Results 1 to 4 of 4
  1. #1
    Member Khairuddin Barbarossa's Avatar
    Join Date
    May 2020
    Location
    Al Hind
    Posts
    31
    جزاك الله خيرا
    97
    99 Times جزاك الله خيرا in 24 Posts

    প্রশ্ন আকীদাগত একটি জরুরী মাস'আলার জবাব চাচ্ছিঃ ভাইসকল দয়া করে জানাবেন

    আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ, ভাইসকল,
    আমি এই ফোরামে নতুন জয়েন করেছি,


    আমাদের দেশের বর্তমান আদালতগুলোতে বিচার চাওয়া কি শিরকের অন্তর্ভুক্ত হবে?
    আর শিরক হলে, নিজের বাড়িতে চুরি ডাকাতি হলে কিংবা পরিচিত কাউকে যদি দুর্বৃত্তরা অপহরণ বা মারধর করে থাকে,অথবা কারো কাছ থেকে আর্থিক প্রতারণার সম্মুখীন হলে থানায় জিডি করা,
    পুলিশকে জানানো ইত্যাদি কি জায়েয হবে?


    আশা করছি ভাইয়েরা সঠিক উত্তরটি দ্রুত জানাবেন,ইংশা আল্লাহ

  2. The Following 3 Users Say جزاك الله خيرا to Khairuddin Barbarossa For This Useful Post:

    বদর মানসুর (06-07-2020),মারজান (05-10-2020),Munshi Abdur Rahman (2 Weeks Ago)

  3. #2
    Senior Member salahuddin aiubi's Avatar
    Join Date
    Oct 2015
    Posts
    951
    جزاك الله خيرا
    0
    1,928 Times جزاك الله خيرا in 686 Posts
    ১- অনন্যোপায় হওয়া ছাড়া জায়েয হবে না।
    ২- যার বিরদ্ধে মামলা করবেন, তার ব্যাপারে সরকারি শাস্তিটি ইসলামি শাস্তির চেয়ে বেশি না হওয়া।
    ৩- মামলার কারণে কুফরি শাসনব্যবস্থার পক্ষ থেকে তার উপর এমন কিছু না হওয়া, যেটা ইসলামের দৃষ্টিতে জুলুম বলে বিবেচিত।
    ৪- মামলায় মিথ্যা বলা থেকে মুক্ত থাকা। সরকারি আইনকে সম্মান করা ও আইন হিসাবে মেনে নেওয়া থেকে মুক্ত থাকা।

    এ সমস্ত শর্তগুলো পাওয়া গেলে যেতে পারেন। তবে না গিযে থাকতে পারাটাই ভালো।
    আর ইসলামি আদালত বা সালিশ থাকলে অথবা যেকোন ইসলামি উপায়ে হক উসূল করার কোন সম্ভাবনা থাকলে তো কখনোই ওখানে যাওয়া জায়েয হবে না।
    ওয়াল্লাহু আ’লাম।

  4. The Following 4 Users Say جزاك الله خيرا to salahuddin aiubi For This Useful Post:


  5. #3
    Senior Member
    Join Date
    Feb 2019
    Posts
    315
    جزاك الله خيرا
    398
    1,218 Times جزاك الله خيرا in 288 Posts
    যারা কুরআন-সুন্নাহর বিধান অনুযায়ী ফয়সালা করে না তাদের নিকট বিচার নিয়ে যাওয়া বা তাদের বিচার-ফয়সালা মেনে নেওয়া স্পষ্ট কুফরী। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন,

    فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُؤْمِنُونَ حَتَّى يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ لَا يَجِدُوا فِي أَنْفُسِهِمْ حَرَجًا مِمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوا تَسْلِيمًا.
    –سورة النساء: 65

    “এতএব, তোমার পালনকর্তার কসম, সে লোক ঈমানদার হবে না, যতক্ষণ না তাদের মধ্যে সৃষ্ট বিবাদের ব্যাপারে তোমাকে ন্যায়বিচারক মনে না করে! অতঃপর তোমার মীমাংসার ব্যাপারে নিজের মনে কোন রকম সংকীর্ণতা পাবে না এবং তা সন্তুষ্টিচিত্তে কবূল করে নেবে।” –সূরা নিসা: ৬৫

    যেহেতু বর্তমান আদালতগুলো কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী বিচার করে না তাই তাদের নিকট বিচার নিয়ে যাওয়াও হারাম। তবে যেহেতু বর্তমানে ইসলামী আদালত নেই তাই একান্ত প্রয়োজনে নিরুপায় হয়ে শুধু যুলুম দফা করা ও নিজের হক উদ্ধার করার জন্যে এসব আদালতে যাওয়া কিছু শর্ত সাপেক্ষে বৈধ।

    আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন,
    وقَالَ لِلَّذِي ظَنَّ أَنَّهُ نَاجٍ مِنْهُمَا اذْكُرْنِي عِنْدَ رَبِّكَ فَأَنْسَاهُ الشَّيْطَانُ ذِكْرَ رَبِّهِ فَلَبِثَ فِي السِّجْنِ بِضْعَ سِنِينَ. -سورة يوسف:42

    “সেই দু’জনের মধ্যে যার সম্পর্কে তার ধারণা ছিল যে, সে মুক্তি পাবে, তাকে ইউসুফ বলে দিল, নিজ প্রভুর কাছে আমার কথা বলো। কিন্তু শয়তান তাকে নিজ প্রভুর কাছে ইউসুফের বিষয়ে বলার কথা ভুলিয়ে দিল। ফলে তাঁকে কয়েক বছর কারাগারে থাকতে হল।” -ইউসুফ: ৪২

    উক্ত আয়াতের অধীনে আল্লামা জামালুদ্দিন কাসেমী রহ. (১৩৩২হি.) বলেন,

    دلت الآية على جواز الاستعانة بمن هو مظنة كشف الغمة، ولو مشركا

    “আয়াতটি এমন ব্যক্তির নিকট সাহায্য চাওয়ার বৈধতা প্রমাণ করে, যার মাধ্যমে বিপদ মুক্তির আশা করা যায়, যদিও সে মুশরিক হয়। -মাহাসিনুত তাবীল: ৬/১৭৯

    আর আপনি যে বিষয়গুলো উল্লেখ করেছেন, অর্থাৎ বাড়িতে চুরি ডাকাতি হলে কিংবা পরিচিত কাউকে যদি দুর্বৃত্তরা অপহরণ বা মারধর করে থাকে, অথবা কারো কাছ থেকে আর্থিক প্রতারণার সম্মুখীন হলে থানায় জিডি করা, পুলিশকে জানানো, এগুলো তো বিচারপ্রার্থনার অন্তুর্ভুক্তই নয়। বরং এগুলো হলো, জুলুম দূর করার জন্য কাফের-মুরতাদের সহায়তা কামনা। তো এটা জায়েয হওয়া আরো সুস্পষ্ট। তবে যদি তারা আপনার হক উদ্ধার করতে গিয়ে জালেমের উপরই জুলুম করে বসে, জরিমানা ইত্যাদি বাবদ আপনাকে আপনার হকের চেয়ে অতিরিক্ত প্রদান করতে জালেমকে বাধ্য করে, তবে আপনার জন্য তা গ্রহণ করা জায়েয হবে না।

    অবশ্য মুরতাদদের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করার জন্য এসব বিষয়েও যথাসম্ভব ওদের থেকে দূরে থাকাই উত্তম। বিশেষকরে যখন অভিজ্ঞতার মাধ্যমে এটা জানা গেছে যে, ওরা মাজলূমকে সহায়তা খুব কমই করে। বরং বেশিরভাগ সময় উভয় পক্ষকে চাপ দিয়ে, ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করে। জালেমের দেয়া ঘুষ খেয়ে মজলূমের উপর আরো জুলুম করে।


    শায়েখ আব্দুল্লাহ আযযাম রহিমাহুল্লাহ বলেন,:-

    الناس الذين يذهبون إلى المحاكم ليتحاكموا إلى محاكم لا تحكم بما أنزل الله إذا كانوا مضطرين لتخليص حقوقهم أو لصيانة دمائهم أو أعراضهم فالله أعلم نرجو الله أن لا يكون عليهم حرجا , نرجو الله عز وجل. -في ظلال سورة التوبة 2/53

    “যারা নিজেদের হক উদ্ধার কিংবা জান-মান বাঁচানোর জন্য মানবরচিত বিধান দ্বারা পরিচালিত আদালতে যেতে বাধ্য হয়, আশা করি তাদের কোন গুনাহ হবে না। -ফি যিলালি সূরাতিত তাওবা, ২/৫৩

    শায়েখ সালেহ আলমুনাজ্জিদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত দ্বীনী প্রশ্নোত্তরের সাইট ‘আলইসলাম সুওয়াল ও জওয়াব’ এর একটি ফতোয়া:-

    من اضطر إلى التحاكم إلى القوانين الوضعية، لدفع ظلم أو استرداد حق، جاز له ذلك بشروط :
    الأول : ألا يمكنه الوصول إلى حقه إلا بهذا الطريق .
    الثاني : أن يكون كارها مبغضا لهذا التحاكم .
    الثالث : ألا يأخذ أكثر من حقه، ولو قضى به القانون .

    “জুলুম হতে মুক্তি কিংবা নিজের হক উদ্ধারের জন্য কোন ব্যক্তি মানবরচিত বিধান দ্বারা পরিচালিত আদালতে বিচার প্রার্থনা করতে বাধ্য হলে তিনটি শর্তে তা জায়েয হবে,
    ১. মানবরচিত আদালতের স্মরণাপন্ন হওয়া ব্যতীত অন্য কোন ভাবে নিজের হক উসূল করা অসম্ভব হতে হবে।
    ২. অন্তর হতে এই বিচার দায়ের করাকে ঘৃণা করতে হবে।
    ৩. নিজের হকের চেয়ে অতিরিক্ত কিছু সে গ্রহণ করবে না, যদিও আদালত সেই ব্যাপারে রায় প্রদান করে।”
    -ফতোয়া নং: ৯২৬৫০


    শায়েখ আবু মুহাম্মদ মাকদিসী হাফিযাহুল্লাহ বলেন:-

    وقد حوكمنا مأسورين معتقلين في قضايا وتهم وجهت إلينا قد يبلغ حكم بعضها إلى الإعدام، فهدانا الله بفضله وثبتنا؛ فلم نرتض توكيل محامين عن أنفسنا، لعلمنا أنهم لن يتحاكموا في الدفاع عنا إلا إلى قوانين الكفر، وأن أكثرهم لا يتورعون من تبجيل محاكمها أو وصف قضائها بالنزاهة وأحكامها بالعدالة - فنسأل الله القبول وحسن الختام-.وبذلك نفتي الناس دوماً ونحثهم على أن يجتنبوا الطواغيت وقوانينهم وأن لا يتحاكموا إلى محاكمهم ولو ذهبت دنياهم كلها ... إلا أن يقادوا إليها معتقلين مقيّدين، فيحاكموا، قهرا فيدفعوا عن أنفسهم، ولا يتحاكموا أو يحتكموا هم إليها ..
    لكننا مع هذا نعرف أن أحوال الناس تختلف، وإمكاناتهم تتفاوت في ظل ما هم فيه من استضعاف، وفي ظل غياب حكم الشريعة وسلطانها: فلا يمكن إلزام كل أحد بالأخذ بالعزيمة في كل الظروف. ودين الله لم يضع الحلول والأحكام والشرائع للأقوياء فقط، بل رفع الحرج عن الأمة عموماً وراعى ظروف الضعفاء، فلم يكلف نفساً إلا وسعها، وأباح المحظورات في الضرورات، ورخص بقول الكفر أو فعله في الإكراه مادام القلب مطمئنا بالإيمان.
    وأولوا العزم أنفسهم قد يضطرون في بعض الظروف القاهرة إلى ما يتركونه ويأبونه ويجتنبونه في غيرها ... والمسألة ليست دائما مسألة حقوق أو دنيا يتنازل عنها المرء أو يتركها لله عصمة لدينه ... بل قد ينال أحدهم في عرضه و يصال على أهله، فالمتتبع لإفرازات هذه المجتمعات الخبيثة في ظل تعطيل أحكام الله تعالى وحدوده المطهرة، يرى من القضايا والجرائم، خصوصاً منها ما يتعلق بالتعدي على الأعراض والأنفس، ما لا سعة للناس في التنازل عنه أو الإعراض والسكوت ......
    خاصة وأن صورة سبب نزول قوله تعالى: ((ألم تر إلى الذين يزعمون أنهم آمنوا بما أنزل إليك وما أنزل من قبلك يريدون أن يتحاكموا إلى الطاغوت وقد أمروا أن يكفروا به ويريد الشيطان أن يضلهم ضلالاً بعيدا*وإذا قيل لهم تعالوا إلى ما أنزل الله وإلى الرسول رأيت المنافقين يصدون عنك صدودا)) (النساء: 60 - 61). هي صورة غير هذا الذي نتكلم فيه -في ظل عدم وجود سلطان لحكم الله-.
    فهذه الآيات نزلت في وقت كان لحكم الله فيه دولة وسلطان، وأعدل الخلق بين ظهراني الناس ينصف المظلوم، ويأطر الظالم على الحق، ويعطي كل ذي حق حقه ... كما هو بين من قوله تعالى ((وإذا قيل لهم تعالوا إلى ما أنزل الله وإلى الرسول)) ... ومع هذا يُعرض هؤلاء المذكورون في الآيات ويصدون عن حكمة مختارين التحاكم إلى الطواغيت وأحكامهم، سواءً كانوا كهاناً أم يهوداً أم غيرهم، ليحكموا لهم بحسب أهوائهم، وبحسب ما يشتهون ......
    أما مجرد لجوء المسلم في الضرورات إلى كافر يحميه أو يجيره أو يرد مظلمته وينصره من كافر آخر، أو لدفع صائل فاجر لا يردعه ولا يرهبه إلا ذلك، في ظل عدم وجود سلطان وشوكة لشرع الله فليس هو أصلا من التحاكم في شيء.

    “আমাদের উপর উত্থাপিত কিছু অভিযোগের কারণে আমাদেরকে বন্দী করে আদালতে পেশ করা হয়, যে অভিযোগগুলোর কোনটির শাস্তি মৃত্যুদন্ডও হতে পারে। তখন আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে নিজ অনুগ্রহে পথপ্রদর্শন করেন এবং আমাদের দৃঢ়পদ রাখেন। তাই আমরা নিজেদের পক্ষে উকিল নিয়োগ করতে রাজী হইনি। কেননা আমরা জানি, তারা আমাদের বাঁচানোর জন্য কুফরী আইন-কানুনের নিকটই বিচার প্রার্থনা করবে এবং তাদের অধিকাংশই কুফরী আদালত ও তার বিচারকদের সম্মান প্রদর্শন করতে ও ন্যায়পরায়ন বলতে দ্বিধা করবে না। আমরা আল্লাহ তায়ালার নিকট আমাদের আমল কবুল হওয়া এবং শুভ পরিণতি প্রার্থনা করি।

    আমরা মানুষকে সর্বদা এমন ফতোয়াই দেই এবং তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করি তাগুত ও তাদের কানুন হতে বেঁচে থাকার জন্য, যদিও এতে তাদের পুরো দুনিয়াই চলে যায়। তবে যদি তাদেরকে বন্দী করে জোরপূর্বক আদালতে পেশ করা হয়, তখন তারা আত্মরক্ষা করবে, কিন্তু মানবরচিত বিধানের নিকট ফয়সালা প্রার্থনা করবে না।

    তথাপিও আমরা জানি, মানুষের অবস্থা ভিন্ন ভিন্ন হয় এবং তাদের দূর্বলতা ও শরয়ী শাসন না থাকার কারণে সকলের সক্ষমতাও সমান হয় না। তাই সকলকে সব ধরণের পরিস্থিতিতে আযীমতের উপর আমল করতে বাধ্য করা সংগত নয়। আর আল্লাহর দ্বীন শুধু শক্তিশালী মযবুত ইমানের লোকদের জন্য বিধান দান করেনি। বরং পুরো উম্মত থেকে কষ্টকর বিধান রহিত করেছে এবং দূর্বলদের অবস্থা বিবেচনা করেছে। সাধ্যের বাহিরে কাউকে কোন দ্বায়িত্ব দেয়নি। …. বাধ্য করা হলে কুফরী কথা ও কাজ করার অনুমতি প্রদান করেছে যদি অন্তর ইমানে অবিচল থাকে।

    মযবুত ইমানের লোকেরাও কখনো পরিস্থিতির শিকার হয়ে এমন কাজ করতে বাধ্য হন যা তারা স্বাভাবিক অবস্থায় করতে অপছন্দ করেন এবং তা থেকে বেঁচে থাকেন। সবসময় বিষয়টি দুনিয়াবী কোন অধিকারের বিষয় হয় না মানুষ যা আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নিজেদ দ্বীনের সুরক্ষায় ছেড়ে দিবে। বরং কখনো কারো ইজ্জত নষ্ট করা হয় এবং তার পরিবারের উপর আক্রমন করা হয়। মানবরচিত বিধানের ছায়ায় বসবাসকারী এ নষ্ট সমাজগুলোর অন্যায়-অপরাধ, বিশেষকরে ইজ্জত ও জানের উপর আক্রমন সম্পৃক্ত অপরাধগুলোর অনেকগুলোই এমন যা ছেড়ে দেয়া, তা থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখা এবং চুপ থাকা সম্ভব হয় না। ……

    তাছাড়া যখন তাগুতের নিকট বিচার প্রার্থনার ব্যাপারে উপরোক্ত আয়াতটি অবতীর্ণ হয়, তখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন ছিল। তখন ইসলামী হুকুমত কায়েম ছিল। পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে ন্যায়পরায়ন ব্যক্তি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানুষের মাঝে উপস্থিত ছিলেন। তিনি মাযলূমের হক উদ্ধার করে দিতেন। জালেমকে জোরপূর্বক হকের উপর নিয়ে আসতেন। প্রত্যেককে তার প্রাপ্য প্রদান করতেন। এরপরও আয়াতে উল্লিখিত ব্যক্তিরা তার হুকুম থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং স্বেচ্ছায় তাগুত ও তাদের বিধানাবলীর নিকট বিচার প্রার্থনা করে। চাই সে তাগুতরা গণক হোক বা ইহুদী। যেন তারা তাদের প্রবৃত্তি অনুযায়ী ফয়সালা করে। ……..

    পক্ষান্তরে ইসলামী হুকুমত না থাকার কারণে অনন্যপায় হয়ে কোন কাফেরের আশ্রয় গ্রহণ করা, যে তাকে রক্ষা করবে কিংবা নিরাপত্তা দিবে কিংবা জুলুম হতে বাঁচাবে অথবা অন্য কোন কাফেরের বিপক্ষে তাকে সাহায্য করবে, কিংবা কোন ফাসেকের অনিষ্ট হতে তাকে তা রক্ষা করবে, এ বিষয়গুলো তাগুতের নিকট বিচার প্রার্থনার অন্তর্ভুক্ত নয়।”


    এরপর তিনি দলিলস্বরুপ ইউসুফ আলাইহিস সালাম এর ঘটনা সহ আরো কিছু ঘটনা তুলে ধরে বলেন,

    فيظهر من هذا كله أن لا حرج على الموحد أصلا في مثله.

    “এ ঘটনাগুলো প্রমাণ করে তাওহিদবাদী মুমিনের জন্য এ ধরণের বিষয়াদীতে কোন সমস্যা নেই।” -আররিসালাতুছ ছালাসিনিয়্যাহ, পৃ: ১-৩৮৫


  6. The Following 7 Users Say جزاك الله خيرا to আদনানমারুফ For This Useful Post:

    কালো পতাকাবাহী (2 Weeks Ago),বদর মানসুর (06-07-2020),মারজান (05-10-2020),Khairuddin Barbarossa (05-10-2020),Muhammad Jainul Abedin (2 Weeks Ago),Munshi Abdur Rahman (2 Weeks Ago),nu'aim (06-04-2020)

  7. #4
    Senior Member salman rumi's Avatar
    Join Date
    Feb 2018
    Posts
    271
    جزاك الله خيرا
    146
    553 Times جزاك الله خيرا in 219 Posts
    ما شاء الله يا اخي الحبيب عدنان المعروف!
    قدمت لنا وللسائل ما يشفي به العليل
    لله درك

  8. The Following 5 Users Say جزاك الله خيرا to salman rumi For This Useful Post:


Similar Threads

  1. Replies: 7
    Last Post: 05-10-2020, 12:26 PM
  2. গভীর খেয়াল রাখুনঃ বিজয় চলছেই!!
    By mumtahina07 in forum সাধারণ সংবাদ
    Replies: 7
    Last Post: 09-22-2018, 05:44 PM
  3. ভাইদের সহযোগীতা চাচ্ছি...
    By shinai in forum তথ্য প্রযুক্তি
    Replies: 2
    Last Post: 12-19-2015, 08:18 PM
  4. Replies: 1
    Last Post: 10-20-2015, 02:45 AM
  5. Replies: 1
    Last Post: 09-03-2015, 07:40 AM

Posting Permissions

  • You may not post new threads
  • You may not post replies
  • You may not post attachments
  • You may not edit your posts
  •