Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ # ২৯ জমাদিউল আউয়াল , ১৪৪২ হিজরী # ১৪ জানুয়ারি, ২০২১ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ # ২৯ জমাদিউল আউয়াল , ১৪৪২ হিজরী # ১৪ জানুয়ারি, ২০২১ ঈসায়ী

    ভারতে রামমন্দিরের চাঁদা সংগ্রহ করতে মুসলমানদের বাড়িঘরে গেরুয়া সন্ত্রাসীদের লুটপাট

    ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় আযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণের জন্য চাঁদা সংগ্রহকে কেন্দ্র করে মুসলমানদের বাড়িঘর লুট করা হচ্ছে।

    ইন্দোর, মান্দসৌর, উজ্জয়িনী-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় মুসলিম সমাজের নেতারা অভিযোগ করছেন, রামমন্দিরের চাঁদা তোলার মিছিল ইচ্ছে করে তাদের মহল্লা দিয়ে নিয়ে গিয়ে হিংসায় প্ররোচনা দেওয়া হচ্ছে এবং মসজিদেও ভাঙচুর চালানো হচ্ছে।

    রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধেও এই সব ঘটনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি পক্ষপাত দেখানোর অভিযোগ উঠেছে।

    বস্তুত সুপ্রিম কোর্টের রায়ে অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণের পথ প্রশস্ত হওয়ার পর গত আগস্টেই সেই মন্দিরের ভূমিপূজা সম্পন্ন হয়েছে, এখন চলছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সেই মন্দির নির্মাণের জন্য চাাঁদাবাজি করে অর্থসংগ্রহের কাজ।

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মতো বিভিন্ন সন্ত্রাসী সংগঠন বাইক মিছিলের আয়োজন করে মন্দিরের জন্য সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চাঁদা তুলতেও শুরু করেছে। মধ্যপ্রদেশের বেশ কয়েকটি জেলায় এই সব মিছিল যখন মুসলিম মহল্লা দিয়ে যায় তখন মুসলমানদের বাড়িঘর লুটপাট চালায়।

    মুসলমানদের উপর দোষ চাপাতে হিন্দুত্ববাদীরা অভিযোগ তুলেছে এলাকাবাসী মিছিল লক্ষ্য করে পাথর বা ইট-পাটকেল ছুঁড়েছে।

    মুসলিম সমাজের নেতারা পাল্টা বলছেন, মিছিল থেকেই হিংসায় প্ররোচনা দেওয়া হচ্ছে, এমন কী মসজিদের মাথায় উঠে মিনার ভাঙার চেষ্টা পর্যন্ত হয়েছে। গত ২৯ ডিসেম্বর এই ধরনেরই তীব্র সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাক্ষী ছিল ইন্দোরের কাছে চন্দন খেড়ি গ্রাম। ওই গ্রামের সরপঞ্চ বা মোড়ল দিলনওয়াজ প্যাটেল বলছিলেন, “রামমন্দিরের নামে চাঁদা তোলার মিছিল বের করে আসলে গোটা রাজ্যেই মুসলমানদের জীবনযাপনের পরিবেশকে বিষিয়ে তোলার চেষ্টা হচ্ছে।

    এই সব মিছিলের উদ্দেশ্যই হল মুসলিমদের ভয় দেখানো।” “বিভিন্ন মুসলিম পরিবারের ওপর হামলা হয়েছে, অথচ পুলিশ এই সব ঘটনায় শুধু মুসলিমদেরই আটক করছে – হিন্দুদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থাই নেওয়া হচ্ছে না।” “প্রত্যক্ষদর্শীদের তোলা ভিডিওতে পরিষ্কার দেখা গেছে মসজিদের মাথায় চড়ে মিনার ভাঙার চেষ্টা করা হচ্ছে, অথচ তাদের বিরুদ্ধে কিছুই করা হচ্ছে না।” একই সময়ে অবিকল প্রায় একই ধরনের ঘটনা ঘটার অভিযোগ এসেছে মান্দসৌর বা উজ্জয়িনী জেলা থেকেও।

    বিজেপির নেতা-মন্ত্রীদের উসকানিমূলক বক্তব্যেই পরিস্থিতি আরও বিষিয়ে উঠছে। মধ্যপ্রদেশের ক্যাবিনেট মন্ত্রী বিশ্বাস সারং। সে জানিয়েছে রামমন্দিরের জন্য চাঁদা সংগ্রহে কোনও বাধা দেওয়া হবে না।
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

  • #2
    ফিলিস্তিনে শহীদদের কবরস্থান ভেঙে ‘তাওরাত উদ্যান’ বানাচ্ছে ইসরাইল

    আল-কুদসের হাজার বছরের ঐতিহ্য ও স্মৃতি একের পর এক ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিচ্ছে ইজরাঈলি দখলদার কর্তৃপক্ষ৷ গ্রামের পর গ্রাম, শহরের পর শহর দখল করার পর এবার শহীদ ফিলিস্তিনের কবরস্থানের দিকে কুনজর দিয়েছে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র ইসরাঈল৷

    গতকাল অধিকৃত জেরুজালেমের পুরাতন শহর এবং আল-আকসা মসজিদের সাথে সংযোগের সিঁড়িগুলো গুড়িয়ে দিচ্ছে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র দাইফুল্লাহ আল ফায়েজ৷

    বিবৃতিতে তিনি বলেন, দখলদার সৈন্যদের লক্ষ্য হলো আরবদের পরিচয় মিটিয়ে দিয়ে ইহুদী রাজ্য প্রতিষ্ঠা করা৷

    এদিকে ইসলামী অনুদান বিভাগের সাথে সম্পর্কিত কবরস্হান রক্ষণাবেক্ষণ কমিটির চেয়ারম্যান মোস্তফা আবু জুহরা এক বিবৃতিতে বলেন, শহীদদের কবরস্হানের আয়তন প্রায় ৪ হাজার বর্গমিটার৷ এতে শহীদানের কবর সহ বহু প্রাচীন স্মৃতিও রয়েছে৷ দখলদার ইসরাঈল কর্তৃপক্ষ কবরস্থানের দিকে যাওয়ার সিঁড়িগুলো ভেঙে দিয়েছে। এখন তারা শহীদদের কবরস্হানের জমিতে ” তাওরাত উদ্যান ” বানানোর পরিকল্পনা করছে৷

    গত(১১ জানুয়ারি২০২১) জর্ডানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, দখলদার দেশটির এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মানবিক আইন এবং জাতিসংঘের শিক্ষামূলক ও সাংস্কৃতিক সংস্থার সিদ্ধান্তগুলির সুস্পষ্ট লঙঘন৷

    তিনি দখলদারদের কর্তৃক এই ধ্বংস ও সহিংস কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অনতিবিলম্বে এই কর্মকান্ড বন্ধ করার জোর আহ্বান জানান৷

    সূত্র: আল-জাজিরা
    আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      ভারতের থেকে দেড়গুণ বেশি দামে টিকা কিনছে বাংলাদেশ

      অক্সফোর্ডের করোনাভাইরাস টিকার প্রতি ডোজ চার ডলার মূল্যে বাংলাদেশকে সরবরাহ করবে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট (এসআইআই)। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর দাম পড়বে প্রায় ৩৪০ টাকা। একাধিক সূত্রের বরাতে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, সেরামের কাছে ভারত যে মূল্যে এই টিকা পাচ্ছে বাংলাদেশের জন্য সেই মূল্য প্রায় দেড়গুণ (৪৭ শতাংশ) বেশি।

      বিশাল পরিসরে ব্রিটিশ ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত করোনার টিকা উৎপাদন করছে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট। ওই টিকার তিন কোটি ডোজ কিনতে গত নভেম্বরে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ। সোমবার বাংলাদেশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, কোভিশিল্ড নামের এই টিকাটির প্রথম চালান আগামী ২৫ জানুয়ারি পৌঁছাবে।

      সংশ্লিষ্ট অন্তত ৩টি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, বাংলাদেশ সেরাম ইন্সটিটিউট থেকে প্রতিটি ভ্যাকসিন কিনছে ৪ ডলারে। ভারত যে দামে টিকা পাচ্ছে, এই মূল্য তার থেকে ৪৭ শতাংশ বেশি। এই ৩ সূত্রের একটি রয়টার্সকে বলেছে, বাংলাদেশের জন্য টিকাটির প্রতি ডোজের গড় মূল্য তিন ডলার করে হওয়া উচিত ছিল।

      তবে বাংলাদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে কোনও সূত্রই নাম প্রকাশ করে কোনও কিছু জানাতে রাজি হননি। বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্য সচিব কেউই এই বিষয়ে মন্তব্য করতে রয়টার্সের ফোন কলে সাড়া দেয়নি।

      ভারতকে প্রতি ডোজ ২০০ রুপি দামে সরবরাহ করছে সেরাম ইনস্টিটিউট।
      আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        ঝিনাইদহে নসিমনকে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ৭

        ঝিনাইদহের শৈলকূপায় নসিমনের সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষে ছয়জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। বুধবার সন্ধ্যায় মদনডাঙ্গায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের নাম পরিচয় এখনো জানা যায়নি। নিহতরা সকলেই নসিমনের যাত্রী ছিলেন।

        পুলিশ বলেছে, মদনডাঙ্গায় শ্যালো ইঞ্জিন চালিত তিন চাকার এ যানটির সঙ্গে ঝিনাইদহ থেকে কুষ্টিয়াগামী একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

        পুলিশ আরো জানায়, শৈলকুপা শেখপাড়া এলাকা থেকে নসিমন যোগে বেশ কিছু নির্মাণ শ্রমিক কাজ শেষে ঝিনাইদহ শহরের দিকে আসছিলেন। এ সময় একটি ট্রাক নসিমনটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ছয়জন মারা যান। পরে আরও একজনের মৃত্যু হয়।
        আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের জালিয়াতি, ভর্তি না হয়েই শিক্ষার্থী পরীক্ষা না দিয়েও পাস


          কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের জালিয়াতি, ভর্তি না হয়েই শিক্ষার্থী পরীক্ষা না দিয়েও পাস

          কল্পকাহিনীকেও হার মানিয়েছে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের জালিয়াতি। নাম-রেজিস্ট্রেশন রিপ্লেসমেন্ট করে যে কাউকেই দেয়া হয় ছাত্রত্ব। আবার পরীক্ষা না দিয়েও পাওয়া যাচ্ছে ভালো রেজাল্ট। এমনি অনেক অবাস্তব ঘটনা ঘটছে এখানে। বিগত তিন বছরের বেশি সময় ধরেই চলছে এইসব আজগুবিকাণ্ড। আর এসব অনিয়মের মূল হোতা বোর্ডের সিস্টেম অ্যানালিস্টের বিরুদ্বে অভিযোগ থাকলেও তিনি এখনো রয়েছেন বহাল তবিয়তে। যদিও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান বলছেন অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ার আগে আইনানুগভাবেই আমাদের কিছু করার নেই। তবে অভিযোগের তদন্ত সুষ্ঠুভাবে চলছে বলেও জানান বোর্ড চেয়ারম্যান।

          বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের একটি সিন্ডিকেট দীর্ঘ দিন থেকেই নানাভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে বিশাল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। এর সাথে কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও জড়িত। এই সিন্ডিকেটটি কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি না হলেও টাকার বিনিময়ে একজনকে ছাত্র বানিয়ে দিচ্ছে। আবার পরীক্ষায় অংশ না নিলেও পাস করিয়ে দিচ্ছে যে কাউকে। বিশাল অঙ্কের টাকা গুনলেই এভাবে পাস ও সনদও মিলছে। ২০১৯ ও ২০২০ সালের এসএসসি ভোকেশনালে ছাত্রভর্তি ও ফলাফলে এমন জাল-জালিয়াতিরও সত্যতা মিলেছে।

          সংশ্লিষ্টরা জানান, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ভয়াবহ এই জালিয়াতি ও দুর্নীতির সাথে যারা জড়িত তারা এখনো চাকরিতে বহাল তবিয়তে রয়েছেন। বিশেষ করে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ঊর্ধতন কিছু কর্মকর্তার ছত্রছায়ায় এমন জালিয়াতির ঘটনা ঘটছে। সম্প্রতি এমন অভিযোগে বোর্ডের দু’জন কম্পিউটার অপারেটরকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। সেই সাথে শিক্ষার্থীদের সাথে অনিয়ম করার অভিযোগে চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদনও বাতিল করা হয়েছে। কিন্তু মূল হোতা বোর্ডের সিস্টেম অ্যানালিস্ট সামসুল আলম ও প্রোগ্রামার ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে এখনো দৃশ্যমান কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

          কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কয়েকজন কর্মকর্তার এসব অনিয়মের বিষয়ে অনুসন্ধান ও তদন্ত করতে দুদকে অভিযোগ দাখিলের পর দুর্নীতি দমন কমিশন বিভাগের সহকারী পরিচালক নূরজাহান পারভিন স্বাক্ষরিত একটি আদেশ দেয়া হয়। আদেশে বলা হয়, ২০১৭ শিক্ষাবর্ষের এসএসসি ভোকেশনাল শিক্ষাক্রমের নবম শ্রেণীর ভর্তিকৃত বা রেজিস্ট্রেশনকৃত শিক্ষার্থীর তালিকার কপি ও ২০১৭ সালের নবম শ্রেণী সমাপনী পরীক্ষা এবং ২০১৯ সালের দশম শ্রেণী এসএসসি পরীক্ষা এর প্রবেশপত্র কপি, অ্যাকাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট, সনদপত্র, ২০১৩-১৪ ও ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রমের ভর্তিকৃত বা রেজিস্ট্রেশনকৃত শিক্ষার্থীর তালিকার কপি, ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম ও ৮ম পর্বের পর্ব সমাপনী পরীক্ষা পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র কপি, অ্যাকাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট এবং সনদপত্র, পরীক্ষায় অংশগ্রহণের হাজিরা সিট দাখিল করার জন্য বোর্ড চেয়ারম্যান ড. মোরাদ হোসেন মোল্লার কাছে একটি বার্তা অনুলিপি প্রেরণ করেন। এসব প্রতিষ্ঠানে কোডগুলো হলো এসএসসি ভোক : ৫৩০৯৫, ৫২০৮৭, ৫২০৬৯, ৫৯০৫৬, ৫৯০৯৭, ৫৩০৮৮, ৫২০৮২, ১২০১৬, ৫৯০৩৮, ৫২১১২, ৫৪১১৩ ও ৪৭০১৮। ডিপ্লোমা প্রতিষ্ঠানে কোডগুলো হলো- ১৬০৫৭, ২৪১৬০, ৩১০৩৬, ৪৮০৩৫, ৫০০৯৪, ৫০০৯৭, ৫০১১৪ ও ৫৩০৮২।

          অন্য দিকে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিশাল অঙ্কের টাকা নিয়ে ভর্তি ও পরীক্ষা ছাড়াই অন্য শিক্ষার্থীদের নাম রেজিস্ট্রেশন রিপ্লেসমেন্ট দেখিয়ে ফলাফল বিক্রির অভিযোগও রয়েছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, তারা ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত এইচএসসি (বিএম) প্রথম বর্ষ পরীক্ষা অংশগ্রহণ করেন এবং ২০২০ সালে দ্বিতীয় বর্ষ পরীক্ষার জন্য ফরম ফিলাপ করেন। বিটিইবির ওয়েবসাইটে ফরম ফিলাপের লিস্টে তাদের নামও আছে কিন্তু পরীক্ষার্থীরা প্রবেশপত্র পায়নি এমনকি তারা প্রথম বর্ষের অ্যাকাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টও পায়নি।

          সূত্র: নয়া দিগন্ত
          আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন, ৪৩৫ ঘর পুড়ে ছাই

            কক্সবাজারের টেকনাফের নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডে হোস্ট কমিউনিটির দু’টি ঘর ও কমিউনিটি সেন্টারসহ ৪৩৫ টি পরিবারের সমন্বয়ে একটি ব্লক সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

            এই ঘটনায় কারো মৃত্যুর ঘটনা না ঘটলেও ১৫-২০ জন নারী-পুরুষ আহত হয়েছেন।

            জানা যায়, বুধবার দিবাগত রাত ১ টা ২৯ মিনিটে টেকনাফ নয়াপাড়া রেজিষ্টার্ড রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পের ই-ব্লকে বুইগ্গানীর ঘর থেকে আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। প্রত্যেক বাড়িতে গ্যাস সিলিন্ডার থাকার কারণে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং এক ঘণ্টার মধ্যে পুরো ব্লকে ছড়িয়ে পড়ে।

            অগ্নিকাণ্ডে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ই-ব্লকের ৪৩২টি রোহিঙ্গা বসতির রোম, ১ টি ইউএনএইচসিআরের কমিউনিটি সেন্টার এবং পার্শ্ববর্তী ২টি স্থানীয় জনবসতির ঘরসহ ৪৩৫ টি ঘর আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

            এছাড়া পার্শ্ববর্তী ভাসমান আরও কিছু ঝুপড়ি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে বেশ কয়েকজন দাবি করেন। এই অগ্নিকাণ্ডে আগুনের উৎস সম্পর্কে কেউ নিশ্চিত হতে পারেনি। তবে অনেকে ধারণা করছেন রোহিঙ্গাদের ব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডার থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে।

            এই ব্যাপারে নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পের ক্যাম্প ইনচার্জ আব্দুল হান্নান জানান, হঠাৎ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং উৎস সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
            আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

            Comment


            • #7
              ফাইজারের টিকা নেওয়ার পর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে চিকিৎসকের মৃত্যু

              ফাইজারের টিকা নেওয়ার ১৬ দিন পর মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণে মারা গেছে যুক্তরাষ্ট্রের একজন চিকিৎসক। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে ফাইজার কর্তৃপক্ষ।

              নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, গ্রেগরি মাইকেল (৫৬) নামের ওই ধাত্রীবিদ্যাবিশারদ (গাইনোকলজিস্ট) ফ্লোরিডার মায়ামিতে কর্মরত ছিল।

              ২০২০ সালের ১৮ ডিসেম্বর তিনি ফাইজারের করোনা টিকা গ্রহণ করেছিল। তার স্ত্রী হিদি নেকলম্যান ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে দাবি করে, টিকা নেওয়ার সময় সুস্থ ছিল গ্রেগরি। এমনকি তার কোনো রোগ প্রতিরোধ বিষয়ক বিশৃঙ্খলাও ছিল না। তবে টিকা নেওয়ার পর তিনি ইডিওপ্যাথিক থ্রোমবোসাইটোপেনিক পারপুরা (আইটিপি) জনিত স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। এ সময় তার রক্তে প্লেটিলেটসের ঘাটতিও দেখা দেয়।

              হিদি নেকলম্যানের দাবি, এই টিকার কারণেই তার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। এই মৃত্যুর পেছনে আর অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে না।

              একই সঙ্গে গ্রেগরির মৃত্যুর বিষয়ে তদন্ত করছে ফ্লোরিডার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও ফেডারেল সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি)।

              এদিকে গত বুধবার মাইকেলের দেহ থেকে ময়নাতদন্তের সময় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তা এদিনই পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে সিডিসিতে।

              উল্লেখ্য যে, এর আগে ফাইজারের টিকা নেওয়ার পর পর্তুগালে এক স্বাস্থ্যকর্মীরও মৃত্যু ঘটেছিল।

              ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল জানিয়েছিল, নতুন বছরের প্রথমদিন ঘরে আচমকা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন স্বাস্থ্যকর্মী সোনিয়া অ্যাকেভেডো। টিকা নেওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছিল।

              দুই সন্তানের মা সোনিয়া পোর্তো শহরের পর্তুগিজ ইনস্টিটিউট অব অনকোলজিতে শিশুরোগ বিভাগে কর্মরত ছিলেন। এ জন্য শুরুতেই করোনার টিকা নিতে হয় তাকে।

              সোনিয়ার বাবা অ্যাবিলিও অ্যাকেভেডো স্থানীয় সংবাদ পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার মেয়ে একেবারে ঠিকঠাক ছিল। তার কোনো ধরনের শারীরিক সমস্যা ছিল না।’

              তিনি আরও বলেন, ‘সে করোনার টিকা নিয়েছিল। তার কোনো ধরনের উপসর্গ ছিল না। আমি জানি না কী হয়েছে আসলে। আমি শুধু কারণ জানতে চাচ্ছি। আমার মেয়ে কীভাবে মারা গেলে সেটি আমি জানতে চাই।’

              পরপর দু’জন টিকা গ্রহণকারী ব্যাক্তির একই কায়দাই মৃত্যুর বিষয়টি ভাবিয়ে তুলেছেন সচেতন মহলকে।

              এ ব্যাপারে আরো জানতে পড়তে পারেন…





              আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

              Comment


              • #8
                ওয়াজ মাহফিলের অনুমতির ক্ষেত্রে ত্বগুত প্রশাসনের কড়াকড়ি আরোপ

                বাংলাদেশে ওয়াজ বা ধর্মীয় সমাবেশের বক্তাদের বিভিন্ন সংগঠন অভিযোগ করেছে, এবার শীত মৌসুমে দেশের বিভিন্ন জায়গায় তাদের ওয়াজ মাহফিল করার অনুমতি দেয়ার ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন কড়াকড়ি আরোপ করছে। তারা আরও বলেছেন, অনেক জায়গায় ওয়াজ করার অনুমতিও দেয়া হচ্ছে না।

                ওয়াজ মাহফিলে বক্তাদের কয়েকটি সমিতি বা সংগঠন রয়েছে। একটি সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা হাসান জামিল জানিয়েছেন, গত মাসে দেশের আটটি জায়গায় অনুমতি না পাওয়ায় তার ওয়াজ মাহফিল করা সম্ভব হয়নি।

                তিনি বলেছেন, “কোথাও কোথাও কোন বিশেষ ব্যক্তির কারণে ওয়াজ করতে দেয়া হচ্ছে না। কোথাও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ অথবা কোথাও জনপ্রতিনিধিদের হস্তক্ষেপের কারণে প্রোগ্রাম করতে দেয়া হচ্ছে না। নানান জায়গা থেকে এরকম অভিযোগ আমাদের কাছে আসছে। “

                “বিশেষ করে বড় প্রোগ্রাম যেগুলো জেলা পর্যায়ে হয় বা বড় জমায়েত হয়, অধিকাংশ জায়গায় এমন প্রোগ্রাম করতে দেয়া হচ্ছে না” বলে তিনি মন্তব্য করেন।

                মাওলানা হাসান জামিল জানিয়েছেন, অনুমতি না দেয়ার ক্ষেত্রে স্পষ্ট কারণ বলা হয় না।

                মাহফিলে বক্তাদের আরও দু’জন অভিযোগ করেছেন, ওয়াজ মাহফিল করার সময় তাদের গোয়েন্দা সংস্থার কড়া নজরদারিতেও রাখা হয়।

                শীতের সময়েই দেশের মহানগরী, জেলা-উপজেলা এবং একেবারে গ্রাম পর্যায়ে ওয়াজ মাহফিল বা ধর্মীয় সমাবেশ হয়ে থাকে।

                ওয়াজ মাহফিলের বক্তাদের বিভিন্ন সংগঠন অভিযোগ তুলেছে, এবার তাদের ওয়াজ করার অনুমতি পাওয়ার ক্ষেত্রে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কাছে বক্তাদের তালিকা দিতে হচ্ছে।

                তারা বলেছেন, তালিকার কোন বক্তার কোন রাজনৈতিক পরিচয় আছে কিনা, এছাড়া ইউটিউবসহ সামাজিক মাধ্যমে এবং অন্য কোন এলাকায় আগে গরম বক্তব্য দিয়েছেন কিনা – এসব বিষয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে । তারা আরও অভিযোগ করেছেন, অনেক ক্ষেত্রে অনুমতি মিলছে না।

                মাহফিলে বক্তাদের মধ্যে অন্যতম একজন মাওলানা হাবিবুল্লাহ কাসেমী বলেছেন, বিতর্কিত বা উস্কানিমূলক বক্তব্য দেয়ার বিচ্ছিন্ন দু’একটি ঘটনা ঘটতে পারে। কিন্তু সামগ্রিকভাবে বক্তারা সতর্ক থাকেন বলে তিনি মনে করেন।

                “যারা দায়িত্বশীল বা ভাল আলোচক আছেন এবং শীর্ষ আলোচক যারা আছেন, তারা অবশ্যই অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বাক্য এবং শব্দ চয়ন করে থাকেন। তাদের আলোচনাগুলো গঠনমূলক হয়ে থাকে। তবে কোন কারণে যদি কোন ব্যক্তির ব্যাপারে বিতর্কিত বা উস্কানিমূলক বক্তব্য দেয়ার অভিযোগ আসে, সেটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা” বলে তিনি মনে করেন।
                আপনাদের নেক দোয়ায় আমাদের ভুলবেন না। ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: alfirdaws.org

                Comment


                • #9
                  Originally posted by Al-Firdaws News View Post
                  ফিলিস্তিনে শহীদদের কবরস্থান ভেঙে ‘তাওরাত উদ্যান’ বানাচ্ছে ইসরাইল
                  ইন্না লিল্লাহ।
                  মুসলিম হয়ে জন্মেছি আমি ইসলাম আমার ধর্ম
                  লড়বো আমি খোদার পথে এটাই আমার গর্ব।

                  Comment

                  Working...
                  X