হ্যাঁ(!)
হ্যাঁ(!)
আমি উন্মাদ(!)
আমি সয়লাব, আর উত্তাপ আমি।
আমি শত বছরের উন্মাদনা জমিয়ে রাখার নীড়।
আমি উন্মাদ হয়ে ভেঙে ফেলি, যত মিথ্যার উচু শির।
চির-দূর্যয়, চির-অক্ষয় আমি, আমিই রণবীর।
আমি সয়লাব তুলি, জীহাদের মাঠে,
উন্মাদনায় উন্মাদ হয়ে।
আমি চুরমার করি, তাগুতের জিঞ্জির।
আর রক্ত ছিটিয়ে উল্লাশ করি।
উপড়ে ফেলতে, ফাকা গুলি ছুড়ি।
শত্রুর বুকে নল ঠেকিয়ে, করে ফেলি চৌচির।
হ্যাঁ!
হ্যাঁ!
যে নাইন-ইলেভেন হামলা করেছে, তিনিই আমার আমির।
হ্যাঁ(!)
আমি জঙ্গী(!) আমি সন্ত্রাস(!) আর কট্টরপন্থী(!)
আমি কঠোরতা করি তার সাথে ভাই,
আল্লাহ ছাড়া কারোর হুকুম আমাকে যে মানাতে চায়।
আমি মানি না, কারো শাসন-ত্রাসন,
আল্লার ছাড়া।
শুধু শাসন-ত্রাসন নয়,
আমি নিজেকে বিলিয়ে, তাঁর চাওয়াতেই সব ছাড়তে পারি।
ফের শত্রু মেরে, তাঁর হুকুমেই নরক ভরাতে পারি।
আমি দূর্গম গিরীর মজবুত-রুদ্ধ দ্বার।
ভেদিয়া উঠিবে এমন সাধ্য কার?
আমি চির-বিদ্রোহী, রণ্ ঝনঝন্-ঝংকার।
আমি জঙ্গে জড়াই তার সাথে ভাই,
আল্লাহ ছাড়া কারোর হুকুম আমাকে যে মানাতে চায়।
যে আল্লাকে ধমকায়, সে আমার দুষমন।
আমি পাতাল ছেদিয়া, আকাশ ভেদিয়া,
দুলোক-ভূলোক-গোলক,
ঘুরি ভাই আমরণ।
যেথা পাই তারে, হেথা ধরি ঘাড়ে, বাজাই প্রলয় বিষাণ।
আমি হিন্দু রাজার সংসদকে বানাই রক্ত শ্মশান।
আমি ধ্বংস বিষাণ!
যে পথেই যাই সে পথে চালাই খোদার রাজ্যশাসন।
সারা বিশ্ব আমার। আমি উড়াই কালিমা কেতন।
আমি বিশ্ব মুসলিম, আমি অসহায় এক বোন,
আমি চোখের সামনে ধর্ষণ দেখা বৃদ্ধ মায়ের ক্রন্দন।
আমি ওমরের মুখের ফুৎকার, আর উসামার গড়া বীর।
হ্যাঁ!
হ্যাঁ!
আমি তাঁদের কাছেই ছবক পেয়েছি,
তাঁদেরই গড়া বীর।
আমি ছোট্ট শিশুর চিৎকার শুনে
উন্মাদ হয়ে ভেঙ্গে ফেলি যত মিথ্যার উচু শির।
আমি খোরাসানীদের কালো পতাকায়
নাম লিখেছি শহীদি খাতায়।
পাবো শহীদ হলেই হুর-গেলমান, বাচলে গাজী-বীর।
আমি যাইনি কখনো খোরাসান তবু খোরাসানী এক বীর।
চির-দূর্যয়, চির-অক্ষয় আমি, আমিই রণবীর।
হ্যাঁ!
চির-দূর্যয়, চির-অক্ষয় আমি, আমিই রণবীর
হ্যাঁ(!)
আমি উন্মাদ(!)
আমি সয়লাব, আর উত্তাপ আমি।
আমি শত বছরের উন্মাদনা জমিয়ে রাখার নীড়।
আমি উন্মাদ হয়ে ভেঙে ফেলি, যত মিথ্যার উচু শির।
চির-দূর্যয়, চির-অক্ষয় আমি, আমিই রণবীর।
আমি সয়লাব তুলি, জীহাদের মাঠে,
উন্মাদনায় উন্মাদ হয়ে।
আমি চুরমার করি, তাগুতের জিঞ্জির।
আর রক্ত ছিটিয়ে উল্লাশ করি।
উপড়ে ফেলতে, ফাকা গুলি ছুড়ি।
শত্রুর বুকে নল ঠেকিয়ে, করে ফেলি চৌচির।
হ্যাঁ!
হ্যাঁ!
যে নাইন-ইলেভেন হামলা করেছে, তিনিই আমার আমির।
হ্যাঁ(!)
আমি জঙ্গী(!) আমি সন্ত্রাস(!) আর কট্টরপন্থী(!)
আমি কঠোরতা করি তার সাথে ভাই,
আল্লাহ ছাড়া কারোর হুকুম আমাকে যে মানাতে চায়।
আমি মানি না, কারো শাসন-ত্রাসন,
আল্লার ছাড়া।
শুধু শাসন-ত্রাসন নয়,
আমি নিজেকে বিলিয়ে, তাঁর চাওয়াতেই সব ছাড়তে পারি।
ফের শত্রু মেরে, তাঁর হুকুমেই নরক ভরাতে পারি।
আমি দূর্গম গিরীর মজবুত-রুদ্ধ দ্বার।
ভেদিয়া উঠিবে এমন সাধ্য কার?
আমি চির-বিদ্রোহী, রণ্ ঝনঝন্-ঝংকার।
আমি জঙ্গে জড়াই তার সাথে ভাই,
আল্লাহ ছাড়া কারোর হুকুম আমাকে যে মানাতে চায়।
যে আল্লাকে ধমকায়, সে আমার দুষমন।
আমি পাতাল ছেদিয়া, আকাশ ভেদিয়া,
দুলোক-ভূলোক-গোলক,
ঘুরি ভাই আমরণ।
যেথা পাই তারে, হেথা ধরি ঘাড়ে, বাজাই প্রলয় বিষাণ।
আমি হিন্দু রাজার সংসদকে বানাই রক্ত শ্মশান।
আমি ধ্বংস বিষাণ!
যে পথেই যাই সে পথে চালাই খোদার রাজ্যশাসন।
সারা বিশ্ব আমার। আমি উড়াই কালিমা কেতন।
আমি বিশ্ব মুসলিম, আমি অসহায় এক বোন,
আমি চোখের সামনে ধর্ষণ দেখা বৃদ্ধ মায়ের ক্রন্দন।
আমি ওমরের মুখের ফুৎকার, আর উসামার গড়া বীর।
হ্যাঁ!
হ্যাঁ!
আমি তাঁদের কাছেই ছবক পেয়েছি,
তাঁদেরই গড়া বীর।
আমি ছোট্ট শিশুর চিৎকার শুনে
উন্মাদ হয়ে ভেঙ্গে ফেলি যত মিথ্যার উচু শির।
আমি খোরাসানীদের কালো পতাকায়
নাম লিখেছি শহীদি খাতায়।
পাবো শহীদ হলেই হুর-গেলমান, বাচলে গাজী-বীর।
আমি যাইনি কখনো খোরাসান তবু খোরাসানী এক বীর।
চির-দূর্যয়, চির-অক্ষয় আমি, আমিই রণবীর।
হ্যাঁ!
চির-দূর্যয়, চির-অক্ষয় আমি, আমিই রণবীর