PDA

View Full Version : মুসলিম বিশ্বের আপডেট কিছু নিউজ



কালো পতাকা
09-14-2018, 09:38 AM
চীন অবরুদ্ধ উইঘুর মুসলমানদের নামাজ রোজা করতে বাধা দিচ্ছে: হিউমান রাইটস ওয়াচ


কায়কোবাদ মিলন: চীনের জিনজিয়াং এলাকায় উইঘুর মুসলমানদের স্বাভাবিক জীবন বলতে কিছু নেই। সোমবার হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, তাদের বন্দি শিবিরে রাখা হচ্ছে, প্রাত্যহিক নামাজ রোজা করতে বাধা দেয়া হচ্ছে। চীন সরকার একই সাথে তাদের মগজ ধোলাইয়ের মাধ্যমে নতুন রাজনৈতিক দীক্ষায় দীক্ষিত করতে চাইছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকার প্যানেলটি বলেছে , চীন সরকার আগস্ট মাসেই ১০ লক্ষ উইঘুর মুসলমানকে গোপনে পশ্চিমের প্রত্যন্ত এলাকায় নিয়ে গেছে। সেখানে তাদের অতীত বিশ্বাস ভোলানোর পাশাপাশি নতুন রাজনৈতিক দর্শনে দীক্ষা দেয়া হচ্ছে।
চীন এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলছে , তারা কোন নতুন মন্ত্র পড়াচ্ছেন না ,তারা সেখানে বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। তারা ওই এলাকায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে কাজ করছেন। তারা এও চান সামাজিক ও পারস্পরিক যোগাযোগও বৃদ্ধি করতে চান। চীন জিনজিয়াংয়ের মুসলমানদের সর্ম্পকে বলে যে, ওই এলাকায় মুসলমান কট্টরপন্থীরা ব্যাপক সমস্যার সৃষ্টি করে চলেছে এবং চীনের হান সম্প্রদায়ের সঙ্গে প্রতিনিয়ত গোলযোগে জড়িয়ে পড়ছে। রয়টার্স
https://muslimnewsworld.wordpress.com/2018/09/11/%e0%a6%9a%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%85%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a 7%8d%e0%a6%a7-%e0%a6%89%e0%a6%87%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%ae%e0%a 6%be/

কালো পতাকা
09-14-2018, 09:39 AM
সৌদি সিনেমায় বলিউডের প্রথম ছবি ‘গোল্ড’

ওমর শাহ: সৌদি আরবের সিনেমাগুলোতে প্রথমবারের মতো প্রদর্শিত হতে যাচ্ছে বলিউডের ছবি ‘গোল্ড’। ছবিটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমার। আজ শুক্রবার ছবিটি সৌদি আরবের সকল সিনেমা হলগুলোতে প্রদর্শিন করা হয়।
সৌদি আরবে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে সিনেমা হলগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। যেগুলোতে সর্বপ্রথম হলিউডের ছবি ‘ব্লেক পেন্থার’ প্রদর্শিত হয়েছিল।
এক টুইটবার্তায় অক্ষয় কুমার জানান, ভারতের সর্বপ্রথম গোল্ড মেডেল জয়ের গল্প প্রথমবারের মতো সৌদি আরবের সিনেমা হলগুলোতে। আমি অত্যন্ত খুশি এ ভেবে যে, ‘গোল্ড’ বলিউডের প্রথম কোনো সিনেমা যা সৌদি আরবে প্রদর্শন করা হবে।
‘গোল্ড’ ছবিটির ভারতীয় হকি টিমের ১৯৪৮ সালে অলিম্পিক্সে প্রথমবারের মতো গোল্ড মেডেল জয়ের গল্প দিয়ে নির্মিত। দু’ সপ্তাহ আগে ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছবিটি মুক্তি পায়। ‘গোল্ড’ ছবিটি দুসপ্তাহে ২৫ কোটি রুপির সফল ব্যবসা করে। সূত্র: জিও নিউজ
বিস্তারিত পড়ুন
https://muslimnewsworld.wordpress.com/2018/09/01/%e0%a6%b8%e0%a7%8c%e0%a6%a6%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a 6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%89%e0%a6%a1%e0%a 7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0/

কালো পতাকা
09-14-2018, 09:40 AM
ভারতে আযানে শব্দদূষণ কিনা মাপার নির্দেশ
ভারতের রাজধানী দিল্লির সাতটি মসজিদ থেকে আযানের কারণে শব্দদূষণ হচ্ছে কিনা, তা মেপে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির জাতীয় পরিবেশ আদালত।
চেয়ারম্যান বিচারপতি আদর্শ কুমার গয়ালের নেতৃত্বাধীন পরিবেশ আদালত কেন্দ্রীয় ও দিল্লির দূষণ নিয়ন্ত্রণ পরিষদকে রোববার এ নির্দেশ দিয়েছেন। খবর: আনন্দবাজার পত্রিকার।
‘অখণ্ড ভারত মোর্চা’ নামক বিতর্কিত একটি সংগঠনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
অখণ্ড মোর্চার অভিযোগ, পরিবেশ রক্ষা আইন ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধি ভেঙে দিল্লির ওই মসজিদগুলো আযানের সময়ে লাউডস্পিকার ব্যবহার করছে।
ভারতের আইন অনুযায়ী, হাসপাতাল ও স্কুলের মতো সাইলেন্স জোনে লাউডস্পিকারের নির্ধারিত মাত্রা দিনের বেলায় ৫০ ডেসিবেল, রাতে ৪০ ডেসিবেল। আবাসিক এলাকায় তা যথাক্রমে ৫৫ ডেসিবেল ও ৪৫ ডেসিবেল।
অখণ্ড মোর্চার আইনজীবী রাহুলরাজ মালিক দাবি করেন, মসজিদগুলোর কাছে অনেক স্কুল ও হাসপাতাল রয়েছে।
১৯৯৮ সালে বিজেপির সাবেক এমপি বৈকুণ্ঠলাল শর্মা অখণ্ড ভারত মোর্চা প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংগঠনটি বিতর্কিত সব কাজ করছে, বিশেষ করে মুসলিম বিদ্বেষী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
সংগঠনের বর্তমান সভাপতি সন্দীপ আহুজা কট্টরপন্থী হিন্দু সংগঠন আরএসএস, বজরং দল, যুব মোর্চার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
প্রতি বছরই হনুমান জয়ন্তীতে বজরং সশক্ত র্যাশলি বের করে অখণ্ড মোর্চা। চার মাস আগে অস্ত্রশস্ত্র হাতে এমনই একটি র্যা লি নিয়ে তারা দিল্লির মসজিদের সামনে জোরেসোরে ঢাক-ঢোল পিটিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা করেছিল।
ওই ঘটনায় সংগঠনটির বিরুদ্ধে আসা অভিযোগ এখনো তদন্ত করছে পুলিশ।
পরিবেশ আদালতের নির্দেশের পর উল্লসিত অখণ্ড মোর্চার সভাপতি সন্দীপ আহুজা বলেন, ‘দূষণ নিয়ন্ত্রণে পরিষদ আদালত যা করার করবে। তবে আমরাও পরীক্ষা করতে নামব। সোজা ১০০ নম্বরে ফোন করে আযানের আওয়াজ শুনিয়ে দেব।’

https://muslimnewsworld.wordpress.com/2018/08/15/%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%a6%e0%a 7%82%e0%a6%b7%e0%a6%a3-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%a8/

কালো পতাকা
09-14-2018, 09:41 AM
বাংলাদেশের জঙ্গিবাদ নিয়ে সিআইএর ফ্যাক্টবুকে যা আছে
বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (সিআইএ) পরিচিত। ৯/১১ হামলার পর বিশ্বে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদবিরোধী লড়াইয়ের নেতৃত্বে রয়েছে এই গোয়েন্দা সংস্থাটি। গোপন ও প্রকাশ্য অভিযান চালাচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন আনাচেকানাচে। সিআইএর গোপন নথিতে বাংলাদেশের জঙ্গিবাদ নিয়ে কেমন তথ্য রয়েছে তা জানার সুযোগ নেই। কিন্তু তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফ্যাক্টবুকেও রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
সিআইএ বিশ্বের প্রায় সব দেশের বিস্তারিত তথ্য নিয়ে ওয়ার্ল্ড ফ্যাক্টবুক তৈরি করেছে। সেখানে বাংলাদেশেরও বিভিন্ন তথ্য রয়েছে। ভৌগলিক অবস্থান, মানুষ ও সমাজ, সরকার, অর্থনীতি, জ্বালানি, পরিবহন ও টেলি যোগাযোগ, সামরিক ও নিরাপত্তা, জঙ্গিবাদ এবং আন্তঃদেশীয় বিভিন্ন তথ্য রয়েছে।
বাংলাদেশের জঙ্গিবাদ নিয়ে ফ্যাক্টবুকে অংশটি দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। প্রথম অংশে দেশীয় জঙ্গিদের কথা তুলে ধরা হয়েছে। এতে দুটি জঙ্গি সংগঠনের নাম ও তাদের উদ্দেশ্যের কথা রয়েছে। সর্বশেষ ২০১৮ সালের এপ্রিলে এসব তথ্য হালনাগাদ করা হয়েছে।
দেশি জঙ্গি সংগঠন
হরকাতুল জিহাদইইসলামি/বাংলাদেশ (হুজিবি)
লক্ষ্য: বাংলাদেশে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা।
কর্মকাণ্ডের বিস্তৃতি: সদর দফতর বাংলাদেশে অবস্থিত। সবচেয়ে বেশি সক্রিয় দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে। বাংলাদেশের মাদ্রাসাগুলো নিয়ে তাদের নেটওয়ার্ক রয়েছে।
বাংলাদেশে আইএস নেটওয়ার্ক
লক্ষ্য: বাংলাদেশ সরকারকে উৎখাত করে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং আইএসের কঠোর শরিয়াহ বিধি চালু করা। আইএস বাংলাদেশে ইসলামিক স্টেট ইন বাংলাদেশ (আইএসবি) নামে কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে।
কর্মকাণ্ডের বিস্তৃতি: ঢাকা কেন্দ্রিক।
নোট: আইএসবির টার্গেট বিদেশি, বিদেশি ত্রাণকর্মী, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, অধ্যাপক ও সেক্যুলার ব্লগার হত্যা। আইএসের মূল কেন্দ্র বাংলাদেশ শাখাকে বেঙ্গল হিসেবে উল্লেখ করে।
বিদেশি জঙ্গি সংগঠন
আলকায়েদা (একিউ)
লক্ষ্য: বাংলাদেশ সরকারকে উৎখাত, শরিয়া আইনের সালাফি মতবাদের আওতায় ইসলামি খিলাফত প্রতিষ্ঠা করা।
কর্মকাণ্ডের বিস্তৃতি: আল-কায়েদা ভারতীয় উপমহাদেশের সঙ্গে সম্পর্কিত সংগঠনগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে অভিযান পরিচালনা করে।
আলকায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট (একিউআইএস)
লক্ষ্য: অন্যায় ও অবিচার থেকে বাংলাদেশের মুসলমানদের রক্ষা এবং ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলামি খেলাফত প্রতিষ্ঠা করা।
কর্মকাণ্ডের বিস্তৃতি: সারাদেশেই সক্রিয়। তাদের টার্গেট মূলত সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তা এবং মার্কিন স্বার্থ।
সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন
https://muslimnewsworld.wordpress.com/2018/08/15/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a 6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%bf%e0%a 6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87/

কালো পতাকা
09-14-2018, 09:43 AM
বছরে ৩ লাখ মানুষ হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র!
ডেস্ক রিপোর্ট : বিশ্বব্যাপী নিজের আধিপত্য ধরে রাখতে বছরে তিন লাখ মানুষ হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে এ পর্যন্ত দুই কোটির বেশি মানুষ হত্যা করা হয়েছে দেশটি, যা প্রতি বছর প্রায় ৩ লাখ।
এ সময়ের মধ্যে দেশটি ৩৭টি দেশ বা অঞ্চলে আগ্রাসন চালিয়েছে। এই ৩৭টি দেশ বা অঞ্চলে যুদ্ধ ও দ্বন্দ্বে দুই কোটির বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। এ জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী সরাসরি দায়ী।
যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতিমান গবেষক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ইতিহাসবিদ জেমস লুকাস দীর্ঘদিন গবেষণা করে এমন তথ্য প্রকাশ করেছেন। গত বুধবার তিনি এ বিষয়ে ইরানি গণমাধ্যম প্রেস টিভিকে এক সাক্ষাৎকার দিয়েছেন।
জেমস লুকাসের গবেষণার বরাত দিয়ে অ্যাটাক দ্য সিস্টেম ডটকমের প্রধান সম্পাদক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক কেইথ প্রেস্টনও যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় এসব তথ্য প্রকাশ করেছেন।
প্রেস টিভির খবরে বলা হয়েছে, প্রেস্টন বলেন, মার্কিন সরকার ওইসব অঞ্চলে দারিদ্র্য, অপরাধ, বর্ণবাদ ও সহিংসতা সৃষ্টির মাধ্যমে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটিয়েছে। মানবাধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র কখনোই শীর্ষপর্যায়ে ছিল না, বরং দেশ ও বিদেশে ব্যাপক হারে অপরাধ ও কুকর্ম করেছে।
মানবাধিকারের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র চ্যাম্পিয়ন কিংবা বিশ্বব্যাপী শান্তি ছড়াতে ভূমিকা রেখেছে– এমন ভাবা বোকামি ছাড়া কিছুই নয় বলে মন্তব্য করেন প্রেস্টন। তিনি বলেন, ‘আগে আধুনিক সাম্রাজ্যবাদী ছিল ব্রিটেন, এখন সেই ভূমিকায় যুক্তরাষ্ট্র।
সূত্র : যুগান্তর
https://muslimnewsworld.wordpress.com/2018/08/15/%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a7%a9-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87/

কালো পতাকা
09-14-2018, 09:44 AM
ডার্ক ওয়েবে যেভাবে তৎপর জঙ্গিরা
দেশের জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে থাকলেও তাদের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ, সদস্য সংগ্রহ ও তৎপরতা বন্ধ নেই। ডার্ক ওয়েবে দেশের জঙ্গি সংগঠনগুলো নিজেদের মধ্যে ও আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।
এছাড়াও বিভিন্ন অ্যাপস ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ‘প্রটেক্টিভ টেক্সট’ চালাচালি করে জঙ্গিরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে, যা পুলিশ ও র্যাবের নজরদারিতে ধরা পড়েছে।
তবে জঙ্গিদের এমন তৎপরতা পুরোপুরিভাবে নজরদারি ও বন্ধ করার পদ্ধতি দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) নেই। পুলিশ ও প্রযুক্তিবিদরা বলছেন, কিছু লজিস্টিক সাপোর্ট দেওয়া হলে দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জঙ্গিদের এই তৎপরতাও বন্ধ করতে পারে।
জেএমবি, নিউ জেএমবি ও আনসার আল ইসলাম এখন দেশে তৎপর রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব ও পুলিশ। তারা ডার্ক ওয়েবে এখন বেশি তৎপর। এখানেই তারা সব নির্দেশনা পেয়ে থাকে এবং নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে। তবে নতুন সদস্যদের ডার্ক ওয়েবে স্বাগত জানায় না জঙ্গি সংগঠনগুলো। যখন একজন জঙ্গি জঙ্গিবাদের দিকে সর্বোচ্চ ঝুঁকে যায়, সংগঠনের সব নির্দেশনা সে মেনে নেয়, কথামতো চলে, কেবল তখনই কয়েকটি ধাপ পার হয়ে এই ডার্ক ওয়েব ও প্রটেক্টিভ টেক্সট অ্যাপসের যোগাযোগ চ্যানেলে আসতে পারে একজন জঙ্গি।
ডার্ক ওয়েব কী?
ইন্টারনেট দুনিয়াকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়। একটি সারফেস ওয়েব (Surface Web) বা সবার জন্য উন্মুক্ত ওয়েব, অপরটি (Deep Web) বা ডার্ক ওয়েব (Dark Web)। সাধারণ মানুষ সবাই যেটা ব্যবহার করে তা হলো সারফেস ওয়েব। এই অংশটির তথ্য সবার জন্য উন্মুক্ত। যে কেউ এখান থেকে তথ্য খুঁজে নিতে পারবে। এই সারফেস অংশের নিচের বা আড়ালের অংশটি হচ্ছে ডিপ ওয়েব। যেখানের তথ্য সহজে সাধারণ মানুষের পক্ষে জানা সম্ভব নয়। ইন্টারনেটের এই জগতে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি অপরাধীদের বিচরণ থাকে। মাদক, চোরাচালান, নীলছবির বাণিজ্য হয়ে থাকে এই ডার্ক ওয়েবে। জঙ্গিরা এখন ডার্ক ওয়েবে সক্রিয়ভাবে কাজ করে থাকে। এই ডার্ক ওয়েবে বিশেষ ব্রাউজারের মাধ্যমে প্রবেশ করতে হয় বলে জানান তথ্য ও প্রযুক্তিবিদ তানভীর হাসান জোহা। তিনি বিভিন্ন সময় দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে জঙ্গিদের প্রযুক্তি ব্যবহার নিয়ে কাজ করেছেন।
তানভীর হাসান জোহা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘একসময় দেশের জঙ্গিরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খুব অ্যাক্টিভ ছিল। কিন্তু বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে ডার্ক ওয়েব জগতে চলে গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের তৎপরতা থাকলেও তাদের মূল যোগাযোগ মাধ্যম প্রটেক্টিভ টেক্সট অ্যাপসগুলো এবং ডার্ক ওয়েব।’
ডার্ক ওয়েবকে কেন নিরাপদ ভাবছে জঙ্গিরা?
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্যানুযায়ী, একসময় জঙ্গিরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইউটিউবে তাদের ভাষায় কথিত জিহাদের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরতো। একইসময় ফেসবুক, টুইটার ও ইউটিউবে তারা দাওয়াতি প্রচারও করতো। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতায় তা কিছুটা হলেও বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তাই তারা ডার্ক ওয়েবে স্থানান্তরিত হয়েছে। এখানে মনিটরিং ব্যবস্থা যেমন জটিল, তেমনি জঙ্গিদের পরিচয়ও গোপন থাকে। তাদের খুঁজে পাওয়াও সহজ নয়।
তানভীর হাসান জোহা বলেন, ‘ডার্ক ওয়েবের সদস্য হতে হলে ওই ব্যক্তিকে তার ডিভাইস ও নিজের আইডেন্টি বা পরিচয় গোপন করে ঢুকতে হয়। TOR নামে ব্রাউজারসহ আরও কিছু ব্রাউজার আছে, যেগুলো ডিভাইসে ইনস্টল দিয়ে নিলে ব্যবহারকারীর পরিচয় হাইড (গোপন) হয়ে যায়। ব্যবহারকারীর কোনও পরিচয় থাকে না। এরপর নির্দিষ্ট ওয়েব ঠিকানায় তাকে প্রবেশ করতে হবে। এই ওয়েব অ্যাড্রেস জঙ্গিরা তাদের সদস্যদের দিয়ে থাকে। ডার্ক ওয়েবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনগুলোর সাইট রয়েছে। সেখানে তাদের জন্য সব নির্দেশনা থাকে। জঙ্গি সংগঠনগুলো নিজেদের মধ্যে এভাবে যোগাযোগ করে।’
এই সাইটগুলো ভিজিট করার পর আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনগুলোর নির্দেশনা একের পর এক আসতে থাকে।
পুলিশ দাবি করেছে, জঙ্গি সংগঠনের অনেক সদস্য অল্প বা অর্ধশিক্ষিত হলেও তারা তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে পারদর্শী হয়। তাদের প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, যাতে তারা স্মার্টফোন, কম্পিউটার, ট্যাব, রেকর্ডার, ক্যামেরা পরিচালনা করতে পারে। এজন্য তারা এসব ব্যবহার করতে পারছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বাংলাদেশের যেসব জঙ্গি সংগঠন ডার্ক ওয়েবে তৎপর
বাংলাদেশে নিউ জেএমবি ও আনসার আল ইসলাম আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার জন্য ডার্ক ওয়েবে তৎপর রয়েছে। আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের নির্দেশনা ও কার্যক্রম অনুসরণ করতে ফোরামভিত্তিক আলোচনার জন্য ডার্ক ওয়েব ব্যবহার করে থাকে তারা। কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের উপকমিশনার মহিবুল ইসলাম খান বলেন, ‘দেশের জঙ্গি সংগঠনগুলোর সদস্যরা ফোরামভিত্তিক আলোচনার জন্য ডার্ক ওয়েবে তৎপর।’
প্রটেক্টিভ টেক্সট যোগাযোগের অন্যতম আরেকটি মাধ্যম
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক, ইমো ছাড়াও টেলিগ্রাম, থ্রিমা অ্যাপস, উইকার অ্যাপস ব্যবহার করে জঙ্গিরা। প্রটেক্টেট টেক্সট নামে একটি সাইটের মাধ্যমেও তারা যোগাযোগ করে থাকে। তবে টেলিগ্রাম তাদের কাছে জনপ্রিয় বেশি। এসব অ্যাপস ব্যবহার করা সহজ। এছাড়াও জঙ্গি সংগঠনগুলো নিজেরাও কিছু অ্যাপস তৈরি করেছে, যার মাধ্যমে তারা যোগাযোগ রক্ষা করছে। এসব অ্যাপসের সদস্য নির্দিষ্ট। গুলশানের হলি আর্টিজান হামলার পর জঙ্গিরা উইকার অ্যাপস ও প্রটেক্টেড টেক্সট সাইট ব্যবহার করে ওই ঘটনার ছবি পাঠানোসহ যোগাযোগ করেছে। কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের একজন কর্মকর্তারা বলেন, ‘এসব অ্যাপস নিরাপদ মনে করে জঙ্গিরা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের চোখ ফাঁকি দিতে তারা এভাবে যোগাযোগ করে থাকে।’
হলি আর্টিজান মামলা তদন্ত সংশ্লিষ্ট সিটিটিসি’র এক কর্মকর্তা বলেন, ‘জঙ্গিরা ধরা পড়লে কীভাবে তাদের ডিভাইস থেকে সব তথ্য একেবারে মুছে ফেলতে পারে সেই সফটওয়্যারও তাদের কাছে থাকে। এসব ব্যবহার করলে আর কখনও তথ্য উদঘাটন করতে পারবে না কেউ।’
হলি আর্টিজান মামলায় গ্রেফতার হাসনাত করীমের মোবাইল থেকে উইকার অ্যাপস ব্যবহার করে জঙ্গিরা বাইরে ছবি পাঠিয়েছিল। এছাড়াও তারা বাইরে জঙ্গিদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য এই অ্যাপস ব্যবহার করেছিল বলে পুলিশ পরবর্তীতে তদন্তে জানতে পেরেছে। জঙ্গিরা তার স্মার্টফোনটি এজন্য ব্যবহার করেছিল।
তবে এসব অ্যাপস ব্যবহারের ক্ষেত্রে জঙ্গিরা কৌশলী হয়ে থাকে বলে জানিয়েছেন প্রযুক্তিবিদ তানভীর জোহা। তিনি বলেন, ‘জঙ্গিদের যেসব মোবাইল এর আগে উদ্ধার করা হয়েছে সেগুলোর বেশিরভাগ ফরেনসিক করা যায়নি। কারণ, তারা এমন সফটওয়্যার ব্যবহার করছে, ধরা পড়ার পর যা থেকে কোনও তথ্য উদ্ধার করা যায়নি। ‘নাইটমেয়ার’ নামে একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করলে এটা হয়।’
তবে জঙ্গিদের এসব কার্যক্রম দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মনিটরিংয়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের উপকমিশনার মহিবুল ইসলাম খান।
তিনি বলেন, ‘আমরা নিয়মিত মনিটরিং করছি। তবে ডার্ক ওয়েব দুনিয়ায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অপরাধীদের অবস্থান রয়েছে। তারা এটা ব্যবহার করে। জঙ্গিরা নিজেদের মধ্যে ফোরামভিত্তিক যোগাযোগ করে ডার্ক ওয়েবে। আমাদের মনিটরিংয়ে আছে সবকিছু।’
তবে জঙ্গিদের এ ধরনের যোগাযোগ একেবারে বন্ধ করা না গেলেও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব বলে মনে করেন তানভীর হাসান জোহা। তিনি বলেন, ‘সদিচ্ছা থাকলে অবশ্যই এসব বন্ধ করা যায়। তবে এজন্য বিটিআরসিকে উদ্যোগ নিতে হবে।’
সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

https://muslimnewsworld.wordpress.com/2018/08/15/%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95-%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a 7%87-%e0%a6%a4%e0%a7%8e%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%9c/

কালো পতাকা
09-14-2018, 09:45 AM
গোরক্ষার নামে মুসলিম হত্যাকারীদের সংবর্ধনা ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

ওমর শাহ: গত বছর জুন মাসে ঝাড়খন্ড প্রদেশের হাজারিবাগের রামগড়ে গোরক্ষার নামে পিটিয়ে মারা হয়েছিল আলিমুদ্দিন আনসারীকে। এক বছর পর জামিন পেয়েছে ৮ অভিযুক্ত। আর এ ৮ অভিযুক্তকেই সংবর্ধনা জানালেন হাজারিবাগের এমপি ও কেন্দ্রীয় বিমান প্রতিমন্ত্রী জয়ন্ত সিনহা।

জয়ন্ত সিনহার সঙ্গে ৮ অভিযুক্তের ছবি ভাইরাল হওয়ার পরেই সরব হয় বিরোধীরা। অন্যদিকে বিতর্কের মুখে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, জামিন পাওয়ার পর এই ৮ জন আমার সাথে দেখা করতে এসেছিল। আইন আইনের মত চলবে। কেউ দোষী হলে তাকে ছাড়া হবে না, অন্যদিকে কেনো নির্দোষকেও সাজা দেওয়া হবে না।”
উল্লেখ্য, গত বছর গোমাংস নিয়ে যাওয়ার সন্দেহে এক মুসলিম ব্যক্তিকেপিটিয়ে খুন করেছিল উগ্র গো রক্ষক সন্ত্রাসীরা। সেই সময় এই নিয়ে ভারতজুড়েরাজনীতির মাঠ গরম হয়ে উঠেছিল। গত মার্চ মাসে ১১ অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন সাজাঘোষণা করেছিল আদালত, পরে ৮ জনের যাবজ্জীবন বাতিল করে তাদের জামিন দেওয়া হয়।
সূত্র: বেঙ্গল রিপোর্ট

https://muslimnewsworld.wordpress.com/2018/08/15/%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a 6%b7%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a 6%ae-%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%8d/

কালো পতাকা
09-14-2018, 09:46 AM
গোপন ক্যামেরা শনাক্ত করবেন যেভাবে
গোপন ক্যামেরা
সিসি ক্যামেরা নিরাপত্তার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকলেও বেশ কিছু জায়গায় খারাপ উদ্দেশ্যে গোপন ক্যামেরা লাগানো থাকে। নিজের প্রাইভেসি বিপন্ন হওয়ার আগে গোপন নজরদারির ব্যবস্থা আছে কীনা সেটা শনাক্ত করা অবশ্যই জরুরি।
কিছু বিষয় খেয়াল রাখলে বুঝতে পারবেন গোপন ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে কীনা।
আয়না বা গ্লাস পরীক্ষা করুন
কোনও প্রাইভেট প্লেসে গেলে প্রথমেই সেখানকার আয়না কিংবা গ্লাস পরীক্ষা করে দেখুন। দেখবেন আয়নাটি কীভাবে বসানো আছে। আয়নাটি কী দেয়ালে ঝোলানো, নাকি দেয়ালে লাগানো? নাকি দেয়ালের সাথে একেবারে খোদাই করা অবস্থায় আছে? টু ওয়ে মিরর বা একপাশে আয়না ও অন্য পাশে স্বচ্ছ এমন গ্লাসগুলো সাধারণত দেয়ালে একেবারে খোদাই করা অবস্থায় থাকে।
আয়নাতে টোকা দিন
আপনার আঙুলের গিঁট দিয়ে আয়নাতে টোকা দিন। আয়না যেহেতু দেয়ালে বসানো আছে, সুতরাং নরমাল আয়না হলে তা সাধারণ ফ্ল্যাট আওয়াজ করবে। কিন্তু টু ওয়ে মিরর হলে আয়নায় আঘাত করলে ফাঁপা শব্দ করবে।
আয়নার ভেতরে খুব কাছে থেকে তাকান
এটা যদি টু ওয়ে মিরর হয় তাহলে আয়নার কাছে চোখ নিয়ে তাকালে আয়নার অন্য সাইড দেখা যাবে। আপনার মুখ আয়নাতে চেপে ধরুন এবং হাত দিয়ে মুখের সাইডে এমনভাবে ব্লক করুন যাতে কোনো আলো আয়নায় না পড়ে। এটা টু ওয়ে মিরর হলে আয়নার অপর পাশে কী আছে আপনি তা দেখতে পারবেন।
লাইট ব্যবহার করুন
কোনো ফ্লাশ লাইট বা সেলফোনের লাইট বা টর্চলাইটের আলো ফেলুন আয়নার ওপর। আয়নার খুব কাছে থেকে আলোটি ফেলুন। সম্ভব হলে ঘরের অন্য লাইট বন্ধ করে দিন, শুধু আপনার হাতের ওই আলোটি ছাড়া। এটা টু ওয়ে মিরর হলে, অন্য পাশে কী আছে যা দেখা যাবে।
নখ দিয়ে পরীক্ষা করুন
টু ওয়ে মিরর পরীক্ষা করার সবচেয়ে দুর্বল পদ্ধতি হলো নখ দিয়ে পরীক্ষা করা। এর ফলাফল নিখুঁত নাও হতে পারে। তবে এই পদ্ধতিও জেনে রাখা ভালো।
ব্যবহার করুন সেলফোন
সিকিউরিটি ক্যামেরা বা গোপন ক্যামেরা থেকে এক ধরনের ফ্রিকোয়েন্সি আসে যেটা মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দেয়। যদি কোনো জায়গায় বা রুমে দেখেন আপনার মোবাইল ফোন সার্ভিস দিচ্ছে না এবং আপনার নজরে কোনো ক্যামেরাও পড়ছে না, তাহলে মনে করবেন সেখানে কাছাকাছি কোথাও গোপন ক্যামেরা আছে।
সূত্র : যুগান্তর
https://muslimnewsworld.wordpress.com/2018/08/15/%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a 7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a 6%a4-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%ac/

কালো পতাকা
09-14-2018, 09:50 AM
বি:দ্র: প্রত্যেক নিউজের শেষে যে লিংক দেওয়া হয়েছে এটাকে ক্লিক করলে আপনারা খবর গুলো সাথে সাথে পিকচার দেখতে পারবেন দোয়া করবেন আল্লাহ যেন আমাকে শহীদ হিসেবে কবুল করেন

হিন্দের মুহাজির
09-14-2018, 03:04 PM
জাযাকাল্লাহু খাইরান আহসানাল জাযা।
সম্মানিত "কালো পতাকা" ভাই ! মুসলিম উম্মাহ নিউজ প্রতিদিন ১,২টা করে আপডেট করলে পড়তে মন চায়।
আর বেশী হলে পড়তে মন চায়না।
আশা করি আমার কথা বুঝতে পারছেন।

abu bokkar
09-15-2018, 07:04 AM
জাযাকাল্লাহু খাইরান

Harridil Mu'mineen
09-18-2018, 08:29 AM
খুবই উপকারি পোষ্ট। জাযাকাল্লাহ খাইর