Page 2 of 2 FirstFirst 12
Results 11 to 16 of 16
  1. #11
    Media Al-Firdaws News's Avatar
    Join Date
    Sep 2018
    Posts
    3,847
    جزاك الله خيرا
    30
    12,042 Times جزاك الله خيرا in 3,824 Posts
    হাত ধোয়া গুরুত্বপূর্ণ কেন



    যে কোনো জীবাণুর সংক্রমণ থেকে বাঁচতে প্রথমেই প্রয়োজন পরিচ্ছন্নতা। আর হাত থেকে জীবাণু সবচেয়ে বেশি ছড়ায় তাই সবার আগে হাত জীবাণুমুক্ত রাখতে হবে। হাত পরিষ্কার রাখা একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস, যার মাধ্যমে সহজেই অনেক ধরনের অসুস্থতা থেকে রেহাই পাওয়া যায়। টয়লেট ব্যবহারের পর ভালোভাবে হাত না ধোয়ার কারণে জীবাণু সবচেয়ে বেশি ছড়ায়। সূত্রঃ আমাদের সময়

    ডায়রিয়া বা পেটের যে কোনো সমস্যা হতে পারে টয়লেট থেকে বা বাচ্চার ডায়াপার বদলানোর পর ভালোভাবে হাত পরিষ্কার না করলে। এ ছাড়া হাঁচি-কাশি থেকে জীবাণুর সংক্রমণ হয়। দূষিত কোনো কিছুর সংস্পর্শে এলেও মানুষের হাতে জীবাণু আসতে পারে। হাঁচি-কাশির সময় মুখে হাত দিলে লেগে থাকা এই জীবাণু যদি ধুয়ে না ফেলা হয় তা হলে শুধু যিনি বাহক তিনিই নন, তার সংস্পর্শে যারাই আসবেন সবাই-ই সংক্রমিত হতে পারেন। শিশুরা যেন দিনে অন্তত ১০/১২ বার হাত ধোয়ার অভ্যেস করে সেদিকে খেয়াল রাখুন।


    সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/03/26/35034/
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  2. The Following User Says جزاك الله خيرا to Al-Firdaws News For This Useful Post:

    abu mosa (1 Week Ago)

  3. #12
    Media Al-Firdaws News's Avatar
    Join Date
    Sep 2018
    Posts
    3,847
    جزاك الله خيرا
    30
    12,042 Times جزاك الله خيرا in 3,824 Posts
    আইইডিসিআরের ব্যর্থতা-নো টেস্ট, নো করোনা



    জ্বর, গলাব্যথা, কাশি, শ্বাসকষ্ট আর তীব্র পেটব্যথা নিয়ে গত ১২ দিন ধরে ভুগছেন রাজধানীর বাসিন্দা আতিকা রোমা। তিনি জানান, এসব উপসর্গ নিয়ে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইডিসিআর) যোগাযোগ করা হয়। সেখান থেকে প্রথমে কুর্মিটোলা জেনারেল হাপসাতাল এবং পরে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে যেতে বলা হয়। তবে এরপর বলা হয়, বাইরে বা হাসপাতালে থাকলে ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে, তাই হাসপাতালে থাকার দরকার নেই, আগে রক্ত পরীক্ষা করা হোক।

    তখন সিদ্ধান্ত হয় বাসা থেকে পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হবে এবং বাসাতেই শতভাগ আইসোশনে থাকতে হবে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বাসা থেকে আইইডিসিআর-এর লোকজন এসে নমুনা নিয়ে যাওয়া কথা ছিল। আতিকা বলেন, এই আসছি, সেই আসছি বলে কোনও খবর নেই। সোম ও মঙ্গলবার একাধিক বার তাদের একই তথ্য দিয়েছি।

    রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক মুশফিকা ইসলামের অভিজ্ঞতাও প্রায় অভিন্ন। গলাব্যথা দিয়ে শুরু, পরে কাশি ও জ্বরে ভোগা মুশফিকা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, গত তিন দিন ধরে রাতের বেলায় শ্বাসকষ্ট হয়েছে। কোনোকিছুই খুব তীব্র নয়, কিন্তু যেহেতু সিম্পটমগুলো ওভার ল্যাপিং, সঙ্গে আমার রয়েছে কোমরবিডিটি, তাই আইইডিসিআরে যোগাযোগ করি। সব শুনে তারা স্যাম্পল নিতে হবে জানিয়ে ফোন নম্বর এবং ঠিকানা নেয়। দ্রুততম সময়ে আসবে বলেও জানায় তারা। যেহেতু একদিন পার হয়ে গেছে তাই বুধবার (২৫ মার্চ) আবার কল করলে তারা জানান, লিস্টটা অনেক লম্বা, দুই থেকে তিন দিন সময় লাগতে পারে, অপেক্ষা করতে হবে।

    মুশফিকা বলেন, খুব দ্রুত স্যাম্পল কালেকশন করার সুযোগ নেই জানিয়ে তারা (আইইডিসিআর) আরও জানান, অনেক বেশি মানুষ তাদের কাছে রিপোর্ট করছে, কিন্তু সে তুলনায় তাদের লোকবল কম। ফলে সময় লাগবে।

    আতিকা বা মুশফিকার মতো আরও কয়েকজন বাংলা ট্রিবিউনের কাছে একই ধরনের অভিযোগ করেন। তারা বলেন, তারা সময়মতো আইইডিসিআরের হটলাইনে যোগাযোগ করতে পারছেন না। এমনকী যোগাযোগ করেও তারা করোনার জন্য পরীক্ষা করাতে পারছেন না।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে করোনাভাইরাসের পরীক্ষা কেবল আইইডিসিআরে হচ্ছে, এতে করে সঠিক সংখ্যার রোগী পাওয়া যাচ্ছে না। যেখানে হাজার হাজার পরীক্ষা দরকার সেখানে ২৪ ঘণ্টায় ৮২ জনের পরীক্ষা করার বিষয়টি হাস্যকর।

    তারা বলছেন, যেখানে বিশ্বজুড়ে প্রথম ১ লাখ রোগী হয়েছে ৬৭ দিনে, পরের ১ লাখ হয়েছে তারও দ্রুততম সময়ে, খুব অল্প সময়ে রোগী সংখ্যা বেড়েছে, আর গত ২৪ ঘণ্টায় ৮২ জনের পরীক্ষা করা হলেও নতুন করে কেউ শনাক্ত হয়নি বলে জানিয়েছে আইইডিসিআর।

    বিষয়টিকে অস্বাভাবিক অভিহিত করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটা হচ্ছে কেবল সব জায়গায় পরীক্ষার সুযোগ না থাকায়। এভাবে হলে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন কোথায় গিয়ে ঠেকবে সেটা কল্পনাও করা যাচ্ছে না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।

    গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর কথা জানায় আইইডিসিআর। এখন পর্যন্ত ৭৯৪ জনের পরীক্ষা করেছে আইইডিসিআর। এর মধ্যে ৩৯ জন কোভিড-১৯ রোগী হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন।

    যদিও বুধবার আইইডিসিআর পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা কমিউনিটি ট্রান্সমিশন প্রসঙ্গে বলেন, দুটো ক্ষেত্রে আমরা ইনভেস্টিগেশন করছিলাম, তবে এখন পর্যন্ত সেটার সোর্স অব ইনফেকশন জানা যায়নি। সেক্ষেত্রে এটা লিমিটেড স্কেলে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হয়ে থাকতে পারে বলে আমরা মনে করছি।

    মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) কোভিড-১৯ নিয়ে আয়োজিত স্বাস্থ্য অধিদফতরের একটি বিশেষ বৈঠকে উপস্থিত একাধিক জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসক নাম গোপন রাখার শর্তে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, একটি মাত্র প্রতিষ্ঠানের হাতে নমুনা পরীক্ষা করার ক্ষমতা থাকায় তারা বিব্রত। তাই সরকার এখন এই প্রতিষ্ঠানের বাইরেও পরীক্ষা করার ভেবেছে এবং সে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু প্রথম থেকে যদি এটা করা হতো তাহলে আরও পরীক্ষা করা সম্ভব হতো এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতো বলে মনে করেন তারা।

    তবে মঙ্গলবারের বৈঠকে আইসিডিডিআরবির কথা বলা হলেও আইইডিসিআর থেকে বুধবারের সংবাদ সম্মেলনে সেটা বলা হয়নি। আর এসব পরীক্ষাগুলো কে বা কারা সমন্বয় করবে সেটাও পরিষ্কার না।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টেস্টের বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) ডেফিনেশনের কথা বলে আইইডিসিআর। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডেফিনেশন তো আরও রয়েছে, ওরা (আইইডিসিআর) যে ডেফিনেশন দিচ্ছে সেটা দিয়ে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বোঝা যাবে না।

    জানতে চাইলে চিকিৎসা নৃবিজ্ঞানী আতিক আহসান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, গতবছর ডেঙ্গুর সময় থেকেই আইইডিসিআরের ভূমিকা হতাশাজনক মনে হয়েছে, এবারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আইইডিসিআরের দায়িত্ব ছিল সরকারকে বোঝানো, সেখানে তারাই বিষয়টি বুঝতে পেরেছে বলেও মনে করি না আমি। রাজনীতিবিদরা পাবলিক হেলথ বা আউটব্রেক বোঝেন না, তাদের বুঝবার কথাও নয়। তাদের বোঝানোর কথা আইইডিসিআরের, কিন্তু সেটা তারা করেনি, তারা ফেইল করেছে। এটা আইইডিসিআরের ব্যর্থতা।

    আইইডিসিআর বোঝেনি কী হতে যাচ্ছে এবং এ জন্য কী করা দরকার মন্তব্য করে তিনি বলেন, পরীক্ষা ব্যবস্থা এখন ছড়িয়ে দিতে হবে। নয়তো সঠিক রোগী পাওয়া যাবে না। শুরু থেকেই যে সবার সাহায্য নেওয়া দরকার ছিল সেটা তারা হয় বুঝতে পারেনি, নয়তো বুঝতে চায়নি। আর প্রতিষ্ঠানটি সেটি এখনও বুঝতে পারছে কিনা, সে নিয়েও আমি নিশ্চিত নই।

    টেস্ট যদি করা হয়, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয় তাহলে রোগীর সংখ্যা ওই জায়গায় পৌঁছাবে, কিন্তু টেস্টই যদি না করা হয় তাহলে সে রোগীর সংখ্যা দশ গুণ বাড়বে। আর এটা যত দিন যাবে ততই দ্বিগুণ হারে বাড়বে, বলেন আতিক।

    করোনার টেস্ট ঠিকমতো না করতে পারলে করোনা নিয়ে কারো কথা বলাই উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, টেস্ট না করে তারা (আইইডিসিআর) কী করে বলেন রোগী সংখ্যার কথা? আইইডিসিআরে যেসব ফোন কল যায়, তার মধ্যে থেকে নমুনা শুনে বিশ্লেষণ করে টেস্ট করে, কিন্তু যারা কল করেন না তাদের কী করবে না?

    তিনি বলেন, কোয়ারেন্টিন অ্যাভয়েড করে যারা ছড়িয়ে পড়েছে তাদের নিয়ে কী করা হচ্ছে, সেটাও বুঝতে পারছি না। তাই কেবলমাত্র একটি প্রতিষ্ঠানের হাতে টেস্টের ব্যবস্থা না রেখে যারা বিদেশ থেকে এসেছে এবং তাদের সংস্পর্শে সাসপেক্টেড যারা রয়েছে, তাদের টেস্ট করতে হবে।

    শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজের ভাইরোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. জাহিদুর রহমান বলেন, কোভিড-১৯-এর প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়া থেকে বৈশ্বিক মহামারিতে রূপ নেওয়া পর্যন্ত আইইডিসিআর একটানা মিথ্যাচার করে আসছে। কর্তৃত্ব ধরে রাখতে গিয়ে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে কোভিড-১৯-এর পরীক্ষা করার ব্যবস্থা থাকার পরও সেসব জায়গায় পিসিআর করতে দিচ্ছে না।

    কোভিড-১৯ প্যানডেমিকের এই পর্যায়ে (লেভেল-৩) সবচেয়ে জরুরি কাজ টেস্টিং মন্তব্য করে তিনি বলেন, রাষ্ট্র সাসপেক্টেড সবার টেস্ট করতে বাধ্য, আর আইডিসিআর ব্যর্থ হবে সেটাই স্বাভাবিক। তাই যত দ্রুত সম্ভব সারাদেশে কমপক্ষে ১৫-২০টি ল্যাবে পিসিআর মেশিন বসিয়ে প্রতিটি সাসপেক্টেড কেইস টেস্ট করতে হবে।


    সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/03/26/35040/
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  4. The Following User Says جزاك الله خيرا to Al-Firdaws News For This Useful Post:

    abu mosa (1 Week Ago)

  5. #13
    Media Al-Firdaws News's Avatar
    Join Date
    Sep 2018
    Posts
    3,847
    جزاك الله خيرا
    30
    12,042 Times جزاك الله خيرا in 3,824 Posts
    করোনা পরীক্ষার কিট নেই বিআইটিআইডিতে !



    বৃহত্তর চট্টগ্রামের রোগীদের করোনার ভাইরাস পরীক্ষার জন্য স্থাপিত একমাত্র হাসপাতাল সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাটে অবস্থিত বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি)। দেশে করোনা ভাইরাস আতংক ছড়িয়ে পড়ার পর রোগিদের শুশ্রুষার জন্য বিশেষায়িত এই হাসপাতালে ৫০ শয্যার আইসোলেশন বিশিষ্ট ওয়ার্ড স্থাপন করা হয়। কিন্তু এরপর এক মাসেরও বেশি সময় অতিবাহিত হলেও এখনো এখানে করোনা পরীক্ষার কোন কিট আসেনি। ফলে করোনা পরীক্ষার ট্রেনিং নিয়েও সন্দেহভাজন রোগিদের জন্য কিছুই করতে পারছেন না তারা। খবর- কালের কণ্ঠ

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামে ক্রমবর্ধমান করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগিদের চিকিৎসায় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাটে অবস্থিত বিআইটিআইডিতে প্রায় এক মাস আগে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট পৃথক আইসোলেশন স্থাপন করা হয়। এই হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মামুনুর রশিদের নেতৃত্বে একটি টিমকে করোনা চিকিৎসার দায়িত্ব দেওয়া হয়। এই টিমের ৩ সদস্য ইতিমধ্যে ঢাকায় আইইডিসিআর এ করোনা পরীক্ষা ও চিকিৎসার বিষয়ে ট্রেনিংও সম্পন্ন করে এসেছেন। কিন্তু তাদের এই ট্রেনিং কোন কাজেই লাগছে না এই দীর্ঘ সময়েও করোনা পরীক্ষার জন্য আবশ্যকীয় উপাদান কীট না আসায়।

    প্রতিষ্ঠানটির সহযোগী অধ্যাপক ডা, মামুনুর রশিদ জানান, বিআইটিআইডিতে সন্দেহভাজন করোনা রোগিদের পরীক্ষা করা হচ্ছে-এমন খবর ছড়িয়ে পড়ায় সুদূর কক্সবাজারসহ বৃহৎ চট্টগ্রামের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সামান্য জ্বর-সর্দি আক্রান্ত রোগিরাও করোনা আক্রান্ত কিনা পরীক্ষা করতে ছুটে আসছেন। কিন্তু আমাদের কাছে করোনা পরীক্ষার কোন কীট না আসায় আমরা সন্দেহভাজনদের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় সেই নমুনা পাঠাচ্ছি। তারপর কয়েকদিনের মধ্যে সেখান থেকে রিপোর্ট আসলে আমরা জানাচ্ছি যে তাদের কি হয়েছিলো। এক কথায় এই রিপোর্টের জন্য রোগিদের এবং ডাক্তারদের কয়েকদিন অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে। আমরা তাৎক্ষনিক কোন রিপোর্ট দিতে পারছি না। যদি করোনা পরীক্ষার কীট পাওয়া যেত তাহলে ৪-৫ ঘন্টার মধ্যেই পরীক্ষার রিপোর্ট দেওয়া যেত।

    এদিকে ডাক্তাররা চেষ্টা করলেও দূর দুরান্ত থেকে এখানে এসেও তাৎক্ষনিক পরীক্ষার সুযোগ না পেয়ে হতাশও হচ্ছেন অনেকে। এখানে আসা চট্টগ্রামের এক রোগির নিকটাত্মীয় মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ফৌজদারহাট হাসপাতালে করোনার ইউনিট স্থাপন করা হয়েছে। আমার এক আত্মীয় রোগি কয়েকদিন জ্বর ও গলা ব্যাথার কারণে ঐ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য গেলে তারা জানান, পরীক্ষা করে রিপোর্ট দিতে কয়েকদিন সময় লেগে যাবে। তাছাড়া তার রোগটি করোনা নয় বলে ডাক্তাররা প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করছেন। একথা শুনে ঐ আত্মীয় নিজেই তাৎক্ষনিক রিপোর্ট পেতে ঢাকায় চলে যান।

    রোগিদের দ্রুত সেবা না দেওয়া গেলে হাসপাতালে এসব ইউনিট করে কি লাভ হচ্ছে এমন প্রশ্নই তুলেছেন আরো অনেকে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিআইটিআইডি এর পরিচালক ডা. মোঃ এম.এ হাসান বলেন, আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত। আমাদের তিন চিকিৎসক এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রস্তুত। কিন্তু করোনা পরীক্ষার কীট এখনো পাচ্ছি না। পাব বলে আশা করছি কয়েকদিন ধরেই। কিন্তু না পাওয়ায় কিছুই করতে পারছি না। ঠিক কবে এই কীট আসবে তাও তিনি নিশ্চিত করতে পারেননি। তবে আজ-কাল যেকোন সময় কীট আসবে এমন অপেক্ষায় আছেন তিনি।


    সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/03/26/35043/
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  6. The Following User Says جزاك الله خيرا to Al-Firdaws News For This Useful Post:

    abu mosa (1 Week Ago)

  7. #14
    Media Al-Firdaws News's Avatar
    Join Date
    Sep 2018
    Posts
    3,847
    جزاك الله خيرا
    30
    12,042 Times جزاك الله خيرا in 3,824 Posts
    ডাক্তাররা পিপিই না পেলেও ব্যবহার করছে সরকারি প্রশাসনিক কর্মকর্তারা!



    বিশ্বব্যাপী মহামারী করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ প্রতিরোধে যখন দেশে ডাক্তাররা ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জামের (পিপিই) সংকটে আছেন, তখন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা না মেনে পিপিই ব্যবহার করছেন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। রিপোর্ট- ডেইলি স্টার।

    গত ১৫ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) সহযোগিতায় করোনাভাইরাস ২০১৯ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে পার্সোনাল প্রোটেকটিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) এর যুক্তিসঙ্গত ব্যবহার মর্মে একটি নির্দেশনা প্রচার করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। নির্দেশনায় বলা হয়, বিশ্বব্যাপী পিপিই তথা স্বাস্থ্য সেবা দাতাদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জামের ঘাটতি রয়েছে এবং এ পরিস্থিতিতে জরুরি ভিত্তিতে দেশের স্বাস্থ্য সেবাদাতাসহ সংশ্লিষ্ট সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সঠিক নিয়মে যৌক্তিকভাবে সামগ্রীসমূহ ব্যবহার করতে হবে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ছাড়াও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর তাদের সংরক্ষিত পিপিই স্বাস্থ্যসেবায় ব্যবহার করার জন্য দিয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন আচার্য্য তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ছবি পোস্ট করেন। সেখানে দেখা যায় প্রশাসনের কর্মকর্তারা পিপিই পরে দাঁড়িয়ে আছেন। এই পোস্টটি উপজেলা প্রশাসনের ফেসবুক পেজ থেকেও শেয়ার করা হয়। পোস্টে লেখা ছিল, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১২টি এবং প্রশাসনের সার্বক্ষণিক নিয়োজিত কর্মকর্তাদের জন্য ৯টি পিপিই প্রদান করা হয়। যোগাযোগ করা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন আচার্য্য বলেন, উপজেলা প্রশাসনের নিজ উদ্যোগে সংগৃহীত ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের দেওয়া পিপিই থেকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্বরতদের কিছু পিপিই দেওয়া হয়েছে এবং কিছু প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নিজেদের ব্যবহারের জন্য রাখা হয়েছে।

    পিপিইর যুক্তিসঙ্গত ব্যবহার সম্পর্কে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনার ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না বলে জানান। তিনি বলেন, যদি এগুলো আমাদের ব্যবহারের প্রয়োজন না থাকে, তবে তা স্বাস্থ্য সেবার দায়িত্বপ্রাপ্তদের কাছে প্রয়োজন অনুযায়ী হস্তান্তর করবো।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক ডা. দেবপদ রায় বলেন, প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের, এমনকি আমারও পিপিই ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। কারণ, আমরা সরাসরি আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে যাই না। এগুলো তাদেরই দরকার যারা আক্রান্ত রোগীকে সরাসরি সেবা দেবেন। হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে পিপিইর প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে ডা. দেবপদ রায় বলেন, এই দায়িত্ব গ্রাম পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মী, স্থানীয় কাউন্সিলের প্রতিনিধি, পুলিশ ও প্রশাসন মিলে নিশ্চিত করছে। আর হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে তো সন্দেহভাজন আক্রান্ত ব্যক্তির কাছে যেতে হয় না। কয়েক মিটার দূরত্ব নিশ্চিত করলেই হয়। সেক্ষেত্রে পিপিই প্রয়োজন নেই।এই রিপোর্ট প্রকাশের আগেই ছবিটি ফেসবুক থেকে ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে।


    সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/03/26/35068/
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  8. The Following User Says جزاك الله خيرا to Al-Firdaws News For This Useful Post:

    abu mosa (1 Week Ago)

  9. #15
    Media Al-Firdaws News's Avatar
    Join Date
    Sep 2018
    Posts
    3,847
    جزاك الله خيرا
    30
    12,042 Times جزاك الله خيرا in 3,824 Posts
    বাংলাদেশের চিকিৎসকদের নিজেদের টাকায় মাস্ক কেনার আদেশ



    বাংলাদেশে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসাসেবার সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীরা কিছুই পাচ্ছেন না। ডাক্তারদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে আওয়ামী সরকার। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পিপিই(পারসোনাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্ট) যা ডাক্তারদের নিজেদের সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন সেগুলোর সরবরাহই করছে না বাংলাদেশ সরকার। জীবনবাজি রেখে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন চিকিৎসকরা। সরকারি হাসপাতালে ডাক্তারদের নিজেদের টাকা দিয়েই মাস্ক কিনতে বলার নোটিস দেওয়া হয়েছে।

    এমনিভাবে, ঢাকার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ হাসপাতাল কর্মীদের নিজ দায়িত্বে মাস্ক জোগাড়ের জন্য নোটিস জারি করেছে।

    হাসপাতালের পরিচালক এক নোটিসে বলেছেন, সম্পদের স্বল্পতার জন্য হাসপাতালের তরফ থেকে সবাইকে মাস্ক সরবরাহ করা যাচ্ছেনা। এমতাবস্থায় ঝুঁকি এড়ানোর জন্য সকলকে নিজ উদ্যোগে মাস্ক ব্যবহারের জন্য অনুরোধ করা হলো।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে মিটফোর্ড হাসপাতালের একজন চিকিৎসক বিবিসিকে বলেন, ডাক্তার-নার্সদের নিরাপত্তাকে সরকার আদৌ কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে এই নোটিস জারির পর তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

    ঢাকার একাধিক হাসপাতালের চিকিৎসাকর্মীরা বিবিসির সাথে কথা বলার সময় পিপিই (পার্সোনাল প্রোটেকশন ইকুইপমেন্ট) অর্থাৎ নিজেদের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের ঘাটতি নিয়ে অভিযোগ করেছেন।

    আওয়ামী সরকার মুজিব বর্ষ পালনে কোটি কোটি টাকা খরচ করেছে কিন্তু চিকিৎসকদের জন্য পিপিই এর ব্যবস্থাই করতে পারছেনা। ১৬ কোটি জনগনের জন্য মাত্র ২৯ টি আইসিউএর ব্যবস্থা করেছে। করোনা টেস্ট করার জন্য পর্যাপ্ত কিট জোগাড় করতেই পারেনি। জনগনের জীবনের কোনো মূল্যে যেনো সরকারের কাছে নেই।

    এছাড়াও ভারতে সাধারণ মানুষের জন্য ত্রাণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। আওয়ামী সরকার ত্রাণ দেওয়া তো দূরের কথা, খাবার কিনতে ঘর থেকে বের হওয়া মানুষদের পুলিশ বাহিনী দিয়ে পিটিয়ে ঘরে ফেরত পাঠাচ্ছে। বাজারে খাদ্যদ্রব্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাচ্ছে। ক্ষুধার্ত,আতংকিত জনগনের হাতে খাদ্যদ্রব্য পৌঁছানোর জন্য আওয়ামী সরকারের কোনো কার্যক্রম এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি। সারা বাংলায় করোনা ভাইরাসের চাইতেও আওয়ামী সরকারের এসকল অব্যবস্থাপনাই সাধারণ জনগণের কাছে বেশী আতংকের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।


    সূত্র: https://alfirdaws.org/2020/03/26/35073/
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  10. The Following User Says جزاك الله خيرا to Al-Firdaws News For This Useful Post:

    abu mosa (1 Week Ago)

  11. #16
    Senior Member abu mosa's Avatar
    Join Date
    May 2018
    Posts
    1,674
    جزاك الله خيرا
    9,660
    2,295 Times جزاك الله خيرا in 1,122 Posts
    হে আল্লাহ আপনি মুসলমানদেরকে হেফাজত করুন,আমিন।
    হয়তো শরিয়াহ, নয়তো শাহাদাহ,,

Similar Threads

  1. Replies: 5
    Last Post: 08-29-2019, 01:25 PM
  2. Replies: 7
    Last Post: 08-27-2019, 01:23 PM
  3. Replies: 3
    Last Post: 08-25-2019, 02:31 PM
  4. Replies: 3
    Last Post: 07-25-2019, 10:28 PM
  5. Replies: 11
    Last Post: 06-24-2019, 02:03 PM

Posting Permissions

  • You may not post new threads
  • You may not post replies
  • You may not post attachments
  • You may not edit your posts
  •