Announcement

Collapse
No announcement yet.

শবে বরাত ভিত্তিহীন নির্ভরযোগ্য কোন হাদিস দ্বারা প্রমানিত নয়

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • শবে বরাত ভিত্তিহীন নির্ভরযোগ্য কোন হাদিস দ্বারা প্রমানিত নয়

    শবে বরাতের ব্যাপারে কোন সহীহ হাদিস নেই।
    যত হাদিস আছে এ ব্যাপারে সবগুলোই জাল অথবা নিতান্তই দুূর্বল।একটি মাত্র হাদিস আছে যেটি বাহ্যিকভাবে গ্রহণযোগ্য বুঝা যায় কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটিও দুর্বল।
    একটি কথা বুঝুন গ্রহণযোগ্য হাদিস ৪ প্রকার।এর সর্বশেষ প্রকার হলো হাসান লিগাইরীহী যার মাধ্যমে দলীল দেওয়া যায়।
    যে হাদিসটি বাহ্যিকভাবে সহীহ বুঝা যায়
    সেটি হলো
    আল্লাহ তায়ালা শাবানের ১৫ তারিখ রাতে বান্দার দিকে মনোযোগ দেন সমস্ত লোককে ক্ষমা করে দেন শুধুমাত্র মুশরিক ও কৃপন ছাড়া।
    এ হাদিসটির সনদ ও মতনে ইযতিরাব রয়েছে।সুতরাং হাদিসটি মুযতারিব।
    মুযতারিব বলা হয় যে হাদিস শক্তির দিক দিয়ে সমান কয়েকটি সুত্রে বর্নিত কিন্তু একটি আরেকটির বিপরীত।
    এর ইযতিরাব দেখার জন্য ইমাম দারেকুতনী রহঃ এর ইলালের ৯৭০,১১৬৯,
    ৩৫৭৩ নং হাদিস দ্রষ্টব্য।
    দারেকুতনীর মধ্য সনদের ইযতিরাব পাবেন আর মতনের ইযতিরাব হলো মুসনাদে আহমদের ৬৬৪২ নং হাদিস ও বাকি হাদিস
    গুলোর মধ্যে সেটিতে আছে ২ প্রকার লোককে ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দেন ২ প্রকার হলো কৃপন ও আত্নহত্যকারী কিন্তু অন্যান্য বর্ননায় এসেছে কৃপন ও মুশরিক।
    মুযতারিব হাদিসের হুকুম হলো এটি যয়ীফ
    যদি এগুলোর মাঝে সামঞ্জস্য বা কোন একটি রেওয়ায়েতকে প্রাধান্য দেওয়া না যায়।
    সুতরাং এ হাদিসটি সহীহ সাব্যস্ত করতে হলে
    এর ইযতিরাব দূর করা আবশ্যক।কিন্তু যারাই এটিকে সহীহ বলেন এর ইযতিরাব দূর করেননি।
    আলবানী রহঃ এটিকে সহীহ সাব্যস্ত করেছেন
    মুতাবায়াতের মাধ্যমে। এটি জানা কথা মুতাবায়াতের মাধ্যমে যয়ীফ সহীহ হয়ে যায়না
    হাসান লিগাইরিহী হবে যা মাকবুলের প্রকার সহীহর প্রকার নয়। কিন্তু মুযতারিব হাদিসের মাধ্যমে মুতাবায়াত হয়না এজন্য আগে ইযতিরাব দূর করা দরকার পরে মুতাবায়াত,কারন সনদগতভাবে সবগুলোই দুর্বল(আর কয়েকটি দুর্বল হাদিস মিলে যে হাদিস হয় সেটি হলো হাসান লিগাইরিহি,এর দ্বারা দলীল দেওয়া যায়)।এজন্য এখানে আলবানী রহঃ এর কথা ধর্তব্য নয়,কারন তিনি ইযতিরাব দূর করেননি।
    আর আব্দুল মালেক দাঃ বাঃ এর একটি লিখা এক ভাই পোস্ট করেছেন যেখানে এ হাদিসটিকে তিনি মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন।কিন্তু এটি স্পষ্ট বিষয়ের বিপরীত
    কারন মুসলিমের মতেও ঐ হাদিস সহীহ নয় যার ইনকিতার সম্ভবনা বেশি অথবা ইনকিতা সাব্যস্ত(ইনকিতা হলো একজন বারী আরেকজন থেকে হাদিস বর্ননা করা যার থেকে বর্না করেছেন তার থেকে হাদিস না শোনার প্রমান বিদ্যমান আছে)আর এখানে ইনকিতা সাব্যস্ত।
    মাকহুল মালেক ইবনে ইয়ুখামির থেকে শোনেননি আর এটি এ সুত্রে বর্নিত সুতরাং ইনকিতা সাব্যস্ত এটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলার প্রশ্নই আসেনা।
    সুতরাং মোটকথা হলো সুত্রগতভাবে একটি হাদিস ও সহীহ নয়।আলবানী রহঃ মুতাবায়াতের কারনে সহীহ বলেছেন কিন্তু মুতাবায়াতের মাধ্যমে যয়ীফ সহীহ হয়না হাসান লিগাইরিহী হয়।কিন্তু এ মুতাবায়াত ভুল প্রচন্ড ইযতিরাবের কারনে।ইযকিরাবকৃত হাদিন দ্বারা মুতাবায়াত হয়না।
    আমার আলোচনায় ভুল হলে দালিলবিত্তিক সংশোধনের আবেদন রইলো।

  • #2
    আখি, জাযাকাল্লাহু খাইরান। আখি কিছু কথা, মুসলিম সমাজে কিছু আমল সাহাবায়ে কিরাম র. দের সময় থেকেই চলে আসছে। তম্যধ্যে এটিও একটি। হয়ত এখনকার সময়ে বেশি বাড়াবাড়ি হচ্ছে। যা পরিত্যাগ করার। মুসলিমরা এর উপর আমল তখন থেকেই করছে যখন হাদিসের মানদণ্ড নির্ণয় হয়নি। ভুল হলে শুধ্রে দিবেন।
    আল্লাহ আমাদের ঈমানী হালতে মৃত্যু দান করুন,আমিন।
    আল্লাহ আমাদের শহিদী মৃত্যু দান করুন,আমিন।

    Comment


    • #3
      বখতিয়ার ভাই!মুসলিম সমাজে এ আমল সাহাবীদের সোনালী যুগ থেকে চলে আসছে
      এ কথাটি ঠিক নয়।কারন এমন হলে সবাইই এটা গ্রহন করে নিতো।আমি এমন কোন
      রেওয়ায়াত পাইনি।আপনার জানা থাকলে জানান।কারো এ দাবীই যথেষ্ট নয় যে,এটি সাহাবীদের
      যুগ থেকে চলে আসছে বরং নির্ভরযোগ্য সুত্রে প্রমান থাকা দরকার।

      Comment


      • #4
        ভাই!এটি সাহাবীদের থেকে নির্ভরযোগ্য সুত্রে প্রমানিত নয়।যার কারনে গ্রহনযোগ্য নয়।
        আপনি নির্ভরযোগ্য সুত্রে পেলে জানান তওবা করবো আর না পেলে বাস!

        Comment


        • #5
          ফোরামে এই ধরনের আলোচোনার কোন খায়ের আছে কি? আপনি পালন করতে না চাইলে না করুন, যারা করছে করুক ভাই। এখনে ইখতেলাফের যথেষ্ট সুযোগ আছে
          Last edited by topu ahmed; 05-12-2017, 11:02 AM.
          বিজয় তো এসেই গেছে

          Comment


          • #6
            প্রিয় আখিগন, অনেক সময় কমেন্টের দ্বারা আসল সত্যাটা বের হয়ে আসে, যা এখানে ধটছে।
            প্রিয় ভাইয়েরা যদি শরিয়তে এর ভিত্তি নাইই থাকে তাহলে খতিব সাহেবরা কিসের উপর ভিত্তি করে এত এত বয়ান দেই!??? শবে বরাত নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ আর্টিকেল পোস্ট করার অনুরোধ করছি।
            # পোস্টে এই বিষয়গুলো রাখার অনুরোধ করছি,
            ১/ যেই হাদিসগুলো দিয়ে দলিল দেই সেই হাদিসগুলো উল্লেখ করা সহ, হাদিসগুলো কোন কোন কিতাবে আছে ও হাদিসগুলোর কি মান রয়েছে।
            ২/ ঐ হাদিসগুলো কি আমলযোগ্য নাকি আমলযোগু না।
            আল্লাহ আমাদের ঈমানী হালতে মৃত্যু দান করুন,আমিন।
            আল্লাহ আমাদের শহিদী মৃত্যু দান করুন,আমিন।

            Comment


            • #7
              (ফোরামে এই ধরনের আলোচোনার কোন খায়ের আছে কি? আপনি পালন করতে না চাইলে না করুন, যারা করছে করুক ভাই। এখনে ইখতেলাফের যথেষ্ট সুযোগ আছে)।যে যাই বলেন, আমি ঠিকই উপকার পাচ্ছি ।তাই ফোরামের আলোচনার উপর নির্ভর করে এবং আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানকে কাজে বুঝিয়েছি ।

              Comment


              • #8
                Originally posted by karimul islam View Post
                শবে বরাতের ব্যাপারে কোন সহীহ হাদিস নেই।
                যত হাদিস আছে এ ব্যাপারে সবগুলোই জাল অথবা নিতান্তই দুূর্বল।একটি মাত্র হাদিস আছে যেটি বাহ্যিকভাবে গ্রহণযোগ্য বুঝা যায় কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটিও দুর্বল।
                একটি কথা বুঝুন গ্রহণযোগ্য হাদিস ৪ প্রকার।এর সর্বশেষ প্রকার হলো হাসান লিগাইরীহী যার মাধ্যমে দলীল দেওয়া যায়।
                যে হাদিসটি বাহ্যিকভাবে সহীহ বুঝা যায়
                সেটি হলো
                আল্লাহ তায়ালা শাবানের ১৫ তারিখ রাতে বান্দার দিকে মনোযোগ দেন সমস্ত লোককে ক্ষমা করে দেন শুধুমাত্র মুশরিক ও কৃপন ছাড়া।
                এ হাদিসটির সনদ ও মতনে ইযতিরাব রয়েছে।সুতরাং হাদিসটি মুযতারিব।
                মুযতারিব বলা হয় যে হাদিস শক্তির দিক দিয়ে সমান কয়েকটি সুত্রে বর্নিত কিন্তু একটি আরেকটির বিপরীত।
                এর ইযতিরাব দেখার জন্য ইমাম দারেকুতনী রহঃ এর ইলালের ৯৭০,১১৬৯,
                ৩৫৭৩ নং হাদিস দ্রষ্টব্য।
                দারেকুতনীর মধ্য সনদের ইযতিরাব পাবেন আর মতনের ইযতিরাব হলো মুসনাদে আহমদের ৬৬৪২ নং হাদিস ও বাকি হাদিস
                গুলোর মধ্যে সেটিতে আছে ২ প্রকার লোককে ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দেন ২ প্রকার হলো কৃপন ও আত্নহত্যকারী কিন্তু অন্যান্য বর্ননায় এসেছে কৃপন ও মুশরিক।
                মুযতারিব হাদিসের হুকুম হলো এটি যয়ীফ
                যদি এগুলোর মাঝে সামঞ্জস্য বা কোন একটি রেওয়ায়েতকে প্রাধান্য দেওয়া না যায়।
                সুতরাং এ হাদিসটি সহীহ সাব্যস্ত করতে হলে
                এর ইযতিরাব দূর করা আবশ্যক।কিন্তু যারাই এটিকে সহীহ বলেন এর ইযতিরাব দূর করেননি।
                আলবানী রহঃ এটিকে সহীহ সাব্যস্ত করেছেন
                মুতাবায়াতের মাধ্যমে। এটি জানা কথা মুতাবায়াতের মাধ্যমে যয়ীফ সহীহ হয়ে যায়না
                হাসান লিগাইরিহী হবে যা মাকবুলের প্রকার সহীহর প্রকার নয়। কিন্তু মুযতারিব হাদিসের মাধ্যমে মুতাবায়াত হয়না এজন্য আগে ইযতিরাব দূর করা দরকার পরে মুতাবায়াত,কারন সনদগতভাবে সবগুলোই দুর্বল(আর কয়েকটি দুর্বল হাদিস মিলে যে হাদিস হয় সেটি হলো হাসান লিগাইরিহি,এর দ্বারা দলীল দেওয়া যায়)।এজন্য এখানে আলবানী রহঃ এর কথা ধর্তব্য নয়,কারন তিনি ইযতিরাব দূর করেননি।
                আর আব্দুল মালেক দাঃ বাঃ এর একটি লিখা এক ভাই পোস্ট করেছেন যেখানে এ হাদিসটিকে তিনি মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন।কিন্তু এটি স্পষ্ট বিষয়ের বিপরীত
                কারন মুসলিমের মতেও ঐ হাদিস সহীহ নয় যার ইনকিতার সম্ভবনা বেশি অথবা ইনকিতা সাব্যস্ত(ইনকিতা হলো একজন বারী আরেকজন থেকে হাদিস বর্ননা করা যার থেকে বর্না করেছেন তার থেকে হাদিস না শোনার প্রমান বিদ্যমান আছে)আর এখানে ইনকিতা সাব্যস্ত।
                মাকহুল মালেক ইবনে ইয়ুখামির থেকে শোনেননি আর এটি এ সুত্রে বর্নিত সুতরাং ইনকিতা সাব্যস্ত এটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলার প্রশ্নই আসেনা।
                সুতরাং মোটকথা হলো সুত্রগতভাবে একটি হাদিস ও সহীহ নয়।আলবানী রহঃ মুতাবায়াতের কারনে সহীহ বলেছেন কিন্তু মুতাবায়াতের মাধ্যমে যয়ীফ সহীহ হয়না হাসান লিগাইরিহী হয়।কিন্তু এ মুতাবায়াত ভুল প্রচন্ড ইযতিরাবের কারনে।ইযকিরাবকৃত হাদিন দ্বারা মুতাবায়াত হয়না।
                আমার আলোচনায় ভুল হলে দালিলবিত্তিক সংশোধনের আবেদন রইলো।
                jazakallah
                ان الدين عندالله الاسلام
                ইসলামই একমাত্র আল্লাহর মনোনিত ধর্ম

                Comment


                • #9
                  আল্লাহু আকবার! ফোরামে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে কেন? ভাইয়েরা কি চান ফুরুয়ী মাসআলা নিয়ে ফোরামে ভাইয়েরাও দুই পক্ষে বিভক্ত হয়ে যান?
                  বিন কাসিমের রণ বেশে
                  কাঁপন তুলো হিন্দ দেশে!
                  দিকে দিকে লাগাও নারাহ
                  জিহাদেই শান্তির ফোয়ারা!!

                  Comment


                  • #10
                    আখি ফিল্লাহ!প্রত্যেকের কাছেই যথেষ্ট পরিমান দলীল রয়েছে।আমরা বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে চাইনা।
                    আমরা কাউকে শবে বারাআত পালনে আহব্বানও করিনা এবং কাউকে শবে বারাআত পালন না করার কারনে তিরস্কারও করিনা।এটা নফল যা প্রত্যেক্যের জন্য ঐচ্ছিক বিষয়। কিন্তু যখন একটি বিষয়ে ছহিহ এবং যয়ীফ হাদীস বিদ্যমান থাকা এবং
                    তার সাথে ইমাম ইবনে হিব্বান, শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়াহ রহিমাহুল্লা, নাসির উদ্দিন আলবানী সহ আরো অনেক জবরদস্ত আলেমের সমর্থন থাকা সত্বেও বিষয়টিকে ভিত্তিহীন, অনির্ভর যোগ্য,বিদআত বলে প্রচার করা কতটা ন্যায়সঙ্গত হতে পারে?
                    প্রত্যেকেই নিজমতের পক্ষে দলীল পেশ করতে পারবে এটা তার অধিকার কিন্ত বিরোধী মতকে দলীল বিদ্যমান থাকা অবস্থায় ভিত্তিহীন অনির্ভরযোগ্য বলার কোন অধিকার আমার, আপনার এবং কারোরই নেই।
                    আখি ফিল্লাহ !এবিষয়ে বেশী কথা বলতে চাইনা।তবে শুধু আপনার কাছে একটি প্রশ্নঃযয়ীফ হাদিস এবং যে হাদিস ছহীহ হওয়ার ব্যাপারে মুহাদ্দিসিনদের ইখতেলাফ রয়েছে তারউপর আমল করা কি বিদআত?
                    আমি যতটুকু জানি, অধিকাংশ মুহাদ্দিস একমক , যয়ীফ হাদিসের উপর আমল করা যাবে কিন্ত তা শরীয়তের আহকামের দলীল হতে পারবেনা।
                    শামের জন্য কাঁদো.....

                    Comment


                    • #11
                      Originally posted by banglar omor View Post
                      আখি ফিল্লাহ!প্রত্যেকের কাছেই যথেষ্ট পরিমান দলীল রয়েছে।আমরা বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে চাইনা।
                      আমরা কাউকে শবে বারাআত পালনে আহব্বানও করিনা এবং কাউকে শবে বারাআত পালন না করার কারনে তিরস্কারও করিনা।এটা নফল যা প্রত্যেক্যের জন্য ঐচ্ছিক বিষয়। কিন্তু যখন একটি বিষয়ে ছহিহ এবং যয়ীফ হাদীস বিদ্যমান থাকা এবং
                      তার সাথে ইমাম ইবনে হিব্বান, শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়াহ রহিমাহুল্লা, নাসির উদ্দিন আলবানী সহ আরো অনেক জবরদস্ত আলেমের সমর্থন থাকা সত্বেও বিষয়টিকে ভিত্তিহীন, অনির্ভর যোগ্য,বিদআত বলে প্রচার করা কতটা ন্যায়সঙ্গত হতে পারে?
                      প্রত্যেকেই নিজমতের পক্ষে দলীল পেশ করতে পারবে এটা তার অধিকার কিন্ত বিরোধী মতকে দলীল বিদ্যমান থাকা অবস্থায় ভিত্তিহীন অনির্ভরযোগ্য বলার কোন অধিকার আমার, আপনার এবং কারোরই নেই।
                      আখি ফিল্লাহ !এবিষয়ে বেশী কথা বলতে চাইনা।তবে শুধু আপনার কাছে একটি প্রশ্নঃযয়ীফ হাদিস এবং যে হাদিস ছহীহ হওয়ার ব্যাপারে মুহাদ্দিসিনদের ইখতেলাফ রয়েছে তারউপর আমল করা কি বিদআত?
                      আমি যতটুকু জানি, অধিকাংশ মুহাদ্দিস একমক , যয়ীফ হাদিসের উপর আমল করা যাবে কিন্ত তা শরীয়তের আহকামের দলীল হতে পারবেনা।

                      জাযাকাল্লাহু খাইরান। আশা করি, এবিষয়টি আলোচনা করা ভাইয়েরা বন্ধ করবেন।
                      আল্লাহ আমাদের ঈমানী হালতে মৃত্যু দান করুন,আমিন।
                      আল্লাহ আমাদের শহিদী মৃত্যু দান করুন,আমিন।

                      Comment


                      • #12
                        কারিমুল ইসলাম ভাই! আপনার কয়েকটি কথার দলিল লাগবে:
                        ১. আপনি মাকহুল ও ইবনে ইয়ুখামির মাঝে ইনকিতাি থাকার কথা নিশ্চিতভাবে বললেন। তো এটা প্রমাণ সহ বলুন। অথচ মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেবের লেখাটিতে বলা হয়েছে যে, উক্ত হাদিসটি মুসলিমের শর্ত অনুযায়ী মুত্তাসিল।এবং বলা হয়েছে যে, ইমাম যাহাবী রহ: যে সাক্ষাৎ না হওয়ার কথা বলেছেন,এটা তিনি দৃঢ়ভাবে বলেননি।
                        ২. আাপনি বলেছেন: মুযতারিব বলা হয় যে হাদিস শক্তির দিক দিয়ে সমান কয়েকটি সুত্রে বর্নিত কিন্তু একটি আরেকটির বিপরীত।
                        তো আপনি যেগুলোর সাথে বৈপরীত্ব সাব্যস্ত করেছেন, সেগুলোও কি শক্তির দিক থেকে একই মানের কি না, নাকি সবগুলোর সনদে বিভিন্ন সমস্যা, আর যেটির সনদে কোন সমস্যা নেই, সেটিই গ্রহণ করা হয়েছে? এটা নিশ্চিত করুন!
                        ভাই! আপনি ইযতিরাবের সবগুলো রেওয়ায়াত উল্লেখ করুন, তারপর দেখিয়ে দিন যে, এখানে শব্দের এই পার্থক্য, এখানে সনদের এই পার্থক্য। আর সবগুলো সনদ মানের দিক থেকে এক। উপরন্তু সেই বৈপরিত্বপূর্ণ সনদটি দিয়েই দলিল দেওয়া হয়েছে।
                        তাহলে একটা নিশ্চিত ধারণা পাওয়া যাবে। অন্যথায় দলিল ছাড়া মুখের কথায় ইনকিতা থাকার কথা বলে দিলে বুঝবো কিভাবে?

                        Comment


                        • #13
                          এই ইস্যুটা পুরাতন আর এই ব্যাপারে দুই পক্ষের মতামত বিস্তারিতভাবে সবারই জানা আছে। তাই, ফোরামে এই ব্যাপারে কপি-পেষ্ট করে কোন আলোচনা কাম্য নয়, কারণ এটি ফুরুয়ী একটি বিষয়।

                          তবে ইবনুল খাত্তাব ভাই যেভাবে টু দি পয়েন্টে আলোচনা শুরু করছেন, এইভাবে যারা এই ইস্যুতে ইলমী আলোচনা করতে পারবেন, তারা এখানে কমেন্ট করবেন / আলোচনা জারি রাখতে পারেন ইনশাআল্লাহ। এতে ইলমুল হাদিস ও ইলমুল ফিকহের ব্যাপারে আমাদের কিছু জ্ঞান লাভ হবে ইনশাআল্লাহ। তবে আলোচনায় তালেবে ইলম সুলভ বৈশিষ্ট্য বজায় রাখা কাম্য।
                          কথা ও কাজের পূর্বে ইলম

                          Comment


                          • #14
                            ভাই আমি এখানে সংক্ষিপ্তাকারে পোস্ট করেছি বিস্তারিত করিনি।কারন এ সাধারন বিষয়ে বিস্তারিত পোস্ট করা
                            সময় নষ্ট ছাড়া কিছু মনে করিনা।তাই আমি বিস্তারিত লিখবো ও না যে,সব হাদিস উল্লেখ করে ইযতিরাব সাব্যস্ত করবো।
                            যার মনে চায় তাহকীক করার তার জন্য আমি উদ্ধৃতি দিয়ে দিয়েছি
                            العلل لدار القطني নামক কিতাবে দেখে নিন।আর আব্দুল মালেক সাহেবের উক্তি মাকহুলের ও ইবনে ইয়ুখামিরের (রহঃ)মাঝে ইনকিতা এটি ইমাম যাহাবী রহঃ চুড়ান্তভাবে বলেননি কথাটি কতটুকু ঠিক নিজেই যাচাই করে দেখুন।স্বয়ং আলবানী রহঃ সিলসিলাতুল আহাদিসিস সাহিহাতে বলেছেন যদি এটি না থাকতো তাহলে হাদিসটি সহীহ
                            হয়ে যেতো।
                            আর এটি মুসলিমেরশর্তে মুত্তাসিল হওয়ার কোন সম্ভবনা নাই।কারন তার মতে হাদিসে মুয়ানয়ানের ক্ষেত্রে কয়েকটিশর্ত আছে।এর মধ্যে একটি হলো সমযোগীয় হওয়া ও শ্রবনের সম্ভবনা থাকা।ইমাম যাহাবী রহঃ এটি যদিও( আব্দুল মালেক
                            সাহেব দাঃ বাঃ কথা মেনে নিয়ে বলা হয়)দৃঢ়ভাবে না বলে থাকেন কমপক্ষেতো এ উক্তির মাধ্যমে
                            ইনকিতার সম্ভবনা সৃষ্টি হলো ও সাক্ষাতের সম্ভবনা দুর হলো তাহলে এতে ইমাম
                            মুসলিমের শর্ত কিভাবে পাওয়া গেলো যে,তাদের মাঝে সাক্ষাতের সম্ভবনা বিদ্যমান?সুতরাং এটি মুসলিমেরশর্তে সহীহ হওয়ার কোন প্রশ্নই হয়না।এমন হলে আলবানী রহঃ ই এটিকে এভাবে সাব্যস্ত করতেন অথচ তিনি এটির ব্যাপারে বলেছেন
                            ঐ উক্তি যা উপরে বর্ননা করা হলো সিলসিলার উদ্ধৃতি দিয়ে।
                            এ হাদিসটি মাকহুল রহঃ থেকে ইনকিতার সহিত মুক্তাসিল, মাওকুফ,মুরসালরুপে বর্নিত কোনটিকে পাধান্য দিবেন?
                            বাকি ইযতিরাব কিতাবে দেখুন।এ সাধারন বিষয়ে আর কোন পোস্ট দিবোনা ইনশাআল্লাহ।

                            Comment


                            • #15
                              এ বিষয়ে যেহেতু প্রত্যেকেরই দলিল রয়েছে, তাই এখানে ফুরুয়ী ইখতিলাফে এত মাতামাতি না করাই ভাল হবে।
                              Last edited by salahuddin aiubi; 05-13-2017, 01:43 PM.

                              Comment

                              Working...
                              X