Announcement

Collapse
No announcement yet.

ফিকহুল জিহাদ: জিহাদ উম্মাহর প্রত্যেকের দায়িত্ব!

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • ফিকহুল জিহাদ: জিহাদ উম্মাহর প্রত্যেকের দায়িত্ব!

    আল্লাহ রাব্বুল আলামীন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পাঠিয়েছেন তাঁর দ্বীনকে পূর্ণ করার জন্য। তাঁর দ্বীনকে অন্য সকল দ্বীনের উপর বিজয়ী করার জন্য।

    আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন,

    هُوَ الَّذِي أَرْسَلَ رَسُولَهُ بِالْهُدَى وَدِينِ الْحَقِّ لِيُظْهِرَهُ عَلَى الدِّينِ كُلِّهِ وَلَوْ كَرِهَ الْمُشْرِكُونَ

    “তিনিই তাঁর রাসূলকে হিদায়াত ও সত্য দ্বীন দিয়ে প্রেরণ করেছেন, যেন তিনি সকল দ্বীনের উপর তা বিজয়ী করে দেন। যদিও মুশরিকরা তা অপছন্দ করে।” (ছফ: ৯)



    দ্বীনের বিজয় তখনই হবে যখন সারা দুনিয়ার সকল মানুষ একচ্ছত্রভাবে দ্বীনে ইসলামের আনুগত্য মেনে নেবে। আর তা দু’ভাবে হতে পারে।
    এক. হয়তো ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মুসলমান হয়ে যাবে।
    দুই. কিংবা ইসলামী আইন দ্বারা শাসিত ইসলামী রাষ্ট্রের আনুগত্য মেনে নিয়ে জিযিয়া প্রদানপূর্বক মুসলামনদের অধীনস্ত হয়ে তাতে বসবাস করবে।



    অতএব, কাফেরদের কোন স্বতন্ত্র রাষ্ট্র থাকতে পারবে না। হয়তো মুসলমান হতে হবে, নয়তো ইসলামী রাষ্ট্রের অধীনস্ত হয়ে থাকতে হবে। যেসব কাফের এই দুইটির কোন একটাকে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানাবে আল্লাহ তাআলা তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আদেশ দিয়েছেন তিনি যেন তাদের বিরুদ্ধে কিতাল করে যান, যতক্ষণ না তারা এ দুয়ের কোন একটা মেনে নিতে সম্মত হয়।


    আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন:
    فَإِذَا انْسَلَخَ الْأَشْهُرُ الْحُرُمُ فَاقْتُلُوا الْمُشْرِكِينَ حَيْثُ وَجَدْتُمُوهُمْ وَخُذُوهُمْ وَاحْصُرُوهُمْ وَاقْعُدُوا لَهُمْ كُلَّ مَرْصَدٍ فَإِنْ تَابُوا وَأَقَامُوا الصَّلَاةَ وَآتَوُا الزَّكَاةَ فَخَلُّوا سَبِيلَهُمْ إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَحِيمٌ
    (অত:পর যখন নিষিদ্ধ মাসগুলো অতিবাহিত হয়ে যাবে, তখন তোমরা মুশরিকদেরকে যেখানেই পাও হত্যা করা এবং তাদেরকে পাকড়াও কর, তাদেরকে অবরোধ কর এবং তাদের জন্য প্রতিটি ঘাঁটিতে বসে থাক। তবে তারা যদি তাওবা করে – মুসলমান হয়ে যায় – এবং সালাত কায়েম করে, যাকাত দেয়, তাহলে তাদের পথ ছেড়ে দাও। নিশ্চয় আল্লাহ বড়ই ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।)
    [তাওবা: ৫]



    তিনি আরো ইরশাদ করেন:
    قَاتِلُوا الَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَلَا بِالْيَوْمِ الْآخِرِ وَلَا يُحَرِّمُونَ مَا حَرَّمَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ وَلَا يَدِينُونَ دِينَ الْحَقِّ مِنَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ حَتَّى يُعْطُوا الْجِزْيَةَ عَنْ يَدٍ وَهُمْ صَاغِرُونَ
    (তোমরা কিতাল কর আহলে কিতাবের সেসব লোকের সাথে যারা আল্লাহ ও শেষ দিবসের উপর ঈমান রাখে না, আল্লাহ ও তার রাসূল যা হারাম করেছেন তা হারাম করে না এবং সত্য দ্বীন গ্রহণ করে না, যতক্ষণ না তারা নত হয়ে স্বহস্তে জিযিয়া প্রদান করে।)
    [তাওবা: ২৯]




    ইমাম জাসসাস রহ.বলেন:
    فتضمنت الآيتان وجوب القتال للكفار حتى يسلموا أو يؤدوا الجزية.اهـ
    “এ দুই আয়াত বুঝাচ্ছে, কাফেরদের বিরুদ্ধে কিতাল চালিয়ে যাওয়া ফরয, যতক্ষণ না তারা হয়তো মুসলমান হয়ে যায়, নতুবা জিযিয়া প্রদানে সম্মত হয়।”
    [আহকামুল কুরআন: ৩/৫২১]




    বুখারী শরীফে হযরত ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহুমা থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,
    أمرت أن أقاتل الناس حتى يشهدوا أن لا إله إلا الله وأن محمدا رسول الله ويقيموا الصلاة ويؤتوا الزكاة
    “আমি ততক্ষণ পর্যন্ত লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে আদিষ্ট হয়েছি যতক্ষণ না তারা এই স্বাক্ষ্য প্রদান করে যে, আল্লাহ ছাড়া কোন মা’বূদ নেই , মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল্লাহর রাসূল এবং নামায কায়েম করে ও যাকাত আদায় করে।” (সহীহ বুখারী: কিতাবুল ঈমান, হাদিস নং ২৫)




    সহীহ মুসলিম শরীফে এসেছে:
    عن سليمان بن بريدة عن ابيه، قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا امّر اميرا على جيش أو سرية ... قال: اغزوا باسم الله، في سبيل الله، قاتلوا من كفر بالله ... وإذا لقيت عدوك من المشركين فادعهم إلى ثلاث خصال (أو خلال)، فايتهن ما اجابوك فاقبل منهم وكف عنهم. ثم ادعهم إلى الاسلام، فان اجابوك فاقبل منهم وكف عنهم ... فان هم ابوا فسلهم الجزية، فان هم اجابوك فاقبل منهم وكف عنهم، فان هم أبوا فاستعن بالله وقاتلهم.اهـ
    “হযরত সুলাইমান ইবনে বুরাইদা রহ. থেকে বর্ণিত, তিনি তার পিতা - বুরাইদা রাদি. - থেকে বর্ণনা করেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন কাউকে কোন বাহিনী বা সারিয়্যা-ছোট দলের আমীর নিযু্ক্ত করতেন … তখন তাকে বলে দিতেন, আল্লাহর রাস্তায় আল্লাহর নামে তাদের বিরুদ্ধে কিতাল করবে যারা আল্লাহর সাথে কুফরী করেছে। … যখন তুমি তোমার দুশমন মুশরেকদের মোকাবেলায় যাবে, তখন তাদেরকে তিনটি জিনিসের আহ্বান জানাবে। এর যে কোন একটায় তারা সম্মত হলে তুমি তাদের থেকে তা গ্রহণ করবে এবং তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা পরিত্যাগ করবে। (প্রথমত) তাদেরকে মুসলমান হয়ে যাওয়ার আহ্বান জানাবে। যদি তারা তাতে সম্মত হয়ে যায়, তাহলে তাদের থেকে তা গ্রহণ করে নেবে এবং তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিত্যাগ করবে। আর যদি তারা এতে অসম্মতি জানায় তাহলে জিযিয়ার আহ্বান জানাবে। যদি তারা তাতে সম্মত হয়ে যায়, তাহলে তাদের থেকে তা গ্রহণ করে নেবে এবং তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিত্যাগ করবে। যদি তারা এতেও অসম্মতি জানায় তাহলে আল্লাহ তাআলার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হবে।”
    [সহীহ মুসলিম, হাদিস নং: ১৭৩১; বাব: তা’মীরুল ইমামিল উমারা আ’লা বুয়ূস।]





    অতএব, কাফেরদেরকে তাদের কুফরীতে ছেড়ে রাখার কোন অবকাশ নেই। হয়তো মুসলমান হতে হবে, নতুবা জিযিয়া দিয়ে যিম্মি হতে হবে। আল্লাহ তাআলার আইন মেনে নিয়ে মুসলমানদের অধিনস্থ হয়ে থাকতে হবে। স্বতন্ত্র পাওয়ার নিয়ে, নিজস্ব শক্তিবলে, স্বতন্ত্র রাষ্ট্রে বেঁচে থাকার অধিকার তাদের নেই।




    রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জীবদ্দশায় আল্লাহ তাআলার এই আদেশকে অক্ষরে অক্ষরে পালন করে গেছেন। তাঁর ওফাতের পর তাঁর খলিফা ও প্রতিনিধিরূপে প্রতিটি মুসলমানের উপর ফরয কাফেরদের বিরুদ্ধে কিতাল চালিয়ে যাওয়া যতক্ষণ না তারা মুসলমান হয় অথবা জিযিয়া দিতে বাধ্য হয়।



    ইমাম সারাখসী রহ. বলেন,
    ولا ينبغي أن يدع المشركين بغير دعوة إلى الإسلام أو إعطاء جزية إذا تمكن من ذلك ... وإن امتنعوا منهما فحينئذ يقاتلون ... وكل مسلم في هذا خليفة رسول الله صلى الله عليه وسلم. فقد بعث داعياً إلى ما بينا وأمر بالقتال على ذلك مع من أبى.اهـ
    “ইমামের জন্য যায়েয নেই কাফেরদেরকে ইসলাম গ্রহণ কিংবা জিযিয়া প্রদানের আহ্বান ব্যতীতই ছেড়ে দেয়া, যখন তা সম্ভবপর হয়। … তারা যদি এ উভয়টা থেকেই বিরত থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কিতাল করা হবে। … প্রতিটি মুসলমান এক্ষেত্রে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতিনিধি। কেননা, তাঁকে পাঠানো হয়েছে উপরোক্ত বিষয়ের প্রতি আহ্বান জানাতে এবং যারা তা মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায়, তাঁকে আদেশ করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কিতাল করতে। [শরুহুস সিয়ারিল কাবীর: ১/১২০]





    অতএব, কাফেরদের বিরুদ্ধে কিতাল করা উম্মাহর প্রতিটি মুসলমানের উপর ফরয। এটা কেবল ইমামের দায়িত্ব নয় যে, তিনি করলে তো করলেনই আর না করলে উম্মাহকে এ ব্যাপারে কোন জিজ্ঞাসবাদ করা হবে না। যেহেতু এটি উম্মাহর সকলের উপর ফরয, কাজেই ইমাম থাকুক বা না থাকুক, করুক বা না করুক সর্বাবস্থায় উম্মাহকে এই দায়িত্ব আঞ্জাম দিতে হবে। যে-ই এ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করবে সে-ই গোনাহগার হবে। কারো বাধার কারণে, কারো নিষেধের কারণে এ দায়িত্ব পালন থেকে দূরে সরা যাবে না। পিতা-মাতা, আত্নীয়-স্বজন, স্ত্রী-সন্তান কেউ এ ব্যাপারে প্রতিবন্ধক হতে পারবে না। এমনকি স্বয়ং ইমামুল মুসলিমীনও যদি বাধা দেন তবুও না। বরং তার বাধা উপেক্ষা করে ফরয জিহাদের দায়িত্ব আদায় করতে হবে। কারণ, কারো শরিয়ত বিরোধী বাধা নিষেধের কারণে আল্লাহ তাআলার আদেশ প্রত্যাখ্যান করা যাবে না।



    ইমাম মুহাম্মদ রহ. ‘আসসিয়ারুল কাবীর’ এ বলেন:
    وإن نهى الإمام الناس عن الغزو والخروج للقتال فليس ينبغي لهم أن يعصوه إلا أن يكون النفير عاما.اهـ
    “ইমাম যদি লোকজনকে যুদ্ধ করতে এবং কিতালে বের হতে নিষেধ করে, তাহলে তাদের জন্য তার আদেশ অমান্য করা জায়েয হবে না। তবে যদি নফীরে আম এর হালত তৈরী হয়ে যায় তাহলে ভিন্ন কথা।”


    ইমাম সারাখসী রহ. এর ব্যাখ্যায় বলেন:
    لأن طاعة الأمير فيما ليس فيه ارتكاب المعصية واجب كطاعة السيد على عبده فكما أن هناك بعد نهي المولى لا يخرج إلا إذا كان النفير عاما فكذلك ها هنا. اهـ
    “যেখানে ইমামের আদেশ পালন করতে গেলে নাফরমানীতে লিপ্ত হতে হয় না, সেখানে ইমামের আনুগত্য ফরয। যেমন, গোলামের জন্য তার মনিবের আনুগত্য ফরয। নফীরে আম না হলে যেমন মনিব নিষেধ করলে জিহাদে যাবে না, ইমামের ক্ষেত্রেও তেমনি।”
    [শরহুস সিয়ারিল কাবীর: ২/৩৭৮]



    মালিকী মাযহাবের কিতাব ‘ফাতহুল আলিয়্যিল মালিক’ এ বলা হয়েছে:
    قال ابن حبيب سمعت أهل العلم يقولون إن نهى الإمام عن القتال لمصلحة حرمت مخالفته إلا أن يزحمهم العدو وقال ابن رشد طاعة الإمام لازمة , وإن كان غير عدل ما لم يأمر بمعصية ومن المعصية النهي عن الجهاد المتعين.اهـ
    “ইবনে হাবীব রহ. বলেন, আমি আহলে ইলমদেরকে বলতে শুনেছি, ইমাম কোন মাসলাহাতের প্রতি লক্ষ্য করে কিতাল করতে নিষেধ করলে তার বিরুদ্ধাচরণ করা হারাম। তবে যদি শত্রু আক্রমণ করে বসে তাহলে ভিন্ন কথা। ইবনে রুশদ রহ.বলেন, ইমাম ন্যায় পরায়ণ না হলেও তার আনুগত্য আবশ্যক, যতক্ষণ না কোন গুনাহের আদেশ দেন। আর ফরযে আইন জিহাদে বাধা দেয়া গুনাহের কাজ।”
    [ফাতহুল আলিয়্যিল মালিক: ৩/৩]



    আল্লামা ইবনে হাযম রহ. বলেন-
    و لا إثم بعد الكفر أعظم من إثم من نهي عن جهاد الكفار و أمر بإسلام حريم المسلمين إليهم ...اهـ
    “কুফরের পর কাফেরদের বিরুদ্ধে জিহাদ করা থেকে বাধা দেয়া এবং মুসলমানদের ভূমিকে তাদের হাতে সমর্পণ করতে আদেশ করার চেয়ে বড় কোন গুনাহ নেই।”
    [আল-মুহাল্লা: ৭/৩০০]





    এমনকি যে ইমাম জিহাদের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় তার বিরুদ্ধে কিতাল করে তাকে অপসারণ করা ফরয।




    শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহ. বলেন:
    فأيما طائفة امتنعت من بعض الصلوات المفروضات، أو الصيام، أوالحج، أو عن التزام تحريم الدماء، والأموال، والخمر، والزنا، والميسر، أو عن نكاح ذوات المحارم، أو عن التزام جهاد الكفار، أو ضرب الجزية على أهل الكتاب، وغير ذلك من واجبات الدين و محرماته التي لاعذر لأحد في جحودها وتركها التي يكفر الجاحد لوجوبها: فإن الطائفة الممتنعة تقاتل عليها و إن كانت مقرة بها، و هذا مما لا أعلم فيه خلافا بين العلماء.اهـ
    “কিতাল করা হবে প্রত্যেক এমন জামাআতের বিরুদ্ধে যারা কোন ফরয নামায, রোযা বা হজ্ব আদায়ে অস্বীকৃতি জানায়; কিংবা অন্যায়ভাবে জান-মাল হরণ করা থেকে বিরত থাকতে সম্মত না হয়; কিংবা মদ, যিনা, জুয়া থেকে বিরত থাকতে বা নিজের মাহরাম মহিলাদেরকে বিবাহ করা থেকে বিরত থাকতে সম্মত না হয়; কিংবা কাফেরদের বিরুদ্ধে জিহাদ করতে বা আহলে কিতাবদের উপর জিযিয়া আরোপ করতে সম্মত না হয়; এছাড়াও দ্বীনের আব্শ্যকীয় যে কোন বিধান বা যে কোন হারামকৃত বিষয়, যেগুলো অস্বীকার বা তরক করার ক্ষেত্রে কারো কোন ওযর ধর্তব্য নয় এবং যেগুলোর ফরয হওয়া অস্বীকারকারী কাফের বলে গণ্য হবে- কোন জামাআত যদি সেগুলো পালন করতে বা সেসব হারাম থেকে বিরত থাকতে সম্মত না হয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কিতাল করা হবে। তারা যদি এসব বিধান স্বীকার করেও নেয় তবুও – আদায়ে বা বিরত থাকতে সম্মত না হলে – তাদের বিরুদ্ধে কিতাল করা হবে। এতে ওলামাদের কারো কোন দ্বিমত আছে বলে আমার জানা নেই।”
    [মাজমুউল ফাতাওয়া: ২৮/৫০৩]





    উপরোক্ত আলোচনা থেকে আশাকরি স্পষ্ট যে, জিহাদ ইমামের একক দায়িত্ব নয়, বরং উম্মাহর সকলের দায়িত্ব। কাজেই ইমাম থাক বা না থাক সর্বাবস্থায় এই ফরয দায়িত্ব আঞ্জাম দিতে হবে। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে তাওফীক দান করুন। আমীন!

    Last edited by ইলম ও জিহাদ; 08-17-2017, 08:59 PM.

  • #2
    আল্লামা ইবনে হাযম রহ. বলেন-
    و لا إثم بعد الكفر أعظم من إثم من نهي عن جهاد الكفار و أمر بإسلام حريم المسلمين إليهم ...اهـ
    “কুফরের পর কাফেরদের বিরুদ্ধে জিহাদ করা থেকে বাধা দেয়া এবং মুসলমানদের ভূমিকে তাদের হাতে সমর্পণ করতে আদেশ করার চেয়ে বড় কোন গুনাহ নেই।”
    [আল-মুহাল্লা: ৭/৩০০]

    Comment


    • #3
      জাঝাকাল্লাহ
      كتب عليكم القتال وهو كره لكم

      Comment


      • #4
        jajhakallah

        Comment


        • #5
          jajhakallah

          Comment

          Working...
          X