PDA

View Full Version : জঙ্গিদমনে (ইসলাম দমনে) ফরিদ উদ্দীন মাসঊদের ১০ ফতোয়া



কাল পতাকা
02-11-2016, 08:54 AM
জঙ্গিদমনে (ইসলাম দমনে) ফরিদ উদ্দীন মাসঊদের ১০ ফতোয়া


সময়বার্তা২৪ ডেস্ক :

বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান ফরিদ উদ্দীন মাসঊদ জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের ( মুসলমান ) বিরুদ্ধে ফতোয়া জারির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ জন্য এক লাখ ( সরকারী ) মুফতি ও ওলামার স্বাক্ষর সংগ্রহ শুরু করছেন তিনি। ইতিমধ্যে প্রায় ১৫ হাজার ( ১৫/১/১৬ ) স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, আমরা মনে করি, আগামী ফেব্রয়ারি মাসের মধ্যে এই সাক্ষর গ্রহণ সম্পন্ন হবে। মার্চ মাসে মুদ্রিত আকারে এই ফতোয়া সংশ্লিষ্ট মহলে সরবরাহ করা হবে।

প্রশ্ন ও উত্তর সম্বলিত ফতোয়া প্রস্তাব নিয়ে দেশের বিভিন্ন আলেমের কাছে যাচ্ছেন জমিয়তের প্রতিনিধিরা। আলেমদের সামনে ছুড়ে দেয়া প্রশ্নগুলো এরকম :

১/ মহান শান্তির ধর্ম ইসলাম কি এই ধরনের সন্ত্রাস ও জঙ্গী কর্মপন্থাকে সমর্থন করে?

২/ নবী রাসূলগণ বিশেষ করে প্রিয় নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি এই ধরনের বর্বর পথ অবলম্বন করে ইসলাম কায়েম করেছেন?

৩/ ইসলামে জেহাদ আর এই ধরনের সন্ত্রাস কি একই জিনিস ?

৪/ সন্ত্রাস সৃষ্টির পথ কি বেহেশত লাভের পথ না জাহান্নামের পথ?

৫/ আত্মঘাতি সন্ত্রাসীর মৃত্যু কি শহীদী মৃত্যু বলে গণ্য হবে?

৬/ ইসলামের দৃষ্টিতে গণহত্যা কি বৈধ?

৭/ শিশু, নারী, বৃদ্ধ নির্বিশেষে নির্বিচার হত্যাকরা ইসলাম কি সমর্থন করে?

৮/ ইবাদতরত মানুষকে হত্যা করা কি ধরনের অপরাধ?

৯/ অমুসলিমগণের গির্জা, মন্দির, ইত্যাদি উপাসনালয়ে হামলা করা কি বৈধ?

১০/ এ ধরনের সন্ত্রাসী ও জঙ্গিবাদীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা ইসলামের দৃষ্টিতে সকলের কর্তব্য কি না?

পরবর্তীতে আরো একটি প্রশ্ন সংযোজন করা হয়েছে বলে জানান ফরিদ উদ্দীন মাসউদ।এসব প্রশ্নের জবাবও দেয়া হয়েছে এবং ফতোয়া প্রস্তাব করা হয়েছে। ফতোয়ার সপক্ষে কোরআন, হাদিস ও বিভিন্ন ফতোয়া গ্রন্থের উদ্ধৃতি দেয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত ফতোয়াগুলো হলো:

১নং বিষয়ে ফতোয়া
ইসলাম কখনো সন্ত্রাস সমর্থন করে না। অধিকন্তু সন্ত্রাস হিংসা-হানাহানি নির্মূল করার জন্যই মহান ধর্ম ইসলামের আবির্ভাব। ইসলাম শান্তি ও ভালোবাসার ধর্ম।

২নং বিষয়ে ফতোয়া
নবী ও রাসূলগণ বিশেষ করে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইসলাম প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে কস্মিনকালেও সন্ত্রাস ও নির্মম বর্বরতার পথ অবলম্বন করেননি। ইসলাম প্রতিষ্ঠার পথ হলো দাওয়াত ও মুহব্বাতের পথ। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর অনুসারী সাহাবীগণ প্রেম ও খেদমতের (সেবা) মাধ্যমে মানুষকে কল্যাণের প্রতি, হেদায়েতের প্রতি দাওয়াত জানিয়েছেন। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের গোটা জীবন এর জ্বলন্ত সাক্ষী।
৩নং বিষয়ে ফতোয়া
জিহাদ ও সন্ত্রাস একই জিনিস নয়। জিহাদ হলো ইসলামের অন্যতম একটা নির্দেশ পক্ষান্তরে সন্ত্রাস হলো হারাম এবং অবৈধ। জিহাদ হলো নিজের এবং পরিবেশে ও সমাজে শান্তি, নিরাপত্তা এবং কল্যাণ প্রতিষ্ঠার জন্য নিরন্তর প্রয়াস চালিয়ে যাওয়া।

৪নং বিষয়ে ফতোয়া
সন্ত্রাস ও আতঙ্কসৃষ্টি করা যেহেতু হারাম এবং নিষিদ্ধ সুতরাং তা কখনও বেহেশত পাওয়ার পথ হতে পারে না। এ তো জাহান্নামের পথ। যারা বেহেশত লাভের জন্য বর্তমানে সন্ত্রাস ও জঙ্গিাবাদের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে তাদের যদি বেহেশত লাভ করতে হয় তবে সন্ত্রাসবাদের মতো জাহান্নামের পথ থেকে অবিলম্বে তওবা করে শান্তি ও হেদায়েতের পথে ফিরে আসতে হবে।

৫নং বিষয়ে ফতোয়া
আত্মহত্যা ও আত্মঘাত ইসলামের দৃষ্টিতে হারাম। নিজেকে মানববোমা বানিয়ে উড়িয়ে দেয়া কখনও বৈধ নয়। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে জিহাদে শরীক এক ব্যক্তি যুদ্ধে আহত হয়ে আত্মহত্যা করলে নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জাহান্নামী বলে ঘোষণা দেন।

৬নং বিষয়ে ফতোয়া
ইসলামে নিরপরাধ মানুষের গণহারে হত্যা বৈধ নয়। এমন কি সন্দেহের বশবর্তী হয়েও কাউকে হত্যা করা নিষেধ।

৭নং বিষয়ে ফতোয়া
শিশু, নারী, বৃদ্ধ, দুর্বল, যারা যুদ্ধে শরিক নয়, সেই ধরনের মানুষকে হত্যা করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। এমনকি যুদ্ধ চলাকালীন সময়েও তা জায়েয নয়। কিতাল বা সশস্ত্রযুদ্ধের উদ্দেশ্যে যখন মুসলিম দল বের হতেন তখন নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিশেষভাবে এই ব্যাপারে কঠোরভাবে সতর্ক করতেন।

৮নং বিষয়ে ফতোয়া
যেকোনো অবস্থায় খুন করা অপরাধ। ইবাদত বা উপসানারত কাউকে হত্যা করা সবচে জঘন্য এবং মারাত্মক অপরাধ।

৯নং বিষয়ে ফতোয়া
অমুসলিমগণের গির্জা, প্যাগোডা, মন্দির ইত্যাদি উপাসনালয়ে হামলা করা ইসলামের দৃষ্টিতে হারাম ও অবৈধ। এটি কঠোর শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

১০নং বিষয়ে ফতোয়া
মুনকারাত অর্থাৎ অন্যায় ও দুষ্কর্মের বিরুদ্ধে সামাজিক ও ব্যক্তিগত প্রতিরোধ গড়ে তোলা সবার কর্তব্য। বর্তমান সন্ত্রাস ও আতঙ্কবাদ সারা পৃথিবীতে ইসলাম ও মুসলিমদের বিকৃতভাবে উপস্থাপন করছে, বদনাম করছে, এসব দুষ্কর্ম ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে মারাত্মক শয়তানী ষড়যন্ত্র বই কিছুই নয়। সুতরাং এর বিরুদ্ধে শক্তি সামর্থের আলোকে সামাজিক ও ব্যক্তিগত প্রতিরোধ গড়ে তোলা সকলের জন্য জরুরি ধর্মীয় কর্তব্য। চুপ করে থাকার অবকাশ নেই।

এ ব্যাপারে ফরিদ উদ্দিন মাসউদ বাংলামেইলকে বৃহস্পতিবার রাতে বলেন, বর্তমানে ক্ষুদ্র একটা গোষ্ঠী সারা পৃথিবীতে ইসলামের নামে আতঙ্ক ও সন্ত্রাস সৃষ্টি করে চলছে। এরা মুসলিম অমুসলিম নির্বিশেষে নির্বিচারে নিরপরাধ ও অসহায় নারী পুরুষ, বৃদ্ধ শিশু হত্যা করে যাচ্ছে। এমনকি মসজিদ ও ধর্মীয় উপাসনালয়ে নামাজরত বা প্রার্থনারত মানুষকেও হত্যা করছে। আত্মঘাতি বোমা মেরে নিজেকে উড়িয়ে দিয়ে তা শহীদী মৃত্যু বলে ঘোষণা দিচ্ছে।

তিনি বলেন, এসব পরিস্থিতিতে ধর্মের নামে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী এই ফতোয়া উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আমার নিজ উদ্যোগে চলতি মাসেই ফতোয়া দেয়ার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সারাদেশে কমিটি গঠন করে উলামা, মাশায়েখ ও মুফতি সাহেবদের স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হচ্ছে। আমরা মনে করি, আগামী ফেব্রয়ারি মাসের মধ্যে এই স্বাক্ষর গ্রহণ সম্পন্ন হবে। মার্চ মাসে মুদ্রিত আকারে এই ফতোয়া সংশ্লিষ্ট মহলে সরবরাহ করা হবে।

লিঙ্কঃ http://www.shomoybarta24.net/2016/01/জঙ্গিদমনে-ফরিদ-উদ্দীন-মা/

murabit
02-11-2016, 10:47 AM
জিহাদ হলো নিজের এবং পরিবেশে ও সমাজে শান্তি, নিরাপত্তা এবং কল্যাণ প্রতিষ্ঠার জন্য নিরন্তর প্রয়াস চালিয়ে যাওয়া।
তাহলে এই বিষয়সমূহ মক্কিজীবনে নিষিদ্ধ ছিল?

murabit
02-11-2016, 11:07 AM
১নং বিষয়ে ফতোয়া
ইসলাম কখনো সন্ত্রাস সমর্থন করে না। অধিকন্তু সন্ত্রাস হিংসা-হানাহানি নির্মূল করার জন্যই মহান ধর্ম ইসলামের আবির্ভাব। ইসলাম শান্তি ও ভালোবাসার ধর্ম।
ترهبون به عدوالله আল্লাহর শত্রুদের সন্ত্রস্ত করে রাখা ফরজ, এমন পরিষ্কার ফরজ অস্বীকার কারি্র নাম শাহবাগী(রাজদ্রোহী) মুফতি,সে আল্লাহর রাজ্যে অবিশ্বাসি কাফের বিদ্রোহীদের মুফত গুলাম,এজন্য তার ফতোয়া জাতিসঙ্ঘ স্বীকৃত,ফতোয়া সহীহ হওয়ার জন্য আরো কোন সনদ দরকার আছে?

Abu Ahmed
02-11-2016, 11:49 AM
দুঃখজনক হলেও সত্য যে, শাহবাগী আলেমদের নেতৃত্বে জিহাদ বিরুধী ফতোয়াতে সর্বপ্রথম জামাতপন্থী ইমামরাই সাক্ষর করবে।

murabit
02-11-2016, 01:30 PM
নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের গোটা জীবন এর জ্বলন্ত সাক্ষী।

যিনি জীবনে উৎকর্ষের সমৃদ্ধতম ১০ বৎসরে ইসলামের পূর্ণতার সময়ে ২৭ টি যোদ্ধে স্বয়ং অংস গ্রহন করেছেন,
৫০ টির মত যোদ্ধে সাহাবায়ে কিরাম কে পাঠিয়ে তাদের জন্য ঈর্ষা পোষণ করেছেন,যেতে নাপারায় আক্ষেপ করেছেন,
امرت ان اقاتل الناس حتى يقولوا لااله الاالله (بخارى)و
بعثت بالسيف بين يدى الساعة (احمد)و
جعل رزقى تحت ظل رمحى وجعل الذل والصغار على من خلف امرى (بخارى)وووكثير
জিহাদের বিধানে কোরানের চার শতাধিক আয়াত শুনিয়েছেন,এমন উৎসাহ ,তাহরীদ ও গুরত্ব প্রদান করেছেন যে যেকোন যোদ্ধাভিজান থেকে নিফাক্বমুক্ত কোন মুসলমান পিছনে পড়ে থাকতে রাজী না।
হ্যাঁ জিহাদের ক্ষেত্রে মুনাফিকদের টালবাহানা চিরাচরিত বিষয়।
ربنا لم كتبت علينا القتال لولا اخرتنا الى اجل قريب
হায় আমাদের রব্ব যোদ্ধ কেন ফরজ করলে, আমাদের আরো কিছুদিন সুযোগ দিলেনা কেন ? ( হায় এখন দেখি জঙ্গিরা আবার রব্বের কিতালের বিধান সংক্রান্ত আয়াত পড়া শুরকরে দিয়েছে , আমাদের গায়ে لاحول...আগুন জলে উঠছে, এগুলো বন্ধ করতে হবে, যেন এখনি যুদ্ধ ফরজ এটা মুসলমানগণ জানতে না পারে, ودالذين كفروا لو تغفلون عن اسلحتكم وامتعتكم কাফের গোষ্ঠী কামনা করে যদি তোমরা তোমাদের অস্ত্রশস্ত্র ও কাজের জিনিষ থেকে উদাসীন থেকে যেতে! ) কিতাল ফরজ হোলে আমরা ডাক দিব আমাদের দেখানো রাস্তায় না আসলে কিতাল সহীহ হবেনা, ইবনে উবাই স্বয়ং নবি ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াছাল্লামকে বলে ছিল لو نعلم قتالا لاتبعناكم যদি কিতাল জানতাম তোমাদের সঙ্গে থাকতাম,(তোমাদের মদিনা থেকে বেরিয়ে অল্পসংখ্যক সৈন্য বিশাল বাহিনীর সাথে মুখুমুখি যুদ্ধে জড়ানো সামরিক কৌশল পরিপন্থি অতএব এটা আল্লাহ তায়ালা নির্দেশিত যোদ্ধ হতে পারেনা )এখন তার মানষপুত্রদের থেকে দিওানারা কি আসা করতে পাড়ে।

এক উসমান রাজিঃ হত্যার সংবাদে তৎক্ষণাৎ অপ্রস্তত অবস্থায় ভিনদেশে চৌদ্দশত সাহাবি নিয়ে যোদ্ধের জন্য মৃত্যুর জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে পড়েন, আল্লাহ তায়ালা তাদের এই সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট হয়ে যান।
উমায়ের/হারেস এক মুসলিম দূত হত্যার প্রতিশোধে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াছাল্লাম (৩০০০) তিন হাজার সাহাবির এক সেনাদল মদিনা থেকে বহুদূর মুতার অঞ্চলে যোদ্ধের জন্য পাঠিয়ে দেন, الذين اذا اصابهم البغى هم ينتصرون আবার এই যুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন ইন্তেকালের সময় এদের প্রতিশোধে উসামার বাহিনী রওয়ানা করেন, সব সাহাবিদের এ বাহিনিতে শামিল করেন।

যুদ্ধে মুসলি মুজাহিদদের বিরোদ্ধে কাফেরদের সঙ্গদানের তৎপড়তায় জড়িত থাকার অপরাধে বনুকুরাইজার চারশ (৪০০) সাবালক কে হত্যা করে দেন। তাদের নারি শিশুদের দাস দাসি বানিয়ে রাখেন।অথচ স্বরা স্বরি এই অপতৎপড়তায় সুধু তাদের সরদার জড়িত হয়ে ছিল অন্যরা গোবেচারা মার্কা চিল। আল্লাহর বিদ্রোহীদের সংগ ভয়াভহ কর্ম। কাফেরদের ভয়ে ইসলাম বিকৃত কারিগন সাবধান! রাত্রে দিনে শয়নে ভ্রমনে যে কোন মূহুর্তে আল্লাহর আযাব গজব ধরে ফেলতে পারে।

murabit
02-11-2016, 08:56 PM
৩নং বিষয়ে ফতোয়া
জিহাদ ও সন্ত্রাস একই জিনিস নয়। জিহাদ হলো ইসলামের অন্যতম একটা নির্দেশ পক্ষান্তরে সন্ত্রাস হলো হারাম এবং অবৈধ। জিহাদ হলো নিজের এবং পরিবেশে ও সমাজে শান্তি, নিরাপত্তা এবং কল্যাণ প্রতিষ্ঠার জন্য নিরন্তর প্রয়াস চালিয়ে যাওয়া।
বিবাহিত স্ত্রীর বিশেষ হক্ব আদায় আর যিনা একই জিনিশ নয়,এর মধ্যে পার্থক্যকরা খালি চোখে মুটা বুদ্ধিতে সম্ভব নয় ,বাহ্যিক ভাবে উভয়ের রূপ একই। ঠিক জিহাদ আর সন্ত্রাসের জাহেরি ছুরৎ একই , এই জন্য নুরুল আনোয়ারে জিহাদের সংগা এভাবে দেওয়া হয়েছে, تعذيب عباد الله تخريب بلادالله আল্লাহর (নাফরমান)বান্দাদের আযাব দেওয়া আল্লাহর যমীনে তাণ্ডব চালানো। এবং এটাকে হাছান লিগায়রিহি এর নমূনা হিসাবে উল্ল্যেখ করা হয়েছে হাছান লিগায়রিহি অর্থই হলো বাহ্যত এর মধ্যে সুন্দর্য্য নেই,মারা মারি ,কাটাকাটি,আঘাত, রক্ত ঝরানো,জালাউ, পুড়াউ
وقاتلوهم يعذبهم الله بايديكم ويخزهم-ويشف صدور قوم مومنين واقعدوا لهم كل مرصد- اينما ثقفوا اخذوا وقتلوا تقتيلا-اثخنتموهم فشدواالوثاق- كتب عليكم القتال وهو كره لكم - ماقطعتم من لينة او تركتموها -
ফলে দুনিয়ার যাহের পুজারি ব্যেক্তি এগুলোর মধ্যে কল্যান খোঁজে পায়না, এগলুকে অন্ধ কাফেরদের মত ফাসাদ-সন্ত্রাস বলে, ফিত্নায় আক্রান্তরা এতে ফিতনা দেখে,মনাফেক্বরা এটাকে মৃত্য তুল্য ভয়পায়, হরেক প্রকার বাহানা তালাশ করে, কিন্তু আল্লাহ তায়ালা রাব্বুলআলামীন যাদের অন্তর চক্ষো খোলে দিয়েছেন তারা আল্লাহর চোখে দেখে, তারা এতে ইলায়ে কালিমাতুল্লাহ দেখে, মুজরিমের সাস্তি দেখে,খোদা দ্রোহীদের নিপাত দেখে, ক্যন্সারের চিকিৎসা দেখে,জাহাজ ছিদ্রকরে যাত্রিদের নিমজ্জিত কারিদের প্রতিরোধ দেখে,মজলূম নারি পুরুষ শিশুদের পরিত্রান দেখে,ফিত্নার নির্রমূল-দ্বীনের পূর্ন প্রতিষঠা দেখে, জান্নাতের ছায়া দেখে, রক্তের ফুটায় রব্বে কারীমের ক্ষমা দেখে,হুরে ইনের রঙ দেখে, ইশকের নযরানা দেখে,মহব্বতের প্রমান দেখে,ইমানের শাহাদত তথা সাক্ষ্য দেখে,জীবনের সফলতা দেখে, বারবার এর জন্য জান্নাত ছেড়ে আসা কামনা করে,...

murabit
02-11-2016, 10:23 PM
ইহুদি সরদার কাব বিন আশরাফ, ইহুদি বণিক আবুরাফে কে গুপ্ত হত্যা করিয়েছেন ,অথচ প্রথম জন বাহ্যত চুক্তিবদ্ধ ছিল,
রাসুল ছাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়াছাল্লামের গালমন্দ কারিণী বাদিকে হত্যাকারী ছাহাবির হত্যাকর্মের অনুমোদন দিয়েছেন ,
ইবনে খাতালকে কাবার গিলাফ ধরা অবস্থায় হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন,
আবু বাছীর রাজিঃ (উতবা ইবনে উসাইদ)কে রাসুলের রাষ্ট্রে রাসুলের সাথে চুক্তিবদ্ধ মিত্রকে হত্যা করা সত্বেও তার কাজ কে অবৈধ বলেন নি ।
অতঃপর রাসুলের বর্তমান থাকা সত্বেও তাঁর সাথে যুদ্ধস্থগিত চুক্তিবদ্ধ মিত্রদের বিরদ্ধে আপন বিচ্ছিন্ন বাহিনি নিয়ে যুদ্ধ করেছেন, তাদের হত্যা করেছেন তাদের মাল সামান লোটকরেছেন,রাসুল থেকে অনুমতি গ্রহন করেননি, নিজেরাই নিজেদের আমীর নির্ধারন করে গেরিলা যুদ্ধ চালিয়েছেন, এতদ সত্ব্যেও রাসুল তাদের কাজ কে অবৈধ বলেন নি ,কোন নিন্দা ও জ্ঞাপন করেন নি , নিশিদ্ধ বিচ্ছিন্নতার হুকুম প্র্য়োগ করেন নি,এ ভাবে তাদের কর্মকাণ্ড অনুমোদন করেছেন ।

কাল পতাকা
02-12-2016, 05:44 AM
মাশাআল্লাহ ভাই আপনার কথা গুলো সুন্দর হচ্ছে।

আমরাও যাদের সময় সুযোগ হবে, তারা উত্তর দিতে নিজের মত করে। ia

moaj
02-12-2016, 08:15 AM
এরকম শাহাবাগি ও দরবারি আলেমদেরকে সবাই ঘৃণা করুন এবং দমন করুন কেননা এক গ্লাস দুধকে নষ্ট করার জন্য একফুটা ছ্যনাই জতেষ্ট

Abu Dujana
02-12-2016, 09:27 PM
আল্লাহ্* সুবাঃ এই পাগলাকে সুস্থতা দান করুণ, আমীন।

Taalibul ilm
02-14-2016, 10:21 AM
মাশাআল্লাহ, মুরাবিত ভাই চালিয়ে যান।

প্রত্যেকটা প্রশ্নের যথাযথ উত্তর দিয়ে দিন ইনশাআল্লাহ।