Announcement

Collapse
No announcement yet.

বাংলাদেশকে খণ্ডবিখণ্ড করতে চাওয়া কি হিন্দুদের জন্য নতুন কোন কিছু নাকি পুরোনো অধ্যায়&#

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • বাংলাদেশকে খণ্ডবিখণ্ড করতে চাওয়া কি হিন্দুদের জন্য নতুন কোন কিছু নাকি পুরোনো অধ্যায়&#

    বাংলাদেশকে নিয়ে বিশেষ একটি প্ল্যান আছে সম্রাজ্যবাদীদের। তারা চাইছে বাংলাদেশের একটা অংশ নিয়ে ভিন্ন রাষ্ট্র গঠন করতে। আর এ রাষ্ট্রগুলো তুলে দেওয়া হবে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু গোষ্ঠীগুলোর হাতে। এরপর আমি কিছু স্ক্রিনশটও আপনাদের দেখলাম যেখানে ইতিমধ্যে হিন্দুরা বাংলাদেশকে খণ্ড করে পৃথক ভূমির জন্য দাবি-দাওয়া শুরু করে দিয়েছে। এখন কথা হচ্ছে, এই যে বাংলাদেশকে খণ্ডবিখণ্ড করার যে কথাগুলো আসছে, এগুলো কি হিন্দুদের জন্য নতুন কোন কিছু ?? না মোটেও নয়। এর আগেও হিন্দুরা বাংলাদেশের একটি অংশকে ছিন্ন করে পৃথক রাষ্ট্র গঠনের ষড়যন্ত্র করেছিলো। সেই নব গঠিত হিন্দু রাষ্ট্রটির নাম ‘বঙ্গভূমি’। বঙ্গভূমি কি ? বাংলাদেশের দক্ষিন-পশ্চিমের জেলাগুলো নিয়ে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র "বঙ্গভূমি" প্রতিষ্ঠা করার লক্ষে ১৯৭৩ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এর পেছনে বর্তমানে সমর্থন আছে কালিদাস বৈদ্যের পরিচালিত বঙ্গসেনা , শক্তিসেনের হিন্দু প্রজাতন্ত্র, বিমল মজুমদারের বাংলাদেশ উদ্বাস্ত উন্নয়ন পরিষদ, চিত্তরন্জন সুতারের বীর বঙ্গ সেনা। মতাদর্শ: সংঠনটির দাবি অনুযায়ী ১৯৪৭ সালে পূর্ব বাংলার জনসংখ্যার ৩০% হিন্দু ছিল। কিন্তু ২০০২ সাল নাগাদ এই হার ১০% এ নেমে আসে। অর্থাৎ বিপুল সংখ্যক হিন্দু ভারতে চলে যেতে বাধ্য হয়,অন্য দিকে ভারতের নতুন আইন অনুযায়ী এদের ভারতের নাগরিক হওয়ারও সুযোগ নেই।তাই এদের হাতে ভিন্ন কোন রাস্তা খোলা নেই। বঙ্গভূমির আয়তন ও সীমানা: প্রস্তাবিত বঙ্গভূমি বাংলাদেশের বৃহত্তর খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া , ফরিদপুর, বরিশাল এবং পটুয়াখালী নিয়ে গঠিত। এর মোট আয়তন প্রায় ২০ হাজার বর্গ মাইল যা বাংলাদেশের মোট আয়তনের এক-তৃতিয়াংশের অধিক। এর সীমানা- উত্তরে পদ্মা, পূর্বে মেঘনা, পশ্চিমে ভারত-বাংলাদেশ সীমানা ও দক্ষিনে বঙ্গপোসাগর। হিন্দু রিপাবলিক অব বীর বঙ্গ ২০০২ সালে পশ্চিম বঙ্গে নতুন স্বাধীন হিন্দু রাষ্ট্র "হিন্দু রিপাবলিক অফ বীর বঙ্গ" এর প্রতিষ্ঠার আনুষ্ঠানিক ঘোসনা করা হয়। চিটাগং এর পাহাড়ি এলাকার শক্তিগড়কে রাজধানী এবং খুলনা জেলার সুরইয়া কেন্ডরামকে ওয়ারকিং ক্যাপিটাল ঘোসনা করা হয়। (বিস্তারিত- http://goo.gl/lQy9o8)
    Last edited by Usama Mahmud Hindustani; 07-18-2016, 04:14 PM.

  • #2
    Usama Mahmud Hindustani

    জাজাক আল্লাহ খাইর

    ভাই ফোরামে short link না দেয়া উত্তম।



    রবের প্রতি বিশ্বাস যত শক্তিশালী হবে, অন্তরে শয়তানের মিত্রদের ভয় তত কমে যাবে।

    Comment


    • #3
      যাযাক আল্লাহ
      “মাছের জন্য যেমন পানি প্রয়োজন
      তেমনি মুজাহিদিনের জন্য জনগণের সমর্থন প্রয়োজন'

      Comment


      • #4
        জাযাকাল্লাহ

        Comment


        • #5
          আসলে হিন্দুদের মুসলিম বিরোধী ক্ষোভ সোমনাথ মন্দির ধ্বংসের পর থেকেই শুরু হয়েছে।কারন সোমনাথ ছিল তাদের কেবলা।এই কেবলা রক্ষা করতে তারা প্রচুর রক্ত ঝরিয়ছে।সুলতান মাহমুদ গজনবী রহ: ও তাদের বিরুদ্ধে সফল অভিযান চালিয়ে তাদের মিথ্যা কেবলা ও মিথ্যা খোদাকে তাদের সামনে চূর্ণ বিচূর্ণ করেছেন।তখন যারা হেদায়াত পাওয়ার তারা তো পেয়েছেন।বাকিরা মিথ্যার উপরই অটল থেকে সত্য দমনের চেষ্টায় লিপ্ত হয়ে গেল।ভারতে বাবরি মসজিদ শহিদ করা সেই পূর্বের প্রতিশোধ প্রবণ লোকদেরই কাজ।আজ কাশ্মিরে যা ঘটছে তাও তাদের হিন্দু রাশ্ট্র গড়ার আন্দোলন।হিন্দুরা মুসলিমদের বিরুদ্ধে ইংরেজদের পক্ষপাতিত্বর কারণও একই।আর মানুষ হিন্দু বা মুসলিম,ইহুদি বা খৃষ্টান যাই হোক নিজ ধর্ম প্রতিষ্টায় রক্ত ঝরাবে এটাই স্বভাবিক।কিন্তু যে বিষয়টি বিন কাসিম ও গজনবীর রক্তে জোয়ার আনে তাহলো কোন নিরপরাধ অসহায় মুসলিমের প্রতি হাত রাড়ানো।হে কাপুরুষ কাফেরের দল!তোমরা কি ভুলে গেছ,এর পরিণামে আজও কত গজনবি ও মুহাম্মাদ বিন কাসিমের জন্ম হতে পারে?যারা তোমাদের মথার ভুত সেভবে দূর করবে যেভাবে দূর হয়েছিল জয়পালের।
          শত্রু অভিমুখী যুদ্ধা।

          Comment


          • #6
            আসলে হিন্দুদের মুসলিম বিরোধী ক্ষোভ সোমনাথ মন্দির ধ্বংসের পর থেকেই শুরু হয়েছে।কারন সোমনাথ ছিল তাদের কেবলা।এই কেবলা রক্ষা করতে তারা প্রচুর রক্ত ঝরিয়ছে।সুলতান মাহমুদ গজনবী রহ: ও তাদের বিরুদ্ধে সফল অভিযান চালিয়ে তাদের মিথ্যা কেবলা ও মিথ্যা খোদাকে তাদের সামনে চূর্ণ বিচূর্ণ করেছেন।তখন যারা হেদায়াত পাওয়ার তারা তো পেয়েছেন।বাকিরা মিথ্যার উপরই অটল থেকে সত্য দমনের চেষ্টায় লিপ্ত হয়ে গেল।ভারতে বাবরি মসজিদ শহিদ করা সেই পূর্বের প্রতিশোধ প্রবণ লোকদেরই কাজ।আজ কাশ্মিরে যা ঘটছে তাও তাদের হিন্দু রাশ্ট্র গড়ার আন্দোলন।হিন্দুরা মুসলিমদের বিরুদ্ধে ইংরেজদের পক্ষপাতিত্বর কারণও একই।আর মানুষ হিন্দু বা মুসলিম,ইহুদি বা খৃষ্টান যাই হোক নিজ ধর্ম প্রতিষ্টায় রক্ত ঝরাবে এটাই স্বভাবিক।কিন্তু যে বিষয়টি বিন কাসিম ও গজনবীর রক্তে জোয়ার আনে তাহলো কোন নিরপরাধ অসহায় মুসলিমের প্রতি হাত রাড়ানো।হে কাপুরুষ কাফেরের দল!তোমরা কি ভুলে গেছ,এর পরিণামে আজও কত গজনবি ও মুহাম্মাদ বিন কাসিমের জন্ম হতে পারে?যারা তোমাদের মথার ভুত সেভবে দূর করবে যেভাবে দূর হয়েছিল জয়পালের।
            শত্রু অভিমুখী যুদ্ধা।

            Comment


            • #7
              masallah vai khuv sundor likhechen...
              আল&#2509
              যে জাতি তার ইতিহাস ভুলে যায় সে জাতি কখনই সামনে অগ্রসর হতে পারেনা...

              Comment

              Working...
              X