Announcement

Collapse
No announcement yet.

Bengali Translation || অতএব হে চক্ষুষ্মানেরা! তোমরা শিক্ষা গ্রহণ করো!

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • Bengali Translation || অতএব হে চক্ষুষ্মানেরা! তোমরা শিক্ষা গ্রহণ করো!

    مؤسسة النصر
    আন নাসর মিডিয়া
    An Nasr Media

    تـُــقدم
    পরিবেশিত
    Presents

    الترجمة البنغالية
    বাংলা অনুবাদ
    Bengali Translation

    بعنوان:
    শিরোনাম:
    Titled:

    قاعدة الجهاد | القيادة العامة
    فَاعْتَبِرُوا يَا أُولِي الْأَبْصَارِ


    কায়িদাতুল জিহাদ – কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব
    অতএব হে চক্ষুষ্মানেরা! তোমরা শিক্ষা গ্রহণ করো!

    Press Release –
    So take warning, O people of vision






    روابط بي دي اب
    PDF (521 KB)
    পিডিএফ ডাউনলোড করুন [৫২১ কিলোবাইট]







    https://mega.nz/file/X5RWzCxI#Aa8OVHDI_SIcpK5dMTAkH0FNZ6sWGfI3FQFj_2c6o Sk



    روابط ورد
    Word (693 KB)
    ওয়ার্ড [৬৯৩ কিলোবাইট]







    https://mega.nz/file/255HzJwb#2Oma1BgXOFxxfh7Z5qyKegJ5Dx1EyjhDQfQAJkj6A x8


    بينر
    banner (1 MB)
    ব্যানার [১ মেগাবাইট]










    মূল পোস্ট
    PDF – 381KB



    https://archive.org/download/o-people-of-vision/3%D8%A8%D9%8A%D8%A7%D9%86%20%D9%81%D8%A7%D8%B9%D8% AA%D8%A8%D8%B1%D9%88%D8%A7.pdf

    https://www.mediafire.com/file/a0hkagjq6dd0r35/3بيان+فاعتبروا.pdf/file

    https://mega.nz/file/KpJQFRhZ#SgORCIqmjHs7BLh3rpPiPTxT6pg7byRjXXd8EueSk Ns

    -------------

    সকল প্রশংসা সেই মহান সত্তা আল্লাহ তাআলার জন্য, যিনি তাঁর সুদৃঢ় ও প্রজ্ঞাময় গ্রন্থে ঘোষণা করেছেন:
    ﴿ وَلَوْلَا دَفْعُ اللَّهِ النَّاسَ بَعْضَهُم بِبَعْضٍ لَهُدِّمَتْ صَوَامِعُ وَبِيَعٌ وَصَلَوَاتٌ وَمَسَاجِدُ يُذْكَرُ فِيهَا اسْمُ اللَّهِ كَثِيرًا وَلَيَنصُرَنَّ اللَّهُ مَن يَنصُرُهُ إِنَّ اللَّهَ لَقَوِيٌّ عَزِيزُ ﴾
    “আল্লাহ যদি মানব জাতির এক দল (-এর অনিষ্ট)কে অন্য দলের মাধ্যমে প্রতিহত না করতেন, তবে ধ্বংস করে দেওয়া হত খানকাহ, গির্জা, ইবাদতখানা ও মসজিদসমূহ, যাতে আল্লাহর যিকির করা বেশি। আল্লাহ অবশ্যই তাদের সাহায্য করবেন, যারা তাঁর (দ্বীনের) সাহায্য করবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বশক্তিমান, পরাক্রমশালী।” (সূরা আল-হজ ২২:৪০)
    অতঃপর দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওপর, তাঁর পবিত্র পরিবারবর্গ ও সৎকর্মশীল সাহাবীগণের ওপর এবং কিয়ামত পর্যন্ত যারা তাঁর সুন্নাহর অনুসরণ করবে ও তাঁর দেখানো পথে জিহাদ চালিয়ে যাবে, তাদের সকলের ওপর।
    আম্মা বাদ,
    বর্তমান যুগের ‘হুবাল’ আমেরিকার নেতৃত্বে আধুনিক জায়নবাদী-ক্রুসেডার জোট পুনরায় তাদের সেই ক্রুসেড তথা ধর্মযুদ্ধ সম্পন্ন করার মানসে সমবেত হচ্ছে, যার সূচনা তারা করেছিল এই শতাব্দীর প্রারম্ভেই। তারা তখন তাদের সেই লক্ষ্য ও পদক্ষেপের কথা প্রকাশ্যেই ঘোষণা করেছিল। তাদের সেই জায়নবাদী-ক্রুসেডার প্রকল্পের গতি রোধ করতেই এগারোই সেপ্টেম্বরের সেই বরকতময় জিহাদি অভিযানের আগমন ঘটেছিল। কেননা তাদের উদ্দেশ্য ছিল মুসলিম উম্মাহকে অবরুদ্ধ করা, মুসলিম ভূখণ্ড দখল করা, তাদের সম্পদ ও সামর্থ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা, এবং মুসলিম জনপদগুলোকে খণ্ড-বিখণ্ড করে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো।
    আজ যখন এই ক্রুসেডার বাহিনী কোনো একটি নির্দিষ্ট রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নয়, বরং সমগ্র অঞ্চলটি দখল করার অসৎ উদ্দেশ্যে সমবেত হচ্ছে, তখন তাদের ব্যাপারে শরঈ অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট। ইসলামের পবিত্র মাটিতে তাদের অশুভ পদচিহ্ন পড়ার আগেই তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ করা, কিতাল (সশস্ত্র যুদ্ধ) করা এবং তাদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা ওয়াজিব। আমাদের সদা হাস্যময় ও লড়াকু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাবুক যুদ্ধের সময় তাদের পূর্বপুরুষদের মোকাবেলায় বের হয়েছিলেন। মুসলিম ভূখণ্ডের পবিত্রতা ও সম্ভ্রম রক্ষার স্বার্থে শত্রুরা মুসলিম মাটিতে পা ফেলার আগেই তিনি তাদের ওপর চড়াও হয়েছিলেন।
    আজ আমরা যা প্রত্যক্ষ করছি, তা মূলত সেই ক্রুসেডারদের পলায়নের পর পুনরায় ফিরে আসারই নামান্তর। সাইয়্যেদুনা আমর ইবনুল আস রাযিয়াল্লাহু আনহু তাদের সম্পর্কে যথার্থই বলেছিলেন:
    “মানুষের মধ্যে ওরাই দ্রুততম সময়ে পুনরায় যুদ্ধে ফিরে আসে (পরাজয়ের পর)।”
    গত দুই দশক ধরে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’-এর স্লোগানটি অকেজো হয়ে যাওয়ার পর, আজ ক্রুসেডাররা পলায়নের পর নতুন স্লোগান নিয়ে উম্মাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য ফিরে এসেছে।
    গতকাল লক্ষ ছিল আফগানিস্তান, আর আজ সম্মানের প্রতীক গাজা। আগামীকাল আবার আফগানিস্তান, তুরস্ক, পাকিস্তান, মিসর, আরব উপদ্বীপ এবং অন্যান্য মুসলিম ভূখণ্ড তাদের লক্ষ্যবস্তু হবে; যেমনটা অপরাধী ইহুদী নেতা নেতানিয়াহু নিজেই বলেছে। আমরা জায়নবাদী-ক্রুসেডারদের কোনো গোপন রহস্য ফাঁস করছি না; বরং এটিই তাদের ইতিহাস, তাদের বর্তমান বাস্তবতা এবং তাদের নিজেদের মুখের স্বীকারোক্তি।
    অতএব, হে বিশ্বের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে থাকা মুসলিমরা!
    ﴿ اسْتَعِينُوا بِاللَّهِ وَاصْبِرُوا إِنَّ الْأَرْضَ لِلَّهِ يُورِثُهَا مَن يَشَاءُ مِنْ عِبَادِهِ وَالْعَاقِبَةُ لِلْمُتَّقِينَ ﴾
    “আল্লাহর কাছে সাহায্য চাও ও ধৈর্য ধারণ কর। বিশ্বাস রাখ, জমিন আল্লাহর। তিনি নিজ বান্দাদের মধ্যে যাকে চান এর উত্তরাধিকারী বানিয়ে দেন, আর শেষ পরিণাম মুত্তাকীদেরই অনুকূলে থাকে।” (সূরা আল-আরাফ ০৭:১২৮)
    হে আমাদের প্রিয় উম্মাহ!
    এই জায়নবাদী-ক্রুসেডার অভিযানের নেতা এবং বড় ক্রুশ বহনকারী ট্রাম্প অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় ও ধৃষ্টতার সাথে ঘোষণা করেছে যে, সে বাগরাম ঘাঁটি পুনরুদ্ধার করবে এবং ক্রুসেডাররা তা পুনরায় দখল করে নেবে। কিন্তু বাগরাম, ইসলামিক ইমারত (আফগানিস্তান) এবং সেখানকার পুণ্যবান পুরুষদের নাগাল পাওয়া তার জন্য সুদূর পরাহত! এই স্বৈরাচারী শাসক অনেক চিন্তা-ভাবনা ও জল্পনা-কল্পনা করেছে, হুমকি-ধমকি দিয়েছে, অহংকার দেখিয়েছে এবং সত্য থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।
    অবশেষে তার দৌড় এই পর্যন্তই যে, সে আমাদের মুসলিম বিশ্বকে অবরুদ্ধ করতে এবং যুদ্ধ চাপিয়ে দিতে এই ক্রুসেডার বাহিনীকে প্রেরণ করেছে মাত্র। যদিও ক্রুসেডার আমেরিকা আজ দাবি করছে যে, তারা এই অঞ্চলের জনগণের সাহায্যের জন্যই আগমন করেছে—ঠিক যেমনটি তারা অতীতে দাবি করেছিল যে, তারা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়তে এসেছে—কিন্তু সচেতন মাত্রই জানেন যে, ক্রুসেডারদের লোলুপ দৃষ্টি আসলে খোরাসানের ভূমির ওপর নিবদ্ধ। তাদের মূল লক্ষ হলো, ইসলামিক ইমারতের (আল্লাহ এটিকে সম্মানিত করুন) ছায়াতলে যে ইসলাম নতুন শক্তিতে জেগে উঠছে, তাকে বিনাশ করা। একমাত্র কোনো মূর্খ কিংবা হঠকারী ব্যক্তি ছাড়া এ বিষয়ে কেউ সন্দেহ পোষণ করতে পারে না।
    আজ আমাদের মুসলিম বিশ্বে যে ঘটনাপ্রবাহ আমরা প্রত্যক্ষ করছি, তা আমাদের এবং এই অঞ্চলের প্রতিটি মুসলিমের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়। জায়নবাদী ও ক্রুসেডার সেনাবাহিনী এখানে নতুন করে সমবেত হয়েছে। এমতাবস্থায় আমাদের জন্য এবং কোনো আত্মমর্যাদাবোধ সম্পন্ন ও সম্মানিত মুসলিমের জন্য নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করা কিংবা হাত গুটিয়ে বসে থাকা শোভা পায় না। প্রত্যেকেই নিজ নিজ মাতৃভূমি, ভিটেমাটি এবং সম্পদের ক্ষেত্রে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। ভেনেজুয়েলায় যা ঘটেছে, তা আমাদের থেকে খুব বেশি দূরে নয়।
    তাই সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী মহলের বিজ্ঞ ব্যক্তিদের উচিত, দেশ ও জনগণের জান-মাল রক্ষায় প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতার পরিচয় দেওয়া। আজকের এই জায়নবাদী-ক্রুসেডার জোটের ঔদ্ধত্য ও অহংকার এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যার কোনো নজির নেই। তারা চায়, এই অঞ্চলের সকল শাসক যেন ইহুদী জায়নবাদীদের অনুগত দাসে পরিণত হয়। আমাদের মুসলিম বিশ্বের ওপর চেপে বসা শাসকরা যেন নিশ্চিত থাকে যে, যেদিন অন্য বলদটিকে বাঘে খেয়েছিল, সেদিনই যেমন সাদা বলদটির খাওয়ার ব্যবস্থা হয়ে গিয়েছিল, ঠিক তেমনি তাদেরও অন্যদের মতোই পরিণতির শিকার হতে হবে।
    তাদের মগজে যদি সামান্যতম বুদ্ধিও অবশিষ্ট থাকে—যদিও তা থাকা দুষ্কর—তবে তাদের উচিত ইসলামের অনুসারী ও যুবকদের জন্য পথ উন্মুক্ত করে দেওয়া, যাতে তারা ইসলাম ও মুসলিমদের পবিত্রতা রক্ষায় ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে এবং সর্বত্র ক্রুসেডার ও তাদের স্বার্থের ওপর আঘাত হানতে পারে।
    আমরা আমাদের পক্ষ থেকে সমগ্র মুসলিম উম্মাহ এবং বিশেষ করে মুসলিম যুবকদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, তারা যেন আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের জন্য বেরিয়ে পড়ে। এই অঞ্চলে সমবেত ক্রুসেডার বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর এখনই সময়, অন্যথায় এমন সময় আসবে যখন কান্না ও অনুশোচনা ছাড়া আর কিছুই করার থাকবে না।
    যদিও আজ জায়নবাদী-ক্রুসেডার জোট তাদের বিমানবাহী রণতরীগুলো পাঠিয়েছে, যা জিহাদের সৈনিকরা সহজেই ডুবিয়ে দিতে সক্ষম—যেমনটি ঈমান ও প্রজ্ঞার দেশ ইয়েমেনের ইসলামের অশ্বারোহীরা ডেস্ট্রয়ার কোল’ (USS Cole)-কে বিস্ফোরণে উড়িয়ে দিয়ে এবং আমেরিকান নৌ-সেনাদের হত্যা করে দেখিয়েছিল। তবে আমাদের ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে, তাদের এমন আরও অনেক বিমানবাহী রণতরীরয়েছে যা পানিতে ডোবে না। আর তা হলো কিছু আরব ও মুসলিম দেশে অবস্থিত তাদের সামরিক ঘাঁটিসমূহ এবং ফিলিস্তিনে অবস্থিত অবৈধ দখলদার জায়নবাদী রাষ্ট্র।
    তাই ইসলামের অনুসারীদের ওপর আবশ্যক হলো এগুলোকে মুক্ত করার জন্য জিহাদ করা। আর আলেম সমাজের দায়িত্ব হলো, এই আগ্রাসী শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য এবং তারা যেখানেই থাকুক না কেন তাদের লক্ষ্যবস্তু বানানোর জন্য উম্মাহকে উদ্বুদ্ধ করা।
    আমরা আল্লাহকে সাক্ষী রেখে, উম্মাহ ও ইতিহাসের সামনে দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলছি: গত কয়েক দশকে মুজাহিদদের যে অগ্রগামী দলটি আল্লাহর রহমতে গঠিত হয়েছিল, তাঁরা একটি মজবুত ঢাল হিসেবে কাজ করেছিল, যার আড়ালে সবাই সুরক্ষা পেয়েছিল। এমনকি প্রাচ্যের বড় বড় শক্তি ও একমেরুকেন্দ্রিক বিশ্বের মোড়লিপনার মোকাবেলায় এই ঢাল থেকে সুবিধা গ্রহণ করেছিল।
    কিন্তু আফসোসের বিষয়, মুসলিমরা মুজাহিদদের পালন করা এই ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কদর করতে পারেনি। ফলে পরিস্থিতি আজ এই পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে। তারা শান্তিকামী দলগুলোকে সন্ত্রাসী হিসেবে আখ্যায়িত করেছে, ইসলামপন্থী সরকারগুলোর বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান ঘটিয়েছে, উম্মাহর সম্পদ লুণ্ঠন করেছে এবং তাদের বিশ্বাস ও ফিতরাত (স্বভাবজাত ধর্ম) নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে। তারা সমাজে বিকৃত ও অস্বাভাবিক মতবাদ ছড়িয়ে দিয়েছে এবং ইবরাহিমী ধর্ম’ (আব্রাহাম চুক্তি) নামক এক শয়তানি নতুন ধর্মের উদ্ভাবন করেছে।
    কিন্তু... (আল্লাহ তাআলা বলেন
    ﴿ وَيَمْكُرُونَ وَيَمْكُرُ اللَّهُ وَاللَّهُ خَيْرُ الْمَاكِرِينَ ﴾
    “তারা ষড়যন্ত্র করে এবং আল্লাহও কৌশল অবলম্বন করেন; আর আল্লাহই সর্বশ্রেষ্ঠ কৌশলী।” (সূরা আল-আনফাল ০৮:৩০)
    হে মুসলিম উম্মাহ! তোমরা আল্লাহর পক্ষ থেকে অবধারিত বিজয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত থাকো। শত্রুদের বিরুদ্ধে আল্লাহর আসন্ন কৌশলের সুসংবাদ গ্রহণ করো। আমরা মহান আল্লাহ তাআলার কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন তাদের ষড়যন্ত্রকে তাদের ধ্বংসের কারণ বানিয়ে দেন এবং তাদের ওপরই দুর্দিন নামিয়ে আনেন। আমীন। আর সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহ তাআলার জন্য।
    শাবান, ১৪৪৭ হিজরী - জানুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

    --------

    مع تحيّات إخوانكم
    في مؤسسة النصر للإنتاج الإعلامي
    قاعدة الجهاد في شبه القارة الهندية
    আপনাদের দোয়ায় মুজাহিদ ভাইদের ভুলবেন না!
    আন নাসর মিডিয়া
    আল কায়েদা উপমহাদেশ
    In your dua remember your brothers of
    An Nasr Media
    Al-Qaidah in the Subcontinent

    আপনাদের দোয়ায় মুজাহিদ ভাইদের ভুলবেন না!

  • #2
    আমরা আমাদের পক্ষ থেকে সমগ্র মুসলিম উম্মাহ এবং বিশেষ করে মুসলিম যুবকদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, তারা যেন আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের জন্য বেরিয়ে পড়ে। এই অঞ্চলে সমবেত ক্রুসেডার বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর এখনই সময়, অন্যথায় এমন সময় আসবে যখন কান্না ও অনুশোচনা ছাড়া আর কিছুই করার থাকবে না।
    আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়াতায়ালা উম্মাহকে সে সময় আসার আগেই সতর্ক হওয়ার এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের তাওফিক দিন।
    জিহাদি মানহাজের হেফাযত, মুজাহিদদের হেফাযত থেকেও বেশি গুরত্বপূর্ণ

    কারণ মুজাহিদদের দৌড়-ঝাপ, কুরবানির উদ্দেশ্যই হলো হকের দাওয়াত ও পয়গাম বিজয়ী হোক। কিন্তু মানহাজ যদি খারাপ হয়, সফরের রাস্তা যদি ভুল হয়ে যায়, তখন মুসাফির যতই উদ্দীপনা ও ইখলাসের সাথে পথ চলুক, সে কখনও মনযিলে পৌঁছতে পারবে না। (দাওয়াতের পদ্ধতি ও জিহাদি মানহাজের হেফাযত - উস্তাদ উসামা মাহমুদ হাফিজাহুল্লাহ)

    Comment

    Working...
    X