Announcement

Collapse
No announcement yet.

আমারা আইএসআইএল'কে সহযোগিতা করছি : ইসরাইল

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • আমারা আইএসআইএল'কে সহযোগিতা করছি : ইসরাইল

    ভাই,
    আই এস খারেজীদেরকে ইসরাইল-আমেরিকার সাথে আসলেই কি মিত্রতা রয়েছে ??
    নিচের নেউজ গুলো চিন্তা করার বিষয় রয়েছে। কারন তাঁরা মুসলিম মুজাহিদদের কে হত্যা করছে কার সার্থে ??! তাঁরা আফগানিস্থানে হামলা করেছে কার সার্থে ??! তাঁরা গ্লোবাল জিহাদ কে বিভক্ত করেছে কার সার্থে ? তাঁরা আল কায়েদার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে কার সার্থে ??!

    নিচের নিউজ গুলো যাচাই করে দেখুন তো ... !!
    =======================

    আমারা আইএসআইএল'কে সহযোগিতা করছি : ইসরাইল !
    --------------------------------------------------------------



    ইসলামী জাগরণ বার্তা সংস্থা : ইহুদিবাদী ইসরাইলের যুদ্ধমন্ত্রী বলেছেন, উগ্র তাকফিরি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএসআইএল ইসরাইলের জন্য হুমকি নয় এবং তেলআবিবের সঙ্গে তাদের সহযোগিতা বজায় রয়েছে। যুদ্ধমন্ত্রী মুশে ইয়ালুন একটি সামরিক ঘাঁটি পরিদর্শনকালে এ কথা বলেছেন।
    মার্কিন নেতৃত্বে তথাকথিত আন্তর্জাতিক জোট যখন আইএসআইএল’র অবস্থানের ওপর হামলা চালাচ্ছে বলে খবর আসছে ঠিক তখন ইসরাইলের যুদ্ধমন্ত্রী আইএসআইএল’র সঙ্গে তাদের সহযোগিতার কথা ফাঁস করলেন। ইসরাইলের যুদ্ধমন্ত্রী স্বীকার করেছেন, তার ভাষায় সিরিয়া সীমান্তে অবস্থিত মধ্যপন্থী সশস্ত্র গ্রুপ ‘ফ্রি সিরিয়ান আর্মিকে’ তারা সহযোগিতা করছে। তিনি এও বলেছেন, যুদ্ধে আহত বিদ্রোহীদেরকে ইসরাইলের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
    সিরিয়া সংকটের শুরু থেকেই ইসরাইল প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের পতন ঘটানোর জন্য পশ্চিমা ও আরব জোট এবং তাদের নিয়ন্ত্রিত সন্ত্রাসীদেরকে সর্বাত্মক সাহায্য সহযোগিতা দিয় আসছে। প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে ইসরাইল সিরিয়া বিরোধী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে ইসরাইলের সেনা কর্মকর্তারা সিরিয়ার সন্ত্রাসীদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেয়ার কাজ শুরু করে। সিরিয়ায় সংকট তৈরি এবং ইসলামের নামে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী গড়ে তোলার উদ্দেশ্যের বিষয়টি ফাঁস হয়ে পড়ার পর মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ইসরাইলের ভূমিকা ও ইন্ধন যোগানোর বিষয়টি আগের চেয়ে আরো বেশি স্পষ্ট হয়ে পড়েছে।
    পাশ্চাত্যের বিভিন্ন সংবাদ সূত্র জানিয়েছে, উগ্র তাকফিরি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএসআইএল’র প্রধান আবু বকর সিদ্দিকীকে ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণ দিয়েছে। সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিন্টনও স্বীকার করেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে নীলনকশা বাস্তবায়নের জন্য পূর্ব পরিকল্পনা অনুসারে আমেরিকা আইএসআইএল নামে উগ্র সশস্ত্র গ্রুপ গড়ে তুলেছে।
    বিশ্লেষকরা বলছেন, আমেরিকার প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ইসরাইল ও মার্কিন বিরোধী প্রতিরোধ শক্তিগুলোকে ধ্বংস বা দুর্বল করা। মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলোর মধ্যে সিরিয়া একমাত্র দেশ যে কিনা দখলদার ইসরাইলের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। সিরিয়ায় আমেরিকা, ইসরাইল ও আইএসআইএল’র অভিন্ন স্বার্থ রয়েছে। পরিকল্পিতভাবে সিরিয়ায় সংকট তৈরি করা এবং আইএসআইএলকে দমনের নামে লোক দেখানো বিমান হামলা চালানো এসব কিছুর পেছনে তাদের বিরাট উদ্দেশ্য রয়েছে।
    সিরিয়ায় গত প্রায় চার বছরের যুদ্ধে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে ইসরাইলের সহযোগিতার বিষয়ে বহু খবর প্রকাশিত হয়েছে। ইসলামের নামে গড়ে ওঠে আইএসআইএল সন্ত্রাসীরা তেলআবিবের জন্য হুমকি নয়-ইসরাইলের যুদ্ধমন্ত্রীর এমন বক্তব্য থেকে প্রকাশিত ওই সব খবরের সত্যতা প্রমাণিত হয়। সিরিয়ায় যুদ্ধরত আহত সন্ত্রাসীরা চিকিৎসার জন্য নির্বিঘ্নে ইসরাইল ও তুরস্কে আসা যাওয়া করছে। ইসরাইল এমন সময় ইসলামের নামে গড়ে ওঠা সন্ত্রাসীদের সহযোগিতা করছে যখন সাম্প্রতিক দিনগুলোতে আমেরিকা হলিউডের ফিল্মের স্টাইলে আইএসআইএল বিরোধী অবস্থান নিয়ে নিজেকে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী যুদ্ধের অগ্রনায়ক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা চালাচ্ছে। একদিকে আমেরিকা আইএসআইএলকে সারা বিশ্বের জন্য হুমকি বলে প্রচার চালাচ্ছে অন্যদিকে ইসরাইলের কর্মকর্তারা বলছেন, এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ইসরাইলের জন্য হুমকি নয়। এ থেকে বোঝা যায়, আমেরিকা, ইসরাইল ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো সারা বিশ্বের মুসলমানদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে এবং প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে আইএসআইএল দমনের নামে আমেরিকা সিরিয়ার সরকারকে উৎখাত করার চেষ্টা করছে। সিরিয়ার সন্ত্রাসীদের সঙ্গে ইসরাইলের সহযোগিতা এবং আইএসআইএল’র অবস্থানের ওপর মার্কিন বিমান হামলার লক্ষ্য উদ্দেশ্য এক ও অভিন্ন।
    মন্তব্য
    ================

    ইসরাইলে তৈরি আইএসের ড্রোন ভূপাতিত !
    ========================

    ইহুদিবাদী ইসরাইলের তৈরি এবং উগ্র সন্ত্রাসীগোষ্ঠী আইএসআইএল ব্যবহৃত একটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরাকের জনপ্রিয় মোবিলাইজেশন ইউনিট এবং নিয়মিত সেনারা। রাজধানী বাগদাদের পশ্চিমে ফালুজা শহরের কাছে ড্রোনটিকে ভুপাতিত করা হয়েছে।
    ইরাকের একটি নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে আল-মালুমা সংবাদ সংস্থা বলেছে, গতকাল (রোববার) ইরাকি বাহিনী ড্রোনটিকে লক্ষ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়াতে দেখে শনাক্ত করে এবং পরে তা ভূপাতিত করে। বলা হচ্ছে- ড্রোনটি ইরাকি বাহিনীর ওপর গোয়েন্দাগিরি করছিল এবং সেনাদের ছবি তুলছিল। ভূপাতিত করার পর ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পরীক্ষা করে দেখা গেছে সেটি ইসরাইলি অস্ত্র নির্মাণকারীরা তৈরি করেছে।
    মনুষ্যবিহীন বিমানটি ভূপাতিত করার পর পরীক্ষা করে দেখা যায় সেটি ইসরায়েলের একটি অস্ত্র কারখানায় তৈরি। ইরাকী সেনা বাহিনীর ধারণা, এই অঞ্চলের কিছু দেশের সরবরাহ করা অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সমরাস্ত্র আইএসের হাতে রয়েছে।

    - সূত্র : আইআরআইবি - See more at: http://anonym.to/?http://www.kalerka....oUvUCLsj.dpuf
    ============

    আইএসআইএল’কে তেল পাচারে মদদ দিচ্ছে আমেরিকা, ইসরাইল !
    ===================================
    ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৫, (গুডনিউজবিডি):

    সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএসআইএল’কে তেল পাচারে মদদ দিচ্ছে আমেরিকা এবং ইহুদিবাদী ইসরাইল। ইরানের ইংরেজি নিউজ চ্যানেল প্রেসটিভিকে লস অ্যাঞ্জেলস থেকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র সাবেক ঠিকাদার স্টিভেন কেলি।
    কেলি বলেন, ইরাক ও সিরিয়া থেকে তেল পাচার করে তা গোপনে বিক্রির ব্যবসায়ে তাকফিরি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে অংশিদারিত্বে ভিত্তিতে কাজ করছে আমেরিকা, ইহুদিবাদী ইসরাইল এবং তুরস্ক। গত কয়েক বছর এ ভাবে তেল বিক্রি করে দেদার মুনাফা কামিয়েছে ওয়াশিংটন ও তার মিত্ররা। এ ছাড়া, বিশ্ব বাজারে তেলের দাম পড়ে যাওয়ায় তাদের লাভ হয়েছে বলেও জানান তিনি ।
    তিনি আরো বলেন, তাকফিরি নানা গোষ্ঠীকে অর্থ যোগান দিচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসন এবং রিপাবলিকান দলের সিনেটের জন ম্যাককেইনের মতো কট্টরপন্থী মার্কিন রাজনীতিবিদরা।


    ===============
    Last edited by titumir; 07-26-2015, 09:50 AM.

  • #2
    আইএসআইএল-কে রাষ্ট্র হিসেবে মেনে নিলো ইসরাইল !
    ==============================
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক,
    ঢাকা প্রতিদিন ডটকম:
    ইসরাইল আইএসআইএল-এর মিশর ও সুদান শাখার কমান্ডারদেরকে সিনাই মরুভূমিতে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। ইরাকি সংসদের ‘আসসাদিকুন’ গ্রুপের মুখপাত্র ওয়াহাব তায়ি এই খবর দিয়েছেন।
    ইসরাইলি সশস্ত্র বাহিনীর ‘গোলান’ ব্রিগেডের সদস্যরা আইএসআইএল-এর মিশর ও সুদান শাখার কমান্ডারদেরকে সিনাই মরুভূমিতে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে বলে তিনি জানান। ‘দ’য়েশ’ বা আইএসআইএল-এর মিশর ও সুদান শাখার নাম ‘দ’মেস’ (মিশর ও সুদানের ইসলামী রাষ্ট্র) রাখা হয়েছে বলে তায়ি উল্লেখ করেছেন। ইসরাইলি সশস্ত্র বাহিনী যখনই কঠিন কোনো পরিস্থিতির শিকার হয় তখনই ‘গোলান’ ব্রিগেডকে ব্যবহার করে বলে ইরাকের এই সাংসদ জানান।
    সম্প্রতি ইহুদিবাদী ইসরাইলের একজন শীর্ষস্থানীয় পুরোহিত বলেছেন, বিধাতাই ইসরাইলকে রক্ষার জন্য আইএসআইএল-কে পাঠিয়েছে।
    বিশ্লেষকরা বলছেন, আইএসআইএল দখলদার ও বর্ণবাদী ইসরাইলের জন্য বৃহত্তম উপহার বা আশীর্বাদ হয়ে দেখা দিয়েছে। কারণ মুসলমানরা আইএসআইএল-এর সঙ্গে যুদ্ধে ব্যস্ত থাকার কারণে তাদের মধ্যে অনৈক্য সৃষ্টি হয়েছে এবং ইসরাইল নিরাপদ থাকছে।
    দুবাইয়ের পুলিশের উপপ্রধান দালহি খালফান আমিরাতের আলইত্তেহাদ দৈনিককে বলেছেন, ইহুদিবাদী ইসরাইলের পক্ষ থেকে প্রকাশিত বিশ্বের নতুন মানচিত্রে আইএসআইএল-কে একটি সরকার ও এই গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলকে মধ্যপ্রাচ্যের একটি নতুন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।
    আইএসআইএল-এর সঙ্গে ইহুদিবাদী ইসরাইলের ঘনিষ্ঠতা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়টি ক্রমেই প্রকাশ্য হয়ে উঠছে। তাজিকিস্তানের সাপ্তাহিক ‘ফার্জ’ লিখেছে, আইএসআইএল ইসরাইলের হাতে গড়ে উঠেছে এবং ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সঙ্গে সংযুক্ত।
    তোফাজ্জল হোসেমন
    • • •


    'আইএসআইএল'কে অস্ত্র দিচ্ছে আমেরিকা' !
    =======================
    ইসলামী জাগরণ বার্তা সংস্থা : উগ্র তাকফিরি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএসআইএল ইরাক ও সিরিয়ায় নিরীহ মানুষের বিরুদ্ধে যে সব গোলাগুলি ব্যবহার করছে তার বেশিরভাগই আমেরিকায় তৈরি। ইরাক ও সিরিয়ার কুর্দি অধ্যুষিত এলাকায় আইএসআইএলের ব্যবহৃত গুলি পরীক্ষা করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। আমেরিকাই যে এ গোষ্ঠীর প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী তা নিশ্চিত করেছে এ পরীক্ষা।
    কনফ্লিক্ট আর্মামেন্ট রিসার্চ বা সিএআর নামের একটি সংস্থা এ পরীক্ষা চালিয়েছে। পরীক্ষায় আইএসআইএলের ব্যবহৃত ১৭০০’র বেশি গুলির খোসা খতিয়ে দেখা হয়েছে। এতে সব গুলির ২০ শতাংশই আমেরিকায় তৈরি বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাকফিরি সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত গুলিগুলো ২০০০ থেকে ২০১০ সালে আমেরিকার মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের লেক সিটি আর্মি অ্যামুনেশন প্লান্টে তৈরি হয়েছে। এ সব গুলি ইরাকে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। এ ছাড়া, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীনের তৈরি গুলিও ব্যাপক পরিমাণে পাওয়া গেছে।
    সিরিয়ার বাশার আল-আসাদের সরকার উৎখাতের জন্য দেশটির বিদেশি মদদপুষ্ট বিদ্রোহীদের সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে আমেরিকা। এ সব বিদ্রোহীকে প্রশিক্ষণ, অস্ত্র ও অর্থের যোগান দিয়েছে আমেরিকা ও তার আঞ্চলিক মিত্র তুরস্ক, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত। এ পরীক্ষার মধ্য দিয়ে এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে তাকফিরি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএসআইএল’এর গভীর যোগসাজশের বিষয়টিই নতুন করে প্রমাণিত হলো।



    এবার খলিফা'র আদেশে কাবা ধ্বংসের হুমকি দিল আইএসআইএল !!
    ================================================== ====

    পাশ্চাত্যের মদতপুষ্ট আল কায়দার নতুন সংস্করণ আইএসআইএলের এক নেতা মানব-ইতিহাসের প্রথম ইবাদত-ঘর তথা বিশ্বের মুসলমানদের কিবলা ও ইসলামের পবিত্রতম স্থান কাবাঘর ধ্বংস করে দেয়ার হুমকি দিয়েছে।
    আবু তুরাব মুকাদ্দেসি নামের এই নেতা ইন্টারনেট-ভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে নিজস্ব পেজে এই হুমকি দিয়েছে।
    তাকফিরি-ওয়াহাবি এই নেতার হুমকি প্রত্যাখ্যান করে আইএসআইএল এখন পর্যন্ত কোনো বিবৃতি দেয়নি।
    ওই নেতা লিখেছে : জনগণ কাবাঘরের পাথরগুলো ছোয়ার জন্যই মক্কায় যায়। আল্লাহর জন্য সেখানে যায় না। এরা আসলে পাথরের দাস। আল্লাহর দাস বা বান্দাহ নয়; আর তাই জর্দানের পর আমরা যখন সৌদি আরবে হামলা চালাব তখন কাবাঘর ধ্বংস করে দেব।
    মুকাদ্দেসি আরও লিখেছে : 'আইএসআইএলের নেতা (স্বঘোষিত খলিফা) আবুবকর আল বাগদাদিই কাবাঘরে হামলা করার ও তা ধ্বংস করার নির্দেশ দিয়েছেন।' কাবার ক্ষতি (কথিত পাথর পূজার ফলে?) তার লাভের চেয়ে বেশি বলে সে মন্তব্য করে।
    আইএসআইএলের এই হুমকির পর সৌদি রাজা আবদুল্লাহ তার দেশে সতর্কাবস্থা জারি করেছেন বলে কোনো কোনো সূত্র জানিয়েছে। রাজা নাকি এও বলেছেন যে, সৌদি আরবের ক্ষতি করার সুযোগ কাউকেই দেয়া হবে না।
    এদিকে শুক্রবার কিছুক্ষণ আগে জুমার নামাজের খোতবায় ইরানের বিশিষ্ট আলেম আয়াতুল্লাহ মুহাম্মাদ আলী মুওয়াহহিদি কিরমানি বলেছেন, ফিলিস্তিনে ইহুদিবাদী ইসরাইলের অপরাধযজ্ঞ থেকে জনগণের দৃষ্টিকে আড়াল করার জন্যই সৃষ্টি করা হয়েছে সন্ত্রাসী গ্রুপ আইএসআইএল এবং ইসরাইলবিরোধী শক্তিগুলোকে টার্গেট করাও এই গ্রুপের আরেকটি বড় লক্ষ্য।
    তিনি আইএসআইএলের আবু তুরাব মুকাদ্দেসি নামের এক নেতার হুমকির কথাও তুলে ধরে জানান যে, ওই সন্ত্রাসী বলেছে, তারা পবিত্র মক্কা দখলে নিয়ে কাবাঘর ধ্বংস করে দেবে, কারণ, এই ঘরে মুসলমানরা পাথরের পূজা বা ইবাদত করে! আর এই হুমকির পরই তাদেরই মদতদাতা সৌদি সরকার ইরাক সীমান্তে ত্রিশ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে।
    যুগ যুগ ধরে মুসলমানরা কাবাঘরকে মহান 'আল্লাহর ঘর' বলে অভিহিত করে আসছেন এবং এই ঘর যেন পৃথিবীতে আল্লাহর উপস্থিতির প্রতীক। মুসলমানরা এই ঘরের দেয়াল ও ঘরের এক কোণে রক্ষিত একটি ঐতিহাসিক কালো পাথরে চুমো দিয়ে থাকে। নবী-রাসুলদের স্মৃতিবিজড়িত কাবাঘরের চারদিকে তাওয়াফ বা প্রদক্ষিণ করে মুসলমানরা হজ ও ওমরাহ পালন করে থাকেন। এই ঘরকে নিশানা করেই মুসলমানরা নামাজ আদায় করে থাকেন।
    ইসলামের নামে জিহাদ করার কথা বলে আইএসআইল ইরাক ও সিরিয়ায় শিশু ও নারীসহ হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে এবং তেলক্ষেত্র, জাদুঘর ও ব্যাংক দখল করে কোটি কোটি ডলারের সম্পদকে গণিমত হিসেবে ব্যবহার করছে। তারা কুমারী মেয়েদের জোর করে কথিত বিয়ে করার ঘণ্টাখানেক পর তালাক দিচ্ছে এবং আবার সঙ্গে সঙ্গে ওই মেয়েদের সঙ্গে অন্যের মাধ্যমে একই কাজ করিয়ে একে বলছে জিহাদুন নিকাহ বা বিয়ের জিহাদ তথা যৌন জিহাদ।
    এদিকে ইরানের বিশিষ্ট আলেম ও তেহরানের জুমা নামাজের অস্থায়ী খতিব আয়াতুল্লাহ মুহাম্মাদ আলী মুওয়াহহিদি কিরমানি বলেছেন, ফিলিস্তিনে ইহুদিবাদী ইসরাইলের অপরাধযজ্ঞ থেকে জনগণের দৃষ্টিকে আড়াল করার জন্যই সৃষ্টি করা হয়েছে সন্ত্রাসী গ্রুপ আইএসআইএল এবং ইসরাইলবিরোধী শক্তিগুলোকে টার্গেট করাও এই গ্রুপের আরেকটি বড় লক্ষ্য।
    তিনি আজ তেহরানের জুমা নামাজের খোতবায় এইসব মন্তব্য করেছেন।
    আয়াতুল্লাহ কিরমানি মুসলিম দেশগুলোতে আইএসআইএল-এর সন্ত্রাসী অপরাধযজ্ঞের তীব্র নিন্দা জানান ও গ্রুপটিকে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর অনুচর ও বিশ্বের নিরাপত্তার জন্যও হুমকি বলে উল্লেখ করেন।
    তিনি আইএসআইএল-এর আবু তুরাব মুকাদ্দেসি নামের এক নেতার হুমকির কথাও তুলে ধরে জানান যে, ওই সন্ত্রাসী বলেছে, তারা পবিত্র মক্কা দখলে নিয়ে কাবাঘর ধ্বংস করে দেবে। কারণ, এই ঘরে মুসলমানরা পাথরের পূজা বা ইবাদত করে!-আর এই হুমকির পরই তাদেরই মদতদাতা সৌদি সরকার ইরাক সীমান্তে ত্রিশ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে।
    আয়াতুল্লাহ কিরমানি বলেছেন, সাম্রাজ্যবাদীরা ভাবছে আইএসআইএল-এর মতো সন্ত্রাসী গ্রুপ লেলিয়ে দিয়ে ইসলাম ও ইরানের ইসলামী বিপ্লবের প্রভাবকে রুখতে পারবে, কিন্তু তাদের এই দুরাশা পূরণ হয়নি।
    তিনি বলেছেন, আধিপত্যকামী শক্তিগুলো সব উপায়-উপকরণ নিয়ে ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছে; আজকাল ইরাকে যা ঘটছে তা শিয়া-সুন্নির দ্বন্দ্ব নয় বরং মানুষকে হত্যা ও মানুষকে সহায়তার মধ্যে দ্বন্দ্ব।
    আয়াতুল্লাহ কিরমানি আইএসআইএল-এর সন্ত্রাসীদেরকে নানা অঞ্চলে বিতাড়িত করার ক্ষেত্রে ইরাকি জনগণের সহায়তাপুষ্ট সরকারি সেনাদের সাম্প্রতিক নানা সাফল্যের কথা তুলে ধরে বলেছেন, এইসব সাফল্যের পেছনে ইরাকের ধর্মীয় নেতাদের ফতোয়ার রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব।
    আয়াতুল্লাহ কিরমানি আইএসআইএল-এর অমানবিক পদক্ষেপগুলোর নিন্দা জানাতে ও তাদের হাত থেকে ইরাকি জনগণকে উদ্ধার করার কার্যকর উপায় বের করতে জাতিসংঘ, জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন এবং ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা ও আরব লীগসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছে আবেদন জানিয়েছেন।
    তিনি বলেন, সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো ও ইহুদিবাদী ইসরাইল ইসলামকে একটি হিংস্র ধর্ম হিসেবে তুলে ধরার জন্য মুসলমানদেরকে সন্ত্রাসের শিকারে পরিণত করেছে ; কিন্তু ইসলাম সম্পর্কে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়ার যে চেষ্টা তারা করছে তা বিশ্বের শান্তি ও নিরাপত্তাসহ সবগুলো ধর্মের জন্যই হুমকি।
    আয়াতুল্লাহ কিরমানি ইসলামের শত্রুদের সৃষ্ট বিভেদকামী গ্রুপগুলোর মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ থাকতে বিশ্বের সব দেশের সব মাজহাবের মুসলমানদের প্রতি আহ্বান জানান।



    তিনি বলেন, ইসলামের শত্রু পাশ্চাত্য এইসব সন্ত্রাসী গ্রুপ সৃষ্টি করে একদিকে মুসলিম বিশ্বের অস্ত্রসহ নানা পণ্যের বাজার গড়ে তুলছে এবং অন্যদিকে তাদের তেল-সম্পদ শোষণ করছে।
    মুসলিম বিশ্বে প্রতিরোধ ও শাহাদতের সংস্কৃতি থাকায় ইসলাম-বিদ্বেষী সাম্রাজ্যবাদীদের সব চক্রান্ত ব্যর্থ হয়ে গেছে বলে আয়াতুল্লাহ কিরমানি মন্তব্য করেন। রয়টার্স, ইরনা

    Last edited by titumir; 07-26-2015, 09:50 AM.

    Comment


    • #3
      ভাই কিছু মনে না করলে একটা কথা বলি,
      আপনি যে ইসলামি জাগরণ সংস্থার রিপোর্ট দিয়েছেন সেটা বাংলাদেশের শিয়া মিডিয়া। সাইটটিতে ঢুকলে যে কেউই বুঝতে পারবে ইনশাআল্লাহ। লিঙ্কঃ


      এই কমেন্টটা শুধু এজন্য করেছি যেন ইসলামি জাগরণ দেখে কেউ এটাকে কোন ইসলামিক মিডিয়া মনে না করেন। এটা বাংলাদেশি কাফির শিয়াদের মিডিয়া।

      Comment


      • #4
        আসসালামু আলাইকুম মুহতারাম ভাই হাজী শরিয়তুল্লাহ !
        আপনি যে নিউজগুলো দিয়েছেন, এসকল নিউজ ও নিউজ প্রকাশকারী মিডিয়াগুলোর ইস্লামের বিরুদ্ধে দুশমনি কোন প্রকার রাখ-ডাখ ছারা-ই প্রকাশিত, যা সকল মুসলিমই জানেন। এরা যে আই এসের বিরুদ্ধেই এমন প্রতারণা পূর্ণ সংবাদ প্রকাশ করছে, এমনটি নয়। বরং আল কায়েদা ও আমাদের প্রাণপ্রিয় শায়েখ উসামা বিন লাদেন রহিমাহুল্লাহর বিরুদ্ধেও এরা অপপ্রচার চালিয়ে সাধারন মুসলিমদের বিভ্রান্ত করেছে।এখানে বাংলাদেশী খাওয়ারিজরা বলে তাগুতরা তো আল কায়েদা ও শায়েখ উসামার ব্যাপারেও এমনটি বলেছে ! তার কি হবে? !
        আপনার এসকল নিউজগুলোর পোস্টের কারণে বাংলাদেশী খাওয়ারিজদের সাধারণ ভাইদের ধোঁকা দেওয়ার অনেক সুযোগ মিলবে।
        আচ্ছা আমি বলি কি, আই এসের ভ্রান্ত হওয়ার জন্য কি তাদের ওই সকল কর্ম-কাণ্ড ই যথেষ্ট নয়? যা উলামায়ে মুজাহিদিন আমাদের জানিয়েছেন !?
        মুহতারাম ভাই ! এধরণের নিউজ না দেওয়ার মধ্যেই আমাদের কল্যাণ বলে আমার মনে হয়েছে।
        আল্লাহ মুখলিস ভাইদের উত্তম প্রতিদান দিন। আমিন

        তাছাড়া আপনার দেওয়া নিউজগুলোর দুই একটি নিয়ে চিন্তা- ভাবনার সুযোগ থাকলেও অধিকাংশই ভুয়া তা স্পষ্ট। উদাহরণস্বরূপ কাবা ধ্বংসের নিউজটি।

        Comment


        • #5
          ভাই,
          আমি নিউজ গুলো যাছাই করার জন্য বলেছি। এগুলো যে কাফের মিডিয়াতে এসেছে তা আমি নিজেও জানি। এজন্যেই তো যাছাই করার কথা বলা। তবে কখনো কখনো কুফফার নিউজ থেকেও কিন্তু আমরা সত্য নিউজ পেয়ে থাকি।
          জাযাকুমুল্লাহু খাইরান

          Comment


          • #6
            অাসসালামু অালাইকুম
            সারা পৃথিবী একটি সাধারন নিয়ম মেনে চলে, অার তা হলো: "শত্রুর শত্রু, অামার বন্ধু"
            অার তাই অনেক দলকেই অনেক কারনে অনেকেই সাহায্য করে সাময়িক সুবিধার জন্য।

            অামরা যদি কাউকে ভুলভাবে বিচার বা অভিযোগ অারোপ করি তবে অামরা নিজেরা বিভ্রান্ত হবো ও অন্নান্যদের বিভ্রান্ত করব। অার মানুষ সত্যকে বোঝার জন্য অামাদের নির্ভর করবে না।
            যে দোষী, তাকে তার সুধু মাত্র ঔই দোষের ব্যাপারে প্রমানসহ এমনভাবে উপস্থাপন করা উচিত যাতে সে অথবা তার অনুসারিরা সংষোধন হতে পারে। অন্যায় অথবা শোনা কথা বা সাধারন সংবাদ মাধ্যম গুলোর সংবাদ বিশ্বাস যোগ্যতার নুন্যতম ধারকাছ দিয়ে না গেলে তা পরিহার করা উচিত।

            অাল্লাহু অা'লাম, ওমা তাওফিক ইল্লা বিল্লাহ
            কাফেলা এগিয়ে চলছে আর কুকুরেরা ঘেঊ ঘেঊ করে চলছে...

            Comment

            Working...
            X