সেমালিল্যান্ড ইস্যু ও ব্যক্তিগত বিশ্লেষন,
ইসরায়েল কর্তৃক সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেওয়ায় বিশ্ব পাড়ায় তুমুল ঝড় বয়ে যাচ্ছে। সোমালিল্যান্ডকে এতো বছর কোন দেশ স্বীকৃতি দিলনা, কিন্তু হটাৎ ইসরায়েল কেন স্বীকৃতি দিল? অবশ্যই এটা একটা বিতর্কিত বিষয়।
কারন সবাই ধারণা করছে ইসরায়েল গাজাকে ফিলিস্থিনিমুক্ত করতে গাজাবাসীদের সোমালিল্যান্ডে স্থানান্তরের নীলনকশা তৈরী করছে।
কিন্তু আমি বিষয়টিকে দেখছি ভিন্নদৃষ্টিতে, কারণ প্রথমত, বিশ্বে এমন স্বঘোষিত অনেক স্বাধীন রাষ্ট্র থাকতে সোমালিল্যান্ডকেই ইসরায়েল কেন স্বীকৃতি দিল?
দ্বিতীয়ত, বিশ্বের উন্নত ও ফার্স্টক্লাস রাষ্ট্র থাকতে সোমালিল্যান্ডের মত এক থার্ডক্লাস রাষ্ট্রের সাথে এতো গভীর সম্পর্ক গড়ায় তাদের কি স্বার্থ রয়েছে?
উত্তরটা পড়ার আগে আফ্রিকা মহাদেশের ম্যাপটা খুলে দেখতে হবে আপনাকে। ভৌগোলিক দিক থেকে সোমালিল্যান্ড এমন এক পয়েন্টে অবস্থিত যেখান থেকে তারা কয়েকটি বিষয়কে একসাথে ট্রায়াল দিতে পারবে।
১। এডেন উপসাগরের উপকূলে অবস্থিত এই সোমালিল্যান্ডের বারবেরা বন্দর ( যা বিশ্ব বানিজ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ রুট) নিজেদের আয়ত্তে নিয়ে মধ্যপ্রাচ্য সহ ইউরোপের বিশাল এক বানিজ্য ব্যবস্থা কন্ট্রোল করতে পারবে। আর এটা হতে পারে তাদের কেবল একটা সাগরে আধিপত্য বিস্তার। এরপর ধীরে ধীরে তারা আরও বিভিন্ন সাগরের দিকে অগ্রসর হবে। কারন রাষ্ট্রবিজ্ঞানের এক প্রসিদ্ধ নীতি হলো সমুদ্র যার পৃথিবী তার। আমেরিকাও প্রথমে ধীরে ধীরে সারাবিশ্বের সমুদ্র গুলোই নিয়ন্ত্রনে নিয়েছে। এজন্যই আজ সব রাষ্ট্রে সে কর্তৃত্ব চালাতে পারে।
২। সোমালিল্যান্ড মূলত সোমালিয়ারই একটা স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্র যা ১৯৯১ সাল থেকে নিজেদের স্বাধীন বলে ঘোষনা করে আসছে। সেক্ষেত্রে সোমালিয়ায় সারাবিশ্বের মধ্যে আল-কায়েদার সবচেয়ে মজবুত ঘাটি এটাকে দুর্বল করার অপপ্রয়াস চালাবে। (এটা নিশ্চিত) আর এজন্য তাকে ইথিওপিয়া সহ পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রগুলো পূর্ণ শক্তি ও সমর্থন দিয়ে সাথে দাড়াবে। অন্যদিকে এডেন উপসাগর থেকে হুতিযোদ্ধাদের আধিপত্যকে হ্রাস করার পূর্ণ প্রচেষ্টা চালাবে। একসময় শয়তানগুলো সফলও হতে পারে।
৩। সোমালিল্যান্ডকে তারা এজন্য টার্গেট করতে পারে যে, এটা এমন এক স্থানে অবস্থিত যেখানে ঘাটি স্থাপন করে আফ্রিকা মহাদেশ সহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যে তারা আক্ষরিক আধিপত্য বিস্তার করবে।
কারন সুদানে ইউএই কর্তৃক গনহত্যাকে অনেক আলেম ইসরায়েলের জায়নবাদী আগ্রাসন হিসেবে অভিহিত করেছেন। কথাটাকে একেবারে উড়িয়ে দেয়া যায় না। কারন সুদানের বিগলিত স্বর্ণের বিশাল ক্ষনি ও অনন্য ধাতব সম্পদের ক্ষনিগুলো নিয়ন্ত্রন করলে তারা বিশ্বে কি পরিমান অর্থবিত্ত হয়ে আবির্ভাব হবে তা আন্দাজ করতেই গা শিউরে উঠে। আর সোমালিল্যান্ড সীমান্ত থেকে সুদানের দিকে তারা পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারে।
মোটকথা সারাবিশ্বে তাদের আধিপত্য বিস্তারের ধাপগুলো এক এক করে তারা অতিক্রম করেই চলছে।
আর তাদের এতোকিছু করার উদ্দেশ্যতো আমাদের সকলেরই জানা। সারাবিশ্বে জায়নবাদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। যা তারা কোনদিনও সফল করতে পারবেনা ইনশাআল্লাহ।
ওহে ইহুদীজাতি! সেইদিন বেশিদূরে নয়, যেদিন গাছ-পালা, তৃণলতা, পাহাড়-পর্বত, খাল-বিল, সাগর-নদী কেহই তোদের সুরক্ষা দিবেনা। কেহই তোদের আশ্রয় দিবেনা। নিপীড়িত এই মুসলিম সম্প্রদায়ই তোদের বের করে করে হত্যা করবে। তোদের হত্যা করে করে হৃদয়ের প্রজ্জ্বলিত উত্তপ্তদাহ্যকে শীতল করবে ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহ তায়ালা এই জায়নবাদীদের থেকে বিশ্বকে রক্ষা করুন।
ইসরায়েল কর্তৃক সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেওয়ায় বিশ্ব পাড়ায় তুমুল ঝড় বয়ে যাচ্ছে। সোমালিল্যান্ডকে এতো বছর কোন দেশ স্বীকৃতি দিলনা, কিন্তু হটাৎ ইসরায়েল কেন স্বীকৃতি দিল? অবশ্যই এটা একটা বিতর্কিত বিষয়।
কারন সবাই ধারণা করছে ইসরায়েল গাজাকে ফিলিস্থিনিমুক্ত করতে গাজাবাসীদের সোমালিল্যান্ডে স্থানান্তরের নীলনকশা তৈরী করছে।
কিন্তু আমি বিষয়টিকে দেখছি ভিন্নদৃষ্টিতে, কারণ প্রথমত, বিশ্বে এমন স্বঘোষিত অনেক স্বাধীন রাষ্ট্র থাকতে সোমালিল্যান্ডকেই ইসরায়েল কেন স্বীকৃতি দিল?
দ্বিতীয়ত, বিশ্বের উন্নত ও ফার্স্টক্লাস রাষ্ট্র থাকতে সোমালিল্যান্ডের মত এক থার্ডক্লাস রাষ্ট্রের সাথে এতো গভীর সম্পর্ক গড়ায় তাদের কি স্বার্থ রয়েছে?
উত্তরটা পড়ার আগে আফ্রিকা মহাদেশের ম্যাপটা খুলে দেখতে হবে আপনাকে। ভৌগোলিক দিক থেকে সোমালিল্যান্ড এমন এক পয়েন্টে অবস্থিত যেখান থেকে তারা কয়েকটি বিষয়কে একসাথে ট্রায়াল দিতে পারবে।
১। এডেন উপসাগরের উপকূলে অবস্থিত এই সোমালিল্যান্ডের বারবেরা বন্দর ( যা বিশ্ব বানিজ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ রুট) নিজেদের আয়ত্তে নিয়ে মধ্যপ্রাচ্য সহ ইউরোপের বিশাল এক বানিজ্য ব্যবস্থা কন্ট্রোল করতে পারবে। আর এটা হতে পারে তাদের কেবল একটা সাগরে আধিপত্য বিস্তার। এরপর ধীরে ধীরে তারা আরও বিভিন্ন সাগরের দিকে অগ্রসর হবে। কারন রাষ্ট্রবিজ্ঞানের এক প্রসিদ্ধ নীতি হলো সমুদ্র যার পৃথিবী তার। আমেরিকাও প্রথমে ধীরে ধীরে সারাবিশ্বের সমুদ্র গুলোই নিয়ন্ত্রনে নিয়েছে। এজন্যই আজ সব রাষ্ট্রে সে কর্তৃত্ব চালাতে পারে।
২। সোমালিল্যান্ড মূলত সোমালিয়ারই একটা স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্র যা ১৯৯১ সাল থেকে নিজেদের স্বাধীন বলে ঘোষনা করে আসছে। সেক্ষেত্রে সোমালিয়ায় সারাবিশ্বের মধ্যে আল-কায়েদার সবচেয়ে মজবুত ঘাটি এটাকে দুর্বল করার অপপ্রয়াস চালাবে। (এটা নিশ্চিত) আর এজন্য তাকে ইথিওপিয়া সহ পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রগুলো পূর্ণ শক্তি ও সমর্থন দিয়ে সাথে দাড়াবে। অন্যদিকে এডেন উপসাগর থেকে হুতিযোদ্ধাদের আধিপত্যকে হ্রাস করার পূর্ণ প্রচেষ্টা চালাবে। একসময় শয়তানগুলো সফলও হতে পারে।
৩। সোমালিল্যান্ডকে তারা এজন্য টার্গেট করতে পারে যে, এটা এমন এক স্থানে অবস্থিত যেখানে ঘাটি স্থাপন করে আফ্রিকা মহাদেশ সহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যে তারা আক্ষরিক আধিপত্য বিস্তার করবে।
কারন সুদানে ইউএই কর্তৃক গনহত্যাকে অনেক আলেম ইসরায়েলের জায়নবাদী আগ্রাসন হিসেবে অভিহিত করেছেন। কথাটাকে একেবারে উড়িয়ে দেয়া যায় না। কারন সুদানের বিগলিত স্বর্ণের বিশাল ক্ষনি ও অনন্য ধাতব সম্পদের ক্ষনিগুলো নিয়ন্ত্রন করলে তারা বিশ্বে কি পরিমান অর্থবিত্ত হয়ে আবির্ভাব হবে তা আন্দাজ করতেই গা শিউরে উঠে। আর সোমালিল্যান্ড সীমান্ত থেকে সুদানের দিকে তারা পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারে।
মোটকথা সারাবিশ্বে তাদের আধিপত্য বিস্তারের ধাপগুলো এক এক করে তারা অতিক্রম করেই চলছে।
আর তাদের এতোকিছু করার উদ্দেশ্যতো আমাদের সকলেরই জানা। সারাবিশ্বে জায়নবাদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। যা তারা কোনদিনও সফল করতে পারবেনা ইনশাআল্লাহ।
ওহে ইহুদীজাতি! সেইদিন বেশিদূরে নয়, যেদিন গাছ-পালা, তৃণলতা, পাহাড়-পর্বত, খাল-বিল, সাগর-নদী কেহই তোদের সুরক্ষা দিবেনা। কেহই তোদের আশ্রয় দিবেনা। নিপীড়িত এই মুসলিম সম্প্রদায়ই তোদের বের করে করে হত্যা করবে। তোদের হত্যা করে করে হৃদয়ের প্রজ্জ্বলিত উত্তপ্তদাহ্যকে শীতল করবে ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহ তায়ালা এই জায়নবাদীদের থেকে বিশ্বকে রক্ষা করুন।
Comment