Announcement

Collapse
No announcement yet.

কবি মুকিতের প্রশ্নে ঘেরা কবিতা।

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • কবি মুকিতের প্রশ্নে ঘেরা কবিতা।

    কেন? কেন?? কেন???
    কুরআন কেন লাঞ্চিত আজ হাদীছ কেন বঞ্চিত,
    বিশ্বাসীদের রক্তে কেন তপ্ত জমিন সিঞ্চিত?
    অনাথ শিশু কাঁদছে কেন বন্দিনী হয় আমার বোন,
    জালিম শাহীর বুলেট কেন আমার ভাইকে করছে খুন?
    আমার মায়ের বক্ষ কেন করছে খালি সন্ত্রাসী,
    আমার বাবার লক্ষ আশা নিমিষে কেন হয় মাটি?
    ওদের জীবন কাটছে কেন আরাম-আয়েশ শান্তিতে,
    মুসলিম কেন পিষ্ট এখন শহর-নগর বন্দরে?
    আমায় কেন ধরতে হবে অবিশ্বাসীর সংবিধান,
    আমায় কেন ছাড়তে হবে শ্রেষ্ঠ বিধান আল-কুরআন?
    আমি কেন করব গ্রহণ ওদের দেওয়া সংস্কৃতি,
    আমি কেন করব বরণ ওদের গড়া রাজনীতি?
    আমায় কেন মানতে হবে ওদের দেওয়া সিমান্তর,
    আমায় কেন বলতে হবে গির্জা-মন্দির খোদার ঘর?
    আমায় কেন চিনতে হবে ওদের আঁকা মানচিত্র,
    আমায় কেন বলতে হবে সকল উৎসব পবিত্র?
    ওরা কেন করবে দখল আমার প্রথম কেবলাকে,
    অবিশ্বাসী থাকবে কেন আমার কাবার চত্বরে?
    লক্ষ্য মানুষ মরছে কেন শত্রু যখন বিন লাদেন,
    আরব থেকে সন্ত্রাসীদল নিচ্ছে কেন তেলের ভ্যান?
    আরব-আজম হারাম যাদের ওদের কেন আজ সবি,
    বিশ্বাসীরা উঠরে জেগে কররে দখল ফের সবি।

    ''সত্য ও মিথ্যার দ্বন্দ্বে সত্যের বিজয় অবধারিত''


  • #2
    চমৎকার হয়েছে।

    Comment


    • #3
      চমৎকার
      জাযাকাল্লাহ

      Comment


      • #4
        কারণঃ-

        আমরা ছেড়েছি আমাদের নবীর আদর্শ
        অপরাধ বোধ করি, হাতে যদি থাকে অস্ত্র।
        শান্তির ধোঁকায় আজ মোরা অশান্তিতে
        চিন্তা করি না কভু, মুক্তি কিভাবে মিলিবে!

        আমরা ভুলে গেছি আমাদের পরকাল
        মনে হয়, দুনিয়াতেই থাকব চিরকাল,
        প্রবৃত্তির চাহিদা পূরণ ও আয়েশী জীবন
        এছাড়া আর কিছুর নাই রে প্রয়োজন।

        হালাল হোক বা হারাম হোক
        বিবেচ্য হলো, কী বলে লোক!
        সবকিছুর পরে যদি সময় বাঁচে,
        সে সময় রাখি দ্বীনের তরে।

        দুনিয়া ধরেছি আখেরাত ছেড়ে
        কুকুর যেভাবে মল কামড়ে ধরে,
        কুকুর তবুও পায় যে স্বাদ
        আমাদের ভাগে শুধুই আযাব!

        জিহাদের নাম শুনে লাগে ভয়
        মৃত্যু বুঝি এই ধরে নেয়!
        তোমাদের বাপদাদা গেল কোথায়?
        জিহাদ ছেড়ে তারা মরেছে ধোঁকায়।


        কুরআনকে জানি শুধু কাগজ ও মুখে
        অকার্যকর মানি আইন-আদালতে!
        জাতির ঈমান হুমকিতে ফেলে
        মোদের ক্ষমতা পেলেই চলে।

        ঈমানের ও শরীয়ত পিঠে বেঁধে রেখে
        জাতিকে ধোঁকা দিয়ে যাব কুফরের তলে
        কাফেরদের অনুমতি নিয়ে যা পারি ভাই
        ততটুকুই গণিমত জেনে আখেরাত কামাই!

        আল্লাহু আকবার! আল্লাহু আ'লা!
        তিনিই রব , সুবহানাহু ওয়া তাআলা!
        সবার উপরে থাকবে কেবল তাঁরই বিধান,
        জাতিসংঘ কি বলে তা দেখবে না কুরআন।


        রবের বিধান ছেড়ে মরেছি যখন
        শুয়োরেরা রূপ বদলে হয়েছে শকুন
        মোদের হাড়-গোশত খাচ্ছে ছিঁড়ে
        আর আমরা বলছি, বন্ধু ধীরে ধীরে!

        আমাদের আগে জাগতে হবে
        রবের বিধান আঁকড়ে ধরে,
        অস্ত্র হাতে, কুরআন বুকে
        সবে মিলে দাঁড়াতে হবে।

        বন্ধু! তাজা পশু খায়না শকুনে
        পশু না মরিলে শকুন বিলুপ্ত হবে
        ওরা মরবে তাই আমাদের মারতে হবে
        ওরা হারবে তাই আমাদের হারাতে হবে!


        জাগো হে মুসলিম! জেগে ওঠ!
        তোমাদের ভাইয়েরা মরছে দেখ,
        বোনদের দিকে তাকাচ্ছে মালাউন
        ওদের চোখ না উপড়ে, তব চোখে ঘুম!!!

        আখেরাতই তোমার স্থায়ী নিবাস
        এটাই তো তোমার আন্তরিক বিশ্বাস।
        যতদিন প্রবাহমান তব নিঃশ্বাস
        কুফর মুক্ত কর ধরার বাতাস!
        "আমরা তাওবা করার পূর্বে মরতে চাই না এবং মৃত্যু সামনে আসার পরে তাওবা করতে চাই না'​
        আবু হাযেম রহ

        Comment


        • #5

          ১) তাওহীদুর: রুবুবিয়্যাহ অর্থাৎ রিযিক, নিয়ামত, হায়াত, মওত ও বিশ্ব জাহানের পরিচালনা কারি
          হিসেবে আল্লাহ তায়ালাকে এক ও একক মানা


          রিযিক, নিয়ামত, হায়াত, মওত ও বিশ্ব জাহানের পরিচালনা কারি
          ১.
          قُلِ اللّٰہُمَّ مٰلِکَ الۡمُلۡکِ تُؤۡتِی الۡمُلۡکَ مَنۡ تَشَآءُ وَتَنۡزِعُ الۡمُلۡکَ مِمَّنۡ تَشَآءُ ۫ وَتُعِزُّ مَنۡ تَشَآءُ وَتُذِلُّ مَنۡ تَشَآءُ ؕ بِیَدِکَ الۡخَیۡرُ ؕ اِنَّکَ عَلٰی کُلِّ شَیۡءٍ قَدِیۡرٌ

          (আল ইমরান-২৬)

          মুফতী তাকী উসমানী
          বল, হে আল্লাহ! সার্বভৌম শক্তির মালিক! তুমি যাকে চাও ক্ষমতা দান কর, আর যার থেকে চাও ক্ষমতা কেড়ে নাও যাকে ইচ্ছা সম্মান দান কর এবং যাকে চাও লাঞ্ছিত কর। সমস্ত কল্যাণ তোমারই হাতে। নিশ্চয়ই তুমি সর্ববিষয়ে ক্ষমতাবান। ৮



          ২.
          تُوۡلِجُ الَّیۡلَ فِی النَّہَارِ وَتُوۡلِجُ النَّہَارَ فِی الَّیۡلِ ۫ وَتُخۡرِجُ الۡحَیَّ مِنَ الۡمَیِّتِ وَتُخۡرِجُ الۡمَیِّتَ مِنَ الۡحَیِّ ۫ وَتَرۡزُقُ مَنۡ تَشَآءُ بِغَیۡرِ حِسَابٍ

          (আল ইমরান-২৭)

          মুফতী তাকী উসমানী
          তুমিই রাতকে দিনের মধ্যে প্রবেশ করাও এবং দিনকে রাতের মধ্যে প্রবেশ করাও। ৯ তুমিই নিষ্প্রাণ বস্তু হতে প্রাণবান বস্তু বের কর এবং প্রাণবান থেকে নিষ্প্রাণ বস্তু বের কর ১০ আর যাকে ইচ্ছা অপরিমিত রিযক দান কর।


          (২) তাওহীদুল উলুহিয়াহ : (২)

          অর্থাৎ ইবাদত, আনুগত্য, দুআ, মুহাব্বত ও ভয়ের ক্ষেত্রে আল্লাহকে এক ও একক মানা।


          # ইবাদত

          ১)


          وَمَاۤ اُمِرُوۡۤا اِلَّا لِیَعۡبُدُوا اللّٰہَ مُخۡلِصِیۡنَ لَہُ الدِّیۡنَ ۬ۙ حُنَفَآءَ وَیُقِیۡمُوا الصَّلٰوۃَ وَیُؤۡتُوا الزَّکٰوۃَ وَذٰلِکَ دِیۡنُ الۡقَیِّمَۃِ ؕ

          (আল বাইয়্যিনাহ-৫)

          মুফতী তাকী উসমানী
          তাদেরকে কেবল এই আদেশই করা হয়েছিল যে, তারা আল্লাহর ইবাদত। করবে, আনুগত্যকে একনিষ্ঠভাবে তারই জন্য খালেস রেখে এবং নামায কায়েম করবে ও যাকাত দেবে আর এটাই সরল সঠিক উম্মতের দ্বীন।

          ২)


          وَقَضٰی رَبُّکَ اَلَّا تَعۡبُدُوۡۤا اِلَّاۤ اِیَّاہُ
          (বনী-ইসরাঈল-২৩)

          মুফতী তাকী উসমানী
          তােমার প্রতিপালক নির্দেশ দিয়েছেন যে, তাকে ছাড়া অন্য কারও ইবাদত করাে না


          ৩)
          وَمَاۤ اَرۡسَلۡنَا مِنۡ قَبۡلِکَ مِنۡ رَّسُوۡلٍ اِلَّا نُوۡحِیۡۤ اِلَیۡہِ اَنَّہٗ لَاۤ اِلٰہَ اِلَّاۤ اَنَا فَاعۡبُدُوۡنِ

          (আল আম্বিয়া-২৫)

          মুফতী তাকী উসমানী
          আমি তােমার পূর্বে এমন কোন রাসূল। পাঠাইনি, যার প্রতি আমি এই ওহী নাযিল করিনি যে, আমি ছাড়া অন্য কোন মাবুদ নেই। সুতরাং আমারই ইবাদত কর।

          ৪)


          وَاعۡبُدُوا اللّٰہَ وَلَا تُشۡرِکُوۡا بِہٖ شَیۡئًا وَّبِالۡوَالِدَیۡنِ اِحۡسَانًا
          (আন নিসা-৩৬)

          মুফতী তাকী উসমানী
          এবং আল্লাহর ইবাদত কর ও তাঁর সঙ্গে কাউকে শরীক করো না। পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার কর।
          ৫)

          قُلۡ اِنَّمَاۤ اُمِرۡتُ اَنۡ اَعۡبُدَ اللّٰہَ وَلَاۤ اُشۡرِکَ بِہٖ ؕ اِلَیۡہِ اَدۡعُوۡا وَاِلَیۡہِ مَاٰبِ

          (আর রা'দ-৩৬)


          বলুন, আমাকে এরূপ আদেশই দেয়া হয়েছে যে, আমি আল্লাহর এবাদত করি। এবং তাঁর সাথে অংশীদার না করি। আমি তাঁর দিকেই দাওয়াত দেই এবং তাঁর কাছেই আমার প্রত্যাবর্তন।

          ৬)
          وَلَقَدۡ بَعَثۡنَا فِیۡ کُلِّ اُمَّۃٍ رَّسُوۡلًا اَنِ اعۡبُدُوا اللّٰہَ وَاجۡتَنِبُوا الطَّاغُوۡتَ

          ۚ
          (আন নাহ্‌ল-৩৬)

          আমি প্রত্যেক উম্মতের মধ্যেই রাসূল প্রেরণ করেছি এই মর্মে যে, তোমরা আল্লাহর এবাদত কর এবং তাগুত থেকে নিরাপদ থাক।



          ## আনুগত্য
          ১)
          আত তাওবাহ্-৩১)

          اِتَّخَذُوۡۤا اَحۡبَارَہُمۡ وَرُہۡبَانَہُمۡ اَرۡبَابًا مِّنۡ دُوۡنِ اللّٰہِ
          তারা আল্লাহর পরিবর্তে নিজেদের আহবার (অর্থাৎ ইয়াহুদী ধর্মগুরু) এবং রাহিব (খ্রিস্টান বৈরাগী)কে খোদা বানিয়ে নিয়েছে


          ### দুআ
          ১)
          আর রা'দ-১৪)


          لہٗ دَعۡوَۃُ الۡحَقِّ ؕ وَالَّذِیۡنَ یَدۡعُوۡنَ مِنۡ دُوۡنِہٖ لَا یَسۡتَجِیۡبُوۡنَ لَہُمۡ بِشَیۡءٍ

          তাঁরই কাছে দু'আ করা যথার্থ। ১৯ তারা তাঁকে ছেড়ে যাদেরকে ( অর্থাৎ যেই দেব - দেবীদেরকে ) ডাকে তারা তাদের দু'আর কোনও জবাব দেয় না।

          ২)
          وَّاَنَّ الۡمَسٰجِدَ لِلّٰہِ فَلَا تَدۡعُوۡا مَعَ اللّٰہِ اَحَدًا ۙ

          (আল জ্বিন-১৮)

          এবং এই ওহীও করা হয়েছে যে, মসজিদসমূহ আল্লাহ তা’আলাকে স্মরণ করার জন্য। অতএব, তোমরা আল্লাহ তা’আলার সাথে কাউকে ডেকো না।

          3)

          فَاِذَا رَکِبُوۡا فِی الۡفُلۡکِ دَعَوُا اللّٰہَ مُخۡلِصِیۡنَ لَہُ الدِّیۡنَ ۬ۚ فَلَمَّا نَجّٰہُمۡ اِلَی الۡبَرِّ اِذَا ہُمۡ یُشۡرِکُوۡنَ ۙ

          (আল আনকাবুত-৬৫)

          তারা যখন জলযানে আরোহণ করে তখন একনিষ্ঠভাবে আল্লাহকে ডাকে। অতঃপর তিনি যখন স্থলে এনে তাদেরকে উদ্ধার করেন, তখনই তারা শরীক করতে থাকে।
          4)
          لِلّٰہِ مُلۡکُ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضِ ؕ یَخۡلُقُ مَا یَشَآءُ ؕ یَہَبُ لِمَنۡ یَّشَآءُ اِنَاثًا وَّیَہَبُ لِمَنۡ یَّشَآءُ الذُّکُوۡرَ ۙ

          (আশ্‌-শূরা-৪৯)

          নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের রাজত্ব আল্লাহ তা’আলারই। তিনি যা ইচ্ছা, সৃষ্টি করেন, যাকে ইচ্ছা কন্যা-সন্তান এবং যাকে ইচ্ছা পুত্র সন্তান দান করেন।


          ৫)
          اَلَا لِلّٰہِ الدِّیۡنُ الۡخَالِصُ ؕ وَالَّذِیۡنَ اتَّخَذُوۡا مِنۡ دُوۡنِہٖۤ اَوۡلِیَآءَ ۘ مَا نَعۡبُدُہُمۡ اِلَّا لِیُقَرِّبُوۡنَاۤ اِلَی اللّٰہِ زُلۡفٰی ؕ اِنَّ اللّٰہَ یَحۡکُمُ بَیۡنَہُمۡ فِیۡ مَا ہُمۡ فِیۡہِ یَخۡتَلِفُوۡنَ ۬ؕ اِنَّ اللّٰہَ لَا یَہۡدِیۡ مَنۡ ہُوَ کٰذِبٌ کَفَّارٌ

          (আয্‌-যুমার-৩)


          জেনে রাখুন, নিষ্ঠাপূর্ণ এবাদত আল্লাহরই নিমিত্ত। যারা আল্লাহ ব্যতীত অপরকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করে রেখেছে এবং বলে যে, আমরা তাদের এবাদত এ জন্যেই করি, যেন তারা আমাদেরকে আল্লাহর নিকটবর্তী করে দেয়। নিশ্চয় আল্লাহ তাদের মধ্যে তাদের পারস্পরিক বিরোধপূর্ণ বিষয়ের ফয়সালা করে দেবেন। আল্লাহ মিথ্যাবাদী কাফেরকে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
          6)
          وَالَّذِیۡنَ یَقُوۡلُوۡنَ رَبَّنَا اصۡرِفۡ عَنَّا عَذَابَ جَہَنَّمَ ٭ۖ اِنَّ عَذَابَہَا کَانَ غَرَامًا ٭ۖ

          (আল ফুরকান-৬৫)

          এবং যারা বলে, হে আমার পালনকর্তা, আমাদের কাছথেকে জাহান্নামের শাস্তি হটিয়ে দাও। নিশ্চয় এর শাস্তি নিশ্চিত বিনাশ;


          #### মুহাব্বত

          وَمِنَ النَّاسِ مَنۡ یَّتَّخِذُ مِنۡ دُوۡنِ اللّٰہِ اَنۡدَادًا یُّحِبُّوۡنَہُمۡ کَحُبِّ اللّٰہِ ؕ وَالَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡۤا اَشَدُّ حُبًّا لِّلّٰہِ ؕ وَ لَوۡ یَرَی الَّذِیۡنَ ظَلَمُوۡۤا اِذۡ یَرَوۡنَ الۡعَذَابَ ۙ اَنَّ الۡقُوَّۃَ لِلّٰہِ جَمِیۡعًا ۙ وَّاَنَّ اللّٰہَ شَدِیۡدُ الۡعَذَابِ

          (আল বাকারা-১৬৫)

          আর কোন লোক এমনও রয়েছে যারা অন্যান্যকে আল্লাহর সমকক্ষ সাব্যস্ত করে এবং তাদের প্রতি তেমনি ভালবাসা পোষণ করে, যেমন আল্লাহর প্রতি ভালবাসা হয়ে থাকে। কিন্তু যারা আল্লাহর প্রতি ঈমানদার তাদের ভালবাসা ওদের তুলনায় বহুগুণ বেশী। আর কতইনা উত্তম হ’ত যদি এ জালেমরা পার্থিব কোন কোন আযাব প্রত্যক্ষ করেই উপলব্ধি করে নিত যে, যাবতীয় ক্ষমতা শুধুমাত্র আল্লাহরই জন্য এবং আল্লাহর আযাবই সবচেয়ে কঠিনতর।

          ##### ভয়

          ১)
          আল আনআম-৮০)

          মুফতী তাকী উসমানী

          وَحَآجَّہٗ قَوۡمُہٗ ؕ قَالَ اَتُحَآجُّوۡٓنِّیۡ فِی اللّٰہِ وَقَدۡ ہَدٰىنِ ؕ وَلَاۤ اَخَافُ مَا تُشۡرِکُوۡنَ بِہٖۤ

          এবং (তারপর এই ঘটল যে, ) তার সম্প্রদায় তার সাথে হুজ্জত শুরু করে দিল। ৩৫ ইবরাহীম (তাদেরকে) বলল, তোমরা কি আল্লাহ সম্পর্কে আমার সঙ্গে হুজ্জত করছ, অথচ তিনি আমাকে হিদায়াত দান করেছেন? তোমরা যে সকল জিনিসকে (আল্লাহর) শরীক সাব্যস্ত করছ, (তারা আমার কোন ক্ষতি সাধন করার ক্ষমতা রাখে না। তাই) আমি তাদেরকে ভয় করি না।


          ২)

          اَلَمۡ تَرَ اِلَی الَّذِیۡنَ قِیۡلَ لَہُمۡ کُفُّوۡۤا اَیۡدِیَکُمۡ وَاَقِیۡمُوا الصَّلٰوۃَ وَاٰتُوا الزَّکٰوۃَ ۚ فَلَمَّا کُتِبَ عَلَیۡہِمُ الۡقِتَالُ اِذَا فَرِیۡقٌ مِّنۡہُمۡ یَخۡشَوۡنَ النَّاسَ کَخَشۡیَۃِ اللّٰہِ اَوۡ اَشَدَّ خَشۡیَۃً ۚ وَقَالُوۡا رَبَّنَا لِمَ کَتَبۡتَ عَلَیۡنَا الۡقِتَالَ ۚ لَوۡلَاۤ اَخَّرۡتَنَاۤ اِلٰۤی اَجَلٍ قَرِیۡبٍ ؕ قُلۡ مَتَاعُ الدُّنۡیَا قَلِیۡلٌ ۚ وَالۡاٰخِرَۃُ خَیۡرٌ لِّمَنِ اتَّقٰی ۟ وَلَا تُظۡلَمُوۡنَ فَتِیۡلًا

          (আন নিসা-৭৭)

          তুমি কি সেসব লোককে দেখনি, যাদেরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল যে, তোমরা নিজেদের হাতকে সংযত রাখ, নামায কায়েম কর এবং যাকাত দিতে থাক? অতঃপর যখন তাদের প্রতি জেহাদের নির্দেশ দেয়া হল, তৎক্ষণাৎ তাদের মধ্যে একদল লোক মানুষকে ভয় করতে আরম্ভ করল, যেমন করে ভয় করা হয় আল্লাহকে। এমন কি তার চেয়েও অধিক ভয়। আর বলতে লাগল, হায় পালনকর্তা, কেন আমাদের উপর যুদ্ধ ফরজ করলে! আমাদেরকে কেন আরও কিছুকাল অবকাশ দান করলে না। ( হে রসূল) তাদেরকে বলে দিন, পার্থিব ফায়দা সীমিত। আর আখেরাত পরহেযগারদের জন্য উত্তম। আর তোমাদের অধিকার একটি সূতা পরিমান ও খর্ব করা হবে না।

          বিঃ দ্রঃ - আমরা আল্লাহ তাআলাকে রব হিসাবে মানি
          কিন্ত
          ২য় প্রকার "তাওহীদুল উলুহিয়াহ" ও তাওহীদুল হাকিমিয়াহ
          আমরা মানিনা।
          এ কারণেই আমাদের এ দুরাবস্থা।

          হে আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে বুঝার মানার ও এর উপর আমল করার তাওফিক দাও​

          Comment

          Working...
          X