PDA

View Full Version : আজ সিরিয়াতে বিষাক্ত গ্যাস দিয়ে ১০০ ভাই-বোনকে শহীদ করা হল। আগামীকাল হয়ত আপনার পরিবার.........



ABU SALAMAH
04-06-2017, 02:55 AM
সিরীয় যুদ্ধে আবারও বিষাক্ত গ্যাস ব্যবহারের আলামত সময়ঃ ৪ এপ্রিল ২০১৭ আন্তর্জাতিক আইন এবং যুদ্ধনীতি অস্বীকার করে আবারও সিরিয়ায় রাসায়নিক গ্যাস ব্যবহারের আলামত মিলেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বলছে, ২০১৩ সালের আগস্টে সারিন গ্যাস হামলার অভিযোগ ওঠার পর এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ রাসায়নিক হামলা। আসাদবিরোধী বিদ্রোহীরা এই হামলায় সরকারী বাহিনী ও রাশিয়াকে দুষলেও এই দাবি অস্বীকার করেছে সিরীয় সেনাসূত্র ও রুশ কর্তৃপক্ষ। হামলায় সবশেষ ১০০ জনের নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় অঞ্চল ইদলিবে ওই সম্ভাব্য রাসায়নিক গ্যাস হামলা সংঘটিত হয়। হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০০ জনে দাঁড়িয়েছে। এদের মধ্যে ১১ জন এর বেশী শিশুও রয়েছে যাদের বয়স আট বছরের কম। যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার পর্যবেক্ষক সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস এবং চিকিৎসা কর্মীদের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স হতাহতের সবশেষ সংখ্যা নিশ্চিত করে। আগে নিহতের সংখ্যা ৩৫ বলা হয়েছিল। সিরিয়ান অবজারভেটরি জানিয়েছে, ওই হামলায় ৬০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছে। তবে ইদলিবের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ আহতের সংখ্যা ৫০০ বলে উল্লেখ করেছে। মেডিক্যাল সূত্রকে উদ্ধৃত করে সিরিয়ান অবজারভেটরি জানিয়েছে, হামলার কারণে অনেকের শ্বাসরুদ্ধ হয়, কেউ কেউ জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন, কারও কারও আবার মুখ দিয়ে ফেনা বের হয়ে আসে। ওই মেডিক্যাল সূত্র জানিয়েছে, এটি রাসায়নিক গ্যাস হামলা ছিল বলে আলামত মিলেছে। সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদবিরোধী বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে ইদলিব। ফ্রি সিরিয়ান আর্মি এবং সাবেক আল কায়েদা সংশ্লিষ্ট নুসরা ফ্রন্টসহ বিভিন্ন গোষ্ঠী এখানে আধিপত্য করছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সরকার আলেপ্পো শহর ও দামেস্কের আশেপাশের এলাকা দখল করে নিলে হাজার হাজার বিদ্রোহী যোদ্ধা ইদলিবে আশ্রয় নেয়। আর সেকারণে ইদলিবের জনসংখ্যা বেশ বেড়ে গেছে। সেনা সূত্রকে উদ্ধৃত করে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানায়, এ ধরনের রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছে সিরিয়ার সেনাবাহিনী। আর মঙ্গলবার রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রীও দাবি করেছেন, রাশিয়া ইদলিবে কোনও বিমান হামলা চালায়নি। ইদলিবের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের প্রধান মোনজের খলিল এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে খান শেইখৌন এলাকায় যুদ্ধবিমান থেকে গ্যাস হামলা চালানো হয়। এগুলো সারিন ও ক্লোরিন গ্যাস ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। এ হামলায় ১০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত এবং ৫০০ মানুষ আহত হয়েছে বলে জানান তিনি। মোনজের আরও জানান, আহতদের চিকিৎসা দিতে ইদলিব প্রদেশের হাসপাতালগুলো হিমশিম খাচ্ছে। সিরিয়ান অবজারভেটরি ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা বলছেন, আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এমন একটি মেডিক্যাল পয়েন্টের কাছে পরে যুদ্ধবিমান থেকে হামলা চালানো হয়েছে। আর উদ্ধারকারী সংগঠন হোয়াইট হেলমেটস জানিয়েছে, তাদের কেন্দ্রগুলোর একটি এবং একটি মেডিক্যাল পয়েন্টও হামলার শিকার হয়েছে। এ হামলাকে ২০১৩ সালের আগস্টে চালানো সারিন গ্যাস হামলা পরবর্তী সবচেয়ে ভয়াবহ রাসায়নিক হামলা বলে মনে করা হচ্ছে। ওই হামলায় কয়েকশো মানুষ নিহত হয়। হামলার জন্য পরস্পরকে দায়ী করেছিল সরকার ও বিদ্রোহীরা।
(সম্পাদিত) banglatribune

ABU SALAMAH
04-06-2017, 02:57 AM
https://www.facebook.com/liveupdatesfromsyria/videos/1146739662103141/


https://www.facebook.com/liveupdatesfromsyria/videos/1146615408782233/

http://www.newsbangla.net/records/news/201704/297720_1.jpg


(https://www.facebook.com/liveupdatesfromsyria/videos/1146615408782233/)

ABU SALAMAH
04-06-2017, 03:05 AM
বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত সিরিয়ার ইদলিব শহরে বিষাক্ত রাসায়নিক গ্যাস ব্যবহারের অভিযোগের পর এবার এ নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসতে চলেছে জাতিসংঘ।


মঙ্গলবারের হামলার তদন্তে অবিলম্বে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে জরুরি বৈঠক ডাকার আহ্বান জানায় ফ্রান্সসহ বেশ কয়েকটি দেশ। ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে জাতিসংঘের কমপক্ষে ৭০টি সদস্য রাষ্ট্র যারা সিরিয়াতে আর্থিক ও মানবিক সহায়তা দিয়ে আসছে, এমন রাষ্ট্রগুলো বসবে।


গতকাল মঙ্গলবার বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত ইদলিব শহরে রাসায়নিক গ্যাস ব্যবহারের ফলে এখন পর্যন্ত ১১জন শিশুসহ ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস।

মঙ্গলবারের এই হামলার জন্য বাসার আল আসাদ সরকারকে দায়ী করে জাতিসংঘের কাছে দ্রুত তদন্তের অনুরোধ জানিয়েছেন বিদ্রোহীরা। যদিও দামেস্কোর সরকার এ ধরনের হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

২০১৩ সালের ২১ আগস্ট বিষাক্ত গ্যাস প্রয়োগ করে সিরিয়ার দামাস্কাসের কাছে ঘোউতা প্রদেশে গণহত্যা চালানোর অভিযোগ উঠেছিল সরকারের বিরুদ্ধে। জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন জানিয়েছিল, সেই হামলায় ব্যবহার করা হয়েছে প্রাণঘাতী সারিন গ্যাস। এর পরেও সরকারের বিরুদ্ধে একাধিকবার রাসায়নিক হামলার অভিযোগ উঠেছে। গতকালের হামলার পিছনেও সিরিয়া সরকারকেই দায়ী করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

সিরিয়ার একটি মানবাধিকার পর্যবেক্ষক সংস্থা জানিয়েছে, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় ভোর সাড়ে ছয়টা নাগাদ বিদ্রোহী অধ্যুষিত ইদলিব প্রদেশের খান শেখু শহরের আকাশে দেখা যায় যুদ্ধবিমান। সিরিয়া সরকার কিংবা রুশ সেনারা সেই বিমান থেকেই ছড়িয়ে দেওয়া হয় সারিন ও ক্লোরিন জাতীয় গ্যাস।

ধারণা করা হচ্ছে, বিষাক্ত সারিন গ্যাসের কারণেই দমবন্ধ হয়ে মারা গিয়েছেন ৫৮ জন। মুখে গ্যাঁজলা উঠে অজ্ঞান হয়ে যান কেউ কেউ। অসুস্থদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
হোয়াইট হেলমেট নামে সিরিয়ার একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা জানিয়েছে,
আহতের চিকিৎসা চলছিল যে শিবিরে, সেখানেও বিমান হানা হয়েছে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, সাদা কাপড়ে ঢাকা শিশুদের দেহ সার দিয়ে শোয়ানো রয়েছে মেঝেতে। অনেকেরই মুখে সাদা ফেনা। অসুস্থদের চোখে আলো ফেললেও কোনও প্রতিক্রিয়া হচ্ছে না।


সাজুল ইসলাম নামে এক চিকিৎসক বলেন, এই চিহ্নগুলো দেখেই নিশ্চিত যে এটা রাসায়নিক গ্যাস হামলা। অন্য একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, মেঝেতে পড়ে কাতরাচ্ছে শিশুরা। হোসপাইপ দিয়ে জল ছিটিয়ে তাদের সুস্থ করার চেষ্টা করছেন ত্রাণকর্মীরা।



যে কোনও পরিস্থিতিতেই রাসায়নিক গ্যাস প্রয়োগ যুদ্ধাপরাধের সামিল বলে মনে করে জাতিসংঘ।

সিরিয়ার সরকারি বাহিনী যদিও শুরু থেকেই এই হামলার দায় এড়িয়ে গিয়েছে। এক সেনা কর্মকর্তা বলেন, অতীতেও সরকার কখনও রাসায়নিক হামলা করেনি। ভবিষ্যতেও করবে না। এটা বিদ্রোহীদের মিথ্যা প্রচার।


২০১৩ সালে ঘোউতায় সারিন গ্যাস হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যস্থতায় ১৩০০ টন বিষাক্ত রাসায়নিক অস্ত্র হস্তান্তরে রাজি হয় সিরিয়া সরকার। সিরিয়ার উপর মার্কিন সেনাজোটের অভিযান ঠেকাতে আন্তর্জাতিক নজরদারির অধীনে রায়ায়নিক অস্ত্র কর্মসূচি বন্ধ করতেও রাজি হয় তারা। সরকার এই চুক্তি মেনে চলছে কি না, তা জানতে তদন্ত করেছিল জাতিসংঘ ও রাসায়নিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রক সংস্থা। গত অক্টোবরে তাদেরই দেওয়া একটি রিপোর্টে দেখা যায়, ২০১৪-২০১৫ সালের মধ্যে অন্তত তিন বার রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগ করেছে সরকার। ২০১৫ সালে অবশ্য মাস্টার্ড গ্যাস ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)।


ঢাকাটাইমস

Tahmid
04-06-2017, 06:59 AM
[=bokhtiar ]
আল্লাহ আপনি ভাইদেরকে হিফাজত করুন। আসাদকে ধংস করুন। রাশিয়াকে ধংস করুন।

আমিন...

Zubaer Mahmud
04-06-2017, 07:11 AM
আল্লাহ আপনি ভাইদেরকে হিফাজত করুন। আসাদকে ধংস করুন। রাশিয়াকে ধংস করুন।

amin..................