Announcement

Collapse
No announcement yet.

কোথাও চাঁদ দেখা গেলে সেই চাঁদ দেখার সংবাদ কতটুকু এলাকার জন্য প্রযোজ্য ?

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • কোথাও চাঁদ দেখা গেলে সেই চাঁদ দেখার সংবাদ কতটুকু এলাকার জন্য প্রযোজ্য ?

    আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু
    প্রিয় শায়েখ
    আমার জানার বিষয় হল :
    ১. কোথাও চাঁদ দেখা গেলে সেই চাঁদ দেখার সংবাদ কতটুকু এলাকার জন্য প্রযোজ্য ?
    ২. আরাফার দিনের রোজা আমরা কবে রাখব ? আরাফার এলাকায় আরাফার দিনে নাকি আমাদের দেশের জিলহজ্জের ৯তারিখ ?
    এসো জিহাদ শিখি

  • #2
    ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ.
    ২. আরাফার দিনের রোজা আমরা কবে রাখব ? আরাফার এলাকায় আরাফার দিনে নাকি আমাদের দেশের জিলহজ্জের ৯তারিখ
    ?
    নয় যিলহজ্বের রোযার ফযীলত সম্পর্কে আবু কাতাদা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-

    صِيَامُ يَوْمِ عَرَفَةَ، أَحْتَسِبُ عَلَى اللهِ أَنْ يُكَفِّرَ السّنَةَ الّتِي قَبْلَهُ، وَالسّنَةَ الّتِي بَعْدَهُ.

    আরাফার দিনের (নয় যিলহজ্বের) রোযার বিষয়ে আমি আল্লাহর কাছে প্রত্যাশা করি যে, (এর দ্বারা) আগের এক বছরের এবং পরের এক বছরের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিবেন। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ১১৬২

    প্রকাশ থাকে যে, উক্ত হাদীসে বর্ণিত ইয়াওমে আরাফা দ্বারা যিলহজ্বের নয় তারিখ উদ্দেশ্য। এই তারিখের পারিভাষিক নাম হচ্ছে ইয়াওমে আরাফা। কেননা এই রোযা আরাফার ময়দানের আমল নয় বরং আরাফার দিন তো হাজ্বীদের জন্য রোযা না রাখাই মুস্তাহাব। হাদীস শরীফে এসেছে-

    عَنْ أُمِّ الْفَضْلِ بِنْتِ الْحَارِثِ،أَنّ نَاسًا تَمَارَوْا عِنْدَهَا يَوْمَ عَرَفَةَ، فِي صِيَامِ رَسُولِ اللهِ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ، فَقَالَ بَعْضُهُمْ: هُوَ صَائِمٌ، وَقَالَ بَعْضُهُمْ: لَيْسَ بِصَائِمٍ، فَأَرْسَلْتُ إِلَيْهِ بِقَدَحِ لَبَنٍ، وَهُوَ وَاقِفٌ عَلَى بَعِيرِهِ بِعَرَفَةَ، فَشَرِبَهُ.

    উম্মুল ফযল বিনতে হারেছ বলেন, তার নিকট কতক লোক ইয়াওমে আরাফায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রোযার ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করছিল। কেউ কেউ বলছিল, তিনি রোযা আছেন। আর কেউ কেউ বলছিল, তিনি রোযা নেই। উম্মুল ফযল একটি পেয়ালাতে দুধ পাঠালেন। নবীজী তখন উটের উপর ছিলেন। তিনি দুধ পান করলেন। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ১১২৩

    আরাফার দিন আল্লাহর রাসূল রোযা রাখেননি। একারণে ফকীহগণ হাজ্বীদের জন্য আরাফার দিন রোযা না রাখা উত্তম বলেছেন। আবু কাতাদা রা.-এর হাদীস দ্বারা ইয়াওমে আরাফায় রোযা রাখা মুস্তাহাব প্রমাণিত হয়। সুতরাং বুঝা গেল, আবু কাতাদাহ রা.-এর হাদীসে ‘ইয়াওমে আরাফা’ দ্বারা নয় যিলহজ্ব অর্থাৎ ঈদের আগের দিনই উদ্দেশ্য। সুতরাং আমাদের দেশের চাঁদের হিসেবে যেদিন নয় তারিখ হয় সেদিনই রোযা রাখা হবে। সৌদির হিসাবে আরাফার দিন অনুযায়ী নয়। উল্লেখ্য, তাকবীরে তাশরীক সংক্রান্ত হাদীসেও ইয়াওমে আরাফা দ্বারা নয় যিলহজ্বই উদ্দেশ্য। কেননা এ আমলও আরাফার সাথে নির্দিষ্ট কোনো আমল নয়।
    এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য দেখুন,
    https://www.alkawsar.com/bn/article/817/
    Last edited by Munshi Abdur Rahman; 07-24-2020, 05:57 AM.
    “ধৈর্যশীল সতর্ক ব্যক্তিরাই লড়াইয়ের জন্য উপযুক্ত।”-শাইখ উসামা বিন লাদেন রহ.

    Comment


    • #3
      কোন ভাই যদি মেহেরবানী করে আমার প্রথম প্রশ্ন অর্থাৎ ‘কোথাও চাঁদ দেখা গেলে সেই চাঁদ দেখার সংবাদ কতটুকু এলাকার জন্য প্রযোজ্য ?’ এই প্রশ্নের উত্তর দলিলসহ দিতেন উপকৃত হতাম।
      এসো জিহাদ শিখি

      Comment


      • #4
        ১. কোথাও চাঁদ দেখা গেলে সেই চাঁদ দেখার সংবাদ কতটুকু এলাকার জন্য প্রযোজ্য ?
        সংখ্যাগরিষ্ঠ আলেমদের মতে দূরবর্তী কোন দেশ বা অঞ্চলে চাঁদ দেখা গেলে সে অনুযায়ী আমল করা যাবে না। বরং প্রত্যেক অঞ্চলের লোক নিজ নিজ অঞ্চলের চাঁদ দেখা অনুযায়ী সিয়াম পালন করবে। হাঁ, যদি (শরিয়তের দৃষ্টিতে) নির্ভরযোগ্য কোন সূত্রে নিকটবর্তী অঞ্চল হতে চাঁদ দেখার সংবাদ এসে যায় তবে সে অনুযায়ী সিয়াম পালন করবে।

        আর নিকটবর্তী হওয়ার মাপদন্ড হলো, যে দুই স্থানের মাঝে দুরত্ব এত কম যে, একস্থানে চাদ দেখা গেলে সাধারণত অন্য স্থানেও চাঁদ দেখা যায়।

        সুতরাং কোথাও চাঁদ দেখা গেলে সেই চাঁদ দেখার সংবাদ নিকটবর্তী এলাকার জন্য প্রযোজ্য হবে, দূরবর্তী এলাকার জন্য নয়। সৌদি বা পাকিস্তানে চাঁদ দেখা গেলে তা বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য হবে না। কেননা সৌদি ও পাকিস্তানের সাথে বাংলাদেশের চাঁদের পার্থক্য হয়ে থাকে। তাই তা আমাদের থেকে দূরবর্তী অঞ্চল। যেমনিভাবে মদীনা থেকে শাম দূরবর্তী হওয়ার কারণে ইবনে আব্বাস রাযি. শামের চাঁদ দেখার উপর আমল করেননি। সহিহ মুসলিম সহ অন্যান্য প্রসিদ্ধ হাদিসগ্রন্থে নিম্নোক্ত হাদিসটি বর্ণিত হয়েছে,

        عن كريب، أن أم الفضل بنت الحارث، بعثته إلى معاوية بالشام، قال: فقدمت الشام، فقضيت حاجتها، واستهل علي رمضان وأنا بالشام، فرأيت الهلال ليلة الجمعة، ثم قدمت المدينة في آخر الشهر، فسألني عبد الله بن عباس رضي الله عنهما، ثم ذكر الهلال فقال: متى رأيتم الهلال؟ فقلت: رأيناه ليلة الجمعة، فقال: أنت رأيته؟ فقلت: نعم، ورآه الناس، وصاموا وصام معاوية، فقال: " لكنا رأيناه ليلة السبت، فلا نزال نصوم حتى نكمل ثلاثين، أو نراه، فقلت: أو لا تكتفي برؤية معاوية وصيامه؟ فقال: لا، هكذا أمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم. (صحيح مسلم: 1087)

        “কুরাইব রহ. থেকে বর্ণিত, উম্মুল ফযল বিনতুল হারিছ তাকে (কোনো কাজে) মুয়াবিয়া রা.-এর কাছে শামে পাঠান। কুরাইব বলেন, আমি শামে এসে তাঁর কাজ সমাপ্ত করলাম। আমি শামে থাকাবস্থায় রমযানের চাঁদ দেখা গেল এবং জুমার রাতে (বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে) আমি চাঁদ দেখতে পেলাম। অতঃপর মাসের শেষের দিকে আমি মদীনায় ফিরে আসলাম। তখন আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, তোমরা কবে চাঁদ দেখেছ? আমি বললাম, জুমা-রাতে। ইবনে আব্বাস রা. জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি নিজে দেখেছ? আমি বললাম, হাঁ, আমিও দেখেছি, অন্যরাও দেখেছেন। সবাই রোযা রেখেছেন। মুয়াবিয়া রা. -ও (ঐ সময়ের আমীরুল মুমিনীন) রোযা রেখেছেন। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বললেন, কিন্তু আমরা তো শনিবার রাতে (শুক্রবার দিবাগত রাতে) চাঁদ দেখেছি। অতএব আমরা আমাদের হিসাবমত ত্রিশ রোযা পুরো করবো, তবে যদি (২৯ তারিখ দিবাগত রাতে) চাঁদ দেখি সেটা আলাদা কথা। আমি বললাম, আপনি কি মুয়াবিয়া রা. -এর চাঁদ দেখা ও রোযা রাখাকে যথেষ্ট মনে করবেন না? আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বললেন, না, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে এ আদেশই করেছেন।” -সহীহ মুসলিম ১০৮৭; মুসনাদে আহমদ, হাদীস : ২৭৮৯; জামে তিরমিযী, হাদীস : ২৩৩২; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস : ৬৯৩; সুনানে নাসায়ী, হাদীস : ২১১১

        এই হাদীস বর্ণনার পর ইমাম তিরমিযী রহ. লেখেন,

        حديث ابن عباس حديث حسن صحيح غريب، والعمل على هذا الحديث عند أهل العلم أن لكل أهل بلد رؤيتهم.

        “ইবনে আব্বাস রা.-এর উপরোক্ত হাদীস ‘সহীহ’ এবং আহলে ইলমের (ফকীহ ও মুহাদ্দিসগণের) আমলও এটাই যে, প্রত্যেক শহরবাসীর জন্য নিজেদের দেখাই গ্রহণযোগ্য।” -জামে তিরমিযী ২/২৩২, হাদীস : ৭০২ -এর অধীনে।

        ফিকহ ও হাদীসের ইমাম আল্লামা আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে উমর আলকুরতুবী (৫৭৮-৬৫৬ হি.) উপরোক্ত হাদীসের ব্যাখ্যায় বলেন,

        وقول ابن عباس: (فلا نزال نصوم حتى نكمل ثلاثين أو نراه)، ثم قال في آخره: (هكذا أمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم)؛ كلمة تصريح برفع ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم وبأمره به، فهو حجة على أن البلاد إذا تباعدت كتباعد الشام من الحجاز أو ما قارب ذلك، فالواجب على أهل كل بلد أن تعمل على رؤيته دون رؤية غيره .......... وحكى أبو عمر بن عبد البر: الإجماع على أنه لا تراعى الرؤية فيما بَعُد من البلدان كالأندلس من خراسان، قال: ولكل بلد رؤيتهم، إلا ما كان كالمصر الكبير، وما تقاربت أقطاره من بلدان المسلمين. (المفهم لما أشكل من تلخيص كتاب مسلم: 3/142 دار ابن كثير، دمشق – بيروت الطبعة: الأولى، 1417 هـ).

        “আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. -এর এ বাণী- ‘অতএব আমরা আমাদের হিসাবমত ত্রিশ রোযা পুরো করবো’ এবং হাদিসের শেষাংশে তাঁর বাণী- ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে এরূপ আদেশ করেছেন’ হতে উক্ত বিষয়টি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদীস ও তাঁর নির্দেশ হওয়া সুস্পষ্ট।’ সুতরাং এ হাদীস দলিল যে, যেসব শহর শাম ও হিজাযের মতো দূরে দূরে অবস্থিত সেখানে প্রত্যেককে নিজ নিজ চাঁদ দেখা অনুসারে আমল করা চাই, ……… ইবনে আবদুল বার রহ. এ বিষয়ে ইজমা নকল করেছেন যে, অনেক বেশি দূরের শহর-নগরে, যেমন আন্দালুস থেকে খোরাসান, এক জায়গার চাঁদ দেখা অন্য জায়গায় ধর্তব্য হবে না। বরং প্রত্যেক অঞ্চলের লোক নিজেদের চাঁদ দেখা অনুযায়ী আমল করবে। তবে বড় শহর এবং এমন শহর-নগর, যা একে অপর থেকে খুব বেশি দূরে নয়, (তার অধিবাসীরা নিকটবর্তী অঞ্চলের লোকদের চাঁদ দেখা অনুযায়ী আমল করবে)। -আলমুফহিম, ৩/১৪২

        عن ربعى بن حراش عن رجل من أصحاب النبي -صلى الله عليه وسلم-، قال: اختلف الناس في آخر يوم من رمضان، فقدم أعرابيان فشهدا عند النبي -صلى الله عليه وسلم- بالله لأهلا الهلال أمس عشية، فأمر رسول الله -صلى الله عليه وسلم- الناس أن يفطروا، زاد خلف في حديثه: وأن يغدوا إلى مصلاهم. رواه أبو داود (2339)
        حدثنا ابن إدريس، عن عبد الله بن سعيد، قال: ذكروا بالمدينة رؤية الهلال وقالوا: إن أهل إستارة قد رأوه، فقال القاسم وسالم: ما لنا ولأهل إستارة. رواه ابن أبي شيبة (9658) وقال الشيخ عوامة: (إستارة: قرية بين الحرمين الشريفين ما تزال قائمة، تُعرف باسم: «وادي ستارة» وهي إلى مكة أقرب، بينهما نحو 180 كم).
        وقال الإمام برهان الدين المرغيناني في التجنيس والمزيد (2/423 ط. إدارة القرآن)
        ولو أن أهل بلدة صاموا للرؤية ثلاثين يوما، وأهل بلدة صاموا تسعة وعشرين يوما للرؤية، فلعم من صام تسعا وعشرين يوما، فعليهم قضاء يوم، لأن الذين صاموا ثلاثين يوما رأو الهلال قبلهم بليلة، والعمل بقول من رأى، لا بقول من لم ير، وهذا إذا كان بين البلدين تقارب بحيث لا تختلف المطالع، فإن كان يختلف لا يلزم أحد البلدين حكم الآخر.
        قال الإمام الكاساني (م: 587) في بدائع الصنائع (2/83 ط. دار الكتب العلمية) :
        ولو صام أهل بلد ثلاثين يوما وصام أهل بلد آخر تسعة وعشرين يوما فإن كان صوم أهل ذلك البلد برؤية الهلال وثبت ذلك عند قاضيهم، أو عدوا شعبان ثلاثين يوما ثم صاموا رمضان فعلى أهل البلد الآخر قضاء يوم لأنهم أفطروا يوما من رمضان لثبوت الرمضانية برؤية أهل ذلك البلد، وعدم رؤية أهل البلد لا يقدح في رؤية أولئك، إذ العدم لا يعارض الوجود، وإن كان صوم أهل ذلك البلد بغير رؤية هلال رمضان أو لم تثبت الرؤية عند قاضيهم ولا عدوا شعبان ثلاثين يوما فقد أساءوا حيث تقدموا رمضان بصوم يوم.
        وليس على أهل البلد الآخر قضاؤه لما ذكرنا أن الشهر قد يكون ثلاثين وقد يكون تسعة وعشرين، هذا إذا كانت المسافة بين البلدين قريبة لا تختلف فيها المطالع، فأما إذا كانت بعيدة فلا يلزم أحد البلدين حكم الآخر لأن مطالع البلاد عند المسافة الفاحشة تختلف فيعتبر في أهل كل بلد مطالع بلدهم دون البلد الآخر.
        وقال الإمام برهان الدين بن ماجه (م: 616) في المحيط البرهاني: (3/341-342 ط. إدارة القرآن)
        أهل بلدة إذا رأوا الهلالَ هل يلزم ذلك في حق أهل بلدة أخرى؟ اختلف المشايخ فيه، بعضهم قالوا : لا يلزم ذلك به، وإنما المعتبر في حق كل بلدة رؤيتهم، وبنحوه ورد الأثر عن ابن عباس رضي الله عنهما.
        وفي المنتقى : بشر عن أبي يوسف، وإبراهيم عن محمد : إذا صام أهل بلدة ثلاثين يوما للرؤية، وصام أهل بلدة تسعة وعشرين للرؤية فعليهم قضاء يوم.
        وفي القدوري : إذا كان بين البلدتين تفاوت لا تختلف المطالع، لزم إحدى البلدتين حكم البلدة الأخرى، فأما إذا كان تفاوت تختلف المطالع فيه لم يلزم حكم إحدى البلدتين حكم البلدة الأخرى.
        وقال الصدر الشهيد حسام الدين : (م: 536) في الفتاوى الكبرى: (ورقة: 16 مخطوطوة رامبوره)
        ولو صام أهل بلدة الرؤية ثلثين يوما وبلدة أخرى تسعة وعشرين يوما فعلم من صام تسعة وعشرين يوما فعليهم قضاء يوم، لأن الذين صاموا ثلثين يوما رأوا هلال رمضان قبلهم بليلة والعمل بقول من رأى لا بقول من لم ير، هذا إذا كان بين البلدتبين تقارب بحيث لا تختلف المطالع، وإن كانت تختلف لا يلزم أهل أحد من البلدتين حكم الآخر.
        وقال الإمام عبد الرشيد الوالوالجي: (م: 540) في الفتاوى الوالوالجية (1/236)
        ولو أن أهل بلدة صاموا للرؤية ثلاثين يوما، وأهل بلدة صاموا تسعة وعشرين يوما للرؤية، فلعم من صام تسعا وعشرين لذلك، فعليهم قضاء يوم، لأن الذين صاموا ثلاثين يوما رأو هلال رمضان قبل ليلة، والعمل بقول من رأى، لا بقول من لم ير، وهذا إذا كان بين البلدتين تفاوت بحيث لا تختلف المطالع، فإن كانت تختلف لا يلزم أحد البلدين حكم الآخر.
        الجهاد محك الإيمان

        জিহাদ ইমানের কষ্টিপাথর

        Comment


        • #5
          জাযাকাল্লাহু খাইরান @আদনানমারুফ ভাই।
          তবে ভাই, আমি জানতে চাচ্ছিলাম যে, বর্তমানে নাকি সৌদি ও সিরিয়া এক সাথে রোযা পালন ও ঈদ উদযাপন করে। এটা কীসের ভিত্তিতে? অথচ ইবনে আব্বাস রাযি. সিরিয়ার চাঁদের ওপর নির্ভর করে ঈদ উদযাপন করেন নি?
          বিষয়টি জানালে উপকার হবে ভাই ইনশাআল্লাহ।
          আমার নিদ্রা এক রক্তাক্ত প্রান্তরে,
          জাগরণ এক সবুজ পাখি'র অন্তরে।
          বিইযনিল্লাহ!

          Comment


          • #6
            Originally posted by বদর মানসুর View Post
            জাযাকাল্লাহু খাইরান @আদনানমারুফ ভাই।
            তবে ভাই, আমি জানতে চাচ্ছিলাম যে, বর্তমানে নাকি সৌদি ও সিরিয়া এক সাথে রোযা পালন ও ঈদ উদযাপন করে। এটা কীসের ভিত্তিতে? অথচ ইবনে আব্বাস রাযি. সিরিয়ার চাঁদের ওপর নির্ভর করে ঈদ উদযাপন করেন নি?
            বিষয়টি জানালে উপকার হবে ভাই ইনশাআল্লাহ।
            ইমাম আহমদ রহ. এর মাযহাব অনুযায়ী পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলে সারা দুনিয়ার মুসলমানেরা সে অনুযায়ী রোযা ও ইদ পালন করতে পারবে। সুতরাং যদি বর্তমান সিরিয়ার ভাইরা সৌদির সাথে রোযা ও ইদ পালন করে তবে তারা অনেকটা ইমাম আহমদের মাযহাব অনুযায়ী আমল করছে। যদিও ইমাম আহমদের মাযহাবের সাথেও তাদের একটু পার্থক্য আছে। কেননা তারা বিশেষভাবে সৌদির সাথেই পালন করছে। অথচ সৌদির পূর্বেও তো অন্য কোথাও চাঁদ দেখা যেতে পারে। তখন তো ইমাম আহমদের মাযহাব অনুযায়ী সে চাদ দেখার ভিত্তিতেই আমল করতে হবে। তাছাড়া নামধারী আহলে হাদিসরা সৌদির গোলাম হওয়ার কারণে সৌদির চাদকে মাপদণ্ড হিসেবে নির্ধারণ করলেও মূলত সৌদিকে মানদণ্ড নির্ধারণের কোন শরয়ী দলিল ও ভিত্তি নেই।

            যাই হোক মাসয়ালাটি যেহেতু ইজতেহাদী তাই জিহাদের মাশায়েখগণ এ নিয়ে বিতর্ক করতে এবং অন্যদের থেকে পৃথক হয়ে রোযা-ইদ পালন করতে নিষেধ করেন। বস্তুত রোযা ও ঈদ এগুলো সামষ্টিগত ইবাদত, এগুলো একাকী আদায় করার সুযোগ নেই। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন-

            الصوم يوم تصومون، والفطر يوم تُفْطِرُون، والأضحى يوم تُضَحُّون

            ‘সিয়াম হল যেদিন তোমরা রোযা রাখ; ‘ফিতর’ হল যেদিন তোমরা রোযা ছাড়। আর কোরবানী হল যেদিন তোমরা কোরবানী কর’। জামে তিরমিযী, হাদীস : ৭০৬; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস : ২৩২৪

            ইমাম তিরমিযী রাহ. এ হাদীসকে ‘হাসান’ বলেছেন, কিন্তু এর একাধিক সনদ আছে, যার সম্মিলনে তা ‘সহিহ’ হওয়া প্রমাণিত হয়, এজন্য ইমাম নববী ও অন্যান্য ইমামগণ হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন। -আলমাজমূ শরহুল মুহাযযাব, নববী ৭/৪৪৫; আল আলামুল মানশূর, তকীউদ্দীন সুবকী পৃষ্ঠা : ১৮; ফয়যুল কাদীর, মুনাভী ৪/৪৪১; আততালীকুল মুগনী আলা সুনানিদ দারাকুতনী ২/২২৪; ইরওয়াউল গালীল ৪/১১

            এ হাদিসের ব্যাখায় ইমাম তিরমিযী বলেন,

            وفسر بعض أهل العلم هذا الحديثَ، فقال : إنما معنى هذا : الصوم والفطر مع الجماعة وعُظْم الناس
            ‘রোযা ও ঈদ আলজামাআহ এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের সাথে হবে।
            -জামে তিরমিযী, ৮০৬ নং হাদীসের অধীনে

            শায়েখ আবুল হাসান সিন্ধী বলেন,

            الظاهر أن معناه أن هذه الأمور ليس للآحاد فيها دخل، وليس لهم التفرد فيها، بل الأمر فيها إلى الإمام والجماعة، ويجب على الآحاد اتباعهم للإمام والجماعة

            ‘হাদিসের অর্থ হলো এ বিষয়গুলোতে সর্বসাধারণের কোন দখল নেই। এবং এ ক্ষেত্রগুলোতে তাদের বিচ্ছিন্ন হওয়ার সুযোগ নেই। বরং এর কর্তৃত্ব ইমাম ও সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের হাতে। তাই এ সব ক্ষেত্রে সর্বসাধারণের জন্য তাদের অনুসরণ করা ওয়াজিব’।-হাশিয়াতু সুনানি ইবনে মাজাহ, আবুল হাসান সিন্ধী খ- : ২, পৃষ্ঠা : ৩০৬, দারুল মারিফাহ, বৈরুত

            তাবেয়ী ইমাম মাসরূক রাহ. বর্ণনা করেছেন, তিনি ও তার সাথী আরাফার দিন আয়েশা রা.-এর নিকটে গেলেন (ঐ দিনটি কুরবানীর ঈদের দিন হওয়ারও সন্দেহ ছিল) আয়েশা রা. খাদেমাকে বললেন, তাদেরকে সুমিষ্ট করে ছাতুর শরবত পান করাও। আমি যদি রোযাদার না হতাম তাহলে আমিও পান করতাম। মাসরূক ও তার সঙ্গী বললেন, ‘আপনি রোযা রেখেছেন! আজ যদি কোরবানীর দিন হয়ে থাকে?!’ (মাসরূক এ কথাও বলেছিলেন, যে, আমি তো শুধু এই ভেবে রোযা রাখিনি যে, যদি আজ কোরবানীর দিন হয়?’) উম্মুল মুমিনীন বললেন-

            إنما النحر إذا نحر الإمام وعُظْمُ الناس، والفطرُ إذا أفطر الإمام وعُظْمُ الناس

            ‘কোরবানী তো তখন যখন ইমাম (মুসলমানদের রাষ্ট্র-প্রধান) ও সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ কোরবানী করে এবং ইফতার (রোযা না-রাখা) তো তখন যখন ইমাম ও সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ ইফতার করে’। মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক ৪/১৫৭, হাদীস : ৭৩১০; মাসাইলু আহমদ, আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ-আহকামুল ইখতিলাফ ফী রুয়াতি হিলালি যিলহিজ্জাহ, ইবনে রজব পৃষ্ঠা : ৩৪-৩৫; কিতাবুল আছার, ইমাম আবু হানীফা, রেওয়ায়েত ইমাম আবু ইউসুফ পৃষ্ঠা : ১৭৯, হাদীস : ৮১৮; আসসুনানুল কুবরা বাইহাকী ৪/২৫২

            ইমাম ইবনে রজব রাহ. লেখেন-

            فهذا الأثر صحيح عن عائشة رضي الله عنها، إسناده في غاية الصحة، ولا يعرف لعائشة مخالف من الصحابة

            ‘হযরত আয়েশা রা. থেকে এ বাণী প্রমাণিত। এর সনদ সর্বোচ্চ মানের সহীহ সনদ এবং এ সিদ্ধান্তে তাঁর সাথে কোনো সাহাবীর দ্বিমত পাওয়া যায় না’। -আহকামুল ইখতিলাফ, ইবনে রজব পৃষ্ঠা : ৩৬

            ইমাম ইবনুল হুমাম রহ. এ হাদিস উল্লেখ করে বলেন,

            المعنى الذي به تستقيم الأخبار أن الصوم المفروض يوم يصوم الناس، والفطر المفروض يوم يفطر الناس، أعني بقيد العموم .... وعلى هذا لو قبل الإمام شهادته وهو فاسق وأمر الناس بالصوم فأفطر هو أو واحد من أهل بلده لزمته الكفارة، وبه قال عامة المشايخ، لأنه يوم صوم الناس (فتح القدير: 2/322 ط. دار الفكر)

            ‘হাদিসের অর্থ হলো, যেদিন মানুষ রোযা রাখবে সেদিন রোযা রাখা ফরয হবে এবং যেদিন তারা রোযা রোযা ভঙ্গ করবে সেদিন রোযা ভঙ্গ করা ফরয হবে অর্থাৎ ব্যাপকভাবে (মানুষ রোযা রাখবে বা ভাঙ্গবে) সুতরাং যদি ইমামুল মুসলিমীন ফাসেকের শাহাদাত গ্রহণ করে মানুষকে রোযা রাখার নির্দেশ দেয় তাহলে অধিকাংশ মাশায়েখদের মতে (রোযা রাখা ফরয হবে এবং) সাক্ষ্যদাতা বা অন্য কেউ রোযা ভঙ্গ করলে তার উপর কাফফারা ওয়াজিব হবে। কেননা এ দিনটি মানুষের রোযা রাখার দিন (সুতরাং হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী এ দিন রোযা রাখা ফরয) -ফাতহুল কাদীর: ২/৩২২

            আল্লামা তাকী উসমানী, শায়েখ ইবনে বায ও শায়েখ আলবানী সহ অন্যান্য অনেক আলেম সারা পৃথিবীতে একদিনে রোযা ও ঈদের প্রবক্তা হয়ে সত্ত্বেও দেশবাসী হতে পৃথক হয়ে বিচ্ছিন্নভাবে রোযা ও ঈদ পালন করাকে জায়েয বলেন না। (বিস্তারিত দেখুন মাসিক আলকাউসার, রজব: ১৪৩৫)
            الجهاد محك الإيمان

            জিহাদ ইমানের কষ্টিপাথর

            Comment


            • #7
              যাই হোক মাসয়ালাটি যেহেতু ইজতেহাদী তাই জিহাদের মাশায়েখগণ এ নিয়ে বিতর্ক করতে নিষেধ করেন।
              এ বিষয়ে আমাদের মাশায়েখগণের কিছু ফতোয়া দেখুন, মিম্বারুত তাওহিদ ওয়াল জিহাদ থেকে-

              سؤال: هل نصوم وفق ما تعلنه حكومة الدولة الشيعية التي نعيش فيها؟

              رقم السؤال: 6
              السلام عليكم ورحمة الله وبركاته
              نرجو من المنبر الكريم أن يجيبونا على هذا السؤال الذي تضاربت الاقوال في أمره ولا من جازم فيه
              نحن ثلة من المؤمنين نعيش في مقاطعة البنجاب في باكستان وقد أعلنت المقاطعة والحكومة الباكستانية ان أول يوم من رمضان هو يوم الأحد مع أن الحكومات والدول الأخرى صامت يوم الجمعة او السبت وهؤلاء اعلنوه يوم الاحد بعد يومين من اليوم المحدد وهذا دليل على انهم ما تحروا رؤية القمر ولا حول ولاقوة الابالله وقد سألنا بعض من لديهم علم بسيط فقالوا: صوموا معهم الأحد وأفطروا يوم السبت الأول من رمضان عند كل الدول الاسلامية بحجة عدم مفارقة الجماعة
              ولا يخفى عليكم ان الحكومة هنا شيعية والرشد عندها خلاف أهل السنة وللعلم فان وزيرستان صامت يوم السبت ورؤا القمر من أربع أماكن فالأمر واضح والخطأ ظاهر والوقت قد دخل فما العمل؟
              ولا يخفى عليكم ان الجماعة ما وافق الصواب وان عدة الشهور عند الله اثنا عشر شهرا ونحن افطرنا يوم السبت وما صمنا فما الحكم نرجو الاجابة وعدم البخل علينا بهذا الجواب الذي يحييرنا ونحن محاسبون اذا ما سألنا وجزيتم ألف خير ونصركم الله وثبتكم وجعل منبركم شوكة في حلوق أهل الباطل.
              كتبها؛ فرسان الشرق
              السائل: مراسلات المنبر
              المجيب: اللجنة الشرعية في المنبر

              وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
              إخواننا الأفاضل
              مادام أن حكومتكم شيعية لا ترى الرشد إلا في مخالفة أهل السنة ومادام إخوانكم السنة قد رأوا الهلال في وزيرستان وصاموا يوم السبت فكان الصواب أن تتابعوهم على صيام يوم السبت فالجماعة ما وافق الحق.
              ولذلك فتفطروا ان شاء الله مع إخوانكم في وزيرستان
              وهم أقرب الناس إليكم دينا ومكانا وتقضوا بعد رمضان إن شاء الله يوما عن السبت الذي أفطرتموه
              وفقكم الله لكل خير
              ماذا أفعل في صلاة العيد إذا أفطرت مع غير أهل بلدي؟ ...

              رقم السؤال: 3436

              السلام عليكم ... سؤالي عن صلاة العيد في الدول التي تتاخر عن بقية المسلمين ... هل الافضل لهم ان يصلو جماعة اوفرادي ... وهل الافضل ان يصلو مع بقية المسلمين في اليوم الثاني ام الافضل الاعتزال في هذا اليوم لانه ليس يوم العيد ... اريد الجواب عاجلا ان امكنكم ذلك ... وجزاكم الله افضل الجزاء واني احبكم في الله
              السائل: ابومريم

              المجيب: الشيخ أبو محمد المقدسي
              الحمد لله والصلاة والسلام على رسول الله
              وعليكم السلام ورحمة الله وأحبك الله الذي أحببتنا فيه ... إذا كنت تصوم مع عموم المسلمين ولا تتبع صيام بلدك لمخالفته للصواب أو لإهماله الأهلة واتباعه الحساب، أو لتلاعب الطواغيت بالمواقيت تبعا للسياسات؛ فعيدك مع المسلمين الذين صمت معهم لا مع بلدك فلا يحل لك صيام هذا اليوم. ... وأما صلاة العيد فلو تيسر لك الصلاة مع جماعة في فلاة دون مفسدة أو أذى تعرضون أنفسكم له فذلك حسن، وإلا فصل في بيتك .. ... ولا حرج عليك لو شهدت صلاة المسلمين في بلدك في اليوم الثاني فصليت معهم نافلة لتأليف القلوب وصلة الأرحام والدعوة إلى الله. ... والتذكير بأن العيد ليس هو فقط لمن لبس الجديد بل لم استعد ليوم الوعيد .. ...
              ونصيحتي إن كان الموافقون لك على ذلك قلة أن لا تظهروا المخالفة للعوام بصلاة العيد أو الفطر قبل إفطار عموم الناس في بلدك، وأن لا تجعلوا مثل هذه الأمور التي يعذر الجاهل بها ويسوغ فيها الإجتهاد مادة للخصومة والنزاع والشقاق بين المسلمين أو الصدام مع عامتهم، يقول تعالى: (وَاعْتَصِمُوا بِحَبْلِ اللَّهِ جَمِيعًا وَلَا تَفَرَّقُوا وَاذْكُرُوا نِعْمَةَ اللَّهِ عَلَيْكُمْ إِذْ كُنْتُمْ أَعْدَاءً فَأَلَّفَ بَيْنَ قُلُوبِكُمْ فَأَصْبَحْتُمْ بِنِعْمَتِهِ إِخْوَانًا) ... والعامة أحوج ما يكونوا إلى تألف قلوبهم، والواجب التركيز في دعوتهم على أهم المهمات في أصول الدين وتعليمهم أمور التوحيد وعراه الوثقى وعدم الدخول معه في صراعات في أمثال تلك الفروع. ... وفقكم الله لكل خير
              الاختلاف في رؤية الهلال والعيد (ماذا تنصحونا) ...

              فتوى بخصوص توقيت عيد الاضحى في ليبيا رقم السؤال: 849

              السلام عليكم شيخنا الفاضل تعلم بأن هذه الايام اعلنت السعوديه بأن عيد الاضحى سيكون الجمعة وان ليبيا اعلنت بأنه يوم الخميس كما اعلنت ليبيا بانها لن تغير تاريخها مع السعوديه فحدث فرقه بين من يريد ان يضحي مع السعوديه والاخرمع ليبيا فسؤالي فضيلة الشيخ مع اى الدولتين اضحي؟ فاذا كانت السعوديه فماذا افعل بخصوص صلاة العيد ارجو الافادة احسن الله اليك وثبتك على الحق و (شموخ الاسلام من المغرب الاسلامي) يسأل أيضا: السلام عليكم ورحمة الله وبركاته نحن من ليبيا وان المتوقع في البلاد اعلان عن اول ايام العيد الاضحي هو يوم الخميس افتونا ماجورين لانه هناك فتن كبيره في البلاد
              السائل: أبي قدامه الشامي

              المجيب: اللجنة الشرعية في المنبر
              بسم الله والحمد لله والصلاة والسلام على رسول الله وبعد إخواننا الأفاضل .. ما ننصحكم بفعله هو عين ما كنتم ستفعلونه لو كنتم هذه السنة في الحج، فلا شك أنكم كنتم ستلتزمون بما سيفعله الحجيج من الوقوف بعرفة يوم الخميس واكمال مناسك الحج بعد ذلك في يوم النحر الذي هو يوم العيد العاشر من ذي الحجة الموافق ليوم الجمعة، وكما أنكم لو كنتم في الحج فلن تقفوا بعرفة وحدكم يوم الأربعاء، فكذلك لا تعتبروا الأربعاء هو يوم عرفة وأنتم في ليبيا، بل عيّدوا مع المسلمين يوم الجمعة، ولا تسمعوا ولا تطيعوا للمتلاعبين بمناسككم وأعيادكم، وليس في كلامنا هذا تزكية للنظام السعودي ولكنه نابع من معرفتنا أن المناسك والأهلة إلى هذا الوقت لم تسيّس بعد عندهم؛ بل مازالت موكّلة حتى اليوم إلى مشايخ يتشددون فيها ويحرصون أكثر من تشددهم وحرصهم في مسائل الكفر بالطاغوت وعرى الإسلام الوثقى، وقد ثبت لدينا بأن النظام السعودي لا يتدخل في موضوع الأهلة ولا يفرضه على المشايخ فهذا الأمر لا يهمه كثيرا ولا يؤثر بسياساته، كما أن متابعة الأهلة عندهم دائمة ولا تعتمد على الحسابات الفلكية بل تتوقف على الرؤية بخلاف الأنظمة الأخرى التي تعتمد الحساب الفلكي، ولو تحرّت الهلال فلا تتابعه وتتحراه طوال السنة بل تفعل ذلك فقط في شهر رمضان وذي الحجة، ومعلوم أن حاكم النظام الليبي عنده عقدة التفرد وهوس التميز، ويحب المخالفة لمجرد المخالفة، ولو كان في ذلك تلاعبا وعبثا في مناسك وأعياد المسلمين .. ولذلك فالواجب على المسلمين في ليبيا والدول التي على شاكلتها التقيد بالتوقيت الذي يتقيد به الحجاج، ولا يشذوا عن السواد الأعظم لنزوة حاكم وخلافاته السخيفة مع الحكام الآخرين .. ولولا معرفتنا بحال حاكم ليبيا لقلنا كما قال بعض أهل العلم أن الأمر فيه سعة ولاعتبرنا هذا من الاختلاف السائغ؛ بمعنى أنه يمكن القول باختلاف المطالع ولا حرج من أن يعيّد المسلمون في بعض البلاد بعد الحجيج أو قبلهم إن ثبتت رؤية الهلال عندهم في بلد يختلف مطلعها مع مطلع الحجاز، وهذا يكون من الخلاف السائغ، ولا يقال في هذه الحالة أن أهل تلك البلد يصومون عرفة في يوم العيد إن كان الحجاج في اليوم العاشر، لأن عيد أهل تلك البلد قد ثبت برؤية شرعية وهم مأمورون باتباع الرؤية الشرعية ولا حرج عليهم في ذلك .. نسأل الله تعالى أن يولي على المسلمين خيارهم وأن لا يولي عليهم شرارهم وأن يجعل لهم من أمرهم رشدا أما صلاة العيد فإن كان في صلاتكم للعيد في اليوم الصحيح غير اليوم الذي اختاره النظام عندكم ممكنة من غير فتنة أو أذى فافعلوها كذلك، أما إن خشيتم الفتنة والأذى وتسلط أعداء الله عليكم فإما أن تصلوها فرادى في بيوتكم كما يصلي من فاتته صلاة العيد، أو تصلوها في اليوم التالي مع الناس ان كان العيد عندكم متأخرا .. ويدل على جواز ذلك ما رواه أحمد والنسائى وابن ماجه أن هلال شوال غمّ على الصحابة وأصبحوا صياما، فجاء جماعة أخر النهار وشهدوا أمام الرسول صلى الله عليه وسلم بأنهم رأوا الهلال بالأمس فأمرهم أن يخرجوا إلى عيدهم من الغد. فهذا الحديث احتج به القائلون بأن الجماعة إذا فاتتها صلاة العيد بسبب عذر من الأعذار فلها أن تخرج من الغد لتصلى العيد. والله أعلم

              هل العبرة في صوم يوم عرفة بموقف الحجاج أم برؤية كل بلد؟

              رقم السؤال: 3838

              السلام عليكم و رحمة الله و بركاته أسأل الله العظيم أن يفك أسر شيخنا أبو محمد المقدسي و أن يثبته على الحق. سؤالي بخصوص اختلاف موعد عيد الأضحى بين بعض البلدان. فقد تقرر أن يكون عيد الأضحى في السعودية و معظم البلاد الاسلامية هو يوم الثلاثاء 16 من تشرين الثاني أي أن يوم الاثنين هو يوم الوقفة على عرفة في حين أعلنت بعض الدول أن يوم الأربعاء هو أول أيام عيد الأضحى، أي أن الثلاثاء هو يوم الوقفة على عرفة و اختلفت الجامية و الحلبية و الاخوانية هنا فيما بينها في موعد العيد و موعد صيام عرفة أرجو منكم أن تبينوا لنا أي الموعدين نلتزم به للعيد و ذبح الأضحية؟ و أي الموعدين نلتزم به لصيام يوم عرفة؟ وفقا لكتاب الله و سنة نبيه صلى الله عليه و سلم جزاكم الله خيرا
              السائل: ابو حفص
              المجيب: اللجنة الشرعية في المنبر

              بسم الله الرحمن الرحيم الحمد لله رب العالمين وصلى الله على نبيه الكريم وعلى اله وصحبه أجمعين وبعد: فإن العبرة في فضل صيام عرفة بمصادفة اليوم التاسع من ذي الحجة وليست مربوطة بوقوف أهل عرفة كما يدعي البعض، لأن الله تعالى جعل يوم التاسع من ذي الحجة ميقاتا زمانيا لعبادتي الوقوف بعرفة والصوم: فالحاج مخاطب بالقوف بعرفة يوم التاسع وغير مخاطب بالصيام، وغير الحاج مخاطب بالصيام يوم التاسع وغير مخاطب بالوقوف، فالجامع بين العبادتين (الوقوف والصيام) هو اتحاد الزمان (في اليوم التاسع) ولا يرتبط أحدهما بالآخر ولا تلازم بينهما،حيث يصح الوقوف بعرفة ولولم يصم الناس،ويصح صيام يوم عرفة ولو لم يقف الناس. فصيام يوم عرفة مربوط بالزمان لا بالوقوف لأن الحجاج قد يُحصرون ولا يقفون وقد يخطئون فلا يقفون في اليوم التاسع، فالعبرة في وظائف يوم عرفة بمصادفة التاسع لا بمصادفة الوقوف. ولو وقف الحجاج مثلا في الثامن (يوم التروية) فإن فضيلة الصيام لا تنتقل إليه وإنما تظل مشروعة في التاسع ولا عبرة بوقوف الحجاج لأنه في غير محله. لأن لوقوف عرفة ميقاتا زمانيا وميقاتا مكانيا فمن أخل بأحد الميقاتين فقد فسد حجه. وإنما سمي يوم التاسع بعرفة للتنبيه على أهمية الوقوف بعرفة يوم التاسع و أنه من أهم ما يميز هذا اليوم لا للتنبيه على أن مصادفة الوقوف شرط لوظائف ذلك اليوم. وهذا كما نقول: "يوم النحر" فهو إنما سمي بذلك تنبيها على تميزه بالنحر، وليس وقوع النحر شرطا لمشروعية شيء من وظائف يوم النحر.وهكذا العيد أيضا فالعبرة فيه بمصادفة اليوم العاشر. ---أما كيف تتحقق مصادفة التاسع والعاشر وهل ثبوتهما في بلاد الحرمين يلزم سائر بلاد الإسلام فالحكم في ذلك راجع إلى الخلاف في عموم الرؤية، حيث ذهب بعض أهل العلم إلى عموم الرؤية أي أنه متى ثبتت رؤية الهلال ببلد من بلاد الإسلام وجب على سائر البلدان العمل بمقتضاها. وقد استدل أصحاب هذا القول بعموم قول النبي صلى الله عليه وسلم: (صوموا لرؤيته وأفطروا لرؤيته) متفق عليه من حديث ابي هريرة. ونص الشيخ أحمد شاكر على أن هذا هو قول أكثر أهل العلم فقال: (الظاهر لنا من نقول بعض الناقلين أن أكثر الفقهاء لا يعتبرون اختلاف المطالع، كما نقل النووي عن ابن المنذر، مما يفهم منه أنه قول الأئمة الأربعة والليث بن سعد، و إن اختلف أتباعهم فيه بعد ذلك). (أوائل الشهور العربية، هل يجوز شرعاً إثباتها بالحساب الفلكي) (ص:20/ 21) وذهب البعض من أهل العلم إلى أن لكل أهل بلد رؤيتهم مستدلين بحديث كريب: (أن أم الفضل بنت الحارث بعثته إلى معاوية بالشام قال فقدمت الشام فقضيت حاجتها واستهل علي رمضان وأنا بالشام فرأيت الهلال ليلة الجمعة ثم قدمت المدينة في آخر الشهر فسألني عبد الله بن عباس رضي الله عنهما ثم ذكر الهلال فقال متى رأيتم الهلال فقلت رأيناه ليلة الجمعة فقال أنت رأيته فقلت نعم ورآه الناس وصاموا وصام معاوية فقال لكنا رأيناه ليلة السبت فلا نزال نصوم حتى نكمل ثلاثين أو نراه فقلت أو لا تكتفي برؤية معاوية وصيامه فقال لا هكذا أمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم) رواه مسلم. قالوا: و اكتفاء ابن عباس برؤية أهل المدينة وعدم أخذه برؤية أهل الشام دليل على أن لكل أهل بلد رؤيتهم، فلا يصوم أهل بلد برؤية بلد آخر، وكذا الإفطار. وقال ابن العربي: واختلف في تأويل قول ابن عباس هذا فقيل: رده لأنه خبر واحد، وقيل: رده لأن الأقطار مختلفة في المطالع، وهو الصحيح، لأن كريبا لم يشهد وإنما أخبر عن حكم ثبت بالشهادة، ولا خلاف في الحكم الثابت أنه يجزي فيه خبر الواحد. ونظيره ما لو ثبت أنه أهل ليلة الجمعة بأغمات وأهل بأشبيلية ليلة السبت فيكون لأهل كل بلد رؤيتهم، لأن سهيلا يكشف من أغمات ولا يكشف من أشبيلية، وهذا يدل على اختلاف المطالع. وقال الكيا الطبري: (قوله: "هكذا أمرنا رسول اللّه صلى اللّه عليه وسلم" يحتمل أن يكون تأول فيه قول رسول اللّه صلى اللّه عليه وسلم: "صوموا لرؤيته وأفطروا لرؤيته") .. وقال في فتح الودود: (قوله هكذا أمرنا يحتمل أن المراد به أنه أمرنا أن لا نقبل شهادة الواحد في حق الإفطار أو أمرنا بأن نعتمد على رؤية أهل بلدنا ولا نعتمد عن رؤية غيرهم وإلى المعنى الثاني تميل ترجمة المصنف لكن المعنى الأول محتمل فلا يستقيم الاستدلال إذ الاحتمال يفسد الاستدلال) انتهى وفي المسألة أقوال واجتهادات كثيرة لأهل العلم ذكرها ابن حجر في الفتح فقال: (وقد اختلف العلماء في ذلك على مذاهب: - أحدها لأهل كل بلد رؤيتهم: وفي صحيح مسلم من حديث بن عباس ما يشهد له وحكاه بن المنذر عن عكرمة والقاسم وسالم وإسحاق وحكاه الترمذي عن أهل العلم ولم يحك سواه وحكاه الماوردي وجها للشافعية. - ثانيها مقابله إذا رؤى ببلدة لزم أهل البلاد كلها: وهو المشهور عند المالكية لكن حكى بن عبد البر الإجماع على خلافه وقال:اجمعوا على أنه لا تراعي الرؤية فيما بعد من البلاد كخراسان والاندلس. قال القرطبي: قد قال شيوخنا إذا كانت رؤية الهلال ظاهرة قاطعة بموضع ثم نقل إلى غيرهم بشهادة اثنين لزمهم الصوم. وقال بن الماجشون: لا يلزمهم بالشهادة الا لأهل البلد الذي ثبتت فيه الشهادة الا أن يثبت عند الإمام الأعظم فيلزم الناس كلهم لأن البلاد في حقه كالبلد الواحد إذ حكمة نافذ في الجميع. وقال بعض الشافعية أن تقاربت البلاد كان الحكم واحدا وأن تباعدت فوجهان لا يجب عند الأكثر واختار أبو الطيب وطائفة الوجوب وحكاه البغوي عن الشافعي. وفي ضبط البعد أوجه: - أحدها اختلاف المطالع قطع به العراقيون والصيدلانى وصححه النووي في الروضة وشرح المهذب. - ثانيها مسافة القصر قطع به الإمام والبغوى وصححه الرافعي في الصغير والنووى في شرح مسلم. - ثالثها اختلاف الأقاليم. - رابعها حكاه السرخسي فقال يلزم كل بلد لا يتصور خفاؤه عنهم بلا عارض دون غيرهم. - خامسها قول بن الماجشون المتقدم) فتح الباري - ابن حجر - (4/ 123) وقال القرطبي في تفسيره: (واختلفوا إذا أخبر مخبر عن رؤية بلد، فلا يخلو أن يقرب أو يبعد، فإن قرب فالحكم واحد، وإن بعد فلأهل كل بلد رؤيتهم، روي هذا عن عكرمة والقاسم وسالم، وروي عن ابن عباس، وبه قال إسحاق، وإليه أشار البخاري حيث بوب: [لأهل كل بلد رؤيتهم]. وقال آخرون: إذا ثبت عند الناس أن أهل بلد قد رأوه فعليهم قضاء ما أفطروا، هكذا قال الليث بن سعد والشافعي. قال ابن المنذر: ولا أعلمه إلا قول المزني والكوفي. ... وحكى أبو عمر الإجماع على أنه لا تراعى الرؤية فيما بعد من البلدان كالأندلس من خراسان، قال: ولكل بلد رؤيتهم، إلا ما كان كالمصر الكبير وما تقاربت أقطاره من بلدان المسلمين). تفسير القرطبي - (2/ 295) وقال في عون المعبود: قال الخطابي اختلف الناس في الهلال يستهله أهل بلد في ليلة ثم يستهله أهل بلد آخر في ليلة قبلها أو بعدها فذهب إلى ظاهر الحديث بن عباس والقاسم بن محمد وسالم بن عبد الله بن عمر وعكرمة وهو مذهب إسحاق بن راهويه وقال لكل قوم رؤيتهم. وقال أكثر الفقهاء إذا ثبت بخبر الناس أن أهل البلد من البلدان قد رأوه قبلهم فعليهم قضاء ما أفطروه وهو قول أبي حنيفة وأصحابه ومالك وإليه ذهب الشافعي وأحمد بن حنبل انتهى عون المعبود - (6/ 325) وقد علق الشيخ أحمد شاكر على اختلاف العلماء في هذه المسألة فقال: (فالذين ذهبوا من العلماء إلى أن اختلاف المطالع معتبر، وأن لكل بلد رؤيتهم؛ فإنما كانوا منطقيين جدا مع الحكم بالرؤية؛ لأن هذا هو المستطاع إذ ذاك .... والذين أهدروا اختلاف المطالع، وحكموا بسريان الرؤية في بلد على جميع أقطار الأرض، كانوا ناظرين إلى الحقيقة المجردة، أن أول الشهر يجب أن يكون في هذه الكرة الأرضية يوما واحدا. وهو الحق الذي لا مرية فيه). (أوائل الشهور العربية، هل يجوز شرعاً إثباتها بالحساب الفلكي) (ص:20/ 21) ختاما فالمسألة كما هو واضح مختلف فيها ولكل دليله واجتهاده ونرجوا أن يكون في ذلك سعة إن شاء الله. فعلى القول بعموم الرؤية فينبغي الصيام في يوم وقفة الحجاج إن كانت رؤية بلاد الحرمين متقدمة والصيام قبل وقفتهم إن كانت رؤية بلاد الحرمين متأخرة وهكذا العيد والنحر. وعلى القول باختلاف المطالع فينبغي أن يتقيد كل أهل بلد باليوم التاسع حسب رؤية بلدهم بغض النظر عن موقف الحجاج أو رؤية بلاد الحرمين وهكذا العيد والنحر. تنبيه: لا ينبغي التقيد برؤية أهل البلد إلا إذا كنت فيه لجنة شرعية من أهل العلم تشرف على مراقبة الأهلة بمنهجية شرعية. فإذا لم تكن هذه اللجنة موجودة فينبغي التقيد برؤية أقرب بلد توجد فيه هذه اللجنة أو اتباع القول بعموم الرؤية. والله أعلم والحمد لله رب العالمين.
              أجابه، عضو اللجنة الشرعية: الشيخ أبو المنذر الشنقيطي
              الجهاد محك الإيمان

              জিহাদ ইমানের কষ্টিপাথর

              Comment


              • #8
                আল্লামা তাকী উসমানী, শায়েখ ইবনে বায ও শায়েখ আলবানী সহ অন্যান্য অনেক আলেম সারা পৃথিবীতে একদিনে রোযা ও ঈদের প্রবক্তা হওয়া সত্ত্বেও দেশবাসী হতে পৃথক হয়ে বিচ্ছিন্নভাবে রোযা ও ঈদ পালন করাকে জায়েয বলেন না। (বিস্তারিত দেখুন মাসিক আলকাউসার, রজব: ১৪৩৫)
                আলহামদুলিল্লাহ আজকে আরেকটি নতুন বিষয়ে জানতে পারলাম যে, আল্লামা তাকী উসমানী দামাত বারাকাতুহুম সারা পৃথিবীতে একদিনে রোযা ও ঈদের প্রবক্তা।
                জাযাকাল্লাহু খাইরান @আদনানমারুফ ভাই।
                আমার নিদ্রা এক রক্তাক্ত প্রান্তরে,
                জাগরণ এক সবুজ পাখি'র অন্তরে।
                বিইযনিল্লাহ!

                Comment


                • #9
                  আলহামদুলিল্লাহ। ভাই অধমের প্রশ্নের দলিল ভিত্তিক জবাব প্রদানের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আল্লাহ তা’আলা আমার ভাইদেরকে উত্তম বিনিময় দান করুন। আমিন।
                  এসো জিহাদ শিখি

                  Comment


                  • #10
                    মাশাআল্লাহ, সুন্দর তাহকীকি জবাব দেওয়া হয়েছে।
                    আদনান ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। জাযাকাল্লাহ
                    ‘যার গুনাহ অনেক বেশি তার সর্বোত্তম চিকিৎসা হল জিহাদ’-শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহ.

                    Comment


                    • #11
                      ভাইজান! লাইলাতুল কদর আমাদের দেশের শেষ দশকের বিজড় রাত্রিগুলোতে তালাশ করলে পাবো ইনশা-আল্লাহ্? লাইলাতুল কদরের জন্য ভিন্ন মাসআলা নেই তো..? দয়া করে জানানর অনুরোধ থাকলো।

                      Comment

                      Working...
                      X