PDA

View Full Version : জঙ্গি সনাক্ত করতে এক হাজার ২৭২ কোটি ২৯ লাখ টাকা ব্যয়ের একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে সরকার



কালো পতাকা
10-31-2018, 10:08 PM
বিডি নিউজ টুয়েন্টি ফোর অনলাইন বার্তা সংস্থার বরাতে জানা যায়,
মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়। শেরে বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সাংবাদিকদের জানায়, ডিজিএফআইয়ের টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি অবকাঠামো, মানব সম্পদ এবং কারিগরি সক্ষমতা উন্নয়ন শীর্ষক এই প্রকল্পটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) বাস্তবায়ন করবে।
এ প্রকল্পটির মাধ্যমে সমাজ থেকে শতভাগ দুর্নীতি বন্ধ করতে না পারলেও অনেকখানি কমিয়ে আনা সম্ভব। যে উদ্দেশ্যে এ প্রকল্পটি এনেছি সেভাবেই যেন ব্যবহার করতে পারি, বলেন তিনি।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলে, সাইবার ক্রাইম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিরাপদ রাখার জন্য আমরা এ প্রকল্পটি এনেছি। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে জঙ্গি ও জ্বালাও পোড়াওয়ের মতো অপরাধীদের সনাক্ত করা হবে।
সে আরো বলে, বিশ্বব্যাপী টেলিযোগাযোগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি সাইবার জগতের দ্রুত উন্নয়নের ফলে প্রচলিত জাতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রমাগত হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে। বর্তমান বিশ্বে জনগণের উপর সরকারের চেয়ে বিদেশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রভাব অনেক বেশি। এতে রাষ্ট্রের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
গুগল, ফেইসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে প্রচারিত সরকারের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডকে প্রচলিত কারিগরি সক্ষমতা দিয়ে রোধ করা সম্ভব না হওয়ায় এ প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানায়।
সরকারের মেয়াদের শেষ সময়ের এই বৈঠকে এটিসহ ২৪ হাজার ৭৪০ কোটি ৬৬ লাখ টাকা ব্যয়ের মোট ২৪ উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। এরমধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে প্রায় ১৯ হাজার ৩৬২ কোটি টাকা, প্রকল্প সহায়তার খাত থেকে প্রায় ৫ হাজার ৭৩ কোটি টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ৩০৬ কোটি টাকা জোগান দেওয়া হবে।
ইসলামি বিশ্লেষকগণ মনে করছেন, কাফেরদের এ বিষয়টিকেই আল্লাহ তায়ালা সূরা আনফালের ৩৬ নাম্বার আয়াতে বলেছেন,
আর যারা কুফরী করেছে, তারা তাদের ধন সম্পদ ব্যয় করে, যাতে আল্লাহর পথে বাধা দিতে পারে। এখন তারা আরো ব্যয় করবে, অত:পর সেটাই তাদের জন্য আক্ষেপের কারণ হবে। অবশেষে পরাজিত হবে। যারা কাফের তাদেরকে জাহান্নামের দিকে তাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।

কালো পতাকা
10-31-2018, 10:12 PM
অভিযান চালিয়ে সম্পূর্ণ গাজা দখলে নিয়ে যেতে চান ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বিনইয়ামিন নেতানিয়াহু।

আওয়ার ইসলাম’ অনলাইন বার্তা সংস্থার বরাতে জানা যায়,
হামাসকে পুরোপুরি নির্মূল করে অভিযান চালিয়ে সম্পূর্ণ গাজা দখলে নিয়ে যেতে চান ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বিনইয়ামিন নেতানিয়াহু।
তার প্রশাসনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বরাতে এমন খবরই ছেপেছে গণমাধ্যম। গতকাল (সোমবার) গাজা সীমান্তে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছে আরও এক ফিলিস্তিনি।
আহত হয়েছে কমপক্ষে ২৫ জন। এভাবে হত্যা করে ফিলিস্তনিদের দমানো যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে হামাস। গাজা থেকে অবরোধ তুলে না নেয়া পর্যন্ত লাগাতার বিক্ষোভ চলবে বলেও ঘোষণা দিয়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠীটি।
এর মধ্যেই স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি না মেলা পর্যন্ত ইসরাইলকে দেয়া স্বীকৃতি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফিলিস্তিন। গাজা সীমান্তে দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর বিমান হামলায় নিহত তিন ফিলিস্তিনি কিশোরের মরদেহ নিয়ে সোমবার বিক্ষোভ করে প্রতিবাদী ফিলিস্তিনিরা।
এ-সময় তারা ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে ইসরাইলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়। পরে তিন কিশোরের জানাজায় যোগ দেয় হাজারো মানুষ।
এক ফিলিস্তিনি বলেন, ইসরায়েল ঘৃণ্য শত্রুর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। তবে যে করেই হোক তাদের অবশ্যই অবরোধ তুলে নিতে হবে। এভাবে নিরীহ মানুষদের হত্যা করে তারা আমাদের আন্দোলন দমাতে পারবে না।
জানাজা শেষে গাজা উপকূলের সাগর তীরে এসে বিক্ষোভে নামে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি। এ-সময় তারা টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে। এছাড়া কিছু সংখ্যক বিক্ষুব্ধ ফিলিস্তিনি ইসরাইলি সেনাদের লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপও করে।
এ-ঘটনায় নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে আবারও গুলি চালায় ইসরাইল। এতে ২৭ বছর বয়সী এক যুবক নিহত হয়। আহত হয় আরও অনেকে। একইদিন
গাজা সীমান্তেও ফিলিস্তিনিদের আলাদা বিক্ষোভ হয়েছে। গাজার সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস জানিয়েছে, ইসরায়েলিরা অবরোধ তুলে না নেয়া পর্যন্ত তাদের এ-প্রতিবাদ কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে চলবে।
প্রতিবাদ কর্মসূচির মধ্যেই ইসরাইলকে দেয়া রাষ্ট্রের স্বীকৃতি স্থগিত করলো ফিলিস্তিন। ১৯৬৭ সালের সীমান্ত অনুযায়ী পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী রেখে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি না দেয়া পর্যন্ত এ স্বীকৃতি স্থগিত থাকবে বলে জানিয়েছে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন-পিএলও।
পাশাপাশি ইসরাইলের সঙ্গে নিরাপত্তা সমন্বয়ও বন্ধ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফিলিস্তিনের প্রশাসনিক রাজধানী রামাল্লাহতে পিএলও এবং ফিলিস্তিনি নেতাদের দুই দিনব্যাপী বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।
গাজাবাসী যখন অবরোধ তুলে নেয়ার জন্য বিক্ষোভ করছে তখন ইসরাইল তা আরও জোরদার করেছে। সোমবার গাজায় পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত কেরেম শেলম বন্দর বন্ধ করে দিয়েছে তারা। এ-সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন ৮শ’ পণ্যবাহী ট্রাক যাতায়াত করে।
এদিকে, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বিনইয়ামিন নেতানিয়াহু প্রশাসনের সূত্রে ইসরাইলি গণমাধ্যম ইয়েদিওথ আহ্রনথ জানায়, নেতানিয়াহু চান সামরিক অভিযান চালিয়ে পুরো গাজা উপত্যকা দখল করে নিতে।
এমন পরিকল্পনাই তিনি সাজাচ্ছেন। এর মধ্য দিয়ে গাজায় ইসরাইলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ যেমন প্রতিষ্ঠা পাবে তেমনি হামাসও ক্ষমতাচ্যুত হবে।

Bara ibn Malik
11-01-2018, 06:31 AM
আমরা এক মাছিকে ভয় পাবো??? মুমিনরা একমাত্র আল্লাহকেই ভয় করে।

তানভির হাসান
11-01-2018, 06:45 AM
হে আল্লাহ আপনি আমাদের ও আমাদের মুসলিম ভাইদের হিফাযত করুন আমিন।

কালো পতাকা
11-01-2018, 06:53 AM
নরসিংদীর পলাশে ৪র্থ শ্রেণির স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনাকে ইউপি সদস্য ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে আপোষ মিমাংসার চেষ্টা
দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার খবরে জানা যায়,
নরসিংদীর পলাশে ৪র্থ শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। গত সোমবার রাতে উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের জয়পুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর স্থানীয় এক ইউপি সদস্য ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে আপোষ মিমাংসার চেষ্টা চালায়।
আপোষ উপেক্ষা করে মঙ্গলবার সন্ধায় পলাশ থানায় ওই ইউপি সদস্যসহ তিন জনের নামে মামলা দায়ের করেন নির্যাতিত ওই স্কুল ছাত্রীর মা হালিমা বেগম। মামলার আসামিরা হলেন গজারিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আলতাফ হোসেন, বারেক মিয়া ও জয়নাল হোসেন।
জানা যায়, সোমবার রাতে জয়পুরা প্রাইমারী স্কুলের ৪র্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই স্কুল ছাত্রী তার দাদীর ঘর থেকে নিজের ঘরে যাওয়ার পথে একই গ্রামের মনা মিয়ার ছেলে জয়নাল হোসেন (৩৫) মেয়েটির মুখ চেপে বাড়ির পাশে একটি ঝোপে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে রক্তাক্ত অবস্থায় ঝোপে ফেলে চলে যায়। অনেক খোজাখুজি করে বাড়ির পাশে ওই নির্জন ঝোপ থেকে তাকে উদ্ধার করে পরে মেয়েটির পরিবার।
ধর্ষণের শিকার ওই স্কুল ছাত্রীর মা হালিমা বেগম জানান, মেয়েকে উদ্ধার করার পর তার কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে শুনে স্থানীয় ইউপি সদস্য আলতাফ হোসেন ও জয়নালের চাচতো ভাই বারেক মিয়াকে ধর্ষণের ঘটনা জানায়। বারেক মিয়া থানায় মামলা করতে নিষেধ করেন। থানায় মামলা করলে প্রাণে মেরে ফেলবে, নয়তো এলাকা ছাড়া করবে বলে হুমকি প্রদান করে। ইউপি সদস্য আলতাফ হোসেন থানায় মামলা না করার জন্য ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে চেয়েছে। আমরা বিচারের আশায় থানায় ইউপি সদস্যসহ তিন জনের নামে মামলা দায়ের করি।
এ বিষয়ে ইউপি সদস্য আলতাফ হোসেন সাংবাদিকদের কাছে টাকা দিয়ে আপোষ করার বিষয়ে অস্বীকার করেন। তবে ধর্ষণের বিষয়ে আপোষ করার কথা স্বীকার করে। সে বলে, আমার কাছে দুই পক্ষই এসে আপোষ হওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করে। পরে আমি তাদের ইচ্ছে অনুযায়ী বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করি।

Diner pothe
11-01-2018, 08:27 AM
নিশ্চয় কাফেরের চক্রান্ত নিতান্তই দুর্বল।

ফানা ফিল্লাহ
11-01-2018, 06:39 PM
জুলুম তার সীমা অতিক্রম করে ফেলেছে । আর ঘরে বসে থাকা যায় না।
হে আল্লাহ !!! তুমি আমাদের সেই শক্তি ও ক্ষমতা দাও, তাদের সাথে রুখে দাড়াবার।