Announcement

Collapse
No announcement yet.

ফিকহুল জিহাদ; পর্ব ১৫ ➤ ময়দানের জিহাদ ফরয হওয়ার শর্ত: (১ম অংশ)

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • ফিকহুল জিহাদ; পর্ব ১৫ ➤ ময়দানের জিহাদ ফরয হওয়ার শর্ত: (১ম অংশ)

    দুই. ময়দানের জিহাদ ফরয হওয়ার শর্ত:

    ময়দানের জিহাদ (হোক তা ইকদামী কিংবা দিফায়ী) ফরয হওয়ার জন্য উপর্যুক্ত তিনটি শর্ত (মুসলিম; প্রাপ্তবয়স্ক এবং বিবেকবান হওয়া)-এর পাশাপাশি আরো কিছু শর্ত রয়েছে। উক্ত অতিরিক্ত শর্তসমূহ হচ্ছে—

    ৪. পুরুষ হওয়া:
    ময়দানের জিহাদ ফরয হওয়ার জন্য শর্ত হচ্ছে, পুরুষ হওয়া মহিলাদের উপর ইকদামী জিহাদ ফরয নয়। তদ্রূপ নির্ভরযোগ্য মতানুযায়ী স্বাভাবিক অবস্থায় মহিলাদের উপর দিফায়ী জিহাদও ফরয নয়
    -আল-ইকনা: ১/৩৩৫ (আলফারূকুল হাদীসাহ); বাদায়েউস সানায়ে: ৯/৩৪২ (দারুল হাদীস); রদ্দুল মুহতার: ৪/১২৫ (দারুল ফিকর); আল-উমদাহ: ৩১-৩২

    নববী যুগে আহযাব ও তাবুক যুদ্ধসহ অনেক যুদ্ধ ফরযে আইন ছিল এসকল যুদ্ধে মহিলারা জিহাদে বের হননি এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে জিহাদে বের হতে আদেশ করেননি

    তাবুক যুদ্ধে মহিলাদের অবস্থান ব্যাপারে একটি হাদীসে বর্ণিত হয়েছে,
    عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَرَجَ إِلَى تَبُوكَ، وَاسْتَخْلَفَ عَلِيًّا، فَقَالَ: أَتُخَلِّفُنِي فِي الصِّبْيَانِ وَالنِّسَاءِ؟ قَالَ: «أَلاَ تَرْضَى أَنْ تَكُونَ مِنِّي بِمَنْزِلَةِ هَارُونَ مِنْ مُوسَى إِلَّا أَنَّهُ لَيْسَ نَبِيٌّ بَعْدِي» -رواه البخاري (4416) ومسلم (2404)


    “সাদ বিন আবু ওয়াক্কাস রাদি. থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাবুক যুদ্ধে যাওয়ার সময় আলী রাদি.কে মদীনায় তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে রেখে যান তখন আলী রাদি. বললেন, আপনি কি আমাকে শিশু ও নারীদের মাঝে রেখে যাচ্ছেন? তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, আমার কাছে তোমার মর্যাদা হবে মূসা আলাইহিস সালামের কাছে হারূন আলাইহিস সালামের মর্যাদার মতো (অর্থাৎ, মূসা আলাইহিস সালামের অনুপস্থিতিতে যেভাবে হারূন আলাইহিস সালাম প্রতিনিধি ছিলেন, আমার অনুপস্থিতিতে তুমিও আমার প্রতিনিধি হবে); তবে (এতটুকু পার্থক্য যে) আমার পরে আর কোনো নবী নেই।” –সহীহ বুখারী: ৪৪১৬; সহীহ মুসলিম: ২৪০৪

    উক্ত হাদীস থেকে স্পষ্ট যে, তাবুক যুদ্ধে মহিলারা মদীনায় অবস্থান করছিলেন, যুদ্ধে অংশগ্রহন করেননি; অথচ উক্ত যুদ্ধ ব্যাপকভাবে মুসলিমদের ফরযে আইন ছিল

    তদ্রূপ আহযাবের যুদ্ধের সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মহিলাদেরকে হাসসান রাদি. এর একটি দুর্গে রেখেছিলেন; তাদেরকে জিহাদে বের হতে আদেশ করেননি
    عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، قَالَ: كُنْتُ أَنَا وَعُمَرُ بْنُ أَبِي سَلَمَةَ، يَوْمَ الْخَنْدَقِ مَعَ النِّسْوَةِ فِي أُطُمِ حَسَّانَ. –رواه مسلم (2416) والبخاري (3720)


    “আব্দুল্লাহ বিন যুবাইর রাদি. বলেন, খন্দকের দিন আমি ও উমর বিন সালামা মহিলাদের সাথে হাসসান রাদি. এর দুর্গে ছিলাম–সহীহ মুসলিম: ২৪১৬; সহীহ মুসলিম: ৩৭২০

    আম্মাজান আয়েশা রাদি. থেকে বর্ণিত হাদীসে এসেছে,
    عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللهِ، هَلْ عَلَى النِّسَاءِ مِنْ جِهَادٍ؟ قَالَ: " نَعَمْ، عَلَيْهِنَّ جِهَادٌ لَا قِتَالَ فِيهِ: الْحَجُّ وَالْعُمْرَةُ " –رواه أحمد (25322) وابن ماجه (2901) وابن أبي شيبة (12798) وابن خزيمة (3074). وقال ابن الملقن رحمه الله في البدر المنير ط. دار الهجرة (9/ 36): هذا الحديث صحيح.اهـــ وأصله في البخاري (2875)


    “আয়েশা রাদি. বলেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! মহিলাদের উপর কি জিহাদ আছে? রাসূল বললেন, হ্যাঁ, মহিলাদের উপর এমন জিহাদ আছে যেখানে যুদ্ধ নেই আর তা হচ্ছে হজ ও উমরা–মুসনাদে আহমাদ: ২৫৩২২; সুনানে ইবনে মাজাহ: ২৯০১; মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বাহ: ১২৭৯৮; সহীহ ইবনে খুযায়মাহ: ৩০৭৪ ইবনুল মালাক্কিন রহ. হাদীসটি সহীহ বলেছেন

    মহিলাদের হুকমের ন্যায় বাস্তবিক হিজড়াদের হুকুমও এমনই; স্বাভাবিক অবস্থায় তাদের উপরও কোনো প্রকার জিহাদ ফরয নয় -কিতাবুল উম্ম: ৪/১৭২ (দারুল মা’রেফা); আল-মুহাযযাব: ৩/২৬৭ (ইলমিয়্যাহ); আল-মাওসূআতুল ফিকহিয়্যাহ: ২১/২৬৮ (ওয়াযারাতুল আওকাফ)


    যেসব অবস্থায় মহিলাদের উপর জিহাদ ফরয:
    মহিলাদের উপর স্বাভাবিক অবস্থায় জিহাদ ফরয না হলেও দুই অবস্থায় ফরয হয়ে যায়;

    এক. কখনো যদি মুসলিমরা কাফের কর্তৃক এমন তীব্র আক্রমণের শিকার হয় যে, পুরুষরা এককভাবে শত্রু প্রতিহত করতে সক্ষম নয়, তখন যুদ্ধ করতে সক্ষম মহিলাদের উপর পুরুষদের সাথে মিলে শত্রুকে প্রতিহত করা ফরয হয়ে যায়।
    -শরহুস সিয়ারিল কাবীর: ১/১২৯; ৪/২১৪ (ইলমিয়্যাহ); বাদায়েউস সানায়ে: ৯/৪১৬ (দারুল হাদীস); ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া: ২/২০৬ (দারুল ফিকর)

    ইবরাহীম নাখায়ী রহ. থেকে বর্ণিত,
    عَنْ إِبْرَاهِيمَ، وَسُئِلَ عَنْ جِهَادِ النِّسَاءِ فَقَالَ: «كُنَّ يَشْهَدْنَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَيُدَاوِينَ الْجَرْحَى، وَيَسْقِينَ الْمُقَاتِلَةَ، وَلَمْ أَسْمَعْ مَعَهُ بِامْرَأَةٍ قُتِلَتْ، وَقَدْ قَاتَلْنَ نِسَاءُ قُرَيْشٍ يَوْمَ الْيَرْمُوكِ حِينَ رَهَقَهُمْ جُمُوعُ الرُّومِ حَتَّى خَالَطُوا عَسْكَرَ الْمُسْلِمِينَ، فَضَرَبَ النِّسَاءُ يَوْمَئِذٍ بِالسُّيُوفِ فِي خِلَافَةِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ» -رواه عبد الرزاق (9673). رواة هذا الإسناد كلهم ثقات.


    “ইবরাহীম নাখায়ী রহ. থেকে বর্ণিত। তাঁর কাছে নারীদের উপর জিহাদের বিধান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন— ‘নারীরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে যুদ্ধে উপস্থিত হতেন। তারা আহতদের চিকিৎসা করতেন এবং যোদ্ধাদের পানি পান করাতেন। তাঁর সাথে (যুদ্ধে) কোনো নারী নিহত হয়েছে—এমন কথা আমি শুনিনি। তবে উমর রাদি.-এর শাসনামলে ইয়ারমুকের যুদ্ধে যখন রোমান বাহিনী মুসলমানদের ওপর চড়াও হয়ে মুসলিম বাহিনীর মধ্যে ঢুকে পড়েছিল, তখন কুরাইশের নারীরা তলোয়ার হাতে যুদ্ধ করেছিল–মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক: ৯৬৭৩

    ফিকহের কিতাবে যে ‘নাফীরে আম’ হওয়া অবস্থায় মহিলাদের উপর জিহাদ ফরয হওয়ার কথা বলা হয়েছে, তা দ্বারা মূলত উক্ত অবস্থা বুঝানো হয়েছে

    শামসুল আইম্মাহ সারাখসী রহ. (৪৯০ হি.) বলেন,
    قال: لا يعجبنا أن يقاتل النساء مع الرجال في الحرب. ... إلا أن يضطر المسلمون إلى ذلك، فإن دفع فتنة المشركين عند تحقق الضرورة بما يقدر عليه المسلمون جائز بل واجب. ... وأية حاجة إلى قتال النساء أشد من هذه الحاجة حين فروا عن رسول الله صلى الله عليه وسلم وأسلموه. وفي هذا بيان أنه لا بأس بقتالهن عند الضرورة؛ لأن الرسول لم يمنعها في تلك الحالة، ولم ينقل أنه أذن للنساء في القتال في غير تلك الحالة.اهــــ -شرح السير الكبير (1/ 129، 130) ط. العلمية


    “গ্রন্থকার (ইমাম মুহাম্মদ রহ.) বলেন— মহিলাদের জন্য পুরুষদের সাথে স্বশস্ত্র যুদ্ধ করা আমাদের কাছে পছন্দনীয় নয়। তবে মুসলিমরা যদি এমন পরিস্থিতির শিকার হয় যে, মহিলারা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করা আবশ্যক হয়ে যায়, তাহলে ভিন্ন কথা। কেননা, বাস্তবিক প্রয়োজনের সময় মুসলিমদের সামর্থ অনুযায়ী মুশরিকদের ফিতনা প্রতিহত করা বৈধ; বরং ফরয। (আর সামর্থের ভিতরে মহিলারা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করাও অন্তর্ভুক্ত।) ... আর এরচেয়ে কখন মহিলাদের জন্য যুদ্ধে অংশগ্রহণ করা অধিক প্রয়োজন হতে পারে, যখন (হুনাইনের যুদ্ধে) সাহাবায়ে কেরাম রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে পলায়ন করে তাঁকে শত্রুর মুখে ফেলে দিয়েছিলেন? এ থেকে প্রমাণিত হয় যে, প্রয়োজনের সময় মহিলারা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে অসুবিধা নেই। কেননা, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন অবস্থায় মহিলাদেরকে যুদ্ধ করতে বারণ করেননি। এমন পরিস্থিতি ছাড়া রাসূল যে মহিলাদেরকে যুদ্ধ করার অনুমতি দিয়েছেন—এমন কোনো বর্ণনা নেই।” –শরহুস সিয়ারিল কাবীর: ১/১২৯, ১৩০ (ইলমিয়্যাহ)

    সারাখসী রহ. (৪৯০ হি.) আরো বলেন,
    إن كان لها زوج فإنها لا تخرج إلا بإذن زوجها، إلا إذا كان النفير عاما وكان في خروجها قوة للمسلمين، ولا ينبغي لها أن تلي القتال إذا كان هناك من الرجال من يكفيها، ... وعند الحاجة لا بأس بذلك.اهــــ -شرح السير الكبير (4/ 214) ط. العلمية


    “যদি মহিলার স্বামী থাকে, তাহলে স্বামীর অনুমতি ছাড়া জিহাদে বের হতে পারবে নাতবে যদি ‘নফীরে আম’ হয় এবং মহিলা বের হওয়াতে মুসলিমদের শক্তি বৃদ্ধি পায়, তাহলে ভিন্ন কথা। তবে এমতাবস্থায়ও তার জন্য সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করা উচিৎ নয়; যতক্ষণ পুরুষ দ্বারা যুদ্ধ যথেষ্ট হয়ে যায়। তবে প্রয়োজন মুহূর্থে তাদের জন্য যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে আপত্তি নেই।” –শরহুস সিয়ারিল কাবীর: ৪/২১৪ (ইলমিয়্যাহ)

    ইমাম আবু বকর কাসানী রহ. (৫৮৭ হি.) বলেন,
    لا يجب القتال على الصبي والذمي أصلا؟ ولا يجب على المرأة والعبد إلا عند الضرورة؟ وهي ضرورة عموم النفير.اهــــ -بدائع الصنائع (9/ 416) ط. دار الحديث


    “নাবালক ও যিম্মীর উপর কোনো অবস্থায়ই যুদ্ধ করা ফরয নয় তদ্রূপ মহিলা ও গোলামের উপর প্রয়োজন মুহূর্ত; তথা ব্যাপকভাবে সকল বেরিয়ে পড়া ছাড়া শত্রু প্রতিহত করা সম্ভব নয়, এমন পরিস্থিতি ছাড়া যুদ্ধ করা ফরয নয়–বাদায়েউস সানায়ে: ৯/৪১৬ (দারুল হাদীস)

    দুই. যদি কোনো মহিলা কাফের কর্তৃক জান কিংবা সম্ভ্রমের উপর আক্রমণের শিকার হয়, তাহলে আত্মরক্ষা এবং সম্ভ্রব রক্ষার লক্ষ্যে সাধ্য অনুযায়ী প্রতিহত করা ফরয। -আহকামুল কুরআন লিল-জাসসাস: ২/৫০২ (ইলমিয়্যাহ); আল-জিহাদ ওয়াল কিতাল: ১/৮২, ৮৩ (দারুল বায়ারিক); আল-উমদাহ: ৩২

    সহীহ মুসলিমের এক বর্ণনায় এসেছে,
    عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ أُمَّ سُلَيْمٍ اتَّخَذَتْ يَوْمَ حُنَيْنٍ خِنْجَرًا، فَكَانَ مَعَهَا، فَرَآهَا أَبُو طَلْحَةَ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللهِ، هَذِهِ أُمُّ سُلَيْمٍ مَعَهَا خِنْجَرٌ، فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَا هَذَا الْخِنْجَرُ؟» قَالَتْ: اتَّخَذْتُهُ إِنْ دَنَا مِنِّي أَحَدٌ مِنَ الْمُشْرِكِينَ، بَقَرْتُ بِهِ بَطْنَهُ، فَجَعَلَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَضْحَكُ. -رواه مسلم (1809)


    “আনাস রাদি. থেকে বর্ণিত, হুনাইনের যুদ্ধের দিন উম্মে সুলাইম রাদি. একটি খঞ্জর নিয়েছিলেন। সেটি (ঐদিন) তাঁর সাথে ছিল। (উম্মে সুলাইম রাদি.-এর স্বামী) আবু তালহা রাদি তাঁকে দেখে বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল! এই যে উম্মে সুলাইম, তার সাথে খঞ্জর রয়েছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘খঞ্জরটি কী জন্য?’ তিনি বললেন, ‘আমি এটি নিয়েছি এ জন্য যে, যদি কোনো মুশরিক আমার কাছে ঘেঁষে, এটি দিয়ে আমি তার পেট চিরে ফেলব।’ এ কথা শুনে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসতে লাগলেন।” –সহীহ মুসলিম: ১৮০৯

    অন্য এক বর্ণনায় এসেছে,
    عن عَبّادِ بنِ عبدِ اللَّهِ بنِ الزُّبَيرِ قال: كانَت صَفيَّةُ بنتُ عبدِ المُطَّلِبِ في حِصنِ حَسّانَ بنِ ثابِتٍ حينَ خَندَقَ النَّبِىُّ صلى الله عليه وسلم. قالَت صَفيَّةُ: فمَرَّ بنا رَجُلٌ مِن يَهودَ فجَعَلَ يُطيفُ بالحِصنِ، ... فلَمّا قال ذَلِكَ احتَجَزتُ وأخَذتُ عَمودًا ثُمَّ نَزَلتُ مِنَ الحِصنِ إلَيه فضرَبتُه بالعَمودِ حَتَّى قَتَلتُه.اهــــ -رواه البيهقي (12901) وابن إسحاق في المغازي –كما في سيرة ابن هشام ت السقا (2/ 228)-. هذا إسناد حسن، لكنه مرسل.


    “আব্বাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন যুবায়ের রহ. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন— খন্দকের যুদ্ধের সময় যখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পরিখা খনন করছিলেন, তখন সাফিয়্যা বিনতে আব্দুল মুত্তালিব রাদি. হাসসান ইবন সাবিত রাদি.-এর দুর্গে ছিলেন। সাফিয়্যা রাদি. বলেন, ‘একজন ইহুদি ব্যক্তি আমাদের দুর্গের চারদিকে ঘোরাঘুরি করতে লাগল। (অর্থাৎ গুপ্তচরবৃত্তি করছিল)। … অতঃপর যখন হাসসান ওযর প্রকাশ করলেন, আমি কমর শক্ত করে বেঁধে একটি লাঠি হাতে নিলাম তারপর দুর্গ থেকে নেমে তার কাছে গিয়ে লাঠি দিয়ে আঘাত করতে করতে হত্যা করে ফেললাম–সুনানে বায়হাকী: ১২৯০১; সীরাতে ইবনে হিশাম: ২/২২৮

    আগের পর্ব:

    ফিকহুল জিহাদ; পর্ব ১৪ ➤ জিহাদ ফরয হওয়ার শর্ত:
    - https://dawahilallah.com/forum/মূল-ফ...
    Last edited by Rakibul Hassan; 10 hours ago.

  • #2
    আল্লাহ এই সিরিজ পর্বগুলোকে কবুল করুন। উম্মাহর জন্য উপকারী বানান। আমীন
    ‘যার গুনাহ অনেক বেশি তার সর্বোত্তম চিকিৎসা হল জিহাদ’-শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহ.

    Comment


    • #3
      ধারাবাহিকভাবে পর্বগুলো চালিয়ে যান ইনশাআল্লাহ।

      হে
      আল্লাহ! উক্ত ভাইয়ের মেহনত কবুল কর।
      আমাদেরকে দ্বীনের জন্য কবুল কর।

      হে আল্লাহ! আমাদেরকে শুহাদাদের অন্তর্ভুক্ত কর।
      আমীন। আমীন।


      Comment

      Working...
      X