আপনিও যেভাবে মাজলুম উম্মাহর আর্তনাদে এই ঈদে আনন্দ পাবেন।
আপনি এই ঈদে আনন্দে মেতে উঠতে চাইলে ভুলে যান ভারতে সেই ভাইদের কথা যারা মেনে নিয়েছে তার রব এক এবং অদ্বিতীয়, শুধুমাত্র এতটুকু বিশ্বাসে যাদের বেপরোয়া ভাবে শরীর জখম করা হয়েছে। গেরুয়া বাহিনীও এক এক দিন উঠে পরে লেগেছে আপনার আমার বোনকে ধর্ষণ করতে।
আপনি কি এই ঈদে আনন্দ পেতে চাইলে ভুলতে পারবেন কাশ্মীরের আপনার ছোট্ট আসিফা বোনের নীরবতাকে।
আমার ছোট্ট মাত্র আট বছরের এই বোনকে তিনজন হিন্দু মালাউনরা টানা সাত দিন ধরে ধর্ষণ করে। তার রক্তাক্ত দেহ ফেলে রাখে এক নীরব জংগলে।
এদের কথাও যদি না ভুলতে পারেন তাহলে ভুলে যান বোন ফাতেমার কথা। যেই বোন পর্দায় আবৃত থাকাকেই নিজেকে শ্রেষ্ঠ মনে করতেন। কখনো দেখা দিতেন না কোনো পর পুরুষকে। কিন্তু সে কখনোই কল্পনাও করেনি যে সে নরপিশাচ ছোবলে পরবে। নরপিশাচরা তুলে নিয়ে যায় বোন ফাতিমাকে। এর পর আমার বোনের জীবনে নেমে আসে কালো মেঘ। যেই বোনের শরীরে কখনো সূর্যের আলোও ঠিক মত পরতো না সেই বোনকে কারাগারে কখনোই কাপড় দেওয়া হয়নি। প্রতিদিন, হে আমার ভাই প্রতিদিন আপনার আমার এই বোনের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে সেই হায়নারা। বোন তার এক চিঠিতে লিখেছিলেন যে তাকে একদিন নয়বার ধর্ষণ করা হয়। এই কল্পনা করতে পারছেন।
আমরা চাইলেও এই ঈদকে পারি না আনন্দ উল্লাসে কাটাতে।
কিভাবে আমরা আমাদের ভাই বোনদের এই দৃশ্য দেখার পরও এই ঈদে আনন্দ উল্লাসে কাটাতে পারি।
আপনি এই ঈদে কিভাবে আনন্দে কাটাতেন যদি আপনার বোনকে আফিয়া সিদ্দিকীর মত প্রতিনিয়ত ধর্ষণ করা হত?
আপনি পারতেন আনন্দে কাটাতে, যদি আপনার ভাই কারাগারে কুফফারদের হাতে নির্যাতিত হত।
আপনি ঈদ কিভাবে কাটাতেন যদি আপনার সামনে আপনার পিতা মাতাকে হত্যা করা হত।
অথবা কেমন লাগবে যদি আপনার সামনে আপনার ছোট্ট আদরের সন্তানের ছিন্ন ভিন্ন দেহের লাশ নিজের কোলে রাখতেন।
আল্লাহ আমাদের মাফ করুন। আল্লাহ আমাদের ঠিক সেভাবেই এই উম্মাহকে নিয়ে চিন্তা-ফিকির করার তৌফিক দান করুক যেভাবে চিন্তা-ফিকির করেছেন হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তার সাহাবারা। আমীন
আপনি এই ঈদে আনন্দে মেতে উঠতে চাইলে ভুলে যান ভারতে সেই ভাইদের কথা যারা মেনে নিয়েছে তার রব এক এবং অদ্বিতীয়, শুধুমাত্র এতটুকু বিশ্বাসে যাদের বেপরোয়া ভাবে শরীর জখম করা হয়েছে। গেরুয়া বাহিনীও এক এক দিন উঠে পরে লেগেছে আপনার আমার বোনকে ধর্ষণ করতে।
আপনি কি এই ঈদে আনন্দ পেতে চাইলে ভুলতে পারবেন কাশ্মীরের আপনার ছোট্ট আসিফা বোনের নীরবতাকে।
আমার ছোট্ট মাত্র আট বছরের এই বোনকে তিনজন হিন্দু মালাউনরা টানা সাত দিন ধরে ধর্ষণ করে। তার রক্তাক্ত দেহ ফেলে রাখে এক নীরব জংগলে।
এদের কথাও যদি না ভুলতে পারেন তাহলে ভুলে যান বোন ফাতেমার কথা। যেই বোন পর্দায় আবৃত থাকাকেই নিজেকে শ্রেষ্ঠ মনে করতেন। কখনো দেখা দিতেন না কোনো পর পুরুষকে। কিন্তু সে কখনোই কল্পনাও করেনি যে সে নরপিশাচ ছোবলে পরবে। নরপিশাচরা তুলে নিয়ে যায় বোন ফাতিমাকে। এর পর আমার বোনের জীবনে নেমে আসে কালো মেঘ। যেই বোনের শরীরে কখনো সূর্যের আলোও ঠিক মত পরতো না সেই বোনকে কারাগারে কখনোই কাপড় দেওয়া হয়নি। প্রতিদিন, হে আমার ভাই প্রতিদিন আপনার আমার এই বোনের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে সেই হায়নারা। বোন তার এক চিঠিতে লিখেছিলেন যে তাকে একদিন নয়বার ধর্ষণ করা হয়। এই কল্পনা করতে পারছেন।
আমরা চাইলেও এই ঈদকে পারি না আনন্দ উল্লাসে কাটাতে।
কিভাবে আমরা আমাদের ভাই বোনদের এই দৃশ্য দেখার পরও এই ঈদে আনন্দ উল্লাসে কাটাতে পারি।
আপনি এই ঈদে কিভাবে আনন্দে কাটাতেন যদি আপনার বোনকে আফিয়া সিদ্দিকীর মত প্রতিনিয়ত ধর্ষণ করা হত?
আপনি পারতেন আনন্দে কাটাতে, যদি আপনার ভাই কারাগারে কুফফারদের হাতে নির্যাতিত হত।
আপনি ঈদ কিভাবে কাটাতেন যদি আপনার সামনে আপনার পিতা মাতাকে হত্যা করা হত।
অথবা কেমন লাগবে যদি আপনার সামনে আপনার ছোট্ট আদরের সন্তানের ছিন্ন ভিন্ন দেহের লাশ নিজের কোলে রাখতেন।
আল্লাহ আমাদের মাফ করুন। আল্লাহ আমাদের ঠিক সেভাবেই এই উম্মাহকে নিয়ে চিন্তা-ফিকির করার তৌফিক দান করুক যেভাবে চিন্তা-ফিকির করেছেন হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তার সাহাবারা। আমীন
Comment