুতই ১০ লাখ ইসরাইলি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। যাদের মধ্যে মারা যেতে পারেন ১০ হাজার মানুষ। খবর: যুগান্তর

    দ্য জেরুজালেম পোস্ট জানিয়েছে, গত ১৮ মার্চ ১১ হাজার ইসরাইলির ওপর করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষা চালায় ইসরাইলের স্বাস্থ্য বিভাগ। সেখানে, ৪৩৩ জনের ফলাফল কভিড-১৯ পজিটিভ আসে। যা মোট নমুনার ৪ শতাংশ।

    এরপর গত মঙ্গলবার, ২৭ হাজার ৫৪ জনের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে সব মিলিয়ে ১৬৫৬ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়, যা ৬.১ শতাংশ।

    এমন ফলাফলের পর স্যামসন আজুটা আশদুদ ইউনিভার্সিটির সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ পরিষেবার প্রধান ড্যানিয়েল গ্রুপেল বলেন, এমন হারে বৃদ্ধি পেতে থাকলে ইসরাইলের এক-তৃতীয়াংশ বাসিন্দা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হবে।

    গ্রুপেলের এমন বক্তব্যের আগেই সোমবার মন্ত্রিসভার সাত ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানইয়াহু।

    তিনি স্বাস্থ্য বিভাগসহ সংশ্লিষ্টদের হুঁশিয়ারি দেন, মারাত্মক এ করোনার লাগাম টেনে না ধরতে পারলে আগামী এক মাসে ১০ লাখ ইসরাইলি কভিড-১৯ এ আক্রান্ত হতে পারে। এতে মারা যেতে পারে ১০ হাজার ইসরাইলি।

    প্রধানমন্ত্রীর এমন হুঁশিয়ারির পর দেশটির ম্যাগান দাউদ-আদম মেডিকেলের পরিচালক রাফায়েল স্টুরগো বলেন, আমরা যতটুকু পরীক্ষা করতে পেরেছি তার ৪ শতাংশ রোগী পেয়েছি। হতে পারে আরও অনেক ইসরাইলি ভাইরাসটি বহন করছেন যাদের পরীক্ষা করা হয়নি। তবে এই আক্রান্তের হার ১০ থেকে ১২ শতাংশে পৌঁছুলে আমি মনে করি ইসরাইল হবে চীন-ইতালির মতো সবচেয়ে বেশি করোনায় বিধ্বস্ত দেশ।

    এদিকে এন১২ চ্যানেলকে দেশটির এক সরকারি কর্মকর্তাদের অভিযোগ, এমন মহামারী পরিস্থিতিতেও সাধারণ ইসরাইলিরা এমনকি বেশ কয়েকজন মন্ত্রী করোনাভাইরাসের দ্রুত সংক্রমণের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন না।

    এদিকে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রুখতে সব করোনা রোগীর মোবাইল ফোন ট্র্যাক করার কার্যক্রম চালু করেছে নেতানিয়াহু সরকার।

    এর মাধ্যমে সব করোনা রোগীদের গতিবিধি অনুসন্ধান করে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে অনেক তথ্য তাদের কাছে এসেছে। করোনা পরীক্ষা করার আগে ওই ব্যক্তি কোথায় গেছেন, কার সংস্পর্শে এসেছেন সব খবরই জানা যাচ্ছে এই পদ্ধতিতে।

    উল্লেখ্য, ইসরাইলের স্বাস্থ্য বিভাগ জানাচ্ছে, দেশটিতে সব মিলিয়ে এক লাখ পঁয়ত্রিশ হাজার কোয়ারেন্টিনে আছেন। একাত্তর হাজার ঊনত্রিশ জনকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২১৪ জন। এ নিয়ে দেশটিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজার ৬৫৬ জনে পৌঁছল। এদের মধ্যে ৩১ জনের অবস্থা গুরুতর। আর ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দুই জন।


    সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/03/25/34991/
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  6. The Following 2 Users Say جزاك الله خيرا to Al-Firdaws News For This Useful Post:

    আলোকিত হৃদয় (1 Week Ago),abu mosa (1 Week Ago)

  7. #4
    Media Al-Firdaws News's Avatar
    Join Date
    Sep 2018
    Posts
    3,804
    جزاك الله خيرا
    30
    11,889 Times جزاك الله خيرا in 3,778 Posts
    একমাত্র সমাধান আকাশের কাছে মন্তব্য ইতালির প্রধানমন্ত্রী জুসেপ্পের



    ইতালির বাতাসে শুধু লাশের গন্ধ। প্রতিদিন লাশের সারি এতোই দীর্ঘ হচ্ছে যে লাশ সমাহিত করার লোক পাওয়া যাচ্ছে না।

    সরকারের আদেশ মেনে সবাই নিজ ঘরে কোয়ারেন্টাইনে অবস্থান করছেন। কঠোর প্রচেষ্টা চালিয়েও এখনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি ইতালি।

    সেখানে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৬০ হাজারের বেশি। মারা গেছে ছয় হাজারের বেশি মানুষ। রাইজিংবিডির রিপোর্ট

    এ অবস্থায় ইতালির প্রধানমন্ত্রী জুসেপ্পে কন্তের কণ্ঠে হতাশা।

    টুইটারে তিনি লিখেছেন, আমরা সমস্ত নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছি। আমরা শারীরিক ও মানসিকভাবে মারা গেছি। আর কী করতে হবে তা আমরা জানি না। পৃথিবীর সমস্ত সমাধান শেষ হয়ে গেছে। এখন একমাত্র সমাধান আকাশের কাছে।

    তার এ বক্তব্য বিশ্ববাসীকে নাড়া দিয়েছে।

    করোনা ভাইরাসে ইতালির মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে লোম্বারদিয়া অঞ্চল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সামরিক বাহিনী নামানো হয়েছে। লকডাউন কার্যকর করতে সেখানে কাজ করছে সামরিক বাহিনী।


    সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/03/25/34969/
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  8. The Following User Says جزاك الله خيرا to Al-Firdaws News For This Useful Post:


  9. #5
    Media Al-Firdaws News's Avatar
    Join Date
    Sep 2018
    Posts
    3,804
    جزاك الله خيرا
    30
    11,889 Times جزاك الله خيرا in 3,778 Posts
    ভারতে ঢুকতে দেওয়া হয়নি শতাধিক কাশ্মীরি মেডিকেল শিক্ষার্থীদের



    বেনাপোল স্থলবন্দরে আটকা পড়েছেন শতাধিক কাশ্মীরি মেডিকেল শিক্ষার্থী। গতকাল মঙ্গলবার সকালে তারা ভারতে ঢুকতে চেয়েও পারেননি।

    বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন ওই শিক্ষার্থীদের পাসপোর্ট ও ভিসা যাচাই করে তাদের ছেড়ে দেয়ার পর স্থলবন্দরের ভারত অংশে অর্থাৎ পেট্রাপোল থেকে তাদের ফিরিয়ে দেয়া হয়। খবর বিবিসির।

    বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক মোহাম্মদ মামুন কবির তরফদার সাংবাদিকদের বলেন, ভারতের নাগরিকরা বাংলাদেশে ঢুকেছে, বেরও হচ্ছে; কিন্তু বাংলাদেশি নাগরিক এবং বিশ্বের অন্য যে কোনো দেশের নাগরিকদের ভারতে ঢোকা বন্ধ ১৩ মার্চ থেকে।

    তিনি আরো বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে সোমবার পশ্চিমবঙ্গ ঘোষণা করেছে লকডাউন। এ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে ভারতীয় পাসপোর্টধারীদের বেনাপোলে ভিড় বেড়েছে। প্রচুর ভারতীয় নাগরিক সোমবার তাদের নিজ দেশে ঢুকেছে। কিন্তু বিপত্তি হয়েছে মঙ্গলবার সকালে যখন কাশ্মীরের ছাত্রছাত্রীরা ভারত ঢুকতে যায়।

    কাশ্মীরের এসব শিক্ষার্থী বাংলাদেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে পড়ালেখা করেন।

    বেনাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, আটকেপড়া শিক্ষার্থীদের অর্ধেকই নারী, তারা সবাই এখন বন্দরের বাইরে বারান্দায় অপেক্ষা করছেন।

    কাশ্মীরের ওই শিক্ষার্থীরা হয় জানত না, নতুবা দেরি করে ফেলেছে। এখন আমরা ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করছি।ভারতের ইমিগ্রেশন বলছে, ভারতের সিদ্ধান্ত পেট্রাপোল এখন কাউকে নিতে পারবে না। আর কেউ বের হলেও তাকেও নেবে না। একেবারে লকডাউন।

    কাশ্মীরের শিক্ষার্থীরা বেনাপোলের স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষকে বলছেন, তারা কাল জানতে পেরেছে এবং তারা দূতাবাসের সঙ্গে কথা বলে এসেছে। সবার কাছে ভারতীয় পাসপোর্ট, লিগ্যাল ভিসা; আমরা এখন কী করব জানি না।


    সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/03/25/34968/
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  10. #6
    Media Al-Firdaws News's Avatar
    Join Date
    Sep 2018
    Posts
    3,804
    جزاك الله خيرا
    30
    11,889 Times جزاك الله خيرا in 3,778 Posts
    ভারতে ২১ দিনের লকডাউন : দিন এনে দিন খাওয়া মানুষেরা পড়েছেন মহা বিপদে



    টানা ২১ দিন লকডাউন ঘোষণা করায় ভারতের দিন এনে দিন খাওয়া মানুষেরা পড়েছেন মহা বিপদে।

    দিনভিত্তিক মজুরির শর্তে ভারতের বিশাল একটা জনগোষ্ঠী কাজ করে থাকে। বিভিন্ন কলকারখানাই তাদের আয়ের প্রধান উৎস। সারা দেশ অচল হয়ে যাওয়ায় আয়ের এই উৎস বন্ধ হয়ে গেছে।

    উত্তর প্রদেশের এক দিনমজুর, যিনি প্রতিদিন ৬০০ রুপি আয় করে ঘরে ফেরার সময় চালডাল কেনেন। বিবিসিকে তিনি বলছিলেন, প্রতিদিন আমার পাঁচজনকে খাওয়াতে হয়। করোনাভাইরাসের ঝুঁকি আমি জানি। কিন্তু ছেলেমেয়েকে তো খাবার দিতে হবে।

    চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহান থেকে ছড়িয়ে পড়ার পর নভেল করোনাভাইরাসে ভারতে ৫০০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ১০ জন।

    এই অবস্থায় সংক্রমণ থামাতে লকডাউন ঘোষণা করার সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিম্ন আয়ের মানুষদের অর্থ সরবরাহের কথা বলেছে।

    কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি কতটা রাখা হবে তা নিয়ে চিন্তায় আছেন খেটে খাওয়া মানুষ। রাজপাল সিং নামের একজন যেমন বলছিলেন, বলা হচ্ছে অর্থ দেয়া হবে। কিন্তু সেটি কীভাবে তা এখনো আমরা জানি না। আর দিলেও কতদিন, কত করে দেয়া হবে, তাও বলা হয়নি। এই অবস্থায় আমরা শঙ্কিত।


    সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/03/25/34996/
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  11. The Following User Says جزاك الله خيرا to Al-Firdaws News For This Useful Post:

    abu mosa (1 Week Ago)

  12. #7
    Media Al-Firdaws News's Avatar
    Join Date
    Sep 2018
    Posts
    3,804
    جزاك الله خيرا
    30
    11,889 Times جزاك الله خيرا in 3,778 Posts
    করোনা আক্রান্তদের ফেলে পালিয়েছে স্পেনের বহু বৃদ্ধাশ্রম কর্তৃপক্ষ



    করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় সহায়তা দিচ্ছে স্পেনের সেনাবাহিনী। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তল্লাশি অভিযানের সময় পরিত্যক্ত বৃদ্ধাশ্রমে অসুস্থ রোগী এবং কোনও কোনও ক্ষেত্রে শয্যায় পড়ে থাকা মৃতদেহও খুঁজে পেয়েছে সেনা সদস্যরা। মঙ্গলবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, স্প্যানিশ প্রসিকিউটররা এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে। যথাযথ সরঞ্জামের অভাবে করোনা আক্রান্ত মৃতদেহ সৎকার না করার ঘোষণা দিয়েছে স্পেনের কর্তৃপক্ষ

    মহামারির রুপ নেওয়া করোনাভাইরাসে ইউরোপে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত দেশগুলোর একটি স্পেন। সোমবার একদিনেই দেশটিতে রেকর্ড ৪৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে দেশটিতে মৃতের সংখ্যা দুই হাজার ১৮২ জনে পৌঁছেছে। দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ভাইরাসে মৃতদের মরদেহ সংরক্ষণের জন্য মাদ্রিদের একটি স্কেটিং মাঠকে সাময়িক মর্গ হিসেবে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    বৃদ্ধাশ্রমগুলোতে সংক্রমণ ঠেকানোয় সহায়তা দিতে সেনাবাহিনীকে তলব করেছে স্পেন। স্প্যানিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্গারিটা রোবেলস বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল টেলেসিনোকে বলেন, বয়স্ক মানুষদের সঙ্গে বৃদ্ধাশ্রমে করা আচরণের বিষয়ে কঠোর হতে যাচ্ছে সরকার। তিনি বলেন, নির্দিষ্ট কয়েকটি পরিদর্শনের সময় বেশ কয়েক জন বৃদ্ধকে সম্পূর্ণ পরিত্যক্ত অবস্থায় পেয়েছে সেনাবাহিনী, কোনও কোনও ক্ষেত্রে শয্যায় পড়ে থাকা মৃতদেহও পাওয়া গেছে। করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর কর্মীরা এসব আশ্রম ছেড়ে গেছে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। বাংলা ট্রিবিউনের রিপোর্ট

    স্পেনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সালভাদর ইলা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, বৃদ্ধাশ্রমগুলোকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তিনি বলেন, এসব আশ্রমগুলোতে সর্বোচ্চ নজরদারি চালানো হবে।


    সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/03/25/34964/
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  13. The Following User Says جزاك الله خيرا to Al-Firdaws News For This Useful Post:

    abu mosa (1 Week Ago)

  14. #8
    Media Al-Firdaws News's Avatar
    Join Date
    Sep 2018
    Posts
    3,804
    جزاك الله خيرا
    30
    11,889 Times جزاك الله خيرا in 3,778 Posts
    দুমুঠো খাবার নিয়ে চিন্তিত কোটি কোটি ভারতবাসী



    পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর বসবাস ভারতে *। দেশটির দুই তৃতীয়াংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে অবস্থান করছে । ৬৮.৮ শতাংশ মানুষের দৈনিক আয় ২ ডলারের কম । আর ৩০ শতাংশ মানুষের দৈনিক আয় ১.২৫ ডলারের কম । দেশের ব্যাপক জনগোষ্ঠী দিনমজুর, জীবন যুদ্ধ করে কোন রকম বেঁচে আছে । এরূপ বাস্তবতায় করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের বিস্তার রোধে গতমঙ্গলবার সমগ্র ভারত লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে । এবং জনসাধারণকে ঘরে অবস্থান করতে বলা হয় । লকডাউন ঘোষণার পর এই দিনমজুরেরা কীভাবে জীবন যাপন করছেন, তা আজ বুধবার বিবিসির প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।

    দিল্লির নয়ডায় লেবার চকে নির্মাণশ্রমিকেরা লাইন ধরে বসে থাকেন। ভবন নির্মাণ প্রতিষ্ঠানগুলো সেই শ্রমিকদের ভাড়া করে।

    গত রোববার প্রাথমিক লকডাউনের সময় প্রতিবেদক সেই এলাকা ঘুরে দেখেন, তা সুনসান পড়ে রয়েছে। ওই রকম একটি ব্যস্ত এলাকায় কেউ যা কোনো দিন কল্পনাও করতে পারেননি, তাই শোনা গেছে, পাখির কিচিরমিচির ডাক। পাখির ডাক শুনে প্রতিবেদক নিজের কানকেও যেন বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। এক কোণে বসে আছেন কিছু লোক।

    নিরাপদ দূরত্ব রেখে প্রতিবেদক তাঁদের সঙ্গে কথা বললেন, যাঁদের একজন উত্তর প্রদেশের বান্ডা জেলার রমেশ কুমার।

    রমেশ বললেন, আমি দিনে ৬০০ রুপি আয় করি। এ দিয়ে চলে পাঁচজনের সংসার। অল্প দিনের মধ্যেই ঘরে খাবার ফুরিয়ে যাবে। আমি করোনাভাইরাস ভয় করি। কিন্তু আমি আমার ছেলেমেয়েকে অভুক্ত দেখতে পারি না।

    ভারতে কোটি কোটি দিনমজুরের অবস্থা রমেশের মতো। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লকডাউন ঘোষণার পর আগামী তিন সপ্তাহের জন্য তাঁরা আয়ের আর পথ দেখছেন না।

    ভারতে ৫০০ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। মারা গেছে ১০ জন। উত্তরের উত্তর প্রদেশ, দক্ষিণের কেরালা, রাজধানী দিল্লিসহ বেশ কয়েকটি রাজ্য সরকার রমেশের মতো দরিদ্র মানুষকে সরাসরি অর্থ সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

    মোদি সরকারও লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্ত দিনমজুরদের সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) তথ্য অনুসারে, ভারতে কমপক্ষে ৯০ শতাংশ কর্মশক্তি অনানুষ্ঠানিক খাতে কাজ করে। তারা নিরাপত্তাকর্মী, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, রিকশাওয়ালা, হকার, ময়লা সংগ্রহকারী এবং গৃহকর্মী।

    বেশির ভাগের পেনশন, অসুস্থতাজনিত ছুটি, বেতনসহ ছুটি বা কোনো ধরনের বিমাসুবিধা নেই। অনেকের ব্যাংক হিসাব নেই। নিত্যদিনের চাহিদা মেটাতে তাঁদের নগদ অর্থের ওপর নির্ভর করতে হয়।

    বিপুলসংখ্যক অভিবাসী শ্রমিক। এর মানে হচ্ছে, তাঁরা নিজের রাজ্য ছেড়ে অন্য রাজ্যে এসেছে কাজের প্রয়োজনে।

    উত্তর প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব বলেছেন, এখানে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে। তিনি স্বীকার করেন, কোনো সরকার এর আগে এ ধরনের পরিস্থিতির মুখে পড়েনি। তিনি বলেন, সব সরকারকে বিদ্যুতের গতিতে কাজ করতে হবে। কারণ, পরিস্থিতি প্রতিদিন পাল্টাচ্ছে। এলাকাভিত্তিক বড় রান্নাঘর করতে হবে। রান্না করা খাবার লোকজনকে সরবরাহ করতে হবে। হাতে নগদ অর্থ বা চাল, আটা তুলে দিতে হবে। কে কোন রাজ্য থেকে এসেছে, সেসব বাছবিচার করা যাবে না।

    অখিলেশ যাদব নিজের রাজ্য নিয়ে বেশি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। উত্তর প্রদেশ ভারতের সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য। সেখানে ২২ কোটি লোকের বাস।

    উত্তর প্রদেশের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, তাঁর কর্মীদের একটি দল অন্য রাজ্য থেকে আসা লোকজনকে শনাক্ত করছে। যাদের সাহায্য প্রয়োজন, তাদের সবাইকে সাহায্য করবে সরকার।

    কৃষ্ণ লাল নামে রিকশাচালক জানান, চার দিন ধরে তাঁর কোনো আয় নেই। তিনি বলেন, পরিবারের সদস্যদের খাওয়ানোর জন্য আমার অর্থ দরকার। শুনেছি, সরকার আমাদের অর্থ দেবে। কিন্তু সেই অর্থ কখন, কীভাবে নিতে হবে, তা জানা নেই আমার।

    কৃষ্ণ লালের বন্ধু একটি দোকানে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করেন। তিনি জানালেন, খাবার কেনার মতো অর্থ নেই তাঁর কাছে। তিনি বলেন, দুদিন ধরে দোকান বন্ধ। আমাকে কোনো অর্থও দেওয়া হয়নি। আমি জানি না দোকান কবে খুলবে। আমি খুব ভয় পাচ্ছি। আমার পরিবার আছে। কীভাবে আমি তাদের খাওয়াব?

    খেটে খাওয়া মানুষদের অনেকেই জানেন না করোনাভাইরাস কী, কেন পুরো দেশ অবরুদ্ধ, কেন মানুষের যাতায়াত বন্ধ।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যক্তি বলেন, তিনি কয়েক বছর ধরে এলাহাবাদ স্টেশনে জুতা পলিশ করেন। কিন্তু এখন স্টেশনে কোনো মানুষ দেখা যাচ্ছে না। কেন লোকজন স্টেশনে আসছে না, তা তিনি বুঝতে পারছেন না। তিনি বলেন, আমি বুঝতে পারছি না কী হচ্ছে। কিছুদিন ধরে লোকজন স্টেশনে আসছে না। শুনেছি, কারফিউয়ের মতো কিছু চলছে। কিন্তু কেন?

    কথোপকথনের সময় বিনোদ প্রজাপতি নামের এক ব্যক্তি যেচে এসে কথা বলা শুরু করেন। তিনি জানান, স্টেশন এলাকায় তিনি পানির বোতল বিক্রি করেন। বললেন, আমি করোনাভাইরাসের ব্যাপারে সব জানি। পুরো বিশ্ব লড়ছে। যাদের থাকার জায়গা রয়েছে এবং সামর্থ্য রয়েছে, তারা বাড়ি থেকে বের হচ্ছে না। কিন্তু আমাদের মতো মানুষের জন্য নিরাপত্তা ও ক্ষুধার মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতে হবে। আমাদের কোনটা বেছে নেওয়া উচিত?

    উগ্র হিন্দুত্ববাদী ভারত সরকারের সুষ্ঠু ব্যবস্থা বিহীন লকডাউন সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের উৎকণ্ঠা বাড়িয়ে দিচ্ছে । হু হু করে বাড়ছে খাদ্যাভাব । দুনীতিবাজ সরকার ও পুঁজিপতি মহাজনরা স্বাচ্ছন্দ্যে থাকলেও কোটি কোটি দারিদ্র্য জনগোষ্ঠী নিজেদের জীবন নিয়ে শংকিত ।


    সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/03/25/35009/
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  15. The Following User Says جزاك الله خيرا to Al-Firdaws News For This Useful Post:

    abu mosa (1 Week Ago)

  16. #9
    Media Al-Firdaws News's Avatar
    Join Date
    Sep 2018
    Posts
    3,804
    جزاك الله خيرا
    30
    11,889 Times جزاك الله خيرا in 3,778 Posts
    দিল্লির সাড়া জাগানো শাহীনবাগের প্রতিবাদ মঞ্চ তুলে দিল মালাউন পুলিশ



    করোনাভাইরাসের কারণে লকডাউনের অংশ হিসেবে দিল্লি শাহীনবাগের ধরনা মঞ্চ তুলে দিয়েছে পুলিশ। দিল্লির যে শাহীনবাগ ভারতের বিতর্কিত ও মুসলিম বিদ্বেষেী নতুন নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের মূর্ত প্রতীক হয়ে উঠেছিল, মঙ্গলবার সকালে দিল্লি পুলিশ সেই ধরনা মঞ্চ জোর করে তুলে দিয়েছে। খবর বিবিসির।

    গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাতটা নাগাদ দিল্লি পুলিশের একটি দল শাহীনবাগে গিয়ে ধরনা মঞ্চ খালি করে দেওয়ার দাবি জানায়। কিন্তু সেখানে অবস্থানরত যে প্রতিবাদকারী ছিলেন, তারা তাতে বাধা দিলে আধঘণ্টার মধ্যেই পুলিশ জোর করে তাদের তুলে দেয়।

    ঘটনাস্থল থেকে ছয় জন মহিলা ও তিন জন পুরুষ-সহ মোট নয়জনকে আটক করা হয়।

    এর ফলে সেই গত ১৫ই ডিসেম্বর বিকেল থেকে নাগরিকত্ব আইন ও প্রস্তাবিত এনআরসি-র বিরুদ্ধে শাহীনবাগে লাগাতার যে আন্দোলন চলছিল, ঠিক ১০১ দিনের মাথায় এসে পুলিশি হস্তক্ষেপে তার অবসান হল।

    শাহীনবাগে অবশ্য গত দু-তিন দিন ধরেই একটা সময়ে মাত্র পাঁচজন করে প্রতিবাদকারী ধরনা মঞ্চে থাকছিলেন যাতে ১৪৪ ধারার শর্ত লঙ্ঘিত না হয়। বাকিরা ধরনা মঞ্চে তাদের চটি বা চপ্পল রেখে আন্দোলনের প্রতি তাদের উপস্থিতি ও সংহতি প্রকাশ করছিলেন।

    গত সাড়ে তিন মাসে শাহীনবাগ দেশের নানা প্রান্ত থেকে প্রভূত সমর্থন পেয়েছে এবং ভারতের বহু শহরে শাহীনবাগের ধাঁচে প্রতিবাদ শুরু হয়েছিল। ভারতের সীমানা পেরিয়ে গোটা পৃথিবীতে এ আন্দোলন সাড়া জাগিয়েছে।

    এদিকে কলকাতা থেকে জানানো হয়েছে, শহরের পার্ক সার্কাসে শাহীনবাগের ধাঁচে যে লাগাতার ধরনা চলছে তার আয়োজকরাও সেটি এখন সীমিত আকারে চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    গত রাতে তারা জানান, এখন থেকে পার্ক সার্কাসের মঞ্চে মাত্র সাতজন করে নারী-পুরুষ প্রতিবাদকারী থাকবেন। বাকিরা নিজেদের চটি রেখে দিয়ে আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করবেন।


    সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/03/25/34985/
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  17. The Following User Says جزاك الله خيرا to Al-Firdaws News For This Useful Post:

    abu mosa (1 Week Ago)

  18. #10
    Media Al-Firdaws News's Avatar
    Join Date
    Sep 2018
    Posts
    3,804
    جزاك الله خيرا
    30
    11,889 Times جزاك الله خيرا in 3,778 Posts
    বাংলাদেশে প্রকৃতপক্ষে করোনা পরীক্ষাই হচ্ছে না



    যত দিন যাচ্ছে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। দেশে আক্রান্তের সংখ্যা কত এর সঠিক কোনো পরিসংখ্যান নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রধান টেড্রোস অ্যাধনম ঘেব্রেইয়েসাস যেখানে বারবার বলছেন, নির্বিচারে পরীক্ষা করতে হবে। আক্রান্তদের আলাদা করে ফেলতে হবে। কিন্তু গত দুই মাসে বিদেশফেরত প্রায় ৭ লাখ মানুষ কোথায় আছে, প্রশাসন জানে না। এদের মধ্যে কতজন আক্রান্ত তারও কোনো হিসাব নেই। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, দেশের মধ্যে এটা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। মফস্সল শহরগুলোতে পরীক্ষাই হচ্ছে না। ফলে কেউ আক্রান্ত হলে সে অবস্থায়ই ঘুরে বেড়াচ্ছে। অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে দিচ্ছে। খবর:দৈনিক ইত্তেফাক

    গতকাল বিকালে নিয়মিত প্রেসব্রিফিংয়ে আইইডিসিআরের পরিচালক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা জানান, নতুন করে মঙ্গলবার এক জনের মৃত্যু হয়েছে। আরো ছয় জন আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৪ এবং আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৯ জনে।

    এদিকে মফস্সল শহরে করোনা পরীক্ষার কোনো সুযোগই নেই। হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক, নার্সসহ সহকারীরা চরম আতঙ্কে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন। অধিকাংশ হাসপাতালে জ্বর নিয়ে গেলে দেখছেনই না চিকিৎসকরা। তারা সরাসরি আইইডিসিআরের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দিচ্ছেন। অথচ আইইডিসিআরের হটলাইটে বারবার চেষ্টা করেও ফোনে ঢোকা যাচ্ছে না। কেউ সরাসরি সেখানে গেলেও ঢুকতে দিচ্ছে না। ফলে মানুষ কীভাবে পরীক্ষা করবে, তারা করোনায় আক্রান্ত কি না, সে উপায় খুঁজে পাচ্ছে না।

    এই পরিস্থিতিতে স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত ছুটি দেওয়া হলেও স্রোতের মতো মানুষ গ্রামে চলে যাচ্ছেন। এর মধ্যে কার করোনা আছে, আর কার নেই, তা-ও বোঝার সুযোগ নেই। ট্রেনের ওপরে-নিচে শুধু মানুষ আর মানুষ। অন্যদিকে রাজধানীর কাওরান বাজারে রাতেরবেলায় সবজি বিক্রির সময় শত শত ক্রেতা-বিক্রেতা ধাক্কাধাক্কি করে চলাফেরা করছেন। এদের মধ্যে যদি এক জনও আক্রান্ত থাকেন তাহলে শত শত মানুষের আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে। সবমিলিয়ে করোনা মোকাবেলায় চরম সমন্বয়হীনতা দেখা যাচ্ছে।

    পরীক্ষা করানোই দুঃসাধ্য : আইইডিসিআর এখন পর্যন্ত ৫ শতাধিক মানুষের পরীক্ষা করেছে। তার মধ্যে আক্রান্ত ধরা পড়েছে ৩৯ জন। আর মারা গেছে ৪ জন। এর বাইরে প্রচন্ড শ্বাসকষ্ট, জ্বর ও গলা ব্যথা নিয়ে খুলনায় মারা গেছেন দুই জন, সিলেটে এক জন ও কিশোরগঞ্জের ভৈরবে এক জন। তারা করোনায় আক্রান্ত ছিলেন কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা হুঁশিয়ার করে বলেছেন, এখনই যদি নির্বিচারে হাজার হাজার মানুষের পরীক্ষা করে আক্রান্তদের পৃথক না করা যায় তাহলে আমাদের পরিস্থিতি ইতালির চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে।

    নোয়াখালীর এক কিশোরকে গতকাল মঙ্গলবার দেখা গেল আইইডিসিআরের সামনে ঘোরাফেরা করতে। জানতে চাইলে ওই কিশোর বললেন, কয়েক দিন আগে সৌদি আরব থেকে তার এক আত্মীয় দেশে এসেছেন। তার সঙ্গে তিনি মেলামেশাও করেছেন। গত দুই দিন হলো তিনি জ্বর, কাশি আর শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। স্থানীয় হাসপাতালে গেলে চিকিৎসকরা আইইডিসিআরের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দিয়েছেন। নিজে এখানে এসেও ভেতরে ঢুকতে পারছেন না। কীভাবে পরীক্ষা করাবেন, তা-ও বুঝতে পারছেন না এই যুবক।

    মিরপুরের টোলারবাগের এক বাসিন্দা টেলিফোনে ইত্তেফাককে বলেন, আমার পরিবারের এক জন জ্বর ও শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। আমি টানা কয়েক ঘণ্টা চেষ্টা করেও আইইডিসিআরের হটলাইনে ঢুকতে পারিনি। একদিন পর টেলিফোন সংযোগ পাওয়ার পর সেখান থেকে এক জন সবকিছু শোনার পর বললেন, যেহেতু পরিবারের কেউ বিদেশ থেকে আসেনি, তাই তাদের এই পরীক্ষার প্রয়োজন নেই। অথচ হাসপাতালে গেলে ভর্তি করছে না। এই পরিস্থিতিতে আমরা কী করব? সরকারি হাসপাতালেও সাধারণ রোগের চিকিৎসা সেবা মিলছে না।

    সংসদীয় কমিটিতে ক্ষোভ:স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির গতকালের বৈঠকে কমিটির সভাপতি শেখ ফজলুর করিম সেলিম স্বাস্থ্য সচিব ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকের উদ্দেশ্যে বলেন, গত চার মাসে আপনারা চিকিৎসকদের সরঞ্জাম ও কিট আনতে পারেননি। তাহলে আপনারা এতদিন করেছেন কী? অযথাই কথা বলে সরকারকে বেকায়দায় ফেলেছেন। বৈঠকে উপস্থিত অধিকাংশ সংসদ সদস্যই করোনা মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

    কক্সবাজারে বৃদ্ধা আক্রান্ত :কক্সবাজার প্রতিনিধি জানান, কক্সবাজারে ওমরাফেরত এক বৃদ্ধার শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ঢাকায় পাঠানো নমুনার পরীক্ষার রিপোর্টে এ ভাইরাসের উপস্থিতির তথ্য এসেছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক (সুপার) ডা. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন। আক্রান্ত বৃদ্ধা ভর্তির পর থেকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের বিশেষ কেবিনে রয়েছেন। আক্রান্ত এই নারী (৭৫) গত ১৩ মার্চ ওমরা হজ শেষে সৌদি আরব থেকে ফিরেছেন। তার পরিবারের প্রায় সবাই হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন। হাসপাতালের একাধিক চিকিৎসক-নার্স ও ক্লিনারকে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে।

    আখাউড়ায় চিকিৎসককে ঢাকায় প্রেরণ :আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সংবাদদাতা জানান, আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় নিয়োজিত থাকা এক চিকিৎসককে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। দুই দিন ধরে জ্বর-সর্দি ও গলা ব্যথায় ভোগার পর গতকাল সকালে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়।

    সৈয়দপুরে করোনা সন্দেহে একজন হাসপাতালে : স্টাফ রিপোর্টার, রংপুর জানান, রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন বিভাগের করোনা ইউনিটে এক যুবককে আক্রান্ত সন্দেহে ভর্তি করা হয়েছে। তার বাড়ি সৈয়দপুরের বাশবাড়ি গ্রামে।

    পিরোজপুরে প্রয়োজনীয় পিপিই নেই :পিরোজপুর অফিস জানায়, করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর সংক্রমণ থেকে নিজেদের মুক্ত রেখে চিকিৎসা দেওয়ার কাজে নিয়োজিতদের জন্য পিরোজপুরে পর্যাপ্ত পিপিই নেই। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগে ২০০ পিপিই প্রয়োজন হলেও রয়েছে ৯৯টি। জেলার সিভিল সার্জন ড. হাসনাত ইউসুফ জাকি জানান, যারা স্পর্শকাতর যেমন- কম্পাউন্ডার, ওয়ার্ডবয়, সুইপারের কাজে নিয়োজিত থাকেন, করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিলে মহামারি ঠেকাতে তাদেরও নিয়োজিত করার প্রয়োজন হতে পারে। সেক্ষেত্রে সবারই পিপিই থাকা জরুরি।

    মানিকগঞ্জে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে নার্সরা : মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, ডাক্তাররা তাদের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় সব উপকরণই ইতিমধ্যে হাতে পেয়েছেন বলে দাবি করলেন মানিকগঞ্জ জেলার সিভিল সার্জন ডা. আনোয়ারুল আমিন আকন্দ। তিনি জানান, বর্তমানে পিপিই এসেছে ৩০০টি, গ্লাভস ৯০০ পিস ও ফেস মাস্ক ২০০টি। ইনডোরে কর্মরত নার্সরাও স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছেন। সদর হাসপাতালের কর্মরত শিশু বিভাগের নার্স দিলরুবা সুলতানা বলেন, এখানে আমাদের সরকারিভাবে কোনো নিরাপত্তা উপকরণ দেওয়া হয়নি।

    কুমিল্লায় চিকিৎসকদের মাঝে শঙ্কা :কুমিল্লা প্রতিনিধি জানান, কুমিল্লায় পিপিই সংকটের কারণে চিকিত্সক ও সংশ্লিষ্ট চিকিত্সা সহকারীদের মাঝে তাদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তার বিষয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। পিপিই চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত সরবরাহ এখনো পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. মো. নিয়াতুজ্জামান।

    যশোরে নার্স-ব্রাদারদের মনোবল ভেঙে পড়েছে :যশোর অফিস জানায়, করোনা ভাইরাস আতঙ্কে যশোরের চিকিৎসক-নার্স-ব্রাদারসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের মনোবল ভেঙে পড়েছে। আবার প্রয়োজনীয় প্রতিরোধকের অভাবে ইন্টার্ন চিকিত্সকদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. দিলীপ কুমার রায় জানান, মঙ্গলবার রাতের পালা থেকে তাদের গাউনসহ স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী দেওয়া হবে। এখনো পর্যন্ত জেলা থেকে কোনো স্যাম্পল আইইডিসিআরে পাঠানো হয়নি।

    নোয়াখালীতে চাহিদার তুলনায় পিপিই এক ভাগও মেলেনি :নোয়াখালী প্রতিনিধি জানান, নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল ও জেলার ৯টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত চিকিত্সক, নার্স ও স্টাফদের সুরক্ষায় পিপিই সরবরাহ অত্যন্ত নগণ্য। জেনারেল হাসপাতাল ও জেলা সিভিল সার্জন দপ্তর থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পিপিই যে চাহিদা পাঠানো হয়েছে তার একভাগও এখনো পাওয়া যায়নি।


    সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/03/25/34977/
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  19. The Following User Says جزاك الله خيرا to Al-Firdaws News For This Useful Post:

    abu mosa (1 Week Ago)

Similar Threads

Posting Permissions

  • You may not post new threads
  • You may not post replies
  • You may not post attachments
  • You may not edit your posts
  •