Announcement

Collapse
No announcement yet.

"অনলাইন ও অফলাইন, উভয় ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠী ও ব্যক্তিদের ওপর নজরদারি রাখা হচ্ছে"—Anti-Terrorism Unit (ATU) এর প্রধান মো. রেজাউল করিম

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • "অনলাইন ও অফলাইন, উভয় ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠী ও ব্যক্তিদের ওপর নজরদারি রাখা হচ্ছে"—Anti-Terrorism Unit (ATU) এর প্রধান মো. রেজাউল করিম

    "অনলাইন ও অফলাইন, উভয় ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠী ও ব্যক্তিদের ওপর নজরদারি রাখা হচ্ছে"—Anti-Terrorism Unit (ATU) এর প্রধান মো. রেজাউল করিম
    ...
    ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ — ইংরেজি পত্রিকা 'ডেইলি টাইমস অফ বাংলাদেশ' (Daily Times of Bangladesh) এর প্রথম ​পাতার সবচেয়ে আকর্ষণীয় এবং বড় অংশে স্থান পেয়েছে "Democracy Under Silent Siege" শিরোনামের বিশেষ একটি প্রতিবেদন; যেখানে একদিকে এদেশের ধর্মপ্রাণ জনগোষ্ঠীর আবেগ ও সাহসিকতার প্রতিফলন ঘটেছে, অন্যদিকে প্রচলিত শাসনব্যবস্থার ধারকদের মধ্যে গভীর উদ্বেগের ছাপ স্পষ্ট হয়ে ফুটে উঠেছে।

    উক্ত প্রতিবেদনটির রচয়িতা হলেন সাংবাদিক এম আবুল কালাম আজাদ। উল্লেখ্য, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে 'ডেইলি টাইমস অফ বাংলাদেশ' (Daily Times of Bangladesh) কর্তৃপক্ষ এদেশের সাধারণ জনগণের আকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে এক স্পষ্ট অবস্থান ঘোষণা করে। ঐদিন দেশের স্বার্থবিরোধী হিসেবে পরিচিত দুই গণমাধ্যম— 'দৈনিক প্রথম আলো' এবং 'দ্য ডেইলি স্টার' এর ওপর হামলার প্রতিবাদ ও সহমর্মিতা জানাতে পত্রিকাটির প্রথম পাতার ওপরের অর্ধাংশ সম্পূর্ণ শূন্য রাখা হয়। আমি ভুল না করলে, 'ডেইলি টাইমস অফ বাংলাদেশ' (Daily Times of Bangladesh) পত্রিকার প্রথম পাতার উক্ত ছবি সেদিন নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শেয়ার করে এম আবুল কালাম আজাদ লিখেছিলেন—​“In protest against the attacks on two major media outlets in Bangladesh. Thursday night will be marked as the black night for journalism.” আশা করি উক্ত প্রতিবেদনের লেখক এবং উক্ত পত্রিকার কর্তৃপক্ষের আকিদা এবং মানহাজ সম্পর্কে একটা ধারণা পেয়েছেন; এবার আসুন ঐ প্রতিবেদনটির ("Democracy Under Silent Siege") বিস্তারিত একটু বোঝার চেষ্টা করি।

    লেখক আলাপ শুরুই করেছেন কুফর বিত ত্বগুত ও ঈমান বিল্লাহকে উগ্রবাদী বৈশিষ্ট্য হিসেবে চিত্রিত করার মধ্য দিয়ে। অতপর এই বৈশিষ্ট্যকে ধারণকারী এদেশের কিছু ব্যাক্তি এবং সংগঠন সমূহকে গণতন্ত্রের জন্য হুমকি হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন এবং সেসকল ব্যাক্তি এবং সংগঠন সমূহকে উক্ত প্রতিবেদনের লেখক AQIS (Al-Qaeda in Indian Subcontinent) এর সাথে সম্পর্কযুক্ত করার চেষ্টা করছেন; কেননা কাউকে হত্যাযোগ্য করে তোলা এবং এর বৈধতা অর্জনের সব থেকে সহজ এবং পরীক্ষিত উপায় হলো এটা। এই সম্পর্কযুক্ত করাটাকে যৌক্তিক হিসেবে উপস্থাপন করার জন্যই লেখক প্রথমে কুফর বিত ত্বগুত এবং ঈমান বিল্লাহর বৈশিষ্ট্যকে উগ্রবাদী বৈশিষ্ট্য হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন; কেননা, এদেশের কিছু ব্যাক্তি, সংগঠন এবং AQIS (Al-Qaeda in Indian Subcontinent) এর মাঝে প্রকাশ্য একমাত্র সাদৃশ্য হলো উপরোক্ত বৈশিষ্ট্যসমূহ।

    বৈশ্বিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান SecDev এর এক রিপোর্টের বরাতে লেখক দাবী করেন AQIS (Al-Qaeda in Indian Subcontinent) এবং এর সমর্থকেরা বর্তমানে প্রায় ১২৪৫ সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট নিয়ন্ত্রণ করে; যার গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৩০ মিলিয়ন এবং ঐ রিপোর্টে আরও বলা হয়—"বাংলাদেশকে লক্ষ্য করে AQIS (Al-Qaeda in Indian Subcontinent) তাদের কৌশলগত রূপরেখা মৌলিকভাবে পুনর্গঠন করেছে। সশস্ত্র হামলার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে তারা এখন আরও দীর্ঘস্থায়ী একটি পথে অগ্রসর হয়েছে—তা হলো আদর্শিক দখল (Ideological Capture)। এই কৌশলের মূল লক্ষ্য রাষ্ট্রকে সরাসরি উৎখাত করা নয়; বরং ভেতর থেকে ধীরে ধীরে রাষ্ট্রীয় কাঠামোকে দুর্বল ও ফাঁপা করে দেওয়া।"

    এ পর্যায়ে আমি উক্ত প্রতিবেদনের লেখক এম আবুল কালাম আজাদ এর কাছে একটা প্রশ্ন রাখতে চায়—গত বছর যখন জনরোষের কবলে পড়ল 'দৈনিক প্রথম আলো' এবং 'দ্য ডেইলি স্টার' তখন লিবারেল ঘরানার অনেকে বলতে লাগল কলমের জবাব কলম দিয়ে দিতে হবে, ভালো কথা। এখন AQIS (Al-Qaeda in Indian Subcontinent) এর কলমের জবাব কী আপনারা কলম দিয়ে দিবেন?

    না, তারা কখনোই কলমের জবাব কলম দিয়ে দিবে না। “Democracy Under Silent Siege” শিরোনামের প্রতিবেদনের মধ্যভাগে লেখক এম আবুল কালাম আজাদ Anti-Terrorism Unit (ATU) এর প্রধান মো. রেজাউল করিমের একটি মন্তব্য তুলে ধরেন। সেখানে তিনি (রেজাউল করিম) বলেন, ‘আমরা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত।’ পাশাপাশি তিনি (রেজাউল করিম) জানান, অনলাইন ও অফলাইন—উভয় ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠী ও ব্যক্তিদের ওপর নজরদারি রাখা হচ্ছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে কোনো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি। অর্থাৎ, ইতোমধ্যেই তারা প্রশাসনকে উস্কানি দেওয়া শুরু করে দিয়েছে; আর এটা হওয়ারই ছিলো।

    অতপর লেখক এম আবুল কালাম আজাদ নিজেদের (লিবারেল মহলের) একটু আত্মসমালোচনা করে বলেছেন—"AQIS (Al-Qaeda in Indian Subcontinent) এর সাফল্য বাংলাদেশের নিজস্ব প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার উপর ভিত্তি করে তৈরি। বছরের পর বছর নথিভুক্ত বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, জোরপূর্বক গুম এবং নির্যাতনের ঘটনায় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি জনআস্থা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়েছে।"

    এছাড়া বিভিন্ন বিশ্লেষকের মতামত উল্লেখ করে এম আবুল কালাম আজাদ বলেন, সন্ত্রাসবাদ কার্যকরভাবে মোকাবিলা করতে হলে ভবিষ্যতের যে কোনো বাংলাদেশি সরকারের জন্য গভীরভাবে নিরাপত্তা খাত সংস্কার অপরিহার্য হবে। এর পাশাপাশি মানবাধিকারকে কঠোরভাবে সম্মান করা জরুরি—পর্যাপ্ত প্রমাণ ছাড়া গ্রেপ্তার বন্ধ করা, ন্যায্য বিচার নিশ্চিত করা এবং র‍্যাবের মতো নির্যাতনকারী ইউনিটগুলো বিলুপ্ত করা।

    এই আলাপটা আমার কাছে খুব মজাদার লেগেছে, যে তারা নিরাপত্তা খাতের সংস্কার চাচ্ছে। মূলত এটা তারা জনগণকে ধোকা দেওয়ার জন্য বলছে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি জনআস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য বলছে।

    মনে করেন, একজন পঞ্চাশ বছর বয়সী পুরুষ এবং একজন বিশ বছর বয়সী পুরুষের মধ্যে একটি কথোপকথন হলো। পঞ্চাশ বছর বয়সী মানুষটি দীর্ঘদিন ধরে ঋণে জর্জরিত। জীবনের নানা দায়িত্ব, পারিবারিক চাপ, আর্থিক সংকট ও সীমিত সুযোগের কারণে তিনি এমন এক অবস্থায় পৌঁছেছেন, যেখানে দেওয়ালে তার পিঠ ঠেকে গেছে। ঠিক এই সময়ে বিশ বছর বয়সী এক তরুণ তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এসে প্রশ্ন করল—আপনি এত ঋণী কেন? এত অভাবী কেন? অর্থ উপার্জনের তো অনেক উপায় আছে। আপনি কি সত্যিই চেষ্টা করে দেখেছেন? চেষ্টা করলে হয়তো আজ আপনার এই অবস্থা হতো না।

    এই কথা বলেই তরুণটি চলে গেল। এখন প্রশ্ন হচ্ছে—এই বিশ বছর বয়সী তরুণ কি সত্যিই সঠিক কথা বলেছে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে আমাদের সময়, বাস্তবতা এবং প্রজন্মগত পার্থক্যের দিকে তাকাতে হবে। ধরা যাক, এই কথোপকথনটি ঘটেছে ২০২৫ সালে। কিন্তু ২০২৫ সাল কি এই দুইজন মানুষের জন্য একই অর্থ বহন করে? না করে না।

    পঞ্চাশ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় ছিল প্রায় ১৯৯৫ সাল—যখন তিনি বিশ বছর বয়সী ছিলেন। তখনকার সমাজে শিক্ষা, চাকরি, প্রযুক্তি, তথ্যপ্রাপ্তি কিংবা অর্থ উপার্জনের সুযোগ আজকের মতো ছিল না। সে সময় একজন মানুষ যে সিদ্ধান্তগুলো নিয়েছেন, সেগুলো নিয়েছেন সেই সময়ের বাস্তবতার ভেতর থেকেই।

    অন্যদিকে, বিশ বছর বয়সী তরুণটির কাছে ২০২৫ সাল মানেই একেবারে ভিন্ন এক পৃথিবী—ডিজিটাল প্রযুক্তি, ইন্টারনেটভিত্তিক কাজ, ফ্রিল্যান্সিং, উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ, দ্রুত তথ্যপ্রাপ্তি ইত্যাদি। তার সামনে যে সুযোগগুলো খোলা, সেগুলোর অনেকটাই পঞ্চাশ বছর বয়সী মানুষটির যৌবনে কল্পনাও করা যায়নি। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—আজ পঞ্চাশ বছর বয়সী ওই মানুষটি যে ২০২৫ সালে দাঁড়িয়ে আছেন, সেটাই বিশ বছর বয়সী তরুণটির জীবনে বাস্তবে আসবে ২০৫৫ সালে। তখন সমাজ, অর্থনীতি ও সুযোগের কাঠামো আবারও সম্পূর্ণ বদলে যেতে পারে। তখন হয়তো তাকেও নতুন প্রজন্মের কাছে একই ধরনের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে।

    এই যে কারো কাছে যেটা ভবিষ্যত, সেটাই অন্য কারো কাছে অতীত, এই বুঝটা এবং এর আলোকে বাস্তবতা থেকে শিক্ষা নিলে পরিপক্বতার মাত্রা অনেকটাই বাড়বে ইনশাআল্লাহ।

    ইসলামের পুনর্জাগরণ থামানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশের থেকে পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা বেশি, বাংলাদেশের কাছে যেটা ভবিষ্যত পাকিস্তানের কাছে সেটা অতীত। পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা এদেশের থেকে উন্নত, পাকিস্তানের অস্ত্রশস্ত্র এদেশের থেকে বেশি, পাকিস্তানের নীতিনির্ধারকেরা এদেশের নীতিনির্ধারকদের থেকে বেশি অভিজ্ঞ—এত কিছুর পরও পাকিস্তানে কী নিরাপত্তা খাতের সংস্কার হয়েছে? না হয়নি। এত কিছুর পরও কী পাকিস্তানে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, জোরপূর্বক গুম এবং নির্যাতন কমেছে? না কমেনি। তাই এদেশের লিবারেলরা যতই সুন্দর সুন্দর কথা বলুক না কেন, তাদের কথা বাস্তবতার সামনে খুবই ঠুনকো; এই বিষয়ে আমাদেরও সচেতন হতে হবে, সাধারণ জনগণকেও সচেতন করতে হবে।

    আরও বেশ কিছু বিষয় সম্পর্কে ঐ প্রতিবেদনে আলোচনা করা হয়েছে, আপনারা বিস্তারিত পড়ে দেখতে পারেন, শিরোনাম লিখে সার্চ দিলেই পেয়ে যাবেন।

    উক্ত প্রতিবেদনটা পড়ে আমার কাছে যা মনে হয়েছে, তা হলো—বাংলাদেশের লিবারেলরা চাইবে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতি জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে এবং এই কাজে তাদেরকে সব থেকে শক্তিশালীভাবে সাহায্য করার যোগ্যতা রাখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সামনের নির্বাচনে যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে তাহলে এদেশের ইসলামপন্থী মহলের দাওয়াতের তীব্রতা এবং গ্রহণযোগ্যতা প্রচন্ডরকমভাবে বাড়বে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সমূহের প্রতি জনগণের আস্থা চক্রবৃদ্ধি হারে কমতে থাকবে, ইনশাআল্লাহ। বিপরীতে জামায়াত ক্ষমতায় আসলে, তাদের নেতাদের সততার কারণে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতি জনগণের আস্থা ফিরবে, যা গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে এবং তারা ইসলামকে লিবারেলিজমের থেকেও বেশি লিবারেল প্রমাণ করার চেষ্টা করবে যা ইসলামপন্থী মহলের দাওয়াতের সামনে বাধার সৃষ্টি করবে।

    আর তাই আমাদেরও একটা লক্ষ্য থাকতে হবে, তাদের এই শাক দিয়ে মাছ ঢাকার প্রচেষ্টাকে ব্যার্থ করে দেওয়া এবং এই ক্ষেত্রে আমাদের সর্বোচ্চ ভাবে সাহায্য করবে মিডিয়া। আমাদের আরও পেশাদার হতে হবে, আরও চতুর হতে হবে, আরও কৌশলী হতে হবে। প্রতিটা বিভাগে, প্রতিটা জেলায়, প্রতিটা উপজেলায় একটা করে স্থানীয় ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম গড়ে তুলতে হবে, যা হতে হবে কাগজে-কলমে বৈধ এবং যাদেরকে স্থানীয় মানুষরা নিজেদের মিডিয়া বলে ভাববে, যারা স্থানীয় প্রতিটা খবর প্রকাশ করবে আর জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গণের সেই খবরটাই বেছে নিবে যেটা বিদ্যমান সিস্টেমের প্রতি মানুষের মনে অনাস্থা তৈরী করবে।

    পাশাপাশি উক্ত মিডিয়া সমূহের কর্তৃপক্ষরা চাইলে বৈধভাবে অর্থ উপার্জনও করবে, সম্ভাব্য পন্থা অবলম্বন করে। এছাড়া ঐ ডিজিটাল মিডিয়ার কর্তপক্ষরা এমন জায়গায় যেতে পারবে যেখানে অন্যরা যেতে পারবে না, এমন কিছু তথ্য পাবে যা অন্যরা পাবে না এবং তারা চাইলে এগুলো উপযুক্ত মাধ্যমে মুজাহিদ ভাইদের কাছে পৌছে দিতেও পারবে, যা ইসলামপন্থী মহলকে সুবিধা দিবে।

    ইনশাআল্লাহ।

  • #2
    ইসলামের পুনর্জাগরণ থামানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশের থেকে পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা বেশি, বাংলাদেশের কাছে যেটা ভবিষ্যত পাকিস্তানের কাছে সেটা অতীত। পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা এদেশের থেকে উন্নত, পাকিস্তানের অস্ত্রশস্ত্র এদেশের থেকে বেশি, পাকিস্তানের নীতিনির্ধারকেরা এদেশের নীতিনির্ধারকদের থেকে বেশি অভিজ্ঞ—এত কিছুর পরও পাকিস্তানে কী নিরাপত্তা খাতের সংস্কার হয়েছে? না হয়নি। এত কিছুর পরও কী পাকিস্তানে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, জোরপূর্বক গুম এবং নির্যাতন কমেছে? না কমেনি। তাই এদেশের লিবারেলরা যতই সুন্দর সুন্দর কথা বলুক না কেন, তাদের কথা বাস্তবতার সামনে খুবই ঠুনকো; এই বিষয়ে আমাদেরও সচেতন হতে হবে, সাধারণ জনগণকেও সচেতন করতে হবে।

    মাশাআল্লাহ ভাই অনেক সুন্দর বিশ্লেষণ!
    আল্লাহ তাআলা আপনার কলমের ধার আরও শানিত করে দিন। আমীন!

    মুহতারাম আবু ইমরান হাফিজাহুল্লাহ'র একটা বয়ানে শুনেছিলাম; "ইসলামের নূর যখন জ্বলে ওঠে, তখন তা পূর্ণতা লাভের আগ পর্যন্ত আর নিভে না।"

    তাই ওদের ঘেউঘেউ করে লাভ হবে না, আমরা এখন এক নতুন যুগের সন্ধিক্ষণে অবস্থান করছি বিইযনিল্লাহ!
    "আমরা তাওবা করার পূর্বে মরতে চাই না এবং মৃত্যু সামনে আসার পরে তাওবা করতে চাই না'​
    আবু হাযেম রহ

    Comment

    Working...
    X