এরপর ইসলামে মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের বিরুদ্ধে কঠোর বিধান সম্পর্কে ব্যাখ্যা করুন।
শেষ কথা হলো—
মানুষ আসলে শরীয়া আইনকে ভয় পায় না।
মানুষ ভয় পায় অন্যায়ের শিকার হতে।
যে বাবার সন্তানের রক্ত ঝরে গেছে, সে ন্যায়বিচার চায়।
যে মেয়ের সম্মান লুট হয়েছে, সে নিরাপত্তা চায়।
যে গরিব মানুষ কষ্ট করে সম্পদ উপার্জন করেছে, সে তার সম্পদের সুরক্ষা চায়।
যে মা তার সন্তানকে মানুষ করেছে, সে চায় না মাদক তার ভবিষ্যৎ ধ্বংস করুক।
শরীয়া আইন সেই সব মানুষের পক্ষেই দাঁড়ায়।
এই আইন চোরের বিরুদ্ধে,
এই আইন ধর্ষকের বিরুদ্ধে,
এই আইন খুনির বিরুদ্ধে,
এই আইন দুর্নীতিবাজের বিরুদ্ধে,
এই আইন সমাজ ধ্বংসকারী অপরাধীর বিরুদ্ধে।
কিন্তু নিরপরাধ মানুষের জন্য—
এটি ভয় নয়, এটি নিরাপত্তা।
এটি কঠোরতা নয়, এটি ন্যায়বিচার।
এটি আযাব নয়, এটি রহমত।
তাই শরীয়ার কথা বলার সময় মানুষকে আসামির কাঠগড়ায় দাঁড় করাবেন না।
মানুষকে তার অধিকার বোঝান, তাকে বাদীর কাতারে দাঁড় করান।
তখন মানুষ নিজেই বুঝবে—
শরীয়া আইন প্রতিষ্ঠা মানে মানুষের উপর অত্যাচার নয়,
বরং অত্যাচারের বিরুদ্ধে মানুষের সবচেয়ে বড় আশ্রয়।
কারণ ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে—
যেখানে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়,
সেখানেই সমাজে শান্তি ফিরে আসে।
শেষ কথা হলো—
মানুষ আসলে শরীয়া আইনকে ভয় পায় না।
মানুষ ভয় পায় অন্যায়ের শিকার হতে।
যে বাবার সন্তানের রক্ত ঝরে গেছে, সে ন্যায়বিচার চায়।
যে মেয়ের সম্মান লুট হয়েছে, সে নিরাপত্তা চায়।
যে গরিব মানুষ কষ্ট করে সম্পদ উপার্জন করেছে, সে তার সম্পদের সুরক্ষা চায়।
যে মা তার সন্তানকে মানুষ করেছে, সে চায় না মাদক তার ভবিষ্যৎ ধ্বংস করুক।
শরীয়া আইন সেই সব মানুষের পক্ষেই দাঁড়ায়।
এই আইন চোরের বিরুদ্ধে,
এই আইন ধর্ষকের বিরুদ্ধে,
এই আইন খুনির বিরুদ্ধে,
এই আইন দুর্নীতিবাজের বিরুদ্ধে,
এই আইন সমাজ ধ্বংসকারী অপরাধীর বিরুদ্ধে।
কিন্তু নিরপরাধ মানুষের জন্য—
এটি ভয় নয়, এটি নিরাপত্তা।
এটি কঠোরতা নয়, এটি ন্যায়বিচার।
এটি আযাব নয়, এটি রহমত।
তাই শরীয়ার কথা বলার সময় মানুষকে আসামির কাঠগড়ায় দাঁড় করাবেন না।
মানুষকে তার অধিকার বোঝান, তাকে বাদীর কাতারে দাঁড় করান।
তখন মানুষ নিজেই বুঝবে—
শরীয়া আইন প্রতিষ্ঠা মানে মানুষের উপর অত্যাচার নয়,
বরং অত্যাচারের বিরুদ্ধে মানুষের সবচেয়ে বড় আশ্রয়।
কারণ ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে—
যেখানে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়,
সেখানেই সমাজে শান্তি ফিরে আসে।