Announcement

Collapse
No announcement yet.

আজ আপনাদের ঈদ?

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • আজ আপনাদের ঈদ?

    আজ নাকি ঈদ?

    সবাই বলতেছে আজকে ঈদ, আজকে খুশির দিন, খুশির চমক নিয়ে এসেছে এই চাঁদ, আজকে ভাঙবে আনন্দের বাঁধ!
    চারিদিকে সবাই কত কিছু করছে, বিভিন্নভাবে নিজেদেরকে উল্লাসে মেতে রাখার জন্য নিত্যনতুন প্ল্যান তৈরী করছে, সুস্বাদু খাবার ও বাহারি পোশাক প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। বাচ্চারা মেহেদি হাতে ছোটাছুটি করছে, সালামী নেয়ার জন্য বড়দের কাছে ভীড় জমাচ্ছে,আত্মীয়-স্বজনদের বাসায় যাওয়া-আসা হবে, মেলা-মাহফিল, পার্ক-রেস্তোরা লোকে লোকারণ্য হয়ে যাবে!
    আরও যে কত কী! বললে শেষ হবে না!


    কিন্তু আমার কী হলো! সব যেন অপরিচিত লাগছে! ঈদ শব্দটা যেন কাঁটার মত গায়ে বিঁধছে,কেন জানি মনে হচ্ছে, এবছর ঈদ না আসলেই মানানসই হত, ঈদকে স্বাগত জানানোর কোন ভাষা আমার অভিধানে নেই, পারছি না এ খুশিকে বরণ করে নিতে! দম বন্ধ হয়ে আসে, তবুও তো জান বের হয়ে যাচ্ছে না, অসহনীয় এক পরিস্থিতি।
    আজকে এ কেমন দিন! নতুন পোশাকের গায়ে এত লাল দাগ কেন? লাল জুতো আমাকে কে কিনে দিল? লাচ্ছা-সেমাইয়ের দুধও আজ লাল হয়ে গেল? চারিদিকে এ কেমন গন্ধ!
    মনে হচ্ছে, আমার চারপাশে কেবল ছিন্নবিচ্ছিন্ন লাশ পড়ে আছে, আরে ওই তো একটা বাচ্চা শিশুর মাথা থেতলে পড়ে আছে, কিন্তু তার শরীর কই গেল? কে নিয়ে গেল? নাকি এই শিশুর মা তাকে শরীর ছাড়া-ই জন্ম দিয়েছিল?
    আচ্ছা! ওই হাত-পা গুলো কার? রাস্তার উপরে এই চোখ টা কোথা থেকে আসলো! পোড়া জামার ভিতরের মানুষটা কই গেল? এভাবে সব ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে কেন? একসাথে এত লাশ কিভাবে জড়ো হলো? বাচ্চাগুলো কি দোষ করেছে? আর তাদের মায়েরা-ই বা সন্ত্রাসী কবে হলো?

    কেন এত নিষ্ঠুরতা! কেন এই গণহত্যা?
    কেউ কি নেই! এদের থামাবে?
    কেউ কি নেই, তাদের আপন ভাববে?
    কেউ কি নেই, যে তাদের কষ্টটা অন্তত বুঝবে!


    পশুপ্রেমী জানোয়ারগুলো আজ কোথায়? শান্তি মিশনের নামে অশান্তি সৃষ্টিকারী চাকরগুলো আজ কি করছে? ডলারখোর মুসলিম নামধারি মুরতাদ শাসকদের এ কেমন কপটতা? আর কত ভোগবিলাস? আর কত লাঞ্চনা?
    আসলে এরা সবাই হত্যাকারী, এরা সবাই দুনিয়ার বিনিময়ে আখেরাত বিক্রিকারী। এরাই মূল হোতা, ধরো! এদের ধরো! হে মুসলিম উম্মাহ এদের মার, মারো! এদের মারো, যাকে যেখানে পাও হত্যা করো, যুদ্ধ করো, হামলে পড়ো! আগুন দাও ওদের ঘোষিত বিশ্বব্যবস্থায়, নতুন করে দুনিয়াকে সাজাও, খালিকের আইনে মাখলুক চালাও!

    আমি এত কিছু জানি না, আমি রাজনিতিও বুঝিনা, কিন্তু আমি তো আর সহ্য করতে পারছি না!
    আচ্ছা! আপনারা কেউ কি জাদু জানেন, তাহলে আমাকে মুজাহিদদের মিসাইলের বারূদ বানিয়ে দিন! আমি ইহুদিদের কলিজায় গিয়ে আঘাত হানবো, ওদের জাহান্নামে পৌছে তবেই শান্ত হবো।
    নইলে আমার মুক্তি নাই! আমি আবদ্ধ , আমি ক্ষত-বিক্ষত , আমি আঘাতে জর্জরিত!



    হে আল্লাহ! আপনি আমাদের পরীক্ষা করছেন,কিন্তু আমরা সফল হতে পারছি না! আমাদের জন্য সহজ করে দিন,আর যারা দাঁড়িয়েছে তাদের অটল রাখুন।
    ইয়া আল্লাহ! আমরা গুনাহগার, কিন্তু আপনার সাথে আর কাউকে শরীক করি না।
    হে আল্লাহ! আমাদের নিপীড়িত ভাইয়েরা তো কেবল আপনাকেই মান্য করে, হে আমাদের দয়াময় প্রতিপালক! হে আমাদের রিযিকদাতা! হে আমাদের ভাগ্যনিয়ন্ত্রা! মুসলিম হত্যার এই খেলার মাধ্যমে ওরা মূলত আপনার বিরুদ্ধেই শত্রুতা করে যাচ্ছে , ওরা চাচ্ছে আমরা যেন আপনাকে মান্য না করি, কিন্তু না! আমরা আপনাকে ছাড়া আর কাউকেই মানি না, মানবো না! আপনি ছাড়া আর কারও কাছে নত হবো না! ওদের বিরুদ্ধে আপনাকেই আমরা যথেষ্ট মনে করছি। আপনি আমাদের ক্ষমা করে দিন, আমাদের প্রতি আপনি সন্তুষ্ট হয়ে যান।

    হে দূর্দশাগ্রস্তদের আহ্বানে সাড়া প্রদানকারী! এই গুনাহগারের ফরিয়াদ কবুল করুন।
    আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন!




    বল তো কে নিঃসহায়ের ডাকে সাড়া দেন যখন সে ডাকে এবং কষ্ট দূরীভূত করেন এবং তোমাদেরকে পৃথিবীতে পুর্ববর্তীদের স্থলাভিষিক্ত করেন। সুতরাং আল্লাহর সাথে অন্য কোন উপাস্য আছে কি? তোমরা অতি অল্পই উপদেশ গ্রহণ কর।
    —আন নাম্‌ল - ৬২



  • #2
    পশুপ্রেমী জানোয়ারগুলো আজ কোথায়? শান্তি মিশনের নামে অশান্তি সৃষ্টিকারী চাকরগুলো আজ কি করছে? ডলারখোর মুসলিম নামধারি মুরতাদ শাসকদের এ কেমন কপটতা? আর কত ভোগবিলাস? আর কত লাঞ্চনা?
    আসলে এরা সবাই হত্যাকারী, এরা সবাই দুনিয়ার বিনিময়ে আখেরাত বিক্রিকারী। এরাই মূল হোতা, ধরো! এদের ধরো! হে মুসলিম উম্মাহ এদের মার, মারো! এদের মারো, যাকে যেখানে পাও হত্যা করো, যুদ্ধ করো, হামলে পড়ো! আগুন দাও ওদের ঘোষিত বিশ্বব্যবস্থায়, নতুন করে দুনিয়াকে সাজাও, খালিকের আইনে মাখলুক চালাও!
    ​​
    Last edited by Rakibul Hassan; 4 days ago.
    [ গুরাবা হয়ে লড়তে চাই, গুরাবা হয়েই শাহাদাহ চাই ]

    Comment


    • #3
      আসলে এরা সবাই হত্যাকারী, এরা সবাই দুনিয়ার বিনিময়ে আখেরাত বিক্রিকারী। এরাই মূল হোতা, ধরো! এদের ধরো! হে মুসলিম উম্মাহ এদের মার, মারো! এদের মারো, যাকে যেখানে পাও হত্যা করো, যুদ্ধ করো, হামলে পড়ো! আগুন দাও ওদের ঘোষিত বিশ্বব্যবস্থায়, নতুন করে দুনিয়াকে সাজাও, খালিকের আইনে মাখলুক চালাও!

      Comment


      • #4
        সম্মাণিত ভাইয়েরা, আজ আমরা এমন এক বাস্তবতার মুখোমুখি, যেখানে তথাকথিত মানবাধিকারের নামে কাফির ও মুশরিকরা দ্বিচারিতা চালিয়ে যাচ্ছে। যখন তাদের স্বার্থে লাগে, তখন তারা মানবাধিকারের স্লোগান তোলে, আর যখন মুসলিম উম্মাহর অধিকার লঙ্ঘিত হয়, তখন তারা নিশ্চুপ থাকে। তাদের এই মুখোশ এখন স্পষ্টভাবে উন্মোচিত। তাই তাদের তৈরি করা ন্যারেটিভ আমাদের শুধুই পরিহার করতে হবে এমন না বরং এই নিয়ে আমাদের আর কথা বলার কিছুই নেই। কারণ তারা নিজেদের ভ্রান্ত ন্যারেটিভ নগ্নভাবে প্রকাশ করে বেড়াচ্ছে।

        তবে দুঃখজনক হলো, এখনো কিছু মানুষ তাদের সাথে ওয়ালা' (ঘনিষ্ঠতা, বন্ধুত্ব ও সমর্থন) বজায় রেখে চলে। ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশনা হলো, সত্যের সাথে থাকো, মিথ্যার সঙ্গ ত্যাগ করো। এখনও যারা তাদের পথ অনুসরণ করছে, আমাদের প্রধান ও প্রথম কাজ হল তাদের আমাদের বারা' (বিচ্ছিন্নতা ও বিরোধিতা) প্রকাশ করা।
        কেননা প্রথম কাজ হলো
        فَمَنۡ یَّكۡفُرۡ بِالطَّاغُوۡتِ
        তারপর হলো وَ یُؤۡمِنۡۢ بِاللّٰهِ
        আর তার বিনিময় হলো فَقَدِ اسۡتَمۡسَكَ بِالۡعُرۡوَۃِ الۡوُثۡقٰی ٭ لَا انۡفِصَامَ لَهَا ؕ

        এখন সময় আমাদের নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার। আমরা কারো তৈরি করা ভ্রান্ত ন্যারেটিভ অনুসরণ করব না। আমাদের পথ হবে ন্যায়ের, শক্তির, এবং ইনসাফের—যেখানে মুসলিম উম্মাহর অধিকারই প্রধান!​

        Comment

        Working...
        X