Page 2 of 2 FirstFirst 12
Results 11 to 18 of 18
  1. #11
    Media Al-Firdaws News's Avatar
    Join Date
    Sep 2018
    Posts
    3,788
    جزاك الله خيرا
    30
    11,845 Times جزاك الله خيرا in 3,765 Posts
    কঠিন মুহূর্তেও এনজিওগুলোর কিস্তি আদায় অব্যাহত, বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ



    করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে দেশের বিভিন্ন স্থানে দোকান-পাট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। লোকজন চলাচলও সীমিত করে দেয়া হয়েছে। ফলে নিম্ন আয়ের মানুষদের কর্মসংস্থান কমে গেছে।

    এতে দিনমজুর-ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আয় নেই বললেই চলে। এমন পরিস্থিতিতেও বিভিন্ন স্থানে চলছে এনজিওর ঋণ আদায় কার্যক্রম। এতে এনজিওর ঋণ গ্রহণকারী দরিদ্র মানুষ এখন বিপাকে। তাদের দাবি পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ঋণ আদায় স্থগিত করার। সূত্র:যুগান্তর

    মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের কারণে সব ধরনের ক্ষুদ্র ঋণ আদায় বন্ধ ঘোষণা করলেও তা মানছে না এনজিও সংস্থাগুলো।

    ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল): ভূঞাপুরে এনজিওর কিস্তি দিতে হিমশিম খাচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষ। করোনাভাইরাস আতঙ্কে হাট-বাজারে মানুষ নেই। এতে নিম্ন আয়ের মানুষের আয় নেই। খেটে খাওয়া মানুষেরা হয়ে পড়ছেন বেকার। এমতাবস্থায় এনজিওর সাপ্তাহিক ও মাসিক কিস্তির টাকা জোগাড় দূরের কথা খাবার কেনার টাকা জোগাড়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।

    উপজেলায় শতাধিক এনজিও নিয়মিত ঋণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এসব এনজিও থেকে কয়েক হাজার মানুষ ঋণ সংগ্রহ করেছেন। এতে ঋণগ্রহীতারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

    ভুক্তভোগীরা জানায়, কিস্তির টাকা না দিলে কর্মীরা জন্য রাত অবধি বসে থাকেন, গালমন্দ করেন, হুমকি দেন। গোবিন্দাসী এলাকার ভ্যানচালক আমিনুর জানান, করোনাভাইরাসের কারণে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করায় মানুষ ঘর থেকে কম বের হন। সারা দিনে ভ্যান চালিয়ে যে উপার্জন হয় তাতে সংসারই হয় না আবার কিস্তি দেব কোথায় থেকে।

    ফলদা বাজার হাটের মুদি দোকানদার হাসান জানান, হাটে লোকজন প্রয়োজন ছাড়া আসছে না। বেচাকেনা খুবই কম। ইভাবে চললে সংসার চালান খুবই কঠিন।

    ইউএনও নাসরীন পারভীন বলেন, এনজিওগুলোর কিস্তি আদায়ের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

    গাইবান্ধা: করোনাভাইরাস দুর্যোগে কিস্তি মওকুফে সংশ্লিষ্টদের বাধ্য করাসহ ৭ দফা দাবিতে মঙ্গলবার বাসদ (মার্কসবাদী) শহর শাখার উদ্যোগে গাইবান্ধা পৌর মেয়র শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবীর মিলনের হাতে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

    এর আগে পৌরসভা চত্বরে বাসদ (মার্কসবাদী) শহর শাখার সংগঠক আবু রাহেন শফিউল্যাহ খোকনের সভাপতিত্বে এক সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাসদ (মার্কসবাদী) জেলা সদস্য নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, লীজা উল্যাহ, মাসুদা আকতার প্রমুখ।

    গুরুদাসপুর (নাটোর): নাটোর জেলা প্রশাসক মো. শাহরিয়াজ হতদরিদ্রদের আয় কমায় সব এনজিওর ঋণ আদায় বন্ধের অনুরোধ জানিয়েছেন। তবে এনজিও কর্মকর্তারা সে আদেশ অমান্য করে ঋণের কিস্তি আদায় করছেন বলে জানা গেছে।

    উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এনজিও থেকে ঋণগ্রহীতা জাহানার বেগম, আসমা খাতুন, রোকেয় বেগমসহ অন্তত ২০ জনের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, বিভিন্ন এনজিও প্রতিষ্ঠান থেকে তারা ঋণ নিয়েছেন। প্রায় সবাই ওই ঋণের টাকা নিয়ে অটো ভ্যান ক্রয় করেছেন। তাদের স্বামীরা অটো ভ্যান চালিয়ে সংসার চালান। খাবার কেনার পর সেখান থেকে বাঁচিয়ে ঋণের কিস্তি দেন।

    তারা জানান, দুই সপ্তাহ হল করোনার কারণে মানুষজনের চলাফেরা কমে গেছে। আগে ৩ থেকে ৫শ টাকা রোজগার হতো। বর্তমানে ১০০ টাকা কামাই হয় না। তা দিয়ে স্বামী-সন্তান নিয়ে সংসারই চলে না, কিস্তি দেবে কোথায় থেকে। কিন্তু এনজিওর স্যারেরা এসে জবরদস্তি করছে। এমনকি গালমন্দও করছে।

    ইউএনও মো. তমাল হোসেন বলেন, জেলা প্রশাসক স্যার নির্দেশ দিয়েছেন জুন পর্যন্ত কোনো এনজিওর ঋণের কিস্তি নেয়া যাবে না। কোনো এনজিও নিলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    রায়পুর (লক্ষ্মীপুর): ইউএনও করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের কিস্তি জুন পর্যন্ত না নেয়ার নির্দেশ দিলেও তা উপেক্ষা করে রায়পুরের ২৩ এনজিও তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। মঙ্গলবার সকালে সরেজমিনে কয়েকটি এনজিওর মাঠকর্মীদের কিস্তি উত্তোলন করতে দেখা গেছে।

    উপকূলীয় অঞ্চল চরআবাবিল ও চরবংশী ইউনিয়নের কয়েকটি জেলে পরিবার গ্রামে এনজিও কর্মীরা কিস্তি আদায়ের জন্য বাড়িতে বাড়িতে অবস্থান করছে। দিনমজুর ও জেলে পরিবারকে কিস্তি পরিশোধে চাপ সৃষ্টি করতে দেখা যায়।

    কুয়াকাটা (পটুয়াখালী): করোনাভাইরাস আতঙ্কে সবকিছু বন্ধ ঘোষণা করলেও এখনও বন্ধ হয়নি কুয়াকাটায় এনজিও কর্মীদের ঋণের কিস্তি আদায়। মঙ্গলবার সকালে বেসরকারি সংস্থা আশার মাঠকর্মীরা কুয়াকাটা পৌরসভার ইসলামপুর মহল্লার বিভিন্ন বাড়িতে ঘুরে কিস্তি টাকা আদায় করেছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

    ২৩ মার্চ পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক এনজিওর কিস্তি আদায় বন্ধ ঘোষণা করছেন। কিন্তু এনজিও কর্মকর্তারা তা মানছেন না। কিস্তির টাকা পরিশোধে অনেকে অনীহা প্রকাশ করলে এনজিও কর্মীরা তাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। নতুন করে ঋণ নিতে অসুবিধা হবে বলেও সতর্ক করা হচ্ছে ওই সব এনজিওর পক্ষ থেকে।

    জাহিদ হোসেন নামে এক এনজিও মাঠকর্মী বলেন, কিস্তি আদায়ে আমাদের ওপরের কোনো নির্দেশ পাইনি। তাই আদায় করছি।

    সরেজমিনে, মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে বেসরকারি এনজিও গ্রামীণ ব্যাংকের ম্যানেজার ও কর্মী রহিমপুর ইউনিয়নের ধর্মপুর গ্রামে বিভিন্ন বাড়িতে ঘুরে কিস্তির টাকা আদায় করেন। এঘটনায় স্থানীয় অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করলেও নতুন করে লোন নিতে ঝামেলা হবে বলে এবিষয়ে নাম প্রকাশ করতে অনিহা প্রকাশ করেছেন অনেকে।


    সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/03/25/34988/
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  2. The Following User Says جزاك الله خيرا to Al-Firdaws News For This Useful Post:

    abu mosa (1 Week Ago)

  3. #12
    Media Al-Firdaws News's Avatar
    Join Date
    Sep 2018
    Posts
    3,788
    جزاك الله خيرا
    30
    11,845 Times جزاك الله خيرا in 3,765 Posts
    এই দেশে জন্মাইসেন, এখনও বেঁচে আছেন এইটা বোনাস




    করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ থাকা এক রোগী সেবা না পেয়ে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) এবং এর পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরার ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

    আতিকা রমা নামের ওই নারী সোমবার দুপুরে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে নিজের আইডিতে অসুস্থ হওয়া, করোনার লক্ষণ, আইইডিসিআরের সঙ্গে যোগাযোগ করাসহ বিস্তারিত অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। সেখানে তিনি মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরাকে তুলোধুনা করেন। মাত্র ১ ঘণ্টার মধ্যে তার স্ট্যাটাসটি প্রায় দুই হাজার শেয়ার হয়। খবর-কালের কণ্ঠ

    আতিকা রমার স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো;

    এই দেশ এই দেশের সিস্টেম একজন নাগরিক হিসেবে কি আমার???? গত ১২ দিন ধরে আমি জ্বর, প্রচন্ড গলা ব্যথা, শুকনা কাশি, কফ, প্রচন্ড শ্বাসকষ্ট এবং ফাইনালি তীব্র পেট ব্যথায় ভুগছি। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সকল লক্ষণ নিয়ে যখন অপেক্ষা করছিলাম তখন বন্ধুরা জোর করে যোগাযোগ করে IEDCR এর হেল্প লাইনে। তার মধ্যে ইন্ডিয়া থেকে গেস্ট এসেছিল। তাদেরকে এয়ারপোর্টে পৌঁছে দিতে গিয়ে তারা বৃদ্ধ মানুষ হওয়ায় তাদের লাগেজের ট্রলিটা খালি হাতে ধরে বোর্ডিং পাসের জন্য ট্রলি ঠেলে নিয়ে গেছিলাম। এরপর ইমিগ্রেশনের গেট পর্যন্ত পৌঁছে দিয়ে ফিরে এসেছি।

    তখন প্রতিদিন চায়নায় মানুষ মরছে করোনা ভাইরাসের প্রকোপে। কিন্তু আমার তা মাথায় ছিল না। এয়ারপোর্টের ট্রলি জীবন কেড়ে নেয়ার ক্ষমতা রাখতে পারে ভাবিনি। এরপর যা হওয়ার হয়েছে।

    এটা ছিল ১০ মার্চের ঘটনা। ১২ তারিখে একটা আইসক্রিম খেয়েছিলাম শখ করে, প্রায় সাথে সাথেই গলা ব্যথা শুরু হয়েছিল। এরপর ১৪ তারিখে তীব্র গলা ব্যথা আর শরীর কাঁপিয়ে জ্বর। জ্বরে তেমন কিছু মনে হয়নি, কিন্তু এরকম গলা ব্যথা আমার জীবনে আগে কখনও হয়নি। মনে হয়েছিল কেউ গলা চেপে ধরেছে এবং নিশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে। অথচ আমার চেস্ট পরিষ্কার। দীর্ঘদিন এজমা থাকায় আমি জানি কোনটা এজমার এট্যাক। কিন্তু এটা ঠিক সেরকম ছিল না। তীব্র গলাব্যথার জন্য ছিল এই শ্বাসকষ্ট। আমার খালাতো বোন বারডেমের মেডিসিনের ডাক্তার। আমার ডায়াবেটিসের চিকিৎসাও উনি করেন। ওনাকে জানানো মাত্র এন্টিবায়োটিক দেন। খেতে শুরু করি।

    কিন্তু শ্বাসকষ্ট থামে না, থামে না তীব্র গলা ব্যথাও। এভাবে ৯ দিন যাবার পর অবস্থা দিনকে দিন খারাপ হতে শুরু করে। যুক্ত হল নেবুলাইজার। দিনে ৬ বার ইনহেলারের সাথে যুক্ত হয় ৬ বার নেবুলাইজার। কিন্তু এগুলো সবই সাময়িক। একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ভাল থাকা যায় তারপর যে কে সেই। তীব্র গলা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, পেট ব্যথা, কাশি মাঝে মাঝে জ্বর।

    ভাইয়া তার এক বন্ধুর কাছে নিয়ে গেল। সেই ডাক্তার খুবই ইয়ার্কির মুডে জানাল এটা সিম্পল ঠান্ডা জ্বর, করোনা টরোনা নয়। আমার বন্ধু রানু আমার অবস্থা দেখে রেগে টেগে সমস্ত শক্তি দিয়ে IEDCR. এর হেল্পলাইনে যোগাযোগ করে পুরো ইতিহাস বলল। IEDCR কুর্মিটোলা হাসপাতালের এক প্রতিনিধি নাম ফারহা চৈতি উদ্বিগ্ন হয়ে ফোন করলেন। সব শুনে জানালেন ঐদিন রাতেই তারা আমাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাবে কারন আমি করোনা ভাইরাস সাসপেক্টটেড। আমি রাত টুকু সময় নিলাম সব কিছু গোছানোর জন্য। ঠিক হল সকাল ৮টায় ওনাদের এম্বুলেন্সে করে নিয়ে যাবে একটা টিম এসে। সারা রাত ঘুমাতে পারলাম না নানান চিন্তায়। সকাল ৮ টার আগে নিজেকে পুরোপুরি প্রস্তুত করলাম। নাহ তাদের কোন খবর নেই। নেই তো নেই। নিজেই সকাল ৯টার দিকে চলে গেলাম কুর্মিটোলা হাসপাতালে। গিয়ে ডাক্তার ফারহা চৈতিকে ফোনের পর ফোন করলাম। উনি ধরলেন না। কি করবো কিচ্ছু জানিনা। এখান থেকে সেখান ছুটে বেড়ালাম সেই অসুস্থ শরীরে। ডাক্তার চৈতি ফোন করলেন বেলা ১১:৩০ এ। উনি যে আনতে যাননি বা যাবার কথা ছিল তার ধারপাশ দিয়েও গেলেন না। এদিকে হাসপাতালে প্রচন্ড ভীড়। লোকে লোকারণ্য। গায়ে গায়ে মানুষ বসে আছে এমারজেন্সির সামনে। কোন ডাক্তার নাই। এমার্জেন্সির টিকিট কেটে আমি দূরে দাঁড়িয়ে থাকলাম। আমার প্রচন্ড শ্বাস কষ্ট আর তীব্র শীতের অনুভূতি হল। আমি উইন্ডব্রেকার পরে যাবার পরও ঠান্ডায় ঠকঠক করে কাঁপছিলাম। কিন্তু এমার্জেন্সি সার্ভিস বলে সেখানে কিছু নেই। নেই একজনও ডাক্তার। এদিকে অপেক্ষা করছে শত শত নারী পুরুষ শিশু। আর তাদের যা তা ভাষায় ধমক দিয়ে যাচ্ছে আনসার সদস্যরা। আমি দূর থেকে সব দেখছি এবং মনে মনে সিদ্ধান্ত নিচ্ছি কোন ভাবেই এখানে থাকা যাবে না। লোকে উন্মুক্ত ভাবে হাঁচি কাশি দিচ্ছে, থক থক করে থুতু ফেলে ভরিয়ে দিচ্ছে।

    আমার খালাতো ভাই ফোন করলেন এবং অবস্থা জানতে চাইলেন। IEDCR এর চিফ মীরজাদি সেবরিনা ফ্লোরা ওনার পরিচিত। ওনার সাথে যোগাযোগ করলেন। ফ্লোরা ম্যাডাম সাথে সাথে কুর্মিটোলা থেকে বেরিয়ে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে যেতে বললেন আমাকে। ততোক্ষণে আমি ভীষণ ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত, ক্ষুধার্ত এবং হতাশ। সময় চেয়ে নিলাম। বাসায় ফিরে আমাকে গোসল করতেই হবে এবং খেতে হবে। তারপর যেতে হবে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে। সেখানে ফ্লোরা ম্যাডাম আমার জন্য সকল ব্যবস্থা করে রেখেছেন।

    বাসায় ফিরে ঘন্টাখানিক গোসল করলাম এমন ঘিনঘিনে অনুভূতি হয়েছে কুর্মিটোলা হাসপাতালে। সুস্থ মানুষ সেখানে অসুস্থ হতে বাধ্য। এরপর তৈরি হচ্ছি কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে যাবার জন্য, কিন্তু মন কোন ভাবেই সায় দিচ্ছে না। কারন IEDCR এর প্রস্তুতি নিয়ে আমি ভীষণ সন্দিহান। এরা ঠিক ভাংগা কলসির মত। এরপর মীরজাদি সেবরিনা ফ্লোরা আমার খালাতো ভাইকে জানালেন আমাকে করোনা ভাইরাস সম্ভবত এটাক করেনি। বাইরে বা হাসপাতালে থাকলে আমাকে ভাইরাস এটাক করবে। তাই হাসপাতালে থাকার দরকার নাই। আগে ব্লাড টেস্ট হোক। আমি হাসপাতালে থাকার ব্যাপারে একটুও আগ্রহী ছিলাম না নোংরা পরিবেশ এবং তাদের সার্ভিস কোয়ালিটি দেখে। মনে হয়েছিল ওখানে থাকলে আমি মারা যাব। আমি বাসায় থাকতে চাইলে ফ্লোরা ম্যাডাম রাজি হলেন। সিদ্ধান্ত হল বাসা থেকে আগে টেস্টের জন্য স্যাম্পল কালেক্ট করা হবে এবং আমাকে বাসার ভেতরে ১০০% isolation এ থাকতে হবে। পরের দিন অর্থাত গতকাল বাসা থেকে IEDCR এর লোকজন এসে ব্লাডের স্যাম্পল নিয়ে যাবে। সারাদিন অপেক্ষা। এই আসছি সেই আসছি বলে এখন পর্যন্ত কোন খবর নাই। গতকাল এবং পরশুদিন একাধিক বার তাদেরকে একই তথ্য বার বার দিয়েছি। আসছি আসবো বলে তাদের কোন খবর নাই।

    গতকাল সারাদিন রাত তীব্র শ্বাস কষ্টে ভুগেছি। ৮/১০ বার নেবুলাইজ করেছি, ইনহেলার দিয়েছি আর অপেক্ষা করেছি একটা সঠিক ডায়াগনোসিস হোক। জানি কেন এমন সমস্যা হচ্ছে। গলার ব্যথা, শ্বাসকষ্ট পেট ব্যথা কিছুই ঠিক হচ্ছে না।

    সর্বোচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগের ফলাফল যদি এই হয়, তবে ধরেই নিচ্ছি বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কেউ নেই। IEDCR একটা স্টুপিড প্রতিষ্ঠান এবং তাদের চিফ মীরজাদি সেবরিনা ফ্লোরা হলেন সেই স্টুপিড নেতা। আপনারা হেল্প লাইনে ফোন করে দেখেন কি ধরণের ব্যবহার করে এরা। স্যাম্পল কালেকশনের জন্য এই নম্বরে কল করেন 01550064901 দেখবেন একই তথ্য আপনাকে কতবার দিতে হচ্ছে। প্রতিটা হেল্পলাইনে কি ভাবে কথা বলছে এক একজন। ফোন করেন কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে এই নম্বরে Control room Kuwait Bangladesh hospital-01830 769803 দেখেন কেমন ব্যবহার করবে আপনার সাথে।

    গতকাল থেকে তীব্র শ্বাস কষ্টে ভীষণ কষ্ট পাচ্ছি। নিজে নিজে নেবুলাইজ করছি। হ্যাঁ আমি আর কারো কাছে যাব না। আমার কোন চিকিতসার দরকার নেই। IEDCR এবং মীরজাদি সেবরিনা ফ্লোরার উপর ওহি নাজিল হইসে আমি সুস্থ আছি। তারা এখন বিভিন্ন জায়গার চাপে পরে ব্লাড নিতে আসলে আমি দেব না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কারন টেস্টের রিপোর্ট কি হবে আমি জানি। এবং এও বিশ্বাস করি এই ব্লাড ড্রেনে ফেলে দেয়া হবে এবং বলা হবে আল্লামা মীরজাদি সেবরিনা ফ্লোরাতো আগেই টেস্টের রিপোর্ট জানতেন।

    হ্যাঁ আমার কিছুই হয়নি। আমি একদম সুস্থ আছি। এই কয়দিন অসুস্থ হওয়ার নাটক করলাম। নাটকের অংশ হিসেবে দিনে রাতে নিজে নিজে নেবুলাইজ করলাম, ইনহেলারের পর ইনহেলার দিলাম। নাটকের অংশ হিসেবে এখনও ভুগছি, শ্বাসকষ্ট, গলা ব্যথা পেট ব্যথা নিয়ে। IEDCR একটা আল্লাহ প্রদত্ত প্রতিষ্ঠান। ওনাদের ওপর নিয়মিত ওহি নাজিল হচ্ছে। আর করোনা ভাইরাস তেমন কোন ঘটনা না। এই দেশে জন্মাইসেন এইতো বেশী। এখনও বেঁচে আছেন এইটা বোনাস।

    আমি ভীষণ ভাবে বিপর্যস্থ। এরকম দীর্ঘ শ্বাসকষ্ট এবং মানসিক যন্ত্রণায় অনেক দিন ভুগিনি। আমি যদি কোন কারনে মরে যাই সেই দায় আমার, তা রাষ্ট্রের না, IEDCR এর না এবং মীরজাদি সেবরিনা ফ্লোরার মত একজন সুপার ওহিপ্রাপ্ত নারীরও না। মীরজাদি সেবরিনা ফ্লোরা সিম্পিলি একটা সরকারের পা চাটা গোলাম, এটুকু মনে রাখবেন।

    বল্টু ভাইরাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় কনসার্ন। তাদের ব্যবস্থা করে রেখেছি। পৃথিবীর আর কোন কিছুর প্রতি আমার কোন দায় নেই। আমি এতটা মানসিক ভাবে এবং শারীরিক ভাবে বিপর্যস্থ যে ঠিক জানিনা কি কি ভুল করতে পারি কারন সঠিক ভাবে ভাব্বার মত মানসিক অবস্থায় আমি নেই।

    উইশ ইউ হ্যাপি করোনা লাইফ। এই মিথ্যাবাদী, ইতর মানুষের দেশে জন্মে আমি ভীষণ লজ্জিত। এই দলকানা ধর্ম কানা মানুষের দেশে জন্মে আমি লজ্জিত। আমাকে সবাই ক্ষমা করবেন।

    পুনশ্চ: লেবু চা গরম চায়ের বয়ান কেউ দিতে আইসেন না। এগুলাই করতেসি। আমি বলতে চেয়েছি একজন নাগরিক হিসেবে আমার সঠিক চিকিতসা পাওয়ার অধিকারের কথা। আজাইরা জ্ঞান দিবেন না। মাথা ভয়াবহ গরম আছে। যা কিছু ঘটায় ফেলতে পারি। কারন এখন আর আমি কিচ্ছু মানবো না। সেই সব ডাক্তারদের জন্যও করুণা যারা ডায়াগনোসিস ছাড়া রোগ নির্ধারণ করে। ঘেন্না ঘেন্না ঘেন্না।


    সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/03/25/34999/
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  4. The Following User Says جزاك الله خيرا to Al-Firdaws News For This Useful Post:

    abu mosa (1 Week Ago)

  5. #13
    Media Al-Firdaws News's Avatar
    Join Date
    Sep 2018
    Posts
    3,788
    جزاك الله خيرا
    30
    11,845 Times جزاك الله خيرا in 3,765 Posts
    বেহাল সড়কে ভোগান্তি ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের সাধারণ মানুষের



    ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের ময়লা মোড় থেকে বগার মোড় হয়ে নদীর পাড় পর্যন্ত রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় ভোগান্তি বেড়েছে হাজার হাজার মানুষের। ব্যাহত হচ্ছে এলাকার অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন।

    সরেজমিনে গিয়ে কথা হয় চরকালিবাড়ি এলাকার জালাল উদ্দিন, মোজাম্মেল হোসেন, মুনসুর আলীর সঙ্গে। তারা বলেন, ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা চরকালিবাড়ি। ময়লা মোড় থেকে বগার মোড় হয়ে নদীর পাড় পর্যন্ত সাড়ে ৩ কিলোমিটার রাস্তাটি হচ্ছে এখানকার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা। দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে রাস্তায় কোনো সংস্কারকাজ না হওয়ায় প্রতিনিয়ত ভাঙছে সেটি, হয়ে গেছে সরু। শুকনো মৌসুমে ধুলাবালু আর বর্ষাকালে কাদায় থাকে পরিপূর্ণ। যায়যায়দিনের রিপোর্ট

    স্থানীয় ধান ব্যবসায়ী আবু বকর সিদ্দিক বলেন, আমরা সিটি করপোরেশনের মধ্যে পড়েছি তাতে খুবই আনন্দিত ছিলাম। কয়েকদিন আগেও ৪০ টাকা শতাংশ হিসেবে জমির ট্যাক্স দিয়েছি। কিন্তু কই আমরা তো কোনো সিটির সুবিধা ভোগ করতে পারছি না। রাস্তাটার কারণে আমাদের এলাকায় কেউ আত্মীয় করতে চায় না। এভাবে আর কতদিন চলবে।


    সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/03/25/35006/
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  6. The Following User Says جزاك الله خيرا to Al-Firdaws News For This Useful Post:

    abu mosa (1 Week Ago)

  7. #14
    Media Al-Firdaws News's Avatar
    Join Date
    Sep 2018
    Posts
    3,788
    جزاك الله خيرا
    30
    11,845 Times جزاك الله خيرا in 3,765 Posts
    এবার বি.বাড়িয়ায় জায়েজ বিবাহ বন্ধ করলো তাগুত ইউএনও



    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের বিরামপুর গ্রামের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে সোমবার রাতে পৌর এলাকার ভাদুঘর গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী এক যুবকের বিয়ের কথা ছিল। আর সারাদেশে জায়েজ বিয়ে বন্ধের পায়তারার অংশ হিসেবে তাগুত বাহিনীর সদস্যরা বিরামপুর গ্রামে এই বিবাহ বন্ধ করে দেয়। রিপোর্টঃ যায়যায়দিন

    তাগুত বাহিনীর কথিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত কথিত বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা করার নামে এই বিয়ে বাতিল করে দেয়। শরীয়ার অনুমোদিত বিয়ে ভেঙে দিয়ে বারবার স্পর্ধা দেখিয়ে যাচ্ছে এই তাগুত সরকারের বাহিনী। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাগুত পঙ্কজ বড়ুয়া উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের বিরামপুর গ্রামে এ বিয়ে ভেঙে দেয়।


    সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/03/25/35012/
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  8. The Following User Says جزاك الله خيرا to Al-Firdaws News For This Useful Post:

    abu mosa (1 Week Ago)

  9. #15
    Media Al-Firdaws News's Avatar
    Join Date
    Sep 2018
    Posts
    3,788
    جزاك الله خيرا
    30
    11,845 Times جزاك الله خيرا in 3,765 Posts
    বাঘাবাড়ি নৌবন্দর অচল হওয়ায় শ্রমিকের ঘরে কান্না



    করোনাভাইরাস সংক্রমনের কারণে গত এক সপ্তাহ ধরে সারবাহী কোন জাহাজ সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় অবস্থিত বাঘাবাড়ি নৌবন্দরে যাচ্ছেনা। এ অবস্থায় বন্দরে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। আর তারই প্রভাবে কর্মহীন হয়ে পড়া প্রায় সাত শ শ্রমিকের পরিবার পরিজন পড়েছেন অর্থকষ্টে। অনাহারে থাকতে হচ্ছে অনেককে। রিপোর্টঃ কালের কন্ঠের

    বাঘাবাড়ি নৌবন্দরের শ্রমিক আজিবর খান বলেন, প্রায় সাত শ শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছেন। পরিবার পরিজন নিয়ে তারা মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

    নৌবন্দরের লেবার এজেন্ট আব্দুস সালাম ব্যাপারী বলেন, করোনার প্রভাবে প্রায় এক মাস বাঘাবাড়ি নৌবন্দরে জাহাজ চলাচল কমে গেছে। সর্বশেষ এক সপ্তাহে সারবাহী কার্গো-জাহাজ আসা একেবারে বন্ধ। এ অবস্থায় শ্রমিকরা কর্মহীন, উপার্জনহীন। এ পরিস্থিতি চললে সার সরবরাহ বন্ধ হয়ে চলতি সেচ মৌসুমে উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় সারের সংকট তৈরী হতে পারে।


    সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/03/25/35014/
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  10. The Following User Says جزاك الله خيرا to Al-Firdaws News For This Useful Post:

    abu mosa (1 Week Ago)

  11. #16
    Media Al-Firdaws News's Avatar
    Join Date
    Sep 2018
    Posts
    3,788
    جزاك الله خيرا
    30
    11,845 Times جزاك الله خيرا in 3,765 Posts
    অবরুদ্ধ অবস্থায় বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ



    প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাসের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছু সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে। এর ভয়াবহতা আঁচ করে ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনে পরিবর্তনও নিয়ে আসছে অনেক মানুষ। পথের চা-পানের টঙ দোকানে বসে-দাড়িয়ে অযথা আড্ডায় রাজা উজির মারার দৃশ্য দেখা যায় না।

    আগের মতো আয়েশ করে চা পান বা সিগারেটে সুখটানের দৃশ্য চোখে পড়ে না। তবে এই সচেতনতার মধ্যেও স্বল্প ও ক্ষুদ্র আয়ের কিছু মানুষ পড়েছেন বিপাকে। তারা চোখে অন্ধকার দেখছেন। এই অবস্থায় নিত্যপণ্যের মূল্যবুদ্ধিও তাদের হতাশ করেছে। এখন নিত্যপণ্য ও ওষুধের দোকান বন্ধের নির্দেশনায় তারা আরো ভেঙ্গে পড়েছেন। এই অবরুদ্ধ অবস্থায় এসব মানুষ সহযোগিতা দাবি করেছেন। কালের কন্ঠের রিপোর্ট

    সোমবার (২৪ মার্চ) দুপুরে সরেজমিন সুনামগঞ্জ জেলা শহরের স্বল্প ও ক্ষুদ্র আয়ের বেশ কিছু মানুষের সঙ্গে কথা হয়। দেখা গেছে রিকশা্, অটোরিকশায় যাত্রী কম। সেলুনেও ভিড় নেই। ভিড় কমেছে ছোট বড় কাপড়ের দোকান, প্রসাধনী, হোটেল রেস্টুরেন্টসহ স্বল্প ও ক্ষুদ্র আয়ের মানুষের জীবন চালানোর নানা মাধ্যমে। তাছাড়া ছোট প্রতিষ্ঠান গুলিতে মালিকদের আয় কমে যাওয়ায় শ্রমিকদের নিয়ে টেনশনে আছেন ব্যবসায়ীরা।

    মঙ্গলবার দুপুর ১২টা। পৌর মার্কেটে সিড়ির নিচে দীর্ঘ একযুগ ধরে চায়ের দোকান দিয়ে সংসার নির্বাহ করেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সুজন মিয়া। এই আয়েই তার সংসার চলে। তার দোকানে আরো দুইজন কর্মচারী আছে দিনমজুর হিসেবে।

    সুজন মিয়া জানান, গত এক সপ্তাহে তার বিক্রি কমে এসেছে। এখন দোকানে ভিড় নেই। সিঁড়ির নিচে আড্ডাও জমছে না। চা, পানের চাহিদাও কমেছে। এই অবস্থায় চলা মুশকিল। এখন দোকান বন্ধের সরকারি নির্দেশনায় চোখে অন্ধকার দেখছেন সুজন। তাছাড়া চালডাল ও নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণেও জীবন নিয়ে নাভিশ্বাস উঠেছে তাদের।

    সুজন মিয়া বলেন, আমার চলার পথ বন্ধ হয়ে গেছে। আমার দোকানের দুই দিন মজুরের অবস্থাও আরো খারাপ। তারা দিনমজুর হিসেবে শ্রমমূল্য পেতো। এখন দোকান বন্ধ থাকায় তারাও বেকার। আমাদের কারই আয় রোজগার নেই। নিত্যপণ্যের দোকানেও জিনিষের দাম বেশি। তিনি ও তার দোকান শ্রমিকদের সহায়তা প্রয়োজন বলে জানান সুজন মিয়া।

    পৌর মার্কেটেরই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মানবেন্দ্র কর। তার ছোট্ট দোকানে কাপড় ও বইয়ের যৌথ ব্যবসা। কর্মচারী তিনজন। এখন বিক্রি একেবারে কমে গেছে তার দোকানে। ক্রেতা আসছেন না আগের মতো। সবাই এক রুদ্ধশ্বাস সময় অতিবাহিত করছেন।
    মানবেন্দ্রকর বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে শহরে আগের তুলনায় মানুষের উপস্থিতি কমেছে। জীবন বাঁচানো নিয়ে সবাই যেখানে শঙ্কিত সেখানে নতুন কাপড় চোপরের প্রতি স্বাভাবিকভাবেই আগ্রহ কমেছে। আমাদের বিক্রি বাট্টা কমে যাওয়ায় এবং দোকান বন্ধের নির্দেশনায় এখন চোখে অন্ধকার দেখছি। কিভাবে যে দিনগুলো অতিবাহিত করবো সেটা নিয়ে চিন্তিত।

    বাজারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী জ্যোতিষ বৈদ্য বলেন, বাজারে মানুষের উপস্থিতি কম। আগের তুলনায় বিক্রিও কম। এভাবে চলছে দোকানভাড়া ও বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করাই কঠিন হবে। সহযোগিতা আমাদের প্রয়োজন। তিনি বলেন, একেবারে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আমি। যে পণ্য বিক্রি করি তা এখন বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।

    রিকশাচালক আমিরুল ইসলাম শহিদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরির সামনে রিকশা থামিয়ে সিটে বসে ঝিমুচ্ছিলেন। তার মুখে মাস্ক লাগানো। তিনি জানালেন, একটি সংগঠন তাকে একটি মাস্ক ও সাবান উপহার দিয়েছে। এই মাস্ক লাগিয়েই তিনি এখন রিক্সা নিয়ে বের হন।

    আমিরুল বলেন, রিকশা নিয়ে বের হলে কি হবে আগের মতো প্যাসেঞ্জার মিলে না। তাই রিকশাভাড়া ৬০ টাকা পরিশোধ করে যা আয় হয় তা দিয়ে পরিবারের ভরণ পোষণ চলে না। তাছাড়া পরিবহন বন্ধের নির্দেশনা ও মানুষকে ঘর থেকে বের হওয়ার সরকারি নির্দেশনার কারণে তিনি করবেন ভেবে ওঠতে পারছেননা। আমিরুল এই অবস্থায় সহযোগিতা দাবি করলেন।

    শহরের কার্লস হেয়ার একটি ব্যস্ত সেলুন। তিনজন কারিগরের সবাই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ব্যস্ত থাকেন। কিন্তু গত এক সপ্তাহ ধরে ৩-৪টি করে কাজ করতে পারেন একেকজন। দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল ক্ষৌরকাররা এখন বিপাকে পড়েছেন।

    এই সেলুনের কারিগর রাজু বলেন, আমি প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকি। কিন্তু গত এক সপ্তাহ ধরে ৩-৪টি কাজ করছি। মানুষ সেলুনে আসছে না।

    তিনি বলেন, এই আয়েই আমার ৫ সদস্যের সংসার চলছে। এখন দোকান বন্ধের নির্দেশনায় মনটা খারাপ হয়ে গেছে। তিনি বলেন, আমরা যারা নিম্ন ও স্বল্প আয়ের মানুষ তাদেরকে সহায়তা দেওয়া উচিত।


    সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/03/25/35016/
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  12. The Following User Says جزاك الله خيرا to Al-Firdaws News For This Useful Post:

    abu mosa (1 Week Ago)

  13. #17
    Media Al-Firdaws News's Avatar
    Join Date
    Sep 2018
    Posts
    3,788
    جزاك الله خيرا
    30
    11,845 Times جزاك الله خيرا in 3,765 Posts
    এবার ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করল সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ



    সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ ক্যাডারদের হামলায় সোনামসজিদ স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ইসমাইল হোসেন (৩০) গুরুতর আহত হয়েছেন। রোববার দুপুরে শিবগঞ্জ নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ের তৃতীয় তলায় হামলার ঘটনা ঘটে। ক্যাডাররা সশস্ত্র থাকায় ইসমাইলকে রক্ষায় কেউ এগিয়ে যেতে সাহস পায়নি। রিপোর্টঃ যুগান্তরের

    এ সময় উপজেলা পরিষদের একটি সভা চলছিল। সভায় উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ডা. সামিল উদ্দিন আহম্মেদ শিমুল। চিৎকার শুনে সভা থেকে বের হয়ে তিনিসহ অনেকেই ব্যবসায়ীকে রক্ষায় এগিয়ে যান কিন্তু তাদেরকেও ধাওয়া করে সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ ক্যাডাররা। এমপি শিমুল বলেন, উপজেলা পরিষদের মতো সরকারি দফতরে একজন ব্যবসায়ীর ওপর এ ধরনের হামলা নিন্দনীয়।

    হামলাকারীরা শিবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যানের অনুসারী বলে জানা গেছে। এদিকে আহত ইসমাইল ফের হামলার ভয়ে রাজশাহী নগরীর একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

    স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, হামলার আগে সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ ক্যাডাররা এমপি শিমুলের প্রতিপক্ষ গ্রুপের নেতা শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলামের সঙ্গে তার চেম্বারে সাক্ষাৎ করেন। উপজেলা চেয়ারম্যানও ঘটনার সময় পরিষদের সভায় উপস্থিত ছিলেন।

    বন্দরের ব্যবসায়ীদের অভিযোগ সোনামসজিদ স্থলবন্দরে চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ নিতেই এই হামলা চালানো হয়েছে। তারা সোমবার দুপুরে সোনামসজিদ স্থলবন্দর এলাকায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করে ইসমাইলের ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন। এই পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য বন্দরের কাস্টমস এসি সাইফুর রহমানেরও অপসারণ দাবি করেছেন তারা।

    হামলার ঘটনায় ইসমাইল বাদী হয়ে রোববার রাতে শিবগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান হিমেল (২৫), সাধারণ সম্পাদক আলী রাজ, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াদ খানসহ ১৫ জনকে আসামি করে শিবগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেছেন। হামলাকারীদের অন্যতম পৌর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াদ খান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতিকুল ইসলাম খান টুটুলের আপন ভাগ্নে বলে জানা গেছে।

    মামলার অভিযোগে বলা হয়, সোনামসজিদ স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের বিষয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিয়ে রোববার দুপুরে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের তিনতলায় এমপি শিমুলের উপস্থিতিতে একটি সমঝোতা সভা চলছিল। এ সময় সন্ত্রাসী ছাত্রলীগের ক্যাডাররা লোহার রড, চেইন, চাইনিজ কুড়াল, চাপাতি, রামদা, বোমার ব্যাগ নিয়ে জয় বাংলা স্লোগান দিতে দিতে ভবনের তৃতীয় তলায় ওঠে।

    সেখানে অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ইসমাইলকে পেয়ে এলোপাতাড়ি পেটাতে শুরু করে। পেটাকে পেটাতে রক্তাক্ত করে তাকে ভবনের নিচে নামিয়ে আনার চেষ্টা করে। এ সময় এমপি শিমুলসহ উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মিটিং ছেড়ে ইসমাইলকে উদ্ধারে এগিয়ে গেলে সন্ত্রাসীরা তাদেরকেও ধাওয়া করে।


    সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/03/25/34963/
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  14. The Following 2 Users Say جزاك الله خيرا to Al-Firdaws News For This Useful Post:

    abu mosa (1 Week Ago),Bara ibn Malik (1 Week Ago)

  15. #18
    Junior Member
    Join Date
    Mar 2020
    Posts
    2
    جزاك الله خيرا
    0
    3 Times جزاك الله خيرا in 2 Posts
    আল্লাহ আমাদের হেফাযত করেন।

  16. The Following User Says جزاك الله خيرا to fahad11 For This Useful Post:

    abu mosa (1 Week Ago)

Similar Threads

Posting Permissions

  • You may not post new threads
  • You may not post replies
  • You may not post attachments
  • You may not edit your posts
  •