Announcement

Collapse
No announcement yet.

অলংকারের চেয়েও মূল্যবান যে উপহার! || শহীদ উস্তাদ আহমাদ ফারুক রহিমাহুল্লাহ’র মুহতারামা স্ত্রী’র ঈমানদীপ্ত স্মৃতিচারণ

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • অলংকারের চেয়েও মূল্যবান যে উপহার! || শহীদ উস্তাদ আহমাদ ফারুক রহিমাহুল্লাহ’র মুহতারামা স্ত্রী’র ঈমানদীপ্ত স্মৃতিচারণ



    আমার হিজরতের জীবনের আনন্দময় একটা ঘটনা এখন বলবো। একদিন তিনি ঘরে এসে আমাকে বললেন, “দেখবে তোমার জন্য কি নিয়ে এসেছি?” এটা বলে তাঁর উভয় হাতকে আমার সামনে ধরলেন। তাঁর হাতে কোনো অলংকার, কাপড় অথবা সুগন্ধি ইত্যাদি কিছুই ছিল না। বরং সেখানে ছিল একটি ছোট চকচকে পিস্তল। এটা তিনি আমার জন্যই এনেছিলেন। আমার পিস্তল! এটাই আমার প্রথম অস্ত্র ছিল। একজন মহিলা স্বর্ণ অলংকার দ্বারা সুসজ্জিত হয়ে যে আনন্দ পায় আমি তার চেয়ে বেশি আনন্দ পেয়েছিলাম। আমার কাছে মনে হয়েছিল আমি এ পিস্তল পেয়ে যে আনন্দ পেয়েছি তা অন্য কোনো মহিলা হাজারো উপহার পেলেও পাবে না। তাছাড়া আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের উদ্দেশ্যে অস্ত্র পাওয়ার মর্যাদাই আলাদা। অস্ত্র সংগ্রহ আর ব্যবহারে কষ্ট যত বেশি হবে সাওয়াবের ওয়াদাও তত বেশি। এই চিন্তা আমার আনন্দকে আরো কয়েকগুণ বৃদ্ধি করে দিয়েছিল।

  • #2
    জি! আপনি সুন্দর কথা বলেছেন।
    কারণ! আপনি তো খাওলা রা. উওরসূরি।
    আর এটাই প্রত্যেক মুমিনদের হওয়া উচিত।
    আল্লাহ তাআলা বলেন


    وَاَعِدُّوۡا لَہُمۡ مَّا اسۡتَطَعۡتُمۡ مِّنۡ قُوَّۃٍ وَّمِنۡ رِّبَاطِ الۡخَیۡلِ تُرۡہِبُوۡنَ بِہٖ عَدُوَّ اللّٰہِ وَعَدُوَّکُمۡ وَاٰخَرِیۡنَ مِنۡ دُوۡنِہِمۡ ۚ لَا تَعۡلَمُوۡنَہُمۡ ۚ اَللّٰہُ یَعۡلَمُہُمۡ ؕ وَمَا تُنۡفِقُوۡا مِنۡ شَیۡءٍ فِیۡ سَبِیۡلِ اللّٰہِ یُوَفَّ اِلَیۡکُمۡ وَاَنۡتُمۡ لَا تُظۡلَمُوۡنَ

    অর্থঃ
    অর্থঃ আর প্রস্তুত কর তাদের সাথে যুদ্ধের জন্য যাই কিছু সংগ্রহ করতে পার নিজের শক্তি সামর্থ্যের মধ্যে থেকে এবং পালিত ঘোড়া থেকে, যেন প্রভাব পড়ে আল্লাহর শুত্রুদের উপর এবং তোমাদের শত্রুদের উপর আর তাদেরকে ছাড়া অন্যান্যদের উপর ও যাদেরকে তোমরা জান না; আল্লাহ তাদেরকে চেনেন। বস্তুতঃ যা কিছু তোমরা ব্যয় করবে আল্লাহর রাহে, তা তোমরা পরিপূর্ণভাবে ফিরে পাবে এবং তোমাদের কোন হক অপূর্ণ থাকবে না।

    ---------------------

    তাফসীর (মুফতী তাকী উসমানী) (Bangla)

    ৪৩. গোটা মুসলিম উম্মাহর প্রতি এটা এক স্থায়ী নির্দেশ যে, তারা যেন ইসলাম ও মুসলিমদের প্রভাব-প্রতিপত্তি প্রতিষ্ঠিত রাখার লক্ষ্যে সব রকম প্রতিরক্ষা শক্তি গড়ে তোলে। কুরআন মাজীদ সাধারণভাবে ‘শক্তি’ শব্দ ব্যবহার করে বোঝাচ্ছে যে, রণপ্রস্তুতি বিশেষ কোনও অস্ত্রের উপর নির্ভরশীল নয়। বরং যখন যে ধরনের প্রতিরক্ষা-শক্তি কাজে আসে, তখন সেই রকম শক্তি অর্জন করা মুসলিমদের জন্য অবশ্য কর্তব্য। সুতরাং সর্বপ্রকার আধুনিক অস্ত্র-শস্ত্রও এর অন্তর্ভুক্ত। এ ছাড়া মুসলিমদের জাতীয়, সামাজিক ও সামরিক উন্নতির জন্য যত রকমের আসবাব-উপকরণ দরকার হয়, সে সবও এর মধ্যে পড়ে। আফসোস আজকের মুসলিম বিশ্ব এ ফরয আদায়ে চরম অবহেলা প্রদর্শন করেছে। ফলে আজ তারা অন্যান্য জাতির আশ্রিত ও বশীভূত জাতিতে পরিণত হয়েছে। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে এ সূরতহাল থেকে পরিত্রাণ দিন।
    ৪৪. এর দ্বারা মুসলিমদের সেই সকল শত্রুকে বোঝানো হয়েছে, যারা তখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসেনি, যেমন রোমান ও পারস্য জাতি। তারা প্রকাশ্য শত্রুতা করেছিল আরও পরে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনের শেষ দিকে, খোলাফায়ে রাশেদীনের আমলে এবং তারপরেও তাদের সঙ্গে মুসলিমদের যুদ্ধ-বিগ্রহ চলে।​
    আল আনফাল, আয়াতঃ ৬০​

    আর আপনি তো এরই প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

    Comment

    Working...
    X