Announcement

Collapse
No announcement yet.

এই সময়ে জিহাদের প্রস্তুতি। (১)

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • এই সময়ে জিহাদের প্রস্তুতি। (১)

    বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম।
    আসসালামু আলাইকুম। প্রিয় ভাইয়েরা, ২০২৬ ইংরেজি। এখন জিহাদ/ যুদ্ধের প্রস্তুতি কেমন হবে!? অবশ্য ই আমাদেরকে জানতে হবে শিখতে হবে। একজন কমান্ডো মুজাহিদ হওয়ার জন্য অপরিহার্য বিষয়গুলো অবশ্য ই অর্জন করতে হবে। ই'দাদ / প্রস্তুতি কয়েক ধরনের হয়ে থাকে। শারীরিক প্রস্তুতি, মানসিক প্রস্তুতি, ইলমী প্রস্তুতি, আর্থিক প্রস্তুতি, রাজনৈতিক প্রস্তুতি, অস্ত্র পরিচালনার প্রস্তুতি। আসলে প্রশিক্ষণের শেষ নেই। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, মুসলিমরা কাফেরদের তুলনায় অনেক অনেক কম প্রস্তুতি গ্রহণ করে! যা মোঠেও ঠিক নয়। অথচ মুসলিমরাই যুদ্ধের প্রস্তুতির ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকার কথা ছিলো। কিন্তু আজ পুরোপুরি বিপরীত। শারীরিক প্রস্তুতির ক্ষেত্রে দৌড় জাম্প, এক নাগাড়ে ১০,১২ মাইল হাঠা, সাতার জানা। অস্ত্র পরিচালনা পাড়া ইত্যাদি। শারীরিক প্রস্তুতির আরো কিছু আছে, ড্রাইভিং জানা, বাইক চালাতে জানা। মার্শাল আর্ট জানা। ইলমী প্রস্তুতির ক্ষেত্রে জিহাদের মাসায়ীল জানা, কখন কাকে হত্যা করতে হবে তা জানা। আর্থিক প্রস্তুতিও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অর্থের জন্যও মানুষ যুদ্ধে যেতে চাই না। যুদ্ধে চলে পরিবার খাবে কী,? তাদের দেখবাল করবে কে? ইত্যাদি। শারীরিক প্রস্তুতির আরেকটি দিক হচ্ছে খাওয়া ধাওয়া। সামনে যা আসে খেতে পারে, তবে অবশ্য ই হালাল হতে হবে। কম খেয়ে দিন পার করতে পারার অভ্যাস গড়ে তুলা। রোজা রাখা। যুদ্ধে হইত প্রতি বেলা একটা খেজুর খেয়ে থাকতে হতে পারে। এইজন্য বন্ধু প্রস্তুতি সেরে নিই।

  • #2
    আল্লাহ তাআ'লা আমাদেরকে সেই তৌফিক দান করুন, আমিন

    Comment


    • #3
      আলহামদুলিল্লাহ! খুব সুন্দর আলোচনা

      আল্লাহ তাআলা বলেন
      وَّذَکِّرۡ فَاِنَّ الذِّکۡرٰی تَنۡفَعُ الۡمُؤۡمِنِیۡنَ

      (আয-যারিয়াত-৫৫)

      এবং বোঝাতে থাকুন; কেননা, বোঝানো মুমিনদের উপকারে আসবে।​


      " ই'দাদ / প্রস্তুতি কয়েক ধরনের হয়ে থাকে।

      শারীরিক প্রস্তুতি, মানসিক প্রস্তুতি, ইলমী প্রস্তুতি, আর্থিক প্রস্তুতি, রাজনৈতিক প্রস্তুতি, অস্ত্র পরিচালনার প্রস্তুতি। "

      হে আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে সকল ধরনের প্রস্তুতি নেওয়ার তাওফিক দাও।
      দ্বীনের জন্য কবুল কর। আমীন।

      Comment


      • #4
        প্রস্তুতি (২)

        মানসিক প্রস্তুতি।
        মানসিক প্রস্তুতি আরো গুরুত্বপূর্ণ, নিজের মনকে জিহাদের জন্য প্রস্তুত করা এবং জিহাদের পথে ধরে রাখা। শয়তান বার বার ধোকা দিবে। বিশেষ করে অভিযানে বের হওয়ার পূর্বে খুব ধোকা দেয়। এই জন্য মানসিক প্রস্তুতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
        ইলমী প্রস্তুতি।
        ইলমী প্রস্তুতি তো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ইলমী প্রস্তুতিই আপনাকে মুজাহিদ হতে সাহায্য করে । এইজন্য ইলমী প্রস্তুতির যতগুলো দিক আছে সবই অর্জন করতে হবে। আকিদার ইলম, জিহাদে মাসায়ীলের ইলম, হক্ব না হক্বের ইলম। আমীর মামুরের ইলম, জিহাদে নির্দেশনা মেনে চলার ইলম। কম্পিউটার জানা, ইংরেজি ভাষা জানাও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

        আর্থিক প্রস্তুতি।

        আর্থিক প্রস্তুতি, খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অর্থ ছাড়া যখন কিছুই করা যায় না তখন তো আর্থিকভাবে শক্তিশালী হওয়া অপরিহার্য। কারণ অনেক সময় অর্থ এমন এমন কাজে আসবে যা কল্পনা ও করা যায় না। হালাল ব্যবসা বানিজ্য করা, নিয়মিত সাদাকাহ দিয়ে আর্থিক ফান্ডকে শক্তিশালী করে রাখা।

        রাজনৈতিক প্রস্তুতি,

        রাজনৈতিক প্রস্তুতি নেয়াও জরুরী। ছোট করে দেখা ঠিক নয়। অনুমতি সাপক্ষে কতক ভাই বিভিন্ন ইসলামী রাজনীতির সাথে জড়িত থাকা। তবে অরাজনৈতিক যত প্রতিষ্ঠান আছে প্রত্যেকের সাথে নিজেকে শক্তিশালী ভাবে জড়িয়ে রাখা। মসজিদ কমিটি, ঈদগাহ কমিটি, সামাজিক বিভিন্ন সেবামূলক সংগঠনের সাথে জড়িত রাখা এবং উত্তম ভাবে উত্তম আচরণের দ্বারা কাজ করা। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাজ করলে সাথী ভাইয়েরাও সন্তুষ্ট হয়ে যাবে ইনশা আল্লাহ। পরিচিত অপরিচিত সকলের সাথেই উত্তম ব্যবহার করা, এটাও রাজনৈতিক প্রস্তুতির অংশ। মানুষের মাঝে সততার দ্বারা গ্রহণযোগ্য হওয়ার চেষ্টা করা। সর্বদাই খেয়াল রাখা যাতে কারো সাথে খারাপ আচরণ করা না হয়, এমনকি অনলাইনেও। মুসলিমদের সাথে উত্তম ব্যবহার করা। এমনকি সাধারণ অমুসলিমদের সাথেও উত্তম ব্যবহার করার নির্দেশ এসেছে, এর দ্বারা ইসলামের উপকার হয়। মাথা পিতা আত্বিয় সজনদের সাথে উত্তম আচরণ করা। সর্ব পুরি মানুষের হকের ব্যাপারে সতর্ক হওয়া, সতর্ক থাকা। জানবাহনে চলাচলের সময়ও পাশের সীটের যাত্রীর সাথে উত্তম আচরণ করা। প্রতিবেশীর হক্বের ব্যাপারে সতর্ক থাকা। প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেওয়া। সব সময় নরম ব্যবহার করা। উগ্রবাদী না হওয়া। ছোট খাট পাপে লিপ্ত মানুষের সাথে খারাপ আচরণ না করা। নিজের বাহ্যিক অবয়ব সাভা ভাবিক রাখা। সুন্নতের পাবন্ধ হওয়া। এক্ষেত্রে অস্বাভাবিক কোন আচরণ না করা যাতে জাসুসরা আপনার ব্যাপারে ধারণা পায়। যেমন: বাবরি রাখা, এমন পদ্ধতিতে যাতে কেউ দেখলেই মনে করে জঙ্গি কিছু। হয়ত কতক ভাই ভাবতে পারেন, ভাই, আপনি বাবরির বিরোধিতা করছেন!? মোঠেও না। আসলে ভাই, বাংলাদেশে মুজাহিদ ভাইদের কোন তামকিন নেই মনে করি, এই জন্য নিজেকে সাদাসিধে রাখা, যাতে অন্যান্য সাথীরা নিরাপধে থাকে এবং সাথী নিজেও জাসুস থেকে নিরাপধে থাকে। চেইনের সাথে যুক্ত ভাইদের দ্বারা তো অনিয়ম কিছু করাটা অসম্ভব। একটু স্মার্টনেজ অর্জন করা। অনেক ভাইকে পথে ঘাটে দেখা যায়, আফগানি টুপি পড়া, অনেককে আবার দেখা যায় মাথায় কালিমা খচিত ক্যাপ পড়ে! আসলে ভাই, আপনি এগুলো না পড়েও দ্বীনের কাজ করতে পারেন। যখন পূর্ণ তামকিন চলে আসবে তখন পড়তে সমস্যা নাই। মব জাতীয় কাজ থেকে অবশ্য ই দূরে থাকতে হবে। সুচিন্তিত ভাবে কাজ করে যেতে হবে। দাওয়াত ও জিহাদের ক্ষতি হয়, চেইনের ক্ষতি হয় আবেগ দিয়ে এমন কাজ না করা। শুধু বেঙ্গুলের পুকা মেরে ফেললে কোন লাভ নেই যদি না বেঙুলের বাসাকে সমূলে ধ্বংস করা যায়।নিকৃষ্ট পত্রিকার অফিস ভেঙ্গে হইত ক্ষোভ মেটানো গেছে কিন্তু তাদের প্রতি জালিমের সিম্প্যাতি বেড়ে গেছে শতভাগ। এখন তাদের অপরাধ তলে পড়ে গেছে। এইজন্য শত্রুকে আগে মনস্তাত্ত্বিক ভাবে পরাজিত করা, পরে ক্বিতাল করলে ফল আসে ভালো। আল্লাহ আমাদের বুঝার তাওফিক দান করুন আমিন।

        Comment

        Working...
        X