কবে হুশ ফিরবে মুসলিম বিশ্বের?
একটা নিউজে দেখলাম "ফ্রান্সে ১৫ বছরের নিচে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধের উদ্যোগ
ফ্রান্স সরকার ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা এবং হাই স্কুলে মোবাইল ফোন ব্যবহার বন্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি বিল আগামী জানুয়ারিতে সংসদে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য উপস্থাপন করা হবে।
প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, আইনটি পাস হলে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে।
এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য হলো, শিশু ও কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অতিরিক্ত স্মার্টফোন ব্যবহারের নেতিবাচক প্রভাব কমানো।
সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, অল্প বয়সে অতিরিক্ত অনলাইন উপস্থিতি মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও মনোযোগে ঘাটতির ঝুঁকি বাড়ায়—এমন উদ্বেগ থেকেই এই কঠোর পদক্ষেপের চিন্তা করা হচ্ছে।
আইনটি কার্যকর হলে স্কুল পরিবেশে পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়বে এবং শিক্ষার্থীদের সামাজিক ও মানসিক বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে সরকার আশা করছে।
সোর্স: Anadolu Agency
[mh]
কিন্তু পক্ষান্তরে আমাদের মুসলিম বিশ্বের অবস্থা কি?
তারা নিজেরা এতো সচেতনতার সাথে নিজেদের যুবকদের মেধা বিকাশের ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। গবেষনার জন্য উত্তম ও শান্ত পরিবেশের ব্যবস্থা করছে। কিন্তু মুসলিম রাষ্ট্রগুলোতে যত অনর্থক সব গেইম, বিনোদন প্রোমট করে ছড়িয়ে দিয়ে উচু নিচু সব রকমের মানুষের মানসিকতাকে কন্ট্রোল করছে।
মুসলিম যুবকদের বিভিন্নভাবে ব্যস্ত রাখছে। যাতে তারা একাগ্রতার সাথে পড়াশোনায় মনোযোগ না দিতে পারে। অথচ পরাশক্তিধর অনেক রাষ্ট্রে যেমন আমেরিকায় টিকটক লাইকির মত বিনোদন ওয়েব, চীনে ফ্রী ফায়ারের মত অনর্থক গেইম তারা নিষিদ্ধ করে রেখেছে।
ইরানের সাম্প্রতিক আন্দোলন এর উপর একটা সুন্দর উদাহরন হতে পারে। মুসলিম বিশ্বের একটা আলাদা বৈশিষ্ট ও জ্ঞান গবেষনায় সমৃদ্ধ ছিল ইরান(যদিও শিয়া,সেটা ভিন্ন কথা) কিন্তু পরমানু নিয়ে যখনই তারা সাফল্যের নিকটে পৌছে গিয়েছে ঠিক তখনই ইরানে শুরু হলো সরকার বিরোধী আন্দোলন। খবরে দেখা যাচ্ছে যেই বিক্ষোভে অংশগ্রহন করছে বিভিন্ন টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির ছাত্ররা। বাংলাদেশের মত একদীর্ঘমেয়াদী খোকলা শিক্ষাব্যবস্থার দিকে অলরেডি ঝুকে দিয়েছে তাদের। কিন্তু ইউরোপ,আমেরিকার মত উন্নত রাষ্ট্রে রাজনৈতিক বিষয়ে ছাত্র বিক্ষোভ কখনো নজরে পড়ে না। তারা রত থাকে জ্ঞান গবেষনায়। আরা মুসলিমরা লিপ্ত থাকে বিক্ষুদ্ধ জনতায়। এই ধাধা থেকে আমাদেরই বের হতে হবে ভাইগন।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সঠিক বুঝ দান করুন। আমিন।
একটা নিউজে দেখলাম "ফ্রান্সে ১৫ বছরের নিচে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধের উদ্যোগ
ফ্রান্স সরকার ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা এবং হাই স্কুলে মোবাইল ফোন ব্যবহার বন্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি বিল আগামী জানুয়ারিতে সংসদে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য উপস্থাপন করা হবে।
প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, আইনটি পাস হলে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে।
এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য হলো, শিশু ও কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অতিরিক্ত স্মার্টফোন ব্যবহারের নেতিবাচক প্রভাব কমানো।
সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, অল্প বয়সে অতিরিক্ত অনলাইন উপস্থিতি মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও মনোযোগে ঘাটতির ঝুঁকি বাড়ায়—এমন উদ্বেগ থেকেই এই কঠোর পদক্ষেপের চিন্তা করা হচ্ছে।
আইনটি কার্যকর হলে স্কুল পরিবেশে পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়বে এবং শিক্ষার্থীদের সামাজিক ও মানসিক বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে সরকার আশা করছে।
সোর্স: Anadolu Agency
[mh]
কিন্তু পক্ষান্তরে আমাদের মুসলিম বিশ্বের অবস্থা কি?
তারা নিজেরা এতো সচেতনতার সাথে নিজেদের যুবকদের মেধা বিকাশের ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। গবেষনার জন্য উত্তম ও শান্ত পরিবেশের ব্যবস্থা করছে। কিন্তু মুসলিম রাষ্ট্রগুলোতে যত অনর্থক সব গেইম, বিনোদন প্রোমট করে ছড়িয়ে দিয়ে উচু নিচু সব রকমের মানুষের মানসিকতাকে কন্ট্রোল করছে।
মুসলিম যুবকদের বিভিন্নভাবে ব্যস্ত রাখছে। যাতে তারা একাগ্রতার সাথে পড়াশোনায় মনোযোগ না দিতে পারে। অথচ পরাশক্তিধর অনেক রাষ্ট্রে যেমন আমেরিকায় টিকটক লাইকির মত বিনোদন ওয়েব, চীনে ফ্রী ফায়ারের মত অনর্থক গেইম তারা নিষিদ্ধ করে রেখেছে।
ইরানের সাম্প্রতিক আন্দোলন এর উপর একটা সুন্দর উদাহরন হতে পারে। মুসলিম বিশ্বের একটা আলাদা বৈশিষ্ট ও জ্ঞান গবেষনায় সমৃদ্ধ ছিল ইরান(যদিও শিয়া,সেটা ভিন্ন কথা) কিন্তু পরমানু নিয়ে যখনই তারা সাফল্যের নিকটে পৌছে গিয়েছে ঠিক তখনই ইরানে শুরু হলো সরকার বিরোধী আন্দোলন। খবরে দেখা যাচ্ছে যেই বিক্ষোভে অংশগ্রহন করছে বিভিন্ন টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির ছাত্ররা। বাংলাদেশের মত একদীর্ঘমেয়াদী খোকলা শিক্ষাব্যবস্থার দিকে অলরেডি ঝুকে দিয়েছে তাদের। কিন্তু ইউরোপ,আমেরিকার মত উন্নত রাষ্ট্রে রাজনৈতিক বিষয়ে ছাত্র বিক্ষোভ কখনো নজরে পড়ে না। তারা রত থাকে জ্ঞান গবেষনায়। আরা মুসলিমরা লিপ্ত থাকে বিক্ষুদ্ধ জনতায়। এই ধাধা থেকে আমাদেরই বের হতে হবে ভাইগন।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সঠিক বুঝ দান করুন। আমিন।
Comment