Announcement

Collapse
No announcement yet.

বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার নয়, বেশী বেশী ক্রসফায়ার চান হিন্দু পরিষদ নেতারা!

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার নয়, বেশী বেশী ক্রসফায়ার চান হিন্দু পরিষদ নেতারা!

    সংখ্যালঘুদের ওপর সাম্প্রতিক হামলা ও খুনের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে কঠোর হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ‘আঙুল বাঁকা করুন। ব্যর্থ হলে গ্রেফতার নয় এসব অপরাধীদের ক্রসফায়ারে দেওয়া হোক।’

    নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়া নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে পুরোহিত গোপাল গাঙ্গুলী, সেবক নিত্যরঞ্জন পান্ডেসহ ধর্মযাজক, বৌদ্ধভিক্ষু, হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর শাখার যৌথ উদ্যোগে মানববন্ধনে বক্তারা এসব কথা বলেন।

    দেশে চলমান বিভিন্ন হত্যকাণ্ডের ঘটনায় সরকার কর্তৃক সারা দেশে বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের গণগ্রেফতারের মধ্যে হিন্দু নেতারা এমন দাবি জানালেন।

    বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মন্টু ঘোষ বলেন, ‘আন্তর্জাতিক চক্রান্ত চলছে। প্রধানমন্ত্রী আপনি এ আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে না পারলে জনগণকে বলুন। তারাই কঠোর ব্যবস্থা নেবেন।’

    বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সভাপতি লিটন কুমার পাল বলেন, ‘অবিলম্বে এর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এ দেশ ব্যর্থ জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত করতে সক্ষম হবে তারা।’

    বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক দিলীপ কুমার মণ্ডল বলেন, ‘দেশটাকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে পাঁয়তারা চলছে।’

    নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রঞ্জিত মণ্ডল বলেন, ‘আর সহ্য করা হবে না। দ্রুত অপরাধীদের গ্রেফতার ও বিচার না করা হলে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে।’

    বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি শংকর সাহার সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সাবেক জজ ঝুমুর গাঙ্গুলী, নারায়ণগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সহ-সভাপতি গনেশ দাস, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুজন সাহা, সহ-সভাপতি ননী গোপাল সাহা, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও অগ্রবানী প্রতিদিন পত্রিকার সহকারী সম্পাদক উত্তম সাহা, সাধারণ সম্পাদক শিপন সরকার শিখন প্রমুখ।

    bdtoday.net

    রবের প্রতি বিশ্বাস যত শক্তিশালী হবে, অন্তরে শয়তানের মিত্রদের ভয় তত কমে যাবে।

  • #2
    নিরাপত্তায় মোদির হস্তক্ষেপ চাইলেন ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বাংলাদেশি হিন্দুরা


    ----------

    বাংলাদেশে সম্প্রতি সংখ্যালঘুদের ওপর একের পর এক হামলার ঘটনায় নিরাপত্তার জন্য প্রতিবেশি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হস্তক্ষেপ কামনা করেছে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক রানা দাসগুপ্ত বার্তা সংস্থা পিটিআইকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান। সম্প্রতি হিন্দুদের ওপর ধারাবাহিক হামলার বিষয়টি ঢাকার কাছে উত্থাপন করতে ভারত সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন তিনি।

    রোববার ভারতের হিন্দুস্তান টাইমস, নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, দ্যা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, এনডিটিভি ও ইকোনোমিক টাইমসহ বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম পিটিআই-এর বরাত দিয়ে এ সংবাদে প্রকাশ করেছে।

    মানবাধিকার কর্মী রানা দাসগুপ্ত বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় হিন্দুরা দেশে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। মৌলবাদি ও জামায়াত শক্তি বাংলাদেশ থেকে হিন্দুদের অস্তিত্ব নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করছে। আমরা মনে করি ভারত একটি হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। তাদের কিছু করা উচিত।

    তিনি আরও বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি অত্যন্ত আশাবাদী। এ বিষয়ে তার ব্যবস্থা নেয়া উচিত এবং বিষয়টি বাংলাদেশ সরকারের কাছে উত্থাপন করা উচিত। মোদির বাংলাদেশি হিন্দুদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    গেল ১০ জুন ৬০ বছর বয়সী হিন্দু আশ্রম কর্মী নিত্যরঞ্জন পা-েকে কুপিয়ে হত্যা করে সন্দেহভাজন ইসলামি জঙ্গিরা। বাংলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষ কর্মীদের ওপর পাশবিক সিরিজ হামলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের নিহতদের মধ্যে চতুর্থ তিনি।

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর রানা দাসগুপ্ত দাবি করেন, ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ ও মৌলবাদি গোষ্ঠী হিন্দু সম্প্রদায়কে নির্মূল করতে চায়। বিগত দুই বছর যাবত ধর্মীয় উৎখাতের এই চেষ্টা আরও গতি অর্জন করেছে। বাংলাদেশকে একটি মৌলবাদি রাষ্ট্র হিসেবে রেখে ভারতীয় উপমহাদেশে কখনই স্থিতিশীলতা অর্জন করা যাবে না। সুতরাং ভারত যদি এ অঞ্চলে স্থিতিশীলতা চায়, তাহলে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু বিনাশ বন্ধ করতে হবে বলে জানান তিনি।

    তিনি বলেন, এক হিন্দু পুরোহিত, এক খ্রিস্টান মুদি দোকানি ও এক সন্ত্রাসবিরোধী পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীকে হত্যা করার সপ্তাহেই খুন করা হয় পা-েকে। এর আগে ফেব্রুয়ারিতে মন্দিরে এক হিন্দু পুরোহিতকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয় এবং তার সহযোগী এক ভক্তকে গুলি করে আহত করা হয়।

    রানাদাসগুপ্ত বলেন, গত এপ্রিলে রাজশাহী শহরে এক উদারপন্থি অধ্যাপককে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। একই মাসে এক হিন্দু দর্জিকে তার দোকানে কুপিয়ে হত্যা করা হয় এবং বাংলাদেশের প্রথম সমকামীদের অধিকার বিষয়ক ম্যাগাজিনের সম্পাদক ও তার বন্ধুকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ২০১৫ সালে বাংলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষ ও উদারপন্থি ব্লগারদের ওপর একইভাবে সিরিজ হামলা হয়েছে।

    বাংলাদেশে হিন্দুদের অবস্থা ভয়াবহ উল্লেখ করে রানা বলেন, যদিও আওয়ামী লীগের ধর্মনিরপেক্ষ সরকার রয়েছে। কিন্তু তৃণমূল পর্যায়ে পরিস্থিতি ভয়াবহ। ধর্ষণ, খুন, লুঠ, অগ্নিসংযোগ, হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি ধ্বংসের ঘটনা বেড়েই চলেছে।

    অভিনেতা ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায় পিটিআইকে বলেন, ভারত এ বিষয়ে চাপ প্রয়োগ না করলে বাংলাদেশ তার মৌলবাদী অবস্থান থেকে সরে দাঁড়াবে না। ভারত এ অঞ্চলের অন্যতম পরাশক্তি। তার প্রতিবেশি দেশে যখন সংখ্যালঘুদের নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছে, তখন তারা চুপ করে বসে থাকতে পারে না।

    হিন্দু পুরোহিত ও আশ্রম কর্মী নিহতের পরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনের কর্মকর্তারা। হাইকমিশনের এমন দ্রুত প্রতিক্রিয়ার প্রশংসা করেছেন বন্দ্যোপাধ্যায় ও দাসগুপ্ত। তারা বলেছেন, ভারতের আরও অনেক কিছু করতে হবে।

    ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য অধিক নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে আসছেন বাংলাদেশের হিন্দু নেতৃবৃন্দ ও মানবাধিকার কর্মীরা।

    এদিকে, এ ধরণের হত্যাকা-কে বাংলাদেশের ধর্ম নিরপেক্ষ আওয়ামী লীগ সরকারকে বিপদে ফেলার ষড়যন্ত্র হিসেবে বর্ণনা করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তিনি বলেন, বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করতে প্রকৃতপক্ষে মৌলবাদিরা ও জামায়াত এই অপকর্ম করছে।

    তথ্যমন্ত্রী ফোনে পিটিআইকে বলেন, এসব হামলা মূলত সংখ্যালঘুদের উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে না। প্রকৃত লক্ষ্য হলো আমাদের সরকারকে কলঙ্কিত করা এবং দেশকে একটি মৌলবাদি রাষ্ট্রে পরিণত করা। আমরা কখনই তা করতে দেব না। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় আমরা কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছি। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

    বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তায় ভারত ভূমিকা রাখতে আগ্রহী হলে ঢাকা কি করবে?’- এমনটা জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত খুব ভাল বন্ধু । তারা যদি আমাদের সহায়তায় এগিয়ে আসতে চায়, তাহলে নিশ্চিতভাবেই তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। এতে কোন ক্ষতি নেই
    আর প্রস্তুত কর তাদের সাথে যুদ্ধের জন্য যাই কিছু সংগ্রহ করতে পার নিজের শক্তি সামর্থ্যের মধ্যে থেকে এবং পালিত ঘোড়া থেকে, যেন আল্লাহর শত্রু ও তোমাদের শত্রুদের অন্তরে ত্রাসের সৃষ্টি হয়, আর তাদেরকে ছাড়া অন্যান্যদের উপরও যাদেরকে তোমরা জান না; আল্লাহ তাদেরকে চেনেন। বস্তুতঃ যা কিছু তোমরা ব্যয় করবে আল্লাহর রাহে, তা তোমরা পরিপূর্ণভাবে ফিরে পাবে এবং তোমাদের কোন হক অপূর্ণ থাকবে না।

    Comment


    • #3
      রাষ্ট্রদ্রোহিতার জন্য রানা দাসগুপ্তের বিচার করা উচিত

      বাংলাদেশে সম্প্রতি সংখ্যালঘুদের ওপর একের পর এক হামলার ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে প্রতিবেশি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হস্তক্ষেপ কামনা করেছে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের পক্ষে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক রানা দাসগুপ্ত। এঘটনাকে অবমাননাকর ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক বিভাগের অধ্যাপক ড. এম শাহিদুজ্জামান ও আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। রোববার সন্ধ্যায় টেলিফোনে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় তারা এ মন্তব্য করেন।

      অধ্যাপক শাহিদুজ্জামান বলেন, এটি রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক আচরণ। রাষ্ট্রদ্রোহিতার জন্য রানা দাসগুপ্তের বিচার করা উচিত। এটা অবশ্যই অবৈধ হস্তক্ষেপ। একজন আইনজ্ঞ যখন এমন কা- করেন তখন অবশ্যই তার বিচার করা উচিত।

      তিনি বলেন, তার আত্মসম্মানবোধ নেই। নিজের দেশের প্রতি তার কোন সম্মানবোধ নেই। সে একটি বিদেশি অনুগত লোক ছাড়া আর কিছুই না।

      শাহিদুজ্জামান বলেন, আত্মসম্মানবোধ থাকলে তিনি এত নিচে নিজেকে নামাতে পারতেন না। বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে সে নিজেকে অপমান করেছেন।

      এদিকে আইন অনুষদের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেন, সংখ্যালঘুদের উপর হামলা অবশ্যই নিন্দনীয়। কিন্তু এই বিষয়ে অন্যদেশের আরেকজন প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য চাওয়াকে আমি মনে করি না তিনি উচিত কাজ করেছেন। এটা বাংলাদেশ সরকারের জন্য অত্যন্ত অবমাননাকর।

      তিনি বলেন, নিরাপত্তা নিয়ে তারা সরকারের কাছে তাদের আবেদন জানাতে পারেন। নিজেদের সরকারের প্রতি তাদের আস্থা থাকা উচিত ছিল।

      ভারতে মুসলমানদের নির্যাতিত হওয়ার কথা উল্লেখ করে আসিফ নজরুল বলেন, তারা কি পাকিস্তান বা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তক্ষেপ চেয়েছেন?
      Last edited by Abu Anwar al Hindi; 06-12-2016, 10:18 PM.
      আর প্রস্তুত কর তাদের সাথে যুদ্ধের জন্য যাই কিছু সংগ্রহ করতে পার নিজের শক্তি সামর্থ্যের মধ্যে থেকে এবং পালিত ঘোড়া থেকে, যেন আল্লাহর শত্রু ও তোমাদের শত্রুদের অন্তরে ত্রাসের সৃষ্টি হয়, আর তাদেরকে ছাড়া অন্যান্যদের উপরও যাদেরকে তোমরা জান না; আল্লাহ তাদেরকে চেনেন। বস্তুতঃ যা কিছু তোমরা ব্যয় করবে আল্লাহর রাহে, তা তোমরা পরিপূর্ণভাবে ফিরে পাবে এবং তোমাদের কোন হক অপূর্ণ থাকবে না।

      Comment

      Working...
      X