Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুসলিমদের প্রথম ও শেষ রক্ষাকবচঃ মুজাহিদিনে উম্মত (পর্ব – ৩)

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুসলিমদের প্রথম ও শেষ রক্ষাকবচঃ মুজাহিদিনে উম্মত (পর্ব – ৩)




    আল ফিরদাউস এর সম্পাদক মুহতারাম ইবরাহীম হাসান হাফিযাহুল্লাহ’র কলাম

    খুলাফায়ে রাশেদিন, সাহাবা, তাবেইন ও তাবে-তাবেইনদের যুগের প্রধান যুদ্ধসমূহ ও মুজাহিদিনে উম্মতের অবদান

    খুলাফায়ে রাশেদিনের যুগ (১১–৪০ হিজরি)

    ১. রিদ্দার যুদ্ধসমূহ (১১–১২ হিজরি)

    সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: রাসূল ﷺ-এর ইন্তিকালের পর বহু আরব গোত্র ইসলাম ত্যাগ করে এবং মিথ্যা নবীদের অনুসরণ শুরু করে। খলিফা আবু বকর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এই ভয়াবহ ফিতনা দমন করতে একাধিক অভিযান পরিচালনা করেন।

    অবদান:

    – হযরত আবু বকর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) দৃঢ়তার সাথে যাকাত অস্বীকারকারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন
    – খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) মিথ্যা নবী মুসায়লামাতুল কাযযাবকে ইয়ামামার যুদ্ধে পরাজিত করেন
    – এই যুদ্ধে ৭০০-এরও বেশি হাফেজে কুরআন শহিদ হন
    – এই ঘটনার পরেই কুরআন গ্রন্থাকারে সংকলনের উদ্যোগ নেওয়া হয়

    ২. ইয়ামামার যুদ্ধ (১২ হিজরি)

    সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: রিদ্দা যুদ্ধের সবচেয়ে ভয়াবহ অধ্যায়। মিথ্যা নবী মুসায়লামার নেতৃত্বে ৪০,০০০-এর বাহিনীর বিরুদ্ধে মুসলিম বাহিনী যুদ্ধ করে।

    অবদান:

    – খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) অসাধারণ সামরিক কৌশলে যুদ্ধ পরিচালনা করেন
    – বারাআ বিন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) “মৃত্যু উদ্যান”-এ ঝাঁপ দিয়ে দরজা খুলে দেন
    – ওয়াহশি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) মুসায়লামাকে হত্যা করেন

    ৩. ইরাক বিজয় অভিযান (১২–১৪ হিজরি)

    সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: পারস্য সাম্রাজ্যের অধীনস্থ ইরাক অঞ্চলে ইসলামের বিস্তার ঘটাতে একাধিক অভিযান পরিচালিত হয়।

    অবদান:

    – মুসান্না বিন হারিসা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) প্রথম ইরাক অভিযান শুরু করেন
    – আবু উবাইদ সাকাফি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) জিসর যুদ্ধে বীরত্বের সাথে শহিদ হন
    – খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) উল্লাইস ও হিরার যুদ্ধে বিজয় ছিনিয়ে আনেন

    ৪. আজনাদাইনের যুদ্ধ (১৩ হিজরি, ৬৩৪ খ্রি.)

    সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: সিরিয়ায় বাইজেন্টাইন রোমান বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম বড় যুদ্ধ। মুসলিম বাহিনী অভূতপূর্ব বিজয় লাভ করে।

    অবদান:

    – খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) ইরাক থেকে দ্রুতগতিতে সিরিয়ায় এসে নেতৃত্ব দেন
    – ইকরিমা বিন আবি জাহল (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বীরত্বের সাথে লড়াই করে শহিদ হন
    – সিরিয়া বিজয়ের পথ উন্মুক্ত হয়

    ৫. ইয়ারমুকের যুদ্ধ (১৫ হিজরি)

    সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: ইসলামের ইতিহাসের অন্যতম সেরা যুদ্ধ। মাত্র ৩৬,০০০ মুসলিম বনাম ২,৪০,০০০ রোমান বাহিনী। মুসলিমরা অলৌকিক বিজয় লাভ করেন এবং সিরিয়া চিরতরে রোমান শাসনমুক্ত হয়।

    অবদান:

    – খালিদ বিন ওয়ালিদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) অতুলনীয় সামরিক কৌশলে যুদ্ধ পরিচালনা করেন
    – আবু উবাইদা আমির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) সর্বোচ্চ সেনাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন
    – মুসলিম নারীরাও তাঁবুর খুঁটি নিয়ে পালানো সৈন্যদের ফিরিয়ে আনেন
    – ইকরিমা, হারিস, হিশাম বিন আস (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) শহিদ হন

    ৬. কাদিসিয়ার যুদ্ধ (১৫–১৬ হিজরি)

    সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: পারস্য সাসানীয় সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্তমূলক যুদ্ধ। এই যুদ্ধের পর পারস্য সাম্রাজ্যের মেরুদণ্ড ভেঙে পড়ে।

    অবদান:

    – সা’দ বিন আবি ওয়াক্কাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) সেনাপতি হিসেবে অসাধারণ নেতৃত্ব দেন
    – কা’কা বিন আমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বারবার শত্রুর ব্যূহ ভেদ করেন
    – পারস্যের সেনাপতি রুস্তম নিহত হয় এবং সুবিশাল পারস্য সাম্রাজ্য কাঁপতে থাকে

    ৭. বায়তুল মাকদিস বিজয় (১৬ হিজরি)

    সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: ইসলামের তৃতীয় পবিত্র স্থান বায়তুল মাকদিস বিজিত হয়। খলিফা উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) স্বয়ং সেখানে গিয়ে চাবি গ্রহণ করেন।

    অবদান:

    – আবু উবাইদা আমির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) দীর্ঘ অবরোধের পর শহর নিয়ন্ত্রণে নেন
    – উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বিজয়ের পরও অত্যন্ত বিনম্রভাবে শহরে প্রবেশ করেন
    – খ্রিস্টান অধিবাসীদের জীবন, সম্পদ ও উপাসনালয়ের নিরাপত্তা দেওয়া হয়

    ৮. নিহাওয়ান্দের যুদ্ধ (২১ হিজরি)

    সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: পারস্য সাম্রাজ্যের চূড়ান্ত পতনের যুদ্ধ। ইতিহাসে এটি “ফাতহুল ফুতুহ” বা বিজয়ের বিজয় নামে খ্যাত।

    অবদান:

    – নু’মান বিন মুকাররিন (রাদিয়াল্লাহু আনহু) সেনাপতি হিসেবে শহিদ হন
    – হুযায়ফা বিন ইয়ামান (রাদিয়াল্লাহু আনহু) তাঁর স্থলে নেতৃত্ব নিয়ে বিজয় নিশ্চিত করেন
    – এরপর পারস্য সাম্রাজ্য সম্পূর্ণরূপে মুসলিমদের অধীনে আসে

    ৯. মিসর বিজয় (২০ হিজরি)

    সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: আমর বিন আস (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নেতৃত্বে মাত্র ৪,০০০ সৈন্য নিয়ে মিসর বিজয় করা হয়, যা তৎকালীন বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী রোমান প্রদেশ ছিল।

    অবদান:

    – আমর বিন আস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) অসাধারণ কূটনৈতিক ও সামরিক দক্ষতায় মিসর জয় করেন
    – যুবাইর বিন আওয়াম (রাদিয়াল্লাহু আনহু) একাই দুর্গের প্রাচীর বেয়ে উঠে দরজা খুলে দেন
    – উত্তর আফ্রিকায় ইসলামের বিস্তারের দ্বার উন্মোচিত হয়

    তাবেইনদের যুগের প্রধান যুদ্ধ (৪১–১৫০ হিজরি)

    ১০. কারবালার যুদ্ধ (৬১ হিজরি)

    সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: হযরত হুসাইন (রাদিয়াল্লাহু আনহু) ইয়াজিদের অন্যায় শাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। ইউফ্রেটিসের তীরে কারবালার প্রান্তরে তিনি ৭২ জন সঙ্গীসহ শহিদ হন।

    অবদান:

    – হুসাইন (রাদিয়াল্লাহু আনহু) অন্যায়ের সামনে মাথানত না করে শাহাদাত বরণ করেন
    – আব্বাস বিন আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) পানি আনতে গিয়ে উভয় হাত হারিয়ে শহিদ হন
    – এই শাহাদাত উম্মতের জন্য অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের চিরন্তন প্রেরণা হয়ে আছে

    ১১. কনস্টান্টিনোপল অবরোধ (৪৯–৫২ হিজরি)

    সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: রাসূল ﷺ-এর ভবিষ্যদ্বাণী পূরণের লক্ষ্যে বাইজেন্টাইন রাজধানী কনস্টান্টিনোপল অবরোধ করা হয়। এবার বিজয় হয়নি, তবে অভিযান অব্যাহত ছিল।

    অবদান:

    – বিখ্যাত সাহাবি আবু আইউব আনসারি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এই অভিযানে শহিদ হন এবং কনস্টান্টিনোপলেই সমাহিত হন
    – তাঁর কবর আজও ইস্তানবুলে বিদ্যমান

    ১২. উত্তর আফ্রিকা বিজয় (৫০–৯০ হিজরি)

    সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: উকবা বিন নাফে (রাঃ)-এর নেতৃত্বে মুসলিম বাহিনী লিবিয়া, তিউনিসিয়া ও মরক্কো পর্যন্ত ইসলামের পতাকা উড়িয়ে দেন।

    অবদান:

    – উকবা বিন নাফে (রাদিয়াল্লাহু আনহু) অটলান্টিক মহাসাগরের তীরে পৌঁছে ঘোড়া দাবিয়ে বলেছিলেন: “হে আল্লাহ! যদি এই সমুদ্র না থাকত, আমি তোমার নামে আরো এগিয়ে যেতাম!”
    – কায়রোয়ান শহর প্রতিষ্ঠা করেন যা পরবর্তীতে ইসলামী জ্ঞানের কেন্দ্র হয়

    ১৩. সিন্ধু বিজয় (৯৩ হিজরি)

    সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: মাত্র ১৭ বছর বয়সী মুহাম্মদ বিন কাসিমের নেতৃত্বে ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলামের প্রথম প্রবেশ ঘটে।

    অবদান:

    – মুহাম্মদ বিন কাসিম অসাধারণ সামরিক প্রতিভায় রাজা দাহিরকে পরাজিত করেন
    – সিন্ধু ও মুলতান মুসলিমদের অধীনে আসে
    – উপমহাদেশে ইসলামের বিস্তারের সূচনা হয়

    ১৪. স্পেন বিজয় — তারিক বিন যিয়াদের অভিযান (৯২ হিজরি)

    সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: তারিক বিন যিয়াদ মাত্র ৭,০০০ সৈন্য নিয়ে স্পেনে প্রবেশ করেন এবং ভিজিগথ রাজা রডারিককে পরাজিত করেন। জিব্রালটার পর্বতে নৌকা পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ইতিহাসে অমর।

    অবদান:

    – তারিক বিন যিয়াদ ঐতিহাসিক ভাষণে বলেন: “সামনে শত্রু, পেছনে সমুদ্র — পালানোর পথ নেই, কেবল বিজয় অথবা শাহাদাত!”
    – গুয়াদালকিভির নদীর তীরে রডারিককে পরাজিত করেন
    – ইউরোপে ইসলামের সোনালি যুগের দরজা উন্মোচিত হয়

    ১৫. তুর বা পোয়াতিয়ের যুদ্ধ (১১৪ হিজরি)

    সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: ফ্রান্সের গভীরে মুসলিম অভিযান। আবদুর রহমান আল-গাফিকি ফ্রান্কিশ বাহিনীর কাছে পরাজিত হন। ইউরোপে ইসলামের উত্তরাভিমুখী অগ্রগতি এখানেই থেমে যায়।

    অবদান:

    – আবদুর রহমান আল-গাফিকি বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করে শহিদ হন
    – মুসলিম বাহিনী ইউরোপের কেন্দ্র পর্যন্ত পৌঁছেছিল — যা ইতিহাসে অভূতপূর্ব

    তাবে-তাবেইনদের যুগ (১৫০–২৫০ হিজরি)

    ১৬. তালাসের যুদ্ধ (১৩৩ হিজরি)

    সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: মধ্য এশিয়ায় আব্বাসীয় মুসলিম বাহিনী বনাম চীনা তাং সাম্রাজ্যের মধ্যে যুদ্ধ। মুসলিমরা বিজয়ী হন।

    অবদান:

    – যিয়াদ বিন সালিহ মুসলিম বাহিনীর নেতৃত্ব দেন
    – মধ্য এশিয়ায় চীনা প্রভাব চিরতরে শেষ হয়
    – কাগজ তৈরির প্রযুক্তি চীনা যুদ্ধবন্দিদের কাছ থেকে মুসলিমরা শেখেন — যা পরবর্তীতে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিকাশে বিপ্লব আনে

    রাসূল ﷺ-এর ইন্তিকালের পর ইসলামের পথচলা মোটেও সহজ ছিল না। একদিকে রিদ্দার ভয়াবহ ফিতনা, অন্যদিকে পারস্য ও রোমান সাম্রাজ্যের মতো পরাশক্তি — সব মিলিয়ে ইসলামকে প্রতিটি মুহূর্তে টিকে থাকার সংগ্রাম করতে হয়েছে।

    কিন্তু সাহাবা, তাবেইন ও তাবে-তাবেইনরা প্রমাণ করে দিয়েছেন যে — ঈমানের শক্তির সামনে কোনো সাম্রাজ্যই চিরস্থায়ী নয়। তারিক বিন যিয়াদের জ্বলন্ত নৌকা থেকে শুরু করে উকবা বিন নাফের অটলান্টিকের তীরের সেই অবিস্মরণীয় ঘোষণা — প্রতিটি ঘটনাই সাক্ষ্য দেয় যে এই মানুষগুলো কেবল যুদ্ধ করেননি, তাঁরা আল্লাহর জন্য সবকিছু উজাড় করে দিয়েছিলেন।

    আজকের মুসলিম উম্মত পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি প্রান্তে ছড়িয়ে আছে — স্পেন থেকে সিন্ধু, কনস্টান্টিনোপল থেকে কায়রো — এই বিস্তারের পেছনে রয়েছে সেই অকুতোভয় প্রজন্মগুলোর রক্ত, ঘাম ও অশ্রু।

    তাই তাঁদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব হলো — তাঁদের জন্য দু’আ করা, তাঁদের থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং সেই আমানত — ইসলামকে — আগামী প্রজন্মের কাছে অক্ষুণ্ণ রেখে যাওয়ার পাশাপাশি নিজেদেরকে ও নিজেদের সন্তানদেরকেও তাদের মতো বীর মুজাহিদ হিসেবে গড়ে তোলা।


    মুসলিমদের প্রথম ও শেষ রক্ষাকবচঃ মুজাহিদিনে উম্মত (পর্ব – ১)


    মুসলিমদের প্রথম ও শেষ রক্ষাকবচঃ মুজাহিদিনে উম্মত (পর্ব – ২)

    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    আসলেই বিষয়গুলো এইভাবে চিন্তা করে দেখিনি যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালামের ইন্তিকালের পরে স্বাভাবিক ভাবে উনাদের দূর্বল হয়ে যাওয়ার কথা ছিলো।

    কারণ যেকোনো দলের আমির না থাকলে বা ইন্তিকাল করলে সেই দলের সদস্যগণ খুব বেশি সামনে অগ্রসর হতে পারে না অথবা কোনো এক সময় তারা তাদের মূল মিশন ও লক্ষ্য থেকে অনেক দূরে সরে যায় এবং আস্তে আস্তে এক সময় দলটি দুর্বল বা নিঃশেষ
    হয়ে পড়ে।​

    কিন্তু সাহাবা, তাবেইন ও তাবে-তাবেইনরা প্রমাণ করে দিয়েছেন যে​ অন্তরে ঈমানের দৃঢ়তা ও আল্লাহর সাহায্য থাকলে এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালামের দেখানো পদ্ধতি মোতাবেক অগ্রসর হলেই এক মাত্র মুক্তির পথ পাওয়া যাবে ইন শা আল্লাহ।

    আর বেশ কয়েকটা তাঞ্জিম ঝরে যাওয়ার পিছনে মূল কারণ ছিলো এই বিষয়গুলো সেই তাঞ্জিমের ভাইদের মধ্যে অনুপস্থিত থাকা।

    তাই ইন শা আল্লাহ আমাদের প্রত্যেকের উচিত নিজেদের ইমানকে উনাদের মতো মজবুত করা, কুরআনের প্রত্যেকটা বিধান নিজেদের মধ্যে বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করা এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালামের দেখানো পদ্ধতি মোতাবেক অগ্রসর
    হওয়া যাতে করে আমরা আমাদের মূল মিশন এবং লক্ষ্যের উপর অটল-অবিচল থাকি আর তা হলো,"হয়তো শারিয়াহ নয়তো শাহাদাহ"
    বিইযনিল্লাহ

    গুরাবা হয়ে লড়তে চাই, গুরাবা হয়েই শাহাদাহ চাই

    Comment


    • #3
      ,"হয়তো শারিয়াহ নয়তো শাহাদাহ"
      বিইযনিল্লাহ

      এটাই সাবাহাদের (সাহাবা) মূল উদ্দেশ্য ছিল।
      আর তারা রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উক্ত হাদীসকে আঁকড়িয়ে ধরেছেন


      وحدثني عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال تركت فيكم أمرين لن تضلوا ما تمسكتم بهما كتاب الله وسنة نبيه

      ১. তকদীরের ব্যাপারে বিতর্ক করা নিষেধ

      রেওয়ায়ত ৩. মালিক (রাহঃ) বলেন, তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলিয়াছেন, আমি তোমাদের নিকট দুইটি বস্তু ছাড়িয়া যাইতেছি। তোমরা যতক্ষণ উহাকে ধরিয়া থাকিবে পথভ্রষ্ট হইবে না। উহা হইল আল্লাহর কিতাব ও রাসূলের সুন্নত।


      —মুওয়াত্তা মালিক, হাদীস নং ১৬৬১

      হাদীসের বর্ননাকারী: মালিক ইবনে আনাস (রহঃ)​
      Last edited by Rakibul Hassan; 10 hours ago.

      Comment

      Working...
      X