Announcement

Collapse
No announcement yet.

গণভোটের আড়ালে সমকামী গোষ্ঠীর স্বীকৃতির পাঁয়তারা!!

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • গণভোটের আড়ালে সমকামী গোষ্ঠীর স্বীকৃতির পাঁয়তারা!!

    গণভোটের আড়ালে সমকামী গোষ্ঠীর স্বীকৃতির পাঁয়তারা!!


    জুলাই সনদের ৮ নম্বর অনুচ্ছেদটি গণভোটের মাধ্যমে LGBT তথা সমকামী গোষ্ঠীর সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদানের পথ উন্মুক্ত করতে যাচ্ছে।

    প্রথমেই আমরা দেখে নিই জুলাই সনদের ৮ নম্বর অনুচ্ছেদে কী আছেঃ

    সংবিধানে এরূপ যুক্ত করা হবে যে, বাংলাদেশ একটি বহু-জাতি-গোষ্ঠী, বহু ধর্মী, বহু-ভাষী ও বহু সংস্কৃতির দেশ যেখানে সকল সম্প্রদায়ের সহাবস্থান ও যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করা হবে।

    এখানে সংস্কৃতি (Culture) ও সম্প্রদায় (Community) এই পরিভাষা দুটিকে অসংজ্ঞায়িত রাখা হয়েছে, যার ফলে আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত পারিভাষিক অর্থই এরা ধারণ করবে।

    আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে LGBT Culture একটি স্বীকৃত পরিভাষা।
    ফলে "বহু সংস্কৃতি"র স্বীকৃতির মাধ্যমে অন্যান্য সংস্কৃতির পাশাপশি LGBT Culture বা সংস্কৃতিকেও স্বীকৃতি প্রদানের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে এবং ‘সকল সম্প্রদায়‘-এর মর্যাদা নিশ্চিত করার মাধ্যমে অন্যান্য সম্প্রদায়ের সাথে সাথে LGBT Community বা সম্প্রদায়ের মর্যাদা ও স্বীকৃতির পথ উন্মুক্ত করা হয়েছে।​



  • #2
    এক্ষেত্রে আমাদের জন্য কর্তব্য হলো, হিকমত অবলম্বন।

    প্রশ্ন : হিকমাহ কী?
    উত্তর : রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আদর্শ বাস্তবায়ন।

    প্রশ্ন : রাসূলের আদর্শ কী?
    উত্তর :
    ১. মক্কায় ১৩ বৎসর দাওয়াতের কাজ করেছেন। তারা বুঝেনি।
    বরং তারা হত্যার পরিকল্পনায় লিপ্ত হলো।
    মদিনায় যাওয়ার পর মুসলমানদের শেষ করার জন্য আবু জেহেল বদরের ময়দানে একত্রিত হলো।
    রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের সাথে কিতাল করলেন,
    আর আল্লাহ তাআলা রাসূলের কাজকে স্বয়ং নিজের কাজ বললেন
    আল্লাহ তাআলা বলেন
    فَلَمۡ تَقۡتُلُوۡہُمۡ وَلٰکِنَّ اللّٰہَ قَتَلَہُمۡ ۪ وَمَا رَمَیۡتَ اِذۡ رَمَیۡتَ وَلٰکِنَّ اللّٰہَ رَمٰی ۚ وَلِیُبۡلِیَ الۡمُؤۡمِنِیۡنَ مِنۡہُ بَلَآءً حَسَنًا ؕ اِنَّ اللّٰہَ سَمِیۡعٌ عَلِیۡمٌ

    (আল আনফাল-১৭)

    সুতরাং তোমরা তাদেরকে হত্যা করনি, বরং আল্লাহই তাদেরকে হত্যা করেছেন। আর তুমি মাটির মুষ্ঠি নিক্ষেপ করনি, যখন তা নিক্ষেপ করেছিলে, বরং তা নিক্ষেপ করেছিলেন আল্লাহ স্বয়ং যেন ঈমানদারদের প্রতি এহসান করতে পারেন যথার্থভাবে। নিঃসন্দেহে আল্লাহ শ্রবণকারী; পরিজ্ঞাত।
    ২.
    وَقَاتِلُوۡہُمۡ حَتّٰی لَا تَکُوۡنَ فِتۡنَۃٌ وَّیَکُوۡنَ الدِّیۡنُ کُلُّہٗ لِلّٰہِ ۚ فَاِنِ انۡتَہَوۡا فَاِنَّ اللّٰہَ بِمَا یَعۡمَلُوۡنَ بَصِیۡرٌ

    (আল আনফাল-৩৯)

    আর তাদের সাথে যুদ্ধ করতে থাক যতক্ষণ না ভ্রান্তি শেষ হয়ে যায়; এবং আল্লাহর সমস্ত হুকুম প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়। তারপর যদি তারা বিরত হয়ে যায়, তবে আল্লাহ তাদের কার্যকলাপ লক্ষ্য করেন।

    ★ আমাদের ও এক্ষেত্রে তাই করতে যদি দ্বীনের হেফাজতের চিন্তা ফিকির থাকে ।
    ★ যদি প্রত্যেকে নিজ নিজ ঈমানের হেফাজতের চিন্তা ফিকির থাকে ।
    যদি প্রত্যেকেরই উম্মাহকে আসন্ন বিপদ থেকে বাঁচানোর চিন্তা ফিকির থাকে ।

    কারণ পাকিস্তান স্বাধীন হলো। পূর্ব বাংলা পশ্চিম বাংলার রুপ ধারণ করল।
    পরবর্তীতে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হলো ৭১ হতে ২০২৬ আসলো ৫২ বৎসর চলতেছে।
    বোঝানো চলতেছে। বুঝতেছে না।
    পিট মরানো চলতেছে, কিন্তু কাজ হচ্ছে না।

    কিভাবে হবে?
    কারণ আমরাতো রাসূলের আদর্শের হিকমাহ অবলম্বন করছি না।

    হে আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে বুঝার, মানার ও আমল করার তাওফিক দাও। আমীন।


    Comment


    • #3
      Rafikul Islam ভাই, আপনার কমেন্ট পড়ে আমার মনে হল আপনি এদেশের প্রশাসনের বিরুদ্ধে কিতাল শুরুর কথা বলছেন। ভিন্ন ও হতে পারে, তবে আপনার কমেন্ট পড়ে আমি এমনটাই বুঝেছি, তাই সে আলোকে কিছু বলছি... আশাকরি শেষ পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পড়বেন।

      স্ট্র্যাটেজি বা কৌশল বলে কিছু আছে, যাকেই হিকমাহই বলা হয়। যারা যুদ্ধবিশারদ, তারা ঠিক করেন শত্রুর দুর্বল পয়েন্ট কোনটা, যেখানে আঘাত করলে শত্রু পাল্টা আঘাতের সামর্থ্য হারিয়ে দ্রুত পরাজয়বরণ করতে বাধ্য হবে। আবার শত্রুর কিছু শক্তিশালী পয়েন্ট আছে, যেটাকে শত্রু দুর্বল হিসেবে দেখায়, যাতে প্রতিপক্ষ সেটাকে দুর্বল ভেবে আঘাত করে পাল্টা আঘাতে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।

      আল্লাহ্‌র রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জামানায় যুদ্ধ ছিল গোত্রে গোত্রে, রাজায় রাজায়, সম্রাটে সম্রাটে। সে সময় যখন আল্লাহ্‌র রসূল সাহাবাদের নিয়ে যুদ্ধে নামতেন, তখন শুধু সামনের প্রতিপক্ষকে মোকাবেলা করে ময়দানে হারিয়ে দেয়াই যুদ্ধ জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল। কিন্তু এখন পরিস্থিতি ভিন্ন, যদিও যুদ্ধের বিধান একই আছে, এবং আমাদের যুদ্ধ করতে হবে, তবে তা অবশ্যই শত্রুর কৌশল বুঝে শুনে। নয়তো আমরা শত্রুর পাতা ফাঁদে পা দিয়ে অন্তত দুনিয়াবি দিক থেকে নিজেদের পরাজয় ডেকে আনতে পারি। আর সীরাতে রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পাতায় পাতায় এসকল কৌশলের বর্ণনা নানাভাবে এসেছে, যা থেকে বিজ্ঞ উলামায়ে কেরাম আমাদের নানাভাবে জানিয়েছেন। এমন অনেক কিছু আপনি এই ফোরামেই পাবেন ইনশাআল্লাহ্‌। যেমন- "আল-কায়েদা উপমহাদেশের আচরণবিধি"

      তাহলে এই জামানায় শত্রু কে? আর তাদের পাতা ফাঁদ কি কি? সেজন্য আমাদের পাল্টা স্ট্র্যাটেজি বা কৌশল কি হবে?


      দেখুন, আজ আমরা মুসলিম দেশগুলোতে যে শাসক, প্রশাসন বা সরকারগুলো দেখতে পাচ্ছি, তাদের বেশিরভাগই আমেরিকা, ব্রিটেন আর ফ্রান্সের প্রক্সি সরকার বা পুতুল সরকার। আপনি এই পুতুলদের বিরুদ্ধে কিতাল শুরু করলে পশ্চিমা নিয়ন্ত্রিত এসকল পুতুল সরকারের মিডিয়াগুলো দেশব্যাপী হাউকাউ শুরু করে দিবে। আপনাকে পুরো জাতীর সামনে ভিলেন বানিয়ে দিবে। যার ফলে হাসিনার আমলে দেখা গেছে পিতা-মাতা তাদের প্রিয় সন্তানের লাশ পর্যন্ত গ্রহণ করতে চায় নাই, পাছে দেশের মানুষ ওই পিতা-মাতাকে গালি দেয়, সেই ভয়ে।

      এটা হয়েছে মূলত আমাদের দাওয়াত এবং কর্মপরিকল্পনা আমাদের মুসলিম জনগোষ্ঠীর সামনে স্পষ্ট নয়। আমরা যদি জনগণের মোটামুটি একটা বড় অংশের সামনে আমাদের দাওয়াত স্পষ্টভাবে পৌছাতে পারতাম, তাদের বুঝাতে পারতাম যে- ইসলাম, ইসলামী শরিয়াহ বাস্তবায়নের সুফল, এবং বর্তমান তাগুতি শাসনব্যবস্থার ব্যর্থতা ও কুফলগুলো, তাহলে এই জনগণ তাগুতি মিডিয়ার প্রোপাগান্ডার সামনে নিজেদের অসহায় সমর্পণ করত না।

      তারপরেও ধরুন আপনি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক জানবাজ মুজাহিদ একত্রিত করলেন। দেশে পর্যাপ্ত দাওয়াতি কাজ করলেন। তারপর কিতাল শুরু করে অথবা ব্যাপক দাওয়াতি কাজের মাধ্যমে তাওহিদি জনতার অভ্যুত্থান ঘটিয়ে
      এদেশের তাগুতি সিস্টেমকে উচ্ছেদ করে শরিয়াহ সিস্টেম চালু করে দিতে সফল হলেন। এবার পরবর্তী পরিস্থিতি বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতার আলোকে কল্পনা করুন-

      ৫ আগস্ট খুনি হাসিনাকে উৎখাতের পর পশ্চিমাদেরই পুতুল বর্তমান এই সমকামী সরকার ক্ষমতায় আসার পর কি হয়েছিল, মনে আছে কি ভাই? কিভাবে ভারত এক সাথে উজানের সকল বাঁধ-ব্যারেজ খুলে দিয়ে দেশটাকে বন্যায় ভাসিয়ে দিয়েছিল? কিভাবে সংখ্যালঘু নির্যাতন হচ্ছে বলে ভারতে ব্যাপক প্রোপাগান্ডা চালিয়ে যুদ্ধ করে এদেশ দখলের পায়তারা কষছিল? কিভাবে সীমান্ত পথগুলো বন্ধ করে আমদানি রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছিল? কিভাবে আওয়ামীলীগের গুণ্ডাদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়ে এদেশে বারবার অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা চালিয়েছিল?

      ভারত তার উক্ত প্রোপাগান্ডা যুদ্ধে পশ্চিমকে পাশে পায় নাই, কারণ খুনি হাসিনাকে উৎখাত ও সমকামী সরকার ইউনুসকে বসানো পশ্চিমা প্ল্যানেরই একটা অংশ। তবে যদি এই অভ্যুত্থান সেকুলার সিস্টেমের বিরুদ্ধে এবং ইসলামী শরিয়াহ সিস্টেমকে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে হত, অথবা সেই জানবাজ মুজাহিদ বাহিনী কিতালের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করত, তাহলে আফগানিস্তান দেখুন, ইরাক দেখুন, সোমালিয়া, ইয়েমেনের অবস্থা দেখুন, আর ভাবুন - পশ্চিমাদের গ্রীন সিগন্যাল নিয়ে ভারত তখনই এদেশে আক্রমণ চালাত ইসলামী সরকারকে জঙ্গি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান আখ্যা দিয়ে। আর যুদ্ধের বৈধতা উৎপাদন করতে প্রোপাগান্ডা ছড়াত এই বলে যে- "বাংলাদেশের জনপ্রিয় সরকারকে মানবতার দুশমন একদল হিংস্র জঙ্গি উৎখাত করেছে, যারা নারী স্বাধীনতার দুশমন, যারা মধ্যযুগীয় বর্বর আইন এদেশের শান্তিপ্রিয় মানুষের উপর চাপিয়ে দিতে চায়। ভারত সরকার বাংলাদেশ ও তার জনগণের বন্ধুত্বের ডাকে সাড়া দিয়ে উক্ত অভিযান পরিচালনা করছে।"

      তখন পেছন থেকে গোয়েন্দা সহায়তা, স্যাটেলাইট সাপোর্ট, অত্যাধুনিক মারণাস্ত্র, ক্ষতিকারক রাসায়নিক অস্ত্র, প্রযুক্তি সহায়তা, এমনকি প্রয়োজনে দক্ষ যুদ্ধবিশারদ সকল সাপোর্ট আসত পশ্চিমাদের থেকে মানবতাকে এক ভয়ঙ্কর বিপদ (জঙ্গি গোষ্ঠী) থেকে এদেশের মানুষকে রক্ষার নামে। ভারত আতঙ্ক ছড়াতে পারমাণবিক বোমা মেরে নাম দিত অস্ত্র গুদামে হামলা, বা রাসায়নিক কারখানায় বিস্ফোরণ।

      বিষয়গুলো ভয় ধরানোর জন্য বলছি না। এগুলোই তো হয়ে আসছে ভাই বছরের পর বছর ধরে আমাদের মুসলিম উম্মাহ নামক দেহের বাকি অংশগুলোতে। আমরা যারা আল্লাহ্‌ তাআলা ও আখিরাতের উপর দৃঢ় বিশ্বাস রাখি, এমন পরিস্থিতি তাদেরও অনেকের মাঝে নিফাক নিয়ে আসে। বাকি সাধারণ জনগণের কথা বাদই দিন।

      কথা হচ্ছে, তাহলে কি জিহাদ কিতাল বন্ধ হয়ে যাবে? আমরা কি হাত গুটিয়ে বসে থাকব?

      না ভাই, জিহাদও ইনশাআল্লাহ্‌ বন্ধ থাকবে না, আর আমরাও ইনশাআল্লাহ্‌ হাত গুটিয়ে বসে থাকব না, আর উম্মাহর মুজাহিদরা কখনই হাত গুটিয়ে বসে থাকে নাই যত কঠিন পরিস্থিতিই আসুক না কেন। সর্বদাই জিহাদ চলমান ছিল দুনিয়ার কোথাও না কোথাও।

      দেখুন শুরুতে শত্রুর দুর্বল পয়েন্ট ও শক্তিশালী পয়েন্ট নিয়ে কথা বলেছিলাম।

      আলহামদুলিল্লাহ্‌, বৈশ্বিক জিহাদি সংগঠন আল-কায়েদার উমারাগণ এই বিষয়ে প্রায় ৪০ বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছেন। শত্রুর দুর্বল পয়েন্ট বের করে করে নিশানা বানিয়ে তাদের নিরাপত্তা ব্যয় বাড়িয়ে তুলেছেন, যাতে এই সরকারগুলোর সাথে জনগণের কোন হৃদ্যতার সম্পর্ক না থাকে, যাতে তারা জনবিচ্ছিন হয়ে যায়, এবং তাদের নিজ জনগনই তাদের শত্রু ভাবা শুরু করে। আর এটা একটা দীর্ঘমেয়াদী লড়াই।

      তাহলে দেখুন, এদেশে শরিয়াহ কায়েম করা হলেও পাশে শক্তিশালী আগ্রাসী হিন্দুত্ববাদী ভারতকে অটুট রেখে তা প্রতিষ্ঠিত রাখা বেশিদিন সম্ভব নয়। যেমন পারা যায় নাই সোমালিয়া, ইয়েমেন, ইরাক, মালি কিংবা প্রথমবারে আফগানিস্তানে। আবার ভারতের মত রাষ্ট্রও রাষ্ট্র হিসেবে দাড়িয়ে আছে জাতিসংঘের কারণে, যার চাবি আবার আমেরিকার হাতে। যত যা-ই বলেন, আমেরিকাকে আজও পুরো বিশ্ব পরোয়া করে তাদের নিজ দেশের সীমার বাহিরেও ৮ শতাধিক মিলিটারি বেইস, মহাসমুদ্রে ভাসমান ১২টা বিশাল নৌবহর, অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান, যুদ্ধজাহাজ, স্যাটেলাইট, আর বিশ্বের প্রায় প্রতিটা দেশের প্রশাসনিক কাঠামোর অভ্যন্তরে তাদের অনুগত লোক বসানো, এবং ডলারের আধিপত্যের কারণে।

      আলহামদুলিল্লাহ্‌ আল-কায়েদার মুজাহিদদের সফল পরিকল্পনা এবং মহান আল্লাহ্‌ তাআলার সাহায্যে আমেরিকা নিয়ন্ত্রিত এই তাগুতি পুঁজিবাদী বিশ্বব্যবস্থা আজ প্রায় ধ্বংসের কিনারায়। যারফলে শরিয়াহ শাসিত ইসলামী রাষ্ট্রের স্বপ্ন আজ বাস্তবতা হয়ে ফুটে উঠছে। এসময়ে আমাদের কোন ভুল পদক্ষেপ আবারো শত্রুকে শক্তিশালী করে আমাদের বহুদুর ঠেলে দিতে পারে।

      এদেশে আমাদের আজও পর্যাপ্ত দাওয়াতি কাজ করা হয় নাই। শরিয়াহর দাবী আজও আমরা জনগণের দ্বারে দ্বারে পৌছাতে পারি নাই। আজও এমন অবস্থা হয় নাই যে- জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে চায়ের দোকানে, অলিতে গলিতে, ঘরোয়া আড্ডায় শরিয়াহই সমাধান বলবে, যেমন তারা ভোট ও নেতা নির্বাচনের কথা বলে। এটা জরুরী একারণেই যে- মুজাহিদগণ যখন শরিয়াহ প্রতিষ্ঠিত করবে, তখন পূর্ব থেকেই জনগণ যদি শরিয়াহ আকাঙ্ক্ষী হয়, তাহলে তারা শত্রুদের প্রোপাগান্ডার বিরুদ্ধে দাড়িয়ে দাড়িয়ে যাবে, কান দিবে না। আর তা না হলে, জনগণ শত্রুর প্রোপাগান্ডায় বিভ্রান্ত হয়ে মুজাহিদদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করবে। যার ফলে ক্ষমতায় থাকাই দুস্কর হয়ে যাবে, আর এমন পরিস্থিতিতে জনতার বিরুদ্ধে লাঠি উঠানোর মানে হচ্ছে বিক্ষোভ বিদ্রোহকে আরও ত্বরান্বিত করা।

      আর তাই এদেশে এখন সবচেয়ে জরুরী কাজ হল- জনগণের কাছে সঠিকভাবে তাওহীদের দাওয়াত পৌঁছানো।

      ভারতের বিরুদ্ধে আমাদের কাজ হল- কাশ্মীরকে মুক্ত করা। কিন্তু কাশ্মীরে কাজ করতে গেলে দেখা যায় পাকিস্তানের পশ্চিমাপন্থী সামরিক প্রশাসন পেছন থেকে ছুরি মারে। এই পর্যন্ত বহুবার তারা কাশ্মীরে যাওয়া মুজাহিদদের হয় নিজেরা বন্দি করেছে, নয়ত ভারতের কাছে মুজাহিদদের গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে দিয়েছে। কাশ্মীরকে পাকিস্তান শুধু দাবী আদায়ের কার্ড হিসেবে আলোচনার টেবিলে রাখার জন্য ব্যবহার করে। যখন দরকার হয়, জিহাদি কোন দলকে উস্কে দেয়, আবার ভারত থেকে চাওয়া দাবী পুরন হয়ে গেলে সে সকল মুজাহিদ দলের তথ্য ভারতের কাছে বেচে দেয়।

      এদিকে পাকিস্তান নিজদেশেও লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে নামকাওাস্তে শরিয়াহর লেবেল লাগিয়েছে, বাস্তবে ব্রিটিশ আইনেই আজও দেশ চালাচ্ছে। আর তাই কাশ্মীরকে মুক্ত করতে প্রধান বাঁধা পাকিস্তানের পশ্চিমাপন্থী প্রশাসনকে সরানো এবং সেই সাথে শরিয়াহ কায়েম করতে এই উপমহাদেশের মুজাহিদদের জিহাদের মুল কেন্দ্র হওয়া উচিত পাকিস্তান।

      পাকিস্তান আফগানের মত মুক্ত স্বাধীন হয়ে গেলে ইনশাআল্লাহ্‌ কাশ্মীর বিজয় করা সহজসাধ্য হয়ে যাবে। আর কাশ্মীর মুক্ত হলে জিহাদ কি কাশ্মীরেই থেমে যাবে ভাই? বরং তা আরও সামনে অগ্রসর হবে ইনশাআল্লাহ্‌। আর আশাকরা যায় ইনশাআল্লাহ্‌ যে, কাশ্মীর মুক্তির সাথে সাথেই এদেশেও শরিয়াহ কায়েম করা একেবারেই সহজ হয়ে যাবে।

      তার আগে এদেশের মানুষের মজ্জাগত ভারত বিরোধিতা ইনশাআল্লাহ্‌ এদেশকে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে টিকিয়ে রাখবে। যদিনা কোন স্ট্র্যাটেজি না বুঝা ভাইদের দল গোলমাল পাকিয়ে ফেলে।


      বছর ফুরিয়ে যাবে এতো রিসোর্স আছে https://gazwah.net সাইটে

      Comment


      • #4
        এদেশে এখন সবচেয়ে জরুরী কাজ হল- জনগণের কাছে সঠিকভাবে তাওহীদের দাওয়াত পৌঁছানো।
        শুধু এই জরুরি দায়িত্ব পালন ও আমল করার মাধ্যমেই পাকিস্তানের মুক্তি, কাশ্মিরের মুক্তি (সৈয়দ আহমেদ শহীদ রহ.-এর অসমাপ্ত কাজ) এবং আমাদের ভূখণ্ডের মুক্তি নিহিত রয়েছে। "এপস্টন ফাইলস" আমাদের সামনে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে যে শয়তানের কিছু পূজারী সারা বিশ্বের মানুষকে এক বিষাক্ত জাদুকরী ব্যবস্থায় বশীভূত করে রেখেছে। এখন ইসলাম আসছে মানুষকে (শুধু) মানুষের গোলামি থেকে(ই) নয়, বরং শয়তানের গোলামি থেকে(ও) মুক্তি দেওয়ার জন্যে।
        Last edited by Rakibul Hassan; 10 hours ago.
        দাওয়াত ও জিহাদের সফরে কলব যখন ইনসাফ থেকে সরে যায় তখন বিনয় অহংকারে, ভাষার শালীনতা অশালীনতায় রূপান্তরিত হয় এবং অন্তরের নম্রতা কাঠিন্যের রূপ ধারণ করে। তারপর সে ব্যাক্তি নিজেও গোমরাহির পথে চলে এবং অন্যকেও গোমরাহির পথ প্রদর্শন করে।​​

        Comment

        Working...
        X