PDA

View Full Version : বাংলাদেশে ব্যবসার সম্ভাবনা যাচাই করছে ইহুদিবাদী রথসচাইল্ড গ্রুপ



ABU SALAMAH
07-02-2016, 12:27 PM
বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা প্রসারের সুযোগ ও সম্ভাবনা যাচাই করছে অষ্টাদশ শতাব্দীর বিশ্বের অন্যতম সেরা সম্পদশালী পরিবার অ্যাডমন্ড ডি রথসচাইল্ড। এ পরিবারের মালিকানায় সুইজারল্যান্ডে গড়ে উঠেছে অ্যাডমন্ড ডি রথসচাইল্ড গ্রুপ।
বিনিয়োগ সম্ভাবনা খুঁজতে বর্তমানে বাংলাদেশ সফরে রয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ দুই নির্বাহী।


তাঁরা হলেন অ্যাডমন্ড ডি রথসচাইল্ড করপোরেট ফিন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুলিয়েন পিটন ও রথসচাইল্ড গ্রুপ জেনেভার ব্যবস্থাপনা পরিচালক যোগেশ্বর সিং। সম্ভাবনা যাচাইয়ের অংশ হিসেবে গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর নিকুঞ্জে গড়ে ওঠা নতুন একটি পাঁচতারকা হোটেলে বাংলাদেশের তরুণ উদ্যোক্তাদের সঙ্গে তাঁরা মতবিনিময়ে মিলিত হন।

দেশের বেসরকারি দি সিটি ব্যাংক এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বর্তমানে রথসচাইল্ড পরিবারের সপ্তম প্রজন্মের সদস্যরা এ পারিবারিক ব্যবসা পরিচালনা করছেন। একেবারে পারিবারিকভাবে সম্পদের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানটির বর্তমানে বিশ্বের ১৭টি দেশে ব্যবসায়িক কার্যক্রম রয়েছে। ২০০৮ সালের হিসাবে প্রতিষ্ঠানটি এককভাবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ১০০ বিলিয়ন ইউরো অর্থায়ন করেছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে গওহর রিজভী বলেন, বাংলাদেশে বিদেশি যেকোনো প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করলে ওই বিনিয়োগ থেকে অর্জিত মুনাফা নিয়ে যাওয়ার সহজ ব্যবস্থা রয়েছে। বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ এখন উৎকৃষ্ট দেশ। কারণ, এখানে নীতি ধারাবাহিকতা যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে সামাজিক স্থিতি। তবে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে জমি ও বিদ্যুতের কিছুটা সমস্যা রয়েছে। সেই সমস্যা সমাধানে কাজ করছে সরকার। এ সময় তিনি এ দেশের নারীর ক্ষমতায়নকে অর্থনীতির জন্য বড় একটি শক্তির দিক বলেও উল্লেখ করেন।

মতবিনিময়কালে জুলিয়েন পিটন বলেন, সারা বিশ্বে রথসচাইল্ড গ্রুপ করপোরেট ও ব্যক্তিগত অর্থায়ন, সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও ব্যক্তিগত মূলধন জোগানে কাজ করে থাকে। অর্থায়নের ক্ষেত্রে পারিবারিক ব্যবসায়িক ঐতিহ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে এ দেশের ব্যবসায়ীরা সফরকারী রথসচাইল্ড গ্রুপের প্রতিনিধিদের কাছে জানতে চান, বাংলাদেশের কোন কোন খাতে তাঁদের বিনিয়োগের আগ্রহ রয়েছে। জবাবে গ্রুপটির শীর্ষ দুই নির্বাহী বলেন, সরাসরি বিনিয়োগের কোনো সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি। তবে এ দেশের কোনো ব্যবসায়ী বা উদ্যোক্তা যদি ভালো কোনো ব্যবসায়িক প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করে, তবে তাঁরা সব ধরনের সহায়তা দেবেন।

যোগেশ্বর সিং বলেন, যেকোনো দেশে অর্থায়নের আগে সে দেশের বিনিয়োগ ঝুঁকি, সম্ভাবনা, অর্থায়নের মানকে সর্বাগ্রে বিবেচনায় নেওয়া হয়। ব্যাংকের মতো প্রচলিত ব্যবস্থায় কোনো ব্যবসায়িক বিনিয়োগ বা অর্থায়ন করে না রথসচাইল্ড গ্রুপ। পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করে এ গ্রুপ। তাই অর্থায়নের ক্ষেত্রে নিজস্ব কিছু মানদণ্ড রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।

যোগেশ্বর সিং আরও বলেন, যেসব দেশে আমাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম রয়েছে, সেসব দেশের আইনকানুনকে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকি। আইন লঙ্ঘন করে বা সঠিকভাবে কর পরিশোধ করে না, এমন কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে রথসচাইল্ড গ্রুপ কাজ করে না। বিশ্বজুড়ে আমাদের বৃহৎ একটি গ্রাহকগোষ্ঠী রয়েছে। এ সময় তিনি বাংলাদেশের তরুণ উদ্যোক্তাদের এ দেশের বড় সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী বলেন, সামরিক, পারমাণবিক জ্বালানি, বনশিল্প ও সিকিউরিটি প্রিন্টিং খাত ছাড়া বাংলাদেশে অন্য সব খাতে বিদেশি বিনিয়োগ উন্মুক্ত। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা যাতে সহজে তাদের বিনিয়োগের অংশ ও মুনাফা ফেরত নিতে পারে সেটিরও নিশ্চয়তা রয়েছে। এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে বিদ্যুৎ, অবকাঠামো, তথ্যপ্রযুক্তি, ওষুধ, তৈরি পোশাক, টুরিজম, হোটেলসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা ও বিপুল সুযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ বিরূপাক্ষ পাল বলেন, বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি প্রবৃদ্ধি দীর্ঘদিন ধরেই স্থিতিশীল রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বর্তমানে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। সামগ্রিক অর্থনীতিতেও স্থিতিশীলতা বজায় আছে।

অনুষ্ঠানের আয়োজক দি সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহেল আর কে হুসেইন বলেন, দেশে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে সিটি ব্যাংক। এ জন্য কয়েক বছর ধরে বিদেশে ধারাবাহিকভাবে বিনিয়োগ সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে। অবকাঠামো, জ্বালানি, টেলিযোগাযোগসহ বাংলাদেশের বিনিয়োগের বিভিন্ন খাত তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব খাতে বিনিয়োগে ঝুঁকি কম। কিন্তু সম্ভাবনা বিপুল। তথ্যপ্রযুক্তি খাতসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণে সরকার নানা প্রণোদনাও দিয়ে থাকে।

http://www.prothom-alo.com/economy/article/628024/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A 6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A 6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A 6%AC%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A6%A5%E0%A6%B8%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A 6%87%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%A1

ABU SALAMAH
07-02-2016, 12:38 PM
রথসচাইল্ড পরিবার । যারা এখনো এই গ্রহের শীর্ষ ধনীদের অন্যতম। তাদের মোট সম্পদের পরিমাণ ৩৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

The Rothschild family is a wealthy family descending from Mayer Amschel Rothschild, a court Jew to the German Landgraves of Hesse-Kassel, in the Free City of Frankfurt, who established his banking business in the 1760s. Unlike most previous court Jews, Rothschild managed to bequeath his wealth, and established an international banking family through his five sons, who established themselves in London, Paris, Frankfurt, Vienna, and Naples.
During the 19th century, the Rothschild family possessed the largest private fortune in the world, as well as the largest private fortune in modern world history. The family's wealth was divided among various descendants. Today, Rothschild business encompass a diverse range of fields, including financial services, real estate, mining, energy, mixed farming, wine and charities.

১৯১৪ সালে ফিলিস্তিনে ইহুদিদের সংখ্যা ছিল প্রায় ৯০ হাজার এবং অভিবাসীদের কয়েকটি বসতিতে প্রায় ১৩ হাজার ইহুদি বাস করত। ওই অভিবাসীদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন "ব্রাউন এডমন্ড রথসচাইল্ড" নামের এক ফরাসি ইহুদি ধনকুবের। ইহুদিবাদী মতবাদ উদ্ভাবন ও তার বিস্তারে গুরূত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এই ইহুদিবাদী পুঁজিপতি। রথসচাইল্ডকে "ফিলিস্তিনে ইহুদি বসতি প্রতিষ্ঠার জনক" বলা হয়।

ফিলিস্তিনে আরবদের জমিসহ বিভিন্ন জমি কেনা এবং সেখানে অভিবাসী ইহুদিদের জন্য উপশহর বা বসতি নির্মাণের ক্ষেত্রে ব্যাপক প্রচেষ্টার জন্য ইহুদিবাদীদের মধ্যে স্মরণীয় হয়ে আছেন ওই ফরাসি ইহুদি ধনকুবের। ফিলিস্তিনে অভিবাসী ইহুদিদের জন্য প্রথম উপশহর নির্মাণে তিনি ব্যয় করেছিলেন ১৬ লাখ লিরা স্টার্লিং। রথসচাইল্ড নিজেই বলেছেন, "আমাকে ছাড়া ইহুদিবাদীরা কোনো কাজই করতে পারত না।"



আজ আমরা বিখ্যাত রথসচাইল্ড ব্যাংকিং পরিবারকে আমাদের গভীর দৃষ্টিতে দেখব, এবং তাদের দ্বারা অধিকসংখ্যক ষড়যন্ত্র তত্ত্ব। প্রায় প্রত্যেক ষড়যন্ত্র তত্ত্ব অনুমান করা হয় যে রথসচাইল্ড এর আঙ্বুলের নির্দেশে বিশ্বের সরকারগুলো কিছু গোপন কাউন্সিলের নির্দেশনায় নড়াচড়া করে। আমরা এই রহস্যময় পরিবার এর দিকে তাকালে দেখব প্রত্যেক যুদ্ধে তাদের ভুমিকা দুই তরফ থেকে আছে। পরাশক্তিরা নিজেদের সার্বভৌমত্তের জন্য লড়াই করার নাম করে বাজার দখলের জন্য লড়াই করে। কারন মূলে হল টাকা।

টাকার জন্য তারা যা ইচ্ছা তাই করতে পারে যেমনটা তারা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি কে হত্যা কিংবা ফ্রাঙ্কলিন ডেলানো রুসাভেলত কে উৎখাত করা। ১৮০০ সালের পরে পৃথিবীতে যত যুদ্ধ হয়েছে এই পরিবার সেগুলাতে অর্থায়ন করেছে। এবং সেটা করা হয়েছে দুই পক্ষেই।

১৮০৩ থেকে ১৮১৫ সাল পর্যন্ত যখন নেপোলিয়ন ব্রিটেন এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে তাখন এই পরিবারের দুই ভাই দুই দেশে ঘাটি করে । জেকব রথসচাইল্ড ফ্রান্সে আর নাথান রথসচাইল্ড ব্রিটেনে। দুই জনের টাকার বিনিময়ে যুদ্ধ যখন চরম সীমায় চলে যায় তখন এই দুই ভাই দেখল ব্রিটেনের সাথে থাকা লাভজনক। তাই জেকব রথসচাইল্ড টাকা কমিয়ে দিল আর নাথান রথসচাইল্ড টাকা বাড়িয়ে দিল। ইংল্যান্ড এই যুদ্ধে জিতে যায়।

তার মধ্যে নাথান রথসচাইল্ড আরেকটি কাজ করল যেটা হল এক ঢিলে দুই পাখি মারা। সেটি হল যখন সে জানল ইংল্যান্ড যুদ্ধে জিতে যাবে তখন সে তার সব ব্রিটিশ বন্ড বিক্রি করে দেয়। তার দেখা দেখি বাকিরা বুঝতে পারল যে ইংল্যান্ড হারছে তাই তারাও তাদের সাথের সব বন্ড বিক্রি করে দিল। যেহেতু রথসচাইল্ড পরিবার খুবি ধনী তারা সব বন্ড কিনে ফেলল। এবং সাথে সাথে যুদ্ধ শেষ হয়ে গেল। যেহেতু ইংল্যান্ড জিতেছে সেহেতু রথসচাইল্ড ব্রিটিশ অর্থনীতির নিয়ন্ত্রক হয়ে গেল। তারা ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড এর মালিক। তখন থেকে তারা সারা বিশ্বের অর্থনীতির ভাগ্য নির্ধারণ করে চলছে। কখনো তারা বাজারকে ধসিয়ে দেয় তার থেকে লাভ নেয়ার জন্য এবং ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য।

দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধে তারা সবচেয়ে বড় খেলা দেখিয়েছে। আমরা জানি জার্মানি ইহুদীদের ঘৃণা করেছিল। কারন আর কিছুই না রথসচাইল্ড পরিবারের লোভ, লালসা সৃষ্টি। ইংল্যান্ড কে চাপ দিয়ে ভারসাই চুক্তি করাই হল আসল উদ্দেশ্য এবং সে চুক্তির কুফল হল দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ। যখন যুদ্ধ বেধে গেল তারা দেখল ইংল্যান্ড আর ফ্রান্স পরাজিত হচ্ছে এবং তারা যে ব্রিটিশ অর্থনীতি নিয়ে নিএছিল সেটা হাত ছাড়া হয়ে যাচ্ছে। তখন তারা উঠে পরে লাগলো আমেরিকা কে যুক্ত করার জন্য কারন তখন আমেরিকা উদীয়মান বিরাট পরাশক্তি। কিন্তু ১৯৩০ সালের শেয়ার বাজার ধ্বসের কারনে আমেরিকান রা চাচ্ছিল না যুদ্ধে অংশ নিতে। যদিও শেয়ার বাজার ধ্বসের কারন ছিল এই পরিবার। তখন এই পরিবার বাধ্য করল তাদের আরেক বন্ধু মিতসুবিশি কে বাধ্য করে, সে জাপান সরকারকে উস্কানি দিতে লাগলো যুদ্ধে আগানোর জন্যএতে তাদের ক্ষমতা হাতছাড়া হল না উপরন্ত তারা দায়িত্ব নিয়ে নিল আমেরিকান ফেডারেল রিসার্ভ ব্যাংক এর।

যুদ্ধ শেষে এই পরিবার ইংল্যান্ড কে দিয়ে ইসরায়েল নামক রাষ্ট্রটি আবিষ্কার করে। যেটা ইহুদি মতবাদের উপর ভিত্তি করে গরে তোলা।

আমরা সবাই একটা জিনিস জানি সেটা হল আমেরিকা, ইংল্যান্ড খ্রিষ্টান দেশ তাহলে তারা ইসরায়েলকে এত সহায়তা দেয় কেন? কারন এই দেশকে যারা চালায় তারাই সবার ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ করে। রথসচাইলদ পরিবার ব্যাংকিং ভিত্তিক পরিবার। এটা বলা হয় পৃথিবীর এমন কোন ব্যাংক নাই যেটাতে এই পরিবারের শেয়ার নেই।


Reference:

https://banglaislamsite-base.blogspot.com/

http://www.somewhereinblog.net/blog/asadnur08/30116985

http://www.independent.co.uk/news/uk/this-britain/the-rothschild-story-a-golden-era-ends-for-a-secretive-dynasty-756388.html

http://www.telegraph.co.uk/finance/9300205/Rothschild-and-Rockefeller-their-family-fortunes.html

http://www.jewishencyclopedia.com/view.jsp?artid=445&letter=R