PDA

View Full Version : শবে বরাত ভিত্তিহীন নির্ভরযোগ্য কোন হাদিস দ্বারা প্রমানিত নয়



karimul islam
05-12-2017, 07:19 AM
শবে বরাতের ব্যাপারে কোন সহীহ হাদিস নেই।
যত হাদিস আছে এ ব্যাপারে সবগুলোই জাল অথবা নিতান্তই দুূর্বল।একটি মাত্র হাদিস আছে যেটি বাহ্যিকভাবে গ্রহণযোগ্য বুঝা যায় কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটিও দুর্বল।
একটি কথা বুঝুন গ্রহণযোগ্য হাদিস ৪ প্রকার।এর সর্বশেষ প্রকার হলো হাসান লিগাইরীহী যার মাধ্যমে দলীল দেওয়া যায়।
যে হাদিসটি বাহ্যিকভাবে সহীহ বুঝা যায়
সেটি হলো
আল্লাহ তায়ালা শাবানের ১৫ তারিখ রাতে বান্দার দিকে মনোযোগ দেন সমস্ত লোককে ক্ষমা করে দেন শুধুমাত্র মুশরিক ও কৃপন ছাড়া।
এ হাদিসটির সনদ ও মতনে ইযতিরাব রয়েছে।সুতরাং হাদিসটি মুযতারিব।
মুযতারিব বলা হয় যে হাদিস শক্তির দিক দিয়ে সমান কয়েকটি সুত্রে বর্নিত কিন্তু একটি আরেকটির বিপরীত।
এর ইযতিরাব দেখার জন্য ইমাম দারেকুতনী রহঃ এর ইলালের ৯৭০,১১৬৯,
৩৫৭৩ নং হাদিস দ্রষ্টব্য।
দারেকুতনীর মধ্য সনদের ইযতিরাব পাবেন আর মতনের ইযতিরাব হলো মুসনাদে আহমদের ৬৬৪২ নং হাদিস ও বাকি হাদিস
গুলোর মধ্যে সেটিতে আছে ২ প্রকার লোককে ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দেন ২ প্রকার হলো কৃপন ও আত্নহত্যকারী কিন্তু অন্যান্য বর্ননায় এসেছে কৃপন ও মুশরিক।
মুযতারিব হাদিসের হুকুম হলো এটি যয়ীফ
যদি এগুলোর মাঝে সামঞ্জস্য বা কোন একটি রেওয়ায়েতকে প্রাধান্য দেওয়া না যায়।
সুতরাং এ হাদিসটি সহীহ সাব্যস্ত করতে হলে
এর ইযতিরাব দূর করা আবশ্যক।কিন্তু যারাই এটিকে সহীহ বলেন এর ইযতিরাব দূর করেননি।
আলবানী রহঃ এটিকে সহীহ সাব্যস্ত করেছেন
মুতাবায়াতের মাধ্যমে। এটি জানা কথা মুতাবায়াতের মাধ্যমে যয়ীফ সহীহ হয়ে যায়না
হাসান লিগাইরিহী হবে যা মাকবুলের প্রকার সহীহর প্রকার নয়। কিন্তু মুযতারিব হাদিসের মাধ্যমে মুতাবায়াত হয়না এজন্য আগে ইযতিরাব দূর করা দরকার পরে মুতাবায়াত,কারন সনদগতভাবে সবগুলোই দুর্বল(আর কয়েকটি দুর্বল হাদিস মিলে যে হাদিস হয় সেটি হলো হাসান লিগাইরিহি,এর দ্বারা দলীল দেওয়া যায়)।এজন্য এখানে আলবানী রহঃ এর কথা ধর্তব্য নয়,কারন তিনি ইযতিরাব দূর করেননি।
আর আব্দুল মালেক দাঃ বাঃ এর একটি লিখা এক ভাই পোস্ট করেছেন যেখানে এ হাদিসটিকে তিনি মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন।কিন্তু এটি স্পষ্ট বিষয়ের বিপরীত
কারন মুসলিমের মতেও ঐ হাদিস সহীহ নয় যার ইনকিতার সম্ভবনা বেশি অথবা ইনকিতা সাব্যস্ত(ইনকিতা হলো একজন বারী আরেকজন থেকে হাদিস বর্ননা করা যার থেকে বর্না করেছেন তার থেকে হাদিস না শোনার প্রমান বিদ্যমান আছে)আর এখানে ইনকিতা সাব্যস্ত।
মাকহুল মালেক ইবনে ইয়ুখামির থেকে শোনেননি আর এটি এ সুত্রে বর্নিত সুতরাং ইনকিতা সাব্যস্ত এটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলার প্রশ্নই আসেনা।
সুতরাং মোটকথা হলো সুত্রগতভাবে একটি হাদিস ও সহীহ নয়।আলবানী রহঃ মুতাবায়াতের কারনে সহীহ বলেছেন কিন্তু মুতাবায়াতের মাধ্যমে যয়ীফ সহীহ হয়না হাসান লিগাইরিহী হয়।কিন্তু এ মুতাবায়াত ভুল প্রচন্ড ইযতিরাবের কারনে।ইযকিরাবকৃত হাদিন দ্বারা মুতাবায়াত হয়না।
আমার আলোচনায় ভুল হলে দালিলবিত্তিক সংশোধনের আবেদন রইলো।

bokhtiar
05-12-2017, 07:57 AM
আখি, জাযাকাল্লাহু খাইরান। আখি কিছু কথা, মুসলিম সমাজে কিছু আমল সাহাবায়ে কিরাম র. দের সময় থেকেই চলে আসছে। তম্যধ্যে এটিও একটি। হয়ত এখনকার সময়ে বেশি বাড়াবাড়ি হচ্ছে। যা পরিত্যাগ করার। মুসলিমরা এর উপর আমল তখন থেকেই করছে যখন হাদিসের মানদণ্ড নির্ণয় হয়নি। ভুল হলে শুধ্রে দিবেন।

karimul islam
05-12-2017, 08:47 AM
বখতিয়ার ভাই!মুসলিম সমাজে এ আমল সাহাবীদের সোনালী যুগ থেকে চলে আসছে
এ কথাটি ঠিক নয়।কারন এমন হলে সবাইই এটা গ্রহন করে নিতো।আমি এমন কোন
রেওয়ায়াত পাইনি।আপনার জানা থাকলে জানান।কারো এ দাবীই যথেষ্ট নয় যে,এটি সাহাবীদের
যুগ থেকে চলে আসছে বরং নির্ভরযোগ্য সুত্রে প্রমান থাকা দরকার।

karimul islam
05-12-2017, 09:22 AM
ভাই!এটি সাহাবীদের থেকে নির্ভরযোগ্য সুত্রে প্রমানিত নয়।যার কারনে গ্রহনযোগ্য নয়।
আপনি নির্ভরযোগ্য সুত্রে পেলে জানান তওবা করবো আর না পেলে বাস!

topu ahmed
05-12-2017, 10:54 AM
ফোরামে এই ধরনের আলোচোনার কোন খায়ের আছে কি? আপনি পালন করতে না চাইলে না করুন, যারা করছে করুক ভাই। এখনে ইখতেলাফের যথেষ্ট সুযোগ আছে

bokhtiar
05-12-2017, 02:51 PM
প্রিয় আখিগন, অনেক সময় কমেন্টের দ্বারা আসল সত্যাটা বের হয়ে আসে, যা এখানে ধটছে।
প্রিয় ভাইয়েরা যদি শরিয়তে এর ভিত্তি নাইই থাকে তাহলে খতিব সাহেবরা কিসের উপর ভিত্তি করে এত এত বয়ান দেই!??? শবে বরাত নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ আর্টিকেল পোস্ট করার অনুরোধ করছি।
# পোস্টে এই বিষয়গুলো রাখার অনুরোধ করছি,
১/ যেই হাদিসগুলো দিয়ে দলিল দেই সেই হাদিসগুলো উল্লেখ করা সহ, হাদিসগুলো কোন কোন কিতাবে আছে ও হাদিসগুলোর কি মান রয়েছে।
২/ ঐ হাদিসগুলো কি আমলযোগ্য নাকি আমলযোগু না।

আবু জাবের
05-12-2017, 03:18 PM
(ফোরামে এই ধরনের আলোচোনার কোন খায়ের আছে কি? আপনি পালন করতে না চাইলে না করুন, যারা করছে করুক ভাই। এখনে ইখতেলাফের যথেষ্ট সুযোগ আছে)।যে যাই বলেন, আমি ঠিকই উপকার পাচ্ছি ।তাই ফোরামের আলোচনার উপর নির্ভর করে এবং আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানকে কাজে বুঝিয়েছি ।

mujahid
05-12-2017, 03:38 PM
শবে বরাতের ব্যাপারে কোন সহীহ হাদিস নেই।
যত হাদিস আছে এ ব্যাপারে সবগুলোই জাল অথবা নিতান্তই দুূর্বল।একটি মাত্র হাদিস আছে যেটি বাহ্যিকভাবে গ্রহণযোগ্য বুঝা যায় কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটিও দুর্বল।
একটি কথা বুঝুন গ্রহণযোগ্য হাদিস ৪ প্রকার।এর সর্বশেষ প্রকার হলো হাসান লিগাইরীহী যার মাধ্যমে দলীল দেওয়া যায়।
যে হাদিসটি বাহ্যিকভাবে সহীহ বুঝা যায়
সেটি হলো
আল্লাহ তায়ালা শাবানের ১৫ তারিখ রাতে বান্দার দিকে মনোযোগ দেন সমস্ত লোককে ক্ষমা করে দেন শুধুমাত্র মুশরিক ও কৃপন ছাড়া।
এ হাদিসটির সনদ ও মতনে ইযতিরাব রয়েছে।সুতরাং হাদিসটি মুযতারিব।
মুযতারিব বলা হয় যে হাদিস শক্তির দিক দিয়ে সমান কয়েকটি সুত্রে বর্নিত কিন্তু একটি আরেকটির বিপরীত।
এর ইযতিরাব দেখার জন্য ইমাম দারেকুতনী রহঃ এর ইলালের ৯৭০,১১৬৯,
৩৫৭৩ নং হাদিস দ্রষ্টব্য।
দারেকুতনীর মধ্য সনদের ইযতিরাব পাবেন আর মতনের ইযতিরাব হলো মুসনাদে আহমদের ৬৬৪২ নং হাদিস ও বাকি হাদিস
গুলোর মধ্যে সেটিতে আছে ২ প্রকার লোককে ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দেন ২ প্রকার হলো কৃপন ও আত্নহত্যকারী কিন্তু অন্যান্য বর্ননায় এসেছে কৃপন ও মুশরিক।
মুযতারিব হাদিসের হুকুম হলো এটি যয়ীফ
যদি এগুলোর মাঝে সামঞ্জস্য বা কোন একটি রেওয়ায়েতকে প্রাধান্য দেওয়া না যায়।
সুতরাং এ হাদিসটি সহীহ সাব্যস্ত করতে হলে
এর ইযতিরাব দূর করা আবশ্যক।কিন্তু যারাই এটিকে সহীহ বলেন এর ইযতিরাব দূর করেননি।
আলবানী রহঃ এটিকে সহীহ সাব্যস্ত করেছেন
মুতাবায়াতের মাধ্যমে। এটি জানা কথা মুতাবায়াতের মাধ্যমে যয়ীফ সহীহ হয়ে যায়না
হাসান লিগাইরিহী হবে যা মাকবুলের প্রকার সহীহর প্রকার নয়। কিন্তু মুযতারিব হাদিসের মাধ্যমে মুতাবায়াত হয়না এজন্য আগে ইযতিরাব দূর করা দরকার পরে মুতাবায়াত,কারন সনদগতভাবে সবগুলোই দুর্বল(আর কয়েকটি দুর্বল হাদিস মিলে যে হাদিস হয় সেটি হলো হাসান লিগাইরিহি,এর দ্বারা দলীল দেওয়া যায়)।এজন্য এখানে আলবানী রহঃ এর কথা ধর্তব্য নয়,কারন তিনি ইযতিরাব দূর করেননি।
আর আব্দুল মালেক দাঃ বাঃ এর একটি লিখা এক ভাই পোস্ট করেছেন যেখানে এ হাদিসটিকে তিনি মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন।কিন্তু এটি স্পষ্ট বিষয়ের বিপরীত
কারন মুসলিমের মতেও ঐ হাদিস সহীহ নয় যার ইনকিতার সম্ভবনা বেশি অথবা ইনকিতা সাব্যস্ত(ইনকিতা হলো একজন বারী আরেকজন থেকে হাদিস বর্ননা করা যার থেকে বর্না করেছেন তার থেকে হাদিস না শোনার প্রমান বিদ্যমান আছে)আর এখানে ইনকিতা সাব্যস্ত।
মাকহুল মালেক ইবনে ইয়ুখামির থেকে শোনেননি আর এটি এ সুত্রে বর্নিত সুতরাং ইনকিতা সাব্যস্ত এটিকে মুসলিমের শর্তে সহীহ বলার প্রশ্নই আসেনা।
সুতরাং মোটকথা হলো সুত্রগতভাবে একটি হাদিস ও সহীহ নয়।আলবানী রহঃ মুতাবায়াতের কারনে সহীহ বলেছেন কিন্তু মুতাবায়াতের মাধ্যমে যয়ীফ সহীহ হয়না হাসান লিগাইরিহী হয়।কিন্তু এ মুতাবায়াত ভুল প্রচন্ড ইযতিরাবের কারনে।ইযকিরাবকৃত হাদিন দ্বারা মুতাবায়াত হয়না।
আমার আলোচনায় ভুল হলে দালিলবিত্তিক সংশোধনের আবেদন রইলো।

jazakallah

abu_mujahid
05-12-2017, 11:01 PM
আল্লাহু আকবার! ফোরামে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে কেন? ভাইয়েরা কি চান ফুরুয়ী মাসআলা নিয়ে ফোরামে ভাইয়েরাও দুই পক্ষে বিভক্ত হয়ে যান?

banglar omor
05-13-2017, 12:31 AM
আখি ফিল্লাহ!প্রত্যেকের কাছেই যথেষ্ট পরিমান দলীল রয়েছে।আমরা বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে চাইনা।
আমরা কাউকে শবে বারাআত পালনে আহব্বানও করিনা এবং কাউকে শবে বারাআত পালন না করার কারনে তিরস্কারও করিনা।এটা নফল যা প্রত্যেক্যের জন্য ঐচ্ছিক বিষয়। কিন্তু যখন একটি বিষয়ে ছহিহ এবং যয়ীফ হাদীস বিদ্যমান থাকা এবং
তার সাথে ইমাম ইবনে হিব্বান, শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়াহ রহিমাহুল্লা, নাসির উদ্দিন আলবানী সহ আরো অনেক জবরদস্ত আলেমের সমর্থন থাকা সত্বেও বিষয়টিকে ভিত্তিহীন, অনির্ভর যোগ্য,বিদআত বলে প্রচার করা কতটা ন্যায়সঙ্গত হতে পারে?
প্রত্যেকেই নিজমতের পক্ষে দলীল পেশ করতে পারবে এটা তার অধিকার কিন্ত বিরোধী মতকে দলীল বিদ্যমান থাকা অবস্থায় ভিত্তিহীন অনির্ভরযোগ্য বলার কোন অধিকার আমার, আপনার এবং কারোরই নেই।
আখি ফিল্লাহ !এবিষয়ে বেশী কথা বলতে চাইনা।তবে শুধু আপনার কাছে একটি প্রশ্নঃযয়ীফ হাদিস এবং যে হাদিস ছহীহ হওয়ার ব্যাপারে মুহাদ্দিসিনদের ইখতেলাফ রয়েছে তারউপর আমল করা কি বিদআত?
আমি যতটুকু জানি, অধিকাংশ মুহাদ্দিস একমক , যয়ীফ হাদিসের উপর আমল করা যাবে কিন্ত তা শরীয়তের আহকামের দলীল হতে পারবেনা।

bokhtiar
05-13-2017, 05:59 AM
আখি ফিল্লাহ!প্রত্যেকের কাছেই যথেষ্ট পরিমান দলীল রয়েছে।আমরা বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে চাইনা।
আমরা কাউকে শবে বারাআত পালনে আহব্বানও করিনা এবং কাউকে শবে বারাআত পালন না করার কারনে তিরস্কারও করিনা।এটা নফল যা প্রত্যেক্যের জন্য ঐচ্ছিক বিষয়। কিন্তু যখন একটি বিষয়ে ছহিহ এবং যয়ীফ হাদীস বিদ্যমান থাকা এবং
তার সাথে ইমাম ইবনে হিব্বান, শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়াহ রহিমাহুল্লা, নাসির উদ্দিন আলবানী সহ আরো অনেক জবরদস্ত আলেমের সমর্থন থাকা সত্বেও বিষয়টিকে ভিত্তিহীন, অনির্ভর যোগ্য,বিদআত বলে প্রচার করা কতটা ন্যায়সঙ্গত হতে পারে?
প্রত্যেকেই নিজমতের পক্ষে দলীল পেশ করতে পারবে এটা তার অধিকার কিন্ত বিরোধী মতকে দলীল বিদ্যমান থাকা অবস্থায় ভিত্তিহীন অনির্ভরযোগ্য বলার কোন অধিকার আমার, আপনার এবং কারোরই নেই।
আখি ফিল্লাহ !এবিষয়ে বেশী কথা বলতে চাইনা।তবে শুধু আপনার কাছে একটি প্রশ্নঃযয়ীফ হাদিস এবং যে হাদিস ছহীহ হওয়ার ব্যাপারে মুহাদ্দিসিনদের ইখতেলাফ রয়েছে তারউপর আমল করা কি বিদআত?
আমি যতটুকু জানি, অধিকাংশ মুহাদ্দিস একমক , যয়ীফ হাদিসের উপর আমল করা যাবে কিন্ত তা শরীয়তের আহকামের দলীল হতে পারবেনা।


জাযাকাল্লাহু খাইরান। আশা করি, এবিষয়টি আলোচনা করা ভাইয়েরা বন্ধ করবেন।

ibnul khattab
05-13-2017, 06:43 AM
কারিমুল ইসলাম ভাই! আপনার কয়েকটি কথার দলিল লাগবে:
১. আপনি মাকহুল ও ইবনে ইয়ুখামির মাঝে ইনকিতাি থাকার কথা নিশ্চিতভাবে বললেন। তো এটা প্রমাণ সহ বলুন। অথচ মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেবের লেখাটিতে বলা হয়েছে যে, উক্ত হাদিসটি মুসলিমের শর্ত অনুযায়ী মুত্তাসিল।এবং বলা হয়েছে যে, ইমাম যাহাবী রহ: যে সাক্ষাৎ না হওয়ার কথা বলেছেন,এটা তিনি দৃঢ়ভাবে বলেননি।
২. আাপনি বলেছেন: মুযতারিব বলা হয় যে হাদিস শক্তির দিক দিয়ে সমান কয়েকটি সুত্রে বর্নিত কিন্তু একটি আরেকটির বিপরীত।
তো আপনি যেগুলোর সাথে বৈপরীত্ব সাব্যস্ত করেছেন, সেগুলোও কি শক্তির দিক থেকে একই মানের কি না, নাকি সবগুলোর সনদে বিভিন্ন সমস্যা, আর যেটির সনদে কোন সমস্যা নেই, সেটিই গ্রহণ করা হয়েছে? এটা নিশ্চিত করুন!
ভাই! আপনি ইযতিরাবের সবগুলো রেওয়ায়াত উল্লেখ করুন, তারপর দেখিয়ে দিন যে, এখানে শব্দের এই পার্থক্য, এখানে সনদের এই পার্থক্য। আর সবগুলো সনদ মানের দিক থেকে এক। উপরন্তু সেই বৈপরিত্বপূর্ণ সনদটি দিয়েই দলিল দেওয়া হয়েছে।
তাহলে একটা নিশ্চিত ধারণা পাওয়া যাবে। অন্যথায় দলিল ছাড়া মুখের কথায় ইনকিতা থাকার কথা বলে দিলে বুঝবো কিভাবে?

Taalibul ilm
05-13-2017, 11:32 AM
এই ইস্যুটা পুরাতন আর এই ব্যাপারে দুই পক্ষের মতামত বিস্তারিতভাবে সবারই জানা আছে। তাই, ফোরামে এই ব্যাপারে কপি-পেষ্ট করে কোন আলোচনা কাম্য নয়, কারণ এটি ফুরুয়ী একটি বিষয়।

তবে ইবনুল খাত্তাব ভাই যেভাবে টু দি পয়েন্টে আলোচনা শুরু করছেন, এইভাবে যারা এই ইস্যুতে ইলমী আলোচনা করতে পারবেন, তারা এখানে কমেন্ট করবেন / আলোচনা জারি রাখতে পারেন ইনশাআল্লাহ। এতে ইলমুল হাদিস ও ইলমুল ফিকহের ব্যাপারে আমাদের কিছু জ্ঞান লাভ হবে ইনশাআল্লাহ। তবে আলোচনায় তালেবে ইলম সুলভ বৈশিষ্ট্য বজায় রাখা কাম্য।

karimul islam
05-13-2017, 12:23 PM
ভাই আমি এখানে সংক্ষিপ্তাকারে পোস্ট করেছি বিস্তারিত করিনি।কারন এ সাধারন বিষয়ে বিস্তারিত পোস্ট করা
সময় নষ্ট ছাড়া কিছু মনে করিনা।তাই আমি বিস্তারিত লিখবো ও না যে,সব হাদিস উল্লেখ করে ইযতিরাব সাব্যস্ত করবো।
যার মনে চায় তাহকীক করার তার জন্য আমি উদ্ধৃতি দিয়ে দিয়েছি
العلل لدار القطني নামক কিতাবে দেখে নিন।আর আব্দুল মালেক সাহেবের উক্তি মাকহুলের ও ইবনে ইয়ুখামিরের (রহঃ)মাঝে ইনকিতা এটি ইমাম যাহাবী রহঃ চুড়ান্তভাবে বলেননি কথাটি কতটুকু ঠিক নিজেই যাচাই করে দেখুন।স্বয়ং আলবানী রহঃ সিলসিলাতুল আহাদিসিস সাহিহাতে বলেছেন যদি এটি না থাকতো তাহলে হাদিসটি সহীহ
হয়ে যেতো।
আর এটি মুসলিমেরশর্তে মুত্তাসিল হওয়ার কোন সম্ভবনা নাই।কারন তার মতে হাদিসে মুয়ানয়ানের ক্ষেত্রে কয়েকটিশর্ত আছে।এর মধ্যে একটি হলো সমযোগীয় হওয়া ও শ্রবনের সম্ভবনা থাকা।ইমাম যাহাবী রহঃ এটি যদিও( আব্দুল মালেক
সাহেব দাঃ বাঃ কথা মেনে নিয়ে বলা হয়)দৃঢ়ভাবে না বলে থাকেন কমপক্ষেতো এ উক্তির মাধ্যমে
ইনকিতার সম্ভবনা সৃষ্টি হলো ও সাক্ষাতের সম্ভবনা দুর হলো তাহলে এতে ইমাম
মুসলিমের শর্ত কিভাবে পাওয়া গেলো যে,তাদের মাঝে সাক্ষাতের সম্ভবনা বিদ্যমান?সুতরাং এটি মুসলিমেরশর্তে সহীহ হওয়ার কোন প্রশ্নই হয়না।এমন হলে আলবানী রহঃ ই এটিকে এভাবে সাব্যস্ত করতেন অথচ তিনি এটির ব্যাপারে বলেছেন
ঐ উক্তি যা উপরে বর্ননা করা হলো সিলসিলার উদ্ধৃতি দিয়ে।
এ হাদিসটি মাকহুল রহঃ থেকে ইনকিতার সহিত মুক্তাসিল, মাওকুফ,মুরসালরুপে বর্নিত কোনটিকে পাধান্য দিবেন?
বাকি ইযতিরাব কিতাবে দেখুন।এ সাধারন বিষয়ে আর কোন পোস্ট দিবোনা ইনশাআল্লাহ।

salahuddin aiubi
05-13-2017, 01:38 PM
এ বিষয়ে যেহেতু প্রত্যেকেরই দলিল রয়েছে, তাই এখানে ফুরুয়ী ইখতিলাফে এত মাতামাতি না করাই ভাল হবে।

ibnul khattab
05-13-2017, 01:45 PM
কারিমুল ইসলাম ভাই! এ ব্যাপারে তো আর কথা না বলতেই ইচ্ছা ছিল। কিন্তু আপনার উপরের কমেন্টটিতে একটি স্পষ্ট বিষয় ধরা পড়ল। তাই একটু দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য বলছি:
আপনি বলেছেন: ইমাম যাহাবী রহঃ এটি যদিও দৃঢ়ভাবে না বলে থাকেন কমপক্ষেতো এ উক্তির মাধ্যমে ইনকিতার সম্ভবনা সৃষ্টি হলো ও সাক্ষাতের সম্ভবনা দুর হলো।

আপনার কথার মধ্যে সমস্যা আছে, কারণ ইনকিতার সম্ভাবনার দ্বারা সাক্ষাতের সম্ভাবনা দূর হয়ে যায় না। বরং সাক্ষাতের নিশ্চয়তা দূর হয়ে যায়।
আর আপনি বলেছেন: ইমাম মুসলিম রহ: এর মতে হাদিসে মুআনআনের কয়েকটি শর্তের মধ্যে একটি হল: সমযোগীয় হওয়া ও শ্রবনের সম্ভবনা থাকা।
সে মতে এটার ইনকিতা নিশ্চিত করতে হলে আপনাকে মাকহুল ও ইয়ুখামিরের মৃত্যুকাল উল্লেখ করার মাধ্যমে তাদের সমযোগীয় না হওয়া ও শ্রবণের সম্ভাবনা না থাকা প্রমাণ করতে হবে।

karimul islam
05-13-2017, 02:18 PM
বাংলার উমর ভাই!যয়ীফ হাদিসের উপর আমল করার জন্য ৩ টি শর্ত রয়েছে।তন্মধ্যে একটি হলো এটি রাসুলের
পক্ষ থেকে প্রমানিত এরুপ মনে করা যাবেনা কিন্তু সতর্কতাস্বরুপ আমল করা হবে।
এখানে আপনি একাকীভাবে শাবানের ১৫ তারিখ সতর্কতাস্বরুপ আমল করতে পারেন কিন্তু এটির আলাদা ফজিলত
সাব্যস্ত না করা চাই।আর ইজতিমায়ী আমল যেটি বর্তমানে প্রচলিত এটির ব্যাপারে যয়ীফ হাদিস ও নাই
আছে জাল হাদিস।

s_forayeji
05-13-2017, 04:29 PM
ফোরামে এই ধরনের আলোচোনার কোন খায়ের আছে কি? আপনি পালন করতে না চাইলে না করুন, যারা করছে করুক ভাই। এখনে ইখতেলাফের যথেষ্ট সুযোগ আছে

-ভাই

আপনার এই কথায় আমি শুধু এত টুকু বলবো ইবাদত কবুলের পূর্ব শর্ত হচ্ছে তা অবশ্যই অবশ্যই রাসুল (সাঃ) সুন্নতের অনুযায়ী হতে হবে। সুন্নতের বাইরে দুনিয়া ভর্তি সর্বশ্রেষ্ঠ আমলের ও কোন মুল্য নাই! ইলম অর্জন ফরজ - কোন বিষয়ে? যে ইলম আমাদের ঈমান এবং আকিদাহ পরিষ্কার করে এবং যা আমাদের ইবাদতের সাথে সম্পৃক্ত। যেমন কিভাবে ওজু করতে হবে - এটা সবার জানা প্রয়োজন।

একটি উদাহরন দেই, একবার এক সাহাবী হাচি দিয়ে বললেন, আলহামদুলিল্লাহ ওয়াস সালাতু আস সালামু আলাইকুম ইয়া রাসুলাল্লাহ - এটা শুনে অন্য সাহাবী ভুল ধরিয়ে দিয়ে বললেন আমি রাসুল (সাঃ) কে কখনো এমন বলতে শুনিনি। দরুদ পড়া কি খারাপ? এটা কি ভুল? অবশ্যই না - কথা হচ্ছে রাসুল (সাঃ) হাচির পর শুধু আলহামদুলিল্লাহই বলেছেন এখানে এরপরে ওয়াস সালাতু আস সালামু আলাইকুম ইয়া রাসুলাল্লাহ যোগ করার কোন সুযোগ নাই।

ইবাদাতের ব্যাপারে বিদয়াত হচ্ছে তাই যা রাসুল (সাঃ) করেন নি, অনুমোদন দেননি। আর বিদয়াতের ব্যাপারে রাসুল (সাঃ) বলেছেন "তা জাহান্নামের দিকে নিয়ে যায়"

আমি এর দ্বারা শব এ বরাত এর পক্ষে বা বিপক্ষে কোন কথা বলছিনা - আমি বলতে চাচ্ছি এমন আলোচনা যদি না হয় তাহলে জানবো কিভাবে কোনটা সহিহ আর কোনটা সহিহ না?

ইবাদতের প্রশ্নে ইলম এর জরুরত অনেক বেশি -

সবশেষে আর একটি উদাহরন দেই, হাজরে আসওয়াদ এ চুমু দেয়ার ব্যাপারে উমার (রাঃ) বলেছিলেন, - আমি জানি তুমি ভালো করার ও ক্ষমতা রাখনা খারাপ করার ও না, আমি চুমু দেই কারন আমার রাসুল দিয়েছন তাই -

আসলে এটাই হচ্ছে শেষ কথা - ইবাদতের প্রশ্নে রাসুল (সাঃ) যা করেছেন এবং যেভাবে করেছেন এর সাথে সূচের আগা পরিমান আপোষ করার সুযোগ নাই, কারন ইবাদত কবুলের শর্ত হচ্ছে তা সুন্নতের অনুযায়ী হতে হবে। আর এজন্য এধরনের ইলমী আলোচনা হওয়া জরুরী - আমার এমন মনে হয় -

আর ইলমের ব্যাপারে আলোচনা হলেই তার মধ্যে কেন দ্বিধাবিভক্তির ভয় থাকবে? কিছু দিন আগেই ত আবু ফাতিমা ভাই একটি পোস্ট দিলেন কিভাবে আবু বকর (রাঃ) এবং উমার (রাঃ) একে অপরের সাথে দ্বিমত পোষণ করতেন - তাহলে ইলমের প্রশ্নে কেন আমরা আলোচনা করবোনা? আলোচনা করা মানেই কি দ্বিধাবিভক্তি?

ইনশাআল্লাহ না :)

ভাই - আশা করি আমি আমার কথা দ্বারা আপনাকে কষ্ট দিয়ে ফেলিনি - :)

topu ahmed
05-13-2017, 06:56 PM
-ভাই

আপনার এই কথায় আমি শুধু এত টুকু বলবো ইবাদত কবুলের পূর্ব শর্ত হচ্ছে তা অবশ্যই অবশ্যই রাসুল (সাঃ) সুন্নতের অনুযায়ী হতে হবে। সুন্নতের বাইরে দুনিয়া ভর্তি সর্বশ্রেষ্ঠ আমলের ও কোন মুল্য নাই! ইলম অর্জন ফরজ - কোন বিষয়ে? যে ইলম আমাদের ঈমান এবং আকিদাহ পরিষ্কার করে এবং যা আমাদের ইবাদতের সাথে সম্পৃক্ত। যেমন কিভাবে ওজু করতে হবে - এটা সবার জানা প্রয়োজন।

একটি উদাহরন দেই, একবার এক সাহাবী হাচি দিয়ে বললেন, আলহামদুলিল্লাহ ওয়াস সালাতু আস সালামু আলাইকুম ইয়া রাসুলাল্লাহ - এটা শুনে অন্য সাহাবী ভুল ধরিয়ে দিয়ে বললেন আমি রাসুল (সাঃ) কে কখনো এমন বলতে শুনিনি। দরুদ পড়া কি খারাপ? এটা কি ভুল? অবশ্যই না - কথা হচ্ছে রাসুল (সাঃ) হাচির পর শুধু আলহামদুলিল্লাহই বলেছেন এখানে এরপরে ওয়াস সালাতু আস সালামু আলাইকুম ইয়া রাসুলাল্লাহ যোগ করার কোন সুযোগ নাই।

ইবাদাতের ব্যাপারে বিদয়াত হচ্ছে তাই যা রাসুল (সাঃ) করেন নি, অনুমোদন দেননি। আর বিদয়াতের ব্যাপারে রাসুল (সাঃ) বলেছেন "তা জাহান্নামের দিকে নিয়ে যায়"

আমি এর দ্বারা শব এ বরাত এর পক্ষে বা বিপক্ষে কোন কথা বলছিনা - আমি বলতে চাচ্ছি এমন আলোচনা যদি না হয় তাহলে জানবো কিভাবে কোনটা সহিহ আর কোনটা সহিহ না?

ইবাদতের প্রশ্নে ইলম এর জরুরত অনেক বেশি -

সবশেষে আর একটি উদাহরন দেই, হাজরে আসওয়াদ এ চুমু দেয়ার ব্যাপারে উমার (রাঃ) বলেছিলেন, - আমি জানি তুমি ভালো করার ও ক্ষমতা রাখনা খারাপ করার ও না, আমি চুমু দেই কারন আমার রাসুল দিয়েছন তাই -

আসলে এটাই হচ্ছে শেষ কথা - ইবাদতের প্রশ্নে রাসুল (সাঃ) যা করেছেন এবং যেভাবে করেছেন এর সাথে সূচের আগা পরিমান আপোষ করার সুযোগ নাই, কারন ইবাদত কবুলের শর্ত হচ্ছে তা সুন্নতের অনুযায়ী হতে হবে। আর এজন্য এধরনের ইলমী আলোচনা হওয়া জরুরী - আমার এমন মনে হয় -

আর ইলমের ব্যাপারে আলোচনা হলেই তার মধ্যে কেন দ্বিধাবিভক্তির ভয় থাকবে? কিছু দিন আগেই ত আবু ফাতিমা ভাই একটি পোস্ট দিলেন কিভাবে আবু বকর (রাঃ) এবং উমার (রাঃ) একে অপরের সাথে দ্বিমত পোষণ করতেন - তাহলে ইলমের প্রশ্নে কেন আমরা আলোচনা করবোনা? আলোচনা করা মানেই কি দ্বিধাবিভক্তি?

ইনশাআল্লাহ না :)

ভাই - আশা করি আমি আমার কথা দ্বারা আপনাকে কষ্ট দিয়ে ফেলিনি - :)

ভাই আমার এটা বলার কারন ছিল যেনো ইখতেলাফি বিষয় নিয়ে চাইনি ফোরামে ভাইদের মাঝে ভালোবাসা নস্ট হোক। যেহেতু দুই পক্ষের কাছেই শক্ত দলিল রয়েছে । যাজাকাল্লাহ খাইরান ।

খালিদ বিন ওয়ালিদ
05-13-2017, 07:23 PM
আসলে ভাই আমাদের একটা কথা মনে রাখতে হবে যে এই সব ছোট খাটো ব্যপারে ততদিন পর্যত স্হায়ী সমাধান হবে না যতদিন পর্যত খেলাফত প্রতিষ্ঠা হবে।চো এই সব বিষয় নিয়ে মাতামাতি না করায় বেটার।

jamil mahmud
05-13-2017, 08:42 PM
খালিদ বিন ওয়ালিদ ভাইযের কথাটা সত্যি খালিদ বিন ওয়ালিদ রা: এর মতই হয়েছে। আলাহামদু লিল্লাহ।
ভাই সেই স্বপ্ন বুকে নিয়েই আছি-
কোন একদিন এ দেশের আকাশে কালিমার পতাকা উড়বে।
যেদিন আর রবে না হাহাকার!! অন্যায় জুলুম অবিচার!

karimul islam
05-13-2017, 11:54 PM
প্রিয় ভাইয়েরা! এটি দ্বন্দ নয় আমি আমার কোন এমন ভাই যিনি সম্পুর্ন ইসলাম মানেন শবে বরাতের
কারনে নিন্দা করবোনা।এখানে আলোচনার মাধ্যমে আমাদের উদ্দেশ্য একজন আরেকজনের বিরুদ্ধে যাওয়া
নয়।বরং এ বিষয়ে মত ভিন্ন হতে পারে।আমরা পরস্পরে একটি আলোচনা করছি মাত্র।এ
কথাগুলো ঐ ভাইদের জন্য যারা মনে করছেন আমরা সামান্য বিষয় নিয়ে পরস্পরে দ্বন্দ করছি কেন?
এটি ভুল ভাই এটি দ্বন্দ নয় ভাই পারস্পারিক আলোচনা।
অতঃপর,
ইবনুল খাত্তাব ভাই!ইমাম মুসলিমের মতে এ হাদিসটি সহীহ নয়।কারন মুয়ানয়ান হাদিসের ক্ষেত্রে তার মতে
ও ২ টি শর্ত আবশ্যক।১:রাবী মুদাল্লিস না হতে হবে।২:সাক্ষাতের সম্ভবনা থাকতে হবে।
মাকহুল রহঃ এর হাদিসে উভয় শর্ত অনুপস্থিত। কারন তিনি মুদাল্লিস। التدليس والمدلسون নামক কিতাবের ১৩৪ নং রাবীহিসেবে তাকে উল্লেখ করে বলা হয়েছে ইমাম যাহাবীবলেছেন তিনি তাদলীস করেন ইবনে হাব্বান রহঃ এর
উদ্ধৃতি ও দেওয়া হয়েছে।আত তাদলিস ওয়াল মুদাল্লিসুন ৭ নং খন্ড ৯৭ নং পৃষ্ঠা এছাড়া শাজারাতুয যাহাব ও
জামিউস সনদ ওয়াল মাসানিদেও আছে তার মুদাল্লিস হওয়ার ব্যাপারটি।
২য় শর্ত এ কারনে পাওয়া যায়নি যে,সিলসিলাতুল আহাদিসুস সাহিহায় এ হাদিসের আলোচনায় আলবানী
রহঃ ابن المحبরহঃ এর কিতাব صفات رب العالمين এর উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছেন,قال الذهبي لم يلق مكحول مالك بن يخامرইমাম যাহাবী রহঃ বলেন,মালেক ইবনে ইয়ুখামীর রহঃ এর সাথে মাকহুল রহঃ এর সাক্ষাত হয়নি।
এ ইবারত দ্বারা বুঝা যায় তিনি দৃঢ়ভাবেই বলেছেন।আর দৃঢ়ভাবে না বললেও এ কথার মাধ্যমে ইনকিতা সাব্যস্ত হয়ে
যাবে।কারন ইমাম যাহাবীর কথার মাঝে সন্দেহ পোষনসুচক কোন বাক্য নেই।
সুতরাং এখানে ২ শর্তের একটি ও পাওয়া যায়নি এটিকে কিভাবে সহীহ বলা যায়?।
আমার আর আব্দুল মালেক দাঃ বাঃ ছাড়া কেউ এটিকে সুত্রগতভাবে সহীহ বলেছেন বলে জানিনা।স্বয়ং আলবানী রহঃ
ও এটিকে সুত্রগতভাবে দুূর্বল বলেছেন।
এ ব্যাপারে যেন আর কখা না বলি।আমিন।