PDA

View Full Version : আল-কায়েদা এবং তালেবান আমেরিকার বন্ধু! তথ&



Egol
05-23-2015, 03:40 AM
আল-কায়েদা এবং তালেবান উভয়ই আমেরিকার বন্ধু এবং ইসলামের শত্রু। তাদের বিরুদ্ধে জ্বিহাদ করা ফরজ।

ইসলামিক স্টেট নামধারী খাওরিজিদের অফিসিয়াল ঘোষণা। (দাবিক; সংখ্যা-৯ )

আসুন দেখে নেই খারিজিদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে রাসূল (সাঃ) এর ভবিষ্যৎবানী এবং এগুলোর সাথে তথাকথিত "খিলাফাত" এর বিদ্যমান আছে কি না। আল্লাহ আমাকে ও আপনাদেরকে সঠিক বোঝার তাওফিক দিন। আমিন।

বৈশিষ্ট্য হলঃ
১) তারা নিজেদের ছাড়া বাকী সবাইকে তাকফির করবে। বাকী সবাই কে কাফের বলবে। তারা কুরআন থেকে কাফেরদের উল্লেখ করে বর্ণিত আয়াতগুলো সাধারন মুসলিমদের প্রতি প্রয়োগ করবে এবং মুসলিমদের হত্যা করবে।

২) তারা নামাজ পরবে, রোজা রাখবে, মিথ্যা বলবে না, হাদীস জাল ও করবে না কিন্তু তাদের অন্তর হবে অন্ধ। বাইরে থেকে তাদের অত্তান্ত ধার্মিক ও আল্লাহ-ওলা হবে।

৩) তারা কুরআন পরবে কিন্তু সেগুলো ঠোঁটেই থাকবে কিন্তু অন্তরে প্রবেশ করবে না।

৪) তারা কখন ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে তারা নিজেরাই জানবে না যেমন করে খুব কাছের একটি তীর লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে লক্ষ্যবস্তু জানে না যে কখন তীর টি তার পাশ থেকে বের হয়ে গেছে।

৫) কাফেরদের চেয়ে মুসলিমদের হত্যা করতে তারা বেশী পছন্দ করবে।

৬) দাজ্জাল আসার আগ পর্যন্ত খাওয়ারিজদের আগমন ঘটবেই থাকবে তবে তাদের একটি জেনারেশন ধংস হলে আর একটি আসবে। তারা কখনই কন্টিনিয়াসভাবে আসবে না কারন তারা এমনই অজ্ঞ হবে যে তারা নিজেরাই মারামারি করে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। এটি এমন নয় যে এক জেনারেশনের কাছ থেকে পরের জেনারেশন শিখবে। এক জেনারেশন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাবে। পরে অন্য একটি জেনারেশনের সৃষ্টি হবে।

৭) যারা খাওয়ারিজিদের হত্যা করবে তারা পুরস্কৃত হবে। খাওয়ারিজিদের সম্পূর্ণ ধ্বংস করা ছাড়া তাদের হাত থেকে মুক্ত হওয়া যাবে না। এছাড়া অন্য কোন পথ নাই। কারন মুসলিমরা তাদের কে ছেঁড়ে দিলেও তারা মুসলিমদের ছাড়বে না।

৮) খাওয়ারিজিরাই মুসলিমদের ভিতরে বড় বড় ফিতনার সৃষ্টি করবে যা কি না দাজ্জাল আসার আগ পর্যন্ত চলবে।
উপরোক্ত বৈশিষ্ট ছাড়া আরও কিছু বৈশিষ্ট ও ভবিষ্যৎবানী উল্লেখ করেছেন রাসুল (সাঃ)।

উপরোক্ত হাদিসগুলোর রেফারেঞ্চ ও বিস্তারিত জানতে শহীদ আনোয়ার আল- আওলাকী (রঃ) এর লেকচারটি শুনুন।

http://anonym.to/?https://www.youtube.com/watch?v=oxaPq_k7j30

আল্লাহ এদের ফিতনা থেকে মুসলিম উম্মাহকে হেফাযত করুন। হই তাদের কে হেদায়েত দিন না হয় ধ্বংস করে দিন। আমীন।

titumir
05-23-2015, 09:28 AM
অাসসালামু অালাইকুম
ভাই অামরা দেখতে পাচ্ছি যে, ইসলামিক স্টেঠ এ যারা অাছে তাদের পক্ষ থেকে অনেক ভুল হচ্ছে, এবং মুজাহিদ অালেমদের ফাতোয়াও দেখেছি যেখানে তাদের ত্যাগ করতে বলা হয়েছে।

অাপনি দুইটি প্রমান পেশ করুন:
১। তাদের কে মুজাহিদ অালেমরা অাম ভাবে তাকফির করেছেন খাওয়ারিজ হিসেবে।
২। তারা দলগতভাবে ওই ঘোষনা দিয়েছে যেখানে তারা মুজাহিদ ও সাধারন মুসলমানদের হত্যা বৈধ করেছে।

অামার জানা মতে অনেক কিছুই যুদ্ধাবস্থায় করা যায় না। অামাদের নিজেদের জিহ্বাকেও সবধানে রাখা দরকার অথবা মুজাহিদ অালেম বা নেতাদের বরাত দিয়ে স্পর্ষকাতর তথ্য উপস্থাপন করা উচিত।

অাল্লাহ এই উম্মাহকে হিফাজাত করুন, অামাদের ইমানকে তার সন্তুষ্টির পথে পরিচালিত করুন
অামিন

Egol
05-24-2015, 01:07 AM
ওলাইকুম আসসালাম,

১) আপনার প্রথম প্রশ্নের উত্তর আপনি নিজেই দিয়েছেন "মুজাহিদ অালেমদের ফাতোয়াও দেখেছি যেখানে তাদের ত্যাগ করতে বলা হয়েছ"। এছাড়া আপনি শেইখ মাকদিসি,শেইখ আলওয়ান এবং অন্যান্য জ্বিহাদী শেইখদের বিবৃতি এবং বক্তব্য অনলাইনেই পাবেন।
কিছু নমুনা এখানে পাবেন http://anonym.to/?https://archive.org/deta…/TheFalseDawnAlFajrMediaFromYouTube
এছাড়াও তাদের (আইএস) অনেক কুকর্ম যা একজন মুজাহিদ না একজন সাধারণ মুসলিমের পক্ষেও করা সম্ভব না।

২) তারা অনেক আগে থেকেই সিরিয়া এবং ইরাকের অন্যান্য গ্রুপ যারা আসাদ ও তার শিয়া-নুসাইরি বাহিনীর সাথে লড়াই করছে তাদের কে তাকফির করে হত্যা করছে এবং তাদের নেতা ও সেনারা সরাসরি এটি প্রকাশ্যেই স্বীকার করেছেন। অতি সাম্প্রতিক তারা তাদের অফিসিয়াল ম্যাগাজিন দাবিক ৯ এ আল-কায়েদা ও তালেবান কে আমেরিকার দালাল এবং তাদের সহযোগী হিসেবে উপস্থাপন করেছে! তারা প্রকাশ্যেই তালেবান ও আল-কায়েদা কে তাকফির করেছে।

আশা করি উত্তর পেয়েছেন। অনেক ডিটেইলস বলা জেত কিন্তু টাইম নাই। এগুলো সবাই জানে কিন্তু যারা কোন দলকানা তারা সত্য কে স্বীকার করতে চাইনা যদি তাদের দলের পক্ষ থেকে অফিসিয়াল ঘোষণা দেয়া হয়।
মা'আসসালাম।

titumir
05-24-2015, 09:22 AM
অাল্লাহু অাকবার!!!

ভাই অামার, অাপনাকে একটি বাস্তব দ্রষ্টান্ত দিচ্ছি?
বাংলাদেশের একটি জিহাদি দলের একটি অংশের প্রতিনিধিত্বকারি একদল ভাইয়ের মাঝে হুবুহু খাওয়ারিজি অাকিদা ছিল এবং তারা অনেক সত্যনিষ্ঠ, হাক্বকে দুনিয়ার সামনে প্রকাশকারি, তাগুতের জেল-জুলুম সহ্যকারি অালেমদেরকেও তাকফির করে!!!।

অাপনি যদি তাদের অন্য কোন ভাই বা অালেমদের সাথে কথা বলেন, তাহলে দেখবেন তাদের ধারনা এমনটা নয়!!!

ভাই অামার, যখন তাগুত শক্তি অামাদের পেছনে তাদের শক্তি, মেধা প্রয়োগ করছে এবং শয়তান অামাদের মাঝে ফাটল ধরাতে উঠে-পড়ে লেগেছে তখন অামাদের কর্তব্য মানুষকে সরাসরি সত্যনিষ্ঠ অালেমদের নির্দেষনা পৌছে দেয়া, কোন মুসলিম গ্রুপকে অামভাবে তাকফির না করা।

যদি মুজাহীদ গ্রুপ সমুহের কোন দল তাদের তাকফির করে, সেই ফাতওয়া পৌছে দেন সতর্কতার সাথে, কারন অাল্লাহ সাক্ষি তাদের মাঝে এমন অনেক মুসলিম অাছে যারা খাওয়ারিজি অাক্বিদাহ রাখেন না এবং তারা শুধুমাত্র এই কারনে তাদের সাথে যে তারা একটি উন্মুক্ত জিহাদি ময়দানে জিহাদ করার সুযোগ পাচ্ছে।

অামরা মুসলমানরা চোরকে তার প্রাপ্য শাস্তি দেই, কিন্তু তাকে গালি দেয়া বা শয়তানের হাতে তুলে দেয়া অামাদের নীতি নয়।

মানুষদের কর্তব্য দ্বীনের মাঝে সত্যনিষ্ঠ অালেমদের অনুসরন করা।
অাল্লাহ অামাদের কল্যান দান করুন

অাপনার দেয়া লিংক কাজ করছেনা, অনুগ্রহ করে সঠিক লিংক দিন

Egol
05-24-2015, 10:53 AM
আঁখি ! তর্ক না করে আমরা বিষয়টা যদি বোঝার ট্রাই করি সেটাই ভাল হবে। আপনি আনুষঙ্গিক কোন প্রশ্ন করেন নি বা কথা বলেন নি।

কোন গ্রুপ-এর তুলনা দেয়ার কোনই দরকার নাই। দাওলাতে যদি সিন্সিয়ার ভাই থেকেই থাকে তাহলে দাওলার অফিসিয়াল তাকফিরের পর ষেই ভাইরা যদি ইসলাম বুঝে তাহলে মুসলিমদের রক্ত হালাল করার জন্য কোন দিনই দাওলাতে থাকতে পারে না! আর এটা কোন বিচ্ছিন্ন ঘোটনা নয় যে দাওলার দুই-একজন সেনা তাকফির করে মুসলিম ও মুজাহিদদের রক্ত হালাল করছে বরং দাওলা কেন্দিয়ভাবেই নুসরাহ ও অন্যান্য মুজাহিদ গ্রুপ কে তাকফির করেছে এবং হত্যা করেছে তাদের ও সাধারণ নারী-শিশুদের। যা ইসলাম কখনই সাপোর্ট করতে পারে না ! এমনকি তারা তালেবান এবং আল-কায়েদা কেও তাকফির করেছে এবং বলেছে তারা আমেরিকার দালাল! সুতরাং, দাওলা এজ হোল তারফিরি একটি গ্রুপ; যাদের সকল কর্মকাণ্ড খারিজিদের সঙ্গেই মিলে যাই।

আর দাওলা সম্পর্কে আলেম ও শেইখদের পরামর্শ এটাই যে তাদের আসল চেহারা (খারিজি) মুসলিম উম্মাহর কাছে তুলে ধরা।

অনেক লিঙ্কই আছে আপনি অনলাইনেই পাবেন। একটি দিচ্ছি http://anonym.to/?https://www.facebook.com/alfajrsadiq/videos/341630472711228

http://anonym.to/?https://www.youtube.com/watch?v=OOnxgWi0cL0

http://anonym.to/?https://www.youtube.com/watch?v=qoNPvnFrkEU

আল্লাহ যেন তাদের কে হেদায়েত দেন না হলে রাসুল (সাঃ) এর হাদিস এবং ভবিষৎবাণী অনুসারে তারা ধ্বংস হোক! আমিন।

Ubaidullah Hindi
05-25-2015, 11:29 PM
অাসসালামু অালাইকুম
ভাই অামরা দেখতে পাচ্ছি যে, ইসলামিক স্টেঠ এ যারা অাছে তাদের পক্ষ থেকে অনেক ভুল হচ্ছে, এবং মুজাহিদ অালেমদের ফাতোয়াও দেখেছি যেখানে তাদের ত্যাগ করতে বলা হয়েছে।

অাপনি দুইটি প্রমান পেশ করুন:
১। তাদের কে মুজাহিদ অালেমরা অাম ভাবে তাকফির করেছেন খাওয়ারিজ হিসেবে।
২। তারা দলগতভাবে ওই ঘোষনা দিয়েছে যেখানে তারা মুজাহিদ ও সাধারন মুসলমানদের হত্যা বৈধ করেছে।



==============
সন্মানিত মডারেটর ভাই,
ভাই, আমাদের উচিত হাকীকত জেনে, উলামা উমারাদের মন্তব্য ভালোভাবে জেনে তাঁর পর নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে বিবেচনা করে ইনসাফ ভিত্তিক মন্তব্য করা।

তিতুমীর ভাই,
আপনার উপরের কথাগুলোর সাথে আমি একমত হতে পারছি না। কারন হলো আপনি বলেছেন যে, "ইসলামিক স্টেঠ এ যারা অাছে তাদের পক্ষ থেকে অনেক ভুল হচ্ছে,"--- এই কথাটা সঠিক নয়। ভুল আর বাড়াবাড়ি এক কথা নয়। ভুল আর পথ-ভ্রষ্ঠতা এক কথা নয়। মুজাহিদ শাইখ ও উলামারা শুধুমাত্র ভুল শব্দটি উল্লেখ করেছেন বলে আমি পাই নি। বরং তারা কি বলেছেন আসুন আমরা ভালো ভাবে দেখিঃ-

১। (২) শায়খ আবু মুহাম্মদ আল-মাকদিসি বলেনঃ- এবং এর উপর আমরা এখানে ঘোষণা করছি যে, ইসলামিক স্টেট ইন ইরাক এন্ড শাম নামের সংগঠন হচ্ছে, সত্য পথ থেকে বিচ্যুত একটি সংগঠন, মুজাহিদদ্রোহী এক দল, যারা অতিরঞ্জনের দিকে ধাবিত, তারা নিরপরাধ মানুষের রক্তপ্রবাহে লিপ্ত হয়েছে, তারা তাদের ওই সমস্ত মাল, সম্পদ, গনীমত এবং দখল করেছে যা মুজাহিদরা আসাদ বাহিনী থেকে স্বাধীন করেছিলেন। তারা জিহাদকে বিভ্রান্তির মধ্যে ফেলে দিয়েছে এবং মুজাহিদদেরকে দল-উপদলে বিভক্ত করেছে। তারা বন্দুক মুরতাদ এবং যোদ্ধাদের বুক থেকে সরিয়ে মুজাহিদ এবং মুসলমানদের বুকের দিকে নিবদ্ধ করেছে। ... এগুলো ছাড়া তাদের আরো অনেক প্রমাণভিত্তিক ভ্রষ্টতা আছে। [আদ-দাওলাতুল ইসলামিয়্যাহ ইরাক ও শামের বিবরণ এবং এর দিকে আমাদের কর্তব্য- পৃষ্টা ৪/৫]

২। শায়খ আবু কাতাদাহ আল-ফিলিস্তিনি বলেনঃ- ... আরে দাওলাতুল ইসলামিয়্যাহ ইরাকের যে শাখা শামের ভূমিতে আছে, আমার কাছে তা পূর্ণভাবে প্রকাশিত হয়েছে, যার ব্যাপারে আমি কোনো ধরনের সন্দেহ করি না, যে এই দল তাদের সামরিক ও শরয়ী নেতৃত্ব দ্বারা প্রমাণিত করেছে, যে তারা জাহান্নামের কুকুর... তাদের মন্দ কাজ-কর্মের ফলে আমি এ ব্যাপারে কোনোরূপ দ্বিধায় ভুগি না। [আহলে জিহাদ এবং এর প্রিয় ভাইদের প্রতি বার্তা পৃষ্টাঃ ২]

৩। তানযীমে কায়েদার খুরাসানের নেতা আবু দুজানা দায়েশের খেলাফতকে উদ্দেশ্য করে বলেনঃ- আমরা খেলাফতে রাশেদাকে নবুওতের আদলে ফিরিয়ে আনতে চাই। বিকৃতি, মিথ্যা, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ এবং বাইয়াতের লুকোচুরির মানহাজে নয়। খিলাফাহ প্রতিষ্ঠিত হবে ন্যায়পরায়না, শূরা, সম্প্রীতি এবং একতার উপর। অত্যাচার, মুসলমানদেরকে তাকফীর করা, তাওহীদীদের হত্যা করা এবং মুজাহিদদের বিন্যাস ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন করার মধ্যের উপর নয়।[এটা আমাদের বার্তা-পৃঃ১]

৪। শামের ভূমিতে তানযীমে কায়েদার শীর্ষ শরীয়াহ বোর্ড দায়েশ সম্পর্ক বলেনঃ- পূর্বে যা অতিবাহিত হয়েছে এর ভিত্তিতে যে জামায়াতে দাওলাহকে গণ্য করা হচ্ছে একটি প্রভাবহীন আগ্রাসী দল হিসেবে যারা তাদের চরিত্র, গুণাগুণ এবং উগ্রতার দরুন খারেজি সম্প্রদায়ের সাথে সাদৃশ্য রাখে। খারেজিদের বৈশিষ্ট্যের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়ে তাদের মধ্যে আরো কিছু বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়, যেগুলো খারিজিদের মধ্যে নেই যেমন- তাকিয়্যা, মিথ্যা, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা, বিশ্বাসঘাতকতা, মিথ্যা কসম খাওয়া এবং পাপাচার, ........................... এই দল এখনপর্যন্ত আলোচনা এবং শরীয়াহ ফয়সালা গ্রহণ করতে অস্বীকার করে আসছে, তাই আমরা বলছি, এই দলে বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা জায়েয। [বিবৃতি মানুষের কাছে তা প্রকাশ করো, লুকিও না শামের্ব ভূমিতে তানযীমে কায়েদার কাযী আবু আব্দুল্লাহের আশ-শামীর কণ্ঠে হার্ডকপি পৃঃ ৩৩]

৫। শামের ভূমিতে তানযীমে কায়েদার সাবেক শরয়ী প্রধান আবু মারিয়া বলেন, শামবাসীদের উপর উকি দিচ্ছে এক নতুন কুৎসিত চেহারা, নতুন বিষাক্ত খঞ্জর যার অন্ধতা ক্রমান্বয়ে আসছে এবং এর ক্ষতি ব্যাপক হচ্ছে, এটা হচ্ছে যুগের খারিজি তানযীমে জামায়াতে দাওলাহ, হে যুগের খারিজিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে দ্বিধাদ্বন্দরত ব্যক্তি তুমি কি জানো না যে তাদের মূলোৎপাটনে কল্যাণ ও মঙ্গল রয়েছে, শুধু শামের মুসলমানদের জন্যে নয় বরং ইরাকের ইসলামিদের জন্যেও, যারা দীর্ঘ দিন ধরে তাদের আগুনে প্রজ্জলিত হচ্ছেন। [বার্তাঃ হে দ্বিধাদ্বন্দরত]

৬। দুই শায়খ ডক্টর হানী আস-সিবায়ী ও ডক্টর তারেক আব্দুল হালীম তাঁদের বিবৃতিতে বলেন, যার মধ্যে এসেছেঃ আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি, এমন বিষয়ের সাক্ষ্য যার ব্যাপারে আমরা আল্লাহর সামনে জিজ্ঞেসিত হবো, ওইসব ব্যক্তিরা যারা এই সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত যা দাওলাতুল ইসলামিয়্যাহ নামে প্রসিদ্ধ, তাদের মানহাজ হচ্ছে খারেজিদের মানহাজ বিশেষকরে তাকফীরের মাসআলা এবং নিরপরাধ মানুষের রক্ত বৈধতার ক্ষেত্রে। [বার্তাঃ সংগঠনটির পরিচয় এবং প্রকৃত আকীদা]

৭।শায়খ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ মনসুর বলেন, -জায়শুল মুজাহিদীন ইরাকের আমীর-ঃ আর মিথ্যা দাওলাহ ইরাকের বর্তমান নেতৃত্ব, আমার কাছে এতো কোনো সন্দেহ নেই যে, তারা তাকফীর এবং অন্যায়ভাবে রক্তপাতের ক্ষেত্রে তারা খারিজিদের মতো অনেক সীমালংঘনে লিপ্ত হয়েছে। তাদের বাস্তবকর্ম বিনা সন্দেহে এগুলোই প্রমাণিত করে, ইরাকে অবস্থিত প্রত্যেক নীতিবান তালেবে ইলম এই বাস্তবতাকে অনুধাবন করতে পারছে।[ দাওলাতুল ইসলামিয়্যাহ বাস্তবতা এবং ধারণার আলোকে, পৃঃ ৭] ইত্যাদি।।

Ubaidullah Hindi
05-25-2015, 11:59 PM
==================
অাপনি দুইটি প্রমান পেশ করুন:
১। তাদের কে মুজাহিদ অালেমরা অাম ভাবে তাকফির করেছেন খাওয়ারিজ হিসেবে।
২। তারা দলগতভাবে ওই ঘোষনা দিয়েছে যেখানে তারা মুজাহিদ ও সাধারন মুসলমানদের হত্যা বৈধ করেছে।

==========
সন্মানিত ভাই,
আপনার ১ম প্রশ্ন টি করাই সঠিক হয় নি।
আপনার উপরের ১ টি পয়েন্টের ১ম টির জবাব হলোঃ যদিও খারেজিরা তাওহিদবাদীদের কে ও মুজাহিদদেরকে তাকফির করে । কিন্তু খারেজীদেরকে আহলে সুন্নাহর জমহুর ইমাম-উলামারা তাকফির করেন নি। তবে সবাই বলেছেন তারা চরম পথভ্রষ্ঠ-গোমরাহ। তাদের কে দমন করার জন্য প্রয়োজনে যুদ্ধের নির্দেশ ও রয়েছে।
আর ইলজামী জবাব হলঃ খারেজীদেরকে উম্মাহর জমহুর উলামারা কখনোই তাকফির করেন নি।তাকফির করলে তো তাদের আর খারেজীদের মধ্যে আর পার্থক্য থাকে না। কেননা, তারাতো খারেজি নন। তাঁরা আহলে সুন্নাহ ।
আর ২য় পয়েন্টির জবাবে বলবোঃ আপনি তাদের অফিসিয়াল ম্যাগাজিন ডাবিক এর অন্যান্য সংখ্যাগুলোর সাথে সাথে দাবিক-৯ তি ভাল ভাবে আগে পড়ুন। না পড়ে কমেন্ট করা উচিত না। এতে সাইটের ভিজিটরগণ বিভ্রান্ত হবে।
আই এস আই এস আল কায়েদা ও আহরাররুশ শামের মুজাহিদদের কে তাকফীর করে। তারা প্রবীণ, বিজ্ঞ, মুজাহিদ উলামা উমারাদেরকে তাকফির ও ইরজা এর তোহমত দিচ্ছে। মাকাসীদুশ শরিয়াহ না বঝে শুধু মাত্র ধারনা ও সন্দেহ বশত মুসলিমদের কে তাকফির করছে। তাকফীরকে একটা মামুলী বিষয় বানিয়ে ফেলেছে।

Ubaidullah Hindi
05-26-2015, 12:13 AM
বুখারী, মুসলিম আরো হাদীসের কিতাবে খারেজীদের আরো কিছু গুণ বর্ণনা করা হয়েছে।

খারেজীদের প্রধান কয়েকটি বৈশিষ্ট্যঃ
১. তাদের বয়স কম হবে।
২. জ্ঞানের দিক থেকে মিসকীন হবে।
৩. সুন্দর সুন্দর কথা বলবে।
৪. আলেমদের সাথে সবচাইতে বেশি শত্রুতা পোষণকারী হবে।
৫. মুসলিমদেরকে পাইকারি হারে কাফির বলে ঘোষণা করবে।
৬. শরিয়াহ কায়েম করার নামে অন্যায় যুদ্ধ ও রক্তপাত করবে।

শুধু মতবিরোধের কারণেই তাদেরকে খারেজী বলা হয় নাই। বরং “হিবরুল উম্মাহ” ইবনু আব্বাস রাঃ, “গোলামুন মোয়াল্লাম” ইবনু মাসউদ রাঃ এর মত ফকীহ গনের মতামতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজেরা যা বুঝেছে সে মতে সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। রাসুল সঃ তাদের প্রসঙ্গে বলেছেন
“তারা কোরআন পড়বে কিন্তু কোরআন তাদের গ্রীবার নীচে প্রবেশ করবেনা (অর্থ বুঝবেনা)।. তাদের নামাজ দেখলে কেউ নিজের নামাজকে তুচ্ছ মনে করবে। তাদের কোরআন পড়া দেখলে নিজের কোরআন তালাওয়াতকে তুচ্ছ মনে করবে, মনে হবে যেন কোরআন তাদেরি উপর নাজেল হয়েছে।’’
আবু দাউদ- সহীহ/৪৭৬৫।

এমন চরিত্রের হয়েও তাদেরকে রাসুল সাঃ “কিলাবু আহলিন-নার’’ জাহান্নামের কুকুর বলেছেন।
ইবনু মাজা, সহীহ/১৭৩।
এবং বলেছেন, “যদি আমি খারেজীদের সময় বেঁচে থাকতাম তাহলে তাদেরকে আদ জাতীর মত করে হত্যা করতাম।”

Egol
05-26-2015, 07:24 AM
জাজাকাল্লাহ আঁখি উবাইদুল্লাহ! আপনি অনেক সুন্দর করে প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়েছেন।

খারেজিরা শুধু তাকফির করেই ক্ষান্ত হইনি বরং যখনই সুযোগ পেয়েছে মুজাহিদদের আক্রমণ করেছে। শহীদ করেছে জ্বিহাদের পথে থাকা প্রবীণ নেতাদের কেও।

May Allah deal with them !

Abu Hamza BD
05-26-2015, 12:32 PM
সুবহানাল্লাহ! ইসলামিক স্টেট বা আই এস সম্পর্কে আমাদের সু- স্পষ্ট ধারণা থাকা উচিত। খিলাফাত ঘোষণা করার সময় কি এখনও এসেছে? jahabat ann nusrah এর মুজাহিদ ভাইয়েরা কি অন্যায় করেছে যার জন্য তাদেরকে মুরতাদ বলে হত্যা করা হয়েছে। সারা দেশের মুসলিমরা যদি সিরিয়ায় হিজরত করে তাহলে কি আই এস জায়গা দিতে পারবেন? সিরিয়া ও ইরাকের কিছু এলাকায় নিজেরদের কব্জায় নিয়ে আই এস মনে করেছে তারা গোটা দুনিয়ার মানুষের নিরাপত্তা দিতে পারবেন? খলীফা মুখের কথা নয়! এটা এখনও অনেক দুরকি মাসালাহ (আল্লাহু আলাম)।

titumir
05-26-2015, 09:07 PM
অাসসালামু অালাইকুম
জাযাকাল্লাহ ভাই উবাইদুল্লাহ। অাল্লাহর অনেক প্রশংসা যে তিনি অামাদের দ্বীনের বুঝ ও দ্বীনের জন্য কাজ করার তাওফিক দিয়েছেন।

অামার মন্তব্যে হয়তো অাঘাত পেয়েছেন অনেকে, অামি ক্ষমা প্রার্থী।

অামরা দ্বীনের যেই স্পর্ষকাতর বিষয় নিয়ে কথা বলছি, সেই একই কাজ যাতে অামাদের দ্বারা না হয়, সেই উদ্দেশ্যেই অামার মন্তব্য এবং অালহামদুলিল্লাহ সেই উদ্দেশ্য পূরন ও হয়েছে।
উবাইদুল্লাহ ভাই তার বক্তব্যের মাধ্যমে মুল কথাকে "অাহলে ইলম" -দের দিকে নির্দেষ করেছেন।

কতইনা উত্তম হয় যখন অামরা দ্বীনের ব্যাপারে বা মুসলিমদের সম্পর্কে কথা বলি তখন অামরা সুস্পষ্ট জ্ঞান অথবা সুত্র উল্লেখ করে বলি।

শয়তান অামাদের প্রকাশ্য শত্রু।

অাল্লাহ অামাদের ক্ষমা করুন।
অাল্লাহর ওয়াস্তে অামরা অামাদের সকল ভাইদের ভালবাসি।
অাল্লাহ কারিম